![]()
আরো কিছু দুঃখ জমিয়ে একাকী রাতের আকাশ ছোঁব!
কালো চাঁদরে সফেদ অক্ষরে লিখে দিব
নির্ঘুম জোনাকির নিভৃতে অশ্রুকাহন!
বিধস্থ আভার ধূপের অনলে তিল তিল করে নিজেকে পুড়িয়ে
একটু একটু করে নিভে যাবার নিশংস কাহিনী!
হে সোডিয়ামের নিয়ন আলোয় চোখ ধাঁধানো রোবটেরা
ফোপানো অনুভূতিকে আর মুছে দিও না
অশুদ্ধতার নাম দিয়ে!
চাঁদের মত উদ্ভাসিত হতে দাও
ছলছল কষ্টগুলোকে নীলাম্ভরের দহিত বুকে!
দেখুক ধরিত্রীবাসি!
তৃষিত হয়েও কি করে কেউ ছুঁয়ে দেখে না সমুদ্রের জলরাশি!
যার মনে আছে নদীর মিলনের আকাঙ্ক্ষা!
আর বলো না তুমি আবেগীকে কান্না ভুলে যেতে
দিও না প্ল্যাস্টিকে মোড়ানো বাস্তবতার দোহাই!
প্রেম কেলেন্ডারের পাতা চেনে না,
চেনে না সে মহাকালের সীমারেখা!
যুগে যুগে সে এক, অদ্বিতীয় স্বত্বা!
তাই আর বলো না তুমি গাড়তে সমাধি আবেগীর বুকের গোরস্থানে!
দেখো মৃত অনুভূতিরা শবের বেশে সন্তর্পণে ধেয়ে আসে
অশরীরীর কালো চোখে দুঃখ জেগে রয়!
প্রিয় হারানোর বেদনা,
কেউটে শাপের দংশনের বেদনা,
অনাহারীর ক্ষুধিত প্রাণের কাতরানোর বেদনা,
শিশু মৃত্যুর বেদনা
গত সুনামীতে ভেঙে যাওয়া সুখ পায়রার ঝাপ্টানো ডানার বেদনা
সব ভস্মীভূত হয়ে গড়ে তোলে আর্তনাদের স্তুপ!
এখানে পরাস্থ হয় কোকিলেরা মিহিন সুরের মূর্ছনা
বড় মানবেতর যাপিত প্রণয়ের অবাধ্য ভালোবাসা!
রচনা কালঃ১৩ মার্চ ২০১৩ ইং।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


