somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নেপাল ভ্রমন এবং অন্যান্য - পর্ব ৪

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নেপাল ভ্রমন এবং অন্যান্য - পর্ব ১
নেপাল ভ্রমন এবং অন্যান্য - পর্ব ২
নেপাল ভ্রমন এবং অন্যান্য - পর্ব ৩

২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০০৯

গাড়ী হতে নামতেই মনটা ভালো হয়ে গেল। চারিদিকে উজ্জ্বল আলো, নির্মল বাতাস আর … শুধুই ভালোলাগার অনুভূতি।
হোটেল রিসিপশনে যেতেই এক গ্লাস কমলার রস দিয়ে আপ্যায়িত হলাম।

ওয়েলকাম ড্রিঙ্ক
“ইয়াক & ইয়েতি” আগে রাজবাড়ি ছিল, এখন হোটেল । দেয়ালে দেয়ালে রাজ পারিবারের ছবি আর আভিজাত্য।

নুসরাত আপা সবসময়ই খুতখুতে, ভালো রুমটাই তার চাই। আমি আবার এসব ব্যাপারে উদাসীন, এতো বাছাবাছিতে নাই।
৩য় তলায় আমার রুমটিতে ঢুকতেই মনে হল – ভালো রুমই পেয়েছি। আমার রুমের জানালা দিয়ে হোটেলের ভেতরের বিশাল বাগান, সুইমিংপুল দেখা যাচ্ছিল। কৌতুহল নিয়ে নুসরাত আপার রুমে উকি দিলাম, ওনার মন খারাপ, তার মতে এটা একটা আবদ্ধ রুম। জানালা খুললেই আরেকটা বিল্ডিংয়ের ছাঁদ দেখা যায়।

পুলকিত মনে নিজের রুমে ঢুকলাম।


জামা কাপড় চেঞ্জ করেই বাগানে- ছবি তুললাম প্রচুর। সবাই খুব মজা করেছি। যত্ন নিয়ে তৈরি করা সব কিছুই। নানা রকমের ফুল গাছ, লেক, কাঠের সাকো, ঝর্ণা আর হনুমানজি’র মূর্তি।

হোটেলের বাগানে কাঠের সাকো

হনুমানজি’র মূর্তি

কৃত্রিম দ্বীপের মাঝখানে ...

রিসিপশনে এসে ডলার ভাঙ্গালাম। ১ ডলারে ৭৭ নেপালি রুপি পেলাম। বাহিরে বের হতে যাব, শুরু হল বেরসিক বৃষ্টি।

আধাঘন্টা পর বৃষ্টি একটু কমলে বের হলাম। হোটেলের সামনেই নানারকম পন্যের সমাহার, মানি একচেঞ্জের দোকান। ওরা ১ ডলারে ৭৮.৫ নেপালি রুপি দিচ্ছে। নিজেদের স্বান্তনা দিলাম এই বলে যে, এসব মানি একচেঞ্জের দোকানে জাল নোট থাকতে পারে। কিন্তু মনে মনে খুশী হলাম, হোটেলে মাত্র ১০০ ডলার ভাংগিয়েছি। পরে হোটেলে আমরা কেউই আর ডলার চেঞ্জ করিনি, বাহিরে ৮০ রুপি পর্যন্ত পেয়েছিলাম।

অনেক খুঁজে পেতে একটা ফোনের দোকান পাওয়া গেল। ২০ রুপি/ মিনিটে যার যার বাসায় কথা বলে নিলাম।


মেয়েদের নিয়ে একটা সমস্যা আছে। তারা ১ম দোকানে ঢুকে দামাদামি করবে, জিনিষ নাড়াচাড়া করবে, পছন্দ হলেও না কিনে বের হয়ে যাবে আরেকটার সাথে তুলনা করার জন্য। তারপর সারা মার্কেট চষে ফেলে ১ম দোকান হতে সর্বপ্রথম দেখা জিনিষটিই কিনবে।

মেয়েরা হোটেলের আশেপাশের শপিংমলগুলোতে অনার্থক ঘুরাঘুরি করল, এটা দেখল, সেটা বের করল । আর আমরা ৩ জন ছেলে বিরস বদনে তাদের সংগ দিলাম।

আগেই জেনে নিয়েছিলাম “থামেল” (http://en.wikipedia.org/wiki/Thamel) হচ্ছে কাঠমুন্ডুর প্রানকেন্দ্র। থামেলকে বলা হয় হোটেলের শহর, পর্যটকদের জন্য অনেক সস্তা হোটেল আছে এখানে। থামেলের রাস্তার দু’পাশে নানারকম ফেন্সি জিনিষ পাওয়া যায়, ট্রাভেলাররা এখান থেকেই তাদের প্রয়োজনীয় গিয়ার কিনে থাকে। আছে বিখ্যাত পশমনি শাল, আর অনেক অনেক রেস্টুরেন্ট।
থামেলের রাস্তা চিনিনা, মেয়েদের সাথে অনার্থক ঘুরাঘুরি শেষে থামেলের পথে বের হলাম। জিঙ্গেস করে করে যতই এগুচ্ছিলাম, ততই পর্যটক নগরীর প্রকৃত রূপ উন্মোচিত হচ্ছিল ...

থামেলের রাস্তার দু’পাশে...

এ ধরনের স্থাপনা প্রায়ই চোখে পড়বে


বি-দ্রঃ অফিস আর ব্যস্ততার কারনে সময়মতো পর্বগুলো লিখতে পারিনি।
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×