অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী transparency report
সত্য প্রকাশে দৃঢ় প্রত্যয়ী
আর এস এস ফিড

আমার বিভাগ

জনপ্রিয় মন্তব্যসমূহ

আমার প্রিয় পোস্ট

দেওবন্দের কাছিম নানুতবীই কাদিয়ানী ফিৎনার মূল প্রতিষ্ঠাতা এবং দেওবন্দ মাদ্‌রাসা কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের সূতিকাগার

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬ |

শেয়ারঃ
0 0

বর্তমানে মুসলমানদের ছুরতে ইসলামের মধ্যে যে ফিৎনাগুলো (শিয়া, ওহাবী, রাফেজী ইত্যাদি) বিরাজমান তার মধ্যে চরম ভয়ঙ্কর ফিৎনা হচ্ছে কাদিয়ানী ফিৎনা। মূলত পাঞ্জাবের “কাদিয়ান” নামক গ্রামে ১৮৩৫ সালে জন্ম গ্রহণকারী ব্রিটিশের দালাল মির্জা গোলাম আহমদকে যদিও কাদিয়ানী মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়, কিন্তু তাকে এই মতবাদ প্রতিষ্ঠায় প্ররোচিত করে ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা কাছিম নানুতবী। এই কাছিম নানুতবী দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠার ৭ বছর পর ১৮৭৪ সালে ‘তাহ্‌যীরুন্নাছ’ নামক একটি গ্রন্থ রচনা করে; যার ২৫ পৃষ্ঠায় সে কুরআন শরীফ-এর সূরা আহযাব-এর ৪০ নম্বর আয়াত শরীফ-এ বর্ণিত ‘খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন'-এর ব্যাখ্যায় উল্লেখ করে যে, “খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন অর্থ হলো মূল নবী। অন্যান্য নবীগণ ছিলেন সাময়িক নবী। যারা খাতামুন্‌ নাবিয়্যীন-এর অর্থ শেষ নবী বলে তারা জাহিল ও মূর্খ। নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগে বা সর্বশেষে আসার মধ্যে কোন ফযীলত নেই। ফযীলত হলো মূল নবী হওয়ার মধ্যে। তার পরে যদি ১০০০ নবীরও আগমন মেনে নেয়া হয়, তাতেও হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর খতমে নুবুওয়াত-এর কোনরূপ তারতম্য হবে না।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক!
কাছিম নানুতবীর বাতলে দেয়া এই পথ ধরে ১৯০৫ সালে মির্জা গোলাম কাদিয়ানী নবী দাবি করে বসে। পরবর্তিতে গোলাম কাদিয়ানীকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে যে, “মাওলানা কাছিম নানুতবী ছাহেব তো তার ‘তাহ্‌যীরুন্নাছ’ গ্রন্থে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পরে ১০০০ নবীর আগমনের সম্ভাবনা স্বীকার করে নিয়েছে। সুতরাং আমি (কাদিয়ানী) একজন নবী দাবি করাতে দোষ কোথায়? আরো তো ৯৯৯ জন দাবি করতে পারে।” নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক!
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, কাদিয়ানী সমপ্রদায়ের মূল প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে দেওবন্দের কাছিম নানুতবী, আর মির্জা গোলাম কাদিয়ানী তার রূপদানকারী। এখন মির্জা গোলাম কাদিয়ানী যদি আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণের ফতওয়া মুতাবিক কাফির হয়, তাহলে কাছিম নানুতবীর ব্যাপারে ফায়ছালা কি হবে? এর সহজ জাওয়াব একই হবে।
শুধু তাই নয়, কাছিম নানুতবীর এই কাদিয়ানী সূতিকাগার তথা দেওবন্দ মাদ্‌রাসা হতে যে সমস্ত মাওলানা পয়দা হয়েছে তাদের অনেকেরই লিখিত গন্থে কুফরী-শিরকীর অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায়, যা কোন মুসলমানের পক্ষে ধারণা করাও অসম্ভব। পরিশেষে ২০০৯ সালের নভেম্বর মাসে দেওবন্দ মাদ্‌রাসার বার্ষিক অনুষ্ঠানে হিন্দু যোগী রামদেবের কাছে দীক্ষা নেয়ার মধ্যে দিয়ে তাদের মুখোশ পরিপূর্ণরূপে উন্মোচিত হয়েছে এবং প্রকাশ পেল যে, দেওবন্দীরা মুশরিক।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): দেওবন্দকাদিয়ানী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইসলাম  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


মন্তব্য দেখা না গেলে - CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্স, ক্রোম, অপেরা, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

৪১টি মন্তব্য

 

সকল পোস্ট     উপরে যান

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন