somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভন্ড পীরের ভন্ডামি বনাম মিডিয়ার কারসাজি

০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইসলামী শাসন ব্যবস্থা তথা সুশাসন কায়েম উৎখাত কল্পে আমাদের পরান্নভোজী সুশীলরা ইসলামী রাজনীতি বন্ধের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঐসব মেরুদন্ডহীন সরিসৃপদের ফ্ল্যাটফর্ম হলো প্রথম আলো। তথাকথিত সুশীল তত্ত্বাবধায়কের সম্প্রসারিত সরকার বর্তমান ডিজিটাল সরকারের সময়ে এই প্রচেষ্টা লক্ষ্যনীয়ভাবে বৃদ্ধি হয়েছে। এদের প্রথম কর্তব্য হলো ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েমের জন্য যারা রাজনীতি করতে চায় তাদের তা থেকে বিরত রাখা।এ লক্ষ্যে তারা প্রচারনা ও শক্তিপ্রয়োগ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রচারনা হলো এরুপ যে,এরা সেকেলে,গোড়া,প্রগতিহীন,জঙ্গী,নারী লোভী প্রভৃতি । প্রচারনার দায়িত্বটা নিল প্রথম আলো ও তার সমমনারা। আর শক্তিপ্রয়োগটা হলো দল নিষিদ্ধকরন,রাজনীতি নিষিদ্ধকরন,যুদ্ধপরাধীর বিচার,সমাবেশে ১৪৪ ধারা জারি প্রভৃতি।প্রচারনা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির সুবিধার্থে কিছু লেবাসধারী মোল্লারাও এদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে শক্তিপ্রয়োগের দায়িত্বটা নিল আওয়ামী লীগ। পূর্বে নিয়েছিল যথাক্রমে খালেদা ও ফখরুদ্দিন সরকার। প্রচারনা তথা ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে সমাজে বিদ্বেষ সৃষ্টি,ঘৃনা সৃষ্টি আর বলপ্রয়োগের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয়করন; এই উভয় কার্যক্রমই মূলত বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমেরিকায় ইচ্ছায় হচ্ছে। আমেরিকার এই ইচ্ছার সাথে কিছু টুকটাক ছেলা-ছামুন্ডার ইচ্ছা মিলে গেছে যেমন ইহুদী,খ্রিস্টান ও হিন্দু বিশ্বের। ফলে যারা ইসলামী ন্যায়বিচারের ক্ষমতায়ন বিরোধী যারা,তাদের আয় রোজগারের পথ খুলে গিয়েছে আর টাকার দরকার নেই যারা সেসব ন্যায়বিচার বিদ্বেষীদের মানসিক প্রশান্তির ব্যবস্থা হয়েছে। ব্যপারটা এরকম যে, টাকাওয়ালা খ্রিস্টান বিশ্বের পরিকল্পনায়,ইহুদী বিশ্বের সহযোগিতায়, হিন্দু বিশ্বের কূট কৌশলে আর পরান্নভোজী স্বজাতীয় দালালদের উচ্ছাসে ন্যায়বিচারের ক্ষমতায়নের রাজনীতি তথা ইসলামী রাজনীতি উৎখাতের আন্দোলন এখন তুঙ্গে।
এরই অংশ হিসেবে আওয়ামী সরকার এবার এসে যে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছে তা হলো ইসলামী আন্দোলনের মোকাবেলায় হুজুর লেবাসধারী লোকদের ব্যবহারকরন। অবশ্য প্রথম কাজটা ফখরুদ্দিন সরকার ভালোমতোই করতে সক্ষম হয়েছে। তারা কবর পূজারী মাওলানা সালাউদ্দীনকে বায়তুল মোকাররমের খতিব বানিয়ে জাতীয় মসজিদকে মাজারওয়ালাদের ঘাটি বানিয়েছেন। আর হাসিনা সরকার শামীম আফজাল চৌধুরীকে বানিয়েছেন ইফার ডিজি। এই মুজিবভক্ত মসজিদ ভিত্তিক কার্যক্রমকে প্রায় স্থগিত করে,দেশব্যাপী মাজারের তালিকা করে গান্জাখোরদের জন্য অনুদানের ব্যবস্থা করেন।শুধু তাই নয়,কাঙ্গালীনী সুফিয়া,আখি আলমগীরদের গজলের বিচারক বানিয়ে ইফায় গজল অনুষ্ঠান করেন।মহাজোট শরীক ভেজাল কমিউনিস্ট মেনন সাহেব তরিকত ফেডারেশনের অনুষ্ঠানে ইসলাম শিক্ষা দেন।

মূলধারার ইসলামী আন্দোলন ঠেকানোর জন্য যত্র-তত্র পুরোনো নতুন মাজার গুলোকে সরকার ডোনেশন দিয়ে রাত বিরাতে ইসলামের নামে ইসলামবিরোধীদের আখড়া বানিয়েছে। পাঠক একটু খেয়াল করলেই দেখবেন,শহরের আনাচে কানাচে পীর মুরীদ আর মাজারে মাজারে লেংটা বাবা,খাজা বাবা,দোহাই বাবারা গিজ গিজ করছে।উচ্চ বাদ্যে-যন্ত্রের মাইক থেকে অনবরত গান বাজনা,আর ইসলামী রাজনীতি বিদ্বেষী বক্তৃতা করা হচ্ছে।আর এসব মাহফিলের প্রধান অতিথি হচ্ছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপি ও তার সাঙ্গপাঙ্গ ক্যাডাররা।মাহফিল শেষে রাতভর চলে গান্জার আসর।এসব আসরে বাবার দোহাই দিয়ে বৃষ্টি,রোদ,আয় রোজগার কামনা করে শিরক করা শেখানো হচ্ছে। শুধু তাই নয় স্বতন্ত্র পীরের মুরীদদের জন্য স্বতন্ত্র পোশাক-আশাক বিক্রি করা হচ্ছে। যেমন-লাল লুঙ্গি,সবুজ পাগড়ি ইত্যাদি।

ঢাকার রাজার বাগের দিল্লুর রহমান পীরকে তো পাঠকের না চেনার কথা নয়।জিহাদ বিদ্বেষী এই পীর সাহেব গত নির্বাচনের আগে হঠাৎ মতিঝিল বিমান অফিসের সামনে বকের ঠ্যাং এর বিরুদ্ধে জিহাদ করে বসেন,আর সুশীলরা ইস্যুটিকে জামায়াত-বিএনপির বিরুদ্ধে ব্যবহার করেন। ব্যাপারটা যেন মিলেমিশেই ঘটেছে।উনার আবার আল বাইয়্যিনাত ও আল ইহসান নামক দুটি পত্রিকা আছে,যা দ্বারা যতনা ইসলামের প্রচারনা চালানো হয় তার কয়েকশগুন বেশী ইসলামী রাজনীতি বিরোধী প্রচারনা চালানো হয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমেও এ অখাদ্য পত্রিকাগুলো প্রচারের উদ্যেগ নেয়া হয়েছে। কারা এদের ডোনার?ফার্মগেটের কুতুববাগ দরবার শরীফের জৌলুস দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবার তো জাতীয় সংসদের সামনেই তারা উরস করেছে। জানিনা কোন এমপি,মন্ত্রী সাহেব তাদের উরসে গেছেন। তারা যে কী ইসলাম প্রচার করছেন,তা ওখানকার শব্দ দূষনের শিকার এলাকাবাসীই ভালো জানেন!
কয়েকদিন আগে সায়েদাবাদে জন্ম নিল নতুন পীরের আস্তানা,উনার মুরিদরা সবুজ পাগড়ি পরেন।নাম দাওয়াতে ইসলামী বাংলাদেশ।
এবারে ১২ ই রবিউল আউয়ালে ঢাকায় সত্যিই ঈদ বসেছিল মাজারপন্থী গান্জা ব্যবসায়ীদের। ভাবতে কষ্ট লাগে এরা দুই ঈদের বাহিরে নতুন ঈদের আবিস্কার করেছে।এদের গোড়া এতই শক্তযে, উরসের নামে বিরাট বিরাট গুরু খাইয়ে এরা মূর্খ ধার্মিকদের গরু বানিয়ে চলেছে। ডিজিটাল সরকারের আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে এদের যে শিকড় গজাচ্ছে তা হয়ত একদিন মুন্সীগন্জের ভন্ডপীরের চেয়ে ভয়াবহ হবে।দেওয়ানবাগের পীরের ভন্ডামীর কথা সবাই কমবেশী জানেন বলে তার জন্য বেশী কথা বরাদ্দ না রাখাই ভালো।

শুধু পাঠকদের জ্ঞাতার্থে এতটুকু বলা প্রয়োজন বোধ করছি যে,এই ভন্ড পীরের মুরীদ হবার বিজ্ঞাপন একুশে টিভি আর প্রথম আলো পুরো পৃষ্ঠা জুড়ে চেপেছে।শুধু তাই নয় ভন্ড কাদিয়ানীদের সাক্ষাৎকার ,প্রচার প্রপাগান্ডার মহান দায়িত্বও তো প্রথম আলো নিয়েছিল,তাও আমরা ভুলিনি। ভুলিনি চট্টগ্রামের নতুন ভন্ড গ্রুপ যুব মুনিরীয়া তাবলিগ কমিটির বিজ্ঞাপন প্রথম আলোর পুরো পৃষ্ঠা জুড়ে ছাপানোর কথা।এই সেই প্রথম আলো যারা ইসলামী আন্দোলনকে দমানোর জন্য দেশী বিদেশী ইসলামবিরোধীদের ডোনেশনে গড়ে ওঠা ভন্ড পীরদের প্রপাগান্ডায় সহায়তা করে। আবার এদের হাতে নিগৃহীত জনতার প্রতি বিশেষত নারী ও শিশুদের প্রতি মমতার ভান করতে গিয়ে প্রথম আলো মূল ইসলামী রাজনীতিবিদদের উপর দোষ চাপায়।সর্বশেষ ডিজিটাল ইসলামীদের কাছে এটা প্রশ্ন,আমাদের প্রিয় হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর উরস কবে? দয়াকরে বলবেন,তাহলে আমরা গরু নিয়ে সৌদি আরব রওয়ানা দিতাম।
মুন্সীগন্জ্ঞের আরেক ডিজিটাল পীর শাহ আলমের কথা পাঠকদের নিশ্চয় মনে থাকার কথা। একদম লুঙ্গি গেন্জি পরা ক্লিন সেভ করা পীর! আমাদের কুমারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন( অবশ্য জয়নাল হাজারীও চির কুমার যদিও অভিযান চালালে ওনার দরবারে মেয়েদের শাড়ি,ব্রা,ব্লাউজ আর কনডম পাওয়া যায়!!) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদ পাওয়ার পর গোপনে ওনার আশীর্বাদ নিতে সেখানে যান। জনগনের কৌতুহলের কারনে ব্যাপারটা মিডিয়ায় চলে আসে।
প্রশ্ন রইল,ভন্ডরা বেশি ভন্ড নাকি ভন্ডদের পৃষ্টপোষকরা বেশি ভন্ড?ফকির আমজাদ তো মাস দুয়েক আগেও নিরীহ রিকশাওয়ালা ছিলেন। এলাকার মেম্বার সাহেবের প্ররোচনায় নামায না জানা রিকশাআলা আমজাদ হয়ে স্বচ্ছল পীর ফকির আমজাদ। কার দোষ বেশি মেম্বার না রিকশাআলার? মেম্বার কোন দল করে? পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনা করে অনায়াসে বলে দেয়া যায়,সরকারদলীয় সমর্থক হবার সম্ভাবনাই উনার বেশি।
এই লেখাটির শেষ পর্যায়ে অতিশয় গুরুত্বপূর্ন কিছু খবর মিডিয়ায় ফাস হয়ে গেছে। যা একেবারেই ফিলে চমকানোর মতো খবর! গত ১৪ এপ্রিল আ:লীগ সমর্থিত পত্রিকা দৈনিক জনকণ্ঠ লেখে, “আড়াই মাসের যমজ শিশু নিপা-দিপাকে নির্যাতনের যে ছবি প্রথম আলো প্রকাশ করেছে এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাদের নানি বাসনা রানী (৫৫)। তিনি বলেছেন, নিপা-দিপাকে মাটিতে রেখে পা ছুঁয়ে দেয় পীর। উল্টো করে বেঁধে রাখা ছবিসহ বিভিন্ন ছবি তোলা হয়। এ সময় সাংবাদিক তাঁর ছবি তোলার সুবিধামতো ডানে-বাঁয়ে বিভিন্ন ভঙ্গি করতে বলে পীরকে।মুন্সীগঞ্জের পিপি এ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন জানান, প্রকাশ্য আদালতে ভণ্ডপীর আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, তাকে প্রলোভন দেখিয়ে প্রথম আলোর ফটোসাংবাদিক ছবিগুলো তুলেছেন। আমজাদ হোসেন আদালতে আইনজীবীদের বলেন, ঐ ফটোসাংবাদিক তাকে বলেছেন, আমি যেভাবে বলি সেভাবে পোজ দেন, খ্যাতি ছড়িয়ে পড়বে....। এ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন জানান, নাটকের মতো ঘটনা। আমজাদ হোসেন ঝাড়ফুঁক করেন এটি সত্য, কিন্তু এমন বর্বরভাবে নির্যাতনের যে চিত্র পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে তা উদ্দেশ্যমূলক। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে সাজানো ঘটনা প্রকাশ করা হয়েছে”।

এদিকে পরবর্তীতে প্রকাশিত গোয়েন্দা রিপোর্টেও এ কথাটি ফুটে উঠেছে।যা প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার ছাড়া অধিকাংশ জাতীয় দৈনিকেই প্রকাশিত হয়েছে। সাধারন বিকেকসম্পন্ন মানুষ মাত্রই প্রথম আলোতে প্রকাশিত ভয়ংকর ছবিগুলোকে অবিশ্বাস করেছে। কেননা আড়াই মাসের বাচ্চার পেটের উপর বয়স্ক একজন লোক দাড়ালে তার বাচার কথা না অথচ বাচ্চাগুলি সুস্থ ছিল। শুধু তাই নয় মহিলাকে লাঠিপেটা করার যে ছবি ছাপা হয়েছিল,তাও ছিল ভুয়া। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে,কেন তবে প্রখম আলোর মতো প্রভাবশালী পত্রিকাটি এই মিথ্যা-সাজানো রিপোর্টটি ছাপালো। উত্তর সোজা।শতদল সরকার নামক হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী রিপোর্টারকে দিয়ে প্রথম আলোর বাজারমাৎ রিপোর্টটা যত লোক পড়েছে,তার সিকিভাগ পাঠকও ঘটনার পরবর্তী ঘটনা আর জানেনি। অবশ্য সংবাদের ধর্মও এই। এতেই প্রথম আলো তথা সুশীলদের স্বার্থকতা। ইসলামী লেবাসধারীদের অপমান করা গেল,সমাজে তাদের গ্রহনযোগ্যতা ঘৃনার স্তরে নামানো গেল,ইহুদী-খ্রিষ্ট্রানদের বর্হিবিশ্বের মিডিয়ার জন্য ইসলাম বিদ্বেষী একটা উপকরন দেয়া গেল,শিশু ও নারীদের প্রতি প্রথম আলোর মমতার ভানটি আরো শক্ত হলো। সর্বোতভাবে ইসলামী রাজনীতিবিরোধী একটা চাল মারা গেল। এভাবেই বিভিন্ন সময়ে গুটিকয়েক হুজুর,মাদ্রাসা শিক্ষকদের অপকর্ম,হিল্লা বিয়ের বাড়াবাড়ি প্রভৃতিকে অতিরন্জিত করে প্রচার চালায় সুশীল সহযোগীরা। এবার এর দায়ভার কিছুটা হলেও আ:লীগ সরকারের ঘাড়ে চলে যাওয়াতে সুশীলদের কিছু সহযোগীরাই সত্যটা ফাস করে দেয়। হয়তো বিরুদ্ধমত ক্ষমতায় থাকলে এরা সবাই কোমর কষে মিথ্যাটাই প্রচার করে বেড়াতো।
আমাদের সচেতন পাঠকরা যেন চাকচিক্য আর বহুজাতিকদের মুলার লোভে সত্য থেকে বিচ্যুত না হয়,এই আশাই আমাদের শক্তি হোক।

২৮/4/2010
Email: [email protected]
Mob: 01728821857
১৩টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×