আমার প্রিয় পোস্ট

হতাশা আর দু;খ ব্যাথা যাদের দেখে থমকে দাঁড়ায় আজকে তাদের খুব প্রয়োজন, বিশ্ব এসে দু হাত বাড়ায়।

এপার্টমেন্ট কিনতে চান? কয়েকটি ফ্রি উপদেশ: বুকিং-এর পুর্বে একটু সচেতন হোন

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯

শেয়ারঃ
0 0 0


শুরু হয়েছে রিহ্যাব মেলা। লক্ষ লক্ষ টাকা ছাড়, বিদেশ ভ্রমন আর কত প্রলোভন পেপার-টিভি খুললেই। জায়গা কিনে ঢাকা শহরে বাড়ি করার স্বপ্ন দেখাও এখন বেশীর ভাগ মানুষের সাধ্যের বাইরে। তাই খুব সহজেই মধ্যবিত্ত মানুষ দালান নামের বস্তিতে ছোট একটি খুপরি কিনতে যেয়ে এসব লোভে পড়ে যায়। সঠিক বিচারের সুযোগ-অভিজ্ঞতা না থাকায় যাবতীয় সঞ্চয় এবং ব্যাঙ্ক ঋণের আকারে আগামী ৫-১০ বছরের সম্ভাব্য সঞ্চয় বিনিয়োগ করে এসব ভদ্ররূপী প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে যান এবং নাকের জল-চোখের জল এক করে হা-হুতাশ করতে থাকেন। এরি প্রেক্ষিতে নিজের এবং কাছের বন্ধুদের অভিজ্ঞতার আলোকে কয়েকটি উপদেশ, যারা এপার্টমেন্ট কিনতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য।

সর্বশেষ কিস্তি সময়ের সাথে নির্ধারিত না করে হস্তান্তরের সাথে সম্পৃক্ত করুন। ধরুন প্রস্তুতকারী (ডেভেলপার) জুন ২০১১ সালে বিল্ডিং হস্তান্তর দেখিয়ে শেষ কিস্তি করলো ২০১১ সালের মে বা জুন মাসে। আপনি এই কিস্তিতে একটি বড় পরিমানের টাকা (৫-১০ লাখ) রাখার চেষ্টা করুন এবং শর্তটি এভাবে লেখান যে বিল্ডিং টি হস্তান্তরের জন্যে তৈরী হওয়া সাপেক্ষে আপনি এই কিস্তি দিবেন। এখন কোন কারনে যদি তারা ছয়-নয় মাস দেরী করে আপনি এই টাকা দেবার জন্যে বেশী সময় পাবেন। শুধু তাই নয়, আপনার হাতে একটি প্রস্তুতকারী র উপর চাপ প্রয়োগের অন্তত একটি উপায় থাকল। একটি অংশ যদি ব্যাঙ্ক লোন হয়ে থাকে, এই কিস্তিটি অবশ্যই লোনের টাকা থেকে দিন। কিছু টাকার সুদ পরে শুরু হলো।

যে সাইজের জন্যে মুল্য নির্ধারন হবে তার কত অংশ আপনার নিজস্ব (এপার্টমেন্টের ভিতরে) এবং কতটুকু সাধারন (কমন) তা সুস্পষ্ট ভাবে লিখিত করুন। এবং সাধারন জায়গা কি কি ধরে হিসাব করা হবে সেটি নির্ধারন করে নিন। পরবর্তীতে এটি মেপে বুঝিয়ে নিবেন। এই জায়গায় ডেভেলপাররা ভাল ছিল মারে।

জমিটির মালিক কে এবং তিনি কয়টি ফ্লাট পাবেন জানতে পারলে ভালো হয়। ধরুন দশ ফ্লাটের বিল্ডিং-এ জমির মালিকের ৫টি ফ্লাট। সেক্ষেত্রে তিনি পরবর্তীতে আপনাদের বিভিন্ন ভাবে প্রভাব খাটাবেন। যদিও এ ক্ষেত্রে খুব বেশী কিছু করার থাকে না।

বুকিং দেবার আগে অবশ্যই প্রকল্পের অবস্থান দেখে নিবেন। ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়ে গেছে এমন প্রকল্প হলে ভাল হয়।
উক্ত প্রস্তুতকারীর এর অন্য কোন হস্তান্তরিত প্রকল্পের গ্রাহকের সাথে কথা বলার সুযোগ বের করে তার অভিজ্ঞতা জানুন। আপনার কাছের কেউ এপার্টমেন্ট কিনে থাকলে তাদের অভিজ্ঞতা জানুন এবং পরামর্শ গ্রহন করুন।

প্রস্তুতকারীর নামে প্রভাবিত হবেন না। আপনার রাজী হওয়া বিষয় গুলো চুক্তিপত্রে সঠিক ভাবে লেখা হলো কিনা দেখে নিন। বিশেষ করে লিফট, জেনারেটর, বিদ্যুতের তার এবং পানির পাইপ ভালো কম্পানীর কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

বুকিং যখন দিয়েই ফেলেছেন, অন্য ক্রেতা (আপনার হবু প্রতিবেশী)দের সাথে এবং জমির মালিকের সাথে পরিচিত হউন। জমির মালিকের সাথে সমঝোতা করে প্রস্তুতকারীর কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্যে একজন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারকে পরামর্শক (কন্সাল্ট্যান্ট) হিসাবে নিয়োগ দিতে পারলে খুব ভালো হয়।

এবার সংক্ষেপে আমার পরিচিত কয়েকজনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করিঃ
একজন ২০০৫ সালে ফ্লাটের দাম পরিশোধ করে ফ্লাট হস্তান্তর পেয়েছেন ২০০৯ সালে।
একজন সচেতন জমির মালিক চারতলা হয়ে যাবার পর বূয়েট থেকে টেস্ট করিয়ে দেখেন নিম্নমানের রড ব্যবহার করা হয়েছে। এবং তারা চার তলার বেশী করা যাবে না বলে মতামত দিয়েছে। এটি ছয় তলা ডিজাইন ছিল।

একজন জমির মালিক বাড়ি হস্তান্তরের পর চারটি ফ্লাট একটি এনজিও কে রেস্ট হাউস করার জন্য ভাড়া দিয়েছেন। এখন এনজিওর প্রশিক্ষণার্থী (যারা গ্রাম থেকে আসেন) ৪০জন থাকেন আর তাদের ব্যাবস্থপনার জন্য ১০ জন স্টাফ । অন্য এপার্টমেন্ট-এ উঠা পরিবারগুলোর ত্রাহি মধুসুধন অবস্থা। অথচ এটি একটি আবাসিক বিল্ডিং।

আমার এক কলীগ মার্চ ২০০৯-এ নিজের এপার্টমেন্ট-এ উঠার কথা। এখন পর্যন্ত (মার্চ ২০১০)উঠতে পারে নি।

আমার এক বন্ধু ফ্লাট হস্তান্তর পাবার আশ্বাসে দুই মাস পুর্বে ভাড়া বাসা ছাড়ার নোটিস দেন। নির্ধারিত সময়ে ফ্লাট পায় নি। অপরদিকে সেই বাসাও ভাড়া হয়ে গেছে। পরে অন্য একটি বাসা শেষ মূহুর্তে এসে ভাড়া করে আরো তিন মাস ভাড়া বাসায় থাকেন।

প্রায় সব গুলি ক্ষেত্রে প্রস্তুতকারী (ডেভেলপাররা) বেশ পরিচিত। এদের বিজ্ঞাপন গুলি সহজেই গ্রাহক কে আকৃষ্ট করে। এদের কেনার আগে ও পরের কথার মধ্যে অনেক ফারাক। এদের কাস্টমার সার্ভিস মানে শুধু বকেয়া টাকা আদায় করা।

আপনি যদি এতদূর পর্যন্ত পড়েই থাকেই তাহলে বুঝা যাচ্ছে এ বিষয়ে আপনার আগ্রহ আছে। আপনাকে নিরুতসাহিত করা আমার উদ্দেশ্য নয়। একটু সচেতন হলে যদি আপনার ভোগান্তি যদি কিছুটাও কমে তাহলেই আমি খুশি। আপনার জন্য শুভ কামনা।


 

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫
সাপ্নিক বলেছেন: ভাল পোস্ট।ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
আপনার কাজে লাগলে আমার ভাল লাগবে। শুভ কামনা।

২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩
ঘাসফুল বলেছেন: খুবই দরকারি লেখা...
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ। জনস্বার্থে লেখা..প্রচুর ভুক্তভোগী এই লাইনে.।

৩. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩
মেঘ রোদ্দুর বলেছেন: অনেক কিছু জানা গেল। +
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ। আপনাকেও প্লাস।

৪. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪
কুঁড়ের বাদশা বলেছেন: সাপ্নিক বলেছেন: ভাল পোস্ট।ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ। কিছু সচেতনতা হয়তো ভোগান্তি কিছুটা কমাতে পারে। তবে গ্রাহক রা আসলেই জিম্মি এখানে।একবার বুকিং সহ কিছু পেমেন্ট করে ফেললে আর বেশী কিছু করার থাকে না।

আপনার জন্য শুভ কামনা।

৫. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯
মুনির০০৭ বলেছেন: ভাল পোস্ট।ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। +
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
আপনার কাজে লাগলে আমার ভাল লাগবে। শুভ কামনা।

৬. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮
রশীদ বলেছেন:
আমার ছেলে বড় হলে ওর কাজে লাগতে পারে এই পোষ্ট। তাই শো-কেসে রেখে দিলাম। অবশ্য তখন অন্যরকম প্রতারণা চালু হয়ে যাবে, কি বলেন :||
যাহোক, আপনাকে ধন্যবাদ সুন্দর করে লিখার জন্য।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন:
ভাই, আপনি যদি এখনই কিনে ফেলেন তাহলে তো আপনার ছেলেকে কিনতে হয় না।
তবে আমি আশবাদী মানুষ। ততদিনে শক্ত আইন, সুস্থ প্রতিযোগিতা এবং গ্রাহক সচেতনতার কল্যাণে তাদের প্রতারনা সম্ভবনা কমে যাবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।
আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৭. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৯
কুয়াশায় ডাকা বলেছেন: দরকারি পোস্ট, ধন্যবাদ ।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

৮. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২
বিডি আইডল বলেছেন: বড় ডেভেলপরাদের সাথে টাকা পরিশোধের যে এগ্রিমেন্টের কথা বলছেন সেটা করার সুযোগ কতটা?
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন:
যত বড় ডেভেলপের হবে এটি ততই কঠিন কাজ হবে সন্দেহ নাই। তবু চেষ্টা করতে দোষ কি? আসলে বিক্রির আগে কিছু কথা হয়ত ওরা শুনবে। এটা খুব অযৌক্তিক চাওয়া নয়। তারা যদি শেষ কিস্তি হ্যান্ডওভারের সাথে শর্তাধীন করতে না চায় তার মানে তারা সময়মত কাজ শেষ করার ব্যাপারে কনফিডেন্ট নয়!
আর সবাই তো বড় ডেভেলপার-এর কাছে যেতে পারবে না। এক্ষেত্রে প্রিমিয়াম প্রাইসের ব্যাপার তো আছেই, লোকেশন ও একটা ফ্যাক্টর। হয়তো আপনার লোকেশন দেখে একটা বিল্ডিং খুব পছন্ড হলো কিন্ত দেখা গেল ডেভেলপার বেশ আনকোরা। সেক্ষেত্রে আপনার সেফ গার্ডিং জন্য এটি খুবই জরুরী।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনার কাজে লাগলে আমার উদ্দেশ্য সফল। শুভ কামনা!

১০. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৪
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: কোন এলাকায় দার কেমন, সেই বিষয়ে যদি কিছু লিখতেন তাহলে খুব ভালো হত।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: আমি নিজে বুকিং দিয়েছি ২০০৭ সালে। তারপর দাম অনেক পরিবর্তন হয়েছে, বিশেষ করে রডের দাম বাড়ার অজুহাতে ২০০৮-এ ফ্লাটের দাম অনেক বেড়ে যায়। আমরা এখন ফ্লাট কেনার পরের ডেভেলপারের অবহেলার অভিজ্ঞতায় আছি।

ভাই, বর্তমান বাজার মুল্য সম্মন্ধে আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: আপনাকে ও প্লাস।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: অবস্থা আসলেই কঠিন! গ্রাহক রা আসলেই জিম্মি এখানে।একবার বুকিং সহ কিছু পেমেন্ট করে ফেললে আর বেশী কিছু করার থাকে না।

এক্ষেত্রে গ্রাহকের ভোগান্তি নিয়ে খুব কমই মিডিয়ায় আসে। এ ছাড়া এরা যথেষ্ট প্রভাবশালীও বটে।

আপনার কিস্তি দেরী হলে ফোন, চিঠির তাগাদা আর বকিং ক্যান্সেলের হুমকি পেতে থাকবেন বিরতিহীন ভাবে। সব পেমেন্ট করার পর হ্যান্ডওভার দিতে বছর পেরিয়ে যাবে, আপনি তাদের অফিসে ঘুরে জুতা ক্ষয় করবেন, ফোন করে মোবাইলের ব্যালান্স শেষ করবেন কিন্ত কোন সদুত্ত্র পাবেন না। কপাল চাপড়ায়ে ভাগ্যকে পরিহাস করবেন।

১৩. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১০
বিডিওয়েভ বলেছেন: আমি কিনটু ডেভেলপার
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার ব্যাবসার উন্নতি কামনা করছি
ফ্লাট দ্রুত হ্যান্ডওভার ডেভেলপারের ওভারহেড খরচ কমবে। ফলে যেমন বাড়বে লাভ, তেমনি গ্রাহক সন্তোষ। সন্তষ্ট গ্রাহকের রেফারেন্সে ডেভেল্পার কম্পানী পাবে নতুন গ্রাহক। এটি সাধারন বিজনেস লজিক। অথচ বেশীর ভাগ ডেভেলপার এই বিষয়ে কেয়ার করে না বলে মনে হয়েছে। এটার হয়ত ডেভেলপার দিকের কিছু ব্যাখা আছে। এ বিশয়ে একটু লিখতে পারেন।

১০ নং কমেন্টের জবাবে কিছু ডাটা দিয়ে সাহায্য করতে পারেন।

১৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৬
মুহিব বলেছেন: আমি নিজেও রিয়েল এস্টেটে কাজ করি। আমিও মনে করি গ্রাহক যেন এসব বিষয়ে সচেতন হয়।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: আপনার জন্য শুভ কামনা। কোম্পানীগুলোর ট্রান্সপারেন্ট এবং কাস্টমার ফ্রেন্ডলি পলিসি উভয়ের মংগল আনবে। এই সেক্টরে চাকুরী সেক্ষত্রে অনেক আনন্দদায়ক হবে।

১৫. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: ল্যান্ড/প্লট বুকি; সমন্ধে কিছু বলুন.....

(++++++)
০৩ রা মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: প্লট কিনার ব্যাপারে শুধু একটি অভিজ্ঞতা বলি। চার বন্ধু মিলে বসুন্ধরায় চার কাঠার একটি প্লট বুকিং দেয় ২০০৪ সালে, কথা ছিল ২০০৬ সালের শেষে প্লট টি বুঝিয়ে দিবে। সেভাবে হিসেব করে ২০০৬ এর মধ্যে পুরো টাকা শোধ করা হয়। এখনো (জানুয়ারী ২০১০) সে প্লট রেডি হয় নি। এখন কতৃপক্ষ বলছেন আরো ২-৩ বছর লাগতে পারে প্লট টি রেডি করতে।
জমির বিষয়ে আমিও আরো বেশী ভীত।

১৬. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৯
মুহাম্মদ আমিন বলেছেন: আপনাকে অনেকগুলো কচি ধন্যাপাতা ....
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০১

লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: আপ্নাকেও প্লাস। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৮. ১৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
শরিফ নজমুল বলেছেন: ধণ্যবাদ মিল্টন, তোমার পরমর্শে ইংরেজী শব্দ গূলো যথাসম্ভব বাংলা করে দিলাম।
০৭ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৯. ১৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫
রাজীব বলেছেন: "বড় ডেভেলপরাদের সাথে টাকা পরিশোধের যে এগ্রিমেন্টের কথা বলছেন সেটা করার সুযোগ কতটা?"

গ্রাহকরাই কোম্পানীর প্রান। গ্রাহকরা একজোট হয়ে চাপ প্রয়োগ করলে কোম্পানী সেটি মানতে বাধ্য
১৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: যত বড় ডেভেলপের হবে এটি ততই কঠিন কাজ হবে সন্দেহ নাই। তবু চেষ্টা করতে দোষ কি? আসলে বিক্রির আগে কিছু কথা হয়ত ওরা শুনবে। এটা খুব অযৌক্তিক চাওয়া নয়। তারা যদি শেষ কিস্তি হ্যান্ডওভারের সাথে শর্তাধীন করতে না চায় তার মানে তারা সময়মত কাজ শেষ করার ব্যাপারে কনফিডেন্ট নয়!
আর সবাই তো বড় ডেভেলপার-এর কাছে যেতে পারবে না। এক্ষেত্রে প্রিমিয়াম প্রাইসের ব্যাপার তো আছেই, লোকেশন ও একটা ফ্যাক্টর। হয়তো আপনার লোকেশন দেখে একটা বিল্ডিং খুব পছন্ড হলো কিন্ত দেখা গেল ডেভেলপার বেশ আনকোরা। সেক্ষেত্রে আপনার সেফ গার্ডিং জন্য এটি খুবই জরুরী।

২০. ০৩ রা মে, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
ভাবসাধক বলেছেন: এদের কেনার আগে ও পরের কথার মধ্যে অনেক ফারাক। এদের কাস্টমার সার্ভিস মানে শুধু বকেয়া টাকা আদায় করা।

বাটপার শালারা ।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৯:২১

লেখক বলেছেন: আমার এক বন্ধুতো তার ডেভেলপার কে বলেই ফেলল ভাই আপনাদের ডিপার্টমেন্টের নাম কাস্টমার সার্ভিস না রেখে "বিল আদায় শাখা" রাখুন।

এরা অনেক বড় বাটপার।গ্রাহক রা আসলেই জিম্মি এখানে।একবার বুকিং সহ কিছু পেমেন্ট করে ফেললে আর বেশী কিছু করার থাকে না।

এক্ষেত্রে গ্রাহকের ভোগান্তি নিয়ে খুব কমই মিডিয়ায় আসে। এ ছাড়া এরা যথেষ্ট প্রভাবশালীও বটে।

আপনার কিস্তি দেরী হলে ফোন, চিঠির তাগাদা আর বকিং ক্যান্সেলের হুমকি পেতে থাকবেন বিরতিহীন ভাবে। সব পেমেন্ট করার পর হ্যান্ডওভার দিতে বছর পেরিয়ে যাবে, আপনি তাদের অফিসে ঘুরে জুতা ক্ষয় করবেন, ফোন করে মোবাইলের ব্যালান্স শেষ করবেন কিন্ত কোন সদুত্তর পাবেন না।
এটা তো মোবাইলের সিম নয় যে একজনের টা ফেলে দিয়ে আরেকটা নিবেন। বেশিরভাগ মানুষের জন্যে এটি লাইফ টাইম পারচেজ।

২১. ০৭ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৯:৪২
বরফ গলা পািন বলেছেন: পরে কাজে লাগবে।প্রিয়তে ও++
০৮ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ৯:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার কাজে লাগলে ই আমার শ্রম স্বার্থক।
পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২২. ০৮ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৮:২৩
রূপকথার রাজকন্যা বলেছেন: হা ডেভেলপারদের কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেনট আসলে বিল কালেকশন ডিপার্টমেন্ট ছাড়া কিছুই না। আমি ফ্ল্যাট কিন্তে শুরু করার সময় এরা সিডিউল ঠিক করল এভাবে যে ফ্ল্যাট হস্তান্তর হবে ২০০৮ এর জুন এ। তাই ২০০৮ এর জুন এ বেশির ভাগ আ্যামাউন্ট লিখে আগের মাস গুলোতে অল্প আ্যমাউন্ট কিস্তি লিখল। আমি মান্থলি কিস্তি দিয়ে যেতে থাকলাম। ২০০৮এর জুন এ এসে এরা তো ফ্ল্যাট হ্যান্ড ওভার করতে পারলনা। কিন্তু সিডিউলে লেখা ঐ টাইম এ বড় একটা পেমেন্ট আছে। এখন বড় পেমেন্ট দিতে হবে। কোথাও লেখা নাই ২০০৮ এর জুনে হ্যান্ড ওভার না হলে পুরা টাকা দেয়ার দরকার নাই। ওরা তো পেমেন্ট এর জন্য সমানে চাপ দিতে থাকলো। যেই আমি বললাম হ্যান্ডওভার না দিলে পুরা পেমেন্ট করবনা। আজ হ্যান্ড ওভার দিলে কালই পুরা পেমেন্ট করব। ওরা কিছুতেই মানলনা। ডেট লেখা আছে এই ডেটে পেমেন্ট হবে তো এই ডেটে পেমেন্ট হবে। এই ডেটে যে হ্যান্ড ওভার হলে পেমেন্ট হবে তা স্পষ্ট করে লেখা নাই। ডিড এ অনেক লেখায় ফাক ফোকর থাকে। কি করা যায়!!!পরে ঐ ফ্ল্যাট ২০১০ এ পেয়েছি।
আবার এখন পুর্বাচলে একটা প্লটের বুকিং দিতে গিয়ে দেখি যে জমি ওদের নিজেদের না তাও তারা বিক্রি করে বসে আছে। বলল দুই বছরের মধ্যে আমরা নিজেরা জমি হাতে পেয়ে যাব। কি করে শিওর হই ওরা আসলেই জমি পেয়ে যাবে আর ওখানে রাজউক বাড়ি করার অনুমোদন দিবে?? বসুন্ধরা গ্রুপের কাছ থেকে আমার এক আমার এক আত্মীয় জমি কিনেছিলেন যেখানে রাজউক বাড়ি করার পারমিশন দিচ্ছেনা। তাহলে ঐ জমিতে টাকা ফেলানো মানে পুরাই অপচয়। আমরা সাধারন মানুষ তাহলে যাব কই?? কিভাবে এ জাতীয় ব্যাপার গুলায় কেউ ফ্যাসাদ ফ্রি সার্ভিস দিবে??
০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:২০

লেখক বলেছেন: আপনিও একজন ভুক্তভোগী তাহলে!!

আমরা সাধারন মানুষ তাহলে যাব কই?? কোটি টাকার প্রশ্ন..জবাব নেই....।

দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১:১৮
ইন্সিত বলেছেন: "আমার এক বন্ধু ফ্লাট হস্তান্তর পাবার আশ্বাসে দুই মাস পুর্বে ভাড়া বাসা ছাড়ার নোটিস দেন। নির্ধারিত সময়ে ফ্লাট পায় নি। অপরদিকে সেই বাসাও ভাড়া হয়ে গেছে। পরে অন্য একটি বাসা শেষ মূহুর্তে এসে ভাড়া করে আরো তিন মাস ভাড়া বাসায় থাকেন।" --

আমি এই রকম সমস্যয় পরেছিলাম।
২০ শে আগস্ট, ২০১১ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এই লাইনে ভোগান্তির গল্প অনেক বেশী।

২৪. ২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪৫
Neelpoddo বলেছেন: পুরাই কঠিন অবস্থা। জমি রাখবো না ফ্ল্যাট বুকিং দেব এই নিয়ে খুব কনফিউজড অবস্থায় আছি। ফ্ল্যাটের অভিজ্ঞতা কারোরই ভাল না। তবু সাহস করে কিছু একটা করে ফেলতে হবে শীঘ্রই। :(
০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: বেশ কঠিন অবস্থা!!!

জমি রাখতে পারলে খুবই ভাল কিনতু যদি আপনি টাকার কুমির না হন তবে যে জমি কিনতে পারবেন তাতে আপনার পরের প্রজন্ম সেটা ভোগ করতে পারলেও পারে। ৭ বছর আগে ৫ বন্ধু মিলে বসুন্ধরার একটি প্লট বুকিং দিয়েছিলাম, ২০০৬ সালে হস্তান্তরের কথা ছিল..এখনও দিল্লী অনেক দুর!!!!


Click This Link

সাহস করে কিছু করুন, তবে যতটা সম্ভব যাচাই করে নিবেন। বেস্ট অফ লাক!!
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২৫. ২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৫৮
মামুণ বলেছেন: ধন্যবাদ । কাজে লাগবে পোষ্টটা ।
০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার কাজে লাগলে ই আমার শ্রম স্বার্থক।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৩০৬৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বাংলা লেখার জন্যে আমি অভ্রের কাছে কৃতগ্গ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই