ঢাকাতে যখন প্রথম আসি ....সেই ২০০৮ এর ১৪ ই ফেব্রুয়ারী....পরের দিন আমার ঢাবিতে এডমিশন টেস্ট ছিল । তখন ব্ইমেলা চলছিল ....তা ছাড়াও আরেকটা বিশেষ দিন ....ক্যাম্পাসে প্রচুর ভীড়......উঠেছিলাম বুয়েট আবাসিক এলাকায় একটা আপুর বাসায় । এরপর পরীক্ষা দিয়ে চলে গেলাম ....রেজাল্ট হল ...আবার এলাম ভর্তি হতে....আবার গেলাম । এরপর যখন এলাম এপ্রিলের ১ তারিখে..একবারে বাড়ি ছেড়ে চলে এলাম ....উঠলাম ফার্মগেটের এক হোস্টেলে । আর ক্যাম্পাসটা ? তখন তো চলছে রঙের মেলা । লাল....হলুদ.....বেগুণির ছড়াছড়ি চারদিকে । রোজ সকালে বাস ধরে আসতাম , যেতাম । দিনের অর্ধেকই ক্যাম্পাসে থাকতাম । মনটা তখন উড়ু উড়ু হয়ে যেত । সেই তখন থেকেই ঢাবির প্রেমে পড়ে গেছি ...একেবারেই মজে গেছি । কি নাই তার ! যেখানে সারা ঢাকা শহর জ্যামে ছেয়ে আছে সেখানে একটুখানি মনের শান্তি , একটু খানি নিরিবিলি আর তৃপ্ত আত্মার নিশ্বাস ফেলার জায়গা জানযট হীন শোভাময়ী মায়াময়ী এই প্রিয় ক্যাম্পাস ।
হলে উঠলাম তিনমাস পরেই......প্রকৃতির একেবারে নিবিড় সান্নিধ্যে । তখন অবশ্য রঙের খেলা ফিকে হয়ে এসেছে । একটা বছর... আবার ঘুরে এল সেই সময় । উদাস হয়ে যেতাম পথ চলতে গিয়ে ...আনমনে চেয়ে থাকতাম নিরব প্রকৃতির পানে । রঙে রঙে রাঙাত আকাশ, বাতাস, রাজপথ-ক্যাম্পাসের পীচঢালা পথ ।রঙের সাগরকে ফ্রেমে বন্দী করতে ইচ্ছে করত খুব । তখনও ক্যামেরা হয়নি আমার । রুমে ছিলাম দুই বান্ধবী (এখনো আছি ) । ওকে নিয়ে ভোরে বের হতাম মোবাইলে ছবি তুলতে ( ডিজিটাল ক্যামেরা নাই তো কি হয়েছে, মোবাইল ক্যামেরা তো আছে !)
আবার ফিকে হল রঙ...আবার ঘুরে এল এক বছর পর......আবার রাঙালো আকাশ-বাতাস, আবার রাঙালো আমাকে । এবার আমার হাতে জিঞ্জির আছে ......আর ছুটে যেতে দেবো না হাত থেকে.....বেঁধে রাখবো জিঞ্জির দিয়ে ....আজ ভোরে তাই আমার সেই জিঞ্জির নিয়ে ক্যাম্পাস অভিযানে বের হয়েছিলাম তাকে বাঁধতে
বাঁধনে বাঁধা পড়েছে যেগুলো তার কিছু :
১.হল থেকে বেরিয়েই জারুলের আবাহন :
২..কলাভবনের সামনে আবার জারুল:
৩..কৃষ্ণচূড়ায় ছাওয়া... কলাভবনে পথ চলা :
৪.লেকচার থিয়েটারে কৃষ্ণচূড়া (কয়েকদিন আগের):
৫.ফুলার রোডে..
৮.রাজপথ রাঙালো লালে:
৭..কনকচূড়ায় ছাওয়া প্রিয় ক্যাম্পাস :
৮..প্রোভিসি স্যারের বাসার সোনালু ( নাকি বানর-লাঠি
৯..চিরচেনা বিলাসিনী (বাগান বিলাস) :
১০.গাছে গাছে ছাওয়া মহীরুহী ক্যাম্পাস :

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


