somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফটোগ্রাফি করতে গিয়ে - ২

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

[যদিও সম্পৃক্ত না তারপর ও কেউ চাইলে প্রথম পর্ব] পড়ে আসতে পারেন

আমার প্রতিটা লিখা ই বড় ভুমিকা দাবি করে এবং না দিয়ে ও মনে হয় পারা যাবেনা। আজ আমাকে আমার আমারই প্রতিষ্ঠান সাইবারট্রন এর পরিচিতি না দিলে কোন পাঠক উৎস খুজতে গিয়ে হয়রান হয়ে যাবেন। তাই আবারো বাধ্য হলাম [ক্ষমাপ্রার্থনা পূর্বক] আরেকটা ভুমিকা লিখতে।

"সাইবারট্রন" আমার প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত একটি আউটসোরসিং ফার্ম [সাম্প্রতিক ডুলান্সার জাতীয় কিছু না] যা ২০০৮ থেকে "সাইবারস্পেস" নামে বিদেশি গ্রাহকদের বিভিন্ন ফরমায়েশি কাজ সুনামের সাথে করে আসছে। কিছুদিন পর ট্রান্সফরমারস সিনেমাটা দেখে "সাইবারট্রন" গ্রহটির ধারনা ধার করে আমার প্রতিষ্ঠান এর নাম পরিবর্তন করি এবং গ্রাহকদের ব্যাপক সাড়া ও জনপ্রিয়তা পাই। ইতিমধ্যে ছবি তোলার দিকে আমার ও আমার ভাই সম্রাট রহমান এর ঝোঁক বেড়ে যাওয়াতে আমরা ফটোগ্রাফিতে ভালভাবে নিবিষ্ট হয়ে যাই এবং কিছু ফরমায়েশি কাজ করার পর ফেসবুক এ আমাদের একটা পেজ চালু করি। এটা মূলত ফটোগ্রাফি নির্ভর পেজ তারপর ও আউটসরসিং এর সুযোগ রেখেছি যদি কোন গ্রাহক আওয়াজ দেন এই আশায় [এক অর্থে ফরমায়েশি ফটোগ্রাফি ও কিন্তু আউটসরসিং]। তো পেজ চালুর পর দেখলাম ফটোগ্রাফিতেও আমরা ২ ভাই মোটামুটি জনপ্রিয় বলা চলে। পেজ এর সুত্র ধরে আমাদের ২ ভাই এর অনেক বন্ধু ভক্ত শুভানুধ্যায়ী যেমন জুটেছে এর উলটোটাও কম জুটেনি। :D {ফটোগ্রাফি / আউটসোরসিং এর ব্যাপারে কারো কৌতূহল থাকলে লিখার একদম শেষে লিঙ্ক দিয়ে রাখলাম চাইলে ঢু মারতে পারেন} :)

আজকের লিখার মুল উৎস এই "সাইবারট্রন" ই তাই একে নিয়ে কিছু বললাম। আমাদের এই ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠানটির ভক্ত যখন অনলাইনএ বাড়ছে তখন এক ছেলে [নাম মনে নাই, ধরি সুমন] আমাকে পার্সোনাল মেসেজ এ লিখল "ভাইয়া আপনার ছবি তোলার অসাধারন হাত। আমাকে আপনার সিস্য বানাতেই হবে কোন মানা শুনবনা" এই মেসেজ পাওয়ার পর আমি তো কুমড়ার মত বড় বড় চোখে জলহস্তির চেয়ে বড় হা করে তব্দা মেরে কিছুক্ষণ তাকায় রইলাম। ক্যামেরা হাতে ঘুরাঘুরির শুরুতে এতবড় প্রাপ্তি??? তায় আমার মত অপরিনত [অনেকের মতে, যদিয় তাদের কোন অবাক করা ছবি কোথাও পোস্ট হয়েছে কিনা তা সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কেউ বলতে পারবেনা] ফটোগ্রাফার এর ??? এমন এক প্রস্তাবে শুধু মহান মানুষ ই পারে না বলতে। আমি যেহেতু মহান কেউ না আমার জন্য যেটা স্বাভাবিক সেটা ই করলাম, হ্যাঁ বলে দিলাম। কিন্তু তখনো আমার জ্ঞ্যানভাণ্ডারে আরও কিছু যোগ হতে বাকি ছিল আমি একটু কম বুঝি বিধায় তখনই ধরে ফেলতে পারিনি।

এই ঘটনার পরদিন এক মেয়ে [এবারো ক্ষমাপ্রার্থী নাম ভুলে গেছি, ধরা যাক রেবা] আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়েছে আর মেসেজ দিসে আমার সাথে জরুরি কথা আছে। আমি তাকেও প্রবেশাধিকার দিলাম আর জরুরি কথা জানতে চাইলাম। সে যা বলল তার সারসংক্ষেপ হল, সে সুমনের গার্লফ্রেন্ড এবং সে চায়না সুমন ফটোগ্রাফার হোক। আমি জিজ্ঞেস করলাম "কারন কি??? সুমন যদি ছবি তোলা শিখে তাহলে তোমার ই লাভ ও তোমার সুন্দর সুন্দর ছব তুলে দিবে।:)" কিন্তু তার প্রত্যুত্তরে মেয়ে যা ফিরিস্তি দিয়ে বসলো তা পড়ে আকাশ থেকে আমি পড়ার সুযোগ পেলাম না, উল্টো আকাশ তার সমস্ত ভর সহ চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে আমার মাথায় ভেঙ্গে পরল। আমার ধারনা এতো বিশাল ফর্দ ঐ মেয়ে ও কোথাও থেকে যোগাড় করেছিল তার স্বপক্ষে যুক্তি হিসাবে। একেকটা যুক্তি খুবই মজার ও একেকটা নিরমম সত্যি। তারপর আমি ঐ মেয়ের ফর্দ তা আমার পেজ "সাইবারট্রন" এ পোস্ট করি একটি নাম দিয়ে। আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করার জন্য হুবহু এখানে তুলে দিলামঃ

Collected from a Younger Brother's GF
মেয়েরা সাবধান

যে চল্লিশটি কারণে ফটোগ্রাফারের সাথে প্রেম করবেন না

বাংলাদেশে একটা সময় কথা ছিলো কাক ও কবির অভাব নেই!সাথে এখন যোগ হয়েছে ফটোগ্রাফার! ডিজিটাল,মোবাইল ফোন সবরকমেই চলে তাদের ফটোগ্রাফির কাজ!কেউ কেউ একটা দামী ক্যমেরা আর ফটোশপের কাজ শিখেই নিজেকে ফটোগ্রাফার হিসেবে পরিচয় দেন!! কিন্তু আজকের লেখাটি সত্যিকারের প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের জন্য! উল্লেখ্য, এটি নিছক মজার হিসেবেই লেখা! কারো মনোভাবে আঘাত করার জন্য নয়!

-আপনার হাত ধরার চেয়ে তারা তাদের বিশাল ক্যামেরা ধরে রাখবে।

-অনেক রোমান্টিক একটি ডেটে সুর্যাস্থের সময় আপনি ভাববেন বাহ! কি সুন্দর!! আর তারা বলবে “mirror lock, tripod, and stop down f/8 at 1/125.”

-আপনি কখনোই তাদের সাথে টিভি অনুষ্ঠান কিংবা মুভি দেখতে পারবেন না!কারণ তারা সব দৃশ্যমান ত্রুটি নিয়ে গবেষনা করে যাবে।

-তারা ঘন্টার পর ঘন্টা কফিশপে বসে মানুষের ভারিস্টিক গঠন খুটিয়ে দেখবে।

-যদি তার সাথে কখনো হাটতে বের হোন।এবং পথিমধ্যে কোনো ইন্টারেস্টিং আলোর দেখা পাওয়া যায়! তারা আপনাকে পাবলিক প্লেসে বসিয়ে ছুটে চলবেন সেই আলো ক্যামেরাবন্দী করতে।

-আপনি কখনোই ফ্রেশ গরম গম খাবার উপভোগ করতে পারবেন না!কারণ তারা পনের মিনিট ধরে নানা দিক থেকে খাবারের ছবি তুলবেন।

-তারা রেগে যায় যখন আপনার বন্ধু তাদের কাছে গিয়ে কোনটি ভালো ক্যমেরা হবে তার সাজেশন চায় এবং বলে প্রফেশনের জন্য নয় শুধু সুন্দর ছবি তোলার জন্য।

-মিউজিয়ামে গিয়ে তার সবকিছু খুটিয়ে খুটিয়ে দেখা শেষ করার জন্য আপনাকে ঈদের বাসের চেয়েও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে।

-তারা প্রায়ই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে পুরোনো বইয়ের দোকানে দিনের অর্ধেকটা সময় কাটাতে।

-যখন আপনি ভাবছেন তারা আপনাকে আগ্রহ ভরে দেখছে তখন আসলে তারা ভাবছে কিভাবে আপনার চেহারা কিছুটা ঠিক করা যায় ফটোশপ টুলসের মাধ্যমে।

-অথবা তার আপনাকে ব্যবহার করছে আড়াল হিসেবে আশেপাশের সবকিছু দেখার জন্য!যাতে মানুষ তাদের অদ্ভুত ভেবে না বসে।

-তারা স্বেচ্ছায় বিশ তিরিশ হাজার খরচ করে ফেলবে তাদের গ্লাসের জন্য, আপনাকে একটি ছোট হাতব্যাগ কিনে দেওয়ার চেয়ে।

-আপনে তাদের সাথে পাঁচটির কমে ছবি তুলতে পারবেন না।

-যদি তাদের কাছে কখনো জানতে চান,আপনি মোটা হয়ে গেছেন কিনা! তারা বলবে, “চিন্তা করোনা! ফটোশপে ঠিক করে দেব”।

-তারা কখনোই আপনা কোনো ছবি এডিট করে দেবে না যদি না সেটা তাদে স্ট্যান্ডার্ডমতো না হয়!

-গতকাল তারা আপনার যে ছবিগুলো তুলেছেন।গুডলাক! যদি সামনের এক বছরের মাঝে সেগুলো আপনার হাতে পৌছায়।

-তারা ঘন্টার পর ঘন্টা কম্পিউটারে কাটায়।

-তারা এখনো ফিল্ম ক্যমেরা ব্যবহার করে।

-তারা অনেকটা সময় আপনার চেয়ে বড় শিল্পীদের সাথে কাটান!যেমন মডেল,মিউজিশিয়ান,খেলোয়ার, সফল বড়লোকদের সাথে।

-তারা আপনার সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা আলোচনা করে যাবেন কফির মগের পজিশন নিয়ে।

-তারা আপনার টেক্সট বা কলের রিপ্লাই দেবে না!বদলে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করতে থাকবেন ঘন্টা পর ঘন্টা।

-তারা পুরনো দিনের ছবি দেখতে পছন্দ করেন! যেটার নাম আপনি হয়তো কখনো শুনেনি কিংবা বুঝেনও না।

-তার আজগুবি সব জিনিষে দিকে তাকিয়ে থাকতে পছন্দ করেন।

-যদি কোথাও প্রাকৃতিক কোনো কিছু ঘটে!! তারা অলরেডি বাসে ঝুলে গেছেন!

-তাদের কাছে সবকিছুই জলরঙে আঁকা।

-তারা ভাবে আর সবার ছবিই ফালতু।

-তারা সবসময়েই উৎসাহ ভরে আপনাকে দেখায় তার তুলা নতুন ছবি কিন্তু কমই খেয়াল করে আপনি পছন্দ করছেন কি না।

-তারা আপনার প্রোফাইল পিকচারে তার তোলা ছবি ছাড়া অন্য কোনো ছবি দেখলে রাগ করেন।

-আপনার বন্ধুর ফানিভাবে এডিট করা ছবিতে তারা হাজারটা উপদেশ ছাড়েন।

-উজ্জল ঝলমলে দিন তাদের মন খারাপ করে দেয়,আ মেঘাচ্ছন্ন দিন তাদের মুখে হাসি এনে দেয়।

-তারা আপনাকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গুলোতে নিয়ে যাবে যেটা অধিকাংশ সময় বিরক্তকর হয়।

-আপনার জন্মদিনের গিফট সবসময়ই তার পক্ষ থেকে হবে তার তোলা আপনার কোনো একটি পোট্রেইট।

-আপনি নতুন কোথাও যেতে পারবেন না যতক্ষন না তারা সেখানকার প্রতিটি ক্ষুদ্র জিনিষের ছবি না তুলে রেখেছেন।

-কোনো কিছু কখনোই প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর নয়!সবকিছু সবসময়ই এডিট করে নিতে হয়।

-আপনি যদি কখনো তাদের কিছু ভেঙে ফেলেন তাদের লাখটাকার ক্ষতি করে ফেলেছেন।

-আপনি কখনোই দশ হাজার টাকার নিচে তাদের কোনো জন্মদিনের প্রেজেন্ট দিতে পারবেন না।

-তাদের হার্ড-ড্রাইভ ভর্তি ছবি থাকে কিন্তু প্রিন্ট করা বোধহয় পাঁচ দশটি থাকে।

-তারা সবসময়ই আড়ালে আপনার সৃজনশীলতার সমালোচনা করছে।

-আপনি যদি কখনো অটো মুডে ছবি তুলেন তারা আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে।

-তারা আনন্দে একটি করে ফেসবুকে আ্যলবাম খুলে যতবার তারা নতুন কোনো লাইটিং টেকনিক শিখে।

All Credit goes to that younger brother's GF

[বিঃ দ্রঃ কাঁক ও কবির সাথে আমিও সংখ্যাগুরু দলে যোগ হতে পেরে আহ্লাদিত বোধ করছি। ফিল্ম ক্যামেরা ব্যাবহারের যুক্তিটা সত্য আমিও এমন অনেক কেই চিনি যারা এখনো ফিল্ম ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলেন]

এবারো আরেকটি দীর্ঘ লিখা প্রকাশ করার জন্য ক্ষমা চাই ও পড়ে শেষ [আদৌ যদি কেউ এ অব্দি পড়ে ফেলেন হাঃ হাঃ ] করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আমার পরবর্তী লিখা প্রকাশের আগ পর্যন্ত ভালো থাকুন। ধন্যবাদ ও বিদায়। B-) B-) B-)

"সাইবারট্রন" এর ফেসবুক পেজ

[link|http://www.somewhereinblog.net/blog/ShuvoRahman47/29796791|[এই ধারাবাহিক এর তৃতীয় পর্ব]]
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:০৬
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে-৩

লিখেছেন অর্ক, ২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৫



সারাজীবন আমি মানবতা, সত্য, শুভ, সুস্থ, সুন্দরের চর্চা করে এসেছি। আমার উপর শতভাগ আস্থা রাখতে পারেন। শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে আমি কিছু বলি না, দাবি করি না। এই যুদ্ধের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইহুদীদের ষড়যন্ত এবং আমেরিকার খনিজ সমৃদ্ধ ভূমী দখলের লীলাখেলা।

লিখেছেন রাশিদুল ইসলাম লাবলু, ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৪২



র্দীঘদিন ধরে ইহুদীরা মুসলিমদের সন্ত্রাসী পরিচয় তকমা দিয়ে বিশ্ব দরবারে ঘৃন্য জাতি সত্ত্বাতে পরিনত করার অপেচেষ্টায় রত ছিলো। মুসলমান মানেই সন্ত্রাসী প্রথমেই ধারনা দিতে তৈরি করা হল আল কায়দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৯১

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৩৯

প্রিয় কন্যা আমার, আজ ইদের দিন!
একমাস ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা সিয়াম সাধনা করেছে। রমজান মাস মূলত সংযমের মাস। ফাজ্জা কাউকে আমি দেখিনি সংযম করতে। রমজান মাসে সবাই বিলাসিতা করেছে। খাওয়া দাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ ও আগামী

লিখেছেন আবু সিদ, ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১৫

অন্যের হাতে নিজেকে সমর্পণ করো না, মানুষ !
অন্যের হাতের শিল্প হয়ো না।
অন্যের চোখে বিশ্ব দেখ না,
অন্যের সুর-নৃত্যে আর দুলো না।
নিজেকে খুঁজে নাও তুমি!
বুঝে নাও নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি সত্যিই দেখি, নাকি যা বিশ্বাস করি কেবল সেটাই দেখি ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২৯


গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কমলা বেগম ঈদের সকালে গোরুর মাংস রান্না করতে বসেছিলেন। গতবছর কোরবানির ঈদে মানুষের বাড়ি থেকে চেয়ে আনা মাংস, মাসের পর মাস পাশের বাড়ির ফ্রিজে থাকা, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×