আমার প্রিয় পোস্ট

C:\Documents and Settings\raad\My Documents\Lighting cig..jpg

গার্মেন্টস শ্রমিকেরা ভাংচুর করছে।

৩০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪৪

শেয়ারঃ
0 0 0

মহাখালী, গুলশান ও তেজগাঁও শিল্প এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিকেরা ভাংচুর শুরু করেছে সকালের দিকে।

৩০০০ টাকা ন্যুন্যতম বেতন গ্রহনযোগ্য নয় বলে তারা বলছে।

সাত রাস্তার মাথা থেকে তেজগাঁও শিল্প এলাকা, গুলশান এভিনিউ, গুলশান-১ থেকে আমতলী, সব রাস্তা পুলিশ বন্ধ করে দিয়েছে।

ফার্মগেট থকে আসা সব গাড়িগুলোকে জাহাংগীর গেট থেকে ঘুরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

পুলিশ দ্রুত অবস্থার অবনতির আশংকা করছে।

সুত্রঃ নিজে দেখা এবং ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে জানা।।

সাভার থেকেও একই ধরনের খবর আসছে ( তবে সত্যতা যাচাই করতে পারিনি)

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫২
আকাশের তারাগুলি বলেছেন: আশা করি সবাই সব কিছু শিগগির বুঝতে পারবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
৩০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: কি জানি!

বাংলাদেশ যে পৃথিবীর চতুর্থ বৃহৎ পোষাক রপ্তানীকারক দেশ তা অনেক বড় বড় দেশেরই গাত্রদাহের কারন।

২. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: বাংলাদেশে একটি ডিপ্লোমা কম্পিউটার প্রফেশনালের বেতন ৪০০০-৫০০০ টাকা থেকে শুরু হয় । ওরা কম্পিউটার অপারেট করতে পারে । একজন ১২ -১৪-১৬ বছর শিক্ষা শেষ করা লোকের মজুরি কত থেকে শুরু হয় । তেমন বেশি নয় ।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বর্তমান বেতন ৩০০০ টাকা। আগের ছিল ১৬০০ টাকার মত । এই ৩০০০ টাকা কিন্তু যারা কিছুই পারে না তাদের বেতন । যারা অভিজ্ঞ তাদের বেতন অনেকদূর । ওরা কোন কাঠামোতে নেই ।

অভিজ্ঞ শ্রমিকদের কারো কারো বেতন ২০০০০, ৩০০০০ ও আছে । ১৪-১৬ বছর শিক্ষা শেষ করা অনেকেই এটা কল্পনা করতে পারেন না।

তারপর ৩০০০ টাকার সাথে ওভারটাইম আছে । সবমিলিয়ে একটা গরিব দেশের কথা চিন্তা করলে একজন অক্ষর জ্ঞানহীন লোকের শুরু বেতন এর বেশি কি আশা করতে পারেন ?
৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: সামগ্রিক অর্থনৈতিক বিবেচনায় আপনার কথা অবশ্যি প্রণিধানযোগ্য কিন্তু ৩০০০ টাকায় মাস চালানো সুকঠিন।

বাসার কর্ম-সহকারী যার আপনি থাকা, খাওয়া , পরা এবং চিকিৎসার ব্যয় বহন করেন তাকেও আপনার নূন্যতম ১৫০০ টাকা দিতে হয় মাসে।

একটি সিটের ভাড়া ৭০০ টাকা, ঢাকা শহরে শুধু বেঁচে থাকার জন্যে খেতে লাগে ৫০ X ৩০ = ১৫০০,

একটি গার্মেন্টস শ্রমিকের প্রকৃত আয় বাসার সাহায্যকারীর চেয়ে কম। আর থাকা খাওয়ার মানের কথা না হয় বাদই দিলাম।

শিক্ষা নবীশ গার্মেন্টস শ্রমিকের বেতন ধরা হয়েছে ২৫০০

কিছু কিছু গার্মেন্টস অবশ্যই আছে যেখানে একবেলা ভাল খাবার, বিনা মূল্যে চিকিৎসা, রেশন ও প্রসুতির বিনামূল্যে যত্ন নেয়া হয়। তবে তা হাতে গোনা।

৩. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৯
লাভলুদা বলেছেন: @বিপ্লব কান্তি সহমত
৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লাভলুদা।

৪. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:০৪
পারভেজ বলেছেন: বেতন আসলে কাঠামো বেঁধে লাভ নেই। যোগ্য শ্রমিক ঠিকই তার কাজের বেতন আদায় করে নেয়। ভালো কারখানাগুলো অনেক বেশী বেতন আর সুযোগ সুবিধা দিয়েই নিয়োগ দেয়। সরকারের উচিত ছিল কাঠামো পদ্ধতিতে না যেয়ে কাজের ক্ষেত্রের মান উন্নয়ন ও সুযোগ সুবিধাগুলির বাস্তবায়ন করা। অদক্ষ শ্রমিক বলে কোন ক্যাটাগরী থাকারই প্রয়োজন নেই। দরকারে বিজিএমইএ আর সরকার যৌথভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। ছোট খাট গার্মেন্টস যদি বন্ধ হয়েই যায়, হোক না! সমস্যা কোথায়?!
৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আমি বলছিলাম যে এই একটি ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে গিয়েছিলাম অনেকদুর, সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত উদ্যোগে।

গত ক'বছর ধরে এর ওপরও খাঁড়া নেমে আসছে কেন?

৫. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন: কি হবে দেশের কি হবে দশের
৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: কিছুই হবেনা খাঁন।

প্রবৃদ্ধি বাড়বে কিন্তু ৬ কোটি লোকের একবেলার খাবার যোগাতে প্রাণ ওষ্ঠাগতই থেকে যাবে।

৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: গিয়েছিলাম, মন্তব্য করে এসেছি। আপনার চায়ের দোকানের বর্ণনাটি তথ্যবহুল এবং বছর খানেক ধরে গার্মেন্টসএ অসন্তোষের কারনের প্রতি দিক নির্দেশনা দেয়।

৭. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:২৯
লালসালু বলেছেন: @বিপ্লব কান্তি সহমত
৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লালসালু।

৮. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৩১
লালসালু বলেছেন: আপনি গার্মেন্টস সেক্টরে কাজ করলে এ কথা বলতেন না। আমি এই সেক্টরের সাথে ১০ বছর ধরে জড়িত। নিজে একটা বড় কম্পানীর ম্যানেজার। নূন্যতম মজুরী হল ৭ম গ্রেডের শিক্ষানবীশ কর্মচারীদের জন্য। ৭ম গ্রেডের কর্মচারীদেরকে আমরা হেল্পার ডাকি। তাদের বয়স সাধারণত ১৪ থেকে শুরু হয়। অনেকে ১৮ বছর বয়স থেকে কাজ শুরু করে। এই বয়সে কেউ বিয়ে করে ফ্যমিলীর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলে সেটা কে দেখবে?
৭ম গ্রেডের নূন্যতম মজুরী যখন ১৬৫২টাকা ছিল তখন তাদের বেতন ছিল নিম্নরুপঃ

নূন্যতম মজুরীঃ ১৬৬২
হাজিরা বোনাসঃ ৩০০ (যে মাসের প্রতি কর্মদিবসে উপস্থিত থাকে, অনুপস্থিত থাকলে আবেদন করলেও টাকা দেয়া হয়)
ওভারটাইমঃ বিকাল পাঁচটার পরে প্রতি ঘন্টায় বেসিকের ডাবল। বাংলাদেশের কোন ফ্যক্টরীতে রাত দশটার আগে কাজ শেষ হয় না। সুতরাং একটা ছেলে দিনে পাঁচ ঘন্টা ওভারটাইম করে। তার ওভারটাইম গিয়ে দাঁড়ায়ঃ (১৬৬২/১৯২= ৮.৬৫/ঘন্টা)

মাসে ওভারটাইম হয়ঃ ২৫*৫*৮.৬৫= ১০৮১.৫০ টাকা
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফ্যক্টরীতে শুক্রবারে কাজ হয়। তখন নূন্যতম বেতন ধারীদের নূন্যতম ১০০টাকা দেয়া হয়। দুটি শুক্রবার অবশ্যই কাজ করতে হয়।
সুতরাং ১৬৬২টাকা যখন বেতন ছিল তখন একজন শিক্ষানবীশ হেল্পারের মোট বেতন ছিলঃ ১৬৬২+৩০০+১০০০+২০০= ৩১৬২ টাকা।
বাংলাদেশের কোন মানুষ সারাজীবন শিক্ষানবীশ হিসেবে থাকতে চায় না। তিন মাস পরে আমরা তাকে মেশিন দেই মানে সে অপারেটর হয়ে যায়। তখন আগের নূন্যতম মজুরী অনুযায়ী তার নূন্যতম বেতন হয় ২২০০টাকা। সে হিসেবে তার মাসিক বেতন দাঁড়ায় ৪হাজার টাকা। ১৪-১৮ বছরের লোকের জন্য ৪হাজার টাকা তেমন খারা কিছু নয় যদি সে অবিবাহিত থাকে।
৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: লাল সাল,

আমি বেতনের স্বল্পতার কথা তুলিনি, বিপ্লবের কথার জবাব দিতে গিয়ে তুলতে হয়েছে। এবং আমার মনে হয় আমার ব্যাখ্যা বাস্তবতার নিরিখেই করা।

বড় কোম্পানীগুলো যে সুযোগ সুবিধে দেয় তার উল্লেখ আমি করেছি।

কিন্তু মিরপুরের অনেকগুলো গার্মেন্টস একজন অপারেটরকে কত বেতন দেয়, ক'মাস পর পর বেতনের কত শতাংশ দেয়, তা আমি বলছি না, কারন আপনি তা আমার চেয়ে ভাল জানেন।

তবে সবচে' ভয়াবহ ব্যাপার হচ্ছে, এ অসন্তোষ স্বতঃস্ফুর্ত নয়, পরিকল্পিতভাবে ঘটানো।

৯. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৪০
লালসালু বলেছেন: আমরা মানে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স করে চাকুরিতে যখন প্রথম জয়েন করেছিলাম তখন আমাদের বেতন ছিল ৪০০০-৫০০০ টাকা। আমাদের বয়স ছিল ২৮-২৯ অথচ গারমেন্টেসের ছেলে মেয়েরা যখন নূন্যতম তিন হাজার টাকা (সব মিলে ৪৮০০ টাকার কম নয়) পাবে তখন তাদের গড় বয়স ১৪-১৮। ওদের কথা বলার জন্য লোক আছে অথচ আমাদের কথা বলার জন্য কেউ নেই :(
৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: আমি যখন ঊপসচীবের পদ মর্যাদায় চাকুরী ছাড়ি তখন আমার সর্বশেষ যা বেতন ছিল, একজন ১৯ বছর বয়সের সাধারন সৈনিক এখন তার চেয়ে বেশী বেতন পায়।

আফিসারদের জন্য আসলেই কেঊ থাকেনা। সে ব্যাবস্থা নেই।

১০. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৪৯
প্রভাষক বলেছেন: আমি এক-সময় ছিলাম... বেতন আমার চেয়ে অপারেটর এর হেলপার-রা বেশি পেতো...
৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: প্রভাষক,

আসলে টাকার মান কমেছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। আমি যখন সরকারি চাকুরীতে ৭ম গ্রেডে যোগ দেই তখন ৭ম গ্রেডের মূল বেতন ছিল ৭৫০ টাকা।

গার্মেন্টস খাতে ও জনশক্তি রপ্তানীতে আমাদের যা আয় এখন তা অনেকের গাত্রদাহের কারন।


সহব্লগার হুপফুলফ্রিভারের আজ সকালের অভিজ্ঞতা শুনুনঃ

চায়ের স্টলে চা খেতে গিয়ে একটা ভয়ংকর ব্যাপার লক্ষ করলাম ! গার্মেন্টস কর্মীগুলো আসলে কত বোকা!! ওদেরকে পরিকল্পিতভাবে বিশৃংখলায় নামিয়ে দিয়ে গাড়ী ভাংচুর করছে মুলত পাচটা লোক!! এদের পাচজনের হাতেই লোহার রড! আর এদেরকে মোবাইলে নিয়ন্ত্রণ করছে স্পট থেকে অনেক দুরে (নিকেতনের ভিতরে) চা স্টলে বসে একটা লোক!! সে একটু পরপর ফোনে ডিরেকশন দিচ্ছে "পুলিশ আসতে এখনও অনেক দেরী যা ভাংগার তাড়াতাড়ি ভাঙ্গ"

১১. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:১০
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: আমি নিজের লাইনের কিছু কথাই বলি

সিভিল ইঞ্জিঃ তকমা গায়ে লাগিয়ে ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট রা যখন প্রাইভেট/ ডেভেলপার কম্পানিতে জয়েন করে তখন তাদের বেসিক ৬৮৫০ টাকা !! সবমিলিয়ে ৭০০০-৮০০ টাকা, এটা হলো ভালো অবস্থা।

আর এমন অনেক ফার্ম আছে যারা ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট ইঞ্জিঃ দের একেবারে বিনা পয়সায় বা ৫০০০-৬০০০ টাকায় ফার্মে রাখে, নতুন গ্র্যাজুয়েট এর করার কিছুই থাকে না কারন টাকা না পেলেও এক্সপেরিয়েন্স এর লোভে থেকে যায় ।

আমাদের কথা কে বলবে !
৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনারা যে সংখ্যায় কম। ভাংচুর করতে পারেন না।

৩০ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: আমার ভাগ্নী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সদ্য পাশ করে ৫০০০ টাকা সাকুল্য বেতনে চাকুরী পেয়েছে মাস তিনেক আগে।

৬০এর দশকে সদ্য পাশ করা প্রকৌশলী ৩০০ টাকা বেতনে চাকুরী শুরু করতেন যখন একজন শ্রমিকের বেতন ছিল ৩০ টাকা।

১২. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮
প্রভাষক বলেছেন: ভাই, আমি আইটি অফিসার পেতাম ৫০০০/=-এর কম (২০০৪/০৫-এ)... আর সাধারণ অপারেটার-রা ৫০০০/= প্লাস... (ইয়ং ওয়ান কোম্পানী...)... ১০০০০/= পেতো ভূরে ভূরে... আর আমি সরকারী চাকুরীতে আসি তখন ৮০০০/=-ও পেতাম না..............
৩০ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: আমার সরকারি চাকুরি শুরু সপ্তম গ্রেডে ৭৫০ টাকায়।

৩১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: আপনি যখন ইয়াঙ্গোয়ানে চাকুরী করতেন তখন আইটি যে কি তা তারা বুঝতোই না।

চাহিদা ও সরবরাহের হিসেব অনুয়ায়ী আজ তারা অবশ্যই আপনাকে তাদের শ্রমিকদের চেয়ে বেশী বেতন ও ভাতা দিত।

ইশ কেন ছাড়লেন, সপ্তাহান্তের সুজো কি মিস করেন না?

১৩. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩২
ত্রিশোনকু বলেছেন: ১৯৭৩ থকে এ পর্যন্ত আমি গুলশান এভিনিঊতে এমন লংকা কান্ড দেখিনি।

আমার দেখা গুলশান থানাধীন ক্ষতিগ্রস্থ ভবন/স্থাপনা সমুহঃ

ক। গুলশান-২ থেকে গুলশান-১
১। রূপায়ন।
২। গ্রামীন ফোন।
৩। সেবা হাউজের পাশের দালানটি।
৪। NCC ব্যাংকের পাশের বাড়িটি (সাইন বোর্ডটি নেই)।
৫। গোল্ডেন রাইস রেস্তোঁরা।
৬। দেজাভ্যু রেস্তোরা (আগেও কিছুটা ভাংগা দেখেছি)।
৭। মার্কেন্টাইল ব্যাংক।
৮। এক্সিম ব্যাংক।
৯। ৮০ গুলশান এভিনিঊ।
১০। বাটা।
১১। এক্সট্যাসি।
১২। সুবাস্তু ইমাম টাওয়ার।
১৩। সপারস ওয়ার্ল্ড।
১৪। এথেনাস ফারনিসারস (লন্ডভন্ড)।
১৫। হাবিব মার্কেট (তামান্না ফার্মেসি, পূর্ণিমা রেস্তোঁরা, লাইটিং প্লেইস)।
১৬। ঊদয় টাওয়ার।
১৭। হোটেল ওয়াশিংটন।
১৮। LG Butterfly .
১৯। Hush Puppies.
20. Bank Asia.
২১। Bank of Ceylon.
22. নাভানা টাওয়ার।

খ। গুলশান-১ থেকে তেজগাঁও লিংক রোডের মাথা হয়ে আমতলীঃ

২৩। জব্বার টাওয়ার (আলমাস)।
২৪। মেঘনা বাংলাদেশের পাশের বাড়িটি।
২৫। SPL Western Tower.
২৬। Modern Erection Ltd.
27. NASA Group (পুলিশকে ভেতরে দেখে এসেছি বিকেল ৫টায়)।
২৯। Jayson.
৩০। তেজঁগাও লিংক রোডের মাথার পুলিশ বক্সটি গুড়িয়ে দেয়া
হয়েছে।
৩১। সিংগার।

গ। আমতলী থেকে গুলশান-১

৩২। প্রাইম ব্যাংক, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স।
৩৩। DHS Motors.
34. Nitol.
৩৫। ম্যাডোনা টাওয়ার।
৩৬। কাদেরিয়া টাওয়ার।
৩৭। ম্যাসিভ কোয়ালিটি লাইটিং।
৩৮। Zaara.
৩৯। অটোবী।
১৪. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২
সাজিদ বলেছেন: এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি বললেন যেসব ব্যবসায়িদের পোষাবে না তারা যেন অন্য ব্যবসায় চলে যায়। বুঝলাম না এটা, গার্মেন্টস ব্যবসায়িরা যদি অন্য ব্যবসায় চলে যায় তাহলে ঐসব গার্মেন্টস কর্মীদেরকে বেতন দিবে কে? নতুন ভারতীয় মালিকরা?
৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: আজ থেকে বছর পচিঁশ আগেও আমাদের আয়ের প্রধান উৎস ছিল ভিক্ষা। আজ আমরা জনশক্তি ও পোষাক রপ্তানী করে সে অবমাননাকর অসস্তিত্ব থেকে উঠে এসেছি। PL 480 আজ আমাদের জন্যে আবশ্যক ন্য। যুক্তরাষ্ট্রও নয় আমাদের সবচে' বড় সাহায্যদাতা।

এটা অনেকের কাছেই সুখকর বিষয় নয়।

৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২২

লেখক বলেছেন: Very sad in deed.

১৬. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২
অলস ছেলে বলেছেন: খাইসে। এত বিল্ডিং ভাংচুর!
৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: এতগুলোই তো দেখলাম। বাদ পড়তে পারে কিছু।

১৭. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৮
সীমানা পেরিয়ে বলেছেন:
গত সাড়ে তিন বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার পায়তারা চলছে।
৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনার গ্রামের ভিক্ষুকটিকে দোকান দিয়ে দেখতে বসলে আপনার ভাল নাও লাগতে পারে।

১৮. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১৫
পারভেজ বলেছেন: এটা পরিকল্পিত ভাঙচুর। তদন্ত করে পালের গোদাদের ধরা প্রয়োজন।
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: অবশ্যই।

অনেকেই আমাদেরকে ভিক্ষার ঝুলি হাতে দেখতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

১৯. ৩১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২০
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: লালসালুর কথাগুলোই বলতে চাচ্ছিলাম...
০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫২

লেখক বলেছেন: বলুন। বলতে থাকুন।

মনে রাখবেন স্পেলবাইন্ডার যে আমাদের সাধ্যের মধ্যে যা আছে তাও যদি না করি তা'লে বিবেকের কাছে শেষ নিশ্বাস নেয়া পর্যন্ত দায়ী থাকবো।

২০. ০১ লা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৪৩
আরিয়ানা বলেছেন: আপনারা এই ব্যপারটিতে শ্রমিক দের কেন সাপোর্ট করেন না বুঝলামনা। ৩০০০ টাকা মাসে বেতন কিভাবে কেউই আশা করতে পারে? ৩০০০ টাকায় কি হয় একবার ভাবুন না। মানবিক ভাবেই তো ওদের বেতন বাড়িয়ে দেয়া উচিৎ ছিল দাবি করবার আগেই। বাংলাদেশ, ভারত ও চীনে মানুষকে তাদের প্রাপ্যের চাইতেও কম পারিশ্রমিক দিয়ে ইন্টারন্যশনাল ব্যবসায়িরা কত কত টাকা আর্ন করছে। বড় বড় ব্র‌্ান্ড গুলো এইসব শ্রমিকদের ঘামে নিজারা বড়লোক হচ্ছে। আর ওরা ৩০০০ টাকায় মাথার ঘাম পায়ে ফেলে মাস শেষে টানা টানি করি জীবন চালায়। আমরা একটা ব্রান্ডের কাপড় কিনি ৩০০০ টাকার উপর দাম দিয়ে। তবে মাস শেষে ওরা কেন ৩০০০ টাকের বেশি পাবে না? ৩০০০ টাকা মানে $৪২ মাত্র। কোথায় কে এই বেতন পেয়েছে মাসে জীবন ধারণ করবার জন্য এই দেহ গুলো ছাড়া?
০৩ রা আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: @৩০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫৬ লেখক বলেছেন: সামগ্রিক অর্থনৈতিক বিবেচনায় আপনার কথা অবশ্যি প্রণিধানযোগ্য কিন্তু ৩০০০ টাকায় মাস চালানো সুকঠিন। বাসার কর্ম-সহকারী যার আপনি থাকা, খাওয়া , পরা এবং চিকিৎসার ব্যয় বহন করেন তাকেও আপনার নূন্যতম ১৫০০ টাকা দিতে হয় মাসে। একটি সিটের ভাড়া ৭০০ টাকা, ঢাকা শহরে শুধু বেঁচে থাকার জন্যে খেতে লাগে ৫০ X ৩০ = ১৫০০, একটি গার্মেন্টস শ্রমিকের প্রকৃত আয় বাসার সাহায্যকারীর চেয়ে কম। আর থাকা খাওয়ার মানের কথা না হয় বাদই দিলাম। শিক্ষা নবীশ গার্মেন্টস শ্রমিকের বেতন ধরা হয়েছে ২৫০০ কিছু কিছু গার্মেন্টস অবশ্যই আছে যেখানে একবেলা ভাল খাবার, বিনা মূল্যে চিকিৎসা, রেশন ও প্রসুতির বিনামূল্যে যত্ন নেয়া হয়। তবে তা হাতে গোনা।

তাই বলে তাদের তান্ডব সমমর্থতন করি কি ভাবে?

২১. ০২ রা আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:৫৬
স্তব্ধতা' বলেছেন: এই বাজারে ৩০০০ টাকারও কমে কি ভাবে ওরা বেঁচে আছে এটাই আশ্চর্য।যারা ওদের অক্ষর জ্ঞানহীনতার কথা বলছেন তারা কি একবারও ওদের দক্ষতাটার কথা ভেবেছেন? যেকোন দক্ষতার নূন্যতম মজূরীওতো ৩০০০ টাকার বেশী হওয়া উচিত এই বাজারে।
০৩ রা আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: যেকোন দক্ষতার নূন্যতম মজূরীওতো ৩০০০ টাকার বেশী হওয়া উচিত এই বাজারে।

-অবশ্যই।

আসলে যে সব মালিক পক্ষ এখন তাদের ন্যায্য বুঝিয়ে দেয় তারা আগের বেতন কাঠামতেই একজন শিক্ষা নবীশকে সাকুল্যে ৩০০০ টাকার বেশী দেয়। দুপুরের খাবার দেয়, রেশন দেয়, বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়, প্রসূতি ও নব্জাতককে সাহায্য দেয় যথাসাধ্য।

কিন্তু যারা দিতে পারেনা তাদের জন্যে তো আংকেল স্যাম ৭০০ বিলিয়ন ডলারের ঝুলি নিয়ে এগিয়ে আসছেনা। তারা তো General Motors নয় তারা নিয়াজ গার্মেন্টস।

২২. ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:১০
আরিয়ানা বলেছেন: আমি তান্ডব সমর্থনের জন্য বলিনি। মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলেই শুধু মানুষ তান্ডব করে। আপনি নিজেই বলছেন ওদের বেতন কম। তাহলে ওরা তান্ডব করার আগেই কেন ব্যবস্থা নেয়া হলো না। তবু যদি দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় ওরা শেষ পর্যন্ত মুখ ফুটে চাইলোই তখন তা কেন দেয়া হবে না? কেন ওদের তান্ডবতা করতে হলো? আপনাকে বলছিনা, তবে বলছি আপনাদের সরকার কে আর গার্মেন্টসের মালিকদের। দেখুন গিয়ে উনাদের ছেলে মেয়েদের একটা জুতোর দামই ঐ স্যালারির চাইতে বেশি। খুবই দুঃখজনক। :(
০৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: ';
যদি এই ব্যাপারটা আপনার মত সবাই সরলীকৃত করে দেখতো~!

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: মন্তব্য দিয়ে এসেছি সেদিন।

২৪. ২৯ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:৫২
আরিয়ানা বলেছেন: আমি তো কম ঝগড়ুটে নই ;)
২৯ শে মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: ঝগড়া করতে আমার খুব ভালো লাগে কারো কারো সাথে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না প্রেমিক না বিপ্লবী
trishonku@hotmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই