আমার প্রিয় পোস্ট
৫০টির বেশি বাংলা ইবুক এর ডাউনলোড লিঙ্ক এক পোস্টে! 
- ডিজে আরিফ রক্স
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা - ৫৩ (যাত্রা - ভঙ্গ, নির্মলেন্দু গুণ । ব্লগার নীপবন এর জন্য ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- প্রস্থানে একাই দাঁড়াও বোবাকাহিনী - চিটি (হামিদা রহমান)
- আমার দেশ ইস্যুতে সুশীল চুলকানী - পি মুন্সী
- বাচঁতে হলে জানতে হবে -১৯ - রাজীব নুর
- ~ প্রিয় যত পোস্ট ২ ~ [আপডেটেড] - জনৈক আরাফাত
- জাফর ইকবাল স্যারের যত বই, প্রায় ৬৪টি বই ডাউনলোড করুন এদম ফ্রী - বখতিয়ার হোসেন
- লহ প্রণাম - দীপান্বিতা
- এ পর্যন্ত যাঁরা একুশে পদক পেয়েছেন-২ - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- নির্বাণ - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- ভাষা আন্দোলনের স্বজাতীয় ভিলেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৫ - ত্রিশোনকু
- গল্পঃ শাদা বিবেক কালো বিবেক - ভাঙ্গন
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর- শেষ পর্ব - রাগ ইমন
- আসেন আবার পড়ি : ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি করি - অমি রহমান পিয়াল
- মৃত্যুই কি মুক্তির সমাধান? ...কখনো নয় - খালেদ সময়
- রণেশ দাশগুপ্তঃ সাহিত্যিক, সাংবাদিক, মার্ক্সবাদী রাজনৈতিক কর্মী - শেখ রফিক
- ছোট্ট এক ডিভাইস মোবাইল কম্পানিগুলোর জন্য সত্যিকারের হুমকি হয়ে উঠতে যাচ্ছে! - ফিউশন ফাইভ
- আমি জুয়াড়ী - কালপুরুষ
- ইবনে সিনা - জটিল মানুষ
- গল্প : সম্মুখ সমর - ইমন জুবায়ের
- জীবনে যা পড়েছি-৯ (আল মাহমুদের কবিতাসমগ্র) - তায়েফ আহমাদ
- কবির গন্তব্য - আবু মকসুদ
- একটা ক্যামেরার ফ্লিম আর একজন স্বপ্নবাজ - তারিক মাহমুদ (তারিক)
- প্রসঙ্গ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারঃ তাবৎ প্রতিশ্রুতির পালা সাঙ্গ হলে/বাস্তবায়ন আদৌ হবে! কবে? আর কবে! তৃষিত চেতনা ওঠে বলে - আইরিন সুলতানা
- মীরাবাঈ: আরেক পাগলিনী রাই - ইমন জুবায়ের
- আমার স্মৃতি ও অনুভবে মুক্তিযুদ্ধের গান (১ম পর্ব) - সুনীল সমুদ্র
- জামায়াতে ইসলামীকে কেন নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হবে না? - সীমানা ছাড়িয়ে
- প্রত্নতাত্ত্বিকের দিনলিপি: আফ্রিকার গণিত, আফ্রিকার স্বাধীনতা - ম্যাভেরিক
- আজ সামহোয়্যার ইন ব্লগ - নোটিশবোর্ড
- হায় পলাশীঃ - জুল ভার্ন
- বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা – ৯ - এস. এম. রায়হান
- আমি এভাবেই বাংলাদেশকে আপন করেছি আত্মায় মিলিয়ে.......... - সজল শর্মা
- আধুনিক এটমিক তত্ত্বের জনক জন ডাল্টন, না কি স্বয়ং আল্লাহ? - নাস্তিকের ধর্মকথা
- সুন্দর বনের মুন্ডাপল্লীর বৈচিত্রময় সাংস্কৃতি-- - সামছা আকিদা জাহান
- পাখির আত্মহত্যা - জনৈক আরাফাত
- মিশরের পুরা-গল্প-২ - অদ্বিতীয়া সিমু
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি :: আর্দ্রতা মাপার বিশেষ স্যাটেলাইট এসএমওএস এখন কক্ষপথে - অমাবশ্যার চাঁদ
- গণমানুষের সংবিধান, মুক্তিসংগ্রামের সূর্যছটা - ফকির ইলিয়াস
- আমার বন্ধু শামসুর রাহমান - রাকিবুল হক ইবন
- আমি বাঙালী, আমি মানুষ, আমি মুসলমান- একবার মরে, দুইবার না… - অমি রহমান পিয়াল
- নীলিমা ইব্রাহিমঃ শিক্ষকতা ও সাহিত্য চর্চার এক অনন্য নাম - শেখ রফিক
- আল ফারাবির দর্শন ও বাংলার বাউলের গান - ইমন জুবায়ের
- প্রাচীন বাঙলার শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্কর - ভাবসাধক
- কমরেড প্রসাদ রায়ঃ খাপড়াওয়ার্ডে ৯টি গুলিবিদ্ধ হয়েও যিনি বেঁচেছিলেন - শেখ রফিক
- আম্রপালী - সজল শর্মা
- কমিউনিটি সেন্টারঃ - জুল ভার্ন
- একজন প্রবাসীর আত্মজৈবনিক কথন - আবু মকসুদ
- কারাগার অথবা বিষন্ন চোখগুলো...! - ভাঙ্গন
- সন্তুর কলাকারঃ পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা এবং রাহুল শর্মা - সজল শর্মা
- বৃটিশ গুপ্তচরের স্বীকারোক্তি এবং ওহাবী মতবাদের নেপথ্যে বৃটিশ ভূমিকা-৮ - তুষারপাত
- ট্রেড ইউনিয়ন ও টেন্ডার : যেভাবে পুঁজিপতিদের উদরপূর্তি করে - ফকির ইলিয়াস
- টিনএজ প্রেমে বিপত্তিঃ - জুল ভার্ন
- প্রাচীন হুরিয়ান সভ্যতা - ইমন জুবায়ের
- মুক্তগদ্য: মুনিয়ার ঠোঁটে আঙুল রেখে আমিও হতে পারি নদী - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- ইরোম শর্মিলা ঃ এক বিপ্লবী কবির জীবনপণ লড়াই (My Body My Weapon) - ভিন্ন চিন্তা
- প্রসঙ্গঃ জামাত-শিবির - শেখ রফিক
- ছবি ব্লগ : যে যুদ্ধটা একাত্তরে শেষ হয়নি - অমি রহমান পিয়াল
- ১০০ % নারী বিষয়ক ইমোটিকন, আমি আঁকছি
- মোজাম্মেল প্রধান
- ফুটপাতের শিশুঃ - জুল ভার্ন
- মধ্যপ্রাচ্যের প্রাচীন ইতিহাস: এশিরিয় সভ্যতা - ইমন জুবায়ের
- জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন... - অমি রহমান পিয়াল
- আলোর জন্য মানুষের তৃষ্ণা - ফকির ইলিয়াস
- গল্প: অন্ধকার পুতুল - ইমন জুবায়ের
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর একটি সাক্ষাতকার - ফকির ইলিয়াস
- লুলদা আর আমি দুজনেই কিন্তু কবি - জইন
- শাজাহান সাজুর মা মারা গেছেন......... - মাহবুবা আখতার
- চোরকাঁটার লুল কাব্য
- চোরকাঁটা
- হোসেইনী ব্রাহ্মণ (কারবালার যুদ্ধে অংশ নেওয়া ভারতের এক ক্ষুদ্র ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়) - সজল শর্মা
- যে লেখাগুলো প্রিয়তে নেয়া হয়নি... - ভেবে ভেবে বলি
- ছেড়া পাতা (১) - ক্যামেরাম্যান
- মুক্তগদ্য: ছায়ানদ এবং কবির আত্মবিস্মৃত উত্তর - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- পাথরে স্বাধীনতা সংগ্রামঃ ভাস্কর্য্যে মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস-৩ - জুল ভার্ন
- পাথরে স্বাধীনতা সংগ্রামঃ-ভাস্কর্য্যে মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস-২ - জুল ভার্ন
- যে সব কারণে ক্যাথলিক চার্চ ইতালিও দার্শনিক জিওদার্নো ব্রুনোকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছিল ... - ইমন জুবায়ের
- পাথরে স্বাধীনতা সংগ্রামঃ ভাস্কর্য্যে মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।-১ - জুল ভার্ন
- ছেলেটির সিনেমাটিক স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়েছিল আইসক্রীম প্রেমী মেয়েটি - শ।মসীর
- জ্ঞানী-নির্বোধ কিংবা নির্বোধ-জ্ঞানীর গল্প - ম্যাভেরিক
- অতঃপর আড্ডা নিয়ে একটি পদ্য... - সুনীল সমুদ্র
- পোশাকে নারী ----শালীন????!!!! - সামছা আকিদা জাহান
- ঈদের জন্যে এসএমএস সমগ্র... - বৃষ্টি এবং নীলা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- অতঃপর, শূন্য দশমিক পাঁচ (গল্প) - হিমালয়৭৭৭
- আমার বন্ধুরা ... (পর্ব-১) - দীপান্বিতা
- আমার ছোটবেলার মাঠ - সৈয়দ আফসার__১৯৭৯
- ডায়েরির ছেঁড়া পাতা - হারুন আল নাসিফ
- গত নির্বাচনে ভোটারদের ‘সত্যাগ্রহের’ অপ্রকাশিত কিছু সত্য - ফারুক ওয়াসিফ
- পরিত্যক্ত ইতিহাস: পরিশিষ্ট - কালিদাস কবিয়াল
- লাজ - কাজল রশীদ
- দোঁহা শতক - হারুন আল নাসিফ
ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করো
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০২
ধর্ম ব্যক্তিগত, আধ্যাত্মিক ব্যাপার। রাজনৈতিক অঙ্গনে এটিকে টেনে আনলে ধর্মেরই অবমাননা হয়। আসুন রাজনীতিকে ধর্মনিরপেক্ষ করি এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করার দাবীতে সোচ্চার হই।
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ওবায়েদ বলেছেন:
আগে জানতে চাই, আপনি কোন দেশী এবং আপনি কি মুসলমান?
লেখক বলেছেন: হায় হায় রাজাকারটা কয় কি! মওদুদী , গোলাম আজম কি মুসলমান? ইমান টিখ রাইখা কইন তো দেখি।
লেখক বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ সাম্যবাদী ।
মোঃ ইউসুফ তালুকদার বলেছেন:
ইসলামে রাজনীতি জায়েজ............ আপনি যদি অজ্ঞ হয়ে থাকেন তাহলে সঠিক ভাবে কুরআন বুঝুন................
লেখক বলেছেন: ভাই কোরানকে বিকৃত ব্যাখ্যা দিয়ে মওদুদী গং-রা রাজনৈতিক ফায়দা তুলেছে। এদের বই পত্র পড়ে বিভ্রান্ত হবেন না। ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং পরিপূণূভাবে ধর্মনিরপেক্ষতা সমর্থন করে। তাই কোরানে বলা হয়েছে-
তোমার জন্য তোমার এবং আমার জন্য আমার ধর্ম।
অচেনাসময় বলেছেন:
ধর্ম নিয়ে ক্ষমতার রাজনীতি ধর্ম ব্যবসায়ীরা বরাবরই করেনির্বাচনের সময় বেহেশতে যাওয়ার টিকেটও বিক্রি করে।
ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ হলে তো এদের ব্যবসায়ই বন্ধ হয়ে যাবে !!!
লেখক বলেছেন: সহমত।
ওবায়েদ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হায় হায় রাজাকারটা কয় কি! মওদুদী , গোলাম আজম কি মুসলমান? ইমান টিখ রাইখা কইন তো দেখি।আমি যা জানতে চাইছি তা না বলে, পিছলানোর কি দরকার ছিলো........
লেখক বলেছেন: আমার ব্যক্তি পরিচয় গুরুত্ব নয়। আমার মতামত পছন্দ না হলে কেন পছন্দ হয়নি সে কথা বলুন।
পল্লী বাউল বলেছেন:
একমত।
লেখক বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ।
নিউজকাস্টার বলেছেন:
রাজনীতির মত অপবিত্র জায়গায় ধর্ম আনলে জনগণের উপকারই হবে।
লেখক বলেছেন: রাজনীতির মত অপবিত্র জায়গায় ধর্ম আনলে জনগণের উপকারই হবে।
সায়েমুজজ্জামান বলেছেন:
আপনি নাকি ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। আপনার জ্ঞানের বহর দেখে লজ্জিত হলাম। জামায়াত আর ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি এক নয়। কুলাংগার জামাত ইসলামকে ব্যবহার করে। ইসলাম থেকে রাজনীতিকে পৃথক করা যায়না। আপনি কতটুকু ইসলাম সম্পর্কে জানেন আমি জানিনা। এটা করতে গেলে যুদ্ধাপরাধিরা লাভবান হবে।
লেখক বলেছেন: ইসলাম কখনো ধর্মকে রাজনীতির সাথে মেশানোর পক্ষপাতি নয়। ইসলাম কখনো ধর্ম পালনে জোর জবরদস্তি করে না। ভারতবর্ষে শ্রেষ্ঠ যুগ ছিল মুসলমান মোগল সম্রাট আকবরের কাল। আকবর কিন্তু তার রাজ্য শাসন ধর্মনিরপেক্ষ চেতনাতেই করেছিলেন। ইসলাম মানুষের কল্যাণের জন্যই এবং ধর্মনিরপেক্ষতাই মানুষের সর্বাধিক কল্যাণ।
ইসলাম একটি গতিশীল ধর্ম এবং ইজতিহাদের মাধ্যমে বর্তমান যুগের ইসলাম কি হবে তার স্বরূপ নির্ধারণ করা যায়।
ধর্মকে রাজনীতিতে টেনে আনার কারণেই জামাত এবং অন্যান্য ভন্ড ইসলামি দল তৈরী হয়েছে। সমাজে এই ভন্ডদের নিপাতের জন্যই প্রয়োজন আইনগতভাবে ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করা।
লেখক বলেছেন: প্রত্যেক ধর্মের উদ্দেশ্য এক, মানুষের মানবিক গুণাবলীকে সমৃদ্ধ করা। ধর্মকে রাজনীতিতে টেনে আনলে চলে ধর্মে ধর্মে রেষালেষি, মারামারি। তাই আসুন রাজনীতিতে ধর্মকে নিষিদ্ধ করি এবং সংবিধানের ৮-ম সংশোধনী বাতিল করি।
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন:
ইসলাম কোন স্যকুলারিসম না, প্রত্যেক ধর্মের উদ্দোশ্য এক, এই কথা নাস্তিকদের বুঝাইতে পারবেন। ইসলাম আর হিন্দুইস্ম এক কথা না, ইসলাম আর বোদ্ধইসম এক কথা না। ইসলাম আর ফিলসফি এক কথা না, ইসলাম আর ক্রিস্টানিটি অথবা নাস্তিকতা এককথা না।
লেখক বলেছেন: মনটাকে উদার করেন। ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং সহজ সরল পথ (সিরাজুন মোস্তাকিম)। আপনার এ কথায় মুহাম্মদ (স
-ও বিরক্ত হতেন। মানুষের কল্যাণই ইসলামের লক্ষ্য। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করাকে ইসলামই হারাম করেছে।
তর্ষ বলেছেন:
এ ধরনের পোস্ট করার জন্য তাজা(মোস্ট ফালতু) কলমকে বাংলাদেশ থেকে ব্যান করে উনার আপন দেশ ভারতে পাঠানো দরকার হাচিনা আপার লগে থাকবোনি।ভারতের দালাল কোথাকার আইছে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করতে।পারে না াল ফালাইতে উনি ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করতে অরজিনাল ছাগল।
লেখক বলেছেন: আরে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানেন না কিছু। খোলাফয়ে রাশেদিনের আমলেও কাউকে রাজ্য থেকে বের করে দেয়া হয়নি। জেল-জরিমানা হয়েছে। কিন্তু আল্লাহ্-র অলীরা অনেক ভিন্নমতীদের ব্যাপারে অনেক সহনশীল ছিলেন। মুসলমানরা যুদ্ধজয়ী হয়েও ভিন্নধর্মাবলীদের কখনো মারধোর করেনি কিংবা তাদের উপাসনাগারও ভেঙে দেয়নি। মুসলমানদের দরকার অশেষ ধৈর্য। অতীতে ইসলামের বিজয়ের কারণ মুসলমানদের ধর্ম নিরপেক্ষ চেতনা। আসুন আমরা সেই চেতনা ফিরিয়ে আনি।
ধ্রুব তারা বলেছেন:
@ফুয়াদ: ধর্ম নিয়ে কথা বলার আগে নিদেনপক্ষে নামটা জানা দরকার। বোদ্ধ বলে পৃথিবীতে কোন ধর্ম নেই।
লেখক বলেছেন: সহমত।
মুশফিক- রহমান বলেছেন:
akbor ki islamer idol?amder idol amder prophet muhamad(pbuh),tini ki korcen?seta dekhan,tohole bughte parben.al madina vercity ebong al-ajhar vercity tir scoler der kotha sunen,islame razniti somporke age porasuna koren,tarpore lekhen.jamat ki islamer idol?jamat ke deke zodi islam sekhen tahole to apni boka.islam kuran o sunnah thake seken,deken sunnate razniti soporke koto kotha leka ace.
লেখক বলেছেন: রাজনীতে ইসলাম টেনে আনলে ভাই তো এটিই সমস্যা। কোনটি আসল ইসলাম? মওদুদির ইসলাম? আল ক্বায়েদা ইসলাম, ইমাম গাজজ্বালীর ইসলাম? সুফিদের ইসলাম? কোরআন হাদিছের উপর ভিত্তি করেই ইসলামের বিভন্ন ব্যাখ্যা হয়েছে। মানুষ তাই বিভ্রান্ত। ধর্মের মূল উদ্দেশ্য আধ্যাত্মিক, আত্মা বা নফসকে পরিশুদ্ধকরণ। আসুন আমরা ধর্মের মূল উদ্দেশ্যে ফিরে যাই।
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন:
ধর্ম বলতে অনেক ধর্ম আছে।প্রশ্ন-১: আপনি কোন ধর্মটি সবচেয়ে ভালো বুঝেন? সেই ধর্ম অনুসারে আপনি বিশ্লেষণ করে দেখান যে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি সেই ধর্মে নিষিদ্ধ।
প্রশ্ন-২: কাল মার্কস, মাউসেতুং প্রমুখ ব্যাক্তিত্বতের থিওরি মেনে যে সব রাজনীতি হয় সেগুলো কি বন্ধ করতে চান?
প্রশ্ন-২: ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বাদ দিলে মুজিব আদর্শ বা জিয়া আদর্শ এগুলো বাদ দিব না কেন?
টু দ্যা পয়েন্টে আলোচনা করবেন আশা করি.............আলোচনা অনেক দূর পর্যন্ত চালাতে ইচ্ছুক আমি।
লেখক বলেছেন: ধর্ম রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করেছে এ কথা তো আমি বলিনি। মূলত: রাজনীতিবিদরা প্রায় ক্ষেত্রেই ধর্মকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে রাজনীতিতে স্বার্থ উদ্ধার করছে। বিশ্বে ধর্মের কারণে যে পরিমান রক্ত ঝরেছে সে পরিমান রক্ত অন্য কোন কারণে ঝরেনি। ধর্মকে ব্যক্তি পর্যায়ে রাখলে এই অনাহুত রক্তপাত ঘটতো না।
কাল মার্কস, মাউসেতুং প্রমুখ ব্যাক্তিত্বতের থিওরি মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরী করেনি। এগুলো কেন নিষিদ্ধ হবে?
সাকীব বলেছেন:
"প্রত্যেক ধর্মের উদ্দেশ্য এক, মানুষের মানবিক গুণাবলীকে সমৃদ্ধ করা।"খুবি খাটি কথা বলেছেন ভাই।
তবে আপনার মূল প্রস্তাবনার সাথে অমত পোষন করিতেছি।
"ইসলাম কখনো ধর্ম পালনে জোর জবরদস্তি করে না।"
আপনি কেন তাহলে আমার একটা মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে চান। ইসলাম তো আমার সম্পত্তি না। দুঃখজনক হলেও সত্য এটা আপনারো সম্পত্তি না। আমি আমার রাজনৈতিক বিশ্বাসের মূল চেতনা হিসাবে কোন আদর্শ গ্রহন করবো তা আপনি কেন ঠিক করে দেবেন ভাই? গণতন্ত্র এবং প্রগতিশীল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইলেই তো হবেনা, এর মূলনীতি গুলাও মানতে হবে। ইসলামের নামে ধোকা দিচ্ছে অনেকে, ভাল কথা। অন্য মতবাদের নামে কী ধোকা দেয়া যায়না? লিবারাল ডেমোক্রেসি বা সমাজতন্ত্রের নামেও তো ধোকা দেয়া যায়। এগুলাও নিষিদ্ধ করেন। মানুষই নিষিদ্ধ করে দেন, সমস্যা আসলে মানুষের। ইসলাম - অ-ইসলাম দিয়ে কিছু আসে যায় না।
লেখক বলেছেন: জার্মানে নাৎসিবাদ কেন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল? ওটিও তো একটা মতবাদ। একাত্তরের ঘাতক রাজাকারদের চিন্তা-ভাবনা একটা মতবাদ। তা বলে কি ওগুলোকেও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে?
মানুষের জীবনে যদি রাজনীতির প্রয়োজন না থাকে, তাহলে রাজনীতিতে ধর্মের দরকার নেই। কিন্তু যদি মানুষের জীবনে রাজনীতি জড়িত থাকে এবং সেখান থেকে যদি আপনি ইসলামকে বাদ দিতে চান, তবেকি ইসলামকে পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা বলা যায়?
নাকি এটাও বলবেন, ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা নয়?
লেখক বলেছেন: এটা আপনার বিশ্বাসের কথা। সবাই তা মনে করে না।
লেখক বলেছেন: আপনার ধর্ম আপনাকে উদার হতে শিক্ষা দিক, তরবারী হাতে জ্বেহাদ করতে নয়! ধর্ম যদি মানুষের মানবিক গুণাবলী বিকাশে সাহায্য না করে সেই ধর্মকে ধিক শত ধিক। এজন্য ধর্মকে রাজনীতির সাথে মেষানোর দরকার হয় না।
তর্ষ বলেছেন:
খোলাফয়ে রাশেদিনের আমলেও কাউকে রাজ্য থেকে বের করে দেয়া হয়নি। জেল-জরিমানা হয়েছে। কিন্তু আল্লাহ্-র অলীরা অনেক ভিন্নমতীদের ব্যাপারে অনেক সহনশীল ছিলেন। মুসলমানরা যুদ্ধজয়ী হয়েও ভিন্নধর্মাবলীদের কখনো মারধোর করেনি কিংবা তাদের উপাসনাগারও ভেঙে দেয়নি। মুসলমানদের দরকার অশেষ ধৈর্য। অতীতে ইসলামের বিজয়ের কারণ মুসলমানদের ধর্ম নিরপেক্ষ চেতনা। আসুন আমরা সেই চেতনা ফিরিয়ে আনি।খুব ভাল বললেন।পড়ে ভাল লাগল এই লেখার জন্য।
আমার ধর্ম নিয়ে জ্ঞান যে নাই তা আপনি কোন কথায় বললেন।
বাংলাদেশ একটি মুসলিম রাষ্ট।বাংলাদেশে যা কিছু করতে চায় ইসলামের সাহায্য নিয়ে করতে হবে।ইসলাম কে বাইরে রেখে কিছুই করার সামর্থ্য এদেশের কারও নাই।কারন মানুষ সব সহ্য করলেও ধর্মের উপর আঘাত সহ্য করবে না।এর বিপরীতে গেলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ছাড়া কিছু আশা করা উচিত হবে না।আমি না হয় ইসলাম সম্পর্কে কমই জানলাম আপনি জেনে এ কথা কিভাবে বললেন ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করতে।ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বলতে বাংলাদেশে তো ইসলামের রাজনীতিকেই বুঝায়েছেন কারন এছাড়া বাংলাদেশে কোন ধর্ম সরাসরি রাজনীতির সাথে যুক্ত।তবে এ কথা সত্যি ধর্মের নামে অনেকে অতীতেও এবং আজ নিজের আখের ই যোগার করেছে।ইসলাম কি রাজনীতি নিষেধ করে।যেখানে ইসলাম করে সেখানে আপনি কেন বন্ধ করতে চান।
আসেন আমরা নিজ ধর্মটা নিজে পালন করতে শিখি যারা এটাকে অবলম্বন করে স্বার্থ উদ্ধার করছে তাদের বয়কট করি।পুরো ব্যবস্থাকে না।নিশ্চই মাথা ব্যাথা হলে আপনি আপনার মাথা কেটে ফেলবেন না।তবে...
আর এই ব্যবস্থা বন্ধ করে কাদের আপনি রাজনীতি করতে বলছেন যাদের কোন ধর্ম নাই।ভাই আপনাকে ছোট হিসেবে একটা কথা মনে করিয়ে দিতে চাই ধর্ম ছাড়া এই পৃথিবীতে কেউ সঠিক মানুষ হতে পারে না।ধর্ম হচ্ছে জীবন ব্যবস্থা আর ইসলাম সে তো পুণাঙ্গ ধর্ম।শেষে একটা কথা বলি যদিও ভো্টটা ভাসমান ভোটার হিসেবে নৌকাতে দিয়েছিলাম
কিন্তু এই ধর্ম বিষয়টা নিয়েই এই সরকারের পতন ঘটবে।ভারতের মালুরা হাচিনা আপারে বাচাইতে পারবে না।
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভাই কোরান শরীফটা একটু বুইঝা পইড়েন। এটা বুঝতে পারবেন আপনিই বুঝবেন ধর্মকে রাজনীতির সাথে জড়ানো যে একটা ইসলাম বিরোধী কাজ।
কগচডড বলেছেন:
আপনি যদি বলতেন শিবির-জামাত রাজনীতি নিষিদ্ধ করার কথা, তাহলে সহ মত দিতাম। কিন্তু আপনি ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। তাই মাইনাস।
লেখক বলেছেন: আরে ভাই সামুত গণতন্ত্র আছে, মাইনাস দেন যতখুশী । কিন্তু আমার যৌক্তিক মতামত বলতেও বাধা নেই।
পন্ডিত বলেছেন:
ধর্মকে রাজনীতিতে টেনে আনে মুলত অধার্মিক ধর্ম ব্যবসায়ীরা ।
লেখক বলেছেন: সহমত।
ফকির ইলিয়াস বলেছেন:
কিছু অর্ধ শিক্ষিত রাজাকাররা যা কইলো , তাতে দাবীটা আরো জোরালো হওয়া দরকার, ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চির অবসান চাই ।
লেখক বলেছেন: ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চির অবসান চাই।
সহমত।
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন:
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বলতে আপনি কি বুঝেন?এদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল কোনগুলো বলে আপনান ধারনা?
লেখক বলেছেন: যে দলগুলো ধর্মকে পূজিঁ করে রাজনীতি করে সেগুলোই ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল। যেমন জামাত-শিবির, জেএমবি, ইত্যাদি।
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন:
ফকির ইলিয়াস।ভারতের দালালি কেমন চলছে?
লেখক বলেছেন: অন্যের ব্লগে এসে তৃতীয় একজনকে গালিগালাজ দেয়া অভব্যতারই পরিচায়ক ভাই।
লেখক বলেছেন: সব সমস্যার সমাধান না হলেও ধর্মের নাম ব্যবহার করে জনগণকে ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার দিন তো শেষ হবে!
মাসুদ রানা* বলেছেন:
আসল ঘটনা অন্যদিকে। ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার ব্যাপারটা যে ইসলাম ধর্মকেই আঘাত করার জন্যে তাতে কোনো সন্দেহ নাই। ইসলাম ধর্মকে নাস্তিক টাইপের লোকেরা খুবই ভয় পায় আর সেটা বহু বছর আগে থেকেই। কারণ আমাদের দেশে ধর্ম টিকে থাকলে এরা কুকর্ম কিভাবে করবে? মেয়েদের নিয়ে ব্যবসা বানিজ্যতো করা যাচ্ছে না। এইসব ছাগলের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। এরা পশ্চিমা স্টাইলে চলতে চায়। এই সব মানুষরুপী ছাগলদের এখন খুবই দাপট। কারণ সবারই জানা। আরে মানুষরুপী ছাগলের দল, জামায়াত ইসলাম যদি তোদের ভালো না লাগে, তাইলে শুধু এই দলটারে নিষিদ্ধ কর। আমরাতো কোনো আপত্তি করবো না। কিন্তু ধর্মকে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করার কথা একজন মুসলমান হয়ে কি করে বলিস সেটাইতো বুঝি না। সত্যিকারের ইসলামটা রাজনীতিতে নিয়ে আসলে বরং রাজনীতি আরো উপকৃত হবে সেটা তোদের মতো রামছাগলেরা কোনোদিনই বুঝবি না।
লেখক বলেছেন: ধর্ম যে মানুষকে ধর্মান্ধ করে তা আপনার মন্তব্যের ভাষাতেই প্রতিফলিত। আপনি আমাকে তুই তোকারী করে কথা বলছেন কারণ আপনার কোন সবল যুক্তি নাই।
কোন ইসলাম বলে নারায়েত তকবির- আল্লাহ্ আকবর বলে মানুষের উপর ঝাপিয়েঁ পড়তে! এ দেশে ৯০ ভাগ মুসলমানই উদারনীতিতে বিশ্বাসী-- সৌদির অশিক্ষিত-গোয়ারদের মতোন ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে না। সত্যিকার ইসলামের অনুসারী বাংগালী মুসলমানরাই। ইসলাম রাষ্ট্রনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষতা সাপোর্ট করে এবং বাংগালী মুসলমানরা তাই চায়।
সাকীব বলেছেন:
ইসলাম এবং হিটলার আপনার কাছে এক মনে হলে আপনাকে যৌক্তিক ভাবে তা প্রমান করতে হবে। দুঃখিত, আপনি আমার কোন প্রশ্নের ই উত্ত্র দেন নাই।
লেখক বলেছেন: আপনার সীমাবদ্ধতার কারণে আমার যুক্তি ধরতে পারেননি। ধর্ম যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আসে তখনই মানুষ হয় ধর্মান্ধ। ধর্মান্ধ থেকে মানুষকে মুক্ত করতে হলে রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
সেলিম৬২৫১ বলেছেন:
"রাজনীতির মত অপবিত্র জায়গায় ধর্ম আনলে জনগণের উপকারই হবে।"---নিউজকাস্টার বলেছেন:আমাদের দেশে ধর্ম মেনে কোন রাজনৈতিক করে এমন কোন দল নেই।
যদি ধর্ম মেনে রাজনীতি করা হত তাহলে মিথ্যচার, কাদাছুরাছুরি, চুলাচুলি , রগকাটা কিছুই থাকত না।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ(সঃ)ও রাষ্ট্র পরিচালনা করতেন। আর তখন ছিল জহেলিয়াতের যুগ।
আর আমরা নাকি আজকে মডার্ন !!!!!!!!!!!!!!! ছিঃ!! ছিঃ!! ছিঃ!! ছিঃ!!
লেখক বলেছেন: ধর্মের উদ্দেশ্য তো আর রাজনীতি নয়। মানুষের কল্যাণ সাধন এবং মানবিকতার বিকাশই ধর্মের মূল উদ্দেশ্য। ধর্মকে মোল্লা পুরুতেরা রাজনীতিতে টেনে এনে এর বারোটা বাজিয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অমাবশ্যার চাঁদ ।
রোদেলা খাতুন বলেছেন:
সামাজিক সত্য হলো যে, ধর্ম থেকে রাজনীতিকে আলাদা করা যাবে না। ধর্মের ব্যবহার কিছু কমানো যাবে - এই হলো যুক্তিসঙ্গত। পৃথিবীর কোথাও কোনো রাজনীতি দল নেই যেখানে ধর্মের প্রভাব নেই। এটা অস্বীকারও করা যাবে না।ব্যক্তি যেহেতু ধর্ম পালন করে সেই ব্যক্তিই আবার রাজনীতিও করে, অভ্যাস সঙ্গে সঙ্গে হাঁটে। এই চরম সত্য।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখুন। আওয়ামী লীগকে ধরে নিলাম আপাদত সেক্যুলার পন্থী দল যেহেতু তার সঙ্গেও জোট বেধেছেন সেক্যুলারপন্থীরা। কিন্তু আওয়ামী লীগ-প্রধান মাথায় পট্টি দিয়ে ভোট গুনতে নামেন। অন্যদিকে ধর্মপন্থী দলগুলো নিয়ে খালেদা রাজনীতি করেন, তার কিন্তু মাথায় পট্টি বাধতে হয় না। এখন বলবেন হাসিনার ধর্মীয় আচরণ ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু এটিকে তিনি কৌশলে রাজনীতিতে ব্যবহার করেন। এসব হলো বাস্তবতা।
বৃটেনে, স্পেন, জার্মানী, আমেরিকা এসব দেশগুলোতে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু চার্চ থেকে হয়। আমরা কিন্তু সহজভাবে নিয়েছি। যেহেতু মানুষ চার্চ-বিশপ তথা ধর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেই মানুষ রাজনীতি-রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এখন গায়ের জোরে কীভাবে একে মুক্ত করবেন?
সময় সহায় হোক।
লেখক বলেছেন: আমার প্রথম প্রস্তাবনা, ধর্ম রাজনীতিতে ব্যবহৃত হলে মানুষ হয় ধর্মান্ধ। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় ধর্মের কারণেই পৃথিবীতে যুদ্ধ, রক্তপাত, প্রাণহানি হয়েছে সবচেয়ে বেশী । এটি বন্ধ করতে হলে অবশ্যই ধর্মকে রাজনৈতিক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
ইউরোপ-আমেরিকায় সামাজিক জীবনেই ধর্মের প্রভাব নেই বললেই চলে। তবে আপনার উল্লেখিত চার্চ থেকে নির্বাচন প্রচারণা কিন্তু ব্রিটেনে আমার ৭ বৎসর বসতকালে দেখিনি বা শুনিনি।
আপনার সংগে সহমত খুব তাড়াতাড়ি মানুষের মানসিকতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। কিন্তু এ ব্যাপারে আমাদেরকে সোচ্চার থাকতে হবে এখন থেকেই।
হাসিব মীর বলেছেন:
'ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় ধর্মের কারণেই পৃথিবীতে যুদ্ধ, রক্তপাত, প্রাণহানি হয়েছে সবচেয়ে বেশী ।'বিংশ শতাব্দীর যুদ্ধ, রক্তপাত, প্রাণহানি র একটা তালিকা করেন ত দেখি ধর্মের কারনে কয়টা হয়েছে আর সেকুলার ইউরোপে কতটা হয়েছে?
আবু সালেহ বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় ধর্মের কারণেই পৃথিবীতে যুদ্ধ, রক্তপাত, প্রাণহানি হয়েছে সবচেয়ে বেশী ।
আপনার এ কথার সাথে একমত হতে পারলাম না.....সেই সাথে শিরোনামের সাথেও...
লেখক বলেছেন: সব কিছুতেই যে একমত হতে হবে তার তো কোন কারণ নাই। ধন্যবাদ সালেহ ভাই মন্তব্যের জন্য।
ডিজিটালভূত বলেছেন:
মুসলামদের রাজনীতি ধর্মভিত্তিক হওয়া উচিত। আদর্শের দিক দিয়ে যারা ইয়াতীম বা দাস-দাসী চরিত্রের তারাই ধর্মহীন রাজনীতির দাবী করে।
লেখক বলেছেন: ইসলাম নিয়ে রাজনীতি করা কিন্তু ইসলামই বারণ করে। কোরআনটা ভাল করে হৃদাঙ্গম করুন, তা হলেই আসল সত্য বুঝতে পারবেন। ধর্মনিরপেক্ষতা আর ধর্মহীনতা এক বিষয় নয়।
শুভ সকাল বলেছেন:
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা সুখের নয়। ধর্মকে ব্যবহার করে কিভাবে একটি জাতিকে ধ্বংস করা যায় সেটা মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা দেখেছি। এজন্য যুদ্ধ শেষে বাংলাদেশের নতুন সংবিধানে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আলেমদের অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে শুধু নিজেদের পরকালের জীবনটাকে ঠিক ঠাক করার জন্য। ইহকালীন রাজনীতির বিষয়ে তারা হুজুরদের উপর খুব বেশি ভরসা করে বলে মনে হয়না। নির্বাচনে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর ফলাফল থেকে বিষয়টি বোঝা যায়। জামাত ইসলামী বি এন পি র সাথে জোট করে গত দুটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তা না হলে জামাতের পক্ষে ভাল ফল করা সম্ভব হতনা। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতিবিদগণ নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য দেশের মানুষের মধ্যে একটা ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছেন যে বিপন্ন ইসলামকে রক্ষা করতে না পারলে পরকালে কঠিন সাজা পেতে হবে। এই ভয় তাদের জনসভায় ব্যপক জনসমাগমে সাহায্য করছে এর বেশি কিছু নয়। আর তাছাড়া এই শ্রেণীর রাজনীতিবিদদের মধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনা করার মত অভিজ্ঞ দক্ষ লোক আছে বলেও মনে হ্য়না। তাদের আদর্শ হল আফগানিস্তান। এদের মনোভাব ভালভাবে বোঝার জন্য মাসিক আল কাউসার, মাসিক আল কলম পড়ুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
পুরোপুরি সহমত, ধর্ম এদের পকেট ভরার সহায়ক, কোন আদর্শ নয়!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্নকথক সহমত প্রকাশের জন্য।
বাবর মোহাম্মদ বলেছেন:
সমর্থন দিলাম..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ল্যাটিচুড বলেছেন:
লেখক কে বলছি - আপনার ব্যাক্তিগত পরিচয় জানার কোন আগ্রহ নাই । শুধু বলুন যে আপনি মালাউন কিনা?যদি মালাউন( বে-ধর্মী) হন তাহলে তো আপনার ধর্ম নিয়ে রাজনীতির ব্যাপারে আলোচনা করার অধিকার নাই।
আর আপনি যদি কোন ধর্মের হন তাহলে আপনি ধর্ম নিরাপক্ষ হলেন কিভাবে? আর আপনার দ্ধারা কিভাবে ধর্ম নিরাপক্ষ রাজনীতি করা সম্ভব?
সুতারং আপনারা যখন বলেন "আসুন রাজনীতিকে ধর্মনিরপেক্ষ করি এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করার দাবীতে সোচ্চার হই।"
তখন আমরা যারা একটু লেখা পড়া জানি ছাড়া, অন্য কারো কথায় শুধু হু হু বলার অভ্যাস নাই তাদের এই সব কান্ড দেখে হাসা ছাড়া উপাই কি ?
২২ নং কমেন্টে দেখুন সেখানে ফকির ইলিয়াসের বলেছেন " কিছু অর্ধ শিক্ষিত রাজাকাররা যা কইলো , তাতে দাবীটা আরো জোরালো হওয়া দরকার, ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চির অবসান চাই ।"
এই ফকির লোকটার কর্ম কান্ড দেখে মনে হয় সে পুরেপুরি অশিক্ষিত। শুধুমাত্র রাজাকারদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য এই লোক - "ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চির অবসান চাই" বলে হিন্দু , বোদ্ধ , খৃষ্টানদেরও রাজনীতি করার অধিকার হরণ করতে চাচ্ছে।
(মুসলমানদের কথা নাই বললাম - কারন এসব অশিক্ষিতদের কাছে মুসলিম মানেই রাজাকার)।
লেখক বলেছেন: আপনি নামে মুসলমান হলেও কার্যত: ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানেন না তা আপনার মন্তব্যেই সুষ্পষ্ট। কোরআন বা হাদিসের কোথায় আছে ভিন্নধর্মীদের মালাউন বলে সম্বোধন করার কথা? ইসলাম মূলত: শান্তির ধর্ম এবং সে ধর্ম মানুষের আখলাক বা আদব কায়দা শেখায়। রসুল্লাহ্ (স
-এর মদীনা সনদ পড়েছেন? না পড়ে থাকলে পড়ে দেখবেন আশা করি। এটিই হল ইসলামের দৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষতাকে কতোটুকু গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তার সনদ। ইসলাম ধর্মে কট্টরপন্থীদের কোন স্থান নেই। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতেও ইসলাম উৎসাহিত করে না।
ইসলাম সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমে কোরাআনকে ভালভাবে পড়ুন। বিশিষ্ট ইসলামিক পন্ডিত যেমন ইমাম গাজ্জালী এবং অন্যান্য সুফীদের লেখা পড়ুন। মওদুদী বা জামাত পন্থীদের কিছু চটি বই পড়ে বিকৃত ইসলামই জানবেন।
আল্লাহ আপনার সহায় হউন।
ল্যাটিচুড বলেছেন:
ধর্ম নিরাপক্ষতা এটা হাস্যকর শব্দ। এই শব্দটি শুধু ধর্মহীনদের ব্যাপরেই প্রযোজ্য হতে পারে।এখানে অনেক অনেকেই ধর্ম নিরাপক্ষতার পক্ষে ফেনা তুলে ফেলছেন। আপনাদের জন্য এটি প্রশ্ন -
হিন্দু মুসলিম দাঙ্গার সময় তাদের বাড়ীর গৃহ পালিত পশু গুলোও হামলার শিকার হয়। পশুরা তো সম্পূর্ন ধর্ম নিরাপক্ষ, তাহলে তারা কেন মারা পড়ে?
আসলে ধর্ম নিরাপক্ষতা বলে কিছু নাই থাকবেও না । হয় আপনি কোন ধর্মের পক্ষে নয়তো নাস্তিকের পক্ষে।
সেজন্যই আপনি মুসলমানের ঘরে জন্ম নিলে আপনার গরু ছাগল দরজা কপাট পর্যন্ত আপনার পক্ষে। আবার হিন্দু, বোদ্ধ, খৃষ্টান অথবা নাস্তিকের ঘরে জন্ম নিলে আপনি ও আপনার সবক্ছি আপনার পক্ষে।
লেখক বলেছেন: ধর্ম নিরপেক্ষতা আর ধর্মহীনতা এক নয় সে কথা বুঝতে শিখুন। আওরঙ্গজেবকে বাদ দিলে মোটামোটি মোঘল আমলেই এ উপমহাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা চলে। আবার মোঘল আমলেই ইসলাম ধর্মের উৎকর্ষতা লাভ করে। ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে জনগণের ধর্ম চর্চায় রাষ্ট্র নাক গলাবে না। যে কোন ভিন্ন মতালম্বী জনগোষ্ঠীও তাদের ধর্মচর্চা করতে পারবে নির্দ্বিধায়, যতক্ষণ পর্যন্ত না তা জনগণের জন্য ক্ষতিকর হোক। মোদ্দা কথা, ঐশ্বরিক ধর্ম নিয়ে রাষ্ট্র কোন আইন প্রণয়ন করবে না। ধর্মভিত্তিক গোষ্ঠীগুলোও রাজনীতি করা থেকে বিরত থাকবে।
ভাই আবারো বলছি, মতামতের কারণে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা ইসলাম সম্মত নয়।
দোয়া করছি, আপনি সত্যিকার মুসলমান হউন।
আল্লাহ আপনার সহায় হউন।
বাঙ্গাল বলেছেন:
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কি একজন ধর্মভিত্তিক রাজনিতীবিদ ছিলেন না? পোষ্টে মাইনাস বুইঝা নেন।
লেখক বলেছেন: হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) রাজনৈতিক ছিলেন তা সত্য। কিন্তু তার রাজনৈতিক কর্মপন্থা ছিল সম্পূর্ণ ধর্ম নিরপেক্ষ। দয়া করে তার শাসনামলের ইতিহাস মনযোগ দিয়ে পড়ুন। মওদুদীবাদিদের সস্তা যুক্তিতে গা ভাসিয়ে দেবেন না।
আল্লাহ আপনার সহায় হউন।
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন:
ভাই আপনি এই সব আবোল তাবোল কথা রাখেন।মার্কসবাদী বিশ্বাস করেন, আবার বলেন ধর্ম নিরপেক্ষতা।
মুহাম্মদ (স) এর আদর্শের রাজনীতি মুসলিমদেশগুলোতে আছে, থাকবে।
লেখক বলেছেন: ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি ইসলামসম্মত। মুসলমান হিসেবে কোরান ভালভাবে পড়েন, তাহলেই বুঝতে পারবেন এ প্রস্তাবনার যথার্থতা।
বাংগালী মুসলমানরাই মুহাম্মদ (স
-এর সঠিক আদর্শের অনুসারী। মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশ নয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যে মসজিদে মসজিদে রাজতন্ত্র বিরোধী কোরানের আয়াত নিষিদ্ধ আছে সে কথা কি আপনি জানেন? রাজতন্ত্র তো ইসলাম সাপোর্ট করে না। আপনিই বলুন মুহাম্মদেরর (দ
আদর্শ ধরে রেখেছে সেরূপ একটি দেশের নাম।
আল্লাহ আপনাকে ইসলাম সম্পর্কে জানার তওফিক দিন।
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন:
আপনি ভাই ইসলাম জানেন কিছু?? নিজেই এখন উল্টা হয়ে ধর্মকে ব্যবহার শুরু করে দিলেন।আপনি ভাই হয় ইসলাম জানেন না, নতুবা রাজনীতি কি তা জানেন না।
ইসলামের পাতায় পাতায় মানুষের অধিকার অর্জন করার জন্যে রাজনীতি রয়েছে।
হাস্যকর কথাবার্তা আরম্ভ করেছেন।
কাম-অন ম্যান: রাজনীতি বলতে আপনি কি বুঝেন? ডিফাইন্ড প্লীজ।
লেখক বলেছেন: সত্যিকার ইসলাম হলো আধ্যাত্মিক ব্যাপার। নিজের নফসকে পরিশুদ্ধ করা। জ্বেহাদ মানে প্রচলিত অর্থে তলোয়ার নিয়ে ভিন্নধর্মীদের উপর ঝাপিয়ে পড়া নয়। জ্বেহাদ হল নিজের সাথে যুদ্ধ করা। ধর্মকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে রাখাই ইসলামের মূল উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু ক্ষমতার মোহে একটি দল সত্যিকার ইসলামকে রাজনীতির প্রাঙ্গনে টেনে এনে কলুষিত করেছে। এ থেকে ইসলামকে বের হয়ে আসতে হবে।
আসুন মুসলমান হিসেবে আমরা সত্যিকার ইসলাম জানি এবং প্রতিষ্ঠিত করি আমাদের অন্তরে।
আল্লাহ আপনার সহায় হউন।
একজন সূফীবাদের লেখা বই-এর লিঙ্ক দিলাম, এখান থেকে পুরোটা পড়তে পারেন, বা অন্ততঃ ১৫৩-১৫৮ পৃষ্ঠা আপনাকে পড়তে অনুরোধ করছি যেখানে বিভিন্ন স্তরের শাসকদের বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
Click This Link)InHistoricalTruth(Court)-MuftiTaqiUsmani.pdf
আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি উপরে উল্লেখিত কোন স্তরের বৈশিষ্ট্য আপনি আমাদের শাসক শ্রেণীর কাছে দেখতে চান?
আপনার পড়ার আগ্রহ বাড়ার জন্য একটু তথ্য দিচ্ছি, এ বইটি মাওলানা মওদুদীর একটি বইয়ের সমালোচনা করে লেখা, বইটি পড়লে আপনার সময় নষ্ট হবে না আশা করছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাজনীন। মুফতি তাকি উসমানির বইটি পড়া আছে। আমি চাই সত্যিকার মানবিক গুণ বৈশিষ্ট ন্যায়পরায়ন শাসক। ধর্ম বিশ্বাসে সে হিন্দু, মুসলিম বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান বা নাস্তিক যাই হোক না কেন।
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন:
@লেখক: আপনি বলছেন: সত্যিকার ইসলাম হলো আধ্যাত্মিক ব্যাপার। এই দর্শন নিয়া আপনি আইছেন ভাই? ধর্ম কি , ইসলাম কি এসব আপনার সত্যিই শেখা লাগবো।
আপনার কাছে জানতে চায়ছিলাম, রাজনীতি কি এবং তার উদ্দেশ্য কি?
লেখক বলেছেন: ধর্ম মূল লক্ষ মানুষের মনুষত্বকে উন্নত করে পরলোক আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ। আর রাজনীতির মূল লক্ষ হল ইহলোকিক জীবন ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন। এতে ধর্ম নাক গলালে সমাজে অশান্তিই সৃষ্টি হবে। এর বড় কারণ ধর্মবেত্তারা গণতন্ত্র সাপোর্ট করে না। তাদের মতে ইশ্বরই সর্বময় ক্ষমতাধারী। এ কারণেই গণপ্রজাতন্ত্রী কোন দেশ থাকতে পারে না। সুতরাং ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে হলে ভন্ডামী ছাড়া উপায় থাকে না।
Click This Link)InHistoricalTruth(Court)-MuftiTaqiUsmani.pdf
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, পড়ে দেখব।
http://www.banglakitab.com/kitab.htm এই লিঙ্কে
Hadhrat Muaawiyah (RA) In Historical Truth (Court) -- এ বইটি।
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন:
আপনি বাবা ঘরের মধ্যে সুফি-সাধক, আর জিনিষ নিয়া বইসা থাকবেন। আর বাহিরে সেকুলারিজম নিয়া গলা ফাটাইবেন। বাহ চমৎকার। চালিয়ে যান।মনে রাইখেন সমাজে যদি আপনি ধর্মের আলোকে কাজ না করেন, তাহলে ধর্মের কাছে আপনার ব্যাক্তি ধর্ম পালনের কোন মুল্যই নেই। বরং এটা মুনাফেকি চরিত্র।
মানেন এ কথা? যদি না মানেন তাহলে সত্যিই বলছি আপনার ধর্ম শিক্ষা ভুল আছে। আর যদি ধর্ম ব্যাক্তি পালনে মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয় তাহলে এরকম ধর্মের মুখে আমি প্রশ্রাব করি।
ওহ আপনি নিজেই যেখানে যেমন তেমন কথা বলে চলেছেন, স্ব-বিরোধ।
১৫ নং কমেন্টে প্রশ্ন করেছিলাম:
প্রশ্ন-১: আপনি কোন ধর্মটি সবচেয়ে ভালো বুঝেন? সেই ধর্ম অনুসারে আপনি বিশ্লেষণ করে দেখান যে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি সেই ধর্মে নিষিদ্ধ।
উত্তর দিয়েছিলেন: ধর্ম রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করেছে এ কথা তো আমি বলিনি। । তার মানে ধর্ম রাজনীতিকে অনুমতি দেয়।
আবার ৪৩ নং কমেন্ট বলছেন ধর্মের মূল লক্ষ মানুষের মনুষত্বকে উন্নত করে পরলোক আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ তার মানে ধর্মে কোন রাজনীতি নেই।
হা হা হা। নিজের প্রিন্সিপাল ঠিক করেন।
আরেকটা কথা, সেকুলারিজম প্রচার করতে এসে আল্লাহ ইশ্বর টেনে নিয়ে আসাটাও মুনাফেকি।
লেখক বলেছেন: ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুসারীরা তর্কে হেরে গেলে প্রতিপক্ষকে কাফের, মোনাফেক ইত্যাদি গালাগালি করতে পছন্দ করে। আপনিও তো তার ব্যতিক্রম নন। সত্যিকার মুসলমান কাউকে মুনাফেক কিংবা কাফির হিসেবে চিহ্নিত করে না।
আল্লাহ আপনাকে সত্যিকার ইসলাম জানার তৌফিক দিন।
আপনি উপরে সূফীবাদের সমর্থনে কথা বললেও, আসলে আপনি সেটাও সমর্থন করেন না। সরাসরি না উল্লেখ করলেও বোঝা যায় সমর্থন করেন চতুর্থ স্তরের শাসকদেরঃ
চতুর্থ স্তরঃ এ পর্যায়ে নিজের হাতে গড়া আইন ও শাসনতন্ত্রকে সে শরীয়তী বিধানের মোকাবেলায় উন্নত বলে দাবী করে; সুন্নাহ্-প্রদর্শিত পথ ও পন্থাকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এবং নিন্দা-সমালোচনা এবং উপহাসের বস্তুতে পরিণত করে। নিজের গড়া আইন ও শাসনতন্ত্রের প্রশংসায় সে পঞ্চমুখ হয়ে উঠে। তার ধারণা ধর্ম ও শরীয়ত হলো জনগণকে প্রতারিত করার অর্থহীন বাগাড়ম্বর এবং আল্লাহ্র বিধান ও রাসূলের সুন্নাহ্ হলো বোকার স্বর্গ। এভাবে তার হাতে নাস্তিকতা ও ধর্মহীনতার গোড়াপত্তন হয়। এটাকে আমরা তাগুতী ও ধর্মদ্রোহী শাসন বলতে পারি। পৃষ্ঠা ১৫৫
নিজেকে যদি ইসলাম ধর্মের অনুসারী ভেবে থাকেন ধর্ম সংক্রান্ত কথা বলার আগে আরেকটু ভাল করে ভাবেন।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: সত্যিকার ইসলামের দর্শন পেতে হলে বাইরে দৌঁড় ঝাপ না দিয়ে নিজের বিবেকের মুখোমুখী হউন। ধর্মের নামে ভন্ডামী ইসলাম সমর্থন করে না। আর ..'ফি দুনিয়া হাসানাতাও' প্রার্থনার উদ্দেশ্য আল্লাহর কাছে দুনিয়াতে কল্যাণকর জীবন-যাপনের জন্য প্রার্থনা। এজন্য নষ্ট রাজনীতির প্রয়োজন নেই।
আল্লাহ আপনার সহায় হউন।
হলদে ডানা বলেছেন:
এটি প্রবন্ধ বিভাগে প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলাম ও রাজনীতি নিয়ে এত বিশাল প্রবন্ধ পোস্ট করার জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ প্রাপ্য।
লেখক বলেছেন: আরে মাথাটা ছোট হলেও লেজটি তো আর কম বড় হয়নি।ধন্যবাদ আপনাকেও।
ফান্টুস বলেছেন:
+ এ ভুটাইছি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফান্টুস ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ছড়াটির জন্য।
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নয় বরং ধর্ম নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করুন। দলীয় আদর্শ সেকুলারিজম আর মুখে মুখে ধর্মের দোহাই দেয়া বন্ধ করুন।
লেখক বলেছেন: ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নয় বরং ধর্ম নিয়ে রাজনীতি দুটিই বন্ধ করতে হবে। সেকুলারদেরও ধর্ম থাকে এবং তা ব্যক্তিগত ব্যাপার। ধর্মনিরপেক্ষতা আর ধর্মহীনতা এক জিনিষ নয়।
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
ধর্ম ব্যক্তিগত, আধ্যাত্মিক ব্যাপার। রাজনৈতিক অঙ্গনে এটিকে টেনে আনলে ধর্মেরই অবমাননা হয়। আসুন রাজনীতিকে ধর্মনিরপেক্ষ করি এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করার দাবীতে সোচ্চার হই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হেমায়েতপুরী।
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন:
ভাই মন্তব্য মুছে দিলেন কেন? এটা কোন ধরণের কাজ? মন্তব্যটি বেশ কিছু সময়ের জন্য এখানে ছিল? অন্যরা দেখেছে নিশ্চয়? খারাপ কিছু ছিল কি?এদেশের মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান সব ধর্মালম্বিরাই এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে কাধে কাধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে ধর্মান্ধ এক অপশক্তির বিরুদ্ধে এবং জয়ী হয়েছে।
যার যা ধর্ম সে তা পালন করুন নির্বঘ্নে, কিন্তু ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির কালো থাবা থেকে এদেশকে রক্ষা করতে হবে যেকোন মূল্যে।
লেখক বলেছেন: যার যা ধর্ম সে তা পালন করুন নির্বঘ্নে, কিন্তু ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির কালো থাবা থেকে এদেশকে রক্ষা করতে হবে যেকোন মূল্যে।
সহমত। ধন্যবাদ ক্যামেরাম্যান সুষ্পষ্ট বক্তব্যের জন্য।
পোয়েট ট্রি বলেছেন:
বাংলা ভাষায় " ছাগু " শব্দটার ব্যুৎপত্তিটা খুবই সুন্দর !অভিধানে_____
এটির নতুন অর্থ সংযোজন করে ছাগ> ছাগী>ছাগু অংশে ব্যবহার ও অর্থফের সহ দেখানো যায় ।
ব্যকরণে____
ব্যুৎপত্তি :
ছা ( বাচ্চা) + গু ( গোলাম> গুলাম > গোলাম আযম> গুলাম আযম) = ছাগু ; অর্থাৎ গোলাম আযমের বাচ্চা> রাজাকারের বাচ্চা> রাজাকার ( বৃহদর্থে)... ইত্যাদি ।
লেখক বলেছেন: সুন্দর বিশ্লেষণ। ধন্যবাদ পোয়েট ট্রি । আপনাকে প্লাস।
পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ২৭ জনের ভাল লাগেনি
>>>
Click This Link
লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না
>>
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: ভাই মন্তব্য মুছে দিলেন কেন? এটা কোন ধরণের কাজ? মন্তব্যটি বেশ কিছু সময়ের জন্য এখানে ছিল? অন্যরা দেখেছে নিশ্চয়? খারাপ কিছু ছিল কি?
এই আপনার গণতন্ত্র!!!!
লেখক বলেছেন: কিরিটি রায়, আপনাকে সবসময়ই দেখি ছাগুদের তল্পিবাহক হয়ে চলাফেরা করতে।
আপনার দ্বিমতপোষণকারীদের প্রতিও আপনার গণতান্ত্রিক মন কতটা উদার, কি সুন্দর বিশেষণে ভূষিত করে, সেটাও দেখা গেল।
আর আমার উপরের মন্তব্যে যে জবাব দিলেন, তাতে বুঝলাম রাজনীতি আসলে দুনিয়াতে কল্যাণকর জীবন-যাপন করার কোন মাধ্যম না, এটা নতুন শিখলাম। ধন্যবাদ। আগে আমি এটাকে একটা পেশা এবং জনসেবার একটা উপায় হিসেবে জানতাম।
আর ভন্ডামী ইসলামে যেমন সমর্থনযোগ্য নয়, ধর্মকে জীবনের কিছু কিছু ক্ষেত্রে অযোগ্য মনে করাও ইসলামে সমর্থনযোগ্য নয়।
আর "নষ্ট রাজনীতি" বলে যেটা বললেন, সেটাকে কিভাবে আপনি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি মনে করেন? "নষ্ট রাজনীতি" ধর্মভিত্তিক, ধর্মনিরপেক্ষ, ধর্মহীন --- যেকোন অবস্থায় করা যায়, যা কোনভাবেই জনগণের কল্যাণ বয়ে আনে না।
লেখক বলেছেন: আপনি আমার মন্তব্য আবারো পড়ুন। আমি বলেছি 'ফি দুনিয়া হাসানাতাও' প্রার্থনার উদ্দেশ্য আল্লাহর কাছে দুনিয়াতে কল্যাণকর জীবন-যাপনের জন্য প্রার্থনা। এজন্য নষ্ট রাজনীতির প্রয়োজন নেই।
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি রাজনীতিকে বিনষ্ট করে। আত্মার পরিশুদ্ধির জন্য ধর্মে আশ্রয় নিন।
না আমার মতের বিরোধীদের নয় বরং চিহ্নিত রাজাকার ভাবাপন্নদের ছাগু বলেছি। আপনি নিশ্চয়ই রাজাকার ভাবাপন্ন কিংবা ইসলাম বিরোধী মওদুদীর সমর্থক ন।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
১০০০ ভাগ একমত
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অমি রহমান পিয়াল ।
সাহায্যপ্রাপ্ত বলেছেন:
মানুষ ব্যক্তিগত জীব নয়। সামাজিক জীব। কাজেই এ্যাট লিস্ট ধর্ম ব্যক্তিগত তো নয়ই। তাছাড়া শুধু যদি ব্যক্তিগত ব্যাপারই হতো তাহলে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র কে ও ধর্ম মুক্ত রাখতে হবে। এটা না বলে শুধু রাজনীতি কে ধর্ম মুক্ত রাখতে চাইছেন কেন?
দূর্ভাষী বলেছেন:
ইসলাম শান্তির ধর্ম, কল্যানের ধর্ম। রাজনীতির নামে আজকের বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলি ইসলামের অপব্যবহার করছে বলেই ইসলাম নামক শান্তির ধর্ম বিতর্কিত হচ্ছে। প্রতিটি পদে পদে জামাতসহ অন্যান্য দলগুলি ইসলামের অপব্যাখ্যা দিচ্ছে বলেই জনমনে ভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে যা কোন মুসলমানের কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের দেশের বেশীরভাগ মানুষই অশিক্ষিত, কোরান অনেকে পড়তে জানলে ও তারা তার তরজমা (অনুবাদ) ও তাফসীর (ব্যাখ্যা) জানে না, আর এসব বিপথগামী ধর্মব্যবসায়ী নেতারা ভূল ব্যাখ্যা দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। এ নিয়ে আলোচনা করতে গেলে রাত শেষ হয়ে যাবে তবু বলা শেষ হবে না।
আমি শুধু বলব জামাতে ইসলামী বা ইসলামী রাজনৈতিক দল আর ইসলাম ধর্ম এক নয়।
লেখক বলেছেন: সহমত।
তবে ইসলাম ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছে। ধর্মকে ব্যকিতগত পর্যায়ে সীমায়িত রাখাই শ্রেয়।
সেলিম৬২৫১ বলেছেন:
"ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করো"...........এটাও আরেক রাজনীতি,আসলে বলা উচিত "ধর্ম নিয়ে/ ধর্মের অপব্যবহার ,রাজনীতিকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করো '
পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ্ থেকে দূরে সরে যাওয়ায় মুসলিমদের এত খারাপ অবস্থা,
এবং অমুসলিমরা (ইউরোপ, আমেরিকার উদাহরন দেয়া হয়েছে) তাদের ধর্ম থেকে তারা দূরে সরে গেছে তাই তাদের ভালো অবস্থা।
সেলিম৬২৫১ বলেছেন:
আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন, আমিন।
লেখক বলেছেন: আমিন।
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন:
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৬ লেখক বলেছেন: যে দলগুলো ধর্মকে পূজিঁ করে রাজনীতি করে সেগুলোই ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল
অম্বালীগ ও তো তাহলে ধর্মকে পুজি করে রাজনীতি করে।লোক দেখানো হজে যায় তাদের নেত্রী।মাথায় লাগায় কালা টুপি।এমনকি লোক দেখানো নামাজ পর্যন্ত পড়ে।দেখুন "আমার ফাসি চাই" মতিউর রহমানের লেখা।
তাহলে কি তাদেরও নিষিদ্ধ করা দরকার না?
লেখক বলেছেন: যে কোন ধরণের ভন্ডামীই নিন্দাযোগ্য। কিন্তু গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আওয়ামী লীগ বা বিএনপি ধর্মভিত্তিক দল নয়। সূতরাং এগুলো নিষিদ্ধ করার প্রশ্ন ওঠে না। আপনি খুবই দূর্বল যুক্তি দেখিয়েছেন ভাই।
তীরান্দাজ বলেছেন:
রোদেলা খাতুনকে ধন্যবাদ তার মন্তব্যের জন্য
লেখক বলেছেন: আমারো ধন্যবাদ।
ধর্ম থাকবে ধর্মের জায়গায়।মানে ব্যক্তিগত হয়ে।
রাজনীতি তে ধর্ম আসলেই ধর্ম হয়ে উঠে হাতিয়ার।
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন:
দেশ ও দেশের জনগণের মঙ্গলের জন্য যা দরকার সেটাই করা উচিৎ। ধর্ম এবং রাজনীতি আলাদা কিনা সেটাও আগে ভাবা উচিৎ। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হলে দেশ ও দেশের জনগণের কি কল্যাণ বয়ে আনবে সেটা বুঝতে পারছি না। তবে কিছু রাজনৈতিক দল লাভবান হবে বোধ করি।
লেখক বলেছেন: ধর্মভিত্তিক রাজনীতি যে কল্যাণ বয়ে আনে না তা তো সত্য। দেখুন পাকিস্তান, আফগানিস্থান, ইসরাইল। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি গোষ্ঠীতে গোষ্ঠীতে শুধুই হিংসা আর রেষারেষির সৃষ্টি করে। এ থেকে মুক্ত হওয়াই হোক আমাদের লক্ষ্য।
শুভ্রমেঘ বলেছেন:
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: কিছু অর্ধ শিক্ষিত রাজাকাররা যা কইলো , তাতে দাবীটা আরো জোরালো হওয়া দরকার, ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চির অবসান চাই ।
লেখক বলেছেন: সহমত।
লেখক বলেছেন: সহমত প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ কাজী দিদার।
মাসুদ রানা* বলেছেন:
লেখককে বলবো এতো না পেচাইয়া এক কথায় বইলা ফালান সবাই আওয়ামী লীগ করো। নিজেরে অনেক পন্ডিত মনে করেন তা সহজেই বুঝা যায়। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করো না বইলা বলেন ইসলাম ধর্ম রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করো। এতো পেচাইয়া কোনো লাভ নাইতো। প্রকৃতপক্ষে লেখককে বুঝানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। তবে অন্য সবাইকে বলবো, আসলে আমাদের রাজনীতির ধর্মের কারণে এমন খারাপ অবস্থা হয় নাই। যে জন্যে হয়েছে তার মূল কারণ আমাদের ধর্মহীনতা। আমরা অনেকেই বলি জামায়াত ইসলাম সঠিক ধর্মীয় রাজনীতি করছে না। তারা ধর্মের অপব্যাখ্যা দিচ্ছে। তবে আমার প্রশ্ন তবে কেনো আমরা অন্যরা সঠিক ধর্মের রাজনীতি নিয়ে মাঠে নামছি না। ঘরে বসে নামাজ আর তজবী গননা করার নাম ইসলাম নয়। ইসলাম অবশ্যই রাজনীতিতে নিয়ে আসতে হবে। তাই আসুন আমরা সত্যিকারের ইসলামটাকে রাজনীতিতে নিয়ে আসার জন্যে আজ থেকেই কাজ শুরু করে দেই।
লেখক বলেছেন: আবারো বলছি সত্যিকার ইসলামে রাজনীতির স্থান নেই। ইসলামের মূল উদ্দেশ্য মহান আল্লাহর সাথে সংযোগ স্থাপন- সুফি সাধেকেরা যা পেরেছেন।
করআনকে ভালভাবে বুঝতে চেষ্টা করুন, আপনিও ইনশাল্লাহ পাবেন পথের দিশা।
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
ধর্মের কথা যারাই বলবে তারাই রাজাকার, এ দরনের উক্তি আপনি একজন বিজ্ঞ ব্যক্তির কাছ থেকে আশা করিনাই, আমার কথা হচ্ছে শুধু জামায়াতিরা ধর্ম পালান করে, বাকিরা সবাই বসে বসে আঙ্গুল চুসে, অথচ, বাংলাদেশে ৯৫% মুসমান তারা করেটা কি জানতে চাই????
লেখক বলেছেন: আপনি ভুল বুঝেছেন। ধর্মের কথা বললেই রাজাকার একথা আমি বলিনি। তবে বাংগালী মুসলমাদের বেশীরভাগই ধর্মকে রাজনৈতিক অঙ্গনে টেনে আনার বিপক্ষে।
লেখক বলেছেন: কিন্তু তার আগে প্রয়োজন জনসচেতনতা।
আপনার সাথে সহমত।
ভদ্র বলেছেন:
আপনার লিখা অসম্পূর্ণনিম্নলিখিত প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে একটি পোস্ট দিবেন আশা করি।
রাজনীতি কি এবং এর আওতা কতটুকু?
ইসলামী রাজনীতি বলতে কি বুঝায়? এবং কেন এটি গ্রহণযোগ্য হবে বা হবে না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















