আমার প্রিয় পোস্ট
- । হিজড়া, প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের এক দুর্ভাগা শিকার ! - রণদীপম বসু
- টান টান উত্তেজনাময় গল্পঃ হিমুর হাতে কয়েকটি নোবেল প্রাইজ - আলিম আল রাজি
- পুরনো ডায়েরী থেকে: স্রেফ এক কাপ চা। বা তার চেয়েও অনর্থক। - রিফাত হাসান
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ১০টি বছর আর আমার প্রাণপ্রিয় স্কুল। - তারার হাসি
- তাহাদের একুশ, আমাদের আট / তাহাদের ক্রুশ, আমাদের ছায়াঢাকা পুকুরঘাট - কোলাহল
- এক নিঃসংগ সারথির জন্ম জন্মান্তরের ভালোবাসা/বিহংগ। - বিহংগ
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- বেনজামিন যেফানিয়া'র সাম্রাজ্যবাদের মুখোশ উন্মোচক কবিতা - সারওয়ারচৌধুরী
- বিবর্তনের ভ্রান্ত দর্শন - ২ - বইপাগল
- আমার প্রিয় কবিতা - ৩ নেড়া বেলতলায় যায় ক'বার? - কবি মন কাব্য প্রান
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- ৭১ এর উদ্বাস্তু : (ফটোব্লগ) - মেহরাব শাহরিয়ার
- রহস্য সাহিত্যের ক্যাপ্টেন- কাজী আনোয়ার হোসেন - নিশাত
- জানতে চাই - ২৭ - বইপাগল
- ফতোয়া ২১ - প্রসঙ্গ - বিউটি পার্লারে যাওয়া এবং উইগ লাগানো - বইপাগল
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
- প্রত্যেক ঘটনায় অন্তর্নিহিত আছে কল্যাণ - বইপাগল
- আমেরিকা!!! - লাল দরজা
- হে প্রভু - সত্যদা
- জেনে নিন কোন ওয়েব সাইট কোন দেশের - নাজিরুল হক
- আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি
- সামী মিয়াদাদ
- একুশের প্রথম কবিতা,"আমি কাদতে আসিনি,আমি ফাসির দাবী নিয়ে এসেছি" ১ - আরিফুল হোসেন তুহিন
- আমি নিজেই যখন ঈশ্বর হয়ে যাই /বিহংগ। - বিহংগ
- মিথিলার চিঠি - বইপাগল
- জাগৃতি - দেবদারু
- তার জন্য - জিহাদ
- তুমি কোন কাননের ফুল গো (পর্ব-১) সারওয়ার চৌধুরী - সারওয়ারচৌধুরী
- জানতে চাই - ১২ - বইপাগল
- আজ আমার মন ভালো নেই (পুনঃপ্রকাশ) - নীলাঞ্জনা
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ইবাদত-বন্দেগীতে ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের শিক্ষা - বইপাগল
- বিশ্ব কুদস দিবসঃ নব্য ক্রুসেডের বিরুদ্ধে মুসলমানদের মহাজাগরণের দিন - আশরাফ রহমান
- গুগল কথন ৫ - কর্মীরা যেখানে রাজা - রাগিব
- Rod Stewart - First Cut Is the Deepest - ফালাক
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- মুখ ঢাকি লজ্জায়...... - সিঁদুরে মেঘ
- আমরা এখন অনেক প্রযুক্তিমনস্ক, তবে বিজ্ঞানমনস্ক নই - অনিশ্চিত
- আযানঃ অকল্পনীয় কিন্তু সত্য - আশফাকুর রহমান
- শবে বরাত - ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১ম কিস্তি) - আব্দুর রহমান রাযীন
- উত্তম কাজের বিবিধ পন্থা বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের শিক্ষা - বইপাগল
- রিলিজিয়াস ফ্রিডম রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান - মাহিরাহি
- বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা কি কি? - মাহিরাহি
- বাংলাদেশবিরোধী নানামুখী অপপ্রচার - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- ইসলাম মানে ১৪-শ বছর আগের আদর্শ, ১৪-শ বছর আগের টেকনোলজির ব্যবহার নয় - বিবেক সত্যি
- আল্লাহর কাছে দোয়া করুন আল্লাহরই শেখানো ভাষায় - এক পশলা বৃষ্টি
- মজার কিছু প্রবচন। সংগ্রহ- ব্লগার মিষ্টার বাংলাদেশ । - অপূর্ব
- অতীব গুরুত্বপূর্ণ- ফলের ঔষধি গুণ - আশফাকুর রহমান
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আত্বসম্মানবোধ!!! - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
চতুরভূজের অর্থহীন ডায়েরীর নিষ্প্রাণ পাতায় -
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩
আজ অনেকক্ষন রোদের ভেতর হাঁটলাম। ফাল্গুন মাসের রোদ, চৈত্র মাস আসি আসি করছে। নীলক্ষেত গিয়েছিলাম বই কিনতে। প্রখর রৌদ্র। রিক্শার ভেতর বসে থেকে মনে হচ্ছিল দোজখের ভেতর বসে আছি। রাস্তার কঠিন পীচের ভেতর তরল তরল একটা ভাব চলে এসেছে। সদরঘাট থেকে ২০ টাকায় নীলক্ষেত ভাড়া করলাম কিন্তু রিক্শা ওয়ালার ঘামে ভেজা শরীর দেখে তাকে আরও ৪ টাকা বাড়িয়ে দিলাম। জীবনের তাগিদে এদের এত প্রখর রৌদ্রে সক্ষম মানুষদের বহন করে নিয়ে চলতে হয়, শরীরের তেল পুড়িয়ে ডিজেল বানিয়ে রিকশার গতি ধরে রাখতে হয়!
সোজা চলে গেলাম ফ্রেন্ডস বুক কর্ণার। যেসব বই কিনলাম তার মোট দাম হল ৮০০ টাকা। বইগুলো কিনে দোকান থেকে বেড়িয়ে এলাম, ফুটপাথের উপর সাজানো বই থেকে সমরেশ মজুমদারের 'হৃদয়বতী' কিনলাম, কিনলাম হুমায়ূন আহমেদের 'লীলাবতী'।
সপ্তম শতকের বিখ্যাত গণিতজ্ঞ ভাস্করাচার্য্যের একমাত্র কন্যার নাম লীলাবতী। মেয়েটির কপালে বৈধব্যযোগ-এই অজুহাতে কন্যা সম্প্রদানের আগে আগে বরপক্ষ মেয়েটির বিয়ে ভেঙ্গে দেয়। লীলাবতী যখন গভীর দুঃখে কাঁদছিল তখন ভাস্করাচার্য্য বলেন, 'মাগো,তোমার জন্য কিছু করার সামর্থ্য আমার নেই, তবে পৃথিবীর মানুষ যেন বহুযুগ তোমাকে মনে রাখে আমি সেই ব্যাবস্থা করছি।' তিনি তাঁর বিখ্যাত গণিতের বইটির নাম দেন লীলাবতী।
নীলক্ষেতের একটা উপকারিতা রয়েছে-সস্তায় অনেক পুরোনো ও ভাল ভাল বই পাওয়া যায়। কত লেখকের দীর্ঘ রাতজাগার ফসল পড়ে থাকে পায়ের কাছে, নিষ্প্রান বইয়ের পুরু মলাটের নীচে চাপা পড়ে থাকে কত মনের হাহাকার আর কত হৃদয়ের অতৃপ্ত, না বলা কথা। আমরা হাত বাড়ালেই পারি এইসব দিনরাত্রীর বহুযুগ ধরে চলে আসা চাপা ক্রন্দনে শামিল হতে, নিঃশ্বাস ফেলতে, কিন্তু অনেকেই চাইনা। সবার বুকেই বাজতে থাকে ভাঙ্গা রেকর্ড, " আমার জলেই টলমল করে আঁখি, তোমার চোখের অশ্রু কোথায় রাখি?"
দেখলাম জীবনান্দের 'কবিতা সমগ্র'। ১৪ কি ১৫ বছরের বই বিক্রেতাকে বললাম, 'কতরে এটা?'
'১৬০ টাকা'
'এত দাম? কম কত'
'একদাম ১০০ টাকা'
'৮০ টাকায় দিবি?'
'৮৫ টাকায় নিলে নেন' বলেই ছেলেটি বইখানা আবার জায়গামত রেখে দিল। আমি ফিরে যাবার ভাণ করে আবার এলাম। ছেলেটি বলে উঠল,'৮৫ টাকায় বেঁচলে ৫ টাকা লাভ অইব।'
'দে, শুধুমাত্র জীবনানন্দ দাশ কে সন্মান করেই কিনছি, তোর লাভের জন্য না। জীবনানন্দ কে, জানিস তো?
'হ জানি, বিড়াট কবি।'
'তুইতো দেখি অনেক কিছু জানছ, বাড়ি কই তোর?'
'বরিশাল'
'খাইছে! তাইলে তো এই বই আমারে মাগনা দেওনের কথা, তুইতো জীবনানন্দের দেশের লোক!'
'হ, দ্যাশ খাইয়াতো আর পেট ভরব না।'
নীলক্ষেত থেকে ফিরে সদরঘাট নেমে দেখি ক্ষুধায় পেট জ্বলে যাচ্ছে। বাসায় গিয়ে খাওয়ার আগেই ভাবলাম একটা বারগার খেয়ে যাই। ১৮ টাকা নিল সেই জগতের নিকৃষ্টতম বারগারের দাম। হাকিমপুরী, শান্তি পুরী আর নুরানী জর্দা দিয়ে একটা পান খেলাম, সেটাও বিস্বাদ লাগতে লাগল। দোকানি বলল, এই বয়সে পান খাইলে দাঁত নষ্ট হইব। আমি বললাম, আমার দাঁত নষ্ট হইবনা, অভ্যাস আছে, আপনে পান দ্যান। বাসায় এসে বিছানায় শোয়া মাত্রই ঘুমে তলিয়ে যেতে থাকলাম। উঠে দেখি ৪টা বাজে। এরপর শাওয়ারটা ছেড়ে দিয়ে ১ ঘন্টা ভিজলাম, মাথার রগ দপদপানি সেরে গেল। এককাপ চা খেয়ে সতেজ হলাম। আচ্ছা কেউকি দেখেছে- চরম নিঃসঙ্গতায় গরম এক কাপ চা প্রানান্ত উষ্ণতা এনে দেয়? কেউ কি এ ব্যাপারটা খেয়াল করেছে যে যুগে যুগে চায়ের পেয়ালারা মানুষের ঠোঁট ছুঁয়ে ছুঁয়ে তাদেরকে সতেজ করে আসছে?
এভাবেই গেল আজকের দিনটি। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে হাঁটতেই থাকি, অনন্তকাল ধরে হাঁটি। 'হাজার বছর ধরে' হাঁটার মত। আচ্ছা, হাঁটতে হাঁটতে পৃথিবী পার করে চলে যাওয়া যায়না? কেন পৃথিবী গোল হল? কেন নীরবে উদ্দেশ্যবিহীন এই জীবনের মোহময়তা কেটে যায় ? অনুভুতি গ্রহণ করার কোষগুলো ভোঁতা হয়ে যায় কেন অতি দ্রুত? আজ কেন আমার সেই হাল ভাঙ্গা,পথহারা নাবিক হতে বড় সাধ জাগছে!-
"হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে;
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের মালয় সাগরে।
অনেক ঘুরেছি আমি বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে,
সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি ক্লান্ত প্রান এক; চারদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য্য; অতিদূর
সমুদ্রের' পর
হাল ভেঙ্গে যে নাবিক হারায়েছে দিশা।"
১৮.০৩.২০০৬
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
তাসমান বলেছেন:
ছবিটা যেনো কথা বলছে।দেশী কেমন আছেন?আমার জলেই টলমল করে আঁখি, তোমার চোখের অশ্রু কোথায় রাখি?"৫ দিলাম।
অনিশ্চিত বলেছেন:
সদরঘাট থেকে কি এখন নীলক্ষেতে ২০ টাকা দিয়ে আসা যায়?*
'কেউ কি এ ব্যাপারটা খেয়াল করেছে যে যুগে যুগে চায়ের পেয়ালারা মানুষের ঠোঁট ছুঁয়ে ছুঁয়ে তাদেরকে সতেজ করে আসছে?' - আমার প্রিয় মানুষটি পেয়ালার যে দিকে চুমু(ক) দিয়ে চা খাবে, আমি সে দিক দিয়েই চা খাব।
*
ছবিটি অসম্ভব সুন্দর।
শিরোনামের 'নিষ্প্রাণ' ঠিক করুন ভাইয়া ন না ণ ।
'আমারে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।'
বনলতা তাইলে আপনাকেও শান্তি দেয়!
হুমমমমম বুঝেছি!
৫
মন মণষা বলেছেন:
লেখা ভাল...আননের মত আমিও পরি গানটা আপনার জন্য তুলে রাখলাম।@অনিশ্চিত
ছবির রঙ টা কৃত্তিম কিন্তু মানুষ টা অসম্ভব সুন্দর তাই ছবিটা সুন্দর লাগছে।
চতুরভূজ বলেছেন:
অন্যআনন,অনিশ্চিত,মন মণষা-ধন্যবাদ।দেশী আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, বাই দ্যা ওয়ে, গ্রামের নাম কি?
চতুরভূজ বলেছেন:
সারোয়ার ভাই,ভুল বোঝার চেয়ে কিছু না বোঝা ভাল।
জীবনানন্দের বনলতা বুঝি কেবল আপনাদের জন্য? আমাদের কি ইচ্ছা করেনা প্রখর রৌদ্রে আসমানী রং এর শাড়ী পরা কোন মায়াবতী মুখ হাত ভরতি চুড়ীর রিমঝিম শব্দ নিয়ে ঠান্ডা পানির গ্লাস হাতে আমাদের পথ চেয়ে থাকুক!!!
চতুরভূজ বলেছেন:
আপনি চাইলে জীবন্ত বনলতার কন্ঠ শুনিয়ে দিতে পারব!! হা হা হা ।
জীবন্ত বনলতাকে পেলে আমার কি আর এই ভবে থাকা হবে!
আন্ধার রাত বলেছেন:
ছবিটার রং বদলিয়েছেন আপনি।
চতুরভূজ বলেছেন:
ধন্যবাদ, নাজিরুল
সুমি বলেছেন:
আজ অনেক গুলো টিউটোরিয়াল পরীক্ষাছিল--দম বন্ধ করা অবস্থা---
মাথাটা সেই সকাল থেকে ধরে আছে---
ইফতার করে খানিক বিশ্রাম নিয়ে পড়তে বসা--
এশার নামাজ আদায় করে এক মগ চা নিয়ে আবার পড়তে বসছিলাম--- কিন্তু আজ পড়ায় মন বসছিলনা-
তাই নেটে আসলাম---
এসেই প্রথম বইপাগল তার পর তোমার ব্লগে আসলাম---
এসে লেখা পড়েতে পড়তে আমার চাই ঠান্ডা হয়ে গেল---
আমার তো মনে হয় ---
যার উপর আপনি বনলতা ভর করে তার ছায়াতে আরেক জীবনানন্দ কে দেখা যায়---
আচ্ছা আমি একটা ব্যপারে বুঝতে পারছিনা-- আমি যে তোমাকে আপু বলছি ভুল করছিনা তো---?
তুমি জর্দা দিয়ে একটা পান খেয়েছ----?
আচ্ছা বিক্রমপুর কোথায় তোমার বাড়ী --
আমার নানার বাড়ী ও বিক্রমপুরে শাপলার দেশ---
বর্ষায় এর আসল রূপ দেখা যায়----
আমার নানার বাড়ী হল গোয়ালী মান্দা হাঠের পাশ্বেই-
সেজেল খাঁ পন্ডিত বাড়ী----
তোমার লেখা টা দারুন হয়েছে-----
পাঁচ না বরং প্রিয়তে + করলাম----
আর একটি কথা =----- ছবির জীবন্ত বনলতাটা কে-
বলবে তো?------?----?
সোনার বাংলা বলেছেন:
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথেসিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের মালয় সাগরে।
অনেক ঘুরেছি আমি বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে,
সেখানে ছিলাম আমি আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে
আমি ক্লান্ত প্রান এক চারদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য্য অতিদূর
সমুদ্রের' পর
হাল ভেঙ্গে যে নাবিক হারায়েছে দিশা।
৫
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
...প্প্ম্র
বইপাগল বলেছেন:
আমি জানি না, এই লেখাটির ব্যাপারে আমি কি বলে আমার ভাব প্রকাশ করবো ... অসাধারণ বলবো কি? সেও তো সবাই বলে ... সমৃদ্ধ বাংলার শব্দে আজ দারিদ্রতা নাকি আমার তুচ্ছ জ্ঞান? সম্ভবত পরেরটাই ... অপূর্ব হয়েছে। অবশ্যই পাঁচ কেননা এর বেশী দেবার উপায় নাই নয়তো ...
আবূসামীহা বলেছেন:
ভয়ই পেয়েছিলাম এই রোজ়ার মাসে দিনের বেলা এত খাওয়া খাওয়ির কথা দেখে।পরে দেখি ২০০৬ সাল। যাক বাবা, বাঁচা গেল। আটকে যাওয়া দম আবার বের হল।
সুন্দর লিখার জন্য অ-------------নে-----------ক ধন্যবাদ।
মানবী বলেছেন:
মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা। নিজের অনুভূতির চমৎকার প্রকাশ, ধন্যবাদ চতুরভূজ।ছবিটি খুব সুন্দর!
৫
চতুরভূজ বলেছেন:
সুমি,আমার গ্রামের বাড়ি সাতঘড়িয়া, নাম শুনেছ? তোমার পরীক্ষা ভাল হোক। "যার উপর আপনি বনলতা ভর করে তার ছায়াতে আরেক জীবনানন্দ কে দেখা যায়---" হুমম, যথেষ্ট ম্যাচিউরড! আর ছবির বনলতা? সে তোমায় গোপনে বলিব সখী।
চতুরভূজ বলেছেন:
সোনার বাংলা,আমাদের সোনার বাংলায় আপনার মত সন্তানদের আজ বড় প্রয়োজন যারা দ্বীধাহীন ভাবে সত্য উচ্চারণে কুন্ঠিত হয়না।
বইপাগল,
আমি ধন্য হলাম।
মোসতফা মনির সৌরভ ,আবূসামীহা ভাই,মানবিকতার মানবী, ভাস্কর দা --- অনেক অনেক ধন্যবাদ।
সাইমুম বলেছেন:
'হাকিমপুরী, শান্তি পুরী আর নুরানী জর্দা দিয়ে একটা পান খেলাম'- তুমি পান খাও চতুর??৫৫৫৫
এখন নিজের হাত কামড়াতে ইচ্ছা করছে।
৫
নূরে আলম বলেছেন:
৫, ৫, ৫।অবশ্যই ৫।
আপনি জীবনানন্দ ভালবাসেন?
আমিও অসম্ভব রকমের ভালবাসি জীবনানন্দের কবিতা।
লেখাটা খুব ভালো হয়েছে।
জানেন, এককালে আমি খুব চা খেতাম, কিন্তু কোন একে কারণে আমি পনের বছর বয়স থেকে চা খাওয়া বন্ধ করে দিলাম। কারণটা খুব তুচ্ছ। কিন্তু তবুও তখনকার 'আমি'র প্রতি সম্মান দেখিয়ে এখন আর চা খাই না।
অনেক ধন্যবাদ এই লেখার জন্য।
আমি আসলে ব্লগে কম বসি তো, তাই কারও লেখাই পড়া হয়ে ওঠে না। ডোন্ট মাইন্ড প্লিজ। এখন থেকে আপনার লেখাগুলো পড়ার চেষ্টা করব
।
চতুরভূজ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ নূরে আলম ভাই। আপনাকে আমার ভিষন সহজ সরল মনে হয়। দিনে ৭০ কাপ চায়েও আমার আপত্তি নেই। মনে কষ্ট না রেখে আবার চা খেতে শুরু করেন। জীবন কখনও ধ্রুব নয়, প্রতি মুহূর্তে এর রং পাল্টাতে পারে। আর জীবনানন্দের কবিতা আমার ভিষন প্রীয়।
ওগুলা আমার খুব ভালো লাগে। তুমি আমারে আনব্যন কইর।
চতুরভূজ বলেছেন:
মাথামোটা, কিছু মনে করবেননা, আপনি কি চান আমার এই ব্লগটা গালিতে ভরে যাক? নুরে আলমকে আপনি এখানে এসে গালি দিচ্ছেন কেন? গালাগালি করলে যে লোকে আপনাকে খারাপ ভাববে। কেননা, নীচু লোকের হাতিয়ার হল অশ্লীল বাক্য।
আশিক হাসান বলেছেন:
অসাধারন একটি লেখা । মনছুঁয়ে গেল পুরানো বই আর সদরঘাটের কথা শুনে । মনে পড়ে গেল আমার শৈশব আর কৈশোরের স্মৃতি । সময় পেলে সদরঘাটের ফুটপাতে পসরা সাজানো পুরোনো বইএগুলো পাতা উল্টানা,বুড়িগঙ্গায় নৌবিহার আর পুরান ঢাকার ধুপখোলা মাঠে স্কুল পালিয়ে ফুটবল খেলা । সেই দিনগুলো আমি আর ফিরে পাবোনা ভাবতেই খুব কষ্ট হয়। এরকম লেখা পড়ে মন মাঝে মাঝে খারাপ হলেও ,ভাল লাগে এই কষ্ট পাওয়াকে ,কারন কষ্টা টা জানান দেয় আমার ভেতরের আমিত্বকে ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ , ৫।
চতুরভূজ বলেছেন:
ফয়সল,বিক্রমপুরের সব জায়গাই আমার কাছে স্বর্গের মত লাগে। ধন্যবাদ।
আশিক হাসান ভাই,
আপনার এইরকম মন্তব্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করতে চাইনা। অনেক ভাল থাকুন।শুভ কামনা।
ইেলারা বলেছেন:
লিখাটা ভাল হয়েছে, ছবির মেয়েটি সুন্দর।
বন্ধনহীন বলেছেন:
মহতী চতুরভূজ, আশা করি ভালো আছেন। সময় সুযোগের অভাবে আপনার সাথে গল্প-সল্প করা আর হয়ে উঠছে না। আপনি মরে যেতে চান জেনে খুব ভয়ে ছিলাম। আল্লাহ্ অশেষ রহমত, আপনি ভালো আছেন।
এই লেখা পড়ে, বুঝলাম, আপনার আসলেই একটা কবিমন আছে। কবিমনটা আরো ভালো করে প্রকাশ করুন। ব্লগবাসী আপনার কাছে অনেক কিছু আশা করে।
খাওয়া-দাওয়া আর রোজা রাখা হচ্ছে তো? লম্বা দিনের চাপে আজকে আমি ৩টা রোজা রাখলাম। উপরওয়ালা সবই বুঝেন। তিনি মহান।
চতুরভূজ বলেছেন:
বন্ধনহীন, আমি ভাল আছি। ধন্যবাদ।স্বপ্ন ব্যাকরণ,
আপনার নামটার মত সুন্দর লিখতে পারলাম কই?
িফেরাজ খান বলেছেন:
রিক্ত এ আঁখি তব কি দিবে স্বপ্ন বালা, ক্ষতভরা এ বুকে শুধুই অনল জ্বালা, তারপরও শুণ্য মরুদ্যানেও জ্বলে রাতের তারা, তারপরও সেই চাঁদ হাসে যার দাঁতে জোছনা ভরা,
সেই জোছনার মত নির্মল আপনাকে ধন্যবাদ
মানুষ বলেছেন:
হায় চিল সোনালী ডানার চিলএই ভিজে মেঘের দূপুরে তুমি আর কেদো নাকো উড়ে উড়ে
ধানসীঁড়ি নদীটির পাশে।
খুব ভাল লেগেছে।
পঞ্চপান্ডব
সাইমুম বলেছেন:
চতুরভূজ তুমিই বল ছবির মেয়েটি নাকি সুন্দর? ও সুন্দর হলে সুন্দরী আর কাকে বলবো? আমি আবার কারো দিকে তাকাই না।
সাইমুম বলেছেন:
গতকাল আইিডর ছবি পাল্টালে। আজ আবার ব্যাক টু দি প্যাভিলিয়ন। অবশ্য আমি একটা জিনিস খেয়াল করছি। আর তা হচ্ছে, সব ছবির সূত্র একই। এমনকি আইডিতে ব্যবহৃত হাফ ছবিটাও। আমার ভুলও হতে পারে । কারণ আমি আবার এক ফুটের বাইরে কিছু দেহি না।
চতুরভূজ বলেছেন:
সাইমুম ভাই, গতকাল আসলে ফাজলামো করছিলাম। নেই কাজ তো খই ভাজ টাইপ। আর আপনার একফুটি পর্যবেক্ষন ক্ষমতা আসলেই অসাধারন!! তবে একটা কথা, সব কিছুর দিকে এত তাকাইতে নাই, তাইলে কিন্তু ঐ , চেরী দেখব না চেরী নিয়ে লিখব এর মত হবে। হা হা হা ।
আর ছবির মেয়েটা একদম একটা বান্দর, কিন্তু সবাই সুন্দর কয় ক্যান বুঝিনা! হা হা ।
সাইমুম বলেছেন:
চতুরভূজ : ওকে তাকাবো না। মাগার জো ওয়াদা টুট গেয়ি. ম্যায় ক্যায়া করু।
চতুরভূজ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ শাপলা। নামটা খুব সতেজ। শুনলেই ভেসে উঠে শান্ত দীঘির কালো জলে হাস্যমুখ কিছু তরতাজা ফুল।
সাইমুম বলেছেন:
চতুরভূজ : আমি আরেকটু অ্যাড করে দেই তোমার পক্ষ থেকে।যেন চোখগুলো এবার ঝরনার মতো ঝর ঝর করে কথা বলে ফেলবে।
যেন নর্থ সীর ঘন নীল জল, যেন দক্ষিণ ইটালির রুপোলি রোদে সোনালি প্রজাপতি, যেন শীতকালে দানিয়ুবের শান্ত-প্রশান্ত ছবি, যেন ভলগার লজ্জাশীল দেহচ্ছন্দ, যেন রাইনল্যান্ডের চিরশ্যামলিমা!! অইছে ? নাকি আরো লাগবো?
আমার কাছে মনে হয়, চেহারাটা ওর নিজের আর কাজল কালো চোখ দুটি কোনো শিল্পীর কাছ থেকে ধার করা। অইছে? আরো লাগলে এবার বিশাল একটা পোস্ট দিতে পারবো।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
মাথায় হাত দেবেন না প্লিজ। একটা পুরোনো প্রবাদ আছে যে তাহলে দু:খ আসে। আসল কারণটা বোধ হয় যাতে চুল না পড়ে...। আপনি কিছু বলতে পারবেন ময়মনসিঙ্গের অলোয়া গ্রামের সম্পর্কে? ওখানে এক সময় আমার শেকড়েরা ছিলেন। ধন্যবাদ চতুর।
চতুরভূজ বলেছেন:
মৈথুনানন্দ,ময়মনসিংহের অলোয়া গ্রাম সম্পর্কে আমি কিছু জানি মৈথুনানন্দ। তবে নামটা পরিচিত লাগছে....। কেন কি ব্যাপারে ভাই? আপনার পরের মন্তব্যটা পড়া যাচ্ছেনা।
রাগ ইমন বলেছেন:
চমতকার!
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
বল্লাম তো - আমি শেকড়ের সন্ধানে আপনার সাহায্য চাইছি। যদি কিছু জানেন। আমি যে ঐ নামটা ছাড়া আমার পূর্বপুরূষদের সম্বন্ধে কিছুই জানিনা। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে...ফ্লিকারে যেমন দেখেছি...সেখানে কি সোনার ফসল ফলত? নদী এঁকেবেঁকেঁ বইত??পরেরটা একটু ধুলো ছুঁড়ে দিয়েছিলুম...চোখে লেগে গেছে তো...তাই পড়তে পারলেন না বোধ হয়!
Ah, make the most of what we yet may spend,
Before we too into Dust descend:
Dust into Dust, and under Dust, to lie,
Sans Wine, sans Song, sans Singer, and — sans End!
কমল বলেছেন:
চতুরভূজ,বাসর রাতে বিলাই মারার কাহিনী-কমলে গিয়ে পড়ুন।
চতুরভূজ বলেছেন:
মৈথুনানন্দ,Dust into Dust, and under Dust, to lie,
- আপনার কমেন্ট টি দেখে কেমন যেন বেদনায় মিইয়ে গেলাম! কেন এমন হল বুঝলাম না। মৈ, শেঁকড়কে যদি গূগলে সার্চ দিয়ে পাওয়া যেত তবে কতইনা আনন্দ হত! কিছু কিছু মানুষ শেঁকড় থাকতেও তা অবহেলায় ফেলে রাখে আর কেউ কেউ সারাটাজীবন শেঁকড়ের সন্ধানে ছুটা চলে। মৈ, আবারো আমার দুঃখ বোধ হচ্ছে, কিন্তু কেন, জানিনা।
চতুরভূজ বলেছেন:
কমল, পড়লাম এবং মজা পেলাম, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমার উদ্দেশ্যে একটি পোষ্ট দেবার জন্য! বিলাই মারার কাহিনী এবার আত্মস্থ হল।
কালপুরুষ বলেছেন:
বাহ্ বেশ চমত্কার লিখেছেনতো! মুগ্ধ হয়ে পড়লাম। খুব ভাল লাগলো আপনার ডায়েরী কথন। শব্দ, উপমা, আবেগে আর অনুভূতির মিশ্র ব্যঞ্জনায় যথেষ্ট কাব্যময় হয়েছে লেখাটা। ৫ দিলাম।
আহমেদ ফারুক বলেছেন:
আমার একটা বিশেষ সমস্যা হয়েছে। সমস্যাটা তোমার পোস্ট খুললেই হয়। কারণ যখন তোমার পোস্ট খুলি তখন তোমার লেখা আর পড়া হয় না। অধিকাংশ সময়ে তোমার পোস্টের সাথের ছবি দেখি। তুমি কি ফটোগ্রাফার? সত্যিই ছবিগুলো সুন্দর।
চতুরভূজ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, কালপুরুষ। আপনাকে আমি আমার ব্লগে পাইনা, যদিও আমি খুবই কম লিখেছি। আপনার কমেন্ট পেতে ভিষন ভাল লাগে।ফারুক ভাই, আমি ফটো তুলিনা, ফটো তোলাই। হা হা হা ।
চতুরভূজ বলেছেন:
ধন্যবাদ, অজানা একজন।
আিসফড় বলেছেন:
ফ্রেন্ডস বুক কর্ণার শুনে নীলক্ষেতের ১৩ টাকার তেহারির কথা মনে পোরে গেল। রোজা রমজানে খাবারের কথা মনে পরলে বড় কষ্ট। যাই হোক ভালো লাগলো পুরোনো কোঠা মনে আসলো।
বৃত্তালপনা বলেছেন:
আপনার ছবিটা সুন্দর। লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো। আপনার মত বই প্রেমিকা এখন আর পাওয়া যায় না। হুমায়ুন আহমেদের ভক্ত তাহলে?
চতুরভূজ বলেছেন:
হুমায়ূন আহমেদের ভক্ত নই, তবে কিছু কিছু লিখা পছন্দ করি। আপনাকে ধন্যবাদ।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
চতুরভূজ আপনি কোথায় থাকেন?আমি কিন্তু জীবনানন্দ কবিতাসমগ্র ১০০ টাকায় কিনেছিলাম।
ফটোওয়ালা বলেছেন:
৫ দিলাম।
পপেল বলেছেন:
খুব ভাল লেখেন চতুরভূজ আপনি। কিনতু মেয়ের ছবিটা কার। দয়া করে বলবেন
অজানা অচেনা বলেছেন:
দারূন! ৫
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
দেরি হয়ে গেলো। আপনার ব্লগের সবগুলো লেখা ঘাঁটলাম। এই লেখাটার উপর চোখ আটকে গেলো। কারণ আর কিছুই নয়; ছবিটা। জোছনাকে কবি-সাহিত্যিকরা নীল রঙের চাদরে ঢাকেন। কিন্তু জোছনার রঙ তো সাদা। ছবিটা দেখে মনে হলো, জোছনা নীল হলেও হতে পারে।তারপর লেখাটা পড়লাম। পড়লাম বললে ভুল হবে, বলা উচিৎ গোগ্রাসে গিললাম! চমৎকার বললেও কম বলা হয়!
ফুল মার্কস টু ইউ।(ফুল মার্কস মানে ৫..., এর বেশি থাকলে তাই দিতাম।)
যেহেতু, ছবি এবং লেখা দুটোই মনে জায়গা করে নিলো, দুটোকেই আপন করে নিলাম। আমার ব্লগে যদি ঢোকেন, দেখতে পাবেন, প্রিয়'র তালিকায় আপনার এই পোস্টটি।
চতুরভূজ বলেছেন:
ওয়াও, একেবারে প্রিয়র তালিকায়??? আপন করে নেয়ার ঋন কেবল আপন হয়েই শোধ দেয়া যায়, চেষ্টা করব।
শিলা বলেছেন:
লেখাটি পড়েছি। তবে পুরোটা বুঝিনি।
চতুরভূজ বলেছেন:
শিলা, না বুঝে থাকলে কাছে গিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে আসব একসময় কেমন?(যদি কখনও দেখা হয়)
শিলা বলেছেন:
কবিতা চরের পাখিকুড়ানো হাঁসের ডিম গন্ধ ভরা ঘাস
ম্লানমুখ বউটির দড়িছেঁড়া
হারানো বাছুর'।
------------আল মাহমুদ।
চতুরভূজ বলেছেন:
শিলা মাফ চাই, প্রয়োজন নেই কবিতার স্নিগ্ধতা, কবিতা তোমায় আজকে দিলাম ছুটি,
ব্লগের রাজ্যে সামহোয়ার গদ্যময়
সুশিক্ষা যেখানে গিয়াছে টুটি
.....চতুরভূজ
শিলা বলেছেন:
এবার চিতকার করে বলো : ক্ষমা করো মহাদেবী ১৪০০ সাল, কবিতা লিখতে তখন/ 'বকিতা' খেলছি এখন'।
অন্ধকার বলেছেন:
ভালো লেগেছে।
:গন্ডার: বলেছেন:
ওমা কি সুইট দেখতে মেয়েটা হি হি হি
মাহমুদ হাসান আরিফ বলেছেন:
আপনাকে ভুজ বাদ দিয়ে শুধু চতুর ডাকতে ইচ্ছা করছে। এতে হয়তো সমস্যা হওয়ার কথা নয়, কেননা পুরোটাই আপনার নিক। লেখাটা খুব ভালো লাগছিল, চিন্তা করলাম এতো ভালো লাগার কারণ কি উদঘাটন করতে, যা পেলাম তার পুরোটা বলবো না, বললে আপনি বকা দিতেও পারেন। তবে লেখাটার সাথে ছবিটা খুবই গেছে অর্থাত মানিয়েছে। তার মানে কি লেখাটা খারাপ হয়েছে? তা কিন্তু বলিনি।
চতুরভূজ বলেছেন:
আরিফ,ধন্যবাদ।
যা খুশি ডাকতে পারেন ভাই। এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে উদঘাটন করে কি পেলেন সেটা কি একটু জানাবেন? কৌতুহল হচ্ছে।
মাহমুদ হাসান আরিফ বলেছেন:
আপনার লেখা ও ছবি দেখে কল্পনায় বনলতা খুব মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে।
মাহমুদ হাসান আরিফ বলেছেন:
আপনাকে অনেকে মেয়ে হিসেবে মেনে নিতেই পারছে না। ব্যাপারটি আমার কাছে বেশ ইন্টারেস্টিং। ধরে নিই আপনি ছেলেই, কিন্তু মেয়ে সেজে আমাদের অর্থাত পুরুষদের কিছুটা মনোরঞ্জনের চেষ্টা করে চলেছেন, তাতেই বা ক্ষতি কি? আর যদি আপনি সত্যিই মেয়ে এবং এটা আমরা এক বাক্যে স্বীকার করি আর আপনি কর্তৃক আমরা মনোরঞ্জিত (!) হই তাতেই বা লাভ কোথায়?ব্যাপারটি আমি আরো কয়েকজনের ক্ষেত্রে লক্ষ করেছি।
চতুরভূজ বলেছেন:
তাই নাকি? হা হা হা । এভাবে সবাই বুঝলে ভালই হোতো। আর আমি মেয়ে বা ছেলে এসবের ঊর্দ্ধে একজন ব্লগার হতে চাই। কিন্তু অনেকে এই ব্যাপারটি বুঝতে পারেনা। আমার নতুন পোষ্ট দেখুন বর্ষাকে নিয়ে লিখা। আপনার কি মনে হয় বর্ষার এখন কি করা উচিত?
নুপুর বলেছেন:
There is a gloomy girl over here, where is she?
নীল জোছোনা বলেছেন:
কি সুন্দর যতবার পড়ি ততবার ভাল লাগে।
ভুডুল বলেছেন:
এখননোও ভাললাগে
লগ বলেছেন:
এখনও ভালোলাগে ঐসব এবং এইসব। ফিরে আসুন প্লিজ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















তাহলে বাপ্পা মজুমদারের "পরী" গানটা আপনার জন্য।