ডাচ্ বাংলা ব্যাংকে একাউন্ট করে পাপ করেছিলাম তাই, গত ১১/০১/২০১১ হঠাৎ করে পকেটে হাত দিয়ে দেখি পকেট এক দম খালি। তাই রাত্রি ১১.৩০ মিনিটে টাকার জন্য ডাচ বাংলা ব্যাংকের এ.টি.এম বুথে যাই টাকা উত্তলেনের জন্য কিন্তু দূঃখের বিষয় গিয়ে দেখি একাউন্টে ৩৭৭০ টাকা আছে। তখন আমি টাকা উত্তলনের জন্য ৩০০০ টাকার জন্য কমান্ড করি কিন্তু যখন টাকা বের হবে ঠিক তখনি মেশিনটি অফ লাইনে চলে যায়। টাকা আর বের হয়ে আসেনা, এবং আমি আমার একাউন্টে দেখি ৩০০০/- টাকা কর্তন করা হইয়াছে। তখন বুথে থাকা মামার (নিরাপত্তা রক্ষি) নিকট হতে অভিযোগ কেন্দ্রের একটি মোবাইল নাম্বার পাই। এবং তার নিকট সমস্ত্ ঘটনা খুলে বলার পার তিনি আমাকে সাত্নানা দেন যে ৩০ মিনিটে মধ্যে টাকা একাউন্টে যোগ হয়ে যাবে। তখন রাত্রি ১২ টা বাজে। আমি ঠিক তার কথা মত এই শীতের মধ্যে ৪০ মিনিট রাস্তা দিয়ে হেটে সময় কাটিয়ে বুথে গিয়ে দেখি আমার টাকা যোগ হয় নাই। তার পর আবার ঐ নাম্বারে ফোন দিলে তিন নতুন আর একটি পরামর্শ দেন যে সকালে বুথে একাউন্ট চেক করে দেখার জন্য। যদি যোগ হয়ে না থাকে তবে নিকটতম ব্যাঞ্চ অফিসে একটি আবেদন করা জন্য। আর কি? রাত্রে রাগে দুঃখে ঘুমিয়ে পড়ি । তারপর সকাল বেলা বুথে গিয়ে দেখি টাকা জমা হয় নাই। তারপর যাই ব্রাঞ্চে টাকার জন্য আবেদন করতে। হায়রে টাকা ! আমার টাকার জন্য আমাকেই আবেদন করতে হয় । কিন্তু আমার ভুলটা কোথায় বলতে পারেন ? তাদের সমস্যার জন্য আজ আমিই দৌড়াই তাছি আমার পাওনা টাকার জন্য। যাই হোক ব্যাঞ্চে গিয়ে দেখি বিশাল বড় একটি লাইন দাড়িয়ে আছে কখন ১০ টা বাজবে আর ব্রাঞ্চ খুলবে। আমিও আপেক্ষার পর একজনের সাথে কথা বলা সুযোগ পাই। তিনি আমার নিকট হতে কিছু তথ্য নিয়ে একটি ফরম পূরণ করে আমার একটি স্বাক্ষর নিয়ে জমা রাখে। জমা রাখার সময় আমার টাকা কবে পাব জানতে চাইলে তিনি আমার দিকে মুচকি হাসি দিয়ে বলেন কম পক্ষে ২০-২৫ দিন লাগবে। এ কথা শুনার পর তার মুচকি হাসিটা যেন আমার কাছে কাটা গায়ে নুনের ছিটার মত মনে হল। এখন নিজের টাকা বুথে রেখে অন্যের নিকট হতে ধার করে চলছি। হায়রে এ.টি.এম বুথ হায়রে টাকা। সেই টাকা আজ পেয়ে মনে হচ্ছে আমার পাপ বুঝি মুক্ত হয়েছি।
অবশেষে পাপ মুক্ত হলাম..............................
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।