
আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে ৭ টা চুক্তির বিনিময়ে মিসেস গান্ধী এদেশের মুক্তি যুদ্ধে মিত্র বাহিনী হিসেবে সৈন্য দিয়েছিলেন- দেখুন এবং পরবর্তী চুক্তির জন্য ভাবুন কত উপকার না তারা করে ছিল ???
ভারত আমাদের সাথে কোন পজিটিভ চুক্তি করতে পারে না। তাদেরকে আমরা বিশ্বাস করি না ...। কারণ দেখুন যে ৭ টা চুক্তির বিনিময়ে মিসেস গান্ধী এদেশের মুক্তি যুদ্ধে মিত্র বাহিনী হিসেবে সৈন্য দিয়েছিলেন- .........
১। ভারতীয় সমরবিদদের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে আধা সামরিক বাহিনী গঠন করা হইবে। গুরুত্বের দিক হইতে এবং অস্ত্রশস্ত্রে ও সংখ্যায় এই বাহিনী বাংলাদেশের মূল সামরিক বাহিনী হইতে বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ হইবে। (পরবর্তীকালে এই চুক্তির আলোকে রক্ষী বাহিনী গড়া হয়)........।
২। ভারত হইতে সমরোপকরণ অস্ত্রশস্ত্র ক্রয় করিতে হইবে এবং ভারতীয় সমরবিদদের পরামর্শানুযায়ী তাহা করিতে হইবে........।
৩। ভারতীয় পরামর্শেই বাংলাদেশের বহিঃবাণিজ্য কর্মসূচী নির্ধারণ করিতে হইবে....।
৪। বাংলাদেশের বাৎসরিক ও পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ভারতীয় পরিকল্পনার সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হইতে হইবে.....।
৫। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতির অনুরূপ হইতে হইবে.......।
৬। ভারত-বাংলাদেশ চুক্তিগুলি ভারতীয় সম্মতি ব্যতীত বাতিল করা যাইবে না.....।
৭।ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধের পূর্বে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ভারত যে কোন সময় যে কান সংখ্যায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করিতে পারিবএ.........।
স্বাধীনতার পরে শেখ মুজিবকে যখন ইন্দিরা গান্ধী এই চুক্তিগুলো তার সামনে তুলে ধরলেন, তখন তিনি তা মানেন নাই ......।। উল্টো তিনি ও আই সি সম্মেলনে ভাষন দেন- " আমাকে কেউ ভয় দেখাবেন না, আমারা বাংলাদেশ কারো দয়ার দান না, আমার দেশের মানুষ বুকের রক্ত দিয়ে এ দেশ স্বাধীন করেছে, তা অন্য কারো গোলামী করার জন্য নয়। এ দেশ পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম মুসলিম দেশ, এ পরিচয়েই বাচবে।"
এর পর শেখ মুজিব খুন হলেন। বোদ্ধারা বলেন ঐ গোলামী চুক্তি (মুজিব নগর সরকার স্বাক্ষরিত) সুতরাং সরকারকে উপরের বেদবাক্যগুলো স্মরণ করিয়ে বলতে চাই, ভারতকে বিশ্বাস করা কঠিন । যা করবেন, মেধা , মগজ খাটিয়ে করবেন। নয়তো বিপাকে পড়বে .........।।
সুত্র : Facebook

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



