ভাত আর শুকনামরিচ ভর্তার রেসিপি ইতিমধ্যেই পেয়ে গিয়েছেন। এখন আমি দিচ্ছি চটপট তৈরী করা যায় কিন্তু খেতে অতিব সুস্বাদু, এমন কিছু ভর্তার রেসিপি।
এ রেসিপি বিশেষ করে তাদের জন্যই যারা ব্যচেলার, বুয়ার রান্নার উপর নির্ভরশীল। বুয়া না আসলে চোখে শর্ষের ফুলের ঝিলিমিলি দেখেন।
ডিম বেগুন ভর্তা টমেটো ভর্তা
আপনার যদি দুই বার্নারের গ্যাসের চুলা হয় তাহলে দুটোর মুখেই আগুন জ্বালুন।
একটি নধরকান্তি মোটাসোটা বেগুন যত্ন করে হাতে তুলে নিয়ে ততধিক যত্নে নরম কাপড় দিয়ে তার কোমল ত্বক মুছে নিন। তারপর গ্যাসের চুলার আগুন কমিয়ে বেগুনটি সযতনে আগুনের উপর চাপিয়ে দিন। অন্য চুলায় রুটি শেকবার তাওয়া বসিয়ে দিন। ২টা বড় বড় টম্যেটো ধুয়ে তাওয়ায় দিন। টম্যেটো মুছবার দরকার নেই। চুলার আগুন কমিয়ে একটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।
এখন আপনি ২টা বড় পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কুঁচিয়ে নিন। আপনি কেমন ঝাল খাবেন তার উপর কাঁচামরিচের পরিমান নির্ভর করে। এক মুঠ ধনেপাতা কুঁচিয়ে নিন। মাঝে মাঝে বেগুন আর টম্যেটো উল্টে-পাল্টে দিন। বেগুন আগ-পাছ-তলা ভালো ভাবে পুড়ে গেলে একটি বাটিতে নামিয়ে রাখুন। খেয়াল করবেন পুড়ে যেন ছাই না হয়ে যায়।
একটি কড়াইতে পরিমান মত তেল দিন। তেল গরম হলে অর্ধেকটা কাটা পেঁয়াজ, কাঁচামরিচকুঁচি দিয়ে নাড়ুন। একটু ভাজা ভাজা হলে বেগুন দিয়ে ঘুটা দিন। আন্দাজ মত লবন দিন। আবার ঘুটা। এখন একটা ডিম ভেঙ্গে বেগুনের উপর দিয়ে লাষ্ট ঘুটা দিন।
মনোযোগ দিন টম্যেটো মিয়ার দিকে। পুড়ে কি তার চেহারা কালটু মিয়ার মত হয়েছে? হলে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে নিন। পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা দিয়ে মাখিয়ে নিন। হয়ে গেলো মজাদার টম্যেটো ভর্তা।
এখন চটপট গরম ভাতে ডিম বেগুন ভর্তা, টম্যেটো ভর্তা, আর শুকনা মরিচ ভর্তা মেখে খেয়ে ফেলুন।
ছবি সুত্রঃ গুগল মামীর রান্নাঘর।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


