আমাদের প্রায় সবারই প্রকৃত বয়স আর এস.এস.সি সার্টিফিকেটের বয়স এক নয়। প্রায় সবারই বয়স কমানো থাকে। কারোটা কম কারোটা বেশী। আমার নিজেরও বয়স এক বৎসর কম দেখানো আছে। কারো কারোটা অনেক বেশী কমানো থাকে। ২৫ বৎসরের দামড়া, তার সার্টিফিকেটের বয়স ২০। ২২ বৎসরের পুষ্ট “জিনিস”, সার্টিফিকেট অনুযায়ী সে “সুইট সিক্সটিনা”। বাবার হিসেবে যে মেয়ের বয়স ১৯, মা’র কথায় সে ১৫ বৎসরের খুকী। কেউ কেউ আবার নির্লজ্জের মত দাবী করেন “আমারতো বয়েস অনেক কম তাই সার্টিফিকেটে বয়স বাড়িয়ে দেখানো আছে”।
পোনে চার বৎসরের ছেলেটাকে প্লে-গ্রুপে দিয়েছি, তার সাথের কোন কোন ছেলেমেয়েকে দেখলে মনে হয় এরা বিশ বৎসর বয়সে “ও-লেভেল” কমপ্লিট করবে।
বৃটিশ আমলে নাহয় বৃটিশ প্রভুদের গোলাম হয়ে আরও বেশীদিন কেরানীর চাকরী করে আরও বেশী ঘুষ খাওয়ার ব্যাপার ছিলো। তারই জের ধরে নাহয় পরবর্তী ২৫০ বছর কে কত বেশীদিন সি.এস.পি অফিসার বা পরবর্তীতে সেক্রেটারী থেকে আরো বেশীদিন ঘুষ খাবে তার ব্যাপার ছিলো।
কিন্তু বর্তমান চিত্রতো ভিন্ন মনে হয়। এখনও ধরলাম মেয়েদের ক্ষেত্রে বিয়ের বাজারের কথা। সেটেলড্ ম্যারেজের সময় সব বুড়ো হাবড়াই কচি বউ চায়, তাই মেয়ের বাবাদের বয়স কমানো ছাড়া উপায় থাকেনা।
কিন্তু ছেলেদের শিং কেটে বাছুর সাজার কারণ কি?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


