আমার প্রিয় পোস্ট

বিলেতে উচ্চ শিক্ষা : স্বপ্ন আর বাস্তবতা !

১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২১

শেয়ারঃ
0 1 0

ব্রিটেনে ইন্টারন্যশনাল শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিগত ১০ বছরের তুলনায় দ্বিগুন হয়েছে বলে খবর ছেপেছে ব্রিটেনের শীর্ষ দৈনিক দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ ( ২৪ সেপ্টেম্বর ) । পত্রিকাটি বলেছে, এই সংখ্যা বাড়ার কারন ইউরোপের বাইরের দেশগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ। ৪১ হাজার শিক্ষার্থী এসেছে শুধু মাত্র চীন থেকে, বাংলাদেশ থেকে চলতি বছর শিক্ষার্থী এসেছে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো। ইউনিভার্সিটি এন্ড কলেজ এডমিশন সার্ভিস (ইউকাস) তাদের ওয়েব সাইটে উল্লেখ করেছে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের চাপে চলতি বছর ৫০ হাজার ব্রিটিশ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বার সুযোগ হারাচ্ছে। তাহলে কথা হলো, খোদ ব্রিটিশ শিক্ষার্থীরা যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেনা সেখানে কেন ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষাথীদের এভাবে পঙ্গ পালের মতো ভিসা দেয়া হচ্ছে ? এই প্রশ্নের উত্তর ও টেলিগ্রাফের ঐ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা আছে, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যেহেতু ইনস্টিটিউটগুলো ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের কাছ থেকে হোম স্টুডেন্টের তুলনায় প্রায় তিনগুন টিউশন ফি আদায় করছে তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও বিদেশী শিক্ষার্থীদের প্রতি ঝুঁকছে বেশী। প্রতিটি গ্রাজুয়েটের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গড়ে প্রায় ২৮ হাজার ৫ শত পাউন্ড খসিয়ে নিচ্ছে ( দ্য টেলিগ্রাফ , ২৪ সেপ্টেম্বর)

যেসকল স্টুডেন্টরা প্রকৃত অর্থে বৃটেনে পড়তে আসেন না তাদের কেউ কেউ এমন ধারণা পোষন করেন ব্রিটেনে আসতে পারলে বস্তাভরে পাউন্ড কামানো যাবে। ঢাকা শহরে যেমন শপিং সেন্টারের মাঝে এক দুই কক্ষ বিশিষ্ট কিছু কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় আছে। বিলেতে বাঙালি মালিকানাধীন এধরনের অসংখ্য কলেজ আছে, কলেজগুলোকে বলা হয় ভিসা কলেজ । এসব কলেজে থেকে নেয়া সনদ বস্তুুত কোন কাজেই আসেনা। দেশজুড়ে কিছু এজেন্ট রয়েছেন যারা শিক্ষাথীদের ব্রিটেন সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছেন বলে উল্লেখ করেছেন সা¤প্রতিক সময়ে আসা শিক্ষাথীরা। ব্রিটেনে এসে শিক্ষাথীরা পড়াশুনার পাশাপাশি প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন বলে ধারণা পেয়েছেন তারা।

একজন শিক্ষার্থীর ব্রিটেনে প্রতিমাসে থাকা খাওয়া বাবদ নূন্যতম ৪/৫ শত পাউন্ড খরচ হবে। কমমূল্যের কলেজের টিউশন ফি বাবদ বছরে কমকরে হলেও গুনতে হবে ৩ হাজার পাউন্ড। তাহলে প্রতি মাসে একজন স্টুডেন্টের প্রয়োজন ৭ -৮ শত পাউন্ড। যদি ভাগ্যবান স্টুডেন্ট ২০ ঘণ্টার কাজ পেয়েই যায় তবে তার মাসিক ইনকাম ৫০০ পাউন্ড। এখন কথা হলো থাকা খাওয়ার খরচ না হয় জুটে গেলো। বাকি খরচ আসবে কোথা থেকে ? মন্দা অর্থনীতির কারনে শিক্ষাথীরা এখন ২০ ঘন্টার কাজও পাচ্ছেনা। আসদা, টেসকো সেইন্সবারীর মতো রিটেল শপগুলো সেলফ চেক আউট পদ্ধতি চালু করে কর্মী সংথ্যা ৫০ ভাগ কমিয়ে ফেলেছে। আর কর্মী ছাটায়ের সর্বশেষ দৃষ্টান্ত ব্রিটিশ এয়ার ওয়েজ, ৭ অক্টোবর ১৭০০ কর্মী ছাটাই করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


যে সকল শিক্ষার্থী গাঁটের পয়সা খরচ করে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসছেন তাদের জন্য কোনো পরামর্শ নেই, তারা জেনে বুঝে পড়তেই আসছেন। কারন তাদের আর্থিক সঙ্গতি রয়েছে। আর সঠিক পরামর্শের জন্য ইউকে বর্ডার এজেন্সির ওয়েব সাইট দেখা উচিত।

আর যে সকল শিক্ষার্থী পড়াশুনার পাশাপাশি অর্থ উপাজন করবেন, কিংবা অর্থ উপার্জন করে টিউশন ফি যোগাড় করবেন বলে ভাবছেন অথবা টিউশন ফি যোগাড় করে পড়াশুনার খরচ মিটিয়ে কিছু টাকা দেশে পাঠাবেন কিংবা সঞ্চয় করবেন, তাদের জন্য পরামর্শ - আপাতত স্বপ্ন দেখা বন্ধ করুন। কারণ ভাবনার জগত আর বাস্তবতার জগতের পার্থক্য অনেক। ভাবনার জগতের ধারণা নিয়ে ব্রিটেনে এসে তিন থেকে ছয় মাস কর্মহীন রয়েছেন অনেকেই। অর্থ কষ্টে কেউ কেউ মসজিদে রাত যাপন করছেন। এদের মধ্যে অনেকেই আবার ফিরে গেছেন বাংলাদেশে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী বছরের শেষ নাগাদ ব্রিটেন অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। তাছাড়া ২০১০ সালে নির্বাচনের আগে হয়তো লেবার সরকার ভোটের হিসাব নিকাশের জন্য ইমিগ্রেশন পলিসিতে পরিবর্তন করতে পারে। সেই সাথে ২০১২ অলিম্পিক কে কেন্দ্র করে ২০১০ এর শেষের দিকে কিছু নতুন কাজের সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। তাই ২০১০ এর শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্রিটেনে আসা হবে সঠিক সিদ্ধান্ত।

এই পরিস্থিতিতে সরকার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যারা ব্রিটেনে আসতে চায় তাদেরকে কোন তৃতীয় পক্ষ মিথ্যা পরামর্শ দিচ্ছে কিনা অথবা শিক্ষার্থীরা কোন ভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছে কিনা। কোন অনিয়ম হলে এজেন্সিগুলোকেও একটা নিয়ম নীতির মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। অধীকাংশ ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার্থীরা বলছে তারা এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে ব্রিটেন সম্পর্কে উ”ূ ধারণা পেয়েছে। ব্রিটেনে যেসকল শিক্ষার্থীরা বর্তমানে কাজ না পেয়ে নিদারুন কষ্টে দিন যাপন করছেন, না খেয়ে পার্কে যত্র তত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশ হাই কমিশণ লন্ডন ,বাংলাদেশ সেন্টার ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহায়তায় এদের সাময়িক ভাবে সহায়তা দেবার একটি পথ খুঁজতে পারে সরকার ।

পুনশ্চ : লেখাটি দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমার দিনকালরিপের্াটারের ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৫
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: এ বিষয়ে লেখার ইচ্ছে ছিলো, সময়ের কারণে লেখা হয়নি। আপনি বিষয়টিকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাছাড়া, মেইনস্ট্রিম পত্রিকায় লেখাটি দিয়ে খুব ভালো করেছেন। শুধু সেপ্টেম্বরেই নাকি স্টুডেন্ট ভিসা ইস্যু হয়েছে ১২ হাজার। ডেইলি টেলিগ্রাফ যে তথ্য দিয়েছে সেটা বলি; বাংলাদেশ থেকে যেসব স্টুডেন্টস আসছে প্রায় নব্বই শতাংশই কলেজের ভিসা নিয়ে আসছে, যেসব কলেজে কোন লেখাপড়া হয়ই না। তাছাড়া, এদের অনেকে চাইলেও ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারবে না, কারণ ১: এদের অনেকে এখান থেকে আয় করে পড়ার জন্য এসেছেন; ২: বেশিরভাগ স্টুডেন্টদের রেজাল্ট খুব একটা ভালো না। আমি বেশ কিছু দেখলাম পয়েন্ট তিনের ও কম।
২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৫
ম্যাকানিক বলেছেন: অস্ট্রেলিয়ার অবস্থাও অনেকটা এরকমই।
সপ্তাহে বিশ ঘন্টা কাজের লিমিটেশনের উপরে এক ঘন্টা বেশি কাজ করলে ইমিগ্রেশন বিশাল আকারের ফাইন সহ দেশে পাঠানোর ব্যাবস্থা করে।
আবার কলেজে এটেন্ডেন্স ৮০% এর নিচে নামলে তারা মেহেরবানী করে সেই ছাত্রের ডিটেইলস ইমিগ্রেশনকে জানায় দেয়।
ডিমিয়ার ডব লাইন বলে এক জিনিস আছে সেইখানেও কারো সাথে গ্যাঞ্জাম লাগলে চুপ করে আপনার নাম ঠিকানা আর কোথায় ক্যাশ এ কাজ করলেন বা বিশ ঘন্টার বেশি কাজ করলেন বলে রাখা যায় বাদ বাকি হেনস্থা ইমিগ্রেশনের হাতে।

আপনার এই কথার সাথে শত ভাগ সহমত

আর যে সকল শিক্ষার্থী পড়াশুনার পাশাপাশি অর্থ উপাজন করবেন, কিংবা অর্থ উপার্জন করে টিউশন ফি যোগাড় করবেন বলে ভাবছেন অথবা টিউশন ফি যোগাড় করে পড়াশুনার খরচ মিটিয়ে কিছু টাকা দেশে পাঠাবেন কিংবা সঞ্চয় করবেন, তাদের জন্য পরামর্শ - আপাতত স্বপ্ন দেখা বন্ধ করুন। কারণ ভাবনার জগত আর বাস্তবতার জগতের পার্থক্য অনেক।

ধন্যবাদ তানভীর ভাই
৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০২
বিডি আইডল বলেছেন: শিক্ষার্থী যারা তারা নিশ্চয়ই ফিডার খাওয়া না..সব কিছুতেই সরকারের হস্তক্ষেপ আশা করা ঠিক না...দেশ থেকে জনসংখ্যা কমার কোন সুযোগ থাকলে সরকার সেখানে নাক গলাবে কেন?

আমার প্রশ্নটা অন্যখানে...বর্তমান অবস্হা বাদ দিলে গত ৫-১০ বছরের মধ্যে যারা বৃটেনে এই ধরণের ২ নম্বরী ভর্তি নিয়ে গেছেন তাদের বর্তমান অবস্হা কি? তারা কি স্বচ্ছলতার মধ্যে আছে...?তা যদি না হয়ে থাকে বৃটেনে যাবার এত আগ্রহ কেন ছেলেপেলের? যাবার ব্যবস্হা সহজ ছিল এবং আছে বলে?
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০২

লেখক বলেছেন: বাপের পেনশনের টাকা , আর জমি বেচা টাকা দিয়ে যারা বিলাতে আসতেছে পড়তে , তারা কতিপয় এজেন্টের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভুয়া কলেজে পড়তে আসবে, যেই পড়াশুনা কোন কাজে আসবে না। চাকরি না পেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবে, এইটাকে আপনি জনসংখ্যা কমার সাথে তুলনা করবেন ? তাহলে আপনার কথা মতো সিডরে আর ঘূর্ণীঝরে মানুষ মরে জনসংখ্যা কমলে সরকারের খুশি হওয়ার কথা !

আলোচনার বিষয় বস্তু আর সময়ের প্রেক্ষাপট সাম্প্রতিক সময়ের, ৫-১০ আগের কথা না। আর কাউকে তো ভিসা কলেজে পড়তে আসতে নিষেধ করা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে পরিস্থিতি বিবেচনা করে জেনে বুঝে, একটু সময় নিয়ে বিলাতে আসতে।

কোথাও কোন অনিয়ম হলে সরকারকে সেখানে নিশ্চই নাক গলাতে হবে। নইলে মধ্যপ্রাচ্যের বা মালয়শিয়ার শ্রমিকরা যেভাবে প্রতারিত হয় , শিক্ষার্থীরাও এভাবে প্রতারিত হবে।

৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৯
মিতামারিয়া বলেছেন: স্বপ্ন, স্বপ্ন, স্বপ্ন দেখে মন।

ধন্যবাদ
৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
মুহিব বলেছেন: গুরুত্বপূর্ন লেখা।
৬. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ষ্টুডেন্টরা টিভি নিউজের কারনে ইদানিং বুঝতে পারছে যে অবস্থা খারাপ। কিন্তু আসা থামাচ্ছে না। সবার এক আশংকা যদি ভিসা বন্ধ হয়ে যায়! তাই সবাই অক্টোবরের মধ্যেই এমবেসী ফেইস করেছে এবং প্রায় ৯৫% এর উপরে ভিসা পেয়েছে বলে ধারনা করা হয়। এবং সবাই এখন বিপদে আছে লন্ডন এসে।

আসলেই, স্বপ্ন দেখা আপাতত কবছরের জন্যে বন্ধ করা দরকার। গত ৫/৭ বছরে যারা এভাবে এসেছেন, তারা হয়ত বিশাল লাভবান, কিন্তু এখন ওয়ার্ল্ড রেসেশন। এখন অবস্থা ভিন্ন।

আমি আসলে ভেবে পাচ্ছি না এখন আসা ৩৫ হাজার ষ্টুডেন্টদের আসলে কি হবে? তারা স্বপ্ন পুরনের মত করে ৪০/৫০ লাখ টাকা উপার্জন ও করতে পারবে না, আবার পড়াশোনা করতেও পারবে না। মাঝখান থেকে তারা অফট্র্যাক হয়ে যাবে, যার ফলে দেশে ফিরেও চাকরি করার সম্ভাবনা কমে যাবে। আজকে থেকে ৫ বছর পরে এখন আসা শিক্ষার্থীরা মনে হয় খুব সম্ভবত একেবারেই খালি হাতে থাকবেন, টাকা এবং ভাল ডিগ্রী ছাড়া। দেশে থেকে গেলে হয়ত তাদের ডিগ্রী ও চাকরি থাকত।

যারা টাকার জন্য আসছেন, তাদের জেনে রাখা ভাল, এই অবস্থায় লন্ডন আসলে আপনি বিশাল রকমের ভাগ্যবান হলেও বছর শেষে টেনে টুনে রড়জোর এক লাখ টাকা পকেটে পুড়তে পারবেন, তাও সন্দেহ আছে।
ভেবে দেখুন, আসবেন কিনা।
৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: আপনার লেখাটা খুবই সময়োপযোগী লেখা।

আমার মনে হয় এই ক্ষেত্রে যারা রিসেন্টলি বাইরে যেয়ে বিপদে আছেন, তাদের উচিৎ অন্যদেরকে এই বিষয়ে সতর্ক করা।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ