আমার প্রিয় পোস্ট
- জামায়াতের ধর্ম ব্যবসার কিছু নমুনা এবং জামায়াত থেকে যে কারণে দূরে থাকতে হবে। - হা...হা...হা...
- পশ্চিমা বিশ্বের নারী নির্যাতন - সাইফ বাঙ্গালী
- বিরল কিছু গাছের ছবি শেয়ার করলাম ভাল লাগতেও পারে আবার নাও লাগতে পারে - নাজির
- মন্তব্য করতে আমাকে ব্যবহার করুন একা একা ভালো লাগছে না তাই শেয়ার করলাম - মাসুদ চৌধুরী
- নতুন আইডিএম ব্যবহার কারীদের জন্য সাহায্যমূলক পোষ্ট। সকল ব্রাউজারের মাধ্যমে আইডিএম ব্যবহার করার উপায়........


- বৈদ্যুতিক আঘাত
- ফায়ারফক্সের অ্যাড বিষয়ক কিছু সমস্যার সমাধান, সাথে বোনাস কিছু অ্যাডঅন (ইন্জ্ঞিনিয়ারস চয়েস ) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! - নাফিস ইফতেখার
- ফায়ারফক্সের দরকারী কিছু অ্যাড-অন - নাসির খান
- আসুন আজ আমরা "গ্রেট ব্রিটেন" এর খুন এবং ধর্ষনের পরিসংখ্যান জানি

- কঠিন চিজ
- Google এর আরো কিছু রসময় গুপ্ত (Easter Egg)
- নাফিস ইফতেখার
- ফায়ারফক্সের গতি বাড়ানোর কিছু উপায় - পথে-প্রান্তরে
- একটি হাদিসের ব্যক্ষা জানতে চাই । (ঊত্সর্গ উমর, মুসলিম ৫৫, তুষারপাত, উষ্ণ , শিরনামহীন, নাজনীন১, মুসলিম গ্রুপ ও বাকিরা) - ফুয়াদ০দিনহীন
- ইমাম মাহদী (আঃ) সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসের দলীল - বিডিআলতাফ
- হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর। - ফারুক৫৫
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (সমাপ্তি পর্ব) - নূরুল্লাহ তারীফ
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (দ্বিতীয় পর্ব) - নূরুল্লাহ তারীফ
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (প্রথম পর্বের বাকী অংশ) - নূরুল্লাহ তারীফ
- হাদীসে রাসূল (সাঃ) নিয়ে কেন এই সংশয়? (প্রথম পর্ব) - নূরুল্লাহ তারীফ
- "ইসলামের নামে প্রচলিত ভুল তথ্য" শীর্ষক পোষ্টের উপর মন্তব্য - নূরুল্লাহ তারীফ
- OPERA ব্রাউজার ইউজাররা যেভাবে এ্যাডব্লক করবেন - শয়তান
- জামায়াত নেতাদের শিক্ষিত সন্তান...তারা কিন্তু মাদ্রাসায় পডাশুনা করে না...
- লুথা
- ৩ থেকে ২ বড়? ভুল খুঁজে পেতে গণিতপ্রেমিগণ একটু মাথা খাটান! - অক্টোপাস
- ঈদ ব্যানারঃ আরও চার - ব্রাইট
- আসুন জেনে রাখি হাদীসের কিতাব সমূহের স্তর বিভাগঃ - mamun
- চাইর্খান ঈদ ব্যানার! - ব্রাইট
- মইন ক্ষমতা নিতে চেয়েছিলেন তিনবার - মতিউর রহমান চৌধুরী - মিলটন
-
**একটি ডিজিটাল ডায়ানামিক পোষ্ট**
- অদ্ভুত
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- তালপট্টি ও সমুদ্র সীমা : গণচীন মিয়ানমারের পক্ষে : বাংলাদেশের অবস্খান কোথায়? - ইবনে সালাম
- ইনজেকশান নিলে রোযা ভাঙবে না - আবদুল হক
- Deep Freeze স্যাফটওয়্যার এবং এর পরিপূর্ন ব্যবহার সম্পর্কে জানুন - দুখী মিয়া
- ফায়ারফক্স এর চমৎকার একটি এড-অন -জিমেইল রিডিজাইন- - সাইফ ইমাম
- গুগল সার্চের মজার কিছু ব্যাপার ! - পথে-প্রান্তরে
- বাংলা থেকে ইংরেজি বা যে কোন Font দ্রুত পরিবর্তন করুন মাউস ছাড়াই !!!
- এস.কে.ফয়সাল আলম
- মাঝে মাঝে চিন্তা করি, মেয়ে হয়ে জন্মানোই বোধোহয় ভালো ছিলো........
- নাফিস ইফতেখার
- যাদুর বর্গ - বিবেক সত্যি
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! (রিপোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- পরীক্ষা দিতে আর ভাল লাগে না, তাই আসেন একটু মজা করি (ফান পোস্ট) ।
- ভাদাইম্যা পোলা
- 2টা অসাধারন রেপিডশেয়ার প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর সাইট - স্স্পরসের বাহিরে
- সন্তানের প্রতি আপনার ভালোবাসা যেন তার মৃত্যুর কারণ না হয়... ... - আমি স্বার্থপর
- World’s Most Beautiful River - দাদুভাই
- কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি - সাহোশি৬
- Windows XP কে সাজাইবার কয়েকটা টিপস - নাজিরুল হক
- সামহোয়্যারের যেকোন কমেন্টের জন্য লিংক তৈরি করুন
- নাফিস ইফতেখার
- শতবর্ষ আগের ঢাকা - মামুনুর রহমান খাঁন
- এই ঢাকা সেই ঢাকা - পথে-প্রান্তরে
- অতি প্রয়োজনীয় ফিন্যান্সিয়াল ওয়েবলিংক (সকল ব্যাংক সহ) - সািদক
- কিভাবে বড় সাইজের ফাইল মেইলের মাধ্যমে শেয়ার/সেন্ড করবেন - ঘুম নাই
- নবীনদের জন্য - নাদান
- শুভ বন্ধু দিবস..... - রানা
- প্রিময়িাম একাউন্ট ছাড়াই ডাউনলোড করুন RAPIDSHARE FILE !!!! - নিকলস স্বপ্ন
- WTF!!! আসুন সহজে খুঁজে বের করি ফন্ট!
- নাফিস ইফতেখার
- শেষ নবী মুহাম্মদ নূরের তৈরি। ইসলামি মিথ্ (৩) - ফারুক৫৫
- ওয়েব পেজের পূর্ণ স্ক্রিন শট নেয়া যখন এতটাই সহজ......!!! - তারেকবিডি
- একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করা - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (৪) - ত্রিভুজ
- সকল ব্লগারের ব্লগের লিংক (বিষয় :ইন্টারনেটে আয় ) - নিলআকাশেরদুঃখ
- অবাক হলাম!! সত্যি বিচিত্র জীবনযাপন!! - চাররঙা রঙিন-কষ্ট
- প্রিমিয়াম একাউন্ট ছারাই ফ্রী Rapidshar,Megaupload থেকে ফ্রী Download করুন - স্স্পরসের বাহিরে
- নোয়াখালীর ভাষা শিক্ষা --আই ই এলটিএস থেকে কম না ব্যাপারটা - শ।মসীর
- বাংলা বানান নিয়ে যারা সমস্যায় আছেন, তাদের জন্য - ত্রিভুজ
- শিক্ষার নামে! - পুরাতন
- একটা ই-মেইল এবং...নাহ্, এবং কিছু না, কেবল ই-মেইল ই... - আনিকা শাহ
- প্রেস জোকস-৪
- বিপ্লব রহমান
- ইন্টারভিউ - নষ্ট ভালোবাসা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- এক আল্লাহ , এক উৎস - ফারুক৫৫
- যে কোন সাইটে বাংলা অক্ষর ভাল ভাবে দেখার জন্য ইনস্টল করুন Font Fixer - মেঘবালক অর্ভনীড়
- অন্যের কম্পিউটারের তথ্য জেনে নিতে ইউজ করুন LANguard Network Scanner v.2.0 - বিপ্লব কান্তি
- আজ আপনার বয়স কত? সহজেই নির্ণয় করুন। - আদনান শামীম
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
- বিকল্প কিছু সার্চ ইঞ্জিন - নাসির খান
প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের ভ্রান্ত আক্বীদা ও তার খন্ডন (১)
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৮
প্রচলিত ৬ উছূলভিত্তিক তাবলীগ জামায়াতের লোকদের লিখিত কিতাবে এ কথা উল্লেখ আছে যে, মূর্খ হোক, আলিম হোক, ধনী হোক, দরিদ্র হোক, সকল পেশার সকল মুসলমানের জন্য তাবলীগ করা ফরজে আইন।
(হযরতজীর মালফুজাত-৪, পৃষ্ঠা-৭, অনুবাদক- মাওলানা ছাখাওয়াত উল্লাহ; তাবলীগ গোটা উম্মতের গুরু দায়িত্ব, পৃষ্ঠা-৫৬, অনুবাদক- ইসমাঈল হোসেন; তাবলীগে ইসলাম, পৃষ্ঠা-৩, লেখক- মাওলানা আব্দুস সাত্তার ত্রিশালী; পস্তী কা ওয়াহিদ এলাজ, লেখক- মাওলানা এহ্তেশামুল হাসান কান্দলবী, পৃষ্ঠা-২২)
----------------------------------------------------------------------------------
তাদের উপরোক্ত বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন জাগে, তাবলীগ করা কি- ফরজে আইন নাকি ফরজে কিফায়া? কেননা-
যে ইবাদত প্রত্যেকের জন্য আলাদাভাবে পালন করা ফরজ তা ফরজে আইন। যেমন- নামাজ, রোজা, ইত্যাদি। আর যে ইবাদত সমষ্টিগতভাবে পালন করা ফরজ অর্থাৎ যে ফরজ কাজ দেশবাসী, শহরবাসী,এলাকাবাসী বা কোন সম্প্রদায় থেকে একজন আদায় করলেই সকলের তরফ থেকে ফরজের হক্ব আদায় হয়ে যায় তা ফরজে কিফায়া। যেমন- কুরআনে হাফিজ হওয়া বা আলিম হওয়া, জানাযার নামাজ ইত্যাদি।
উপরোক্ত বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আরো একটি প্রশ্ন জাগে, তাবলীগ করা যদি ফরজে আইন হয়, তবে কার জন্য ফরজে আইন? এবং যদি ফরজে কিফায়া হয়, তবে কার জন্য ফরজে কিফায়া? আর যদি উভয়টাই হয়, তবে সেটাইবা কাদের জন্য?
মূলতঃ তাবলীগ করা ফরজে আইন ও ফরজে কিফায়া উভয়টাই। নীচে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ
তাবলীগঃ তাবলীগ শব্দের অর্থ হলো প্রচার করা। তাবলীগ সম্পর্কে আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন,
“তোমরা (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উম্মত হওয়ার কারণে) শ্রেষ্ঠ উম্মত, তোমাদেরকে মানুষের মধ্য হতে বের করা হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করবে এবং আল্লাহ পাকের প্রতি ঈমান আনবে।” (সূরা আল ইমরান ১১০)
উপরোক্ত আয়াত শরীফের মাধ্যমে আল্লাহ পাক তাবলীগ করা তথা সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের কথা বলেছেন। তবে সাথে সাথে আরো একটি শর্তও আরোপ করেছেন, সেটা হলো আল্লাহ পাক ও রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং দ্বীন সম্পর্কে যাবতীয় বিষয়ে সঠিক ও পরিশুদ্ধ ঈমান আনা অর্থাৎ তৎসম্পর্কে বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করা। অর্থাৎ তাবলীগ করতে হবে আক্বীদা শুদ্ধ রেখে।
সাধারণভাবে দ্বীন প্রচার করাকে তাবলীগ বলে এবং যিনি দ্বীন প্রচার করেন অর্থাৎ তাবলীগের কাজ করেন তাকে মুবাল্লিগ বা দ্বীন প্রচারক বলে।
তাবলীগ ও মুবাল্লিগের প্রকারঃ সাধারণতঃ ইসলাম বা দ্বীন দুইভাবে প্রচার করা হয়ে থাকে-
১) তাবলীগে আম বা সাধারণভাবে
২) তাবলীগে খাছ বা বিশেষভাবে
আবার তাবলীগের ধরণ অনুযায়ী দ্বীন প্রচারক বা মুবাল্লিগও দুইপ্রকার-
১) মুবাল্লিগে আম বা সাধারণ দ্বীন প্রচারক
২) মুবাল্লিগে খাছ বা বিশেষ দ্বীন প্রচারক
মুবাল্লিগে আম ও তার হিদায়েতের ক্ষেত্রঃ মুবাল্লিগে আম বা সাধারণ দ্বীন প্রচারকের দ্বীন প্রচার করতে বিশেষ কোন যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। শুধু দ্বীনি সমঝ বা বুঝ থাকলেই চলবে। তিনি বা তারা খাছ বা বিশেষভাবে যেমন ছেলে-মেয়ে, স্ত্রী, ভাই-বোন, ভাতিজা-ভাতিজী ও কর্মচারী তথা তার অধীনস্থ সকলকে দ্বীনি আমলের জন্য তথা দ্বীনদারী হাছিলের তাকীদ বা উৎসাহ প্রদান করবে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক কালামে পাকে ইরশাদ করেন,
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদেরকে এবং তোমাদের পরিবারবর্গকে আগুন (জাহান্নাম) থেকে বাঁচাও।” (সূরা তাহ্রীম ৬)
আর হাদীস শরীফে রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,
“সাবধান! তোমরা প্রত্যেকেই (নিজের অধীনস্থদের ব্যাপারে) রক্ষক এবং প্রত্যেকেই তার রক্ষিত বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।” (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত, ফতহুল বারী, ওমাদাতুল ক্বারী, তাইসীরুল ক্বারী, এরশাদুস্ সারী, মিরকাত, লুমায়াত ইত্যাদি)
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো ইরশাদ করেন,
“তোমরা আমার থেকে একটি আয়াত (হাদীস) হলেও তা (মানুষের নিকট) পৌঁছে দাও।” (বুখারী, ফতহুল বারী, ওমাদাতুল ক্বারী, তাইসীরুল ক্বারী, এরশাদুস্ সারী)
অন্য হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, তখন হযরত সাহাবা কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ আরজ করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা নিজেরা পুরোপুরিভাবে আমল করবো, ততক্ষণ পর্যন্ত কি আমরা সৎ কাজের আদেশ দিব না? অথবা যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা সমস্ত খারাবী হতে ক্ষান্ত হবো, ততক্ষণ পর্যন্ত কি অসৎ কাজে নিষেধ করবো না? সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- “না, বরং তোমরা সৎ কাজের আদেশ দান করবে, যদিও তোমরা নিজেরা পুরোপুরিভাবে আমল করতে না পার। তদ্রুপ মন্দ কাজে নিষেধ করবে, যদিও তোমরা নিজেরা পুরোপুরিভাবে বেঁচে থাকতে না পার।” (তিবরানী শরীফ)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন, “দ্বীন হচ্ছে নছীহত স্বরূপ।”
হযরত সাহাবা কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ জিজ্ঞাসা করলেন, কাদের জন্য? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আল্লাহ পাকের জন্য এবং আল্লাহ পাকের প্রিয় রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্য এবং মুসলমানের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের জন্য এবং সাধারণ মুসলমাদের জন্য।” (মুসলিম শরীফ, শরহে নববী, ফতহুল মুলহিম)
উপরোক্ত আয়াত শরীফ ও হাদীস শরীফসমূহ মুবাল্লিগে আম ও মুবাল্লিগে খাছ উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। অর্থাৎ এর হুকুম কারো জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। কাজেই যারা মুবাল্লিগে আম, তারা তাদের দায়িত্ব ও ক্ষেত্র অনুযায়ী উপরোক্ত হাদীস শরীফের আমল করবেন। আর যারা মুবাল্লিগে খাছ, তারাও তাদের দায়িত্ব ও যোগ্যতা এবং ক্ষেত্র অনুযায়ী উপরোক্ত হাদীস শরীফের উপর আমল করবেন।
অতএব প্রত্যেক মুবাল্লিগে আম-এর জন্য তার ক্ষেত্র হচ্ছে- তার অধীনস্থগণ। যাদেরকে তার তরফ থেকে দ্বীনের জন্য তা’লীম দেয়া ও তাকীদ করা দায়িত্ব ও কর্তব্য। অর্থাৎ এটা হচ্ছে তাবলীগে খাছ, যা করা- মুবাল্লিগে আম-এর জন্য ফরজে আইনের অন্তর্ভূক্ত। (তাফসীরে মায্হারী, রুহুল বয়ান, ফতহুল ক্বাদীর, খাযিন, বাগবী, কুরতুবী, ইবনে কাছীর, কবীর)
মুবাল্লিগে খাছ ও তার হিদায়েতের ক্ষেত্রঃ মুবাল্লিগে খাছ বা বিশেষ দ্বীন প্রচারক, মুবাল্লিগে আম-এর মত নয় অর্থাৎ তিনি কেবল তার অধীনস্থদেরই নয় বরং তিনি আমভাবে সকল উম্মতকেই হিদায়েত করার উপযুক্ত। পক্ষান্তরে মুবাল্লিগে আম কেবল তার অধীনস্থদেরই বলার যোগ্যতা রাখে।
আর যারা মুবাল্লিগে খাছ বা বিশেষ দ্বীন প্রচারক, তাঁদের সম্পর্কে আল্লাহ পাক বলেন,
“তোমাদের মধ্যে এমন একটি সম্প্রদায় হওয়া জরুরী, যারা (মানুষকে) কল্যাণ-এর (কুরআন-সুন্নাহ তথা ইসলামের) দিকে ডাকবে এবং সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করবে, আর তারাই মূলতঃ কামিয়াব।” (সূরা আল ইমরান ১০৪)
অর্থাৎ তাঁকে অবশ্যই দ্বীনি বিষয়ে বিশেষ যোগ্যতার অধিকারী হতে হবে এবং ইল্মে ফিক্বাহ ও ইল্মে তাসাউফে বিশেষ দক্ষতা তথা ফরয, ওয়াজিব ও সুন্নত পরিমাণ ইল্ম, আমল এবং ইখ্লাছ হাছিল করতে হবে।
এ সম্পর্কে আল্লাহ পাক বলেন,
“কেন তাদের প্রত্যেক ক্বওম বা ফিরক্বা থেকে একটি দল বের হয়না এজন্য যে, তারা দ্বীনি ইল্মে দক্ষতা অর্জন করবে এবং তাদের ক্বওমকে ভয় প্রদর্শন করবে, যখন তারা তাদের নিকট প্রত্যাবর্তন করবে। আশা করা যায়, তারা বাঁচতে পারবে।” (সূরা তওবা ১২২)
আর আল্লাহ পাকের রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
“তোমরা দ্বীনি ইল্ম শিক্ষা কর এবং মানুষকে তা শিক্ষা দাও।” (দারেমী, দারে কুত্নী, মিশকাত, মিরকাত, শরহুত ত্বীবী, তালীকুছছাবী, আশয়াতুল লুময়াত, লুময়াত ইত্যাদি)
মূলতঃ যাঁরা মুবাল্লিগে খাছ, তাঁদেরকে অবশ্যই উলামায়ে হক্কানী-রব্বানী হতে হবে। আর হক্কানী-রব্বানী আলিমগণের প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ইরশাদ করেন,
“নিশ্চয়ই বান্দাদের মধ্যে আলিমগণই আল্লাহ পাককে ভয় করেন।” (সূরা ফাতির ২৮)
এ আয়াত শরীফের তাফসীর হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহিকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “যার মধ্যে যতবেশী আল্লাহ ভীতি রয়েছে, তিনি তত বড় আলিম।”
আর হাদীস শরীফে রয়েছে,
“(জিজ্ঞাসা করা হলো) আলিম কে? উত্তরে বললেন, যাঁরা ইল্ম অনুযায়ী আমল করেন। পুণরায় জিজ্ঞাসা করলেন, কোন্ জিনিস আলিমের অন্তর থেকে ইল্মকে বের করে দেয়? তিনি বললেন, লোভ (দুনিয়ার সম্পদ, সম্মান ইতায়দি হাছিলের আকাঙ্কা)।” (দারেমী, মিশকাত, মিরকাত, মুজাহিরে হক্ব, শরহুত ত্বীবী, তালীক, আশয়াতুল লুময়াত ইত্যাদি)
অর্থাৎ যিনি ইল্ম অনুযায়ী আমল করেন, তিনিই হক্কানী-রব্বানী আলিম। কাজেই যিনি ইল্ম, আমল ও ইখলাছ হাছিল করেছেন, তিনিই হক্কানী আলিম, আর তিনিই নবী আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালামগণের ওয়ারিছ। যাঁদের শানে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
“আলিমগণ হলেন- আম্বিয়া আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালামগণের ওয়ারিছ বা উত্তরাধিকারী।” (আহমদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ, ইবনে মাযাহ, মিশকাত, মিরকাত, শরহুত্ ত্বীবী, বজলুল মাজহুদ, উরফুশ্ শাজী, তালীক)
অর্থাৎ আম্বিয়া আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালামগণের দাওয়াত ও তাবলীগ, তা’লীম ও তালক্বীন এবং হিদায়েতের ক্ষেত্র যেমন আম বা ব্যাপকভাবে উম্মদের প্রতি প্রযোজ্য, তদ্রুপ যাঁরা মুবাল্লিগে খাছ, তাঁরা আম্বিয়া আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালামগণের ওয়ারিছ হওয়ার কারণে তাঁদেরও দাওয়াত ও তাবলীগ, তা’লীম ও তালক্বীন এবং হিদায়েতের ক্ষেত্র আম বা ব্যাপকভাবে উম্মদের প্রতি প্রযোজ্য। আর এ আম তা’লীম ফরজে কিফায়ার অন্তর্ভূক্ত। যা অতীতে ও বর্তমানে উলামায়ে হক্কানী-রব্বানীগণ তাছাউফ শিক্ষা দিয়ে, মাদ্রাসায় পড়িয়ে, মসজিদে ইমামতি করে, কিতাবাদী লিখে, ওয়াজ-নছীহত করে ইত্যাদি নানানভাবে দাওয়াত ও তা’লীম-তালক্বীন দিয়ে হিদায়েতের কাজ করে মুবাল্লিগে খাছ-এর দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে, তাবলীগে আম-এর (ফরজে কিফায়ার) ও তাবলীগের খাছ-এর (ফরজে আইনের) খেদমতের আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন।
মুবাল্লিগে আম-এর জন্য তাবলীগে আম করার হুকুম এবং মুবাল্লিগে খাছ-এর যোগ্যতা ও তাবলীগে আম-এর শর্তঃ
স্মরণীয় যে, যারা মুবাল্লিগে আম অর্থাৎ যাদের জন্য তাবলীগে খাছ করা ফরজে আইনে, তাদের জন্য কোনক্রমেই এবং কষ্মিনকালেও তাবলীগে আম বা ব্যাপকভাবে দ্বীন প্রচার করা (যা মুবাল্লিগে খাছ তথা উলামায়ে হক্কানী-রব্বানীগণের জন্য নির্দিষ্ট তা) জায়েজ নেই।
এ প্রসঙ্গে হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত রয়েছে যে, একদিন এক লোক তাঁর সাক্ষাতে আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি কি কর?” সে জাওয়াব দিল, দ্বীন প্রচার করি। তখন তিনি তাকে বললেন, “তুমি কি ঐ সকল আয়াত শরীফের আমল করেছ?” যা কুরআন শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে-
(১) সূরা ছফ-এর ২য় আয়াত শরীফে আল্লাহ পাক বলেন,
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা যা করনা, তা কেন বল?”
“তুমি কি এ আয়াত শরীফের আমল করেছ?” সে জাওয়াব দিল, না।
(২) তিনি আবার বললেন যে, আল্লাহ পাক সূরা বাকারার ৪৪তম আয়াত শরীফে বলেছেন,
“তোমরা কি মানুষকে সৎ কাজের আদেশ কর, আর নিজেদের ব্যাপারে ভূলে যাও? অথচ তোমরা কিতাব তিলাওয়াত করে থাক।”
“তুমি কি এ আয়াত শরীফের আমল করেছ?” সে জাওয়াব দিল, না।
(৩) পুণরায় তিনি বললেন, তুমি কি ঐ আয়াত শরীফের আমল করেছ? যা হযরত শুয়াইব আলাইহিস সালাম তাঁর ক্বওমকে বলেছিলেন,
“আমি এটা চাইনা যে, তোমাদেরকে যে কাজ থেকে নিষেধ করি, আমি তার খিলাফ করি। অর্থাৎ আমি যা বলি, তা করি আর যা বলিনা, তা করিনা।” (সূরা হুদ ৮৮)
“তুমি কি এ আয়াত শরীফের আমল করেছ?” সে জাওয়াব দিল, না।
তখন হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তাকে বললেন, “তুমি প্রথমে এ আয়াত শরীফসমুহের আমল কর, অতঃপর তুমি দ্বীন প্রচারের কাজে নিজেকে নিয়োজিত কর।”
অর্থাৎ উপরোক্ত আয়াত শরীফের আমল ব্যাতিরেকে তাবলীগে আম করা জায়িজ নেই।
উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা এই প্রমাণিত হলো যে, তাবলীগে খাছ, মুবাল্লিগে আম ও খাছ উভয়ের জন্যই ফরজে আইন। মুবাল্লিগে আম বা সাধারণ লোকদের জন্য তাবলীগে আম করা কখনোই শুদ্ধ হবে না বরং তাদের জন্য তা করা সম্পূর্ণ নাজায়িজ ও হারাম হবে। আর তাবলীগে আম শুধুমাত্র মুবাল্লিগে খাছ তথা হক্কানী আলিমগণের জন্যই প্রযোজ্য, যা তাঁদের জন্য ফরজে কিফায়ার অন্তর্ভূক্ত।
কেননা এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন,
“সকল মু’মিনদের জন্য একসাথে কোন কাজে বের হওয়া উচিৎ নয়।” (সূরা তওবা ১২২)
ইমাম-মুজতাহিদ তথা আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ এই আয়াত শরীফ থেকে উছূল বের করেছেন যে, মু’মিনদের জন্য সমষ্টিগতভাবে কোন কাজ করা ফরজে আইন নয় বরং তা ফরজে কিফায়ার অন্তর্ভূক্ত। (তাফসীরে মায্হারী, রুহুল মা’য়ানী, রুহুল বয়ান, ফতহুল ক্বাদীর, আশশাফ, হাশিয়ারে সাবী, যাদুল মাসীর, খাযিন, বাগবী, কুরতুবী, কবীর, ইবনে কাছীর ইত্যাদি)
অর্থাৎ মুসলামানদের জন্য যেসব কাজ সমষ্টিগতভাবে করতে হয়, সেটা ফরজে কিফায়ার অন্তর্ভূক্ত। তা কখনো ফরজে আইন নয়, যা উপরোক্ত আয়াত শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে।
অতএব, যদি কেউ বলে- মূর্খ হোক, আলিম হোক, ধনী হোক, দরিদ্র হোক, সকল পেশার সকল মুসলমানের জন্য তাবলীগ করা ফরজে আইন। তবে তা সম্পূর্ণই কুরআন-সুন্নাহ ও ইজমা-ক্বিয়াসের খিলাফ বা পরিপন্থী হবে। আর ফরজে কিফায়াকে ফরজে আইন বলাও হারাম ও কুফরীর নামান্তর, যা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই ওয়াজিব।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): তাবলীগ, আক্বীদা, জামাত ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইসলাম বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: চেষ্টা করব। ধন্যবাদ
নো ব ডি বলেছেন:
ভালো ভাবে জানার আগে মন্তব্য করা কিংবা সমালোচনা ঠিক নয়। আমি মনে করি আপনার আরো জানার প্রয়োজন আছে। হয়তোবা ভুল ভেঙ্গে যাবে। তবে নিরপেক্ষ দৃষ্টি আবশ্যক। ভালোই লেখছেন,ধন্যবাদ।।
লেখক বলেছেন: এখানে আমি কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের রেফারেন্স দিয়ে আলোচনা করেছি। সুতরাং এটা অবশ্যই নিরপেক্ষ দৃষ্টিভিত্তিক আলোচনা। ধন্যবাদ।
ইবনে সালাম বলেছেন:
যদি কেউ বলে- মূর্খ হোক, আলিম হোক, ধনী হোক, দরিদ্র হোক, সকল পেশার সকল মুসলমানের জন্য তাবলীগ করা ফরজে আইন। তবে তা সম্পূর্ণই কুরআন-সুন্নাহ ও ইজমা-ক্বিয়াসের খিলাফ বা পরিপন্থী হবে। আর ফরজে কিফায়াকে ফরজে আইন বলাও হারাম ও কুফরীর নামান্তর, যা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই ওয়াজিব। একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
উমর বলেছেন:
"তাবলীগী ভাইয়েরা এসে গেল ব্লগে
ভেসে গেলে তুমি মাইনাসেরই বন্যায়
তাই বলে কি সত্য প্রকাশে
চুপ করে বসে থাকা যায়।"
লেখক বলেছেন: সুন্দর কাব্যিক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
কানা বাবা বলেছেন:
ফর্জে আঈন অর কিফায়া যা-ই হৌক হেইটা ভিন্ন জিনিশ্... আগে কন দেকি খোদ তাবলীগ সম্পক্কে আপ্নের ধারোনা কিতা... হুনি...
লেখক বলেছেন: **ব্লগটা ভালভাবে পড়ুন আমার তাবলীগ সম্পর্কে কী ধারণা তা বুঝতে পারবেন**
** আমি অবশ্যই তাবলীগের পক্ষে কিন্তু তা শরীয়তের খেলাফ হতে পারবেনা**
**যেটা ফরজে আইন সেটাকে ফরজে আইন হিসেবে মানতে হবে আর যেটা ফরজে কিফায়া সেটাকে ফরজে কিফায়া হিসেবে মানতে হবে।**
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
মানি-শেখ বলেছেন:
ভাই আমি তাবলীগ সমর্থন করি,.........( আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ).....আল্লাহ তায়ালা আপনাকে দীর্ঘায়ু হায়াত দান করুক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নিভৃত পথচারী বলেছেন:
@মানি-শেখ ঃ তাবলীগতো সমর্থন করতেই হবে। তবে তা অবশ্যই হতে হবে হুজুর পাক (সঃ) এর প্রদর্শিত উপায়ে। মাওলানা ইলিয়াসের চিন্তাধারা কর্মপদ্ধতি অনুযায়ী নয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিভৃত পথচারী
মাসুদ রশিদ বলেছেন:
মাওলানা ইলিয়াস প্রচলিত তাবলীগ সন্ন্যাসবাদের সমর্থক কিন্তু মুহম্মদ (সঃ) এর প্রচলিত ধর্ম ব্যবস্থা সন্ন্যাসবাদ বিরোধী।
লেখক বলেছেন: সহমত
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন:
নিভৃত পথচারী বলেছেন: @মানি-শেখ ঃ তাবলীগতো সমর্থন করতেই হবে। তবে তা অবশ্যই হতে হবে হুজুর পাক (সঃ) এর প্রদর্শিত উপায়ে। মাওলানা ইলিয়াসের চিন্তাধারা কর্মপদ্ধতি অনুযায়ী নয়।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত।
চিমটি বলেছেন:
আপনি এখানে কোনটা করছেন, তাবলিগে আম নাকি তাবলিগে খাস ?আপনি কি মুবাল্লিগে আম না মুবাল্লিগে খাস ?
আপনি কি তাবলিগ করবার যোগ্যতা হাসিল করেছেন?
আপনি যে দাওয়াত দিচ্ছেন আমাদের, মুসলমানদের নাকি আমাদের কাফের মনে করে দিচ্ছেন ?
লেখক বলেছেন: আমি এখানে তাবলিগে খাস করছি।
আমি মুবাল্লিগে আম ও মুবাল্লিগে খাস উভয়টি।
আমি তাবলিগ করবার যোগ্যতা হাসিল করেছি।
আপনারা যদি হারামকে হারাম আর হালালকে হালাল জানেন তবে মুসলমান হিসেবে আর যদি হারামকে হালাল আর হালালকে হারাম জানেন তবে কাফের মনে করে দাওয়াত দিচ্ছি।
বিডি আইডল বলেছেন:
তাবলীগের দুর্বল হাদীস নিয়ে অনেকেরই এলার্জি আছে...বিশেষ করে সৌদি আরব বা মিশরে যারা কোরান-হাদীসের উপর পড়াশোনা করেন...সৌদি প্রবাসী এক বিজ্ঞ লোকের সাথে এই নিয়ে আমার বিস্তর ডিবেট হয়েছিল...বটম লাইন ছিল দাওয়াতের জন্য রাসুল বাতলানো পদ্ধতি কি? সেটা বাদ দিয়ে মাওলানা ইলিয়াসের স্বপ্নে পাওয়া পদ্ধতি কেন অনুরসরণ করতে হবে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















ভাই সাহেব, দেওয়ানবাগী আর আটরশির পীরদের নিয়ে পোষটানতো।