১....
এটার নাম সমাজ শাহী মসজিদ । সমাজ নামের গ্রামটির অবস্থান ছিল চলনবিলের ধারে । কোন এক নবাবের ভাই এখানে এসে বসতি গাড়েন আর পরগনায় পরিণত করে এখানে রাজধানী করেন ।
ঐতিহাসিক এ স্থানে ১৫৫২ খ্রি: সুলতান শেরশাহ শুরের ছেলে সমিরের সময়ে মসজিদটি নির্মিত হয় ।
২...
এটা পাবনা সদরের দিলালপুর চৌধুরীবাড়ি মসজিদের গায়ে স্ট্যাকো অলঙ্করণ । উনবিংশ শতকের মাঝামাঝিতে আজিমউদ্দিন চৌধুরী মসজিদটি নির্মাণ করেন ।
৩...
পাবনার অন্যতম এক আকর্ষণ এটি । জোড়বাংলা মন্দির । মুর্শিদাবাদের নবাবের এক তহশীলদার ব্রজমোহন ক্রোড়ী আঠার শতকের মধ্যভাগে এ মন্দিরটি নির্মাণ করেন । মন্দিরটি বাহির থেকে দেখতে দুইটি জোড়া লাগানো দোচালা কুঁড়েঘরের মতন ।
মন্দিরের প্রবেশদ্বার :
প্রবেশ-দ্বারের স্থাপত্য-কর্ম :
৪...
সুজানগর উপজেলার তাতিবন্দের জমিদার বাড়ি । উপেন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী ছিলেন এ জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা । জমিদার বাড়িটি ছিল প্রায় পঁচিশ বিঘা জমির উপর । তাতিবন্দ ছিল পাবনার অন্যতম একটি সমৃদ্ধ জনপদ ।
৫...
দুলাই চৌধুরী জমিদার বাড়ির প্রবেশ পথ ।
উনিশ শতকের প্রথম দিকে এ জমিদার বাড়ির গোড়া পত্তন হয় । বাড়িটি চারদিকে পরিখা বেষ্টিত ।
৬...
এটা শীতলাই জমিদারদের কর্তৃক পাবনা শহরে নির্মিত শীতলাই হাউজ ।
৭...
নীলকুঠি। এটা উনিশ শতকে পাবনা সদরে নির্মিত ।
৮...
পয়দা জমিদার বাড়ি ও দোলমঞ্চ মন্দির :
৯...
তাড়াশ জমিদার ভবনের অলঙ্কৃত ক্যাপিটাল :
পাবনা শহরের সবচেয়ে নামকরা জমিদার পরিবার এটি ।বনমালী রায়বাহাদুরের এই বিল্ডিংটি এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে ।
১০...
পাবনা জুবিলি ট্যাংক । ইংরেজ শাসনামলে মহারাণী ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালের সিলভার জুবিলি স্মরণে ১৮৮৭ সালে এ ট্যাংকটি খনন করা হয় ।
১১...
পাবনার অন্যতম বড় আকর্ষণ এই হার্ডিঞ্জ ব্রীজ । শুরুতে এর নাম ছিল সাড়া ব্রীজ ।পদ্মা নদীর উপরে নির্মিত এই রেইল-ব্রীজটি ১৯১৫ সালে ভাইসরয় লর্ড ব্যারন হার্ডিঞ্জ আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন ।
এছাড়াও পাবনার আনাচে কানাচে রয়েছে আরো অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা যেগুলো অযত্নে অবহেলায় বিলুপ্ত-প্রায় । সরকার ও জনগণের সুনজরের অভাবে দিনে দিনে আমাদের মাঝ থেকে এ সব নিদর্শন হারিয়ে যাচ্ছে ।
---------------------------------------------------------------------------------

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



