লেখার নাম :- আকাশের আয়না সাগরের স্পর্শ - ১-৩
লেখকের নাম :- আস্তমেয়ে
প্রকাশের তাং :-
(২০০৭-০১-২৩ ০৪:২৪:৫৬)
( ২০০৭-০১-২৪ ০২:৩৪:৫৫)
( ২০০৭-০২-০৫ ০৬:৫৪:১২)
বিস্তারিত :-
সমুদ্রে আমার সীমাহীন দুর্বলতা। সুযোগ পেলেই বা অস্থিরতায় ভুগতে থাকলেই ছুটে যাই সাগরের কাছে। সমুদ্র তীরে যেতে না পারলে মোহনায়, না হলে নদীতে। তবু আকাশের নীল গায়ে মেখে নাচতে থাকা সমুদ্রের একটু, হোক না দূরতম, স্পর্শ আমার চাই-ই। আমার সব অস্থিরতা সাগরের বিশালত্বের কাছে জমা দিয়ে আমি বাড়ি ফিরি।
অথচ শেষ বার নদীতে আকণ্ঠ অবগাহন করেছি বোধ হয় নয় বছর বয়সে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। সিডনীতে যতবার সাগরের কাছে গিয়েছি, ঢেউয়ের ঝাপটা খেয়েছি ফেরি থেকে, না হয় তীর ঘেষে হাঁটতে হাঁটতে পায়ে ঢেউয়ের টোকা খেয়ে শিহরিত হয়েছি।
তাই রবিবারে সামনে যখন বিস্তৃত সমুদ্র সৈকত দেখলাম, তখন দিশেহারা হয়ে গেলাম।
প্ল্যানটা একেবারেই হুট করে হলো। শনিবার অলস দুপুরে এমএসএনে বসে চ্যাটাচ্ছিলাম, হঠাৎই তলব ড্রইং রুমে। দশ মিনিটের মাথায় সিদ্ধান্ত হয়ে গেল পরের দিন ফজরের পরেই আমরা রওনা দিবো সাউথ ওয়েস্ট রকস--নিউ সাউথ ওয়েলসের একদম উত্তরে একটা সামুদ্রিক এলাকার উদ্দেশ্যে। বাসা থেকে প্রায়ে সাত ঘন্টার ড্রাইভ। থাকা হবে মাহমুদ আঙ্কেলের বাসায়। আঙ্কেল ওখানে একা থাকেন, পরিবারের অন্যান্যেরা সিডনী। বহুদিন ধরেই যেতে বলছিলেন। যাওয়া হচ্ছিলো না। এবার হুট করেই!
তারপরে হুট হাট তৈরি হওয়া। রান্না করে প্যাকেট করা। কম্বল, বালিশ, কাপড় চোপড়ে গাড়ি বোঝাই করা। এবং অত:পর, পরের দিন সকালে পাঁচ জনের কাফেলা গাড়ি বোঝাই করে যাত্রা শুরু করা, গাড়ি চালাচ্ছিলাম আমি! সবার স্নায়ু তীব্র চাপে থাকে "নতুন-ড্রাইভিং-শিখতে-থাকা-আমি"-র হাতে ওদের জীবন ছেড়ে দিতে, তাই এক ঘণ্টার বেশি চান্স পেলাম না। আউশ মিটে নি, কিন্তু ৯০ কিমি/ঘন্টা গাড়ি চালাচ্ছিলাম আমি প্যাসেফিক হাইওয়েতে, এই বা কম কিসে!
মাহমুদ আঙ্কেলের ওখানে পৌছে, ব্যাগ রেখে, দুপুরের খাবার নাকে মুখে গুঁজে বেরিয়ে গেলাম সাগরের অমোঘ টানে।
সমুদ্র সৈকতের নাম 'ফ্রন্ট বীচ'। ছোট্ট ম্যাপটা দেখে চোখ বড় বড় হয়ে গেল... কি আশ্চর্য, এই জায়গায় সাগরের নাম 'প্রশান্ত মহাসাগর'ই, কোন উপসাগর টুপসাগর না!
সেই বিকেল বেলা, পার্ক করা গাড়ির দরজা খুলতেই পূব দিক থেকে তীব্র বাতাসে সাগরের মাতাল করা নোনা গন্ধ পেলাম। সাগর তীরেই একটা উঁচু পাথুরে পাহাড়। ধীরে ধীরে ঢালু হয়ে সাগরে গিয়ে মিশেছে পাথুরে দেয়াল। পাহাড়ের উপর ঘাসের কার্পেটে ছাওয়া। বেশ কয়েকটা কাঠের বেঞ্চি। সেখানে তীব্র বাতাসে ভেসে আসছে সাগরের তীব্র গর্জন! আসলে একে গর্জন বলতে কেমন জানি লাগে, কারণ এত সুন্দর নীল আর সাদার শাড়ি পড়া সাগরকে ক্ষ্যাপা ভাবতে পারি না। বরং কোন ছটফটে তরুনীর মত লাগে, নেচে যাচ্ছে তো যাচ্ছে... আকাশকে পাওয়ার আনন্দে?
পাহাড়ের দুই পাশে দুইটা সৈকত। পাথুরে গা বেয়ে তর তর করে নেমে গেলাম এক দিকের বীচে। একটু দ্বিধা করে দামি স্যান্ডেলটা খুলে হাতে নিলাম। সাদা স্কার্টে বালু লাগবে মন মানতে চাইছিল না। তাই বাতাসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে বালু ধরে একটু হাঁটলাম। প্রথমে শুকনো বালি, তারপরে ভেজা... তারপরে, হঠাৎই একটা দুষ্টু ঢেউ এসে ভিজিয়ে দিয়ে গেল আমার বেশ খানিকটা। ব্যাস, আড় ভেঙে গেছে! এই বিকেলে হাঁটুর বেশি ভিজানো সম্ভব না বলে ওতটুকুতেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো।
একটু পরে, কনে দেখা আলোতে তীব্র বাতাসের ডাকাতির সাথে পাল্লা দিয়ে ওড়না সামলে দেখছিলাম সাগর। আমি বিমুগ্ধ। কয়েক ঘন্টায় চেহারা পাল্টে গেল যে! কনে দেখা আলোতে প্রকৃতির সাথে পাল্লা দিয়ে সাগরকেও এত সুন্দর দেখায়! নীল সাগরটার উপরে কেউ সোনালী জরির গুড়ো ছিটিয়ে দিয়েছে... ঢেউয়ের তালে তালে সেগুলো নাচছে...
প্রথমে ঢেউ ঘেষে মীরার হাত জড়িয়ে অনেকদূর হাঁটতে হাঁটতে চললো গানের পালা।
"আমি শুনেছি সেদিন তুমি
সাগরের ঢেউয়ে চেপে
নীল জল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছ... " গানটার সুর সহ সব যেন এই মুহূর্তের জন্যই লিখা।
তারপরে, কাঠের বেঞ্চিগুলোতে বসে চললো প্রিয় মানুষদের ডাকার পালা, মনে মনে, মুঠো ফোনে।
এত ঠান্ডার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। সন্ধ্যার আগে সবার যখন জমে যাওয়ার উপক্রম, তখন বাসায় ফিরলাম। উদ্দেশ্য, রাতে খেয়ে দেয়ে আবার আসবো বীচে। সেটা হলো না। মাহমুদ আঙ্কেল ভয় ধরিয়ে দিল, কিছুদিন আগে নাকি ওখানে খুন হয়েছে। ততক্ষনে রাত দশটা বাজে। খুন হওয়ার আদর্শ সময়।
রাতের না পাওয়াটা মিটাতেই পরের দিন সাগর দর্শনে গেলাম ফজর পড়ে সাথে সাথেই। সে এক অন্য রকম পরাবাস্তবতা। ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় সাগর অনেক শান্ত। বীচের মসৃণ বালু দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছে দক্ষ কারিগরের হাতে সিমেন্টের ঢালাই করা প্রান্তর... একটুও ভাঁজ নেই, পদচিহ্ন নেই, পুরোপুরি ভার্জিন। কারো স্পর্শ পড়ে নি যে! পূব দিক থেকে একটু একটু সূর্য উঠে সাগরের রং বদলে দিচ্ছিল প্রতি মুহূর্তে। তেরছা আলোয় বিকেলের কনে দেখা আলোর সাগরের চেয়ে একদম অন্য রকম দেখাচ্ছিল সাগরটাকে।
হাঁটতে হাঁটতে এক পাশের পাথরে উঠলাম, জোয়ার উঠলেই যেগুলোতে যাওয়ার উপায় থাকে না। উঠেই চমক। সাগরের দুর্দান্ত ঢেউগুলো পাথরে এসে আছড়ে পড়ছে সাদা ফেনা তুলে। প্রান্তে দাঁড়ালেই সারা গা ভিজে যায় এক ঝলক পানিতে। সুখের শিহরনে গায়ে কাঁটা দেয়। সাথে সাগরের গান, পুরো ব্যাপারটাকে পূর্ণতা দেয়। ছবিগুলো দেখে কান্না পাচ্ছিলো... আসল ঘটনার সিকি ভাগও আসে নি। ভাষাকেও কেমন দুর্বল মনে হচ্ছে। পুরো কনটেক্সটা যদি কোন ভাবে প্যাকেট করে আনা যেত, তাহলে তাই যে এনে ব্লগে ভুস করে ছেড়ে দিতাম! এত সুন্দরকে একা একা দেখা যায়? না উপভোগ করা যায়?
সারা গা ভিজে গিয়েছিল তখনই। তবু পেটে টান পড়তেই বাসায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। একটু পরে এসে সাগরে আদরে ডুবাবো নিজেকে!
সন্ধ্যার তেছড়া আলোয় সাগর বড় মায়াবী। ভোরের আলোয় সাগর মাত্র গোসল সেরে আসার সি্নগ্ধতায় ভরা। দুপুরে আবার ঘটনা ভিন্ন। পরিষ্কার আকাশে সূর্যের উজ্জ্বল হাসিতে সাগরও হেসে উঠে আকর্ণ। ঢেউয়ের আকার তুলনামূলক ভাবে বড়, আনন্দে নাচছে যে!
সকালের নাস্তা খেয়ে কাপড় বদলে চলে আসলাম সাগরের সাথে বোঝাপড়ার জন্য। বাচ্চাবুড়োযুবকযুবতী অনেকেই ততক্ষনে সাগরে নেমেছে। আমরা মানুষগুলো থেকে একটু দূরে গিয়ে নামার প্রস্তুতি নিলাম। মুখে এক গাদা সানস্ক্রিন লাগালাম। এমনিই কালো মেয়ে, এর উপর সূর্যের আশীর্বাদে ট্যান লাগলেই হয়েছে, আমাকে আর দেখা যাবে না। তারপরে এক পা এক পা করে এগুলাম, বিশালত্বের দিকে।
হালকা গরম বালু পায়ের তলে আদরের সুঁড়সুঁড়ি দেয়। একটু এগিয়ে ভেজা বালিতে দাঁড়াতেই একটা স্তিমিত ঢেউ এসে পায়ের পাতা ভিজিয়ে দিয়ে গেল। স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম, ঢেউ সরতেই সর সর করে বালি সরে গেল পায়ের তলা থেকে। এই অনুভূতির কোন তুলনা হয় না।
হঠাৎ মনে পড়লো আমার কৈশোরের প্রেম ধ্রুবর কথা। দূরবীনের ধ্রুব, রেমি পুরীতে সাগরে নামে ধ্রুবর সাথে, ধ্রুবর সাথে অভিমান করেও নামে একবার ঝড়ের সাগরে। শীর্ষেন্দুর বর্ণিল শব্দগুলো পড়ে খুব নামতে ইচ্ছা করছিল সাগরে, সেবারের পরে সুযোগ আসল এই প্রথম।
কিছুক্ষণ ঢেউ দেখলাম মুগ্ধ হয়ে। নদীর তীরে দাঁড়িয়ে তীব্র বাতাসে আলোড়িত নদী দেখলে মনে হয় ক্র্যাপ্টের সিলকের কাপড়। যেন কেউ দুই ধারে ধরে আন্দোলিত করছে বিশাল সিল্কটাকে। সাগরের ঢেউগুলো এমনই, উঁচু নিচু আন্দোলন, বাতাসের সাথে পানির ঠুকাঠুকি। তীরের কাছে এসে ঢেউগুলো ভেঙে যায়, ক্ষ্রীপ্ত ঢেউ সাদা ফেনা নিয়ে ছুঁটে আসে তীব্র বেগে। কোমর সমান পানিতে দাঁড়িয়ে কয়েকটা ঢেউয়ের ধাক্কা খেলাম। পা একটু টাল মাটাল হলো। আমার খুব মজা লাগছিল। সাগরের মত এত বিশ্লাল কিছুর সাথে টেক্কা দিচ্ছি মনে হল। সাগর যেন আমাকে একটু একটু টোকা দিয়ে খেলিয়ে নিতে চাইছে। প্রতিটা ঢেউ আসে আর আমি তৈরি হই বিধ্বংশী আদরের জন্য। ঢেউ ভাঙতেই, ঢেউয়ের সে কি গর্জন! মনে হলে চ্যালেঞ্জ করছে আমাকে, আমরা পাঁচজন এক সাথে দাঁড়িয়ে ঢেউয়ের সাথে টেক্কা দিচ্ছি। একটু মজা পেয়ে চিৎকার করলাম: কাম অন ম্যান! ব্রিং ইট অন! কাম অন!
সাগর যেন সাড়া দিল, বিশাল এক ঢেউ এলো এবার। আমি উলটা ঘুরে দেঁৗড়। ধাওয়া পালটা ধাওয়া খেললাম কিছুক্ষন এভাবে।
তারপরে আরেকটু এগুলাম। এবার বুক অব্দি পানি। হঠাৎ বড় একটা ঢেউ এসে আমাকে মাটি থেকে উঠিয়ে নিল। কিছু বুঝার আগেই দেখি প্রবল গর্জনে ঢেউ আমার উপর সওয়ার হয়েছে। চোখ খুলতেই পানির বুদবুদ, চারিদিকে সবুজ পানি। চোখে লবন পানির জ্বালা। মুখে লবন পানি। গড়গড়া করার সময় পানিতে বেশি লবণ পড়ে গেলে যেমন, তেমন। পায়ের তলায় মাটিও নেই, কিছু বুঝার আগেই আমি অক্সিজেনের জন্য ছটফট করতে করতে শ্বাস টেনে ফেললাম লবন পানিতে। আর যাই কোথায়, নাকে মুখে তীব্র জ্বালা! কোন মতে উঠে দাঁড়াতেই টের পেলাম ঢেউটা তখন ফিরতি যাত্রায়। গ্রীষ্মের ভাটার সময়ের ঢেউ, তীরের সব কিছু টেনে নিয়ে যেতে চায়। দিল পা ধরে হেঁচকা টান। আবার লবন পানিতে হাবুডুবু খাওয়া!
আরেকটা ঢেউ আসার আগেই চট জলদি উঠে তীরের দিকে দেঁৗড় লাগালাম। ভাগ্যিস পানির বোতল এনেছিলাম, তাই দিয়ে চোখ মুখ ধুলাম, পানি খেলাম। আবার মুখে ভালো করে সানস্ক্রীন লাগিয়ে পায়ে পায়ে এগুলাম সাগরের দিকে। ব্রিং ইট অন বলতেই আমাকে এভাবে ডুবালেন বুঝি বাবু? আচ্ছা! এবার তাহলে শান্তি। আত্মসমর্পন। ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম। ভেজা বালুতে পা ছড়িয়ে বসে গেলাম। আমার কোমর পর্যন্ত ঢেউ এসে ভিজিয়ে দিচ্ছে একটু পর পর। মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম চারিদিকে মানুষের ঢেউকে জয় করার প্রচেষ্টা। হঠাৎ মনে হল, সাগরের সত্যিই প্রান আছে, সব টের পেয়েই দুষ্টামি করছে!
ভাইয়া বললো, আয় ঢেউয়ে ভাসি। ওর হাত ধরে গেলাম গলা ডুবানো পানিতে। একটু গভীরে, সেখানে দাঁড়ালে বুঝা যায়, সমুদ্র ফুলে ফেঁপে উঠছে। যেন শান্ত, জীবন্ত সাগর নি:শ্বাস নিচ্ছে বলে এমন ফুলে ফুলে উঠে বুক। এক এক বার ফুলে উঠা নিজের দিকে আগাতেই, ঢেউটা ভাঙার আগেই নিজেকে ছেড়ে দিতে হয় ঢেউয়ের গায়ে। ঢেউ আলতো আদরে একটু উপরে উঠিয়ে নেয়। তারপরে আবার ঠিক তেমনই সন্তপর্নে ছেড়ে দেয় সাগরেরই বুকে। তখন মনে হল এত বিশাল বুকে নির্ভয়ে নিজেকে ছেড়ে দেয়া যায়! আবার কখনও সখনও ঠিক ঢেউ ভেঙে যায়। তখন নাক কান চোখ বন্ধ করে পানির নিচে ডুব। একটু পরে মাথার উপরে তীব্র গর্জন শোনা যায়, তারপরে মাথা তুললেই দেখা যায় সাদা ফেনাগুলো মাথার উপর থেকে সরে গিয়েছে।
এমনি করে মোটেমাটে তিন ঘন্টা কাটালাম প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে। ঝগড়া করে, ভাব ভালবাসার বিনিময় করে। মোটেই যেতে ইচ্ছা করছিল না, কিন্তু চোখ টকটকে লাল। সানস্ক্রীনেও বেশি কাজ হচ্ছিল না, মুখ হাত কালো হয়ে শেষ। হাত পা ভেঙে আসছিল ক্লান্তিতে, সাথে তীব্র ক্ষুধা। অতএব, সাগরকে বিদায় জানাতে হলো তখনের মত।
আলোচিত ব্লগ
Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ
![]()
প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাকি রইলো; কাঁচা কলা

স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্মৃতির নৌকা
কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।
কোন কোন সন্ধ্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।