আমার প্রিয় পোস্ট
- ঈশ্বরের কাছে প্রেমপত্র - সবাক
- অরুন্ধতী রায়ের স্বাক্ষাৎকার,ভাষ্কর্য বিবাদ,লালন উৎখাতের মচ্ছব,হাওয়ার ওপর তাওয়া গরম করে পিঠা ভাজা,এবং রাজনীতির মারেফত দর্শনের টেলিস্কোপে প্রকৃত শত্রু খোঁজার ব্যর্থ চেষ্টা - মনজুরুল হক
- বাংলাদেশী ওয়েব এড্রেস (অনলাইনে প্রতিদিন) - সিটিজি৪বিডি
- ঘাতক দালালদের তালিকা: - ফিরে দেখা ১৯৭১
- বিরিশিরির বারাবারি - সৌম্য
- কয়েকটি গান মাত্র
উৎসর্গ করে সবাইকে দিলাম - জটিল
- স্নানঘর থেকে শুরু... - সোমেশ্বর অলি
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- অচেনা বন্দরের প্রতি প্রেম হলো আবিষ্কারেচ্ছার জনয়িত্রী - মুজিব মেহদী
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- যদি পাই ছেলেটিকে! - সাবরীনা সুলতানা
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- নীল অশ্বারোহী (২) - তারিক টুকু
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- ওরা আমার দৈনিকের আইডি কার্ড দেখে বলল '' তুই তো ছাত্র, তোকে দেখলেই বোঝা যায় তুই ছাত্র, সার্ভিস'' - সোমেশ্বর অলি
- আমি নির্বাক হয়ে গেলে তাদের পতন অনিবার্য - সোমেশ্বর অলি
- আমার দুই চোখে পর্দাশীলা রিপানা/ দুই কানে অনিতার উলুধ্বনি - সোমেশ্বর অলি
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
স্নানঘর থেকে শুরু...
০২ রা জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
কারণ ব্যাখ্যায় যেতে নেই
ব্যাখ্যা করতে গেলেই
পুরুষের প্রেম হয়ে যায়
কামরূপকামাখ্যা
দ্যাখ উলঙ্গ পুরুষে
শিল্প সভ্যতার কতো দাগ
নারী বিবস্ত্র হলেই বৃষ্টি আসে
পাতার পোষাক খুলে
নারী পড়লো জলের অন্তর্বাস
ঝড় কিংবা নাবিকের শ্বাসে
শুধুই এলিয়ে পড়ে ধ্বনি
পুরুষেরা পোশাকেও সমান সুন্দর
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে
শার্টের কলার গোছাতে গোছাতে
কিংবা
বোতাম লাগাতে গিয়ে
তার নিজের পেছনে
একটা নারীর উপস্থিতি আশা করে
রমণী কোথাও বর্তমান নেই
কারণ সভ্যতা বলতে মানুষ
ইতিহাস বোঝে
পুরুষ লেখক
নারী মানে অতীতের কোনো ডোবা
ডোবার মলিন জলে
পুরুষের বহুরূপী ছায়া পড়ে
খাদ থেকে উঠে আসে আদিম জনতা
জলের নিকটে গিয়ে মনে করা ভালো
পূর্ববর্তী নটীদের মুখ
স্তনের গোপন গুহাছিদ্রে
যারা ধরেছিল পুঁজ
রূপসী নারীকে ক্ষমা করে দাও
আর প্রেমিকের কাঁধে তুলে দাও
পৃথিবীর সব জঞ্জাল
আছে প্রেমিকের বাহু প্রসারিত
ধরা দাও বিনোদিনী নষ্টা ও নন্দিতা
মিলনের ক্ষণটুকু শুধু মনে থাকে
মিলনের আগে পরে কেবল শৃঙ্গার
শৃঙ্গার জেনেছে বহুগামী রাস্তা ধরে
চলা আর চলা
পুরুষ গিয়েছে পৌঁছে
রণাঙ্গনে
নারী তাকে চুমো খেয়ে বলেছিল
বীর্যবান থাকো
যোদ্ধা হও
রক্তপাতের শুরু ও শেষে
চাই কোমল শুশ্রুষা
সেবিকার ভালো নাম নারী
পুরুষের জন্মান্ধ হওয়া আছে
যখন সে প্রেমিকের ভূমিকায়
অর্ধোলঙ্গ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে
একা ও ভাবুক
কবির শিয়রে রাখো নাচের হাঙ্গামা
বিশুদ্ধ নর্তকী খোঁজে
বিদগ্ধ নটরাজের উন্মাদ আঙিনা
নর্তকীর পায়ে বাজে কোকিলার সুর
তেমন আদিম না হলে প্রেমের
সৌন্দর্য কোথায়
কেননা কামান্ধ না হলে চোখের
পরমায়ু কমে যায়
রাতের উরুতে ফোটে বেহায়া শর্বরী
ভোরের বাতাসে কাঁদে কুমারী শামুক
পুরুষ নারীকে সোহাগী নূপুরে বেঁধেছিল
পুরুষ দেখলো কলা
নারী শেকল ছেঁড়ার গান গেয়ে পাহাড়ে লুকায়
ক'মুঠো স্তনের বিশালতা
পাহাড় আঁড়াল করে আছে
পাহাড়ে বেড়াতে গেলে বাড়ে রমণেচ্ছা
যতোটা সমুদ্র দ্যাখ
ততোধিক নীলের ভাসান
কিশোরী কপোলে নাচে
অসম সাম্পান
ধরো নারী মানে
ভালো লাগার চিক্কন একটি মুহূর্ত
এই পাশে জল ওপাশে তরঙ্গ
নিচে ওপরে পিপাসা
তৃষ্ণার গভীরে গেলে
কামের ডায়েরি খুলে যায়
দীর্ঘ হতে থাকে পাঠের প্রক্রিয়া
যুবক ঢুকবে কেন জরাজীর্ণ গ্রন্থাগারে
তরুণী পুস্তকে সেতো নতজানু
পুরুষ উলঙ্গ হলে
পৃথিবীর সবক'টি নদী টলটলে
সব ধরনের ফল আপেল কমলালেবু
নারীকে ভাবতে হবে ফুল
নিজে সুবাসিত হবার আগেই
শুকে দেখুন পাপড়ি
সুগন্ধ ছড়ালে বোঝো
আশপাশে কোথাও চলছে
সহবাসের প্রস্তুতি
আকাশে তাকালে কেবল আকাশ
নারীতে মিশেছে সাহারা তাজমহল
নীলনদ আমাজন নিসর্গ ভূগোল
আজ কেন নগরের পর নগর বিলীন
পৃথিবীতে কেন ঈশ্বর বাঁচে না
এই রহস্য খুলতে পারে রমণীর নাভি
কতোটা গভীরে যেতে হয়
কেমন মধূতে স্নান করে সার্থক মৌমাছি
মানুষের জানা নেই
পুরুষ বোঝে না প্রেমিকার জল
যা প্রত্যহ ঝরে প্রতি মাসে ঝরে
দৃষ্টির সীমানা ভেঙে দূরে
হঠাৎ বিবর্ণ হয়ে যাওয়া দিগন্ত
তার নাম প্রেম
পুরুষের সাধ্য নেই ছুঁয়ে দ্যাখে
নারী অসহায়
প্রেমের বলিতে কাতর পৃথিবী
পুরুষাঙ্গ চুষে বাঁচে
পুরুষকে স্বার্থবান করে যায়
প্রেমিককে ভাবতে হয়েছে স্মৃতি
তাকে ভাঙতে দিও নদী
তীর ছাড়া সে হাঁটতে জানে বেশ
তীর ধরে যতবার গন্তব্য চেয়েছে
পেয়েছে সবই
হারিয়েছে ততোধিক
পুরুষের বাড়ি সেতো রমণীর ঘর
দীর্ঘ প্রণয়ের নাম করে
মানুষ শিখেছে ব্যথা পেতে
ব্যথা দিতে
পুরুষের বেদনা বুঝতে পারে কিনা কেউ
নারীর যাতনা হলো
রংধনুর নষ্ট সাত রং
নারী ডোম্বী
পুরুষের আছে কাপালিক ধ্যান
স্নানঘর থেকে আসে সাবানের ঘ্রাণ
স্নানঘর থেকে শুরু
কামের বাহানা
রন্ধনশালায় পোড়ে চুম্বনের ধোঁয়া
চুলার পাঁজর ভাঙে বাঁশির আগুন
ঘরে ফেরা মানে নারীর কোমরে ফেরা
ঘর ছেড়ে অজানায় চলে যেতে চেয়ে
কিংবা ফিরে আসার প্রান্তরে
উলঙ্গ বৃক্ষের মতো নারী
যোনিপথে ডাকে আর ডাকে
সেও তো পথের দিশা
যে গেছে সে যায় নাই
যে হারিয়েছে সে পেয়েছে কখনো
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
স্যার, মাফ করবেন। আমার এ দীর্ঘ কবিতা আপনার যদি বিন্দুমাত্র বিরক্তির উদ্রেক করে তো দয়া করে আমার ছোট কবিতাগুলো পড়েন...
আন্দালীব বলেছেন:
প্রতিটা পঙক্তি, প্রতিটা শব্দ কীরকম যেন....আলতো করে ধরে ছেড়ে দেয়ার মতো। মনে হয়েছে-
"স্নানঘর থেকে আসে সাবানের ঘ্রাণ
স্নানঘর থেকে শুরু
কামের বাহানা"
এই স্তবকে শেষ হলেও খুব খারাপ লাগতো না। শেষটায় এসে একটু যেন টলে গেছে এরকম মনে হয়।
তবে সবমিলে এ এক অদ্ভুতরকমের সুখপাঠ্য এবং পাঠককে 'ঘোর' এ পৌছে দেবার মতো লেখা।
কবিকে এরকম কবিতা শেয়ার করার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানাই।
--------------------------
"দীর্ঘ প্রণয়ের নাম করে
মানুষ শিখেছে ব্যথা পেতে
ব্যথা দিতে..."
আহা!
প্রণব আচার্য বলেছেন:
বেশ চমৎকার কবিতা... ভালো লাগলোদ্যাখ উলঙ্গ পুরুষে
শিল্প সভ্যতার কতো দাগ
নারী বিবস্ত্র হলেই বৃষ্টি আসে
চিন্তার সাদৃশ্য খুঁজে পেলাম
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
আন্দালীব, সুখপাঠ্য হয়েছে জেনে ভালো লাগলো। তবে শেষের দিকে টলে যাওয়ার ব্যাপারটি আমি ধরতে পারছিনা, হয়তো স্রষ্টা বলেই... ধন্যবাদ
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
প্রণব আচার্য, ধন্যবাদ।প্রচেত্য, হয়তো সত্যি অথবা সত্যি যে, পুরুষ বোধহয় এভাবেই ভাবে।
যীশূ বলেছেন:
বাহ! বাহ!
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
যীশূ , ধন্যবাদ।সিটিজি৪বিডি , কষ্ট করে পড়েছেন, আমার শ্রম সার্থক হলো। সত্যি...
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
সেজুল হোসেন , ধন্যবাদ।
শামস শামীম বলেছেন:
মেঘের কোলে ভালই আকছেন সোনারোদ দুপুর
এক সময় সব উড়ুক্কুদেরই সাহসী সাইনবোর্ডের নিচে দাড়াতে হয়।
শরিফ রনি বলেছেন:
দীর্ঘ কবিতা আর সুদীর্ঘ বর্ণনায় আমি ভেসে গেছি দিগন্তের অন্যপ্রান্তে। শুনতে পাচ্ছি ইভের আর্তনাদ.....
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
মুনমুন +শামস শামীম + শরিফ রনি , ধন্যবাদ- দীর্ঘ কবিতার দীর্ঘ সফরে সঙ্গী হবার জন্য,,,
বেবি রহমান বলেছেন:
রমণী কোথাও বর্তমান নেইকারণ সভ্যতা বলতে মানুষ
ইতিহাস বোঝে
পুরুষ লেখক
নারী মানে অতীতের কোনো ডোবা
................................................
হ্যা ঠিকই বলছেন ব্যাদনার কথা...
প্রান্তজাকির বলেছেন:
কবিতা এমনিতে বুঝিনা। তার ওপর ম্যারাথন...............! ভাবছি ইপিসড আকারে পড়বো। আমার অদক্ষতা ক্ষম গুরু........!
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
আমার অদক্ষতা ক্ষম গুরু.......
তারিক টুকু বলেছেন:
বেশ ভালো লাগলো অলি।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
ধন্যবাদ, টুকু।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
আপনার মর্জি মহাশয়...
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
চলছেই তো। তোর ছবিটা এতো হাস্যকর কেন?
মাঠশালা বলেছেন:
অনেক ভাল লাগল।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
মাঠশালাকে ধন্যবাদ।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
মোটামুটি দীর্ঘ কবিতা বোধহয় একে বলা যায়...অনেক ভালো লেগেছে।
অন্য অর্থে বলা যায় খুবই ভালো লিখেছেন সোমেশ্বর।
ধন্যবাদ।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
এ কবিতাটা নিয়ে আমি অনেক বেশি চিন্তিত। এর পেছনে সময় দেয়া, কাটাকুটি, শিরোনামবদল ইত্যাদি করে করে বহুদিন গেছে। আর কোন কবিতায় এমন সময় দেয়া হয়নি। ফলে এটি ভালো লেগেছে শুনলে একটু বেশিই আন্দোলিত হই । ধন্যবাদ কবি- মুয়ীয...
আলী প্রাণ বলেছেন:
'কবিতারা এভাবে ক'জনার হাতে ধরা দেয়!!!খুব ভালো লাগলো আপনার লেখাটি.... অসাধারণ বললে কম হবে....
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
আমি ধন্য। আপনাকে আমার ব্লগে স্বাগতম...
পান্থ বিহোস বলেছেন:
হেই মিয় অলি, কিছু কথা বল... অতো লম্বা করছেন কেন? প্রথম সাত লাইন পইড়া তো মনে হইছিলো জটিল লাইন... কিন্তু শেষে তো বিরক্ত হয়া গেলাম। ....
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
এ কবিতা অস্থির পাঠকের ভালোই লাগবে না- যারা দৌড়ের ওপড় কবিতা পড়ে, পৃথিবীর কোন কবিতাই তাদের ভালো লাগবে না। আপনাকে ধন্যবাদ যে, সাত লাইন তবু পড়েছেন...।
অশোক দেব বলেছেন:
লেখাটা আমার ভাল লাগল।তবে দৈর্ঘের কারণে কোথাও কোথাও শিথিল
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
দাদা, ধন্যবাদ। মন্তব্য যথার্থই। দীর্ঘ কবিতায় এ দুর্বলতা মানতে আপত্তি নেই। তবে আমার চেষ্টা ছিল অক্লান্ত...
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
আপনার ধৈর্য্য আছে ভাই। এতো ব্যস্ততার ভিড়ে নাদানের কবিতা পড়েছেন আবার মন্তব্যও করেছেন, আমি আনন্দিত হে....
কৌশিক বলেছেন:
মন্তব্যকারীদের জবাব দেয়ার জন্য মন্তব্যের নিচেই একটা অপসন আছে জবাব দিন। সেটা ক্লিক করে প্রতিউত্তর দিলে আপনি যার মন্তব্যের উত্তর দিচ্ছেন সেটা পাশাপাশি থাকবে। পড়েও আরাম। কবিতা গেছে ফেভারিটে।
লেখক বলেছেন: তাই! এতে বার বার নিজের ছবি দেখার বিড়ম্বনা ঘুচবে। কবিতাটি ফেবারিট করেছেন বলে ধন্যবাদ। আছেন তো ভালো?
কৌশিক বলেছেন:
হ্যা ভালো আছি নিজের চেষ্টায়। আপনার খবর কি?
মুহিব বলেছেন:
আমারও ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মুহিব...
ইউনুস খান বলেছেন:
এইডা কি আগেও দিছিলেন।
লেখক বলেছেন: জ্বি। কয়েক মিনিটের জন্য প্রথম পৃষ্টায় ছিল।সেদিন ঝামেলা হয়েছিল। তার কিছুদিন পর আবার পোস্ট দেয়া...
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন:
সব নারী আর পুরুষ!অথবা
পুরুষ নারী
সবই ১১১১১১১১১১১১১১
এক
ভালো লাগলো যদিও একটু দীর্ঘ এই যা১
লেখক বলেছেন: এই যা...
দাউদ রনি বলেছেন:
অলি,এই দীর্ঘ কবিতাটি আমি আগেও পড়েছি... আবারও পড়লাম... এবং যথারীতি আমি দ্বিতীয়বারের মত মুগ্ধ হলাম।
আমার ভালো লাগছে এই ভেবে, এ কবির সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পর্যায়ে জানা-শোনা আছে। আজ থেকে ১০ বছর পর হয়ত এ কবির সঙ্গে আমার পরিচয় থাকবে বলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করব।
....... এটা নিতান্তই একটি অকপট সত্য ভাষণ।
যুগ যুগ জিয়ো বাছা....
জুয়েল মোস্তাফি. বলেছেন:
অলি শেষ করতে পারলাম না। শেষ করে মন্তব্য করবো
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
হুমম....................
লেখক বলেছেন: ভাই কোন অন্যায় করলাম? হু?
অক্ষর বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: হুমম২
প্রান্তজাকির বলেছেন:
আস্তে ধীরে তোমার কবিতার ভেতরে প্রবেশ করলাম অবশেষে! আর বের হতে ইচ্ছে করে না । কী করি বলতো গুরু?
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
ভাবনায় পড়ে গেলাম হে পাঠকবর!
নিহন বলেছেন:
অলি ভাই জাক্কাচ লেগেছে
লেখক বলেছেন: ঠিক্কাসে...
সুতরাং বলেছেন:
ওলি, বেশ বড় কবিতা লিখেছেন। পড়লাম। স্নানঘর নিয়ে এই অধমেরও একটা কবিতা আছে। যাহোক, আপনার কবিতাটি ভালো লাগলো।
সুতরাং বলেছেন:
অলি, আমার ভুল করে আপনার নাম 'ওলি' লিখে ফেলেছি। স্যরি।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
ঠিক আছে। আপনার কবিতাটা দেখার্ আশা থাকলো।
আমি ও আমরা বলেছেন:
সুন্দর কবিতা বেশ ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: স্বাগতম। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ থাকলো...
পান্থ বিহোস বলেছেন:
হেই মিয় অলি, কিছু কথা বল... অতো লম্বা করছেন কেন? প্রথম সাত লাইন পইড়া তো মনে হইছিলো জটিল লাইন... কিন্তু শেষে তো বিরক্ত হয়া গেলাম। .... আমি কিন্তু পুরাটা পড়ছি। মনে হইলো প্রথম সাত লাইন কবিতা, পরেরটা বোনাস (মানে ফ্রি)........... কেমন যাচ্ছে দিনকাল.. নতুন কবিতা কই?
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
হেই মিয় !!!
ইমরান খান ইমু বলেছেন:
ভালো লাগলো...অনেক...ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ...
প্রভাৎ ঋষি বলেছেন:
কবি ... ভালো লেগেছে ... অনেকগুলো একক পংঙ্কতি নিয়ে একটি দীর্ঘ কবিতা ... এক কিন্তু একা না ............. মজার ...
লেখক বলেছেন: মন্তব্য সানন্দে গৃহীত। ধন্যবাদ।
মির্জা ইকবাল হাসান বলেছেন:
"আজ কেন নগরের পর নগর বিলীনপৃথিবীতে কেন ঈশ্বর বাঁচে না
এই রহস্য খুলতে পারে রমণীর নাভি "
কবি, অসাধারণ হয়েছে!!!
লেখক বলেছেন: মেনেছি। ধন্যবাদ। আমার ব্লগে আপনাকে আবারো স্বাগতম...
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ বলেছেন:
অনেক ভালো লাগল। দীর্ঘ এই কবিতা পড়ে আমার আয়ু বেড়ে গেছে। কবিকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ, আপনার মূল্যবান সময়টা বৃথা যায়নি ভেবে আমি কৃতার্থ। ভালো তো সব?
লেখক বলেছেন: খবর আর কি, ঘুম ভাঙছেই না।
কিছুই লিখতে পারছিনা।
নিজেকে অথর্ব মনে হচ্ছে।
আপনি ভালো তো?
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
এবং এখনো শেষ হচ্ছে না। দীর্ঘের লোক পাওয়া গেল, ভালো। সংরক্ষিত।
লেখক বলেছেন: কবিতা সংরক্ষণের জন্য আমি কৃতার্থ। ধন্যবাদ, অন্যমনস্ক শরৎ ...
লেখক বলেছেন: ..........!
আমি ও আমরা বলেছেন:
কবিতার সুখ বোধ করি মানুষের মনের অবস্থানের উপর নির্ভর করে। এর আগেও দেখে গিয়েছিলাম লিখাটা। আজ আবার এলাম অনেক অনেক অনেক দিন বাদে। প্রীয় পোষ্টে নিলাম। সেই সাথে আপনাকেও।
লেখক বলেছেন: কবিতা সংরক্ষণের জন্য আমি কৃতার্থ। ধন্যবাদ....
লেখক বলেছেন: তুমিও জব্বর মন্তব্য দিছো...
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
ধন্যবাদ....
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
এক কিশোরের অভিমানের অত্যাচারে মনটা খুব খারাপ যাচ্ছিলো। এই কবিতাখানি পড়ে খুব ভালো লাগছে। যতোদূর জানতাম ভালোই করেন। এতো ভালো করেন জানতাম না। সোমেশ্বর যুগ যুগ প্রবাহমান থাকুক।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
খোমেনী ইহসান,thanx...
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
বাপরে বাপ!! এ যে রীতিমতো রিসার্চ!!!!!!!!!!!!অলি ভাই; আপনার জবাব নাই! এটাকে দীর্ঘ বলার কোন যৌক্তিকতা খুঁজে পেলাম না। আমার তো মনে হলো, শুরু না হতেই শেষ!!
অঅঅঅআসাধারন!!!!!
লেখক বলেছেন: আমারও মনে হয়- আরো কিছু দূর হাঁটলে মন্দ হতো না। বরং আরো কিছু বাঁকের খবর পাওয়া যেত। সব মিলিয়ে হয়নি। তবে আপনার কাছে কবিতাটি '' অঅঅঅআসাধারন!!!!! '' মনে হয়েছে জেনে ভালোই লাগছে।
ভালো থাকুন...এরশাদ বাদশা ...
লেখক বলেছেন: দাদা, লিখতে পারছিনা।
আপনার খবর কি?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হে গল্পকার...
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এটা কি কবিতা শুধু?নাকি একটা দীর্ঘ জার্ণি?
ট্রেনের জানালার পাশে বসে বাইরের দিকে তাকালে যেমন করে দৃশ্যপট পাল্টায় দ্রুত.........
আর ভালোলাগাগুলো বিস্তার লাভ করতে থাকে......।
তেমন লাগলো।
ভালো অনেক লেখা পড়া বাকি।
আপনার ব্লগবাড়ি আসবো আবার ও....প্রায়শই।
ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
sagotom. aapnar gochalo montobbo aamake onupranito korbe...
সৈ ক ত হা বি ব বলেছেন:
প্রিয় অলি, তোমার গতি আর লম্বা দৌড় দেখে মুগ্ধ হয়েছি। এর মধ্যে যেমন অনেক সম্ভাবনা আছে, সমস্যাও আছে। কিন্তু যা ভালো লাগল, তা হচ্ছে তোমার সপ্রাণতা ও সারল্য। এটা কবিতার জন্য খুব জরুরি বলে মনে করি।আশা করছি, তোমার কাব্যভ্রমণ অনেক দীর্ঘ হবে, তোমার এই দীর্ঘ কবিতাটির মতোই।
ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: প্রিয়, সৈ ক ত হা বি ব (ভাই),
সপ্রাণতা আছে জেনে ভালো লাগছে। আপনার গঠনমূলক মন্তব্যটাই দরকার ছিল। সমস্যা- সম্ভাবনা তো থাকবেই। ভালো থাকুন।
নাজনীন খলিল বলেছেন:
অনেক দেরীতে হলেও কবিকে অভিনন্দন জানাই। চমৎকার কবিতা।

















আম্গো লাইনে আয়া পড়। এক্শন পোয়েট্রির চর্যা কর্বা, ভরপেট ভাতের মাড় খাবা- ভালা থাকবা।
আর খুব কম কথায় সলিড কবিতা ছাড়বা।
ভালা থাইকো।
ফাঁৎ ফাঁৎ সাঁই সাঁই