আমার প্রিয় পোস্ট

ধুলো থেকে আগমন আবার ধুলোতেই প্রত্যাবর্তন

চতুরভূজের অর্থহীন ডায়েরীর নিষ্প্রাণ পাতায় -

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩

শেয়ারঃ
0 0 0

আজ অনেকক্ষন রোদের ভেতর হাঁটলাম। ফাল্গুন মাসের রোদ, চৈত্র মাস আসি আসি করছে। নীলক্ষেত গিয়েছিলাম বই কিনতে। প্রখর রৌদ্র। রিক্শার ভেতর বসে থেকে মনে হচ্ছিল দোজখের ভেতর বসে আছি। রাস্তার কঠিন পীচের ভেতর তরল তরল একটা ভাব চলে এসেছে। সদরঘাট থেকে ২০ টাকায় নীলক্ষেত ভাড়া করলাম কিন্তু রিক্শা ওয়ালার ঘামে ভেজা শরীর দেখে তাকে আরও ৪ টাকা বাড়িয়ে দিলাম। জীবনের তাগিদে এদের এত প্রখর রৌদ্রে সক্ষম মানুষদের বহন করে নিয়ে চলতে হয়, শরীরের তেল পুড়িয়ে ডিজেল বানিয়ে রিকশার গতি ধরে রাখতে হয়!
সোজা চলে গেলাম ফ্রেন্ডস বুক কর্ণার। যেসব বই কিনলাম তার মোট দাম হল ৮০০ টাকা। বইগুলো কিনে দোকান থেকে বেড়িয়ে এলাম, ফুটপাথের উপর সাজানো বই থেকে সমরেশ মজুমদারের 'হৃদয়বতী' কিনলাম, কিনলাম হুমায়ূন আহমেদের 'লীলাবতী'।
সপ্তম শতকের বিখ্যাত গণিতজ্ঞ ভাস্করাচার্য্যের একমাত্র কন্যার নাম লীলাবতী। মেয়েটির কপালে বৈধব্যযোগ-এই অজুহাতে কন্যা সম্প্রদানের আগে আগে বরপক্ষ মেয়েটির বিয়ে ভেঙ্গে দেয়। লীলাবতী যখন গভীর দুঃখে কাঁদছিল তখন ভাস্করাচার্য্য বলেন, 'মাগো,তোমার জন্য কিছু করার সামর্থ্য আমার নেই, তবে পৃথিবীর মানুষ যেন বহুযুগ তোমাকে মনে রাখে আমি সেই ব্যাবস্থা করছি।' তিনি তাঁর বিখ্যাত গণিতের বইটির নাম দেন লীলাবতী।
নীলক্ষেতের একটা উপকারিতা রয়েছে-সস্তায় অনেক পুরোনো ও ভাল ভাল বই পাওয়া যায়। কত লেখকের দীর্ঘ রাতজাগার ফসল পড়ে থাকে পায়ের কাছে, নিষ্প্রান বইয়ের পুরু মলাটের নীচে চাপা পড়ে থাকে কত মনের হাহাকার আর কত হৃদয়ের অতৃপ্ত, না বলা কথা। আমরা হাত বাড়ালেই পারি এইসব দিনরাত্রীর বহুযুগ ধরে চলে আসা চাপা ক্রন্দনে শামিল হতে, নিঃশ্বাস ফেলতে, কিন্তু অনেকেই চাইনা। সবার বুকেই বাজতে থাকে ভাঙ্গা রেকর্ড, " আমার জলেই টলমল করে আঁখি, তোমার চোখের অশ্রু কোথায় রাখি?"
দেখলাম জীবনান্দের 'কবিতা সমগ্র'। ১৪ কি ১৫ বছরের বই বিক্রেতাকে বললাম, 'কতরে এটা?'
'১৬০ টাকা'
'এত দাম? কম কত'
'একদাম ১০০ টাকা'
'৮০ টাকায় দিবি?'
'৮৫ টাকায় নিলে নেন' বলেই ছেলেটি বইখানা আবার জায়গামত রেখে দিল। আমি ফিরে যাবার ভাণ করে আবার এলাম। ছেলেটি বলে উঠল,'৮৫ টাকায় বেঁচলে ৫ টাকা লাভ অইব।'
'দে, শুধুমাত্র জীবনানন্দ দাশ কে সন্মান করেই কিনছি, তোর লাভের জন্য না। জীবনানন্দ কে, জানিস তো?
'হ জানি, বিড়াট কবি।'
'তুইতো দেখি অনেক কিছু জানছ, বাড়ি কই তোর?'
'বরিশাল'
'খাইছে! তাইলে তো এই বই আমারে মাগনা দেওনের কথা, তুইতো জীবনানন্দের দেশের লোক!'
'হ, দ্যাশ খাইয়াতো আর পেট ভরব না।'

নীলক্ষেত থেকে ফিরে সদরঘাট নেমে দেখি ক্ষুধায় পেট জ্বলে যাচ্ছে। বাসায় গিয়ে খাওয়ার আগেই ভাবলাম একটা বারগার খেয়ে যাই। ১৮ টাকা নিল সেই জগতের নিকৃষ্টতম বারগারের দাম। হাকিমপুরী, শান্তি পুরী আর নুরানী জর্দা দিয়ে একটা পান খেলাম, সেটাও বিস্বাদ লাগতে লাগল। দোকানি বলল, এই বয়সে পান খাইলে দাঁত নষ্ট হইব। আমি বললাম, আমার দাঁত নষ্ট হইবনা, অভ্যাস আছে, আপনে পান দ্যান। বাসায় এসে বিছানায় শোয়া মাত্রই ঘুমে তলিয়ে যেতে থাকলাম। উঠে দেখি ৪টা বাজে। এরপর শাওয়ারটা ছেড়ে দিয়ে ১ ঘন্টা ভিজলাম, মাথার রগ দপদপানি সেরে গেল। এককাপ চা খেয়ে সতেজ হলাম। আচ্ছা কেউকি দেখেছে- চরম নিঃসঙ্গতায় গরম এক কাপ চা প্রানান্ত উষ্ণতা এনে দেয়? কেউ কি এ ব্যাপারটা খেয়াল করেছে যে যুগে যুগে চায়ের পেয়ালারা মানুষের ঠোঁট ছুঁয়ে ছুঁয়ে তাদেরকে সতেজ করে আসছে?
এভাবেই গেল আজকের দিনটি। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে হাঁটতেই থাকি, অনন্তকাল ধরে হাঁটি। 'হাজার বছর ধরে' হাঁটার মত। আচ্ছা, হাঁটতে হাঁটতে পৃথিবী পার করে চলে যাওয়া যায়না? কেন পৃথিবী গোল হল? কেন নীরবে উদ্দেশ্যবিহীন এই জীবনের মোহময়তা কেটে যায় ? অনুভুতি গ্রহণ করার কোষগুলো ভোঁতা হয়ে যায় কেন অতি দ্রুত? আজ কেন আমার সেই হাল ভাঙ্গা,পথহারা নাবিক হতে বড় সাধ জাগছে!-

"হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে;
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের মালয় সাগরে।
অনেক ঘুরেছি আমি বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে,
সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি ক্লান্ত প্রান এক; চারদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য্য; অতিদূর
সমুদ্রের' পর
হাল ভেঙ্গে যে নাবিক হারায়েছে দিশা।"

১৮.০৩.২০০৬

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪০
অন্যআনন বলেছেন: বেশ বেশ!
তাহলে বাপ্পা মজুমদারের "পরী" গানটা আপনার জন্য।
২. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪০
তাসমান বলেছেন: ছবিটা যেনো কথা বলছে।দেশী কেমন আছেন?

আমার জলেই টলমল করে আঁখি, তোমার চোখের অশ্রু কোথায় রাখি?"৫ দিলাম।
৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৩
অনিশ্চিত বলেছেন: সদরঘাট থেকে কি এখন নীলক্ষেতে ২০ টাকা দিয়ে আসা যায়?
*
'কেউ কি এ ব্যাপারটা খেয়াল করেছে যে যুগে যুগে চায়ের পেয়ালারা মানুষের ঠোঁট ছুঁয়ে ছুঁয়ে তাদেরকে সতেজ করে আসছে?' - আমার প্রিয় মানুষটি পেয়ালার যে দিকে চুমু(ক) দিয়ে চা খাবে, আমি সে দিক দিয়েই চা খাব।
*
ছবিটি অসম্ভব সুন্দর।
৪. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৮
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: আমি তো প্রথমে চমকে গিয়েছিলাম, আপনি ঢাকায় এলেন কবে! পরে দেখি, না, এটা ডায়রীর পাতা থেকে!
শিরোনামের 'নিষ্প্রাণ' ঠিক করুন ভাইয়া ন না ণ ।

'আমারে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।'
বনলতা তাইলে আপনাকেও শান্তি দেয়!
হুমমমমম বুঝেছি!
৫. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৬
মন মণষা বলেছেন: লেখা ভাল...আননের মত আমিও পরি গানটা আপনার জন্য তুলে রাখলাম।
@অনিশ্চিত
ছবির রঙ টা কৃত্‌তিম কিন্তু মানুষ টা অসম্ভব সুন্দর তাই ছবিটা সুন্দর লাগছে।
৬. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৪
চতুরভূজ বলেছেন: অন্যআনন,অনিশ্চিত,মন মণষা-ধন্যবাদ।
দেশী আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, বাই দ্যা ওয়ে, গ্রামের নাম কি?
৭. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৯
চতুরভূজ বলেছেন: সারোয়ার ভাই,
ভুল বোঝার চেয়ে কিছু না বোঝা ভাল।
জীবনানন্দের বনলতা বুঝি কেবল আপনাদের জন্য? আমাদের কি ইচ্ছা করেনা প্রখর রৌদ্রে আসমানী রং এর শাড়ী পরা কোন মায়াবতী মুখ হাত ভরতি চুড়ীর রিমঝিম শব্দ নিয়ে ঠান্ডা পানির গ্লাস হাতে আমাদের পথ চেয়ে থাকুক!!!
৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩১
চতুরভূজ বলেছেন: আপনি চাইলে জীবন্ত বনলতার কন্ঠ শুনিয়ে দিতে পারব!! হা হা হা ।
৯. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: হা হা হা হা ভুল বুঝি নাই!!! মজা করলাম!
জীবন্ত বনলতাকে পেলে আমার কি আর এই ভবে থাকা হবে!
১০. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৬
আন্ধার রাত বলেছেন: ছবিটার রং বদলিয়েছেন আপনি।
১১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫
অশ্রু বলেছেন: ২০০৬ সালের মার্চ মাসে ভালই লিখেছেন
১২. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১১
নাজিরুল হক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা খুব ভাল লাগলো "ভুল বুঝার চেয়ে কিছু না বুঝা ভাল" ।
১৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪১
চতুরভূজ বলেছেন: ধন্যবাদ, নাজিরুল
১৪. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১২
সুমি বলেছেন: আজ অনেক গুলো টিউটোরিয়াল পরীক্ষাছিল--
দম বন্ধ করা অবস্থা---
মাথাটা সেই সকাল থেকে ধরে আছে---
ইফতার করে খানিক বিশ্রাম নিয়ে পড়তে বসা--
এশার নামাজ আদায় করে এক মগ চা নিয়ে আবার পড়তে বসছিলাম--- কিন্তু আজ পড়ায় মন বসছিলনা-
তাই নেটে আসলাম---
এসেই প্রথম বইপাগল তার পর তোমার ব্লগে আসলাম---
এসে লেখা পড়েতে পড়তে আমার চাই ঠান্ডা হয়ে গেল---
আমার তো মনে হয় ---
যার উপর আপনি বনলতা ভর করে তার ছায়াতে আরেক জীবনানন্দ কে দেখা যায়---
আচ্ছা আমি একটা ব্যপারে বুঝতে পারছিনা-- আমি যে তোমাকে আপু বলছি ভুল করছিনা তো---?
তুমি জর্দা দিয়ে একটা পান খেয়েছ----?
আচ্ছা বিক্রমপুর কোথায় তোমার বাড়ী --
আমার নানার বাড়ী ও বিক্রমপুরে শাপলার দেশ---
বর্ষায় এর আসল রূপ দেখা যায়----
আমার নানার বাড়ী হল গোয়ালী মান্দা হাঠের পাশ্বেই-
সেজেল খাঁ পন্ডিত বাড়ী----
তোমার লেখা টা দারুন হয়েছে-----
পাঁচ না বরং প্রিয়তে + করলাম----
আর একটি কথা =----- ছবির জীবন্ত বনলতাটা কে-
বলবে তো?------?----?
১৫. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১৬
সোনার বাংলা বলেছেন: হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের মালয় সাগরে।
অনেক ঘুরেছি আমি বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে,
সেখানে ছিলাম আমি আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে
আমি ক্লান্ত প্রান এক চারদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য্য অতিদূর
সমুদ্রের' পর
হাল ভেঙ্গে যে নাবিক হারায়েছে দিশা।

১৭. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৪
বইপাগল বলেছেন: আমি জানি না, এই লেখাটির ব্যাপারে আমি কি বলে আমার ভাব প্রকাশ করবো ... অসাধারণ বলবো কি? সেও তো সবাই বলে ... সমৃদ্ধ বাংলার শব্দে আজ দারিদ্রতা নাকি আমার তুচ্ছ জ্ঞান? সম্ভবত পরেরটাই ... অপূর্ব হয়েছে। অবশ্যই পাঁচ কেননা এর বেশী দেবার উপায় নাই নয়তো ...
১৮. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩০
আবূসামীহা বলেছেন: ভয়ই পেয়েছিলাম এই রোজ়ার মাসে দিনের বেলা এত খাওয়া খাওয়ির কথা দেখে।
পরে দেখি ২০০৬ সাল। যাক বাবা, বাঁচা গেল। আটকে যাওয়া দম আবার বের হল।
সুন্দর লিখার জন্য অ-------------নে-----------ক ধন্যবাদ।
১৯. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৫
মানবী বলেছেন: মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা। নিজের অনুভূতির চমৎকার প্রকাশ, ধন্যবাদ চতুরভূজ।

ছবিটি খুব সুন্দর!

২০. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০০
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন: অসাধারণ হয়েছে অাপনার প্রকাশ...।
২১. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৯
চতুরভূজ বলেছেন: সুমি,
আমার গ্রামের বাড়ি সাতঘড়িয়া, নাম শুনেছ? তোমার পরীক্ষা ভাল হোক। "যার উপর আপনি বনলতা ভর করে তার ছায়াতে আরেক জীবনানন্দ কে দেখা যায়---" হুমম, যথেষ্ট ম্যাচিউরড! আর ছবির বনলতা? সে তোমায় গোপনে বলিব সখী।
২২. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৪
চতুরভূজ বলেছেন: সোনার বাংলা,
আমাদের সোনার বাংলায় আপনার মত সন্তানদের আজ বড় প্রয়োজন যারা দ্বীধাহীন ভাবে সত্য উচ্চারণে কুন্ঠিত হয়না।

বইপাগল,
আমি ধন্য হলাম।

মোসতফা মনির সৌরভ ,আবূসামীহা ভাই,মানবিকতার মানবী, ভাস্কর দা --- অনেক অনেক ধন্যবাদ।


২৩. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১০
সাইমুম বলেছেন: 'হাকিমপুরী, শান্তি পুরী আর নুরানী জর্দা দিয়ে একটা পান খেলাম'- তুমি পান খাও চতুর??
৫৫৫৫
২৪. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৯
মাথামোটা বলেছেন: তুমি এতো সুন্দর আগে জানলে শত্রুতামী না করে সারোয়ার ভাইয়ের মত বন্ধুতামী করতাম।
এখন নিজের হাত কামড়াতে ইচ্ছা করছে।
২৫. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪২
নূরে আলম বলেছেন: ৫, ৫, ৫।
অবশ্যই ৫।
আপনি জীবনানন্দ ভালবাসেন?
আমিও অসম্ভব রকমের ভালবাসি জীবনানন্দের কবিতা।
লেখাটা খুব ভালো হয়েছে।
জানেন, এককালে আমি খুব চা খেতাম, কিন্তু কোন একে কারণে আমি পনের বছর বয়স থেকে চা খাওয়া বন্ধ করে দিলাম। কারণটা খুব তুচ্ছ। কিন্তু তবুও তখনকার 'আমি'র প্রতি সম্মান দেখিয়ে এখন আর চা খাই না।
অনেক ধন্যবাদ এই লেখার জন্য।
আমি আসলে ব্লগে কম বসি তো, তাই কারও লেখাই পড়া হয়ে ওঠে না। ডোন্ট মাইন্ড প্লিজ। এখন থেকে আপনার লেখাগুলো পড়ার চেষ্টা করব
২৬. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৯
চতুরভূজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নূরে আলম ভাই। আপনাকে আমার ভিষন সহজ সরল মনে হয়।
দিনে ৭০ কাপ চায়েও আমার আপত্তি নেই। মনে কষ্ট না রেখে আবার চা খেতে শুরু করেন। জীবন কখনও ধ্রুব নয়, প্রতি মুহূর্তে এর রং পাল্টাতে পারে। আর জীবনানন্দের কবিতা আমার ভিষন প্রীয়।
২৭. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৩
মাথামোটা বলেছেন: নুরা তুমি কি এখনও ওই বাজে জঘন্য F**KING হ্যাণ্ডিক্রাফটস বানাও?
ওগুলা আমার খুব ভালো লাগে। তুমি আমারে আনব্যন কইর।
২৮. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৮
চতুরভূজ বলেছেন: মাথামোটা, কিছু মনে করবেননা, আপনি কি চান আমার এই ব্লগটা গালিতে ভরে যাক? নুরে আলমকে আপনি এখানে এসে গালি দিচ্ছেন কেন? গালাগালি করলে যে লোকে আপনাকে খারাপ ভাববে। কেননা, নীচু লোকের হাতিয়ার হল অশ্লীল বাক্য।
২৯. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪
ফয়সল বলেছেন: বিক্রমপুরের মালখানগর গ্রামে গিয়েছিলাম.. জায়গাটা দারুণ...
৩০. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৬
আশিক হাসান বলেছেন: অসাধারন একটি লেখা । মনছুঁয়ে গেল পুরানো বই আর সদরঘাটের কথা শুনে । মনে পড়ে গেল আমার শৈশব আর কৈশোরের স্মৃতি । সময় পেলে সদরঘাটের ফুটপাতে পসরা সাজানো পুরোনো বইএগুলো পাতা উল্টানা,বুড়িগঙ্গায় নৌবিহার আর পুরান ঢাকার ধুপখোলা মাঠে স্কুল পালিয়ে ফুটবল খেলা । সেই দিনগুলো আমি আর ফিরে পাবোনা ভাবতেই খুব কষ্ট হয়।
এরকম লেখা পড়ে মন মাঝে মাঝে খারাপ হলেও ,ভাল লাগে এই কষ্ট পাওয়াকে ,কারন কষ্টা টা জানান দেয় আমার ভেতরের আমিত্বকে ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ , ৫।
৩১. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৩
চতুরভূজ বলেছেন: ফয়সল,
বিক্রমপুরের সব জায়গাই আমার কাছে স্বর্গের মত লাগে। ধন্যবাদ।

আশিক হাসান ভাই,
আপনার এইরকম মন্তব্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করতে চাইনা। অনেক ভাল থাকুন।শুভ কামনা।
৩২. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪২
ইেলারা বলেছেন: লিখাটা ভাল হয়েছে, ছবির মেয়েটি সুন্দর।
৩৩. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৭
মাথামোটা বলেছেন: সরি।
নুরা পাগলা আমারে ব্যন করছে।
৩৪. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৫৪
বন্ধনহীন বলেছেন: মহতী চতুরভূজ, আশা করি ভালো আছেন।
সময় সুযোগের অভাবে আপনার সাথে গল্প-সল্প করা আর হয়ে উঠছে না। আপনি মরে যেতে চান জেনে খুব ভয়ে ছিলাম। আল্লাহ্‌ অশেষ রহমত, আপনি ভালো আছেন।
এই লেখা পড়ে, বুঝলাম, আপনার আসলেই একটা কবিমন আছে। কবিমনটা আরো ভালো করে প্রকাশ করুন। ব্লগবাসী আপনার কাছে অনেক কিছু আশা করে।

খাওয়া-দাওয়া আর রোজা রাখা হচ্ছে তো? লম্বা দিনের চাপে আজকে আমি ৩টা রোজা রাখলাম। উপরওয়ালা সবই বুঝেন। তিনি মহান।
৩৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:০৩
স্বপ্ন ব্যাকরণ বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন।
৩৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৬
চতুরভূজ বলেছেন: বন্ধনহীন, আমি ভাল আছি। ধন্যবাদ।

স্বপ্ন ব্যাকরণ,
আপনার নামটার মত সুন্দর লিখতে পারলাম কই?
৩৭. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৩
িফেরাজ খান বলেছেন: রিক্ত এ আঁখি তব কি দিবে স্বপ্ন বালা,
ক্ষতভরা এ বুকে শুধুই অনল জ্বালা, তারপরও শুণ্য মরুদ্যানেও জ্বলে রাতের তারা, তারপরও সেই চাঁদ হাসে যার দাঁতে জোছনা ভরা,
সেই জোছনার মত নির্মল আপনাকে ধন্যবাদ
৩৮. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৬
মানুষ বলেছেন: হায় চিল সোনালী ডানার চিল
এই ভিজে মেঘের দূপুরে তুমি আর কেদো নাকো উড়ে উড়ে
ধানসীঁড়ি নদীটির পাশে।

খুব ভাল লেগেছে।
পঞ্চপান্ডব
৩৯. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৭
সাইমুম বলেছেন: চতুরভূজ তুমিই বল ছবির মেয়েটি নাকি সুন্দর? ও সুন্দর হলে সুন্দরী আর কাকে বলবো? আমি আবার কারো দিকে তাকাই না।
৪০. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩০
সাইমুম বলেছেন: গতকাল আইিডর ছবি পাল্টালে। আজ আবার ব্যাক টু দি প্যাভিলিয়ন। অবশ্য আমি একটা জিনিস খেয়াল করছি। আর তা হচ্ছে, সব ছবির সূত্র একই। এমনকি আইডিতে ব্যবহৃত হাফ ছবিটাও। আমার ভুলও হতে পারে । কারণ আমি আবার এক ফুটের বাইরে কিছু দেহি না।
৪১. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪০
চতুরভূজ বলেছেন: সাইমুম ভাই, গতকাল আসলে ফাজলামো করছিলাম। নেই কাজ তো খই ভাজ টাইপ।
আর আপনার একফুটি পর্যবেক্ষন ক্ষমতা আসলেই অসাধারন!! তবে একটা কথা, সব কিছুর দিকে এত তাকাইতে নাই, তাইলে কিন্তু ঐ , চেরী দেখব না চেরী নিয়ে লিখব এর মত হবে। হা হা হা ।
আর ছবির মেয়েটা একদম একটা বান্দর, কিন্তু সবাই সুন্দর কয় ক্যান বুঝিনা! হা হা ।
৪২. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫১
চতুরভূজ বলেছেন: ফিরোজ খান ( ফারদিন খানের বাবা নাকি?)-ধন্যবাদ ভাই ,
মানুষ --অনেক ধন্যবাদ।
৪৩. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৩
সাইমুম বলেছেন: চতুরভূজ : ওকে তাকাবো না। মাগার জো ওয়াদা টুট গেয়ি. ম্যায় ক্যায়া করু।
৪৪. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫০
শাপলা বলেছেন: চতুরভূজ আপা
আপনি খুব ভালো লিখেন। ৫
৪৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৪
চতুরভূজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শাপলা। নামটা খুব সতেজ। শুনলেই ভেসে উঠে শান্ত দীঘির কালো জলে হাস্যমুখ কিছু তরতাজা ফুল।
৪৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৪
সাইমুম বলেছেন: চতুরভূজ : আমি আরেকটু অ্যাড করে দেই তোমার পক্ষ থেকে।
যেন চোখগুলো এবার ঝরনার মতো ঝর ঝর করে কথা বলে ফেলবে।
যেন নর্থ সীর ঘন নীল জল, যেন দক্ষিণ ইটালির রুপোলি রোদে সোনালি প্রজাপতি, যেন শীতকালে দানিয়ুবের শান্ত-প্রশান্ত ছবি, যেন ভলগার লজ্জাশীল দেহচ্ছন্দ, যেন রাইনল্যান্ডের চিরশ্যামলিমা!! অইছে ? নাকি আরো লাগবো?
আমার কাছে মনে হয়, চেহারাটা ওর নিজের আর কাজল কালো চোখ দুটি কোনো শিল্পীর কাছ থেকে ধার করা। অইছে? আরো লাগলে এবার বিশাল একটা পোস্ট দিতে পারবো।
৪৭. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩০
মৈথুনানন্দ বলেছেন: মাথায় হাত দেবেন না প্লিজ। একটা পুরোনো প্রবাদ আছে যে তাহলে দু:খ আসে। আসল কারণটা বোধ হয় যাতে চুল না পড়ে...। আপনি কিছু বলতে পারবেন ময়মনসিঙ্গের অলোয়া গ্রামের সম্পর্কে? ওখানে এক সময় আমার শেকড়েরা ছিলেন। ধন্যবাদ চতুর।
৪৮. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫০
চতুরভূজ বলেছেন: মৈথুনানন্দ,
ময়মনসিংহের অলোয়া গ্রাম সম্পর্কে আমি কিছু জানি মৈথুনানন্দ। তবে নামটা পরিচিত লাগছে....। কেন কি ব্যাপারে ভাই? আপনার পরের মন্তব্যটা পড়া যাচ্ছেনা।
৫০. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৪
মৈথুনানন্দ বলেছেন: বল্লাম তো - আমি শেকড়ের সন্ধানে আপনার সাহায্য চাইছি। যদি কিছু জানেন। আমি যে ঐ নামটা ছাড়া আমার পূর্বপুরূষদের সম্বন্ধে কিছুই জানিনা। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে...ফ্লিকারে যেমন দেখেছি...সেখানে কি সোনার ফসল ফলত? নদী এঁকেবেঁকেঁ বইত??

পরেরটা একটু ধুলো ছুঁড়ে দিয়েছিলুম...চোখে লেগে গেছে তো...তাই পড়তে পারলেন না বোধ হয়!

Ah, make the most of what we yet may spend,
Before we too into Dust descend:
Dust into Dust, and under Dust, to lie,
Sans Wine, sans Song, sans Singer, and — sans End!
৫১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৭
কমল বলেছেন: চতুরভূজ,বাসর রাতে বিলাই মারার কাহিনী-কমলে গিয়ে পড়ুন।
৫২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৬
চতুরভূজ বলেছেন: মৈথুনানন্দ,
Dust into Dust, and under Dust, to lie,
- আপনার কমেন্ট টি দেখে কেমন যেন বেদনায় মিইয়ে গেলাম! কেন এমন হল বুঝলাম না। মৈ, শেঁকড়কে যদি গূগলে সার্চ দিয়ে পাওয়া যেত তবে কতইনা আনন্দ হত! কিছু কিছু মানুষ শেঁকড় থাকতেও তা অবহেলায় ফেলে রাখে আর কেউ কেউ সারাটাজীবন শেঁকড়ের সন্ধানে ছুটা চলে। মৈ, আবারো আমার দুঃখ বোধ হচ্ছে, কিন্তু কেন, জানিনা।
৫৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৮
চতুরভূজ বলেছেন: কমল,
পড়লাম এবং মজা পেলাম, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমার উদ্দেশ্যে একটি পোষ্ট দেবার জন্য! বিলাই মারার কাহিনী এবার আত্মস্থ হল।
৫৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২১
কালপুরুষ বলেছেন: বাহ্ বেশ চমত্কার লিখেছেনতো! মুগ্ধ হয়ে পড়লাম। খুব ভাল লাগলো আপনার ডায়েরী কথন। শব্দ, উপমা, আবেগে আর অনুভূতির মিশ্র ব্যঞ্জনায় যথেষ্ট কাব্যময় হয়েছে লেখাটা।
৫ দিলাম।
৫৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২২
আহমেদ ফারুক বলেছেন: আমার একটা বিশেষ সমস্যা হয়েছে। সমস্যাটা তোমার পোস্ট খুললেই হয়। কারণ যখন তোমার পোস্ট খুলি তখন তোমার লেখা আর পড়া হয় না। অধিকাংশ সময়ে তোমার পোস্টের সাথের ছবি দেখি। তুমি কি ফটোগ্রাফার? সত্যিই ছবিগুলো সুন্দর।
৫৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫
চতুরভূজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, কালপুরুষ। আপনাকে আমি আমার ব্লগে পাইনা, যদিও আমি খুবই কম লিখেছি। আপনার কমেন্ট পেতে ভিষন ভাল লাগে।

ফারুক ভাই, আমি ফটো তুলিনা, ফটো তোলাই। হা হা হা ।
৫৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫০
অজানা একজন বলেছেন: চমতকার হয়েছে । ৫
চালিয়ে যান ।
৫৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৩
চতুরভূজ বলেছেন: ধন্যবাদ, অজানা একজন।
৫৯. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৮
আিসফড় বলেছেন: ফ্রেন্ডস বুক কর্ণার শুনে নীলক্ষেতের ১৩ টাকার তেহারির কথা মনে পোরে গেল। রোজা রমজানে খাবারের কথা মনে পরলে বড় কষ্ট। যাই হোক ভালো লাগলো পুরোনো কোঠা মনে আসলো।
৬০. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩০
বৃত্তালপনা বলেছেন: আপনার ছবিটা সুন্দর। লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো। আপনার মত বই প্রেমিকা এখন আর পাওয়া যায় না। হুমায়ুন আহমেদের ভক্ত তাহলে?
৬১. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩২
চতুরভূজ বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদের ভক্ত নই, তবে কিছু কিছু লিখা পছন্দ করি। আপনাকে ধন্যবাদ।
৬২. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: চতুরভূজ আপনি কোথায় থাকেন?


আমি কিন্তু জীবনানন্দ কবিতাসমগ্র ১০০ টাকায় কিনেছিলাম।
৬৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৫
পপেল বলেছেন: খুব ভাল লেখেন চতুরভূজ আপনি। কিনতু মেয়ের ছবিটা কার। দয়া করে বলবেন
৬৬. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:২৯
ইকারুস বলেছেন: ভাইরে @আিসফড়
১৩ টাকার যুগ কি এখন আছে?
ধন্যবাদ square
৬৭. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:২৯
ইকারুস বলেছেন: ভাইরে @আিসফড়
১৩ টাকার যুগ কি এখন আছে?
ধন্যবাদ square৫
৬৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০৭
েজবীন বলেছেন: অনেক ভালো লিখেন আপনি।
খেয়াল করলাম যাই লিখেন, কনফিডেন্টলি লিখেন। ভালো লাগলো সেটাও।
৬৯. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: দেরি হয়ে গেলো। আপনার ব্লগের সবগুলো লেখা ঘাঁটলাম। এই লেখাটার উপর চোখ আটকে গেলো। কারণ আর কিছুই নয়; ছবিটা। জোছনাকে কবি-সাহিত্যিকরা নীল রঙের চাদরে ঢাকেন। কিন্তু জোছনার রঙ তো সাদা। ছবিটা দেখে মনে হলো, জোছনা নীল হলেও হতে পারে।
তারপর লেখাটা পড়লাম। পড়লাম বললে ভুল হবে, বলা উচিৎ গোগ্রাসে গিললাম! চমৎকার বললেও কম বলা হয়!
ফুল মার্কস টু ইউ।(ফুল মার্কস মানে ৫..., এর বেশি থাকলে তাই দিতাম।)
যেহেতু, ছবি এবং লেখা দুটোই মনে জায়গা করে নিলো, দুটোকেই আপন করে নিলাম। আমার ব্লগে যদি ঢোকেন, দেখতে পাবেন, প্রিয়'র তালিকায় আপনার এই পোস্টটি।
৭০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:২৭
চতুরভূজ বলেছেন: ওয়াও, একেবারে প্রিয়র তালিকায়???
আপন করে নেয়ার ঋন কেবল আপন হয়েই শোধ দেয়া যায়, চেষ্টা করব।
৭১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩৬
শিলা বলেছেন: লেখাটি পড়েছি। তবে পুরোটা বুঝিনি।
৭২. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩৮
চতুরভূজ বলেছেন: শিলা, না বুঝে থাকলে কাছে গিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে আসব একসময় কেমন?(যদি কখনও দেখা হয়)
৭৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫৩
শিলা বলেছেন: 'নিন্দাবাদের বৃন্দাবনে
ভেবেছিলাম গাইবো না গান'।
----কাজী নজরুল ইসলাম
৭৪. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০৩
চতুরভূজ বলেছেন: শিলা,
ভেবেছিলাম গাইবো না গান!
তবে আবার কেন সুর ধরি
এ কোন আকুল করা টান?
৭৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০৫
শিলা বলেছেন: কবিদের ভিড় দেখে
পালাতে হবে নৈনিতালে।
৭৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০৮
শিলা বলেছেন: কবিতা চরের পাখি
কুড়ানো হাঁসের ডিম গন্ধ ভরা ঘাস
ম্লানমুখ বউটির দড়িছেঁড়া
হারানো বাছুর'।
------------আল মাহমুদ।
৭৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১১
চতুরভূজ বলেছেন: শিলা মাফ চাই,
প্রয়োজন নেই কবিতার স্নিগ্ধতা, কবিতা তোমায় আজকে দিলাম ছুটি,
ব্লগের রাজ্যে সামহোয়ার গদ্যময়
সুশিক্ষা যেখানে গিয়াছে টুটি
.....চতুরভূজ
৭৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১৪
শিলা বলেছেন: এবার চিতকার করে বলো : ক্ষমা করো মহাদেবী ১৪০০ সাল, কবিতা লিখতে তখন/ 'বকিতা' খেলছি এখন'।
৮০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১৮
চতুরভূজ বলেছেন: শিলা, হাসলাম,হা হা হা ।

অন্ধকার, ধন্যবাদ।
৮১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৪
:গন্ডার: বলেছেন: ওমা কি সুইট দেখতে মেয়েটা হি হি হি
৮২. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩০
মাহমুদ হাসান আরিফ বলেছেন: আপনাকে ভুজ বাদ দিয়ে শুধু চতুর ডাকতে ইচ্ছা করছে। এতে হয়তো সমস্যা হওয়ার কথা নয়, কেননা পুরোটাই আপনার নিক। লেখাটা খুব ভালো লাগছিল, চিন্তা করলাম এতো ভালো লাগার কারণ কি উদঘাটন করতে, যা পেলাম তার পুরোটা বলবো না, বললে আপনি বকা দিতেও পারেন। তবে লেখাটার সাথে ছবিটা খুবই গেছে অর্থাত মানিয়েছে। তার মানে কি লেখাটা খারাপ হয়েছে? তা কিন্তু বলিনি।
৮৩. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩৫
চতুরভূজ বলেছেন: আরিফ,
ধন্যবাদ।
যা খুশি ডাকতে পারেন ভাই। এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে উদঘাটন করে কি পেলেন সেটা কি একটু জানাবেন? কৌতুহল হচ্ছে।
৮৪. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫০
মাহমুদ হাসান আরিফ বলেছেন: আপনার লেখা ও ছবি দেখে কল্পনায় বনলতা খুব মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে।
৮৫. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০৩
মাহমুদ হাসান আরিফ বলেছেন: আপনাকে অনেকে মেয়ে হিসেবে মেনে নিতেই পারছে না। ব্যাপারটি আমার কাছে বেশ ইন্টারেস্টিং। ধরে নিই আপনি ছেলেই, কিন্তু মেয়ে সেজে আমাদের অর্থাত পুরুষদের কিছুটা মনোরঞ্জনের চেষ্টা করে চলেছেন, তাতেই বা ক্ষতি কি? আর যদি আপনি সত্যিই মেয়ে এবং এটা আমরা এক বাক্যে স্বীকার করি আর আপনি কর্তৃক আমরা মনোরঞ্জিত (!) হই তাতেই বা লাভ কোথায়?
ব্যাপারটি আমি আরো কয়েকজনের ক্ষেত্রে লক্ষ করেছি।
৮৬. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০৭
চতুরভূজ বলেছেন: তাই নাকি? হা হা হা । এভাবে সবাই বুঝলে ভালই হোতো। আর আমি মেয়ে বা ছেলে এসবের ঊর্দ্ধে একজন ব্লগার হতে চাই। কিন্তু অনেকে এই ব্যাপারটি বুঝতে পারেনা।
আমার নতুন পোষ্ট দেখুন বর্ষাকে নিয়ে লিখা। আপনার কি মনে হয় বর্ষার এখন কি করা উচিত?
৮৭. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:২৮
লুকা বলেছেন: আ্যডোরেবল রাইটার !!

প্রিটি গার্ল !!

নাইস কম্বিনেশন ! কিপ ইট আপ!


৮৮. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০২
নুপুর বলেছেন: There is a gloomy girl over here, where is she?
৮৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১২
নীল জোছোনা বলেছেন: কি সুন্দর যতবার পড়ি ততবার ভাল লাগে।
৯০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
ভুডুল বলেছেন: এখননোও ভাললাগে
৯১. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
লগ বলেছেন: এখনও ভালোলাগে ঐসব এবং এইসব। ফিরে আসুন প্লিজ

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৩৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাশে চুলের গন্ধটি দিও পাতি
এনো সচকিত কাঁকনের রিনিরিন;
আনিও মধুর স্বপ্নসঘন রাতি,
আনিও গভীর আলস্যঘন দিন।
তোমাতে আমাতে মিলিত নিবিড় একা-
স্থির আনন্দ মৌন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই