আমার প্রিয় পোস্ট

সৃষ্টির মাঝেই স্রষ্টার রহস্য।

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর নং: ১।

১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭

শেয়ারঃ
0 3 0

১ নং প্রশ্নটি ছিল:
মুসলমান পুরুষদের একাধিক বিবাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে কেন?

পৃথিবীতে কোরআনই একমাত্র ধর্মগ্রন্থ যেখানে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র একটি বিয়েই করা উচিত। বাকী সকল ধর্মগ্রন্থে (রামায়ন, গীতা, বাইবেল...) ইচ্ছেমত বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে, পুরোহিতরা মিলে একবিবাহ নিয়ম চালু করেন। কিন্তু তাদের ধর্মগ্রন্থতে এব্যাপারে কোন নির্দেশনা নেই।

যেমন: হিন্দুধর্মগ্রন্থ অনুসারে, রামের পিতা দশরথের একাধিক স্ত্রী ছিল, কৃষ্ণার একাধিক স্ত্রী ছিল।
ইহুদী ধর্মগ্রন্থ অনুসারে, আব্রাহামের তিন ও সোলেমনের শতাধিক স্ত্রী ছিল।
১৯৫০ সালেও ইহুদীদের মধ্যে বহুবিবাহের প্রথা চালু ছিল। তারপর ইহুদী নেতারা এই প্রথা বন্ধ করেন।

মজার ব্যপার হল, ১৯৭৫ সালের সমীক্ষায় দেখা যায়, মুসলমানদের চেয়ে হিন্দুদের মধ্যে বহুবিবাহের প্রচলন বেশি। (১৯৫১-১৯৬১) সালে হিন্দুদের মধ্যে ৫.০৬% ও মুসলমানদের মধ্যে ৪.৩১% বহুবিবাহ করেছিল। অথচ ভারতীয় আইনে মুসলমানদের জন্য বহুবিবাহের অনুমতি থাকলেও হিন্দুদের জন্য অনুমতি নেই। পূর্বে অবশ্যই এই নিয়মও ছিল না। ১৯৫৪ সালে হিন্দু বিবাহ আইনে একবিবাহ প্রথা চালু হয়।

কোরআনে বলা হয়েছে:
"মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও, দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। তবে যদি আশঙ্কা হয় যে, তাদের সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরন করতে পারবে না তবে শুধুমাত্র একটি।" আল কোরআন (৪:৩)।
কোরআন অবতীর্ণ হবার পূর্বে বহুবিবাহের কোন সীমা ছিল না। লোকেরা শতাধিক বিবাহ করত। ইসলাম এই প্রথায় সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। দুই , তিন কিংবা চারটি পর্যন্ত, যদি ন্যায় বিচার করতে পার।
কোরআনে বলা হয়েছে:
"তোমরা চাইলেও নারীদের মাঝে ন্যায়বিচার করতে পারবে না...।" আল কোরআন (৪:১২৯)।

ইসলামে বহুবিবাহ নিয়ম নয় বরং নিয়মের ব্যতিক্রম মাত্র। অনেকেই মনে করেন, ইসলামে একাধিক বিয়ে বাধ্যতামূলক, আসলে তা নয়।
ইসলামি শরীয়ত অনুসারে অনুমতি ও নিষেধের প্রকারভেদ:
১. 'ফরজ' : বাধ্যতামূলক।
২. 'মুস্তাহাব' : উৎসাহিত করা হচ্ছে।
৩. 'মুবাহ' : অনুমতি রয়েছে।
৪. 'মাকরুহ' : নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
৫. 'হারাম' : সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

একাধিক বিয়ে হল 'মুবাহ'। অর্থ্যা, বহুবিবাহের অনুমতি রয়েছে তবে উৎসাহিত করা হয়নি।

বৈজ্ঞানিক কারন:

সাধারনত নারীশিশু ও পুরুষশিশু সমান অনুপাতে জন্মায়। তবে নারীশিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি বিধায়, তুলনামূলক নারীশিশু বেশি বাচেঁ। এছাড়াও যুদ্ধ-বিগ্রহে, নারীর তুলনায় পুরুষের মৃত্যুর হার বেশি। দুর্ঘটনা ও রোগে, পুরুষদের মৃত্যুর হার বেশি। এটা স্বীকৃত যে, পুরুষদের চেয়ে নারীরা বেশিদিন বাচে। এসব কারনে, যেকোন নির্দিষ্ট সময়ে জরিপ করলে দেখা যায়, বিপত্নীকদের চেয়ে বিধবার সংখ্যা বেশি।

তবে আমাদের উপমহাদেশে নারীর চেয়ে পুরুষের সংখ্যা বেশি। কারন, নবজাত শিশুটি নারী শিশু জানামাত্র সেটিকে ধ্বংস করা হয়। এভাবে, এই উপমহাদেশে প্রতিবছর লক্ষাধিক ভ্রূণ ধ্বংস হয়। যদি এই পাপাচার বন্ধ করা হয় তাহলে আমাদের উপমহাদেশেও নারীরা সংখ্যায় বেশি হবে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
যুক্তরাষ্ট্রে পুরুষদের চেয়ে নারীর সংখ্যা ৭৮০০০০০ বেশি,
যুক্তরাজ্যে ৪০০০০০০ বেশি,
জার্মানীতে ৫০০০০০০ বেশি,
রাশিয়াতে ৯০০০০০০ বেশি

এর মানে দাড়াল, যুক্তরাষ্ট্রে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা ৭৮ লক্ষ বেশি। শুধুমাত্র নিউইয়র্কে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা ১০ লক্ষ বেশি। নিউইয়র্কে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ নারী। যুক্তরাষ্ট্রে ২ কোটি ৫০ লক্ষ পুরুষ সমকামী (নারীদের বিয়ে করতে উৎসাহী নয়)। কাজেই, যদি একজন পুরুষ একজন নারীকে বিয়ে করে তাহলে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই ৩ কোটি নারী সঙ্গীহীন থেকে যাবে। একইভাবে যুক্তরাজ্যে ৪০ লক্ষাধিক, জার্মানীতে ৫০ লক্ষাধিক, রাশিয়ায় ৯০ লক্ষাধিক নারী সঙ্গীহীন থাকবে। ধরা যাক, আমার বোন যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীহীন অবস্থায় আছে অথবা ধরুন আপনার বোন যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীহীন রয়েছে। তাহলে, তার সামনে ২টি পথ খোলা আছে।
১. বিবাহিত কোন পুরুষকে সঙ্গী হিসেবে মেনে নিতে হবে।
২. 'জনগণের সম্পত্তি (public property) হতে হবে।

পাশ্চাত্যে এমন বহু পুরুষ আছে যারা বিবাহ ব্যতিরেকে একাধিক নারীর সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। তখন সেই নারীদের রক্ষিতা বলা হয়। এটা ঠিক যে, অধিকাংশ নারীই স্বামীকে শুধু নিজের বলেই প্রত্যাশা করেন। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থে এই ক্ষুদ্র প্রত্যাশা ত্যাগ করা শ্রেয়। নিশ্চয়ই কোন নারী তার বোনকে রক্ষিতা হিসেবে দেখতে চাইবে না। ইসলাম নারীদের পূর্ণ মর্যাদা নিশ্চিত করার স্বার্থে পুরুষদের একাধিক বিয়ে করার অনুমতি দিয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু কারন রয়েছে যার দরুন ইসলামে পুরুষদের একাধিক বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে তবে মুলত নারীদের সম্মান ও সম্ভ্রম রক্ষা করাই মূল উদ্দেশ্য। ধন্যবাদ।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: যাকির নায়েকের বাংলা কপি পেস্ট!!

১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: আপনি হয়তো আমার প্রথম লেখাটি পড়েননি। যার শিরোনাম ছিল, "ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর।" সেই লেখায় আমি জাকির নায়েকের বইটির ২০ প্রশ্ন উল্লেখ করেছিলাম এবং বলেছিলাম, এখন থেকে ধারাবাহিকভাবে আমি সেই ২০টি প্রশ্নের উত্তর বাংলায় অনুবাদ করে প্রকাশ করব, এটাই যেকোন ওপেন সোর্সে আমার প্রথম অনুবাদ। সেই লেখায় আমি মূল গ্রন্থের নাম ও লেখকের নাম উল্লেখ করেছিলাম। তারপরও আমি দুঃখিত, এই লেখার নিচেও মুল গ্রন্থটির নাম দেয়া উচিত ছিল। যাইহোক,
মুল গ্রন্থ: Answers to the Non-Muslims Common Questions about Islam.
Written by: Dr. Zakir Abdul Karim Naik.
আপনার অযথা বিভ্রান্তির জন্য আবারও দুঃখ প্রকাশ করছি।

৩. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: যুক্তরাষ্ট্রে পুরুষদের চেয়ে নারীর সংখ্যা ৭৮০০০০০ বেশি...

এই তথ্যের প্রমান স্বরূপ লিংক দেন...
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: http://www.msnbc.msn.com/id/15277606/

৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
উরনচণ্ডী বলেছেন: ধন্যবাদ। চালিয়ে যান।
৫. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ধন্যবাদ প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়া শুরু করার জন্য।
৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
নিয়ন আলোয় বাউল বলেছেন: ধর্ম তো পরিবর্তন হীন যদি কখনো অনুপাত সমান বা উল্টা হয়ে যায় !!!!!!!!!!
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনি হয়তো লক্ষ্য করেননি যে, পুরুষদের সংখ্যা নারীদের চেয়ে কেন কোনদিনই বেশি হবে না সেটি বলা হয়েছে। বৈজ্ঞানিক কারন নামক প্যারার পরের প্যারাতেই সেটি বলা হয়েছে। তারপরও আপনি চাইলে বিশ্বের জনসংখ্যার বিভিন্ন রিপোর্টে নারী ও পুরুষের অনুপাত দেখতে পারেন। ধন্যবাদ।

৭. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আইচ্ছা ইসলাম পূর্ব আরবে তো নারী শিশু জন্মাইবা মাত্র মাটিতে পুইত্যা ফেলা হইত তয়লে কি ঐহানে নারী পুরুষ রেশিও কি ছিলো? আর ইসলামে যদি বর্তমান অবস্তার কতা কইয়া বহু বিবাহ জায়েজ কইরা থাকে তয়লে ইসলাম কেন বর্তমানে নাজিল হইলো না?
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সন্দেহ প্রকাশ করার জন্য।
ইসলাম সর্বকালের মানবজাতির সমস্যার সমাধান দিয়েছে।
আরব পূর্ব যুগে হয়তো নারীর সংখ্যা কম ছিলো। কিন্তু ইসলামে তো বলা হয়নি একাধিক বিয়ে বাধ্যতামূলক। সৃষ্টিকর্তা জানেন যে, নারীর সংখ্যা পুরুষদের চেয়ে বেশি হবে তাই বহুবিবাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে মাত্র, আবশ্যকীয় করা হয়নি।

৮. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
বালের পুশট দিছো একখান...

তুমার বাপ কয়ডা বিয়া করছে? তুমার বইনরে-মাইয়ারে কি পারবা এমন লুকের সাথে বিয়া দেবার যার ২/৩ ডা বউ আছে....

তুমার বাপে যদি বুড়া বয়সে এক কচি মাইয়ারে বিয়া করবার চায় তয় তুমি কি করবা? যে মাইয়ারে কোলে নিয়া আদর করবার তুমার মন চাইতো- তারে যদি তুমার আম্মা আম্মা করোন লাগে, তয় তুমার কেমন লাগবো????


এগুলান বালের আলাপ বাদ দাও...
ভালো কোইরা বুইঝা শুইনা তারপরে পুশটাইও....
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: 'বালের পুশট' কী জিনিস বুঝতে পারি নাই।
আমার বাবা একটি বিয়ে করেছেন। জনগণের সাধারন সম্পত্তি কিংবা রক্ষিতা হবার চেয়ে আমি আমার বোন-কিংবা মেয়েকে বিবাহিত পুরুষের সাথে বিয়ে দেয়া পছন্দ করব।

আমার বাবা বুড়া বয়সে কচি মেয়েকে কেন বিয়ে করেবেন, যদি না তিনি ন্যয়সঙ্গত আচরন বজায় রাখতে পারেন।
ইসলামে কচি মেয়েকে বিয়ে দেয়ার কথা কোথাও বলা হয়নি।
যেকোন মেয়েকে বিয়ে করার আগে তার অনুমতি নেয়া আবশ্যক।

তবে হয়তো বর্তমানে বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রভাবে কিছু মুসলমান এই নিয়ম পালন করেন না। তার জন্য ইসলামকে দায়ী করা ঠিক হবে কি?

১০. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০
িনরুপমা.কম বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: যাকির নায়েকের বাংলা কপি পেস্ট!!


তবে উপস্হাপনের জন্য ধন্যবাদ।
১১. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
আর মুহাম্মদে তো চাইরডা না- তারো কয়েকগুন বেশি বিয়া করছিলো...., এইডার বৈজ্ঞানিক বেক্খাও দিয়েন....
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: এটি আপনার অনুমান মাত্র। ভাল করে খোজ নিয়ে দেখুন। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) চারের কয়েকগুন বেশি বিয়ে করেননি। যদি খুজে না পান আমাকে আবার লিখবেন। আপনাকে খুজতে সাহায্য করব। আর যদি পারেন, প্রমিত বাংলা ভাষায় মন্তব্য করবেন। ধন্যবাদ

১২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন: কোরআন অবতীর্ণ হবার পূর্বে বহুবিবাহের কোন সীমা ছিল না। লোকেরা শতাধিক বিবাহ করত। ইসলাম এই প্রথায় সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। দুই , তিন কিংবা চারটি পর্যন্ত, যদি ন্যায় বিচার করতে পার।
..............

এই বালের গপসপ কোই পাইছো???? শতাধিক বিয়া!!!!!!!!

তুমার শখের হাদিস পড়লেই দেখবা....., ম্যালা ঘটনা আছে, সেই আমলের চল কি আছিলো- সেইডা টের পাইবা।

মদীনার আনসারগো কালচার ক্যামন ছিলো, আরব ইহুদী-খৃস্টান গো মইদ্যে কি চল আছিলো- এগুলান একটুক পইড়া আইসো.....
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: আসলে বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ ছয়টি। কোন হাদিস গ্রন্থে এরকমটা পেয়েছেন তা যদি দয়া করে হাদিস নং সহ জানিয়ে দিতেন তাহলে দেখে নিতে পারতাম। ধন্যবাদ।

১৩. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
জরিণা বলেছেন: @ িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন: ব্যান করা উচিত। অশ্লীল লেখার জন্য।
১৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
মুরশিইদ্যার লিংকে এইডা পাইলাম....

Sex ratio: at birth: 1.05 male(s)/female under 15 years: 1.05 male(s)/female 15-64 years: 1 male(s)/female
65 years and over: 0.73 male(s)/female
total population: 0.97 male(s)/female (2008 est.)
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: বিয়ে করার জন্য নারী ও পুরুষ উভয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া প্রয়োজন। আপনার দেয়া পরিসংখ্যান মিলিয়ে দেখুন। প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষের সংখ্যার অনুপাতে নারীরা এগিয়ে। ধন্যবাদ।

১৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
এমিল বলেছেন: আমার বইন কিংবা আপ্নের বইন যুক্তরাষ্ট্রে আছে সেইখানে হেরে বিয়া করনের মত একা পুরুষ নাইক্যা। তইলে পরে হের ঐখানেই বিয়া করতে হইব এরাম কোন নির্দেশ আছে নাকি ইসলামে?
হের ক্যান দোজবর রে বিয়া কর্তে হইবো বা পাব্লিক পোপার্টি হইতে হইবো? হেয় কি দ্যাশে আইসা বিয়া করতে পারবোনা?
মিয়া যা কইবেন যৌক্তিক কইবেন।
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: আমার বোন এবং আপনার বোন দেশে এসে বিয়ে করতে পারেন তখনই যখন আমাদের উপমহাদেশ থেকে নারীশিশুর প্রতি অনীহা দূর হবে। এখনও নারীভ্রূণ জানতে পারলে কিংবা জন্মের পর নারী শিশু হলে তাদের মেরে ফেলা হয়। এই পাপাচার বন্ধ করা হলে আমাদের দেশেও নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে বেশি হবে।

আমার বোন বা আপনার বোন বলতে নিজেদের কথা বলছি না। Universal brotherhood বিষয়টি নিশ্চয়ই আপনার জানা আছে। সেই অর্থে বোন শব্দটি ব্যবহার করেছি। ধন্যবাদ।

১৭. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
The following is a short introduction the Prophet's (peace and blessings be upon him) wives, the years of marriag,e and possible reasons for the marriages. Except for Khadijah and Zainab bint Khuzayma, all of Muhammad's wives died after him:

Khadijah bint (daughter of) Khuwaylid married in 595 CE; widow; died in 619.

Sawada bint Zama married soon after 619; widow.

Aisha married in 622; virgin.

Hafsa bint Umar married circa 624-625; widow, political.

Zainab bint Khuzayma married circa 626-627; widow; died soon after marriage to Muhammad.

Umm Salama Hind bint Abi Umayya married in 626; widow.

Zainab bint Jahsh married circa 625-627; widow and divorcee.

Juwayriya bint al-Harith married circa 627-628; widow, possibly political.

Umm Habibah married 629; widow, political.

Safiyya bint Huyayy married 629; widow, captured in battle.

Maymuna bint al-Harith married 629; widow.


লিংকঃ Click This Link


উপ্রের লিশটির মাইয়াগুলানের হগ্গোলে কি তাইলে মুহাম্মদের বউ না??? তয় আপনেই কন, এগো মইদ্যে কোন ৪ডা মুহাম্মদের বউ??????
১৮. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৩
এমিল বলেছেন: জনাব ঠিক মতো পড়াশোনা কইরা হেরপর পুস্টায়েন।
আপ্নেগো সমগোত্রীয় গো জিগান আপ্নের পিরিয় নবী কয়ডি বিয়া করছিলো.......
১৯. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫
আউটসাইডার বলেছেন: কিছু পাব্লিক এর ছাগল টাইপের প্রশ্ন দেইখা হাসি আসে। আরে ছাগলেরা মাথায় কোন বুদ্ধি নাই নাকি, আন্দাজে প্রশ্ন করিস না, একটু বুইঝা কর।

আর আর এক ছাগল হুদাই চিল্লাইতাছে উপরে, হুদাই গাইল পারতাছে। ছাগলা তুই পারলে এই পোস্ট এর যুক্তি খন্ডা। আর মোহাম্মদ (pbuh) কয়ডা বিয়া করছে আর কেন করছে হেইডার কারণ বহু লোকে বহু ব্যাখ্যা দিছে। ঐগুলি পড় ছাগল। এক চবি'ত চব'ণ লইয়া আর কত কাল চলবি গাধা?
২০. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: জ্ঞানপাপী যাকির নায়িকের বই কপি পেস্ট করার জন্য ধন্যবাদ, কারন এর মাধ্যমে সে যে কতো বড় জ্ঞানপাপী সেটা প্রমানিত হবে।

এমএস এনবিসি'র লিঙকে কোথায় বলেছে জনসংখ্য ৭৮০০০০০ বেশি?

দেখিয়ে দেন...

এইবার আসেন বাস্তবতায়: আমেরিকার পরিসংখ্যান বিভাগের ২০০৭ সালের হিসাবে...

Click This Link

আমেরিকয়ায় নারী'র সংখ্যা মাত্র ৪,৩০,৩৩৬ অর্থাৎ প্রায় ৪ লক্ষ বেশি।

এই মাত্র চার লক্ষের মাঝে বিবাহযোগ্য নারীর পরিমান খুবই কম, কারন প্রাকৃতিক কারনেই আমরা জানি নারীদের 'Life Expectency' বেশি হয়।

কোথায় ৭৮ লক্ষ আর কোথায় চার লক্ষ, মিথ্যার একটা সীমা থাকা উচিত!!

২১. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন: কোরআনে বলা হয়েছে:
"তোমরা চাইলেও নারীদের মাঝে ন্যায়বিচার করতে পারবে না...।" আল কোরআন (৪:১২৯)।

......>>>

এইডা কুরানে কওনের পরেও ক্যান মুহাম্মদ গণ্ডায় গণ্ডায় বিয়া করছে???

হেয় নিজেও তো ন্যায় বিচার করবার পারেনাই।
আয়েশারে কি বেশি ফেভার করেনি??? আপনারে ম্যালা হাদিস দেখাইবার পারুম যে আয়েশারে বেশি ফেভার করছে। একবার তো উমর পর্যন্ত হাফসারে থ্রেট দিসিলো যে সে যেন আয়েশার সাথে লাগবার না যায়.....

সওদা নিজের রাইতের ভাগ ক্যান আয়েশারে দিসিলো??

......

যাউকগা, এগুলান কইয়া কি হইবো....
আপনে ভালো কইরা পইড়া তারপরে আনচার দিবার আইসেন.....
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: আমি আসলেই বিষয়গুলো জানতাম না। নিশ্চয়ই বিষয়গুলো জেনে নিতে চেষ্টা করব। এবং আপনাকে সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারব, ইনশাআল্লাহ। তবে এই বিষয়গুলোর উৎস দিয়ে দিলে ভাল হত। যদি পারেন তবে এই তথ্যগুলো কোথায় পেয়েছেন জানালে উপকৃত হব। ধন্যবাদ।

২২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
ফিউজিটিভ বলেছেন: নিরুদ্দেশ নিহারিকা - আপনি ভদ্র ভাষায় কথা বলুন। যে পোস্ট দিয়েছে সে আপনার অর্ধেক বয়সের হবে এবং আপনার সাথে এখন পর্যন্ত সে কোন অভদ্র ভাষা প্রয়োগ করেনি।
২৩. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০০
এমিল বলেছেন: বেচারা! ভাবসিলো কেউ কিসু কইবো না মাঝে দিয়া কয়েকটা পিঠ চাপড়ানি পাইবো।
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: যতদূর মনে পড়ে, আপনি আমার প্রথম লেখাটি পড়েছেন। তাহলে নিশ্চয়ই আপনি জানেন যে, সেখানে আমি মন্তব্য প্রত্যাশা করেছিলাম। দ্বিমত থাকতেই পারে, বরং দ্বিমত না থাকটাই অস্বাভাবিক। আর পিঠ চাপড়ানোর কথা বলেছেন, দেখুন আপনি আমাকে চেনেন না, আমিও আপনাকে চিনি না। এখন আপনি যদি আমাকে একটি ভাল কথা বলেন, সেটি অবশ্যই আমাকে উৎসাহ দেবে। আর মন্তব্য করা যার যার নিজস্ব ব্যাপার। এখানে আমার ভাবনাতে কিছুই হবে না। ধন্যবাদ।

২৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০২
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন: Sex ratio: at birth: 1.05 male(s)/female under 15 years: 1.05 male(s)/female 15-64 years: 1 male(s)/female
65 years and over: 0.73 male(s)/female
total population: 0.97 male(s)/female (2008 est.)

এইহানেই তো পরিষ্কার যে জন্ম হইতে ৬৪ বছর পর্যন্ত বয়েসের পোলার সংখ্যা মাইয়াগো তুলনায় বেশী। ৬৪ বছরের বেশী বয়সের যাইয়া মাইয়াগো সংখ্যা বেশী হইছে। তাইলে, একন কতা হইলো গিয়া মাইনসে বিয়া কি ৬৪ বছর বয়সের পরে করবো????

এগুলান বালের আলাপ ছাড়া আর কি???
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত যে রেশিও দিয়েছেন, সেই বয়সে নারী-পুরুষ প্রাপ্তবয়স্ক হয় না। কাজেই বিয়ের প্রশ্নই উঠে না।
১৫ থেকে ৬৫+ বয়সের অনুপাতে দেখা যায়, নারী পুরুষ হয় সমান নতুবা নারীর সংখ্যা বেশি। ৬৪ বছর বয়সের পরে বিয়ে করতে সমস্যা কোথায়?

২৫. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮
এমিল বলেছেন:
৬০ বসরে লোকে হয়না বুড়ো
আসল পেমের বয়স এইতো শুরু
৪০ গেলো ৫০ গেলো
৬০ বসরে পেমের জোয়ার এলো
২৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১১
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আরিফ ভাই,
আমি যে লিংকটা দিয়েছি সেটা দেখেন - ৫১ লাখ নারী বেশী পাবেন পুরুষের চেয়ে। আর আপনি যে বলেছেন বয়সের কারনে বিবাহ যোগ্য নয় - আপনি কি মনে করেন বিয়ে শুধুমাত্র যৌনতার জন্য প্রয়োজন? বৃদ্ধ বয়সে কি সবাই একা একা থাকতেই পছন্দ করে?

আর আপনি কি ভ্রুন হত্যা সমর্থন করেন? বর্তমানে নারী হবার কারণে যে ভ্রুন নস্ট করা হয় তা যদি করা না হত, তাহলে পৃথিবীতে পুরুষের চেয়ে নারির সংখ্যা কি আরো বেশী হত না?
২৭. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
ধুর, এগুলানের কি জোবাব দিমু....
পুরাডাই ফাউল।


হালায় কয়, নারীর সাম্নে নাকি দুইডা রাসতা আছে... বিবাহিত পুরুষরে বিয়া করোন নাইলে পতিতাবৃত্তি করোন (public property),....

এগো কালচারই এমন....
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: যদিও লেখাটি আমার নয় তবুও আমার মনে হয় কথাটি যুক্তিসঙ্গত। আপনি কি আরও ভাল কোন উপায় বলে দিতে পারবেন? যদি পারেন তো জানান। আবার প্রশ্নটি করছি, যদি কোন নারীর বিয়ে না হয় তবে তাকে সামাজিক নিরাপত্তা কে দেবে? তার অর্থনৈতিক চাহিদা কে পূরণ করবে? আপনি কি মনে হয়, বখাটে চরিত্রের লোকেদের সাথে যুদ্ধ করে সেই নারী একাকী জয়ী হতে পারবে?

২৮. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: নিরুদ্দেশ নীহারিকা,
যদি কোন নারী অন্য কারো দ্বিতীয় স্ত্রী হতে রাজি না থাকেন - ইসলাম তাকে কখনই বাধ্য করবে না। তবে কিছু কিছু অবস্থা এমন হয় যখন নারীরাই বাস্তবতার প্রয়োজনে অন্য একজনের দ্বীতিয় স্ত্রী হতে রাজি থাকে। যেমন যে নারির অল্প বয়সে স্বামী মারা গেছে বা ডিভোর্স হয়ে গেছে এবং কোন অবিবাহিত যুবক তাকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না - এ'রকম অবস্থায় সারার জীবন একা থাকার চেয়ে অনেকেই কোন সক্ষম পুরুষের দ্বীতিয় স্ত্রী হওয়াকেই পছন্দ করবে - শুধুমাত্র সেইসব পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই ইসলামে বহুবিবাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে - কোন অবস্থাতেই তা বাধ্যতামুলক নয় - আগের স্ত্রীদের সম্মতি ছাড়া নয় এবং যাকে বিয়ে করা হবে তার অনুমতি ছাড়া তো প্রশ্নই আসে না।
২৯. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন: নিরুদ্দেশ,

ইসলামে ব্যাক্তিগত হিসাবনিকাশের চেয়ে সমষ্টিগত মুল্যবোধের বেশি দাম দেওয়া হয়। মেজর আন্ডারস্টেন্ডিংয়ে ভেজাল হয় কারন তুমি পরকালের কোনকিচুতে বিলিভ করো না। সো তুমার চিন্তাভাবনার লিমিট পারথিব ভোগীলাসের গনডির বাইরে জাবে না। যতদিন তুমার মাতায় এটা না ঠুকবে ততদিন তুমার কাছে এইসব মালটিমেরিজ বিষয়গুলা মানতে ইচ্চা করবে না। একন পোরোশনো করতে পারো পরকালে বা দরমো বিশ্বাস কেনো করমু? তাইলে মেলা কাহিনি.......


আর আয়েশা কচি বৈলা তারে বেহসি ফেবার করছে সেটা যে হাদিসে পাইছো সেটার পিছনের কাহিনি পৈরো বালা কৈরা। তরকে যেতার লাইগা আবালের মত পেচাল পাইরো না।
৩০. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২০
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
আপনেগো কেডায় কইছে যে, ভ্রূণ হত্যা না হইলে নারীর সংখ্যা পুরুষের চাইতে বেশী হয়া যাইতো????


যে যুক্তরাষ্ট্ররে নিয়া আপনেরা মাতামাতি করতাছেন, সেইহানেও দ্যাহেন জন্মকালীন মাইয়াগো রেট কম।

এইসব ফালতু কিচ্ছা বাদ দ্যান.....
৩১. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২১
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: বিবাহের বয়স যদি ১৮ হয়, তা হলে নারীর সংখ্যা পুরুষ থেকে ৬০ লক্ষ বেশী ( আরিফ সাহেবের দেওয়া লিংক অনুসারে এবং তা জুলাই' ২০০৭ ) ।
আর কাঙ্গাল মুরশিদ সাহেবের দেওয়া লিংক অনুসারে সেটা ৬৫ লক্ষ এবং তা ২০০৮ ।
৩২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২২
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
সাদিক্যা,
তুমি কও দ্যাহি, আয়েশারে ক্যান বেশী ফেবার করছে?????


৩৩. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "যে যুক্তরাষ্ট্ররে নিয়া আপনেরা মাতামাতি করতাছেন, সেইহানেও দ্যাহেন জন্মকালীন মাইয়াগো রেট কম।" কেন কম? প্রবাবিলিটি অনুসারে তো সমান হবার কথা - তাহলে কম কেন? এটাই কি প্রমান করে না যে ভ্রুন হত্যার মাধ্যমে মুলত নারী শিশুদেরই হত্যা করা হচ্ছে?
৩৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন: তুমার যে কারনে পিতপিতানি হেইডা, নিয়া সেই কারনেই .......মাগার জিনিসটারে পজিটিভলি দেকো না কেন? টিনএজার মাইয়া আবেগ বেশি থাকপো বাত্তিগুলার চেয়ে!! ঠিক কৈ নাই?

পোরোশনো করো কচি বিয়া করলো কেন? সেটা না কৈরা বিয়ার পরের পেচাল পারো কেন?

১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার ভাষার প্রয়োগ ঠিক বুঝতে পারছি না।

৩৫. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
ফিউজিটিভ বলেছেন: আরিফ সাহেবকে এখন আর পাবেন না। @ খায়রুল

তারপর জনাব তৌসিক আহম্মেদ, ছাত্র, কেমন লাগছে? গালাগালি খেতে?
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: আসলে বিষয়গুলো কে কিভাবে গ্রহণ করে তার ওপর নির্ভর করে। যদি মনে করেন গালাগালি তবে তাই। যদি মনে করেন, নানা মানুষের মন্তব্য করার পদ্ধতি তবে তাই। যদি মনে করেন, নানান জনের নানান ভাষা তবে তাই। ধন্যবাদ।

৩৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
সওদা যহন বুড়ি হইলো, তহন ক্যান হেয় তার পালা আয়েশারে দিলো???

মুহম্মদ সওদারে তালাক দেবার চাইছিলো ক্যান??? বুড়ি হইলে তালাক দেওনের কি মানে??? সওদা নিজের ভাগ মুহম্মদের প্রিয় বউ আয়েশারে দিয়া তালাক ঠেকাইলো- এই ঘটনারে আপনাগো ক্যামন লাগে????


সাফিয়ার উপ্রে একবার মুহম্মদ চইটা গেছিলো, তহনও সাফিয়া মুহম্মদের রাগের হাত থাইক্যা বাচোনের লাইগ্যা নিজের এক রাতের ভাগ আয়েশারে দিছিলো ক্যান??

৩৭. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
সাদিক্যা,

কচি বিয়ার পোরোশনো তো আছেই, তয় এই পুশটের লগে প্রাসঙিক করোনের লগে, ঐ ডা আইছে....

হেয় যে কইলো, ন্যায়বিচারের গালগল্প....
৩৮. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
মুরশিদ্যা,

আপনের কতা মতন যুক্তরাষ্ট্রেও নারী ভ্রূণ হত্যা করা হইতাছে তাইলে!!!
আর, পুশট ডাতা কইতাছে যে, আমাগো লাহান দ্যাশগুলাতে ভ্রূণ হত্যা না হইলে নাহি আম্রিকার লাহান মাইয়াগো সংখ্যা বেশী হইয়া যাইতো....


আপ্নে আম্রিকার নারী ভ্রূণ হত্যার কিছু প্রমানাদি হাজির কোরবার পারবেন কি???????
৩৯. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
টিনএজার মাইয়া আবেগ বেশি থাকপো বাত্তিগুলার চেয়ে!! ঠিক কৈ নাই?
-------------

সাদিক্যা,

টিন এজার মাইয়্যার আবেগ বেশী থাকলেও থাকবার পারে, মাগার মুহম্মদও টিনএজারের লগেই বেশী এনজয় করতেন.....
৪০. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: নিরুদ্দেশ নীহারিকা,
আপনি অপ্রাসঙ্গিক ভাবে অন্য কথায় চলে যাচ্ছেন কেন?
এখানে মুহাম্মদ ( স: ) এ বিয়ে নিয়ে কথা হচ্ছে না, কথা হচ্ছে স্বাধারণ মানুষের বহু বিবাহ নিয়ে। মুহাম্মদ ( স: ) এ জন্য অনেক কিছুই ব্যাতিক্রম ছিল - তাঁর স্ত্রীদের অন্য কার বিয়ে করা নিষিদ্ধ ছিল। ব্যাতিক্রম নিয়ে আলোচনা না করে স্বাধারণভাবে বহু বিবাহ নিয়ে আলোচনা করুন। যে যুক্তিগুল উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলো খন্ডন করুন।
আর আরিফ ভাই তো নিজের দেয়া লিংকেই ধরা খেয়ে ভেগেছে - আপনিও যদি যৌক্তিক কিছু না পান, কাথা না বাড়িয়ে আরিফ ভাইকে অনুসরন করুন। আজে-বাজে কথা বলে ব্লগের পরিবেশ নস্ট করবেন না।
৪১. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪১
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন: তুমার কতা শুইনা হাসতে হাসতে পাদ আইসা পরছে......বেক্কেলের মত লজিক খুজো.....

আয়শা আর সওদার চুলাচুলি বালাই মুখস্ত করছো......বিবিগো লগে মুহাম্মদের বালা দুএকটা জিনিশ কও দেকি জানো কিনা...রাইতের সোহাগে কারো ঘাটতি পরছে কিন হুনছো? এতগুলান বিবির শুকের কয়ডা ঘটনা জানো? খালি বিষ্টা টুকাও কেন?

৪২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: মোদ্দা কথা হইলো, ইসলাম পূর্ব সংন্কার-কুসংস্কার, অনাচারগুলি (যেমন বহুবিবাহ, দাসপ্রথা) উপেক্ষা না করাতে না পাইরা সাইজ কইরা 'মুবাহ' বানাইছে।
১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: বহুবিবাহের প্রয়োজন রয়েছে তবে তার সংখ্যা নিজের ইচ্ছেমত নয়। আর ইসলামে দাসপ্রথাকে অনুমতি বা উৎসাহ কোনটিই দেয়া হয়নি।

৪৩. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
মুহাম্মদ ( স: ) এ জন্য অনেক কিছুই ব্যাতিক্রম ছিল - তাঁর স্ত্রীদের অন্য কার বিয়ে করা নিষিদ্ধ ছিল।

কেন রে ভাই? আমি একজাকটলি নবীরে ফলো করতে চাই। নিয়মনীতি তার বেলায় ভিন্ন কেন?
৪৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: জুনায়েদ ভাই,
বুঝতে পারছি আপনি প‌্যাচাতে চাচ্ছেন।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে রসুল( স: )কে হুবোহু অনুসরণ করা সম্ভব নয়। কারণ তিনি আল্লাহর মনোনিত রাসুল ছিলেন - আমরা শুধুমাত্র তার নির্দেশ পালন করতে পারি মাত্র। যেমন ধরুন ইবাদতের কথা। রাসুল( স: ) আমাদের চেয়ে অনেক বেশী ইবাদত করতেন - রাতের অধিকাংশই তিনি ইবাদত করে কাটাতেন - আপনি আমি কি তা পারব? তাছাড়া রসুল( স: ) এর অনেক মুজেজা ছিল যা আমাদের পক্ষে কল্পনাও করা সম্ভব না। সুতরাং বাজে কথা বাদ দিয়ে সহজভাবে বুঝতে চেস্টাকরুন বুঝতে পারবেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়াত দিন- আমীন।
৪৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৯
বিবেক সত্যি বলেছেন: তৌসিক আহম্মেদ, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এমন চমৎকার একটা পোষ্টের জন্য । পরবর্তী পর্বগুলোর অপেক্ষায় রইলাম...

রিলেটেড পোষ্ট

রসুল সা. এর চারের অধিক বিয়ে প্রসংগ
৪৭. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
মহাজাগতিক বলেছেন: িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
The following is a short introduction the Prophet's (peace and blessings be upon him) wives, the years of marriag,e and possible reasons for the marriages. Except for Khadijah and Zainab bint Khuzayma, all of Muhammad's wives died after him:


লিংকঃ Click This Link


উপ্রের লিশটির মাইয়াগুলানের হগ্গোলে কি তাইলে মুহাম্মদের বউ না??? তয় আপনেই কন, এগো মইদ্যে কোন ৪ডা মুহাম্মদের বউ??????
==========


আমার জানামতে মুহাম্মদ (সাঃ) এর স্ত্রী ৪ এর অধিক ছিলেন কিন্তু একসঙ্গে ৪ এর অধিক নয় কখনও। নির উদ্দিশ নিহারিকা যে লিংক দিয়েছে তাতে কিন্তু এ কথাগুলিও লেখা ছিল।
He married other women after the death of his beloved wife, Khadijah. However, he did not marry out of lust or passion. His decisions to get married were made to create an alliance for the sake of his people, for some benefit of his followers, or to protect widows. It is noteworthy to mention that all but one of his wives were widows when he married them. He married for humanitarian, political, and social reasons and not for selfishness or greed.

He tried to balance his political, social, and family life in a way that no one was neglected.

আর
Except for Khadijah and Zainab bint Khuzayma, all of Muhammad's wives died after him:

এখানে died after him কথার অর্থ মুহাম্মদ সাঃ এর স্ত্রীরা মুহাম্মদ সাঃ মৃত্যূর পর মারা গিয়েছিলেন তা নয়। বরং 'ডায়েড আফটার হিম' কথার অর্থ তারা সকলেই মুহাম্মদ সাঃ এর স্ত্রী হিসেবেই মারা গিয়েছিলেন। ডিভোর্স বা অণ্য কারণে মুহাম্মদের স্ত্রীত্ব কে ত্যাগ করেন নি।

স্বভাবগত নিন্দুক না হলে যে কেই বিষয়গুলি বুঝতে পারবে।
৪৯. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন: মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: বিবাহের বয়স যদি ১৮ হয়, তা হলে নারীর সংখ্যা পুরুষ থেকে ৬০ লক্ষ বেশী ( আরিফ সাহেবের দেওয়া লিংক অনুসারে এবং তা জুলাই' ২০০৭ ) ।
আর কাঙ্গাল মুরশিদ সাহেবের দেওয়া লিংক অনুসারে সেটা ৬৫ লক্ষ এবং তা ২০০৮ ।
-------------->>>>>>>>>>>

এইহানে একডা বড় রকম ফাকি আছে....

আপনে ঐ লিংকে আরেকবার দ্যাহেন....

১৮ বছরের বেশী বয়সীগো মইদ্যে নারীর সংখ্যা পুরুষগোর চাইতে ৬০ লাখ বেশী, আবার ৬৫+ গো মইদ্যেই নারীর সংখ্যা ৫৯ লাখেরো বেশী। তাইলে দাড়াইলো ১৮ হইতে ৬৫ পর্যন্ত বয়সীগো মইদ্যে নারীর সংখ্যা ১ লাখ বেশী। আরেক লিংকে হেই কারণে কইছে ১৮ হইতে ৬৪ পর্যন্ত বয়সীগো মইদ্যে নারী-পুরুষগো অনুপাত ১:১।


অহন আপনাগো কতা মতো কি করোন লাগবো জানেন?
৬৫+ নারীগো মইদ্যে যাগো স্বামী মরছে, তাগো ৬৫- পুরুষগো লগে বিয়া করোন লাগবো!!!!

তো, কি কন? আপনাগো কারো মা বিধবা হওনের পর আরেক বেটার লগে বিয়া দিয়েন, যার অলরেডি এক/একাধিক বউ আছে....
৫১. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৪
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
আমার জানামতে মুহাম্মদ (সাঃ) এর স্ত্রী ৪ এর অধিক ছিলেন কিন্তু একসঙ্গে ৪ এর অধিক নয় কখনও।

-----

এই আবালগুলানের সাথে কি ডিবেট করুম.....
বালের আগামাথা কিছুই জানে না, আবার কয় আমার জানামতে.....


হালার ফুতে, ঐ খানে ভালো কইরা দ্যাহো ... বিয়ার সাল দেওন আছে.....

কোন সালে কয়ডা বিয়া করছে, চাইয়া দ্যাহো.....


এট এ টাইম মুহম্মদের ৯ ডা বউ আছিল। সেই ৯ জনের লগে ৯ ডা আলাদা বানদা টাইমও আছিল....। তয় সওদার মেনোপেজ হওনের পর মুহম্মদ হেরে তালাক দিবার চাইছিল, তারপরে সওদা আয়েশারে নিজের ভাগ দিয়া দেওনে তালাক দেয় না। হের পর থাইক্যা মুহম্মদ ৮ বউ এর সাথে রাত কাটাইতো, তয় আয়েশার লগে এক রাত বেশী কাটাইতো....
৫২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: বিবাহের বয়স শুরু হয় ১৮ বছর থেকে । মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিয়ে করতে পারে ।
৫৩. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
আবালডা আবার ডায়েড আফটার কতাডার উপরে বেশি জুর দিছে.....।

আবালডা ডায়েড আফটার খাদিজা এই কতাডা কি পড়ে নাই???

হগগোলেই জানে যে, খাদিজা বাইচা থাকতে মুহম্মদের বুকের পাডা আছিল না অন্য কোন মাইয়ার দিকে হাত বাড়ানোর......

তাই খাদিজা মরার লগে লগে কাম শুরু কইরা দ্যায়....
২৫ থাইকা ৫০ খালি খাদিজা, আর যেই খাদিজা যেই মরলো, অমনি মাত্র ১০/১২ বছরে ডজনের উপরে বিয়া, দাসীর সাথে যৌন কর্ম (এক দাসীর প্যাটে তো এক পোলা ইব্রাহীমও জন্মাইছে), উপপত্নী... ইত্যাদি কত রঙ্গ যে করছে.......
৫৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩
িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন:
বাসার মিয়া,

খুব ভালা কতা কইছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিয়া করোন যায়!!!

তো ৬৫ এর পরে যারা বিয়া করবো, তাগো ব্যাপারে কি কন- হেইডা কি তাগো ফার্স্ট না পরবর্তী বিয়া????

৬০/৬৫ বছর পর্যন্ত অবিবাহিত/ অবিবাহিতার পার্সেন্টেজ কত? আর, ৬০/৬৫ পর্যন্ত অবিবাহিত থাইক্যা নতুন কইরা বিয়ার পিড়িতে বসোনের পার্সেন্টেজডাও কত আমারে একটু কইয়েন.....
৫৫. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: আচ্ছা, আম্রিকার কথা বাদ দেন, সারা পৃথিবীর হিসাবে আসেন... (আফটার অল, ইস্লাম নাকি সার পৃথিবীর জন্যে 'সুইটেবল' এবং 'পরিপূর্ন জীবন বিধান'..

Click This Link

এই লিঙকে দেখেন পুরা দুনিয়ায় বিবাহযোগ্য এবং প্রজননসক্ষম নারীর সংখ্যা আসলে পুরুষের তুলনায় কম।

কিন্তু যেহেতু একজন মহিলা পুরুষের চেয়ে অন্ততঃ চার বছর বেশি বাঁচে.. সামগ্রিক বিচারে নারীরা অনুপাতে বেশি দেখায়!


এখন হুজুররা যদি বলে ঠিক আছে ৬৫ এর ওপরে ৪ বিয়া জায়েজ, আমার কোন আপত্তি নাই, কারন হুজুররা এমনিতেই পারভার্ট... ;)

আর যাকির নাইক হারামজাদা কোন মুফতি না যে তার কোন অধিকার আছে ইসলাম নিয়া কথা বলে, এমনকি সে স্কলারও না। জানে খালি গোঁজামিল দিয়ে প্রলাপ বকতে!

কিন্তু যেহেতু সে সেমি অশিক্ষিত, সুতরাং বাংলাদেশের মাদ্রাসা পাস শিবিরের ছাগল গুলা তারে মাথায় তুইলা রাখবে...

এজন্যই গোপালভাঁড় বলিয়া গিয়াছিলো.. 'রতনে রতন চেনে... শুয়োর চিনে কচু'...।
৫৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আরিফ ভাই,
শুয়োরে তো কচু চিনে, আপনি কি চিনেন?
আপনাদের গুরু ড.উইলিয়াম ক্যাম্পবেল যখন ড.যাকির নায়েকের কাছে বিতর্কে হেরে গেলেন তখন আপনি সাহায্যের জন্য গেলেন না কেন?
ড.যাকির নায়েক মুফতি না বলে তার কথা বাতিল করে দিচ্ছেন আবার মাদ্রাসা পড়া লোকদেরও গালি দেন - আসলে আপনি কি বলছেন নিজেই কি জানেন? মাদ্রাসা পড়া মুফতি হলে কি আপনি তার কথা শুনতেন?
ড. যাকির নায়েক শুধুমাত্র বিভিন্ন ধর্ম বোঝার জন্য আরবী, সংস্কৃত, হিব্রু এমনকি গ্রীক ভাষা পর্যন্ত শিখেছেন - আপনি সবজান্তা পন্ডিত কয়টা ভাষা শিখে ধর্মের কয়টা বই আসল ভাষয় পড়ে তাঁর বিরোধিতায় নেমেছেন? সমালোচনা তো সমানে সমানে হয় - আগে তার সমান হন - আই.আর.এফ এবং পিস টিভিরমত প্রতিস্ঠান গড়ে তুলন তারপর কথা বলতে আসুন। আপনাদের হম্বিতম্বি দেখলে বাংলা একটা প্রবাদ মনে পড়ে যায়: হাতি ঘোড়া গেল তল, আরশোলা কয় কত জল?
৫৭. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: বিয়ে হচ্ছে পুরুষ ও নারী যৌন সম্পর্ক বৈধতা দেওয়া ।
যৌন সম্পর্ক বয়স নয়, সমর্থনের উপর নির্ভর ।
আজকাল যৌন সমর্থন বাড়ানোর জন্য অনেক ঔষধ আছে । সম্প্রতি কিউবার সরকার বয়স্কদের যৌন সম্পর্ক স্হাপনের উৎসাহিত করছে এবং সে জন্য যৌন সমর্থন বাড়ানোর ঔষধ বিনামূল্যে দিবে ।
৫৮. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২
অনর্গল বলেছেন: রাসূল (সা) বিয়ে তো জোর করে করেননি। পাত্রী পক্ষের পূর্ণ সম্মতি নিয়ে করেছেন। আর অসুবিধা নাই বিয়ে আপনি একশ টা করেন। তাো পাত্রীদের সম্মতি নিয়ে করবেন।

নিজের বোনকে ২/৩ বউ আছে এমন লোকের সাথে বিয়ে দিতে না চাইলে দিবেননা। আপনি তো এমন ভাবে বলছেন যেন ইসলাম ২/৩ বউ আছে এমন লোকের কাছে মেয়ে দেয়া বাধ্যতামূলক করেছে। তা তো না।

লেখকের দেয়া সংখ্যায় বেশ কম থাকতে পারে । কিন্তু তার দেয়া যুক্তিটাতো ঠিক। মেয়েদের সংখ্যা বাড়ছে এবং বাড়বে। সামান্য একটা স্ট্যাট নিয়ে মারামারি করার কি হল। লেখক তো আর বহুবিবাহের ক্যাম্পেইন করছেন না। পাত্রীর যদি ইচ্ছা না হয় এমন বিয়ে করার তবে করবে না। জোর করছে না। তাহলে সমস্যা কি?

৫৯. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: আরশোলা পানিতে ডোবে না, এই কথাটা জান তো কাঙাল?

মাদ্রাসাফেরৎ বলছি, কারন তুমি খালি শেষের প্যারা নিয়াই ফাল পাড়তেস!

এর উপ্রে যুক্তি ও উপাত্ত সহকারে যে গজাল দেয়া হইলো সেই ব্যাপারে কিছু বলার আছে?

আর ক্যাম্পবেলের ব্যাপারে তোমাগো সেই 'তালগাছ আমার' তরিকা নিছো!! এইখানে দেখ... Click This Link

আলী সিনা'র লগে তর্কে গেল না কেন তোমাগো 'পন্ডিত' যাকির মিয়া?

কওতো দেখি...?
৬০. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আরিফ ভাই,

এইটা আপনি কি লিংক দিলেন। এটা তো আপনার চেয়েও ইসলাম বিদ্বেষী একটা সাইট। এ'রকম হাজার হাজার সাইট বানানো হয়েছে ইসলামকে হেয় করার জন্য - তাতে কি প্রমান হয়? আসলে আপনার কথাই ঠিক "রতনে রতন চেনে শুয়োরে চেনে কচু" - আপনিও সেই নিজেরমত আর এক ইসলাম বিদ্বেষীকেই চিনেছেন। আল্লাহ যে কবে আপনাদেরমত সবজান্তাদের হেদায়াত দেবেন তিনিই জানেন।
৬১. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩০
আরিফুর রহমান বলেছেন: এইটা আলী সিনা'র সাইট... যাকির নায়িকের যাদুটোনা সাইজ করার জন্য এইটাই যথেষ্ট!!

আচ্ছা, এই লি্ঙ্কটা দেখ তাইলে... (ইসলামী লিঙ্ক.. )http://hasnain.wordpress.com/2008/01/15/zakir-naik-and-his-misguided-sayings-create-controversy/



আর উপাত্ত নিয়া ধুনফুন বিষয়ে দেখি খালি পিছলাইতেছ!! কাহিনী কি?

৬২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২
জাহান৮২ বলেছেন: ধন্যবাদ।
প্লিজ,লিখতে থাকুন।
বন্ধ করবেন না।
যারা তর্কের খাতিরে তর্ক করে তাদের ছেড়ে দিন।
সত্যপ্রিয় দের জন্য সত্যই যথেষ্ঠ।
৬৩. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২
ত্রিভুজ বলেছেন: চমৎকার লেখা। লেখাটা [http://www.somewhereinblog.net/group/islam|ইসলাম গ্রুপে] মুভ করলে আরো অনেকের চোখে পারতো। পোস্ট এডিট করে নিচ থেকে গ্রুপ নির্বাচন করে সংরক্ষন করুন। (গ্রুপের সদস্য না হয়ে থাকলে সদস্যপদের জন্য আবেদন করুন।)


আশা করি নিয়মিত লিখবেন। আপনার উপর শান্তি বর্ষত হোক।

৬৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: যাক আপনি তাহলে স্বীকার করলেন যে আগের লিংকটা ভুল ছিল - ইসলাম বিদ্বেষী সাইটে ঘুরেঘুরে মাথাটা একেবারে গেছে। এইবার লাইনে আসা শুরু করছেন - আশা করি আস্তে আস্তে মাথাটা আরো ওয়াশ হবে।

এবার দিয়েছেন একটা ইসলামী সাইটের লিংক - তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন যাকির নায়েকের বিরোধিতা করছেন এজন্য যে তিনি ইসলামকে বিকৃত করেছেন? ইসলামী বিশেষজ্ঞরা তার সমালোচনা করেছেন, তাই তো? তার মানে আপনি সঠিক ইসলামের পক্ষে? ড. যাকির নায়েক সঠিক ইসলামের কথা বল্লে আপনি মানতেন, কি বলেন?

আগে একবার অভিযোগ তুলেছেন তিনি মাদ্রাসা পাস মুফতি না - আমি প্রশ্ন করেছিলাম মুফতিদের কথা আপনি মানেন কি না? তিনি মুফতি হলে তার কথা মানতেন কি না? উত্তর দিতে পারেন নি।

আসলে আপনি আছেন এক মহা-বিভ্রান্তির মধ্যে। নিজেকে দাবি করেন নাস্তিক বলে অথচ জানেন না সেটা বিশ্বাস না বৈজ্ঞানিক সত্য।

যাই হোক - উপাত্তের ব্যাপারে অনেক কথা অন্য ব্লগাররা বলেছে - দেখে নিন - এখানে সংখ্যার চেয়ে যুক্তিটাই আসল - যদি বুঝতে চান।

আর এখন যে ভ্রুন নস্টের মাধ্যমে মেয়ে শিশুহত্যা করা হচ্ছে সে ব্যাপারেও আপনার কোন মতামত নেই। তার মানে কি সেই জাহেলী যুগেরমত এই যুগের আধুনিক নিয়মের নারী শিশু হত্যা আপনি সমর্থন করেন?

দেখুন - জন্মের সময় ছেলে/মেয়ের হার ১০৫/১০০ কিন্তু ১৮ বছর বয়সেই তা ১০০/১০০ হয়ে যাচ্ছে। যদি ভ্রুন হত্যা না হত - তাহলে প্রবাবিলিটি অনুযায়ী সমান সংখ্যক মেয়ে এবং ছেলে শিশুর জন্ম হত এবং তারা প্রাপ্ত বয়ষ্ক হবার সময় মেয়েদের সংখ্যা অবশ্বই ছেলেদের চেয়ে বেশী হত।
৬৫. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০
আরিফুর রহমান বলেছেন: কাঙ্গাল, ইসলাম বিদ্বেষী বলে কিছু নাই আসলে... নাস্তিকতা আছে! সেইটা সমান সব ধর্মের ব্যাপারে।

বিতর্ক আসলে জমতো নাস্তিক আর আস্তিকের মাঝে... দুই আস্তিকের মাঝে আসলে আপসে বোঝাপড়া হয় অথবা শেয়ার নিয়া কুত্তার কামড়াকামড়ি হয়! ক্যাম্পবেলের সাথে যেইটা হইছে।

আলী সিনার লগে বিতর্ক টা যদি হৈতো, যাকির ঐখান থেকে জামাকাপড় নিয়া ফিরতে পারতো কিনা সন্দেহ! কিন্তু সে ঐদিকে সে পা ও বাড়ায় নাই,

কেন?

ডরাইছে নাকি?



তুমি যেহেতু 'তালগাছ' ধৈরা বৈসা আছো.. এতো উপাত্ত দেওয়ার পড়েও ভ্রুন হত্যার মতো রেয়ার বিষয়রে বিশাল কৈরা দেখাইতেছো.. (আর কি বলবো.. শুয়োর আসলেই কচু ছাড়া কিছু চিনে না! ;)

১৮ বছরেও রেশিও ১:১ না, পুরা দুনিয়া গড় করলে সবসময়ই পুরুষের সংখ্যা বেশি দেখা যায়, শুধু মাত্র পয়ষট্টি'র উপ্রে গেলেই নারীর সংখ্যা বাড়ে।

তোমগো মিথ্যার জাদুকর যাকির মিয়া এইটারেই টুইস্ট কইরা তোমগো মাথায় ঢুকাইছে, ফলে ১৪০০ বছর আগের যেই এক গাছ তোমরা এখনো উঠায়া ধরতেছ খায়া না খায়া, ওইটা যে মইরা গেছে, ঘুনে ধইরা জারেজার তার দিকে কোন খেয়াল ই নাই!!!

কবে যে মতি ফিরবো তোমগো...!!

৬৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আরিফ ভাই,
আপনি তো ঠিক মত বলতেই পারলেন না নাস্তিকতা কি জিনিস, এটা বৈজ্ঞানিক সত্য না বিশ্বাস। তাহলে আপনাকে ইসলাম বিদ্বেষী না বলে খাটি নাস্তিক বলি কিভাবে?

আমি যে লিংটা দিয়েছিলাম সেখানে স্পস্ট করে দেয়া আছে জন্মের সময় অনুপাত ১০৫/১০০ আর ১৮ বছরে ১০০/১০০ - এটা আমেরিকার হিসাব। আর ভ্রুন হত্যা কি সারা পৃথিবীতে হচ্ছে না? তাহলে বলুন জন্মের সময় ছেলে-মেয়ের অনুপাত ১০০/১০০ না হয়ে ১০৫/১০০ কেন হচ্ছে? প্রবাবিলিটি অনুযায়ী তো ১০০/১০০ হবার কথা। সেটা নাহয় ১০১ বা ১০২ হোক, ১০৫ কিভাবে হল? নাকি যাকির নায়েককে মিথ্যা প্রমানের জন্য আল্লাহ বেশী করে ছেলে শিশু সৃস্টি করছেন?

আমাদের ১৪০০ বছরের আগের গাছ বেচে আছে কি না সেই চিন্তা না করে অতি নিশ্চিত মৃত্যুর পরে যদি দেখেন বিচারের সামনে দাড়াতে হচ্ছে তখন কি বলবেন সেই চিন্তা করেন। চুরি-ডাকাতি-সন্ত্রাস-ধর্ষন খুবই মজার যদি ধরা না পরে - নাস্তিকতাও তেমনি জবাবদিহিতার দ্বায়িত্বহীন মহা আনন্দের - ভোগ বিলাশের, কিন্তু ধরা পরলে খবর আছে - সোজা জাহান্নামে।

আজকেরমত অফিস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছি - পরে আবার কোন এক পোস্টে কথা হবে - ভাল থাকুন।
৬৭. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: বাব্বাহ!!

নাস্তিকতার সংজ্ঞা জাইনা কি করবা? নাস্তিক হওনের ইচ্ছা আছে নাকি? দুঃখের বিষয় তোমারে দিয়ে ঐটা হবে না, গাধা পিটায়া ঘোড়া বানানো গেলেও তোমারে দিয়া ঐটা হবে না... ;)

আর খুব বেশি জানতে ইচ্ছা করলে ডিকশনারী দেখতে পারো!


এইবার আসো রেশিও কেন ১.০৫:১

এইখানে দেখ, উত্তর পাইবা.. Click This Link

(তোমার মাথায় এইটা ঢুকবে বলে আশা করি না অবশ্য!)



হুমম.. প্রমান কর যে মৃত্যুর পরে আদৌ বিচার নামে কিছু আছে কিনা!

আর যদি থাকেও বেহেশত নামের গনিকালয়ে যাইবার কোন ইচ্ছা নাই, সেইখানকার কাহিনী যা শুনি.. মদ আর নারীর নাকি ছড়াছড়ি.. স্বয়ং ভগবান নাকি তার মক্ষীরাজ... ছ্যা ছ্যা ছ্যা!

এই দুনিয়াতেই তো ভদ্রলোকে ঐদিকে যায় না!!


আমার কাছে তো জাহান্নামের আগুন ই বেশি এক্সাইটিং মনে হয়, এডভেঞ্চার টাইপের একটা ব্যপার আছে.. হাহাহাহা


শোন.. নাস্তিক হৈতে হইলে যেই কোমরের জোর দরকার হয়, নিশ্চত জানা যে মৃত্যুই শেষ, সেই নার্ভ তোমাদের কোনদিনও হবে না...

সুতরাং এইসব আলাপে লাভ নাই।


মরনের পরে কি হবে সেই জন্য এই সুন্দর জীবনটাকে তোমরা দুর্বিষহ বানায়ে রাখছ, নিজের এবং অন্যের..

কবে যে চোখ খুলবে তোমাদের...!! :(

৬৯. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৩০
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পোস্ট পড়লাম, সাথে সাথে কমেন্টগুলোও। লিংকে দেয়া মাহমুদ রহমানের পোস্টেও চোখ বুলিয়ে আসলাম। পোস্টের মূল বক্তব্য খুবই জঘণ্য, এভাবে বহুবিবাহের পক্ষে আজকের যুগে ধর্মান্ধদের পক্ষেই করা সম্ভব!!

এবং একজায়গায় দেখলাম পোস্টদাতা লিখেছেন ১:১ বিয়ে হলে বাড়তি নারীদের সামনে সতীনের ঘর না করলে একটাই উপায় আছে, আর সেটি নাকি পাবলিক সম্পত্তিতে পরিণত হওয়া!! খুব নিমক্নরুচির লোক না হলে এভাবে কি কেউ ভাবতে পারে??

চমৎকার আলোচনা করেছেন আরিফুর ও নিরুদ্দেশ নীহারিকা। তাদের ধন্যবাদ, এবং মোটামুটি তাদের সাথে একমত (যদিও নীহারিকার ভাষার ধরণটি যথেস্টই আপত্তিকর!)।

মন্তব্যগুলোতে যতখানি তথ্য-উপাত্ত পেলাম, সেখান থেকে দেখা যাচ্ছে যে, ১৮ থেকে ৬৪ বছর পর্যন্ত নারী পুরুষের অনুপাত সমান। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নারী-পুরুষেরা মোটামুটি ১৮-৪০/৪৫ বছর বয়সে তাদের প্রথম বিয়ে করে থাকে বলেই জানি। সেক্ষেত্রে এক পুরুষ এক নারী বিয়ে করলে অনেক নারীকে বিয়ে করার মত পুরুষ পাওয়া যাবে না বলে যে দাবী করা হচ্ছে তা অবান্তর।

আর, ৬৫ উর্ধ নারীদের সংখ্যা বেশী। সেক্ষেত্রে দুটো বিষয় হতে পারে। এক: এরা বিবাহিত কিন্তু স্বামী মারা গিয়েছে অর্থাৎ এরা বিধবা; অথবা এরা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কোন কোন কারণে বিয়ে করেনি।

এই অংশটুকু যদি স্বামীর ঘর করতে চায় তবে পুরুষ পেতে সমস্যা হতে পারে। বিধবাদের ক্ষেত্রে বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় সন্তান-সন্ততি, নাতিপুতি নিয়েই এমন ব্যস্ত এবং সামাজিক অবস্থা এমনই যে বিয়ে করা হয় না, বা বিয়ে করার চিন্তাই মাথাতে আসে না। কেননা, মেনোপেজের পরে শারীরিক চাহিদাটাও সেরকম থাকে না, ফলে সঙ্গী শুধু মানসিক সঙ্গের জন্যই প্রয়োজন হতে পারে, সেটা সামাজিক পরিমণ্ডলই পূরণ করতে পারে। আর যাই হোক পোস্টদাতার কথা মত অন্য বউ আছে এমন লোককে ৬৫ বছরের এক বুড়ি বিয়ে করতে না যাওয়ারই কথা, আর পাবলিক সম্পত্তিতে পরিণত হওয়াটা তো শুধুই পাগলের প্রলাপ।
আর ৬৫ বছর পর্যন্ত বিয়ে না করে থাকলে, ৬৫ বছর পার হওয়ার পরে বিয়ে করার জন্য উতলা হবে এমন সম্ভাবনাও কম দেখি। আর যদি ৬৫ বছরে এসে বিয়ে করতে মনস্থির করে শেষে পাত্র যদি নাই পাওয়া যায়, তবে সেটাও মনে হয় সেই নারী মেনেই নিবেন। পাবলিক সম্পত্তিতে পরিণত হওয়া বা সতীনের ঘরে প্রবেশ করার সম্ভাবনা পোস্টদাতার মত কিছু ধর্মান্ধের প্রভাবপুষ্ট নারী আত্মীয় স্বজনেরা ব্যতিত কমই দেখি।

৭০. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৩৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এভাবে বহুবিবাহের পক্ষে আজকের যুগে ধর্মান্ধদের পক্ষেই করা সম্ভব!!
==>>এর জায়গায় হবে====>>

এভাবে বহুবিবাহের পক্ষে যুক্তি করা আজকের যুগে ধর্মান্ধদের পক্ষেই করা সম্ভব!!
৭১. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
কাঙ্গাল মুরশীদকে একটি প্রশ্ন নিয়ে বেশ মত্ত থাকতে দেখলাম: সেটা হলো বিশ্বজুড়ে নারীভ্রূণ হত্যা না হলে নারীর সংখ্যা আরো বেশী হতো!!

এই নারী ভ্রূণ হত্যার বিষয়টি পরিষ্কার হলো না। ভ্রূণ নষ্ট করার কথা জানি, গর্ভপাতও নারীর অধিকার হিসাবে অনেক স্থানেই স্বীকৃত। কিন্তু নারী ভ্রূণ হত্যার বিষয়টি ক্লিয়ার হলো না। তার কথা মতো, যুক্তরাষ্ট্রে পুরুষ-নারী অনুপাত ১০৫:১০০ এটা নাকি ঐ নারী ভ্রূণ হত্যারই কারণে!! কিন্তু এ দাবীর পক্ষে কোন প্রমাণ হাজির করতে পারেন নি!! আশা করি তিনি তা হাজির করবেন।

৭২. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪৮
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আর, মুহম্মদ সা এর বহুবিবাহ নিয়ে সম্ভবত পোস্টদাতা ও মহাজগতিক অনেক কিছুই জানেন না। দাস-দাসী নিয়েও ইসলাম যুগের ঘটনাও সম্ভবত পোস্টদাতা জানেন না।

বিবেক সত্যি এসে মাহমুদ রহমানের একটি পোস্টের লিংক দিয়ে গেলেন, সেটিও অসত্য কথনে ভরপুর। সমস্ত কিছু নিয়ে একটি স্বতন্ত্র পোস্টই নাহয় দিবো। তবে ইদানীং মারাত্মক ব্যস্ত আছি, সময় করে কবে যে উঠতে পারবো জানি না....
৭৩. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:০০
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
জুনায়েদ সাদিক,

আপনি সওদা রা এর ঘটনাটিকে আয়েশা রা এর সাথে চুলাচুলির ঘটনা হিসাবে উড়িয়ে দিতে চাইলেন। অথচ, এটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ মুহম্মদ সা এর বিয়েগুলোর প্রকৃতি বুঝতে চাইলে।

কেননা সবসময়ই দাবী করা হয় যে মুহম্মদ সা এতগুলো বিয়ে করেছেন কেবলমাত্র ইসলাম প্রসারের স্বার্থেই (নারীদের মধ্যে ইসলাম প্রসার, বিরোধী পক্ষের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন, অসহায় নারীকে সহায় দান প্রভৃতি)- যৌনাকাঙ্খা পরিতৃপ্ত করার উদ্দেশ্যে নয়।

তখন স্বভাবতই এই প্রশ্নটি সামনে চলে আসে যে, তাই যদি হবে তবে কেন সওদা রা কে তিনি তালাক দিতে চাইলেন? সওদা রা যখন বয়স্ক হলেন তখন মুহম্মদ সা কেন তার সাথে সময় কাটানো, রাত্রি যাপনে অনাগ্রহ বোধ করবেন?

(যাহোক যারা ঘটনাটি জানেন না তারা সুরা নিসার ১২৮ নং আয়াতের শানে নুযুল/ তাফসীর পড়ে দেখবেন।)
৭৪. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৭
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপাতত ইবনে কাথিরের তাফসীর পড়তে থাকুন....

লিংকঃ Click This Link

Click This Link


Abu Dawud At-Tayalisi recorded that Ibn `Abbas said, "Sawdah feared that the Messenger of Allah might divorce her and she said, `O Messenger of Allah! Do not divorce me; give my day to `A'ishah.' And he did, and later on Allah sent down,
[وَإِنِ امْرَأَةٌ خَـفَتْ مِن بَعْلِهَا نُشُوزاً أَوْ إِعْرَاضاً فَلاَ جُنَاْحَ عَلَيْهِمَآ]
(And if a woman fears cruelty or desertion on her husband's part, there is no sin on them both) Ibn `Abbas said, "Whatever (legal agreement) the spouses mutually agree to is allowed.''. At-Tirmidhi recorded it and said, "Hasan Gharib''. In the Two Sahihs, it is recorded that `A'ishah said that when Sawdah bint Zam`ah became old, she forfeited her day to `A'ishah, and the Prophet used to spend Sawdah's night with `A'ishah. There is a similar narration also collected by Al-Bukhari. Al-Bukhari also recorded that `A'ishah commented;
[وَإِنِ امْرَأَةٌ خَـفَتْ مِن بَعْلِهَا نُشُوزاً أَوْ إِعْرَاضاً]
(And if a woman fears cruelty or desertion on her husband's part), that it refers to, "A man who is married to an old woman, and he does not desire her and wants to divorce her. So she says, `I forfeit my right on you.' So this Ayah was revealed.''


Allah said,
[وَالصُّلْحُ خَيْرٌ]
(And making peace is better). `Ali bin Abi Talhah related that Ibn `Abbas said that the Ayah refers to, "When the husband gives his wife the choice between staying with him or leaving him, as this is better than the husband preferring other wives to her.'' However, the apparent wording of the Ayah refers to the settlement where the wife forfeits some of the rights she has over her husband, with the husband agreeing to this concession, and that this settlement is better than divorce. For instance, the Prophet kept Sawdah bint Zam`ah as his wife after she offered to forfeit her day for `A'ishah. By keeping her among his wives, his Ummah may follow this kind of settlement. Since settlement and peace are better with Allah than parting, .......

৭৫. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:২৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এখানে অন্যদের মা-বোনের কথা জিজ্ঞেস করতেও এখন লজ্জা হচ্ছে (পোস্টদাতার একটি জবাব পড়ে), শুধু এটুকু বলতে পারি, আমার বৃদ্ধা মার সাথে আমার বাবা এমন কোন "কাইণ্ড সেটলমেন্ট" করতে চাইলে তা আমার পক্ষে মানা সম্ভব নয়, আমার বাবা মুহম্মদ সা এর যত বড় ফলোয়ারই হোন না কেন (his Ummah may follow this kind of settlement)!!!!
৭৬. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৩৩
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন: নাস্তিক,
আপনে
Abu Dawud At-Tayalisi recorded that Ibn `Abbas said, "Sawdah feared that the Messenger ................

এই সোরসটার লিনক দেন দয়া কৈরা.......
৭৭. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৪২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সেটা আপনি ইবনে কাথিরের কাছ থেকে জোগাড় করে নিতে পারেন...,

অথবা এটাও দাবী করতে পারেন যে, ইবনে কাথির ভুল তাফসীর করেছেন!!!!!

(ইবনে কাথিরকে অবশ্য মুসলিম আলেম বিশ্বে অসম্ভব শ্রদ্ধার এবং গ্রহণযোগ্য তাফসীরকারী হিসাবেই পেয়েছি.., তারপরেও ব্যাপার না- মানুষ মাত্রই ভুল করে, ইবনে কাথিরো Abu Dawud At-Tayalisi নাম করে উল্টোপাল্টা কথা ভরিয়ে দিতে পারেন!!! )
৭৮. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৪৩
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন: আপনের দেয়া লিনক গুলার ডেসকিরিপশন আর কমেন্টে লেখা গুলার মদ্য ডিফারেন্স আছে......তাই অরিজিনাল লিনকটা দেন দয়া করে.....

কারন আমার মনে হচ্ছে আপনি এন্টিইসলামি (কিরিস্টান এজেন্দা) দের ওয়েব থিকা কপি করছেন।

এটা এজন্য সিগনিফিকেন্ট যে মুল হাদিস বা কুড়ানের বকতব্যের সামান্য এদইক সেদইক করলে অনেক সময় পুরা ঘটনার মোর পালটাইয়া ফেলান যায়। যদিও আমি সিউর না তবে আপনে অনেস্ট পারসন হলে আশা করি সত সাহস দেখাবেন।
৭৯. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমি কিন্তু আমার লিংকে দেয়া ইবনে কাথিরের তাফসীর থেকেই কপি পেস্ট করেছি....

শুধু বোল্ড/আণ্ডারলাইন আমার করা!!!
৮০. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০২
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন: স্বীকার করেছেন যেনে ভালো লাগলো। কিন্তু সাধারন পাঠকরা কিন্তু ধরে নিতো আপনার মস্তিস্ক প্রসুত ব্যাখ্যাকে হাদিষ বলেই বা তরজমা বলেই ধরে নিবে। আমার মনে হয় না আপনি সেটা বুঝেন না। এটা সিম্পল বেপার বাট খুব ভয়ংকর এবং একধরনের নিচু মোরালিটির পরিচায়কক মনে হলো আমার কাছে। যাই হোক,

কুড়ানের বা হাদিসের বেখ্যা আপনি আপনার মত বেখ্যা করবেন সেটা আপনার বেপার। দুনিয়াতে অনেক ধরমের বা মতের মানুষ আছে যারা মুসলমান না হয়ে ও কুড়ান হাদীস এর উপর অগাধ গিয়ান রাখেন। তাদের কাছেও একধরনের বেখ্যা আছে। সো নিজের বেখ্যা নিজের কাছে বেস্ট ই মনে হবে এটা ই নরমাল। কিন্তু আপনের বেখ্যা টা যে আপনার সেটা অবশ্যই কোট করে দিবেন স্পষ্ট করে। বোল্ড করে নয়। আলাদা করে লিখে দিবেন 'এটা আমার মত'.....



আমি জানি আপনি অনেক প্রতিভাবান । আমাদের দেশের টপ টেলেন্টেট ছেলেমেয়েগুলা ধরমো নিয়া খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর সেকারনে আপনাদের মত লোকজন এখনো ডমিনেট করছে আর নিজস্ব মন গড়া বেখ্যা দিয়ে সঠিক তথ্য আড়ালে ঢেলছে ইচ্চাকিরিত বা অনিচ্ছাকিরিত ভাবে.......
৮১. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০৯
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন: কিন্তু সাধারন পাঠকরা কিন্তু ধরে নিতো আপনার মস্তিস্ক প্রসুত ব্যাখ্যাকে হাদিষ বলেই বা তরজমা বলেই ধরে নিবে = সাধারন পাঠকরা কিন্তু আপনার মস্তিস্ক প্রসুত ব্যাখ্যাকেই হাদিষ বা তরজমা বলে ধরে নিবে।
৮২. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:১৭
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: আপনার এই লম্বা কমেন্টের মাজেজা বুঝতেপারলাম না। আমি কোথায় কি স্বীকার করেছি? কোথায়ই বা আমার মন মত ব্যাখ্যা দিলাম???

ইবনে কাথিরের নাম কি শুনেছেন??
তার কোরআন তাফসীর মুসলিম বিশ্বে কতখানি গ্রহণযোগ্য জানেন??

আমি সরাসরি কাথিরের তাফসীর থেকে কপি পেস্ট করে দিয়েছি। সেখানে একটা ফোটা লেটার এড বা সাবট্রাক্ট করা যাকে বলে টেম্পারিং করা করিনি। বোল্ড / আণ্ডারলাইন দিয়েছি, সাওদা রা একে কেন্দ্র করে বাক্য তে যাতে সেগুলো সহজেই চোখে পড়ে, এবং সেগুলোই মূল দ্রষ্টব্য বিষয় মনে করেছি।

কিন্তু সেখানে আমার মন গড়া ব্যাখ্যা কোথায় দেখলেন? সেটা তো ইবনে কাথিরের ব্যাখ্যা। যে লিংক দিয়েছি, সেখানে আবার যান, ভালো করে মিলিয়ে দেখুন, বার বার মিলিয়ে দেখুন।


আর, যে জায়গায় কোট করিনি, মানে ঐ কমেন্ট বাদে বাকি সব তো আমারই মত, সেটা আলাদা করে বলার কি দরকার আছে? ইবনে কাথিরের ঐ ব্যাখ্যার পরের কমেন্ট আমার মত জানিয়েছি, আমার মা-বাবকে টেনেই আমার মত জানিয়েছি। সেটা অবশ্যই আমার মত।
৮৩. ১৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪৬
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন: ওকে আমার কমেন্ট উড্রো করলাম এন্ড ভুল বুঝার জন্য সরি। ওয়েবের মাঝখান থেকে কোট করায় ধরতে পারি নাই প্রথমে।

এনিওয়ে, প্রথমে ভুল বুঝায় আলোচনায় যেতে ইচ্ছা হয় নাই। এখন কিছু বলতে চাই যদি কিছু মনে না করেন।

প্রথমত আমরা বহু বিবাহ সমরথন করবো কিনা সেটা আগে জানা উচিত। যদি এলাউ করি তাহলে,
......আপনি মাল্টি ওয়াইফ এর বেপারটা কিভাবে সামাল দিতেন ইন দেট সিচুয়েশন যেখানে একজন যৌনতায় অক্ষম অপর দিকে আরেক জন তার টিনএজ বয়সে? এবং আরেক বেপার হচ্ছে তালাকের বেপারটা যে শুধু যৌনতার কারনে হয়েছে সেটা আপনে সিউর কিভাবে? এমন ওতো হতে পারে ঐ ওয়াইফের অন্য কিছু তে মনমালিন্য ছিলো নবীর লগে।

মাল্তি মেরিড যদি মন থিকা একসেপ্ট করেন তাহলে আমাদের সোসাইটি যেখানে মোটামুটি কেউ ই সেকেন্ড মারিড কে ভালো চোখে দেখে না( সেটা কালচারাল কারনে হোক বা আমাদের হিন্দু বেকগ্রাউন্ড বা আমাদের দেশে পুরুষদের অক্ষমতা যে কারনেই হোক ) সেখানে কিভাবে আপনি জাস্টিফিকেশন টানবেন আপনার মাকে সওদার জায়গায় বসিয়ে। কারন আপনি তো বেপারটা একসেপ্ট করার জন্য মেন্তালি রেডি না মনথিকা। আপনি কি জানেন আজথিকা ১০০ বছর আগেও ভারত বরষের মুসলিম সোসাইতে ইয়ং মেয়েরা স্বামীর ঘরে বউ থাকা সত্ব্যেও বিয়ে করতে অনিছ্ছুক ছিলো না? পুরো বেপারটা হচ্ছে সোসাইটি কিভাবে প্রাকটিস করে সেটার উপর নিরভর করে।

আর যদি মাল্টি মেরিড কে ভেলিট মনে না করেন, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে,
এবসোলিউট টি মাল্টি মেরিজ বন্ধো করা কি নেচার বিরু্দ্ধ না? কারন অনেক সময় অনেক ক্রিটিকাল অবস্তায় জন্ম হতে পারে তখন মাল্টি মেরিজ ছাড়া উপায় কি? ইসলাম তো মাল্টি মেরিড করতে বলে নাই। তবে পথকে বন্ধ করেও দেই নাই। আপনি বলতে পারেন মেয়ে রা কেনো মাল্টি মেরি করতে পারবে না। এটা একটা চয়েস। আইদার ওয়ে আপনি আন ব্যালান্স রেশিওর সমাধান দিতে পারেন। ইসলাম ছেলেদের এলাউ করেছএ মেয়ে দের করে নাই। সেটারও ভিন্ন ব্যাখ্যা আছে।
৮৪. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
জুনায়েদ সাদিক,

প্রথমত আমার অবস্থান অবশ্যই বহুবিবাহের বিপরীতে।

এখানে বহুবিবাহের বিষয়ে যেসব যুক্তিকে টেনেছেন সেগুলো পরিষ্কার হলো না, কেননা অনুপাত ফেক্টর নিয়ে আমি আগেই বলেছি। আর ১০০ বছর আগেও কি ছিল সেটা দিয়ে কি বুঝাতে চাইলেন বুঝলাম না। মানুষের যৌনাবস্থা সবসময় একরকম ছিল না। আজকের পরিবার প্রথা গড়ে উঠারও একটা ইতিহাস আছে। মানব সভ্যতার বিকাশের ধারাবাহিকতাতেই তো পূর্বতন অনাচার-কুআচারকে বর্জন-বাতিল করেই এগিয়ে যাওয়া। আজকের অনাচার-কুআচারকেও একইভাবে বর্জন করেই সামনে এগোতে হবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত যা অর্জন- পূর্বতন কুআচারকে বাতিল করে; সেই অর্জনকে আবার বাতিল করে দিয়ে যদি আমরা সেই আগের জামানার কুআচারে ফিরতে চাই, তবে সেটাকে কি বলা যাবে? সেটা কি মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে নাকি পেছনের দিকে ঠেলবে??

আমরা তো এই দেড়/দুই শ বছর আগেও আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় সতীদাহ-সহমরণ প্রথা দেখেছি, সেটিকে যে রদ করা হয়েছে- সেটি সমাজ-সভ্যতার একটি অর্জনও বটে। এর বিপরীতে আশির দশকে ভারতে এক নারী স্বামীর মৃত্যুর পরে আত্মবলি দিয়ে সতী হওয়ার ঘটনাও আমরা দেখেছি। এখন কথা হলো, যা কালের বিবর্তনে এই সমাজ ত্যাগ করেছে- তা যদি আবার অনুশীলন শুরু হয় তবে আমরা এই সমাজকে কি বলতে পারি???

মাল্টি ম্যারিজ বন্ধ করা ন্যাচার বিরুদ্ধ বলতে আপনি কি বুঝিয়েছেন? আমি এ ধরণের কোন আলোচনা আমার ক্ষুদ্র পড়াশোনায় কখনো পাইনি। আপনি ডিটেইলস করলে বড়ই উপকৃত হতাম!!


ইসলাম মাল্টি মেরি করতে বলে নি- এটাও হয়ে গেল ফাকিবাজি কথা। যখন কথা হচ্ছে, মাল্টি ম্যারিজ ঠিক না বেঠিক, ন্যায় না অন্যায়- তখন এ ধরণের কথা মানায় না। মাল্টি ম্যারিজকে আমি রীতিমত অন্যায় মনে করি। আর এর বিপরীতে এই পোস্টে, আপনাদের অনেকের কমেন্টে বহুবিবাহের পক্ষে রীতিমত যুক্তি করা হচ্ছে, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হাজির করা হচ্ছে। এটি যদি অন্যায় হয়, তবে ইসলামে কেন এটাকে নিষিদ্ধ করা হবে না??


বাকি আলোচনা পরে করছি....

(খুবই ব্যস্ত... সরি!!)
৮৫. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আল্লাহর রাসুল সা. যখন প্রথম বিবাহ করেন তখন তাঁর বয়স ছিল ২৫ বছর, খাদীজা রা. এর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আর বিয়ে করেন নি। নবুওয়্যাত প্রাপ্ত হয়েছেন ৪০ বছর বয়সে। খাদীজা রা. এর মৃত্যুর পরে তাঁর মধ্যে কি এমন ঘটনা ঘটল যে তাঁর মধ্যে একাধিক নারী গ্রহণের প্রয়োজন পড়ল? অথচ, আল্লাহর রাসুল সা. খাদিজাকেই ভালবাসতেন বেশি যে কারনে আয়েশা রা. কখনও কখনও জেলাস ফিল করতেন!

বস্তুত, আল্লাহ পাকের নির্দেশেই তাঁকে বেশ কিছু বিয়ে করতে হয়েছে। তার মধ্যে যয়নব রা. অন্যতম। নিজের পালক পুত্রের বৌকে বিয়ে করাটা নিতান্তই কঠিন ব্যাপার.......তাছাড়া সোসাইটিরও ভাল চোখে দেখার কথা না। বিষয়টা বিতর্কের জন্ম দিতে পারে জানা সত্ত্বেও আল্লাহর সন্তুষ্টিকেই তিনি সর্বাধিক গুরুত্ব দেন। আদর্শবাদীদের জন্য অনেক শিক্ষনীয় ব্যাপার রয়ে গেছে এই ঘটনার মাধ্যমে। যাদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য আমাদের এত কষ্ট, তারা কখনও স্যাটিসফাইড হয় না যদি আল্লাহ না চান।

নাস্তিকের ধর্মকথা রাসুল সা.কে পছন্দ করেন না বলে প্রতিটি ঘটনায় তিনি তাঁকে দোষারোপ করার চেষ্টা করেন। রাসুলের মোটিভকে নিজের মত ব্যাখ্যা করেন। আমাদের অভিজ্ঞতাতেও আমরা দেখেছি কোন একটা ঘটনা ঘটলে তিনজন মানুষ একে তিনভাবে ব্যাখ্যা করে।

ইসলাম কখনই বলেনি একাধিক বিয়ে করার কথা। বরং একাধিক বিয়ে করা উম্মুক্ত রেখেছে শর্তসাপেক্ষে তাও ৪টি পর্যন্ত, শর্ত হচ্ছে স্ত্রীদের মধ্যে জাস্টিস করতে হবে। শর্ত দেয়ার কারণে একাধিক বিয়েকে প্রকারন্তরে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

নাস্তিকের ধর্মকথার পোস্টপ্রসঙ্গেঃ সবাইকে সতর্ক করার জন্য এ পোস্ট

নির্বোধের সন্ধানে
৮৬. ১৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: এখন কথা হলো, যা কালের বিবর্তনে এই সমাজ ত্যাগ করেছে- তা যদি আবার অনুশীলন শুরু হয় তবে আমরা এই সমাজকে কি বলতে পারি???
৮৭. ১৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: ২৭ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনি ব্যাপক কিছু লিখেছেন মনে হচ্ছে, আমি আসলে বেশ ব্যস্ত। এ বিষয়ে একটু পড়াশুনা করার দরকার মনে করছি।

-----------------

সমস্যা হলো.. মাহমুদ রহমান ঝাঁপির মুখে পড়লেই নেতিয়ে যান.. কি যন্ত্রনা!!
৮৮. ১৭ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:২৪
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনাকে আমি প্রতিপক্ষ মনে করলে নেতিয়ে যেতাম না। সামহয়্যার ছাড়াও আমার অনেক কাজ রয়েছে। আপনাদের সাথে তর্ক করতে ভাল লাগে না। কারণ, এই তর্কের কোন শেষ নেই। যখন মনে করি, আমার বক্তব্য সাফিসিয়েন্ট.....তখন উঠে পড়ি, অনর্থক কথার জবাব দিতে আমি বাধ্য নই।
৯০. ১৭ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫
খালদুন বলেছেন: আমার কয়েকটি প্রশ্ন আছে:

১. দ্বিতীয় আয়াতে যে অংশটুকু দেয়া হয়েছে, সেটি প্রথম আয়াত থেকে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তকে কিছুটা দুর্বল করে দেয়, কিন্তু সম্পূর্ণটুকু দিলে কি প্রথম আয়াতটিকে শক্তিশালী করে না?

4:129
And you will never be able to be equal [in feeling] between wives, even if you should strive [to do so]. So do not incline completely [toward one] and leave another hanging. And if you amend [your affairs] and fear Allah – then indeed, Allah is ever Forgiving and Merciful.

২. যদি লিঙ্গনির্দিষ্ট গর্ভপাত নাও করা হয়, জীববৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুসারেই একটি জনগোষ্ঠীতে জন্মগ্রহণের ক্ষেত্রে মেয়ে শিশুর অনুপাতের থেকে ছেলে শিশুর অনুপাত বেশি থাকে (জার্মানিতে ৯৪:১০০)। কিন্তু সমান সুযোগ-সুবিধা পেলে বিভিন্ন বয়স-বর্গে মেয়েদের থেকে ছেলেদের মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি হওয়ার ফলে মোট জনসংখ্যায় নারীর আধিক্য দেখা যায়। বাংলাদেশে লিঙ্গনির্দিষ্ট গর্ভপাত ধর্তব্যের মধ্যে না হলেও, খাদ্য, পুষ্টি, চিকিৎসা পরিষেবা ও পরিচর্যার ক্ষেত্রে বৈষম্য থাকায় পুরুষের আধিক্য (১০৬:১০০) রয়েছে। আপনাদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা (!) অনুযায়ী এখানে প্রায় ৩০ লক্ষ পুরুষ অবিবাহিত থেকে যাবে। তাদের জন্য সমাধান কি?

৩. মোট জনগোষ্ঠীতে পুরুষের তুলনায় ৯০ লক্ষ নারী বেশি থাকার অর্থ কি ৯০ লক্ষ নারী অবিবাহিত থাকা?

৪. যুক্তরাষ্ট্রের সমকামী পুরুষদের হিসাবের পাশে সমকামী নারীর হিসাবকে কেনো গোপন রাখা হলো?

৫. যেসব বোন অবিবাহিত থেকে যাবে তাদের জন্য দুটি পথ খোলা: বিবাহিতদের সাথে ঘর করা অথবা পাবলিক প্রোপার্টি হওয়া। এই সিদ্ধান্তে নারীকে মেরুদন্ডহীন ও যৌনসর্বস্ব হিসেবে দেখার প্রয়াস নেই কি?

৬. পাশ্চাত্যে যেমন অনেক পুরুষ বিবাহের বাইরে সম্পর্ক বজায় রাখে, অনেক নারীও নিশ্চয়ই রাখে। এই প্রসঙ্গ কতটা প্রাসঙ্গিক?

৭. বহু বিবাহ প্রথা কি নারী-পুরুষের আধিক্যের উপর হিসেব করে কখনও হয়েছে, না সামাজিক প্রচলনের জায়গা থেকে হয়েছে?
৯১. ১৮ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৪৯
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
খালদুনের আলোচনার পরে বেশী কিছু আর বলার নেই। আশা করি পোস্টদাতা ও ১৩ প্লাসদাতারা এ প্রশ্ন গুলোর জবাব দিবেন।


আমি জুনায়েদ সাদিকের আলোচনার প্রেক্ষিতে যা বলছিলাম সেটিকে কনটিনিউ করছি.....
৯২. ১৮ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সাদিক,

দ্বিতীয়ত, আসি আপনার বিভিন্ন আলোচনা প্রসঙ্গে:

আপনি বলেছেন: "......আপনি মাল্টি ওয়াইফ এর বেপারটা কিভাবে সামাল দিতেন ইন দেট সিচুয়েশন যেখানে একজন যৌনতায় অক্ষম অপর দিকে আরেক জন তার টিনএজ বয়সে? এবং আরেক বেপার হচ্ছে তালাকের বেপারটা যে শুধু যৌনতার কারনে হয়েছে সেটা আপনে সিউর কিভাবে? এমন ওতো হতে পারে ঐ ওয়াইফের অন্য কিছু তে মনমালিন্য ছিলো নবীর লগে"।

----------->>>

বহুবিবাহ আজকের প্রেক্ষাপটে অন্যায় মনে করি। ১৪০০ বছর আগের সামাজিকতায় বিশেষ করে কোরাইশ কালচারের একজন মানুষের জন্য সেটাকে অন্যায় বলতে পারি না, এটুকু আমিও বলি। কিন্তু যখন দাবী করা হয় ১৪০০ বছর আগের সেই মানুষটি সরাসরি আল্লাহর প্রেরিত রাসুল এবং তাঁর সমস্ত ক্রিয়া-কর্মই শুধু সঠিকই নয় কেয়ামতের আগ পর্যন্ত অনুসরণীয় তখন কিছু প্রশ্ন অবধারিতভাবে চলে আসে।

সওদা যৌনতায় অক্ষম ও আয়েশা টিএনএজ- এই দুই স্ত্রীর প্রতি মুহম্মদ সা এর দুই আচরণকে ইণ্ডিকেট করে আমাকে আপনার প্রশ্ন: "আপনি মাল্টি ওয়াইফ এর বেপারটা কিভাবে সামাল দিতেন ইন দেট সিচুয়েশন যেখানে একজন যৌনতায় অক্ষম অপর দিকে আরেক জন তার টিনএজ বয়সে?" উত্তরে বলবো, এটা নির্ভর করবে আমার প্রকৃতির উপর। আমি যদি কামসচেতন বা কামসর্বস্ব হই তবে অবশ্যই টিনএজ-আকর্ষণীয়া বউকেই কাছে পেতে চাইবো। কিন্তু সেটাকে কি আপনি নৈতিক বলবেন? আর তা যদি হয় বয়স্ক, যৌনতায় অক্ষম স্ত্রীকে অবজ্ঞা-অবহেলায় দূরে ঠেলে দিয়ে, এমনকি তালাক করতে চাওয়ার মধ্য দিয়ে- তবে তখন আমাকে কি বলবেন?

আর এ আলোচনাটি এখানে এ কারণে আনা যে, দাবী করা হয় মুহম্মদ সা ওনার স্ত্রীদের প্রতি ন্যায়বিচার করেছেন!! ওনার বহুবিবাহের পেছনে যৌনাকাঙ্খা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্য ছিল না!! ইত্যাদি। এসব দাবী যে কতখানি মিথ্যা, তা বুঝার জন্য এ আলোচনা আনা।


আর শেষে আপনি বলেছেন, তালাক দিতে চাওয়ার কারণ নাকি অন্যকিছুও থাকতে পারে, মনোমালিন্যের ঘটনাও হতে পারে.. ইত্যাদি। দেখুন কাথিরের তাফসীরে বয়স্ক হয়ে যাওয়ার কথাই এসেছে, বুখারী-মুসলিমের হাদীস গুলোতে আয়েশার বরাত দিয়ে সওদা বুড়িয়ে যাওয়ার কথাই কিন্তু এসেছে- নিজের রাত আয়েশাকে দেয়ার ঘটনা সম্পর্কে। আর যদি ধরি মনোমালিন্যের কারণেই তালাক দিতে চেয়েছিলেন, তাহলেও কি সেটা নিজের ভাগটি আয়েশাকে তুলে দিয়ে সমাধান করাটা অমানবিক মনে হয় না??? আর, দেখুন সে সময় মোট স্ত্রী ছিল ৯ জন। সওদা আর আয়েশা বাদে বাকি ৭ স্ত্রী নবীকে যে সময় পেতেন, আয়েশা তার দ্বিগুণ পেতেন না কি??? আর সওদা নবীকে কাছে পেতেন ০ গুণ!! এটা কি ন্যায়বিচার? সমানাধিকার???
এবং কেন সওদার ভাগটি আয়েশাই পেলেন??
৯৩. ১৮ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৩০
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: মাল্তি মেরিড যদি মন থিকা একসেপ্ট করেন তাহলে.........কিভাবে আপনি জাস্টিফিকেশন টানবেন আপনার মাকে সওদার জায়গায় বসিয়ে। .....
------------>>>>

মাকে সওদার জায়গায় বসাই কারণ, দেখুন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম ইবনে কাথির জানাচ্ছেন, সওদা ও মুহম্মদ সা এর সেই সেটলমেন্ট নাকি উম্মতদের অনুসরণ করতে হবে!!!!
এখন মুহম্মদ সা এর উম্মত হিসাবে আমার বাবা যদি অনুসরণ করতে যান, তবে কি আমি সেটা মানতে পারি কি না একটু যাচাই করছিলাম আর কি! এ ধরণের যাচাই মাঝে মধ্যে ন্যায় অন্যায় সম্পর্কে ভালো ধারণা দিতে পারে বৈকি! কোন এক সময়ের আচার নিজের কাছের মানুষকে পালন করার কথা কিভাবে মস্তিষ্ক গ্রহণ করে সেই যাচাইটি করলে কিছু জিনিস আপনাদের ক্ষেত্রেও কাজে দিবে বলেই মনে হয়।

৯৪. ১৮ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৫৫
বিবর্ণ বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাল লিখেছেন।

আরিফ'রা যে কবে হেদায়েত পাবে!!!!!!!!!!!!
৯৫. ১৮ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
ভালোকথা... বলেছেন: মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও, দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। তবে যদি আশঙ্কা হয় যে, তাদের সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরন করতে পারবে না তবে শুধুমাত্র একটি।" আল কোরআন (৪:৩)।

কত সহজ ...!!!আমি যদি ১০০ জনের সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরন করতে পারি তাহলে ১০০ টা বিয়া করা ফরয?

হে হে হে হে হে ...আমি ১০০ জনের সাথে ন্যায়সঙ্গত আচরন করতে পারুম...ইনশাল্লাহ ...
৯৭. ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমার কিছু প্রশ্ন নিয়ে পোস্ট দিয়েছি। আশা করি পড়বেন এবং উত্তর দিবেন।

লিংকঃ Click This Link
৯৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
েপচাইললা বলেছেন: উফফ... মাতা আউলাইয়া গেল।


আমার আর কিচু লেক্তে মন্চাচ্ছে না।

মাফ চাই । একেকটা লিংক দেক্তে দেক্তে মাথার রক্ত পায়ে নাইমা গেছে।
১০০. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
রহস্যভেদি বলেছেন: নাস্তিকের ধরমকথা একজন অসুস্থ লোক...খুব সম্ভবত মানসিক বিকারগ্রস্থ...অর চিকিৎসার প্রয়োজন...
১০১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪২
সিংহ বলেছেন: খালদুন , "যেসব বোন অবিবাহিত থেকে যাবে তাদের জন্য দুটি পথ খোলা: বিবাহিতদের সাথে ঘর করা অথবা পাবলিক প্রোপার্টি হওয়া। এই সিদ্ধান্তে নারীকে মেরুদন্ডহীন ও যৌনসর্বস্ব হিসেবে দেখার প্রয়াস নেই কি?"


"বহু বিবাহ প্রথা কি নারী-পুরুষের আধিক্যের উপর হিসেব করে কখনও হয়েছে, না সামাজিক প্রচলনের জায়গা থেকে হয়েছে"


Very Strong statement.
১০২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০০
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: বুঝসি, আপনের আরেকটা বিবাহের খায়েস হইসে :D :D :D
১০৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৬
ব্রাইট বলেছেন: পোস্ট ভালো লেগেছে। + ।

ধন্যবাদ।
১০৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৪
সাহোশি৬ বলেছেন: "তবে নারীশিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি বিধায়, তুলনামূলক নারীশিশু বেশি বাচেঁ। এছাড়াও যুদ্ধ-বিগ্রহে, নারীর তুলনায় পুরুষের মৃত্যুর হার বেশি।"

-আপনার যুক্তি অনুযায়ী, কোথাও যদি নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে কম হয় তাহলে সেখানে একজন নারী একাধিক পুরুষকে বিয়ে করতে পারবে।

"ধরা যাক, আমার বোন যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীহীন অবস্থায় আছে অথবা ধরুন আপনার বোন যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীহীন রয়েছে। তাহলে, তার সামনে ২টি পথ খোলা আছে।
১. বিবাহিত কোন পুরুষকে সঙ্গী হিসেবে মেনে নিতে হবে।
২. 'জনগণের সম্পত্তি (public property) হতে হবে।"

-এ আবার কেমন কথা, আজকাল কত নারী বিয়ে-থা না করে একা একা থাকছে!!!! জনগণের সম্পত্তি আবার কি? আপনার বোন হোক আর আমার, তাকে জনগনের সম্পত্তি বলতে আপনার মুখ এতটুকু কাপল না? আপনার এই যুক্তির তীব্র প্রতিবাদ করছি। আমার বোন হোক অথবা আপনার, যতদিন সে চাইবে না ততদিন একা থাকবে, কেউ তাকে বাঁধা দিতে পারবে না।

"পাশ্চাত্যে এমন বহু পুরুষ আছে যারা বিবাহ ব্যতিরেকে একাধিক নারীর সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। তখন সেই নারীদের রক্ষিতা বলা হয়।"

জী না। আপনি কোন মুল্লুকে বাস করতেছেন? রক্ষিতা শব্দটা প্রাচ্যেই বেশী ব্যবহার করা হয়, এবং এটা এক ধরণের পতিতাদের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। আপনার কথাটা সম্পূর্ন ভুল বিদেশে বিবাহিত ছেলে এবং মেয়ের মধ্যে সম্পর্ক হলে মেয়েকে কেউই 'রক্ষিতা' বলে গালী দেয় না, দেয়া উচিৎও নয়। ফ্রী সোসাইটিতে কে কার সাথে শোবে এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। মেয়েটি/ছেলেটি বিবাহিত/বিবাহিতা হলে তাদের ষ্বামী/স্ত্রীর অবশ্য এ ব্যাপারে মতামত থাকতেই পারে, এবং সাধারণত এসব ক্ষেত্রে স্বামী/স্ত্রীর ছাড়াছাড়িই হয়ে যায়, কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে ৃকজন বিবাহিত ছেলে/মেয়ে বিবাহ ভির্ভূত সম্পর্ক গড়ে তুলেছে বলেই বিদেশী সমাজ তাদেরকে 'রক্ষিতা' বলে গালি দেবে। এসব কূপমুন্ডুকতা প্রাচ্যেই বেশী দেখা যায়।

"ইসলাম নারীদের পূর্ণ মর্যাদা নিশ্চিত করার স্বার্থে পুরুষদের একাধিক বিয়ে করার অনুমতি দিয়েছে।"

আপনার কথা যদি ঠিক বলে ধরেও নেই, তাহলে তো প্রশ্ন থেকেই যায়, ইসলাম কি পুরুষদের পূর্ণ মর্যাদা দিতে চায় নি? তা না হলে, আপনার উপরের বাক্যের মতো ইসলাম পুরুষদের পূর্ণ মর্যাদা নিশ্চিত করার স্বার্থে নারীদেরকেও একাধিক বিয়ে করার অনুমতি দিত। বর্তমান যুগে তো আর নারী-পুরুষের কোন ভেদা-ভেদই নাই।

"এছাড়াও আরও বেশ কিছু কারন রয়েছে যার দরুন ইসলামে পুরুষদের একাধিক বিয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে তবে মুলত নারীদের সম্মান ও সম্ভ্রম রক্ষা করাই মূল উদ্দেশ্য।"

- পুরুষদের বুঝি সন্মান -সম্ভ্রম নাই?

তা দাদা, কোন মাদ্রাসা থেকে পাশ করেছেন একটু যদি বলতেন?
১০৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৪
সাহোশি৬ বলেছেন: "আবার প্রশ্নটি করছি, যদি কোন নারীর বিয়ে না হয় তবে তাকে সামাজিক নিরাপত্তা কে দেবে? তার অর্থনৈতিক চাহিদা কে পূরণ করবে? "

-আপনি তো মনে হয় চারশ্' বছর আগের দুনিয়াতে বাস করেন। একজন নারী পুরুষ বিয়ে না করলে যে তাকে নিরাপত্তা দেবে, এজন নারী বিয়ে না করলেও সে-ই তাকে নিরাপত্তা দেবে- অর্থাৎ রাষ্ট্র। আপনারা ইসলাম ইসলাম আর ধর্ম ধর্ম (সেইটা হিন্দু, বৌদ্ধ যাই হোক) বইল্যা চিল্লায়া প্রাচ্যের দেশগুলার অবস্থা এমন কইরা রাখছেন যে এইসব দেশে পুরুষদের নিরাপত্তা দেবারও কেউ নাই। অথচ পৃথিবীর দিকে তাকায় দেখেন পাশ্চাত্যে একজন সাধারন অবিবাহিত নারীর নিরাপত্তার জন্য পুরুষ সঙ্গীর দরকার হয় না (সেলিব্রটীদের সেটা নারী-পুরুষ যেই হোক না কেন, অবশ্য নিরাপত্তা রক্ষী রাখতে হয়), এগুলো দরকার হয় আরব দেশে, বাকি পৃথিবীতে না।
১০৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৬
সাহোশি৬ বলেছেন: হেভী ফানি পোস্ট। জোকস অব দ্য মান্থ। আচ্ছা এ ধরনের মানসিকতার মানুষ এখনো আছে? এসব তো দুইশ' বছরের আগের মানুষের মানসিকতা। বিবর্তনের ধারায় এখনকার মানুষের তো অনেক আধুনিক হবার কথা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৭০১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যে রকম ব্যবহার প্রত্যাশা কর, অন্যের সাথে সেই ব্যবহার কর।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই