আমার প্রিয় পোস্ট

সংসদীয় পদ্ধতিতে হরতাল ছাড়া অন্য কোন বিকল্প আছে কি আমাদের হাতে?

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

"মহাজোট সরকারের আমলের হরতালের অভিষেক হতে যাচ্ছে ১৪ সেপ্টেম্বর"
প্রথম আলোর গতকালের সম্পাদকীয়ের বয়ান শুরু হয়েছে এইভাবে।
Click This Link

মহাজ্ঞানী বক্তারা বিবিসি সংলাপে বলছেন: "হরতাল ডেকে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা যায়না।
Click This Link

আমার সবিনয় নিবেদন হল আসুন আমরা দেখি এ পরিস্থিতিতে আমরা আর কি করতে পারি।

১। আমাদের সংসদে সরকারী দলকে নিরংকুশ সংখ্যা গরিষ্ঠ বললে অত্যন্ত কম বলা হবে।

২। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোতে গনতন্ত্রের কোন চর্চা নেই। তাই সরকারী দলের কোন সাংসদ যদি তেল গ্যাস চুক্তিকে দেশের স্বার্থ বিরোধী মনে করেন, তার দলনেত্রীর ভয়ে তা তিনি ব্যাক্ত করছেন না।

৩। আমাদের সংবিধানের অসংগতি গুলোর মধ্যে সবচে' বড় অসংগতিই হল Floor Crossing এর ওপর নিষেধাজ্ঞা। অত্যন্ত অগনতান্ত্রিক এই এই বিধানের আওতায় নিজ দলের আনা কোন প্রস্তাবের বিরোধিতা করলেই দলের সদস্যের সদস্য পদ বাতিল হয়ে যায়।

৪। অবলুপ্ত প্রায় (Critically Endangered) বিরোধী দল।

৫। সেই বিরোধী দলও সামান্য ছুতোয় (যার সাথে দেশের স্বার্থের কোন সম্পর্ক নেই) লাগাতার সংসদ অধিবেশন বর্জন করে আসছে।

৬। জমিরুদ্দিন সরকারের প্রেতাত্মা আবদুল হামিদ সরকার মসনদে বসার পর থেকে এপর্যন্ত বিরোধী দলীয় একটি নোটিশও সংসদে অলোচনায় আসার যোগ্য মনে করেন নি।

৬। ইশ্বরের পিতা থাকার মত আমাদের রাস্ট্রপতির আবার নেত্রী আছে। তাঁর তো নেত্রীর কথা শুনতেই হয়। তাছাড়াও তার করনীয়ের মধ্যে মাজার জিয়ারত, বিদেশী রাষ্ট্রদুতদের পরিচয়নামা গ্রহন আর একাধিক খুনের অপরাধে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের দলীয় নীতিমালার আওতায় মাঝে মাঝে বেকসুর খালাস দেয়ার বাইরে কোন কাজ আছে বলে তো মনে হয় না।

এক্ষনে অনেকেই আমরা মনে প্রানে, যুক্তি দিয়ে বিশ্বাস করছি যে চুক্তিটি দেশের স্বার্থ বিরোধী, আবার কেউ কেউ মনে করছি যে তা নয়। ___________________________________________
বিরাজমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদের তাহলে আর কোন গনতান্ত্রিক পথটা খোলা আছে?
_____________________________________________

একসময়ের বাম রাজনীতি করা মতিয়ুর রহমানের সংসদীয় গনতন্ত্র সম্পর্কে শ্রদ্ধা বা জ্ঞান কোনটাই থাকার কথা নয়।

আর মহাজ্ঞানী বক্তাদের বক্তব্যের প্রনোদন যে কোত্থেকে আসে সেটা তারাই ভালো বলতে পারবেন। আমার তো জানা ছিল সংসদীয় গনতন্ত্র তাদের কাছে ছেলের হাতের মোয়া।

অজ্ঞকে ক্ষমা করা যেতেও পারে ক্ষেত্র বিশেযে, কিন্তু জ্ঞান পাপীদের ক্ষমা করি কিভাবে?

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৩

 

  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ৩৫৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৮
comment by: মনজুরুল হক বলেছেন:

আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে হরতাল এক অদ্ভুত নাম! এ কখনো ভাসুরের নামের মত, জনসমক্ষে নেওয়া বারণ, আবার কখনো অতি দরকারী ওষুধের মত, সারাক্ষণ পকেটে রাখতে হয়!

আজ যারা ক্ষমতায় তাদের কাছে হরতাল মানে জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী, জাতীয় উৎপাদন ব্যহত, জাতীয় ক্ষতি। আবার আজ যারা ক্ষমতার বাইরে তাদের কাছে হরতাল এক মোহময় নাম। অতি আদরের অতি প্রিয় নাম। তারা মনে করেন হরতাল তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।

আসলেই এটা অধিকার। কিন্তু কার অধিকার? কতটুকু অধিকার? এই বিষয়টা খতিয়ে দেখার চেষ্টা কোন কালেও এদেশে হয়নি। কখনো কখনো এর অতি ব্যবহার একে ধারহীন ভোঁতা করে দিয়েছে, আবার কখনো কখনো এটাই প্রতিবাদের মোক্ষম এবং একমাত্র অস্ত্র।

তার পরও কেন হরতালের মত কর্মসূচীকে আহ্বান করা? সরকার যদি তেল-গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির সাথে এই বিষয় নিয়ে খোলা মনে সংলাপে বা আলোচনায় বসত তাহলে তো আর হরতালের কর্মসূচী আসার কারণ ছিল না। আর বিএনপিও মওকা বুঝে নিজেদের পতিত অবস্থানকে ফোকটে চাঙ্গা করার উছিলত পেত না। আমরা ইতিহাস থেকে দেখলাম গত জোট আমলে জোট সরকার দৃঢ় ভাবে এই ইজারার পক্ষে ছিল। তাহলে আজ কেন তারা হঠাৎ করে ‘অতি বিপ্লবী’ হয়ে উঠতে চাইছে? আজ (১৪ সেপ্টম্বর) হরতালে সাধারণ মানুষ সাড়া দিক না দিক বিএনপি যে এটার বেনিফিশিয়ারী হতে চাইছে এটা এখন পরিষ্কার। এর পরও বিএনপি এধরণের অজুহাত খুঁজবে। এখন সরকার যদি তাদের হাতে সেই সব ‘অজুহাত’ তুলে দেয় তাহলে সরকারকেই তার দায়-দায়িত্ব নিতে হবে। এখনো সময় আছে। আমরা বলতে চাই সরকার যেমন মনে করে তারাই দেশের মানুষের মঙ্গলের কথা সবচেয়ে জোরাল ভাবে ভাবে, তেমনি দেশের সাধারণ মানুষও মনে করে সরকার নয়, তারাই দেশের কথা সবচেয়ে গভীর ভাবে ভাবে।

আমাদের সম্পদে আমাদের অধিকারের প্রশ্নটির ভেতর যে আকারেই রাজনীতি থাকুক, মোদ্দা কথা হলো, আমরা জেনে শুনে কেন বিষ পান করতে যাব? কেন আমাদের সম্পদের ওপর আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আপোষ করব?
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনার বিশ্লেষন মূলক, সুচিন্তিত, দীর্ঘ মতামতের জন্যে ধন্যবাদ।

২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১০
comment by: বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: অনেকেই এই হরতালে নাখোশ!!!!!

এই নাখোশরা আধাবেলা হরতালে দেশের যে চরম ক্ষতি (!) হবে সেটা কেঁদে কেটে বলছে, অথচ একবারো বলছে না প্রায় ৯০% তেল গ্যাস দিয়ে দেয়াটা কতটুকু লাভের|

আর বিএনপি "নৈতিক সমর্থন" দিলে হরতালের ভার্জিনিটি নষ্ট হবে বলে যারা কাই-কুই করছেন তারা কি মনে করেন বিএনপির সমর্থন দান করা বা না করাতে হরতালের কোন লাভ ক্ষতি হবে.......???

যারা টিপাই নিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে গিয়েছিল তাদেরকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে, রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে হাসিনা ও আওয়ামীলীগ কি বুজিয়ে ছিল......???

৪০/৫০ জনের শান্তি পূর্ন বিক্ষোভ প্রদর্শনও দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই খারাপ ছিল......???

আনু মোহাম্মদের শ পাঁচেক লোকের মিছিলটাও কি দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই খারাপ ছিল......???

প্রায় নাম না জানা ছোট ২ টা স;গঠনের শান্তিপূর্ন মিছিলের সাথে স্বাধনীতার ব্যাপারী ও গণতন্ত্রের মা-বাপ আলীগ সরকার যে বাকশালী-ফ্যাসিষ্ট আচরন করেছে তাতে দেশে সরকারের কোন সিদ্বান্তের সাথেই দ্বিমত করা যাবে না|

দেশের সব লুটে-পুটে নিয়ে গেলেও আমাদের হাসি মুখে বলতে হবে আহা হাসিনার আলীগ যাহাই করে সব দেশের ম;গলের জন্যই করে.....!!!


(পোষ্টে প্লাস)
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩২

লেখক বলেছেন: অথচ আমরা এদেরকেই ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছিলাম, দেশের উন্নয়নের জন্য, দূর্নীতিকে না বলার জন্যে , ঘাতক দালালদের ঠেকাবার জন্যে। দেখা যাচ্ছে যে অন্যদের স্বার্থ রক্ষাই এদের সবচে' বড় এজেন্ডা।

আ লী ৯৬এ মাসের পর মাস হরতাল চালিয়ে গেছে, তাতে দেশের কোন ক্ষতি হ্য়নি, আর আধবেলার হরতালে দেশ পংগু হয়ে যাবে!

৩. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১১
comment by: আতিকুল হক বলেছেন: আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ডিবেটের জায়গা কোথায়। সংসদের জবাবদিহীতা শেষ পর্যন্ত নেত্রীর ইচ্ছাতেই এসে মিলে। রাজপথের আন্দোলন ছাড়া ভদ্র মানুষের মত টেবিলে বসে আলোচনায় বাংলাদেশে কবে কিসের সমাধান হয়েছিল। কয়লাখনি বন্ধ করতে মানুষকে রাস্তায় নেমে রক্ত দিয়েই ষড়যন্ত্র বানচাল করতে হয়েছে। আর এখন সব শেয়ালের এক রা। এফবিসিসিআই, দালাল আলো, সরকার সবার কাছেই হরতাল মহাপাপ। আসলে টাকায় কথা বলে। বিবেক বন্ধক রাখা এইসব মানুষের কাছে এর বেশি আশা করাই ঠিক না।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: একমত। অকার্যকর আমাদের সংসদ আর আমরা সংসদীয় গনতন্ত্রের দেশ।

৪. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৮
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: গনতান্ত্রিক চর্চা মজবুত না হওয়া পর্যন্ত হরতালের বিলুপ্তি ঘটছে না।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: সহমত।

৫. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯
comment by: জুল ভার্ন বলেছেন: ভাল লিখেছেন।
আমার ধারনা, হরতাল দিয়ে কোন দাবী আদায় আমাদের দেশে সম্ভব নয়। তবে আওয়ামী স্টাইলে জ্বালাও পোড়াও, ভাংগো, বন্দর বন্ধ করে দিলে দাবী মানতে বাধ্য হয়! ঐ ধরনের কর্মসূচী এক্মাত্র আওয়ামীলীগ ছাড়া অন্য কোন পার্টী কোন দিন দেয়নি এবং দিবেনা। কাজেই দাবীও মানা হবেনা।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: বাস্তবতার আলোকে আপনার যুক্তি মেনে নিতেই হচ্ছে। কিন্তু যেখানে দেশের স্বার্থ জড়িত সেখানে আধবেলা হরতালের বিরুদ্ধে গুণীজন সব তারস্বরে চিৎকার করছে কেন?

৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: যাউক গিয়া, বিএনপি কইতে পারবো, তারা বিসমিল্লাহ করে নাই ;)
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা।

৭. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হরতাল একটি স্বীকৃতি ছুটির দিন, নন গভার্নমেন্টাল যদিও। আমার হরতাল ভালোই লাগে। তবে মাঠে বিম্পি-জামাত না নামলে কষ্ট পামু। দে শুড শো অল দেয়ার ভেনাম। বামগো তো গোটা দেশে সদস্য সংখ্যা এক হাজার হইবো না। কিপটা বইলা পাবলিকও ভাড়া করবো না।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫২

লেখক বলেছেন: যা হতে যাচ্ছে তা ঠিকই আঁচ করতে পেরেছেন।

কিন্তু আধবেলা এই হরতালের বিরুদ্ধে সরকার ছাড়াও মিডিয়া এত সোচ্চার কেন, যেখানে হরতালটার পেছনে যথেষ্ঠ যুক্তি আছে।

৮. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
comment by: আলাউদ্দীন বলেছেন: আরও একটা বিষয় আওয়ামীলীগ এবং কথিত চিন্তাবিদগন এই হরতালের সাথে বি এন পি-র জড়িত থাকার কথা বলছেন।
আমরা ভাল করেই জানি আওয়ামীলীগ এবং কথিত চিন্তাবিদগন তারা সকলেই জানেন এই হরতালের সাথে বি এন পি-র কোন সম্পর্ক নাই।তারা বামদের সাথে বি এন পি-কে জড়াতে চাচ্ছে এই জন্য যাতে বামরা বি এন পি-র অপবাদ থেকে বাঁচার জন্য হরতাল রহিত করে কিংবা হরতাল হলেও হরতালে বাম ছাড়া কোন সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করে।
আমার বক্তব্য হচ্ছে বাম ছাড়া এই দেশের সাধারণ মানুষ বি এন পি অথবা আওয়ামীলীগ যেকোন একটি জোটকে সাপোর্ট করবেই।এটাই স্বাভাবিক।তাই বলে কি বি এন পি জোটকে সাপোর্ট করে এমন কেউ হরতাল সফল করতে বামদের সাপোর্ট করতে পারবেনা? আর এই সাপোর্ট কি শুধু বামদেরই সাপোর্ট? আমার মনে এই সাপোর্ট যতটানা বামদের সাপোর্ট তার চেয়েও বেশি দেশ মার্তৃকার ঢাক।
হ্যাঁ এটা ঠিক বামদের এই হরতাল থেকে বি এন পি জোট বেশ ফায়দা লুটে নিবে। তাই বলে কি দেশ ঘুমিয়ে থাকবে?
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: বিএনপি এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য এক পায়ে খাড়া ছিল। শুধুমাত্র সময়ের অভাবে তারা এটা সম্পাদন করতে পারেনি। জনগনকে তাই আ লী এটা খাওয়াতে পারবেনা।

তবে চালাকী করে বিএনপি এ হরতালকে সমর্থন দিয়েছে।

"সাপোর্ট যতটানা বামদের সাপোর্ট তার চেয়েও বেশি দেশ মার্তৃকার ঢাক।"


সঠিক।

৯. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
comment by: দিনমজুর বলেছেন:
বিএনপি আমলেও বামদের হরতালে আওয়ামি লীগ সমর্থন দিয়েছে- আওয়ামি লীগ, বিএনপি কেন বিরোধীদলে থাকতে এইসব লোক দেখানো সমর্থন দেয়- এবং সরকারে থাকলে হামলা করে দমন করার চেষ্টা করে, তা নতুন করে বলার কিছু নেই।

আগামিকালের হরতালের যে ইস্যু- সেই ইস্যুতে কেবল হাফ ডে ও ঢাকায় হরতাল না- সারাদেশে লাগাতর হরতাল দেয়া দরকার, দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত। জনগণের দুর্ভোগের কথা যারা আজ বলছেন- যারা আজ বিশাল জনদরদী সাজার চেস্টা করছেন- বুঝতে হবে এসবই অজুহাত মাত্র, জনগণের ভবিষ্যৎ, জাতীয় সংকট সবকিছুর উর্ধে কিকরে হাফ ডে' হরতালের কিছু দুর্ভোগ বড় হয়?
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: "আগামিকালের হরতালের যে ইস্যু- সেই ইস্যুতে কেবল হাফ ডে ও ঢাকায় হরতাল না- সারাদেশে লাগাতর হরতাল দেয়া দরকার, দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত।"

"জনগণের ভবিষ্যৎ, জাতীয় সংকট সবকিছুর উর্ধে কিকরে হাফ ডে' হরতালের কিছু দুর্ভোগ বড় হয়?"

শতভাগ সহমত। তবে আ লী ছাড়া সারাদেশে লাগাতার হরতাল চালিয়ে যাবার সাংগাঠনিক ক্ষমতা আর কোন দলের আছে কিনা সন্দেহ। একটাই পথ, জনগনকে জাগি্য়ে তোলা। বাম নেতৃত্বের সে ক্ষমতা নেই। আসলে সামনে আমি অন্ধকারই দেখছি যদিও প্রকৃতিগতভাবে আমি সবসময়ই আশাবাদী।

১০. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
comment by: হঠাৎ বলেছেন: গুঁতো দিয়েছেন, গুঁতো খেয়েছেন আমাদের দুই বঙ্গ জননী। তাদের কাছে, বোধ করি (!) জনগনের কাছে হরতাল অপরিচিত থাকার কথা নয়।
জনগন(মনে করি ৯০ ভাগ, ১০ ভাগ আওয়ামী জঙ্গি ছাড়া) কিসে খুশী আর কিসে অখুশী তা জানার মত বোধশক্তিসম্পন্ন এখনও তেনারা নন। তাই একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছেন একজন। হরতালকে আমি ১০০% সাপোর্ট করি। অন্তত: এবারের প্রেক্ষাপটে।
জানতে ইচ্ছা অয় এ প্রসঙ্গে জামাতী ও জাতীয় জামাই (এরশাদ) দুলাভাইয়ের কী মন্তব্য। কেউ যদি জানেন, তাইলে প্লিজ কয়া ফালান। আমি প্রেস ক্লাবে যাই একটু।
শুভ ইফতার।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: শুভ ইফতার।

"জনগন(মনে করি ৯০ ভাগ, ১০ ভাগ আওয়ামী জঙ্গি ছাড়া) কিসে খুশী আর কিসে অখুশী তা জানার মত বোধশক্তিসম্পন্ন এখনও তেনারা নন। "

ভোটের পর জনগনের কথা এদেশে কে কবে মনে রেখেছে?

১১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২
comment by: মনজুরুল হক বলেছেন:

কোথাও কোন অরক্ষিত বগোল পেলে "বাম" ভেবে কাতুকুতু দেওয়ার অদম্য ইচ্ছা সম্বরণ করতে না পারলেও পিয়াল বলেছে ভাল।

এই অবসরে আপনার পোস্টে একটি কথা বলে রাখি(এই কথাটিই বন্ধু ফারুকের পোস্টে বলব না কিন্তু!)

এই তেল-গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটিতে আকরাম স্যার, আনু মুহম্মদ, ইঞ্জিনীয়ার সাহেব সহ সাকুল্লে জনবল হাতে গোণা কয়েকজন। পরিস্স্থিতি দাবি করে লোকবল বাড়ানোর। বাস্তবতা দাবি করে জোটবদ্ধ হওয়া।পারিপার্শিকতা দাবি করে সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলন ঘটানোর......কিন্তু অপ্রিয় এবং নির্মোহ সত্য হলো আনু মুহম্মদের একগুয়েমি, উন্নাসিকতা, বিশুদ্ধবাদীতার কারণে সেটি হয়নি!

এবিষয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বিতর্কে যেতে রাজিআছি । এমনকি মুখোমুখি হতেও
রাজি আছি।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: এতক্ষনে জমেছে। হরতাল শুরু হতে আর বেশী দেরী নেই।

"পরিস্স্থিতি দাবি করে লোকবল বাড়ানোর। বাস্তবতা দাবি করে জোটবদ্ধ হওয়া।পারিপার্শিকতা দাবি করে সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলন ঘটানোর......কিন্তু অপ্রিয় এবং নির্মোহ সত্য হলো আনু মুহম্মদের একগুয়েমি, উন্নাসিকতা, বিশুদ্ধবাদীতার কারণে সেটি হয়নি!"

আনু মোহাম্মদের উল্লেখিত ব্যাপারগুলো একটু খোলাসা করুন। জানিনা।

১২. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৬
comment by: মনজুরুল হক বলেছেন:

যে দলটি নিজেদের কমিউনিস্ট পরিচয়, শ্রেণী সংগঠনের অস্তিত্ব বিলিন করে বাক্সো-পোটরা, লাটবহর সমেত আর একটি বুর্জোয়া দলে একীভূত হয়ে যায়, সেই দলের মৌসুমী পাখিরা ওই কমিটিতে থাকেন শুধু না, জোরোশোরে থাকেন, অথচ সরাসরি শ্রমিকদের অংশগ্রহনে বেড়ে ওঠা দলসমূহের জোট "নয়া গণতান্ত্রিক গণ মোর্চা" র জাতীয় কমিটিতে ঠাঁই হয়না!

যে ল্যাম্পপোস্ট এর দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচীর কারণে টিপাইমুখ পাদপ্রদীপের আলোয় আসে, সেই ল্যাম্পপোস্ট রাজু ভাস্কর্যের সামনে প্রতিবাদ সভা করতে না পেরে তাদেরই সমর্থনে ডাস এর সামনে গণসংস্কৃতির ব্যানারে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশে ঠাঁই চাইলে তাদের চলে যেতে বলা হয়! তাদের ব্যানারটাও টাঙাতে দেওয়া হয়না! এটাও এই জাতীয় কমিটিরই শ্যাডো সংগঠন।

আজ থেকে বছর তিনেক আগে সরকার বিরোধী আন্দোলনে, ঘোরাওকে যে সংগঠন
"হঠকারী" বলে সহমত জানায়না, আজ তারাই ঘেরাও কর্মসূচী দিয়ে বসে!

কাল হরতাল। হরতাল সফল হোক। যদিও যে উদ্দেশ্যে হরতাল ডাকা হয়েছে, তা প্রকারান্তরে সফলই বলা চলে। মাস মিডিয়ায় ব্যাপারটা আলোড়ন তুলেছে।
এসময় আর নেতিবাচক কথা না বলি...............
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: পোষ্টটা যখন দিয়েছিলাম তখন ল্যাম্প পোস্টকে মনে করতাম মগবাজারীয় প্রশাখা।

বুদ্ধিজীবিদের বিরাট একটা অংশকে ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছি যৌনকর্মী সুলভ আচরন করতে। তবে সামনে দুর্দিন। জাতির বিবেক সংবাদ মাধ্যম যখন জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে, তখন স্বাধীনতা বিকিয়ে যাবার কাছাকাছি।

১৩. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৫
comment by: মনজুরুল হক বলেছেন:

প্রথম প্রথম এতটা খারাপ লাগত না। মনে করতাম একটা ট্রেন্ড অন্তত চালু হচ্ছে, হোক। এখন সব চ্যানেলগুলোয় তথাকথিত চেনা মুখের বুদ্ধিব্যাপারিদের নাপতামি দেখে শুধু একটাই বেগ আসে....পেশাবের বেগ!!
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৮

লেখক বলেছেন: এদের আবার দু কান কাটা, ভোল পল্টাতে সময় নেয়না।

১৪. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৭
comment by: *পাগলা জগাই* বলেছেন: দালালদের ধারণা তাদের মত সেভেন শুটারওলা গুন্ডা না থাকলে সেটা হরতালই না! এবারের হরতালই বুঝিয়ে দেবে মানুষের হরতাল আর ক্ষমতালোভি ডাতাদের হরতালের তফাৎ!

হরতাল সফল হোক।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৩

লেখক বলেছেন: হরতাল সফল হোক।

একটাই চিন্তা, জনমত গঠন করতে সময় বোধ হয় আরো বেশী লাগতো। এটা তো দু দলের হরতাল নয় যে ভাড়া করে ট্রাক বোঝাই করে গুন্ডা এনে হরতাল করবে, জ্বালাও পোড়াও করবে।

এখনে জনগনের স্বত:স্ফূর্ত সহযোগিতার খুব বেশী প্রয়োজন ছিল।

১৫. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০০
comment by: ফকির ইলিয়াস বলেছেন: সরকার হচ্ছে রাবণ ।
তারা কলা না ঝুলাইয়া
জনগণের দাবী নিয়া ভাবছে না কেন ?

জাতীয় স্বার্থ কি শুধু মুখে ?
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: শুধু মুখেই, আর কাজে হ'ল নিজের, বিদেশীর এবং বহুজাতিকদের।

১৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৫
comment by: দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: বিকল্প হিসাবে মইন কাকুরে ক্ষমতায় বসানো উচিৎ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭

লেখক বলেছেন: এ্যাদ্দিন পরে?

মইন কাকু যে স্থায়ী সমাধান নয়!

আপনাকে জনকল্যানমুলক স্বৈরাচারী সমর্থক ধরে নি্য়েই বলছি, মইন কাক্কুর রাজত্ব কালকে যাচাই করলে কোন ভাবে গড় দেয়ারও উপায় থাকেনা।

 

 


না প্রেমিক না বিপ্লব

trishonku@hotmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই