আমার প্রিয় পোস্ট
- গো. আ সাহেবের একাত্তর নামা (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) - লাল দরজা
- সাইয়েন্স ফিকশন: বিশুদ্ধ মানব প্রকল্প - আজম
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ সত্যজিৎ রায়(একটি তথ্যমূলক পোষ্ট) - জয় সরকার
- সেইসব বীরঙ্গণা এবং যুদ্ধশিশুর কথা - রেজওয়ান
- জগৎজ্যোতি! যিনি ছিলেন বাংলার প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ/............ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকিউমেন্টস - সেলটিক সাগর
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ভবঘুরে
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (১): ণত্ব বিধান! - ম্যাভেরিক
- ৭১ এর দালালদের চিনে রাখুন - ইমির
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- The Jewel of Medina(Freedom of speach এবং artistic license নামে মিথ্যার বেসাতি) - আশিক হাসান
- হুমায়ুন আহমেদ এর কিছু বই
- জটিল
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- ব্লগে চলতি কিছু ধারাবাহিক - একরামুল হক শামীম
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- ঘাতক দালালদের তালিকা: - ফিরে দেখা ১৯৭১
- সামহয়ারইনব্লগ ডিকশনারী Version 1.0 সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক!!! - নোবেলজয়ী
- শহীদ, শাহাদাৎ এবং জিয়া - বিতর্কিত বিষয়, বিতর্কিত পোস্ট, বিতর্কিত আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- ঈদে মীলাদুন্নবী (শরীয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু শুদ্ধ) - রাজামশাই
- নারী পুরুষের বাম পার্শ্বের পাজরের হাড় থেকে সৃষ্টি হয়েছে, এটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত? - গোস্বামী
- পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুলের ইতিবৃত্ত - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- ইসলামি উত্তারাধিকার আইন সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা - আওরঙ্গজেব
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- দ্যাট ফেইটফুল ডে - আবূসামীহা
- ধর্ম বিশ্বাসের রকম ফের, জামাতী নমুনা - সাঈফ শেরিফ
- নাস্তিকরা কি সত্যিই শান্তিকামী? /সারওয়ার চৌধুরী - সারওয়ারচৌধুরী
- ব্লগীয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী ভাইসব, একটু থামুন, আমার কিছু প্রশ্ন ছিলো... - ত্রিভুজ
- সুরা আহযাব ৫০-৫২: রাসুলুল্লাহ সা: এর প্রতি কেন বিয়ের বিশেষ বিধান, নাকি আল্লাহর অন্যায় পক্ষপাতিত্ব (!) - আওরঙ্গজেব
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- যদি বলি লোভ থেকে তৈরি ধর্মের, তাই ধার্মিকেরা লোভী! - শাহরিয়ার হোসেন
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- মুখোশধারী ইসলামবিরোধী অন-লাইন যোদ্ধারা -১ - দ্বীপবালক
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
চারিদিকে দেখ চাহি হৃদয়ও প্রসারি, ক্ষুদ্র দুঃখ সবও তুচ্ছ মানি, প্রেমও ভরিয়া লহো শুন্য জীবনে, আনন্দধারা বহিছে ভূবনে

নাস্তিকের মনস্তাত্ত্বিক ব্যবচ্ছেদ........................... ভুমিকা
০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৫
নাস্তিকতাবাদ একটি মতবাদ । এই মতবাদের মূলমন্ত্র হলো, "ঈশ্বর বলতে কিছু নেই"। আর এই মতবাদের অনুসারিদেরকেই নাস্তিক বলা হ্য়।
যেহেতু এক এক ধর্মে ঈশ্বরের স্বরুপ এক এক রকম, সেহেতু কোন একটি বিশেষ ধর্মের ঈশ্বরকে অস্বীকার করলেই তাকে নাস্তিক বলা যাবেনা। সেইই নাস্তিক যে কোন ধর্মের কোন ধরনের ঈশ্বরের অস্হিত্বকেই বিশ্বাস করেনা।
সুতারাং নাস্তিকতাবাদকে পুরোপুরি বুঝতে হলে সব ধর্মের ঈশ্বরের স্বরুপ সম্ধন্ধে প্রাথমিক ধারনা থাকা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে আমি উল্লেখযোগ্য কিছু ধর্মের ঈশ্বরের স্বরুপ সম্ধন্ধে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করবো।
হিন্দু ধর্মে ঈশ্বরের স্বরুপ :
ঐতিহাসিক দিক দিয়ে হিন্দু ধর্ম পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ধর্ম, এজন্য একে সনাতন ধর্মও বলা হয়। এই সনাতন ধর্মের ব্যাপারে হিন্দু ধর্মের বিশিষ্ট পন্ডিত ডাঃ এন.সি.বোস তার কোরআন, বাইবেল, বেদ ও বিজ্ঞান বইতে বলেছেন, "বিভিন্ন ধর্মের তুলনামূলক বইয়ের জনৈক লেখক সনাতন ধর্মের মন্তব্যে লিখিয়াছেন, ইহা একটি অবৈজ্ঞানিক ধর্ম। এই মন্তব্যে জবাবে বলা যায় সনাতন ধর্ম একটি সমুদ্র বিশেষ ইহা থেকে কোন সিদ্ধান্ত বাহির করা অত্যন্ত কঠিন " [পৃঃ ১১]
হিন্দু ধর্মে ঈশ্বরের স্বরুপ ব্যাখ্যা করা সত্যি অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার। সহজ কথায় বলা যায় হিন্দু গ্রন্থ মতে ঈশ্বর নিরাকার, এক ও অদ্বিতীয়। উনার কোন ছবি, প্রতিরুপ, মূর্তি বা প্রতিমা নেই। অজাত, অবিনশ্বর ও সর্বশক্তিমান। [যজুর্বেদ : ৩২:৩, ৪০:৮, ],[যজুর্বেদ দেবী চান্দ কর্তৃক অনুবাদকৃত পৃঃ ৩৭৭], [অথর্ববেদ: ২০ ৫৮:৩], [ঋক্বেদ: ১:১৬৪:৪৬]
যদিও সাকার ঈশ্বরের উপাসনা হিন্দু গ্রন্থ মতের বিরোধী তবুও প্রায় সমস্ত হিন্দু সমাজ (ব্রাক্ষ্ম সমাজ ব্যতীত) সাকার ঈশ্বরেরই উপাসনা করে। হিন্দুরা ব্রক্ষ্মা (সৃষ্টিকর্তা), বিষ্ণু (পালনকর্তা) ও শিবা (প্রলয়কারী) এই তিন ঈশ্বরের পূজা করে থাকে। নিম্নে এদের সংক্ষিপ্ত বিবরন দেওয়া হলো,
ভগবান ব্রক্ষ্মা একটি পদ্মফুলের উপর আসন পেতে বসে আছেন। তার ৪টি করে মাথা ও হাত। উনি বাহন হিসাবে রাজহাসের উপর চড়ে চলাচল করেন। স্বরস্বতী, বিদ্যার দেবী উনার অর্ধাঙ্গিনী।
ভগবান বিষ্ণু একমাথা ও চার হাত বিশিষ্ট ঈশ্বর। উনার বাহন গারুদা নামক এক প্রকারের ঈগলের মত পাখি। উনি মানবজাতীর ক্রান্তিকালে যুগে যুগে মানুষরুপে অথবা জন্তুরুপে অথবা জন্তুমানবরুপে পৃথিবীতে অবতরন করেন। তিনি সর্বমোট দশবার অবতরন করবেন যার মধ্যে হিন্দু পন্ডিতদের মতে ইতোমধ্যে নয়বার অবতরন করেছেন। পরশুরাম, রামা, কৃষ্ণা, বুদ্ধা এদের সবাইকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার মনে করা হয়। লক্ষী ভালোবাস, সৌন্দর্য্য ও আনন্দের দেবী উনার অর্ধাঙ্গিনী।
ভগবান শিবা গলায় একটি বৃহৎ সাপ পেঁচিয়ে যোগাসনে বসে আছেন।উনার জটাবাধা চুল থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি বলে মনে করা হয়। নন্দী নামের একটি ষাঁড় উনার বাহন। শিব মন্দিরে ভগবান শিব থেকে শিবলিঙ্গের কদর বেশি। শিবপূজা বলতে সাধারনত শিবলিঙ্গের পূজায় বুঝায়।
আপাতঃদৃষ্টিতে এই হলো হিন্দু ধর্মে ঈশ্বরের স্বরুপ।
(চলবে)
[পরবর্তী পর্ব খৃষ্টান ধর্মের ঈশ্বরের স্বরুপ]
Reference
নাস্তিকের মনস্তাত্ত্বিক ব্যবচ্ছেদ........................... ভুমিকার পূর্বে
প্রকাশ করা হয়েছে: তুলনামূলক ধর্মালোচনা বিভাগে ।
উন্মনা রহমান বলেছেন:
চলুক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ইনশাআল্লাহ চলবে
মুজিব মেহদী বলেছেন:
আপনার উদ্যোগকে সাধুবাদ।যথাযথ সূত্র ব্যবহার করে যথাযথ কথা বলুন। নিরপেক্ষভাবে বিষয়গুলোকে দেখুন। যদিও জানি যে, মানুষের পক্ষে পুরোপুরি (১০০ ভাগ) নিরপেক্ষ হওয়া অসম্ভব।
আপনার এ বিষয়ক সকল পোস্ট আমি পড়তে আগ্রহী।
লেখক বলেছেন: আপনার উপদেশ মাথায় থাকলো, ধন্যবাদ
অমলকান্তি বলেছেন:
ডাঃ এন.সি.বোস "ইহা একটি অবৈজ্ঞানিক ধর্ম।" আমিতো জানতাম সব ধর্মই অবৈজ্ঞানিক।
আপনে কি কন?
লেখক বলেছেন: কোন ধর্ম অবৈজ্ঞানিক, নাকি সব ধর্মই অবৈজ্ঞানিক সেটা আজকের আমার পোষ্টের বিষয় নয়। এই বিষয় সামনের পর্বে যদি প্রসঙ্গিকভাবে আসলে আলোচনা করা যাবে।
আমার আজকের পোষ্টের টপিক মূলত ২ টা, নাস্তিকতাবাদের সংগা ও হিন্দু ধর্মের ঈশ্বরের রুপ। এই বিযয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা চলতে পারে।
"ধর্ম ব্যাতীত বিজ্ঞান খোড়া এবং বিজ্ঞান ব্যাতীত ধর্ম অন্ধ" -- আইনস্টাইন ![]()
ধন্যবাদ
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
সনাতন ধর্ম আর বর্তমান হিন্দু প্রচলিত ধর্ম নিয়মতন্ত্রিক ভাবে কখনই এক না....নাস্তিকতাবাদ একটি মতবাদ । এই মতবাদের মূলমন্ত্র হলো, "ঈশ্বর বলতে কিছু নেই"--------------কথাটি পুরো পুরি মানা যায়না.....
ধর্মত্ত্ত্ব গুলো ( সব ধর্ম) মতে একজন বা একাধিক সৃষ্টিকর্তা র নাম আমরা জানার সুযোগ পাই। যে যার বিশ্বাস মতে স্ব র্ধম পালন বা বিশ্বাস বরত আস্তিক বলে পরিচিত মনে করে.......
এখন কেউ যদি ধর্মের বাইরে ...মানে কোন ধর্মই বিশ্বাস করার প্রয়াস না খোঁজে এবং ....তারপরও এক শক্তিকে সৃষ্টির উৎস বা সুষ্টিকর্তাই ভাবে ........তাকে আপনি কি আস্তিক না নাস্তিক বলবেন?....
আমার জানা মতে এমন ব্যক্তিও আছেন.....
উত্তর টা ক্লিয়ার করুন
লেখক বলেছেন: সনাতন ধর্ম আর বর্তমান হিন্দু প্রচলিত ধর্ম নিয়মতন্ত্রিক ভাবে কখনই এক না.... একমত বলেই তো এই ....................
"যদিও সাকার ঈশ্বরের উপাসনা হিন্দু গ্রন্থ মতের বিরোধী তবুও প্রায় সমস্ত হিন্দু সমাজ (ব্রাক্ষ্ম সমাজ ব্যতীত) সাকার ঈশ্বরেরই উপাসনা করে।" মন্তব্য করেছি।
এখন কেউ যদি ধর্মের বাইরে ...মানে কোন ধর্মই বিশ্বাস করার প্রয়াস না খোঁজে এবং ....তারপরও এক শক্তিকে সৃষ্টির উৎস বা সুষ্টিকর্তাই ভাবে ........তাকে আপনি কি আস্তিক না নাস্তিক বলবেন?.... ........... সর্বনাশ
এমন লোক ও আছে ? জানতাম না,
ধন্যবাদ, এই বিযয়ে তাহলে একটু পড়াশুনা করতে হবে, আবারও ধন্যবাদ ব্যাপারটা আমার দৃষ্টিগোচর করার জন্য।
তবে , যেহেতু তারা একক শক্তিকের বা সুষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করে সেহেতু তারা যাইহোক অন্তত নাস্তিক নয়। কমন স্যান্স থেকে বললাম, পরে আর একটু জেনে জানাবো
আমি যতোটুকু ইতিহাস পড়েছি সেখান থেকে দেখা যায় 5500–2600BCE এর মধ্যেই সনাতন তথা হিন্দু ধর্মের সূচনা। এর আগের কোন প্রমান পাওয়া যায় নাই।
কিন্তু 12000 BCE এর মানুষের ইতিয়াস ও কিন্তু আমরা জানি যাদের কোন ধর্মই ছিল না। সুতরাং সনাতন তথা হিন্দু ধর্মের যেসব গল্প আপনি শুনালেন এগুলো মানুষের কল্পনা ছাড়া কিছুই নয়।
নিজেদের সুবিদার্থে 5500–2600BCE এর মানুষগুলো সনাতন /হিন্দু ধর্মের মিথগুলো চালু করে।
অন্তত: আমি এরকম ই মনে করি।
লেখক বলেছেন: "নিজেদের সুবিদার্থে 5500–2600BCE এর মানুষগুলো সনাতন /হিন্দু ধর্মের মিথগুলো চালু করে। " .......... হুমম, হতে পারে।
লেখক বলেছেন:
![]()
"ফেন্দানি" এটা বুঝলাম না
, ফেন্দানি মানে কি
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
যাক ভালো ভাবে গ্রহণ করেছেন বিষয়টা। আসলে আমি বুঝি ..নাস্তিক মানেই কেবল ঈশ্বরে অবিশ্বাস নয়
সৃষ্টিকর্তা বলে কোন শক্তি কে অবিশ্বাস করাটাই নাস্তিকতা....
মূরত যেটা জড়বাদী।
আরেকটু পড়বেন..দ্বৈতবাদী নাস্তিক....দ্বৈতবাদী আস্তিক
অদ্বৈতবাদী নাস্তিক....অদ্বৈতবাদী আস্তিক বিষয়ে
আশা করি।
লেখক বলেছেন: এইটা আমার সিরিজের ২য় পর্ব। প্রথম পর্বে ( )আমি কি কি বিষয় থাকবে তার একটা প্রাথমিক লিস্ট দিয়েছিলাম। সেখানে একটা বিষয় ছিলো নাস্তিকদের শ্রেনীবিন্যাস নিয়ে, আশা করি সেখানে এইটা যোগকরে নিব।
যাক ভালো ভাবে গ্রহণ করেছেন বিষয়টা। হা হা হা . খারাপ কিছুতো বলেনি
। আর আমি............. "একজন মুক্তমনা মানুষ। পরিবর্তনকে সাদরে গ্রহনকরি, সমালোচনাকে "Positive Feedback" মনে করি এবং ভুলকে স্বীকার ও সংশোধন করতে কোন দ্বিধা করি না, সাথে আছে নতুন জিনিষ জানার তীব্র আকাঙ্খার।"
ধন্যবাদ
ঈশ্বর যে আছে তার যেমন প্রমান দিতে পারবেন না, সেরূপ ঈশ্বর যে নাই তারও প্রমান দিতে পারবেন না। অতএব চেষ্টা নিঃফল মাত্র।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
সুশান্ত ঐ সময়ের যে পুস্তক গুলো আছে ..বেদ ..বা অন্যগুলো ..সেগুলো ?
সু-শান্ত বলেছেন: স্বাধীনতা তুমি@
নাই জিনিস এর চেয়ে আছে জিনিস প্রমান করাই কাম্য।
কবি শামসুর রহমানের মত কি, মন নাকি এখন মস্তিস্কে থাকে।
নেমেসিস বলেছেন:
পোস্টটি পর্যবেক্ষনে রইলো । ধন্যবাদ লেখককে ।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অনেকেই মন্তব্য করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ। ঘুমাতে যাচ্ছি, কালকে আপনাদের প্রশ্নের জবাব দেবার চেষ্টা করবো।
সবাই ভালো থাকবেন
kiron বলেছেন:
নাস্তিক তো সাধারন মানুষে বলে। আমি নিজেরে বলি অবিশ্বাসী।এটা হয়তো আমার সমস্যা! আমি প্রমান-যুক্তি ছাড়া কিছুই বিশ্বাস করতে পারিনা।
নিত্যানন্দ বলেছেন:
নাস্তিকতাও একটি ধর্ম। আস্তিকরা বিশ্বাস করে কোনো বিশেষ ঈশ্বরে, আর নাস্তিকরা বিশ্বাস করে 'নাই' ঈশ্বরে। দুপক্ষই সমানভাবে বিশ্বাসী। আস্তিকরা যেমন ঈশ্বর আছেন প্রমাণ করতে পারেন, তেমনি পারেন নাস্তিকরা। বলা বাহুল্য, উভয় পক্ষের যুক্তিই আসলে বিশ্বাস নির্ভর। দুপক্ষের এই অর্থহীন বিতর্ক চলবেই। কাজের লোকরা এটি বাদ দিয়ে অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকে। কেউ যদি ঈশ্বরে বিশ্বাস করে সুখী হয় হোক না কেন? আপনি যদি 'নাই' ঈশ্বরে বিশ্বাসী হোন তাহলে আপনার বিশ্বাস নিয়েই থাকুন। অযথা সব ধর্মের ব্যবচ্ছেদ করার কী দরকার?

















