আমার প্রিয় পোস্ট

সখা, নয়নে শুধু জানাবে প্রেম, নীরবে দিবে প্রাণ, রচিয়া ললিতমধুর বাণী আড়ালে গাবে গান। গোপনে তুলিয়া কুসুম গাঁথিয়া রেখে যাবে মালাগাছি। এই ব্লগের©শান্তির দেবদূত।

নাস্তিকের মনস্তাত্ত্বিক ব্যবচ্ছেদ........................... ভুমিকা

০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৫

শেয়ারঃ
0 0 0



নাস্তিকতাবাদ একটি মতবাদ । এই মতবাদের মূলমন্ত্র হলো, "ঈশ্বর বলতে কিছু নেই"। আর এই মতবাদের অনুসারিদেরকেই নাস্তিক বলা হ্য়।

যেহেতু এক এক ধর্মে ঈশ্বরের স্বরুপ এক এক রকম, সেহেতু কোন একটি বিশেষ ধর্মের ঈশ্বরকে অস্বীকার করলেই তাকে নাস্তিক বলা যাবেনা। সেইই নাস্তিক যে কোন ধর্মের কোন ধরনের ঈশ্বরের অস্হিত্বকেই বিশ্বাস করেনা।

সুতারাং নাস্তিকতাবাদকে পুরোপুরি বুঝতে হলে সব ধর্মের ঈশ্বরের স্বরুপ সম্ধন্ধে প্রাথমিক ধারনা থাকা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে আমি উল্লেখযোগ্য কিছু ধর্মের ঈশ্বরের স্বরুপ সম্ধন্ধে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করবো।

হিন্দু ধর্মে ঈশ্বরের স্বরুপ :
ঐতিহাসিক দিক দিয়ে হিন্দু ধর্ম পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ধর্ম, এজন্য একে সনাতন ধর্মও বলা হয়। এই সনাতন ধর্মের ব্যাপারে হিন্দু ধর্মের বিশিষ্ট পন্ডিত ডাঃ এন.সি.বোস তার কোরআন, বাইবেল, বেদ ও বিজ্ঞান বইতে বলেছেন, "বিভিন্ন ধর্মের তুলনামূলক বইয়ের জনৈক লেখক সনাতন ধর্মের মন্তব্যে লিখিয়াছেন, ইহা একটি অবৈজ্ঞানিক ধর্ম। এই মন্তব্যে জবাবে বলা যায় সনাতন ধর্ম একটি সমুদ্র বিশেষ ইহা থেকে কোন সিদ্ধান্ত বাহির করা অত্যন্ত কঠিন " [পৃঃ ১১]

হিন্দু ধর্মে ঈশ্বরের স্বরুপ ব্যাখ্যা করা সত্যি অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার। সহজ কথায় বলা যায় হিন্দু গ্রন্থ মতে ঈশ্বর নিরাকার, এক ও অদ্বিতীয়। উনার কোন ছবি, প্রতিরুপ, মূর্তি বা প্রতিমা নেই। অজাত, অবিনশ্বর ও সর্বশক্তিমান। [যজুর্বেদ : ৩২:৩, ৪০:৮, ],[যজুর্বেদ দেবী চান্দ কর্তৃক অনুবাদকৃত পৃঃ ৩৭৭], [অথর্ববেদ: ২০ ৫৮:৩], [ঋক্‌বেদ: ১:১৬৪:৪৬]

যদিও সাকার ঈশ্বরের উপাসনা হিন্দু গ্রন্থ মতের বিরোধী তবুও প্রায় সমস্ত হিন্দু সমাজ (ব্রাক্ষ্ম সমাজ ব্যতীত) সাকার ঈশ্বরেরই উপাসনা করে। হিন্দুরা ব্রক্ষ্মা (সৃষ্টিকর্তা), বিষ্ণু (পালনকর্তা) ও শিবা (প্রলয়কারী) এই তিন ঈশ্বরের পূজা করে থাকে। নিম্নে এদের সংক্ষিপ্ত বিবরন দেওয়া হলো,

ভগবান ব্রক্ষ্মা একটি পদ্মফুলের উপর আসন পেতে বসে আছেন। তার ৪টি করে মাথা ও হাত। উনি বাহন হিসাবে রাজহাসের উপর চড়ে চলাচল করেন। স্বরস্বতী, বিদ্যার দেবী উনার অর্ধাঙ্গিনী।

ভগবান বিষ্ণু একমাথা ও চার হাত বিশিষ্ট ঈশ্বর। উনার বাহন গারুদা নামক এক প্রকারের ঈগলের মত পাখি। উনি মানবজাতীর ক্রান্তিকালে যুগে যুগে মানুষরুপে অথবা জন্তুরুপে অথবা জন্তুমানবরুপে পৃথিবীতে অবতরন করেন। তিনি সর্বমোট দশবার অবতরন করবেন যার মধ্যে হিন্দু পন্ডিতদের মতে ইতোমধ্যে নয়বার অবতরন করেছেন। পরশুরাম, রামা, কৃষ্ণা, বুদ্ধা এদের সবাইকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার মনে করা হয়। লক্ষী ভালোবাস, সৌন্দর্য্য ও আনন্দের দেবী উনার অর্ধাঙ্গিনী।

ভগবান শিবা গলায় একটি বৃহৎ সাপ পেঁচিয়ে যোগাসনে বসে আছেন।উনার জটাবাধা চুল থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি বলে মনে করা হয়। নন্দী নামের একটি ষাঁড় উনার বাহন। শিব মন্দিরে ভগবান শিব থেকে শিবলিঙ্গের কদর বেশি। শিবপূজা বলতে সাধারনত শিবলিঙ্গের পূজায় বুঝায়।

আপাতঃদৃষ্টিতে এই হলো হিন্দু ধর্মে ঈশ্বরের স্বরুপ।
(চলবে)

[পরবর্তী পর্ব খৃষ্টান ধর্মের ঈশ্বরের স্বরুপ]

Reference

নাস্তিকের মনস্তাত্ত্বিক ব্যবচ্ছেদ........................... ভুমিকার পূর্বে

 

প্রকাশ করা হয়েছে: তুলনামূলক ধর্মালোচনা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ইনশাআল্লাহ চলবে

২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
মুজিব মেহদী বলেছেন: আপনার উদ্যোগকে সাধুবাদ।

যথাযথ সূত্র ব্যবহার করে যথাযথ কথা বলুন। নিরপেক্ষভাবে বিষয়গুলোকে দেখুন। যদিও জানি যে, মানুষের পক্ষে পুরোপুরি (১০০ ভাগ) নিরপেক্ষ হওয়া অসম্ভব।

আপনার এ বিষয়ক সকল পোস্ট আমি পড়তে আগ্রহী।
০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: আপনার উপদেশ মাথায় থাকলো, ধন্যবাদ

৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
অমলকান্তি বলেছেন: ডাঃ এন.সি.বোস "ইহা একটি অবৈজ্ঞানিক ধর্ম।"
আমিতো জানতাম সব ধর্মই অবৈজ্ঞানিক।
আপনে কি কন?
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: কোন ধর্ম অবৈজ্ঞানিক, নাকি সব ধর্মই অবৈজ্ঞানিক সেটা আজকের আমার পোষ্টের বিষয় নয়। এই বিষয় সামনের পর্বে যদি প্রসঙ্গিকভাবে আসলে আলোচনা করা যাবে।

আমার আজকের পোষ্টের টপিক মূলত ২ টা, নাস্তিকতাবাদের সংগা ও হিন্দু ধর্মের ঈশ্বরের রুপ। এই বিযয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা চলতে পারে।

"ধর্ম ব্যাতীত বিজ্ঞান খোড়া এবং বিজ্ঞান ব্যাতীত ধর্ম অন্ধ" -- আইনস্টাইন :)

ধন্যবাদ

৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
পথিক!!!!!!! বলেছেন: সনাতন ধর্ম আর বর্তমান হিন্দু প্রচলিত ধর্ম নিয়মতন্ত্রিক ভাবে কখনই এক না....


নাস্তিকতাবাদ একটি মতবাদ । এই মতবাদের মূলমন্ত্র হলো, "ঈশ্বর বলতে কিছু নেই"--------------কথাটি পুরো পুরি মানা যায়না.....

ধর্মত্ত্ত্ব গুলো ( সব ধর্ম) মতে একজন বা একাধিক সৃষ্টিকর্তা র নাম আমরা জানার সুযোগ পাই। যে যার বিশ্বাস মতে স্ব র্ধম পালন বা বিশ্বাস বরত আস্তিক বলে পরিচিত মনে করে.......

এখন কেউ যদি ধর্মের বাইরে ...মানে কোন ধর্মই বিশ্বাস করার প্রয়াস না খোঁজে এবং ....তারপরও এক শক্তিকে সৃষ্টির উৎস বা সুষ্টিকর্তাই ভাবে ........তাকে আপনি কি আস্তিক না নাস্তিক বলবেন?....


আমার জানা মতে এমন ব্যক্তিও আছেন.....

উত্তর টা ক্লিয়ার করুন
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: সনাতন ধর্ম আর বর্তমান হিন্দু প্রচলিত ধর্ম নিয়মতন্ত্রিক ভাবে কখনই এক না.... একমত বলেই তো এই ....................

"যদিও সাকার ঈশ্বরের উপাসনা হিন্দু গ্রন্থ মতের বিরোধী তবুও প্রায় সমস্ত হিন্দু সমাজ (ব্রাক্ষ্ম সমাজ ব্যতীত) সাকার ঈশ্বরেরই উপাসনা করে।" মন্তব্য করেছি।

এখন কেউ যদি ধর্মের বাইরে ...মানে কোন ধর্মই বিশ্বাস করার প্রয়াস না খোঁজে এবং ....তারপরও এক শক্তিকে সৃষ্টির উৎস বা সুষ্টিকর্তাই ভাবে ........তাকে আপনি কি আস্তিক না নাস্তিক বলবেন?.... ........... সর্বনাশ :( এমন লোক ও আছে ? জানতাম না,

ধন্যবাদ, এই বিযয়ে তাহলে একটু পড়াশুনা করতে হবে, আবারও ধন্যবাদ ব্যাপারটা আমার দৃষ্টিগোচর করার জন্য।
তবে , যেহেতু তারা একক শক্তিকের বা সুষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করে সেহেতু তারা যাইহোক অন্তত নাস্তিক নয়। কমন স্যান্স থেকে বললাম, পরে আর একটু জেনে জানাবো

৫. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৪
সু-শান্ত বলেছেন: একজন হিন্দু হিসেবে আমি বলি:

আমি যতোটুকু ইতিহাস পড়েছি সেখান থেকে দেখা যায় 5500–2600BCE এর মধ্যেই সনাতন তথা হিন্দু ধর্মের সূচনা। এর আগের কোন প্রমান পাওয়া যায় নাই।

কিন্তু 12000 BCE এর মানুষের ইতিয়াস ও কিন্তু আমরা জানি যাদের কোন ধর্মই ছিল না। সুতরাং সনাতন তথা হিন্দু ধর্মের যেসব গল্প আপনি শুনালেন এগুলো মানুষের কল্পনা ছাড়া কিছুই নয়।

নিজেদের সুবিদার্থে 5500–2600BCE এর মানুষগুলো সনাতন /হিন্দু ধর্মের মিথগুলো চালু করে।

অন্তত: আমি এরকম ই মনে করি।
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: "নিজেদের সুবিদার্থে 5500–2600BCE এর মানুষগুলো সনাতন /হিন্দু ধর্মের মিথগুলো চালু করে। " .......... হুমম, হতে পারে।

৬. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩১
kingcross বলেছেন: ভালোই শুরু করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাপ সামলাতে পারবেন বলে মনে হয় না। আপনার আগামি পর্বগুলোতে আপনার ফেন্দানি চোখের সামনে ভাসতাছে।:(
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: :( :(

"ফেন্দানি" এটা বুঝলাম না :( , ফেন্দানি মানে কি

৭. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩২
পথিক!!!!!!! বলেছেন: যাক ভালো ভাবে গ্রহণ করেছেন বিষয়টা।
আসলে আমি বুঝি ..নাস্তিক মানেই কেবল ঈশ্বরে অবিশ্বাস নয়
সৃষ্টিকর্তা বলে কোন শক্তি কে অবিশ্বাস করাটাই নাস্তিকতা....
মূরত যেটা জড়বাদী।

আরেকটু পড়বেন..দ্বৈতবাদী নাস্তিক....দ্বৈতবাদী আস্তিক
অদ্বৈতবাদী নাস্তিক....অদ্বৈতবাদী আস্তিক বিষয়ে
আশা করি।
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: এইটা আমার সিরিজের ২য় পর্ব। প্রথম পর্বে ( )আমি কি কি বিষয় থাকবে তার একটা প্রাথমিক লিস্ট দিয়েছিলাম। সেখানে একটা বিষয় ছিলো নাস্তিকদের শ্রেনীবিন্যাস নিয়ে, আশা করি সেখানে এইটা যোগকরে নিব।

যাক ভালো ভাবে গ্রহণ করেছেন বিষয়টা। হা হা হা . খারাপ কিছুতো বলেনি :) । আর আমি............. "একজন মুক্তমনা মানুষ। পরিবর্তনকে সাদরে গ্রহনকরি, সমালোচনাকে "Positive Feedback" মনে করি এবং ভুলকে স্বীকার ও সংশোধন করতে কোন দ্বিধা করি না, সাথে আছে নতুন জিনিষ জানার তীব্র আকাঙ্খার।"

ধন্যবাদ

৮. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৩
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
ঈশ্বর যে আছে তার যেমন প্রমান দিতে পারবেন না, সেরূপ ঈশ্বর যে নাই তারও প্রমান দিতে পারবেন না। অতএব চেষ্টা নিঃফল মাত্র।
৯. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৪
পথিক!!!!!!! বলেছেন: সুশান্ত ঐ সময়ের যে পুস্তক গুলো আছে ..বেদ ..বা অন্যগুলো ..সেগুলো ?
১০. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৫
সু-শান্ত বলেছেন: হিন্দুদের সব গুলো বই ই 5500–2600BCE এর মধ্যে লেখা হয়েছে। আবার ও বলি 5500–2600BCE এর আগের কোন বই হিন্দুদের নেই।
১৩. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
সু-শান্ত বলেছেন: স্বাধীনতা তুমি@

নাই জিনিস এর চেয়ে আছে জিনিস প্রমান করাই কাম্য।
১৪. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৫৫
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
সু-শান্ত বলেছেন: স্বাধীনতা তুমি@

নাই জিনিস এর চেয়ে আছে জিনিস প্রমান করাই কাম্য।




কবি শামসুর রহমানের মত কি, মন নাকি এখন মস্তিস্কে থাকে।
১৫. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১:০১
নেমেসিস বলেছেন: পোস্টটি পর্যবেক্ষনে রইলো । ধন্যবাদ লেখককে ।
১৬. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩২
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


চলুক।
পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায়
+
১৭. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ২:০২
শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেকেই মন্তব্য করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ।

ঘুমাতে যাচ্ছি, কালকে আপনাদের প্রশ্নের জবাব দেবার চেষ্টা করবো।

সবাই ভালো থাকবেন
১৮. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৩০
kiron বলেছেন: নাস্তিক তো সাধারন মানুষে বলে। আমি নিজেরে বলি অবিশ্বাসী।
এটা হয়তো আমার সমস্যা! আমি প্রমান-যুক্তি ছাড়া কিছুই বিশ্বাস করতে পারিনা।
১৯. ০৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২৫
নিত্যানন্দ বলেছেন: নাস্তিকতাও একটি ধর্ম। আস্তিকরা বিশ্বাস করে কোনো বিশেষ ঈশ্বরে, আর নাস্তিকরা বিশ্বাস করে 'নাই' ঈশ্বরে। দুপক্ষই সমানভাবে বিশ্বাসী। আস্তিকরা যেমন ঈশ্বর আছেন প্রমাণ করতে পারেন, তেমনি পারেন নাস্তিকরা। বলা বাহুল্য, উভয় পক্ষের যুক্তিই আসলে বিশ্বাস নির্ভর। দুপক্ষের এই অর্থহীন বিতর্ক চলবেই। কাজের লোকরা এটি বাদ দিয়ে অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকে। কেউ যদি ঈশ্বরে বিশ্বাস করে সুখী হয় হোক না কেন? আপনি যদি 'নাই' ঈশ্বরে বিশ্বাসী হোন তাহলে আপনার বিশ্বাস নিয়েই থাকুন। অযথা সব ধর্মের ব্যবচ্ছেদ করার কী দরকার?

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিজের কথা কি আর বলবো ...... নিজে সুখী মানুষ, পৃথিবীর সবাই সুখী হওক এই কামনা করি...... কয়লার মধ্যে কালো খুঁজি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ