মাফিয়া কাহিনী
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
![]()
উনি প্রধানমন্ত্রী এবং এতিমদের শোকে শোকাভিভূত মহিয়সী এক নারী। সিদ্বান্ত নিলেন কিছু করার এবং ‘প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল‘ নামে সোনালী ব্যাংকের রমণা শাখায় ব্যাংক হিসাব খুলে আপোষ করেন এতিমদের সাথে। বিদেশীদের মন গলিয়ে আদায় করে নেন ৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাজার ২১৬ টাকা এবং জমা করেন উল্লেখিত ব্যাংক হিসাবে। দীর্ঘ দুই বছর টাকা জমা থাকে ব্যাংকে (কারণ দেশে কোন এতিম খুজে পাওয়া যায়নি)। দুই বছর পর টনক নড়ে মহিয়সীর। পরিবারের ৩ সদস্য, তারেক, আরাফাত এবং মমিনুরকে দিয়ে জিয়া অরফেনেজ ট্রাষ্ট গঠন করে খুলে দেন কোটি টাকার তালা (শেয়ালের কাছে মুরগী বর্গা)। কাহিনীর এখানে কেবল শুরু। পরিবারের এই ’ত্রইকা’ বগুড়া এবং বাগেরহাটে ট্রাষ্ট্রের নামে সামান্য কিছু জমি কিনে বাকি টাকা রেখে দেয় ব্যাংকে। এরপর অতিবাহিত হয়ে যায় দীর্ঘ ১৩ বছর। সুদে আসলে উঠে আসে জমি কেনার টাকা। কালের চাকা ঘুরে ক্যালেন্ডারের পাতায় হাজির হয় ২০০৬ সাল। তারেক রহমান এবং মমিনুর রহমানকে দিয়ে আপোষহীনা চেকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা উঠিয়ে এফডিআর করিয়ে রাখেন গুলশানস্থ প্রাইম ব্যাংকে। এরপর সলিমুল, গিয়াস উদ্দিন, শরফুদ্দিন এবং সৈয়দ আহম্মদ নামের দলীয় ভৃত্যদের ব্যাংক একাউন্ট হয়ে টাকা পাড়ি জমায় আরাফাত আর ককো রহমানের একাউন্টে। কারণ? কারণ এ’রা দুজনই যে এতিম (আরও একবার চোখের পানি ফেলুন)!
পাঠক, এ কাহিনী ইটালিয়ান মাফিয়াদের নিয়ে নির্মিত হলিউডের কোন ছায়াছবি হতে নেয়া নয়, এ আমাদের রাজনীতির অন্দরমহলের কালো কাহিনীর কালো অধ্যায় হতে নেয়া। রাজনীনৈতিক ব্যবসা পকেট ভান্ডার কতটা স্ফীত করতে পারে উল্লখিত ঘটনা তার আলোকিত উদাহরন। দলীয় মনোনয়ন পেতে ভৃত্যের দল কেন নেত্রীর পদ্তলে কোটি টাকা পূজা দিয়ে থাকে আশাকরি পাঠকদের বুঝতে এখন সূবিধা হবে!
ও হ্যা, উপরে উল্লেখিত আপোষহীনা মহিয়সী আর কেউ নন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অতন্ত্রপ্রহরী, তিন তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, দুই এতিমের জননী জনাবা খালেদা জিয়া।
* আইনের চোখে অপরাধ প্রমানিত না হওয়া পর্য্যন্ত কেউ অপরাধী নন।
- আমিন
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
আমি ও বললাম সুম্মা আমিন।
লেখক বলেছেন: টেকায় যেন টেকা আনে...আমিন।
বি পজেটিভ বলেছেন:
কালে কালে সব ধুয়ে মুছে যাবে!
লেখক বলেছেন: চুরির টাকা সাদা করতে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী, ভয় নাই।
ওয়াচডগ৫৭ বলেছেন:
রুমাল লাগবে কি?
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
দুই এতিমের লাগি দুঃখে আঁর কলিজা হাডি যার; আইয়েন ব্লগার-রা আন্ডা হেতাগোরলাই সবাই এক টেঁয়া করি দান করি.....
লেখক বলেছেন: কি যে বলেন ভাইজান, তেনাদের জন্যে সবকিছুতে রয়েছে ডিসকাউন্ট। ১ টেহায় গুলশানে বাড়ি...আফনে ১ টেহা দিলেই এ যাত্রায় যথেষ্ট!
এস বাসার বলেছেন:
এতিমদের ( তারেক্ , আরাফাত ) সাহায্য করুন!!!!!!!!!!!!
ওয়াচডগ৫৭ বলেছেন:
একজনের দরকার শিড়দাড়ার চিকিৎসা, অন্যজনের খোদাই জানে কি রোগ! আসুন তারেক-ককো এতিম সমিতি খুলে দেশে বিদেশে চাদা আদায়ের ব্যবস্থা করি।
লেখক বলেছেন: ১ টাকায় ৩০০ কোটি টাকার বাড়ি দেওয়া গেলে এতিম হিসাবে ৯০০ কোটি টাকা প্রাপ্য!
কার্ল মার্কস বলেছেন:
এতিমদের নিয়ে দুষ্টামি করতে নাই স্রষ্টা বিজার হবিনি।আর আইনের দ্বারা তো প্রমাণ হয় নি...
তয় আমিন মুইও কইলাম কিনননতু
লেখক বলেছেন: আবারও আমিন!!!
লেখক বলেছেন: হা আ হ আ হা আ হ আ
শেরজা তপন বলেছেন:
* আইনের চোখে অপরাধ প্রমানিত না হওয়া পর্য্যন্ত কেউ অপরাধী নন।
- আমিন
...আর যাই হোক এইটুকুর জন্য অবশ্যই প্লাস
কোন কোন বিষয়ে আপনার সাথে আমার আদর্শগত মতবিরোধ থাকলেও এসবের জন্য আপনাকে প্লাস দেই।
লেখক বলেছেন: মতবিরোধ থাকাটা জরুরী। এ ধরনের বিরোধ মগজের খোরাক জোগায়।
ভাল থাকুন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















