টেকনাফ স্থল বন্দর-
নিস্তরঙ্গ নাফের বুকে দুই নৌকাচারী-
পাশাপাশি চলে কুতুবদিয়া...
জীবন যুদ্ধের সাগর পাড়ি-
চলে এসেছি প্রবাল দ্বীপে-
পরদিন, যাবো ছেঁড়াদ্বীপে, সকালে ট্রলার রাশি... মনে ভয়, সাঁতার তো জানিনা!
এটাই হইলো ছেঁড়া দ্বীপ-
ছেঁড়া দ্বীপের কেয়াবন-
পাথুরে সৌন্দর্য-
তুলছিলাম ট্রলারের ছবি, হঠাৎ পানি ফুড়ে একজনের উদয় হলো ( ট্রলারের এপাশে দেখেন পানিতে আলোড়ন) মনে হলো চিনি চিনি... পরে মনে পড়লো, ইনিই ব্লগার রাব্বি! শালার দেশের কোথাও যেয়ে শান্তি নেই! সবখানে ব্লগার! দেশের শেষ সীমায় আসলাম, পানি ফুঁড়ে ব্লগার উদয় হচ্ছে! মুখে আবার স্নরকেল লাগানো!
পাথরের শ্যাওলা, মনে হলো যেন মালা পরে আছে!
রুক্ষ সৌন্দর্য-
উলস লবস্টার! মাঝেরটা খাবোওওওওও-
ব্যাস! হয়ে গেলো ভাজি! ছেঁড়া দ্বীপে বসে লবস্টার! আহেম!
কেয়া গাছের ফুল!
কেয়া গাছের ফল!
কোন শখে যে হেঁটে ফিরতেছিলাম ছেঁড়া দ্বীপ থেকে! পাক্কা আড়াই ঘন্টা লাগছে!
পরের দিন সূর্যদয়, -
তীরে পড়ে থাকা পটকা মাছ-
এই ছবিটা নিজের খুব প্রিয়-
আমার শেষ ছবি, তারপর মোবাইলটা ডুব দিলো সাগর জলে...
বিঃ দ্রঃ- একটা ছবিও এডিট করা নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

