ব্লগার নীল আকাশের দূ:খকে আমি চিনতাম না। এখনও যে চিনি তা বলা যায় না।সেলে ১০ মিনিটের কখোপকথনে ঠিক চেনা হয়ে ওঠে না।
ক'দিন আগে ব্লগে ইংরেজীতে ওর একটা পোস্টে জানতে পারি যে মা খুব অসুস্থ এবং এ্যাপোলো হাসপাতালে আছে। আস্তে আস্তে পরিষ্কার হয় --তার মার দুটো কিডনীই নষ্ট হয়ে গেছে। ব্লগের আলাপচারিতায় কাল ও আমাকে ওর নাম্বার দিয়ে ফোন করতে অনুরোধ করে।
আজ ফোনে কথা হ্য়। ক'দিনের মধ্যেই যাচ্ছে দিল্লী। মার কিডনী প্রতিস্থাপন করতে।
তো, আমি জানতে চাইলাম কোথা থেকে কিডনী জোগাড় করছে, কত দামে ইত্যাদি।
ও উত্তর করলো "আমার একটা কিডনী দিচ্ছি মাকে"।
শুনেছি আগেও , ছেলেকে মা, ভাইকে বোন, মেয়েকে বাবা কিডনী দিয়েছে, কিন্তু সরাসরি জানা আমার এই প্রথম।সদ্য তরুন একটা ছেলে জীবন সংগ্রামে ঢোকার আগেই একটা কিডনী দিয়ে দিচ্ছে..হয়তোবা এটা খুব সাধারন একটা ব্যাপার, কিন্তু আমার কাছে লাগছে অসাধারন, অন্তত: আমি আমার মায়ের জন্য এতোটা করতে পারতাম না।
যদিও ক্রস ম্যাচের ব্যাপারটা রয়ে গেছে, তবুও সিদ্ধান্তটাই তো আসল।
এনিয়ে আরও কিছু ভাবনা আসছে, অন্য দৃষ্টিকোন থেকে দেখা, তবে মনে হচ্ছেনা এ ব্লগে উচ্চস্বরে চিন্তা করাটা শোভন হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


