somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

~~~স্মৃতিচারণঃ ২৫ ফেব্রুয়ারী........

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২৫ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, সকাল ৯টা, আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে। তখনো গভীর ঘুমে আমি। পরিচিত একজনের ফোন পেয়ে ঘুম থেকে জাগলাম। তার কাছ থেকে জানতে পারলাম বিডিআর সদর দপ্তরে খুব গন্ডগোল হচ্ছে, গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। তারপর থেকে নাওয়া খাওয়া ভুলে টেলিভিশন সেটের সামনেই বসে ছিলাম প্রায় দুই দিন, এরপর বেশ ক’দিন খেতে পর্যন্ত পারিনি। ঐ সময়টাতে কেমন যেন একটা আতঙ্ক ছিল চারিদিকে। কি ঘটছে কি হচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।
সকাল আনুমানিক এগার টার দেখলাম পিলখানার তিন নম্বর গেটে(নিউমার্কেট সংলগ্ন) কয়েকজন মুখ বাঁধা বিডিআর জওয়ানদের, তাদের সাথে সংবাদ কর্মীরা কথা বলতে চাইলে তারা প্রথমে কিছু বলতে না চাইলেও পরে তাদের বিভিন্ন দাবী ও বিডিআর-এর দুর্নীতির কথা বলেন, হতাহতের কথা জিজ্ঞেস করলে বলেন অফিসারদের আটকে রাখা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলোও ছিল জওয়ানদের জন্য পাবলিক সিমপ্যাথী তৈরী করার মত। অন্য অনেকের মত আমার মাঝেও তাদের জন্য ছিল সমবেদনা।
দুপুরের দিকে মিখে কাপড় বাঁধা এক জওয়ান বিডিআর মহাপরিচালক মেঃজেঃ শাকিল আহমেদ-কে হত্যার কথা স্বীকার করেন, তবে বলেন অন্যদের আটকে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে একটা ব্লগ সাইটে একজন লিখলেন ১৯ জন আর্মি অফিসার, ও ২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন। পিলখানার আকাশে তখন টহল দিচ্ছিল বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার, ঐ হেলিকপ্টার লক্ষ্য করেও কয়েকবার গুলি ছোড়া হয়েছে; আর নিচে পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছিল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর মাঝেই দেশের অন্যান্য জায়গা থেকেও বিডিআর বিদ্রোহের খবর আসতে থাকে। সরকারী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য হ্যান্ড মাইকে বিডিআর জওয়ানদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন, পরে পিলখানার ভিতরে ঢুকেন। ৪ টার দিকে ১৪ সদস্যের বিডিআর-এর দল তাদের দাবী-দাওয়া নিয়ে পৌছায় প্রধানমন্ত্রির বাস ভবনে। মিটিং শেষে বিদ্রোহী জওয়ানদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করা হয়। তখনো থেমে থেমে গুলির আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল।
রাত ১০ টার দিকে পিলখানার সামনেই ৪ জন জওয়ান মিটিং করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রির সাথে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রি সাহারা খাতুন, পুলিশের আই জি নূর মোহাম্মদ ও আইন প্রতিমন্ত্রি কামরুল ইসলাম রাত সাড়ে বারোটার দিকে পিলখানার ভিতরে জওয়ানদের সাথে আত্মসমর্পনের ব্যাপারে আলোচনা করেন। এর মাঝে কত ধরনের খবর যে এসেছে, তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। অনেক রাতে(সম্ভবতঃ সাড়ে তিনটায়) বি টি ভি-তে দেখলাম কিছু জওয়ান অস্ত্রসমর্পণ করেছে, এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রির সাথে বেশ কিছু আর্মি অফিসারের পরিবারের সদস্যরা বের হয়ে আসেন, একজন সদ্য বিধবা হওয়া অফিসারের স্ত্রী বলেন প্রায় ৪০/৫০ জন অফিসারকে হত্যা করা হয়েছে। হতবাক হয়ে গেলাম, তবে তখনো কথাটা নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারিনি।
ভোরের দিকে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ পিলখানার ভিতরে যান, এর পর আরো ক’জন সংসদ সদস্য ভিতরে ঢুকেন। সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রি আরো কিছু পরিবারের সদস্যদের পিলখানার বাইরে নিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পর পরই মিডিয়া সহ বিভিন্ন সুত্র থেকে তথ্য আসছিল আর শঙ্কিত হয়ে পরছিলাম।
দুপুরে আবারো ভারী গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম, এর মাঝেই মোবাইল নেটওয়ার্ক সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। ৩ টার দিকে প্রধানমন্ত্রি তার ভাষনে জওয়ানদের অস্ত্র ছেড়ে দিয়ে ব্যারাকে যেতে বলেছেন। নইলে দেশের স্বার্থে কঠোর ভূমিকা নিতে বাধ্য হতে হবে।
দুপুর গড়িয়ে যখন বিকেল, ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক বহর আসতে শুরু করল পিলখানার দিকে, কেমন যেন একটা যুদ্ধ-যুদ্ধ অবস্থা, নিজের সাথে নিজের যুদ্ধ! ততক্ষণে পিলখানার আশে পাশের এলাকা খালি হয়ে গেছে। এদিকে জওয়ানরা সবাই আত্মসমর্পণ করতে শুরু করল। সেই সাথে আটকে থাকা অফিসাররাও মৃত্যু কূপ থেকে বের হয়ে আসতে থাকেন। সন্ধ্যায় তাদের অস্ত্র সমর্পণ শেষ হল।
এরই মধ্যে স্যুয়ারেজ ড্রেনে কিছু অফিসারের লাশ পাওয়া যায়। বাকী নিখোঁজদের খুঁজতে আর্মির বিশেষ একটি দল পিলখানায় প্রবেশ করে। তারা যা খুঁজে বের করল তা দেখে যে কেউ বাকরুদ্ধ হয়ে পরবে, আমার ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে, বেশ ক’টি গণ কবর(সেনা অফিসারদের), কিছু অফিসারদের মারার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়। পরে শুনলাম বিডিআর মহাপরিচালক মেঃজেঃ শাকিল আহমেদ-এর স্ত্রী সহ ক’জন অফিসারের পরিবারের সদস্য নির্যাতিতও হয়েছিলেন, একী মানুষের কাজ!
এই হত্যাযজ্ঞে হতাহতের সর্বশেষ যে তথ্য পাওয়া যায় তা নিম্নরূপঃ
- ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়
- ১ জন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়
- ২ জন সেনা কর্মকর্তার পত্নীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়
- ৪০ জন সেনা কর্মকর্তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়
- ২ জন সেনা কর্মকর্তা নিখোঁজ আছেন;
- ৫ জন বিডিআর-এর নন কমিশন অফিসার ও সৈনিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়;
- ৫ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়।
এ হত্যাকান্ডকে কি বিদ্রোহ বলা যায়? এতো বড় হত্যাকান্ড এই বাংলাদেশে ’৭৫-এর পর আর ঘটেনি।


এতো বড় ঘটনা অপরিকল্পিত ভাবে সংগঠিত হওয়া সম্ভব নয়, এর পিছনে অনেক বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে। জওয়ানরা অপরিকল্পিত ভাবে বিদ্রোহ ঘোষনা করে নিজের দেশের আর্মি অফিসার সহ এতগুলো মানুষকে হত্যা করার মত ঘটনা ঘটাবে তা আদৌ সম্ভব নয়। তাই মনে কিছু প্রশ্ন জাগেঃ
*ঐ সময়ে যে বিডিআর সদস্যরা পিলখানায় ছিলেন, তাদের বেশির ভাগই ঢাকার বাইরে থেকে আসা, তাদের মধ্যে সবাইকে কমান্ড দেওয়ার মত তেমন কেউ ছিল বলে মনে হয় না, তবে কিভাবে এ বিদ্রোহ ঘটল?
*এই বিদ্রোহের কথা এতোগুলো গোয়েন্দা সংস্থার কেউই কিভাবে আঁচ করতে পারল না?
*বিদ্রোহের পর কেন এত হতাহতের ঘটনা ঘটল(সরকারের সাথে আলোচনা করার পরেও)?
*কেন তাদের লাশ সরিয়ে ফেলার পায়তারা ছিল?
*কিভাবে এত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর থাকা সত্ত্বেও জওয়ানরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল?


বিডিআর সদস্যদের কিছু যৌক্তিক দাবীও ছিলঃ
* বিডিআর-এর নিজস্ব অফিসার না থাকা;
* তাদের সাথে সেনা অফিসারদের দুর্ব্যবহার;
* তাদের বেতন-ভাতা ও রেশন সেনাবাহিনীর অনুপাতে দেওয়া;
* জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে তাদের যাওয়ার সুযোগ দেওয়া;

আর উপরের কোন দাবীই অগ্রাহ্য করার মত নয়। আর তা পূরণ করাটাও অসম্ভব নয়। বিডিআর দু’টি নিয়মের যে কোন একটিতে চালিত হতে পারে; (১) সেনাবাহিনীর হাই-কমান্ড দ্বারা পরিচালিত হয়ে, (২) সরাসরি নিজেদের অফিসার দ্বারা পরিচালিত হয়ে। দ্বিতীয় পন্থা অবলম্বন করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী, বি এস এফ(বর্তমানে পৃথিবীর বৃহত্তম বর্ডার পেট্রোল এজেন্সী, ১৫৭ টি ব্যাটালিয়ন, সদস্য সংখ্যা ২২০,০০০), যার বর্তমান ডি জি এম এল কামাওয়াত, তিনি কর্মরত ছিলেন ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস, আন্দ্র প্রদেশে। আর বিডিআর-এর বর্তমান গঠনতন্ত্র অনেকটা পাকিস্তানী র্যাঞ্জারসদের মত, প্রথম পন্থা অবলম্বন করে আছে। আর নিজেদের অফিসার থাকলে সেনা অফিসার কর্তৃক দুর্ব্যবহারের প্রশ্নই আসে না।
দ্রব্যমূল্যের এই ক্রমবর্ধমান বাজারে বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করাটা বা রেশন চাওয়াটাও অযৌক্তিক কিছু নয়।
বাকী থাকে জাতিসংঘের শান্তি মিশনের কথা; সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরা যদি তাতে যেতে পারে, তবে বিডিআর সদস্যরা কেন যেতে পারবে না, যেখানে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের বি এস আফ নিয়মিত জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে যাচ্ছে।

এই যৌক্তিক দাবীগুলো যে কোন উপায়ে উত্থাপন করা সম্ভব ছিল, এজন্য বিদ্রোহ করার কোন যৌক্তিকতা নাই। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে এই দাবীগুলোকে পুঁজি করে জওয়ানদের একটা গ্রূপ(যারা আদৌ বিডিআর সদস্য কিনা প্রশ্নবিদ্ধ) অন্যান্য সাধারণ জওয়ানদের ক্ষেপিয়েছে এই বিদ্রোহের জন্য। আর ঐ গ্রূপের উদ্দেশ্য ছিল বিদ্রোহের ফাঁকে সেনা সদস্যদের হত্যা করে দেশে একটা গৃহ যুদ্ধের মত অবস্থা সৃষ্টি করা। হত্যার পর লাশ জ্বালিয়ে দেওয়া ও গণ কবর দেওয়া আর এর সাথে সাথে আলোচনার কথা বলে কালক্ষেপণ করা ছিল তাদের একটি পূর্ব পরিকল্পিত উদ্দেশ্য, যাতে সেই সময়ে তারা সাধারণ জওয়ানদের বেশে পালিয়ে যেতে পারেন।
আর এটা কোন হুট করে তৈরী করা পরিকল্পনা না, এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ। আর এই ষড়যন্ত্রের মূলে হয়তো কোন বিদেশী শক্তিও থাকতে পারে। সরকারের ভিতর থেকে শুরু করে গোয়েন্দা সংস্থা, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বত্রই তাদের লোকজন ছিল বা এখনো আছে। এতোগুলো গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে কেউ তো এই ঘটনা সম্পর্কে আগে জানতে পারেনি, এটি একটি ভীষণ রকম গোয়েন্দা ব্যর্থতা।
আর এরপর হাজার হাজার জওয়ান পিলখানা থেকে পালিয়ে গেল, অথচ তখন পুরো এলাকা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী(পুলিশ, র্যাব) দ্বারা বেষ্টিত। এটাও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চরম ব্যর্থতা, যা তারা অস্বীকার করতে পারবে না।
আমি সেনাবাহিনীকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই, কারণ বিডিআর বিদ্রোহ চলাকালীন ও পরবর্তী সময় তাদের অবস্থান ছিল খুবই সুদৃঢ়, তারা ঠান্ডা মাথায় এই হত্যাকান্ড পরবর্তী সময়ে সবকিছু সামলে নিয়েছিলে, নতুবা আরো খারাপ কোন অবস্থার সৃষ্টি হলে হতে পারতো।
পরিশেষে, আমি বর্তমান সরকার প্রধানের কাছে বিনীত অনুরোধ করব যে, গত এক বছরে অনেক ভুল, হঠকারী সিদ্ধান্ত আপনারা নিয়েছেন, আর না! সেনা সদস্যরা যেমন আমাদের আপনজন, বিডিআর সদস্যরাও আমাদেরই আপনজন। তাদের ন্যায্য দাবীগুলো নিয়ে একটু ভাবুন। আর দলীয় পরিচয় বাদ দিয়ে আপনি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দেশী ও বিদেশী খুনীদের খুঁজে বের করার ব্যবস্থা করুন, সঠিক বিচারের ব্যবস্থা করুন। আর যে ব্যর্থ গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বর্তমানে কর্মরত, যাদের কাজ সরকারের ভিন্ন মত পোষণকারীদের বিরুদ্ধে অপারেশন চালানো(ক্রসফায়ার), তাদের নতুন ভাবে গড়ে তুলুন, যেন তারা সরকারী দলের স্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থে কাজ করতে পারে। নতুবা, সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারলে আপনার সরকারের গ্রহনযোগ্যতাও আর কারো কাছে থাকবে না।।
১২টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×