লাঞ্চ উইথ গড!!!
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬
আমার এক বন্ধু কয়েকদিন আগে আমাকে ই-মেইল করে একটা জোকস্ পাঠিয়েছে। আগে জোকস্টা বলে নেই, তারপর অন্য কথা বলব।
==============================
একটি ছোট বাচ্চা ছেলে গড এর সাথে দেখা করবে। সে খোঁজ নিয়ে জানতে পারল যে, গড অনেক দূরে থাকে, আর তাই জার্নিটা খুব লম্বা। তো সে যাবার জন্য প্রিপারেশন নিতে শুরু করল। সে তার স্যুটকেস গুছিয়ে নিল। খাবার হিসেবে নিল, এক ব্যাগ পটেটো চিপস এবং কয়েক বোতল এনার্জি ড্রিংক্স।
অল্প কিছুদূর যাবার পর সে দেখতে পেল একজন বৃদ্ধা মহিলা একাকী একটি পার্কে বসে আছেন এবং কয়েকটি কবুতরের দিকে চেয়ে আছেন। ছেলেটি তার পাশে গিয়ে বসল, এবং তার স্যুটকেস খুলল। সে তার স্যুটকেস থেকে একটি এনার্জি ড্রিংক্স বের করল, খাবার সময় সে লক্ষ্য করল যে, মহিলাটি ক্ষুধার্ত। সে মহিলাটিকে পটেটো চিপস অফার করল এবং মহিলাটি খুশিমনে তা গ্রহন করলো এবং তার দিকে তাকিয়ে হাসলো।
তার হাসিটি এতোটাই মনোমুগ্ধকর ছিল যে, ছেলেটি আবার তাকে একটি এনার্জি ড্রিংক্স দিল যাতে সে আবার হাসিটি দেখতে পায়। মহিলাটি আবার তার দিকে তাকিয়ে আগের মত হাসলো। ছেলেটি এতটাই অভিভূত হলো যে, সে সারাদিন মহিলাটির পাশে বসে রইল, খেল, কিন্তু কোন কথা বলল না।
সন্ধ্যার সময় ছেলেটি খুবই ক্লান্ত বোধ করছে, এবং সে যাবার জন্য ওঠে দাড়াল। কয়েকপা এগুবার পর সে হঠাৎ করে ঘুরে দাড়াল এবং দৌড়ে এসে মহিলাটিকে জড়িয়ে ধরল। মহিলাটি তাকে জড়িয়ে ধরে, সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর হাসিটি হাসল।
ছেলেটি তার বাড়ি ফিরে আসতেই তার মা তাকে অনেক হাসিখুশি, আনন্দিত দেখে জিগ্গেস করলেন, "আজকে তোমার কি হয়েছে? এত আনন্দিত লাগছে কেন?"। ছেলেটি বলল, "আজকে আমি গডের সাথে লাঞ্চ করেছি", তার মা আরো কিছু বলার আগেই সে আবার বলে ফেলল, "জান গডের হাসি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর হাসি"।
এরই মধ্যে, মহিলাটি খুশি মনে তার বাড়িতে ফেরত আসার পর তার ছেলে তাকে জিগ্গেস করল, "মা, আজকে তোমার কি হয়েছে? এত আনন্দিত লাগছে কেন?"। তার মা তাকে বলল, "আমি আজকে গডের সাথে পটেটো চিপস খেয়েছি। তুমি শুনে অবাক হবে যে, আমি যা আশা করেছিলাম সে তার থেকে বয়সে অনেক ছোট"।
===============================
জ্ঞানী বলেছেন:
কখগঘ, আপনি নিজে কখনও গড দেখেছেন বলে মনে হয় না। আমি কিন্তু প্রায়ই দেখি। আরেক অর্থে গডের সাথেই তো ২৪ ঘন্টা থাকি! আমার ভেতরেই তো গড থাকে? সবার ভেতরেই একজন গড থাকেন। গড সদা সতত সবত্র আছেন? গড সকলকে ভাল রাখুক...... বিদায় গড।
সর্বদাবেলায়েত বলেছেন:
বেশ। ৫।
রকি ভাই বলেছেন:
৫ দিলাম, শিক্ষণীয়
মানুষ বলেছেন:
৫
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট। ৫
জ্ঞানী বলেছেন:
মুনিয়া, কিছু একটা বললে আরো ভালো হতো।
মদন বলেছেন:
সুন্দর
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট, তাই ৫ এবং প্রিয়তে যোগ করলাম।
বিহংগ বলেছেন:
চিন্তাশীল পোস্ট।৫++
রাগ ইমন বলেছেন:
আগেই পড়া । তবু যতবার পড়ি , ততবার মুগ্ধ হই । ৫।
লাল দরজা বলেছেন:
প্রতিজ্ঞা করে ছিলাম দু'দিন আর লগইন করবোনা, কিন্তু লেখাটা দেখে একটা প্রশ্ন মনে এলো আবার ঢুকে গেলাম। জানি না কখন বের হতে পারবো আপনারা এই অধমের জণ্য একটু দোয়া রাখবেন প্লিজ। যেন তারা তারি সাইন আউট করতে পারি। ব্লগের নেশা ইয়াবার নেশার চেয়েও ভয়ানক মনে হচ্ছে আজকাল।আচ্ছা এবার পর সমাচার বলি, কখগঘ একটা শিক্ষনীয় গল্প আমাদের শোনালেন সে জন্যে ধন্যবাদ আপনাকে। ছোট বেলায় ঈশপের কিছু গল্প পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল এমনই মানবীয় বোধ সম্পন্ন। এধরনের লেখা শিশুরা যত পড়বে তত সুন্দর মানবিক মন নিয়ে ওরা বেড়ে উঠবে এ পৃথিবীতে। আসলে এমন মানবিক শিক্ষা বর্তমান অস্থির দুনিয়ায় সকলেরই থাকলে পৃথিবীটা এমন বোমার আঘাতে জর্জরিত হতো না নিশ্চই। সে কারনে লেখাটির বহুল পাঠ কামনা করছি, সেই সাথে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে আরো অর্থবহ করে প্রকাশের জন্য ক্ষেত্রবিশেষে লেখার শিরোনামটি একটু কাষ্টমাইজ্ড করা যেতে পারে বলে প্রস্তা করছি।
যেমন বৌদ্ধ পাঠকদের জন্য লেখার শিরোনাম হবে, "লাঞ্চ উইথ বুদ্ধা"।
হিন্দু পাঠকদের জন্য লেখার শিরোনাম হবে, "লাঞ্চ উইথ ভগবান"।
মুসলমান পাঠকদের জন্য লেখার শিরোনাম হবে, "লাঞ্চ উইথ আল্লাহ্"।
আর খ্রীষ্টান পাঠকদের জন্য শিরোনাম অপরিবর্তীত রাখা যেতে পারে। এবার আপনারা প্রস্তাব করতে পারেন অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য কি কি লিখতে হবে। ধন্যবাদ।
কখগঘ বলেছেন:
@লাল দরজা: আপনি যেমন বুঝে গেছেন কার জন্য কি হবে, তেমনি বাকি সবাইও বুঝতে পারে। সমস্যা হলো, অনেকেই বুঝেও না বুঝার ভান করে, উল্টাপাল্টা লিখে। ওদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করা ........ যাই হোক, ধন্যবাদ।
দেবদারু বলেছেন:
পোস্টটির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনেক জোরালো........ ৫........

















এই লেখাগুলো কেন টপ্রেটেড হয় না রে

