somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে জাহের ওয়াসিমের মিথ্যাচার

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সেদিনের জুলাইয়ের আট। সামহ্যয়ারইনে এলাম অনেক দিন পর। তসলিমা নাসরিন লিখে একটা সার্চ দিলাম। নানা পোস্ট দেখতে দেখতে হঠাৎ একটা পোস্ট চোখে পড়ল। নাম - তসলিমা নাসরিনের দেশপ্রেমমূলক কবিতা।

এই পোস্টে একটা কবিতা দেয়া হয়েছে, ভয়ঙ্কর অশ্লীল এবং উদ্ভট। তসলিমা নাসরিনের সব কবিতাসহ সব বইই আমার পড়া, সাম্প্রতিক ফরাসী ভাষার প্রকাশিত 'লিব্রে দে লা দিরে' বইটা ছাড়া। কোন বইয়েই আমি এই কবিতাটা পাইনি। তাছাড়া তসলিমা নাসরিনের লেখার ধরনটাও আমার চেনা। ঐ কবিতাটায় তসলিমা নাসরিনের লেখার ধাঁচটাও নেই। আমি পুরোপুরি নিশ্চিত যে কবিতাটা তসলিমা নাসরিনের নয়।

পোস্টটা দিয়েছে জাহের ওয়াসিম। সে এটা ছাড়াও ইন্টারনেটের আরও দু'একটা সাইটে এটা নিয়ে আরো দু'টো সহ সর্বমোট তিনটা কবিতা প্রকাশ করেছে, তসলিমা নাসরিনের নাম দিয়ে, যার একটাও তসলিমা নাসরিনের লেখা নয়। সে দাবি করেছে তিনটা কবিতাই নাকি কলকাতার 'দেশ' এ প্রকাশিত। 'দেশ' তো দূরে থাক, কোন পত্রিকা বা বইতেই ঐ কবিতা প্রকাশিত হয়নি। পারলে সে প্রমাণ দেখাক। বলুক 'দেশ'এর কত কত তারিখের ইস্যুতে কবিতাগুলো ছাপা হয়েছে। স্ক্যান্ড কপি দিক। অনলাইন লিঙ্ক দিক।
আমি তার কথা মেনে নেব। সে যদি বলে, কান ধরে একশবার উঠবস করতে, তাই করব।

ঠিক করেছিলাম তসলিমা নাসরিনের সব দেশপ্রেমের কবিতা নিয়ে একটা পোস্ট দেব। গত আটদিন ধরে টাইপ করে করে আজ সকালে শেষ হল। সামহ্যয়ারে দিলামও। কিন্তু পোস্ট প্রকাশিত হবার পর মেইন পেজে বা আমার ব্লগপাতায় পোস্টটা কিছু অক্ষরসহ দেখা যাচ্ছিল ঠিকই, পোস্ট খুলতেই সব লেখা গায়েব হয়ে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে অন্য দু'টো ব্লগে পোস্টটা দিতে হল। খুব সম্ভবত অনেক বড় বলেই পোস্টটা লোড নেয়নি সামহ্যয়ারে। আপাততঃ এখানে একটা লিঙ্ক দিচ্ছি। আপনাদের যাদের খুশি এই লিঙ্কটায় গিয়ে দেখে আসবেন পোস্টটা।

তসলিমা নাসরিনের দেশপ্রেমের কবিতা

আশা করি যারা হান্টিং মাঙ্কি থেকে হোমো স্যাপিয়েন্সের পর্যায়ে আসতে পেরেছে, তারা পোস্টটা পড়লেই বুঝতে পারবেন, জাহের ওয়াসিমের দেয়া কবিতাটি তসলিমা নাসরিনের লেখা নয়। এবং এও পরিষ্কার হয়ে যাবে যে কবিতাগুলো আসলে সে নিজেই লিখেছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:৩৭
১৯টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নয়নতারা (আবু হেনা মঃ আশরাফুল ইসলাম ভাইয়ার নাতনী)

লিখেছেন ওমেরা, ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০১

নয়নতারা



আমাদের ব্লগর বিশিষ্ট্য ও সন্মানিত ব্লগার আবু হেনা মঃ আশরাফুল ইসলাম ভাইয়া (আমার দাদুভাইয়া) গত ১৩ই ফেব্রুয়ারি এক সুইট -কুইট নাতনীর গর্বিত দাদা হয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা কিংবা সাইক্লোন

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৯

একটি অসমাপ্ত গল্পের নায়ক যেন কবিতায় ফিরে আসে বারংবার
কখনো মাঝরাতে দূরের তারা হয়ে আবার কখনো ভরাট কণ্ঠের কবিতায়।
মাঝেমাঝে সে রাতের তারা কিংবা কবিতার ধার ধারে না
সে যেন চলে আসে অধিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

♦♦ভাষান্তরিত - ৪- বিষবৃক্ষ ( মূল লেখক- উইলিয়াম ব্ল্যাক) ♦♦

লিখেছেন ভ্রমরের ডানা, ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৫০



আমি রাগান্বিত ছিলাম আমার বন্ধুর প্রতি
আমার ক্ষোভের কথা জানাতেই ক্ষোভের যতি..
আমার রাগ ছিল আমার শত্রুর প্রতি
আমি বলিনি, ক্রোধ বয়ে চলে আজ অবধি..


এবং সেই ক্রোধের ভয়কে গড়েছি সযতনে
দিনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ রাগ ঘর

লিখেছেন অপু তানভীর, ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ২:০৯

তৃষাদের বাসায় শোবার ঘর আছে দুইটা। একটা মাস্টার বেড রুম। অন্য ঘরটাতে কেবল একটা খাট পাতা। আর সেখানে আছে একটা মিউজিক সিস্টেম।
এটা কোন সাধারন ঘর না। অপু এই ঘরটার নাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন যেখান যেমন, প্রবাস জীবনের ডায়রী.............. আমার ইহুদি সহকর্মী, দি লাঞ্চিয়ন লেডি

লিখেছেন সোহানী, ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৪২



হেড অফিস থেকে এইচ আর হেড জেনির ফোন পেয়েই বুঝলাম গুড়ুত্বপূর্ন কিছু।

তোমার ওখানে নতুন একজনকে পাঠাচ্ছি। ওয়ান উইক হাতে কলমে কাজ শিখাও তারপর একা কাজ করতে দাও।

ওকে পাঠাও বলে ফোনটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×