রাজনীতি নামের বাংলাদেশীয় অনাচার, পাপাচার আর অপশাসনের বয়স দেখতে দেখতে ৪০ বছর হয়ে গেল। বিভক্তির বিষাক্ত বীজ এ ফাঁকে জাতিকে ঠেলে দিয়েছে গৃহযুদ্ধের দোরগোড়ায়। রাজনীতি রূপ নিয়েছে ঘোলা পানিতে রুই-কাতল শিকারের উর্বর জলাশয়ে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী পাইক পেয়াদা পরিবেষ্টিত হয়ে সে জলাশয়েই কেলি করছেন আর বিদ্যুৎ বন্ধের মত রাজকীয় অধ্যাদেশ জারি করছেন। প্রতিপক্ষের বুদ্ধিজীবী যারা সরকারের কাজে একমত নয়, তাদের জন্যেই নাকি এ শাস্তির আয়োজন। সরকারের পারিবারিক সম্পত্তি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে কলম ধরা শাস্তিযোগ্য অপরাধ, এমনটাই নাকি নতুন বাংলাদেশের রীতিনীতি, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার হাত-পা। একদল পা চাটা বুদ্ধিজীবী ছাড়াও সরকারের সমালোচক আছে, এবং এ সংখ্যা কোটিতেও সীমাবদ্ধ নেই। তাদের কেউ কেউ পয়সা দিয়ে বিদ্যুৎ কিনে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে এবং দলীয় চেলাচামুণ্ডাদের পকেট ভারী করার রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের সমালোচনা করছে। প্রশ্ন উঠবে, তাদের জন্যে কোন ধরণের শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী?
বিদ্যুৎ বিছিন্ন করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন তা কেবল মানসিক ভারসাম্যহীনদের মুখেই শোভা পায়। রাজনীতিবিদ নামের এসব উন্মাদদের মানসিক চিকিৎসা অনেকটাই জরুরী হয়ে পরেছে। দু বছর পর আমাদের নতুন করে পছন্দ করতে বলা হবে এসব পাগলদের একজনকে। রাজনীতিতে সক্রিয় বাংলাদেশি রাজনীতিবিদদের মানসিক চিকিৎসা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে আসুন গলা মেলাই। এটা খুবই জরুরি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


