আমার প্রিয় পোস্ট

সখা, নয়নে শুধু জানাবে প্রেম, নীরবে দিবে প্রাণ, রচিয়া ললিতমধুর বাণী আড়ালে গাবে গান। গোপনে তুলিয়া কুসুম গাঁথিয়া রেখে যাবে মালাগাছি। এই ব্লগের©শান্তির দেবদূত।

(কল্প গল্প) --- রোবসেপিয়ান্সের ভালোবাসা

২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১২

শেয়ারঃ
0 3 0

১.
তিন মাসে ঘটে যাওয়া তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, প্রথম ঘটনাটা খবরের কাগজের প্রথম পাতায় আসে, তার পরেরটা শেষের পাতার আর শেষের ঘটনাটা কোন পত্রিকাতেই জায়গা পায়নি।

ঘটনা এক : মাস্টার্সের শেষ বর্যের ইংরেজী সাহিত্যের মেধাবী ছাত্রী "পিয়েলা লিয়ান" এটোমিক ব্লাস্টার মাথায় ঠেকিয়ে আত্মহত্যা করে ।

ঘটনা দুই : প্রথম ঘটনার এক মাস পর শীর্ষস্হানীয় রোবট প্রস্তুতকারী কোম্পানী "এ্যাথেনা কপোট্রনস লিমিটেড" এর ল্যাব থেকে সর্বাধুনিক কপোট্রন G9 সিরিজের TPT90 কপোট্রনটি চুরি হয়ে যায়।

ঘটনা তিন : দ্বিতীয় ঘটনার এক মাস পর এ্যাথেনা কপোট্রনস লিমিটেডের এযাবৎ কালের সেরা মেধাবী রোবো সাইন্টিস্ট "রিশান ক্লোষ্টা" কোম্পনীর দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেয় ।

২.
শহরের প্রাণকেন্দ্রের বিলাসবহুল বাড়ি বিক্রি করে রিশান যখন লোকালয় থেকে বহুদুরের নির্জন টেরাসা লেকের পাড়ে ছোট একটা বাংলো বাড়ি কিনে তখন তার বন্ধুরা বলেছিলো, "তুই কি পাগল হয়ে গেলি ?"

উত্তরে রিশান শুধু বলেছিলো পিছনের সবকিছুকে ভুলে যেতে চাই, একেবারে নতুন করে সাজাতে চাই জীবনকে। আসলে রিশান মিথ্যে কথা বলেছিলো বন্ধুদের, সে আসলে ফেলে আসা অতীতকে নতুন করে আবিষ্কার করতে চায়, জয় করতে চায় অতীতের সব না পাওয়াকে।

নতুন বাংলো ঠিকঠাক মত গুছিয়ে উঠতে এক সপ্তাহের মত লেগে যায় রিশানের, এই একটা সপ্তাহ পাগলের মত কাজ করতে হয়েছে তাকে । একলা হাতে এত বড় বাড়ি গুছানো চাট্টিখানি কথা না, সবচেয়ে বেশি সময় আর পরিশ্রম হয়েছে ল্যাবরেটরীটা সেটাপ করতে । সারাদিন অমানুষিক খাটুনির পর রাতের বেলায় লেকের পাড়ে চাঁদের আলোয় বসে ঝিঁঝিঁপোঁকার ডাক শুনতে শুনতে জোনাকি পোঁকা গুনেছে আর কখনো কখনো সেখানেই নরম ঘাসের উপর ঘুমিয়ে পড়েছে নিজের অজান্তে ।

পরের এক সপ্তাহ কোন কাজ করেনি রিশান, শুধু ব্যস্ত ছিলো খাওয়া, ঘুম আর লেকে মাছ ধরা নিয়ে । তবে তার মস্তিষ্ক থেমে থাকেনি, পুরা সপ্তাহ ধরে সে মনে মনে কর্ম পরিকল্পনা গুছিয়ে নিয়েছে। ছোট বেলা থেকে এই একটা সমস্যা রিশানের , কোন কাজ হুট করে শুরু করতে পারে না পুরা ব্যাপারটা মনে মনে গুছিয়ে নিয়ে তারপর কাজে নামতে হয় তাকে ।

মানুষের অনুভূতি প্রধানত দুই প্রকার, ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য ও ইন্দ্রিয় অগ্রাহ্য । স্পর্শ, দৃষ্টি, ঘ্রাণ, শ্রবন এইগুলা ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য অনুভূতি মধ্যে পড়ে আর ইন্দ্রিয় অগ্রাহ্য অনুভূতিগুলো হলো সুখ, দুঃখ, আনন্দ, ঘৃণা, ভালোবাসা, অভিমান, ভয় ইত্যাদি । এই ব্যাপারটা মাথায় রেখে রিশান তিনটা ভাগে ভাগ করেছে তার প্রজেক্টটা, প্রথম পর্যায়ে সে দৈহিক কাঠামোটা নিয়ে কাজ করবে, দ্বিতীয় ভাগে ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য অনুভূতিগুলো একে একে সংযোগ করবে ও উন্নত করবে তারপর ইন্দ্রিয় অগ্রাহ্য অনুভূতিগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে । শেষের অংশটাই সবচেয়ে কঠিন এবং এর আগে আর কেউ এটা নিয়ে কাজ করেনি, সফল হওয়ার সম্ভাবনাও খুব কম, তবে রিশান দৃঢ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তাকে সফল হতেই হবে ।

৩.
খুব সাবধানে রাবারের আবরনটা ছিঁড়ে ৬-৬-৬ ইঞ্চির প্রায় দুই কেজি ওজনের G9 সিরিজের TPT90 কপোট্রনটি বের করে রিশান, ভয় মিশানো বিস্ময় নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে এটার দিকে, আহঃ ! পৃথিবীর প্রথম মানবিক আবেগ ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন কপোট্রনট ! কিছুক্ষণের মধ্যেই নড়েচড়ে উঠে রিশান, নাহঃ ! অনেক কাজ বাকি, আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে কাঠামো দাড় করাতেই হবে । একে একে প্যাকেট আর বাক্স খুলে সে বের করে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ।

পরবর্তী সপ্তাহে ল্যাবরেটরি থেকে একবারের জন্যেও বের হয়নি রিশান, কখন সূর্য উঠেছে আর কখন অস্ত গিয়েছে সেই দিকে বিন্দুমাত্র খেয়াল ছিলো না তার, সারাক্ষণ কেটেছে অপটিকেল ফাইবার, ল্যান্স, ঝিনঝেনিয়ামের তার, স্ক্র ড্রাইভার, রাবার, এই সব নিয়ে । পুরা কাঠামোটা দাড় করানো হয়ে গেলে কিছুক্ষণ স্হির চোখের তাকিয়ে থাকে রিশান, আবার ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে প্রতিটি যন্ত্রাংশের সংযোগস্হল, উচ্চতা, ওজন । পুরো কাঠামোটা তার কাছে প্রযোজনের চেয়ে একটু ছোট মনে হতে থাকে, হঠাৎ রিশান মাথাটা একটু ডানে বামে খুব দ্রুত ঝাকিয়ে দুই হাত একটু উপরে তুলে নিজে নিজে বলতে থাকে, " শান্ত হও রিশান, শান্ত হও, মাথা গরম করার কোন দরকার নেই "

পাঁচ সেকেন্ড পর বড় করে একটা নিঃশ্বাস নিয়ে আবার প্রথম থেকে মাপজোক শুরু করে রিশান। হিসাব আগের বারের মত ঠিকঠিক মিলে যায় কিন্তু খালি চোখে তার কাছে কাঠামোটা এবারও একটু ছোট মনে হয়। তবে এইবার সে ভুলটা ধরতে পারে, আসলে ইস্পাতের পায়ের কাঠামোর ওপর যখন অর্ধ ইঞ্চি পরিমান কৃত্রিম মাংশপেশী ও তার উপর সংবেদনশীল সিনথেটিক চামড়া লাগানো হবে এবং মাথার খুলির উপর সিল্কের কৃত্রিম চুল লাগানো শেষ হবে তখন কাঠামোটা প্রায় দুই ইঞ্চির মত উঁচু মনে হবে।

অবশেষে ঠিকঠাক মত যখন কাঠামোটা দাড় করানো শেষ হয় ততক্ষণে ক্লান্তির শেষ সীমানায় পৌছে যায় রিশান, উত্তেজনার চোটে গত কয়েক দিন ক্লান্তি টের পায়নি সে একফোঁটাও । আর একটা মাত্র কাজ বাকি প্রথম পর্যায়ের, এখন শুধু ইস্পাতের কংকালের উপর কৃত্রিম মাংশপেশী স্তরে স্তরে বসাতে হবে, তার উপর সংবেদনশীল সিনথেটিক চামড়া লাগালেই কাজ শেষ । তবে এই কাজটা সয়ংসম্পূর্ণভাবে কম্পিউটারই করবে, রিশান শুধু ত্রি-মাত্রিক মডেলটার বিভিন্ন প্যারামিটারগুলো সেট করে দিবে। একটা ৪-৬ ফিট ক্যাপসুলটা বিভিন্ন কেমিকেল ঢেলে পূর্ণকরে তারসাথে কম্পিউটারের সংযোগ দেয় রিসান, সাথে সাথে ক্যাপসুলটার দুই পাশে হাজার খানেক সুঁচ সচল হয়ে উঠে । তারপর খুব যত্ন করে ধীরে ধীরে ক্যাপসুলের মধ্যে ইস্পাতের কংকালটা রেখে বিড়বিড় করে " ঈশ্বর আমার এই স্বপ্নটা তুমি বিফল করে দিওনা " বলেই রিমোট কন্ট্রোল চেপে প্রসেস চালু করে দেয় সে । সাথে সাথে ক্যাপসুলের মধ্যে একটা আলোড়ন শুরু হয়ে যায়, খুব দ্রুতগতিতে নড়াচড়া করতে থাকে সুঁচগুলো সমগ্র কংকাল জুড়ে। সমগ্র টিসু প্লানটেশন প্রসেস শেষ হতে চোদ্দ ঘন্টা সময় লাগবে, তারপর সয়ংক্রিয়ভাবে গলে বের হয়ে আসবে সদ্য সৃষ্ট এই রোবটটা ।

আর পারছিলোনা রিশান, টিসু প্লানটেশন প্রসেস চালু করে টলতে টলতে ল্যাবরেটরি থেকে বের হয়ে বেডরুমে গিয়ে বিছানার উপর সটান পড়ে যায়, টানা বিশ ঘন্টা পর ঘুম ভাংগে তার । ঘুম থেকে উঠে বিছানার উপর চুপচাপ কিছুক্ষণ বসে থাকে রিশান, বাহির থেকে দেখে বুঝার কোন উপায় নাই যে তার হৃদকম্পন দ্রুত থেকে দ্রুততর হচ্ছে । খুব সন্তর্পনে বিছানা থেকে নেমে কাঁপাকাঁপা পায়ে সে হেটে যায় ল্যাবরেটরির দিকে । ল্যাবরেটরির দরজা খুলার সাথে সাথে তার মুখ দিয়ে অস্ফুট আওয়াজ বের হয়ে আসে "ওহঃ ঈশ্বর ! ওহঃ ঈশ্বর !!"

তার সামনে দাড়িয়ে আছে পিয়েলা লিয়ান ! নিজেকে সংযত রাখতে খুবই কষ্ট হচ্ছিলো রিশানের, কাঁপা কাঁপা হাতে আলতো করে পিয়েলার হাতটা ধরে সে, তারপর আস্তে আস্তে কাধ, গাল, কপালের উপর দিয়ে বুলাতে থাকে, আর দু'চোখ বেরে বয়ে চলছে অঝোর ধারা । শেষ পর্যন্ত নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারায় রিশান, পিয়েলার মাথাটা ওর বুকে চেপে ধরে আকাশের দিকে মুখ করে সর্বশক্তি দিয়ে চিৎকার করে উঠে সে, যেন তার চিৎকারেই জ্যান্ত হয়ে উঠবে নিথর যন্ত্রমানবি ।


৪.
নেশগ্রস্হের মত সারাদিন কাজ করে যাচ্ছে রিশান, তার মাথায় একটাই চিন্তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পিয়েলার ঈন্দ্রিয়গুলোকে সক্রিয় করতে হবে। কলিংবেলের শব্দে সংবিৎ ফিরে পায় রিশান, হঠাৎ করে সতর্ক হয়ে যায় সে, হাজারটা চিন্তা তার মাথায় আসতে থাকে, তার খোঁজে কে আসলো এই নির্জন প্রান্তরে ?

দরজায় খুলেই সে দেখে একজন সুদর্শন যুবক মুখের মিটিমিটি হাসি নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। রিশান জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তার দিকে তাকালে সে বলে, " স্যার, আপনি কি মিস্টার রিশান ক্লোস্টা ? "

রিশান মাথা নেড়ে সম্মতি দিলে সে বলে, " স্যার, আপনার মাসিক অর্ডার ছিলো আমাদের কোম্পানিতে, আমি সেগুলো ডেলিভারী দিতে এসেছি " ।

চেপে থাকা নিঃশ্বাসটা ছেড়ে ডেলিভারী বয়কে স্টোররুমটা দেখিয়ে রিশান বললো , " এইখানে সব কিছু রেখে যান, আমি রিসিভ লগে সাইন করে দিচ্ছি " । আসলে রিশান কাজের চাপে ভুলেই গিয়েছিলো যে, এই কোম্পানীকে দায়িত্ব দিয়েছিলো তার প্রয়োজনিয় সবকিছু প্রতি মাসের প্রথম তারিখেই পৌছে দেওয়ার জন্য ।

ছেলেটা একটা একটা করে বক্স ভেনগাড়ি থেকে নামিয়ে স্টোররুম পর্যন্ত নিয়ে আসছে আর ফাঁকে ফাঁকে রিশনের সাথে কথা বলছে ।

স্যার কি বাসায় একা থাকেন ?

হুমম ।

এই নির্জন জনবসতিহীন জায়গায় থাকতে ভয় করে না ?

নাহ্ ।

স্যার কি বিয়ে করেছেন ?

এইবার রিশান একটু চটে যায় । চোখেমুখে গম্ভীর ভাব ফুটিয়ে তুলে কঠোরভাবে সে বলে , " আপনি কথা কম বলেন, জলদি কাজ শেষ করে এখান থেকে বিদায় হোন" ।

ছেলেটা এই রকম ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত ছিলো না, কিছুটা থতমত খেয়ে চুপ মেরে যায়, তার পরপরই মুখে হাসি হাসি ভাব ফুটিয়ে তুলে বলে , " স্যার আমার নাম, এনিলি, এখন থেকে প্রতি মাসে আমিই আপনার প্রয়োজনিয়ে জিনিস নিয়ে আসবো।"

রিশান বুঝতে পারে শুধু শুধুই একটু উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলো, এবার নরম সূরে বলে, " ঠিক আছে, আমি তো একা মানুষ, তাই প্রতিবার আসার আগে আমাকে একটা ফোন করে আসবেন, এই নিন আমার নাম্বার "

যতক্ষণ পর্যন্ত এমিলির ভ্যান চোখের আড়াল হয় ততক্ষণ পর্যন্ত রিশন রাস্তার দিকে তাকিয়ে ছিলো, তারপর বাড়ির চারদিকে একবার আলতো করে চোখ বুলিয়ে দরজা লাগিয়ে সে আবার ল্যাবরেটরিতে ঢুকে যায় ।

৫.
যাক, বিশাল একটা খাটুনির কাজ শেষ হলো, হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো রিশান, এখন সবকিছু ঠিকঠাক মত কাজ করলেই হয় । প্রবল উত্তেজনা আর সীমাহীন আশংকা নিয়ে রিমোটের অন বাটনে চাপ দেয় রিশান। এক সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড .. পাঁচ সেকেন্ড চলে যায় কোন পরিবর্তন দেখা যায় না পিয়েলার শরীরে । পাঁচ সেকেন্ড রিশানের কাছে মনে হয় পাঁচ যুগ পার হয়ে গেছে ! ছয় সেকেন্ডের মাথায় ধীরে ধীরে চোখের পাতা খোলে পিয়েলা ঠিক যেভাবে ঘুম থেকে জেগে উঠে কোন মানুষ !

খুশিতে শিস্ দিয়ে উঠে রিশান, ছোট ছোট পদক্ষেপে পিয়েলার দিকে এগিয়ে যায় সে আর ভাবলেশহীন চোখে তার চোখের দিকে থাকে পিয়েলা। চমকে উঠে রিশান ! এমন নির্লিপ্ত চোখ ! যে চোখে কোন আবেগ নেই, নেই কোন ভালোবাসা, রাগ, ক্ষোভ, ব্যাথা, আছে শুধু অসীম শুন্য দৃষ্টি । রিশান জানে রোবট পিয়েলার শুধু পঞ্চেইন্দ্রিয় সংযোগ করা হয়েছে এখনও আবেগ যোগ করা হয়নি, তাই তার দৃষ্টি এমনই হওয়ার কথা, কিন্তু তবুও সে চোখ ফিরিয়ে নেয় ।

হঠাৎ হাতের কফির মগটা আস্তে করে পিয়েলার মাথা লক্ষ করে ছুঁড়ে মারে রিশান, আর সাথে সাথে পিয়েলা একেবারে স্বাভাবিক মানুষের মত মাথাটা নিচু করে ছুঁড়ে দেওয়া মগটা এড়িয়ে যায়। খুশিতে নেচে উঠে রিশান, আহঃ, দৃষ্টি একদম ঠিক মত কাজ করছে ।

এবার সোজা এগিয়ে যায় রিশান, আলতো করে একটু ছোঁয় পিয়েলার গালটা, যেন কারেন্টের শক খেয়েছে এমন ভাবে সর্বাঙ্গ কেঁপে উঠে পিয়েলার। বুকের উপর কান পাতে রিশান, শুনতে পায় ক্রমাগত দ্রত থেকে দ্রুততর হচ্ছে পিয়েলার কৃত্রিম হৃদপিন্ডের গতি । হঠাৎ গতি সঞ্চার হয় রিশানের হাতে, গালের উপর দিয়ে বুলাতে বুলাতে তার হাত চলে যায় ঘাড়ে, সেখান থেকে আস্তে আস্তে চলে যায় পিঠে, তারপর সমগ্র শরীরে । হাত বুলানো অবস্হায় রিশান তিক্ষ্ণ দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করতে থাকে পিয়েলার প্রতিটি কম্পন, কপালের কুঁচকে যাওয়া, চোখের পাতির দ্রুত উঠানামা। শেষে নাভীর উপর যখন তার হাত আসে তখন পিয়েলার কমর দুলে উঠে, পেটটা একটু চেপে ধরে অস্ফূট একটা আওয়াজ করে এক পা পিছনে চলে যায় সে। এইবার নাভীর কাছে বেশ জোরে একটা চিঁমটি কাটে সে, মৃদু চিৎকার দিয়ে লাফিয়ে উঠে পিয়েলা । আনন্দে নেচে উঠে রিশানের মন ! পারফেক্ট ! একে বারে পারফেক্ট মানবীয় অনুভূতি ! পারফেক্ট !

তবে গলার স্বরটা এখনও ঠিক মত ম্যাচ হয়নি, এখনও মনে হয় ফাঁপা কোন পাইপের ভিতর দিয়ে কথা বলছে কেউ । আসল পিয়েলার কন্ঠস্বরের সাথে ঠিকমত সুপারইমপোজ হয়নি, ফ্রিকোয়েন্সিটা টিউন করতে হবে ঠিকমত । আর তর সইছিলোনা রিশানের , সাথে সাথে পিয়েলাকে অফ করে ইস্পাতের করোটির উপর থেকে চুল সরিয়ে কপোট্টনের ভিতর থেকে ভোকাল প্রসেসরটা বের করে কাজে লেগে যায় সে। ঘন্টা খানেকের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় ভোকাল প্রসেসরের রিপেয়ারিং। পাওয়ার অন করতেই চোখ খুলে তাকায় পিয়েলা । রিশান তার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে, " আমি রিশান, তোমার নাম কি ?"

একজন সাধারন মানুষকে কেউ নাম জিজ্ঞেস করলে সে উত্তর দিতে যতটুকু সময় নেয় পিয়েলা ঠিক ততটুকু সময় নিয়ে বলে , "আমার নাম, জেনারেশন নাইন টি.পি.টি.নাইন জিরো ।

চমকে উঠে রিশান ! অবিকল পিয়েলার কন্ঠস্বর ! বুকের ভিতর কান্নার মেঘ জমা হতে থাকে, অনেক কষ্টের নিজেকে সংযত করে সে বলে, " ঐসব ডাটা মুছে ফেলো, এখন থেকে তোমার নাম 'পিয়েলা লিয়ান' তবে আমি তোমাকে 'পিলি' বলে ডাকবো " এখন বলো তোমার নাম কি ?

সে উত্তর দেয়, "আমার নাম পিয়েলা লিয়ান " ।

ঠিক আছে, তবে বলো "রিশান, আমার নাম পিয়েরা লিয়ান" ।

এইবার সে বলে , "রিশান, আমার নাম পিয়েরা লিয়ান" ।

আবার বলো।

"রিশান, আমার নাম পিয়েরা লিয়ান" ।

আবার বলো ।

"রিশান, আমার নাম পিয়েলা লিয়ান" ।

এইবার সব সংযোমের বাঁধ ভেঙ্গে যায় রিশানের, সে তার পিলিকে জড়িয়ে ধরে হু হু করে কেঁদে উঠে। তার বাহুডোরে আটকা পড়ে পিয়েরা অনুভূতি শুন্য চোখে এদিক ওদিক তাকাতে থাকে আর ভাবতে থাকে, কি হলো হঠাৎ করে রিশানের ? সে তার কোমল হাত দিয়ে রিশানের পিঠে পরশ বুলাতে থাকে ভাবলেশহীন ।

৬.
এইবার শুরু সবচেয়ে কঠিন পর্যায়, পিয়েরার কপোট্রনে মানবীয় আবেগগুলোকে একে একে প্রবেশ করাতে হবে। এই বিষয়ের উপর অনেক বছর ধরেই গবেষনা হচ্ছে, তবে প্রয়োগ এখন পর্যন্ত শুরু হয়নি, এই প্রায় অসম্ভব কাজটি রিশানকে করতে হবে। মানুষের সবগুলো ইন্দ্রিয় অগ্রাহ্য অনুভূতিগুলোকে পাঁচটি মৌলিক
অনুভূতিতে ভাগ করা যায় আনন্দ, মহত্ত্ব, ভালোবাসা, বিশ্বাস ও মমতা । সবগুলোকে কোপোট্রনে একসাথে প্রবেশ করানো যাবে না, এতে কোপোট্রন বিকল হয়ে যেতে পারে । আবার প্রতিটি মৌলিক অনুভুতি সমীকরনের সমাধানগুলোর ঋনাত্মক মানগুলো ঐ অনুভুতির বিপরীত অনুভুতি নির্দেশ করে। যেমন আনন্দের ঋনাত্মক মানের জন্য যে অনুভুতির জন্ম হয় সেটা হলো বেদনা । তেমনি মহত্ত্ব-ঈর্যা, ভালোবাসা-ঘৃনা, বিশ্বাস-অবিশ্বাস ও মমতা-হিংস্রতা সর্বমোট পাঁচ জোড়া মৌলিক অনুভুতি নিয়ে মনুষত্ব । মানুষের আরও অনেক অনুভুতি আছে যেমন সুখ, রাগ, অনুরাগ, বিষাদ, ভয়, বিরক্তি তবে এইঅনুভুতিগুলো পাঁচটি মৌলিক অনুভুতির যৌগিক অবস্হা। যেমন, ভালোবাসা-বেদনা-অবিশ্বাস এই তিনটি মৌলিক অনুভুতি বিভিন্ন অনুপাতে ক্রিয়াশীল হয়ে তৈরী হয় নতুন অনুভুতি "অনুরাগ", তেমনি মমতা-অবিশ্বাস-ঘৃনা-ঈর্ষা মিলে হয় "বিষন্নতা" । এইসব মানবীয় আবেগ সম্পর্কিত সমীকরন গুলো রিশানের নখদর্পণে, এখন শুধু দরকার সময় আর দরকার একটু ভাগ্য।

আজ পিয়েলাকে প্রথম মৌলিক জোড়া অনুভুতি "আনন্দ-বেদনা" প্রবেশ করাবে রিশান, সে কম্পিউটারে পর্যাপ্ত ডাটা দিয়ে সিমুলেশন করেছে, চমৎকার আউটপুট, এখন বাস্তবে ঠিকঠাক মত কাজ করলেই হয়।

পিয়েলা ধীরে ধীরে চোখ খুলে তাকিয়ে দেখে রিশান হাতে জঘন্য একটা জিনিস নিয়ে মুখটা হাসি হাসি করে দাড়িয়ে আছে । পিয়েলার মুখটা কঞ্চিৎ বিকৃত হয়ে যায়, সে বলে, "রিশান, তোমার হাতে কুৎসিত এই জিনিসটা কি ? "

হঠাৎ একটু দমে যায় রিশান, সে এমন কিছু আশা করেনি, সে জবাবে বলে, "কেন পিলি, এটাতো গোলাপ ফুল ? প্রকৃতির খুব সুন্দর একটা সৃষ্টি ! "

পিয়েলা চিৎকার করে উঠে, " না ! না ! জঘন্য ! নষ্ট করে ফেল এটা , দেখতে ভয়ংকর লাগছে "

এতক্ষণে বুঝতে পারে রিশান কোথায় ভুল হয়েছে । এক নাম্বার মৌলিক অনুভুতির প্রসেসরাটা সে উল্টা করে লাগিয়েছে ।

কিছুক্ষণ পর, ধীরে ধীরে চোখ খুলে পিয়েলা, দেখে তার সামনে হাসি হাসি মুখে দাড়িয়ে আছে রিশান, হাতে ফুল নিয়ে । সে আনন্দে চিৎকার করে উঠে বলে, ওহ ! রিশান, ফুল যে এত সুন্দর তা আমি কখনো অনুভব করিনি, এখন করছি ! ওহ ! আমার যে কেমন লাগছে আমি তোমাকে বলে বুঝাতে পারবো না । এটার নামই কি আনন্দ ! ওহ ! রিশান তুমি কত সুন্দর !

হাতে ধরা ফুলটা তার দিকে তুলে ধরে রিশান বলে " আমার পক্ষ থেকে এই ফুলটা তোমাকে উপহার দিলাম "

একটু কেঁপে উঠে পিয়েলা, আনন্দে তার চোখ দিয়ে পানি চলে আসে, সে আরও একটু এগিয়ে গিয়ে রিশানের বুকে মাথা রেখে কাঁদতে কাঁদতে বলে , " ওহ ! রিশান তুমি কত সুন্দর, কত ভালো " তার চোখের পানিতে ভিজে যেতে থাকে রিশানের সার্টের বুকপকেট ।

আর রিশান মনে মনে শুধু আওড়াতে থাকে, " পারফেক্ট ! পারফেক্ট ! "

৭.
লেকের পাড়ে ঘাসের উপর বসে আছে পিয়েলা, তার কোলে মাথা রেখে আকাশের দিকে মুখ করে শুয়ে আছে রিশান, মৃদু হাওয়ায় হালকা উড়ছে পিয়েলার চুল, ওহ! কি অদ্ভুত সুন্দর লাগছে ওকে , ভাবে রিশান। হঠাৎ সে বলে , "পিলি আমি তোমাকে ভালোবাসি, তুমি আমাকে ভালোবাসো না ?"

রিশানের মুখে এ কথা শুনে পিয়েলা হঠাৎ একটু চমকিয়ে উঠে, তারপর শুন্য দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে বলে , "ভালোবাসা ! এটা কি রকম অনুভুতি ?"

হো হো করে হেসে উঠে রিশান, হাসতে হাসতে সে বলে তোমার কপোট্রনে এখনও "ভালোবাসা-ঘৃনা" এই অনুভূতিটা প্রবেশ করানো হয়নি । প্রবেশ করানোর পর বুঝবে আমার বুকে কেমন হাহাকার ছিলো এতদিন । কেবল মাত্র তখনই বুঝতে পারবে একটুকরো ভালোবাসার জন্য পৃথিবীর ভয়ংকরতম ব্যক্তিটিও দুগ্ধপোষ্য শিশু হয়ে যেতে পারে আবার সবচেয়ে নীতিবান মানুষটিও দুর্ধর্ষতম অপরাধটি করতে পিছপা হয় না ।

হঠাৎ রিশানের মোবাইল ফোনে একটা ভিডিও ম্যাসেজ আসে। ম্যাসেজটা খুলতেই সুন্দর একটা মেয়ের ত্রিমাত্রিক অবয়ব ফুলে উঠে, মেয়েটি বলে, " হ্যালো রিশান, অনেক দিন তোমার কোন খবর নেই কেন ? ভালো থেকো, আর ম্যাসেজ দিও "

মুখটা কঠোর হয়ে যায় পিয়েলা, সে বলে কে এই মেয়ে ?

রিশান হেসে বলে, " আরে তেমন কেউ না, আমর ক্লাসমেট, বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষে একসাথে থিসিস করে ছিলাম । "

মুখটা আরও কঠোর করে পিয়েলা বলে, " খরবদার এর সাথে আর কোন দিন যোগাযোগ করবে না ! খবরদার । আর এক্ষনি এই ম্যাসেজ মুছ ! আর ওর নাম্বারটাও মুছ, এক্ষণ "

হা হা করে হেসে রিশান বলে, ঠিক আছে এক্ষণি মুছে ফেলছি, আর কখনো ওর সাথে যোগাযোগ করবো না । আর একটু মুচকি হেসে মনে মনে বলে , " ঈর্ষা ! কি ঈর্ষা !

৮.
আজ রিশানের জীবনে একটা বিশেষ দিন, সকাল থেকেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছে, আজকে পিয়েলার কোপোট্রনে "ভালোবাসা-ঘৃনা" অনুভুতি প্রবেশ করাবে সে। আজকেই শেষ হবে তার জীবনের সেরা স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথচলা।

পিয়েলার কোপোট্রনের ভিতর থেকে খুব সাবধানে কাঁপাকাঁপা হাতে পাঁচ নাম্বার অনুভুতির প্রসেসরটা বের করে রিশান। তারপর পুরো প্রোগ্রামটা লোড করে আবার ঠিক জায়গা মত ঢুকিয়ে তিন পা পিছনে গিয়ে পাওয়ার সুইচটা অন করে রিশান।

চোখ খুলে তাকিয়ে পিয়েলা দেখে তার সামনে দাড়িয়ে আছে রিশান, তার ভালোবাসার রিশান ! সে আবেশে আবার চোখ বন্ধ করে আবার খুলে, তারপর বলে, " রিশান আমি এখন বুঝি ভালোবাসা কি জিনিস " । আমি মরমে মরমে অনুভব করছি, আমার শরীরের প্রতিটা কোষ অনুভব করছে তোমার জন্য পরম ভালোবাসা। কিন্তু আমি তোমাকে বলে বুঝাতে পারবো না, কেমন এই অনুভুতি।

রিশান পিয়েলার চোখে চোখ রেখে বলে, " পিলি, তোমার বুকে যেমন ভালোবাসার ঝড় বয়ে যাচ্ছে, আমার বুকেও রয়েছে ঠিক তেমন ভালোবাসা তোমার জন্য । আসলে মানুষের এই একটা অনুভুতি যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না । এটা বলে পিয়েলার সামনে হাটু গেড়ে বসে পরে রিশান বললো, " আমাকে শুধু এমন ভালোবাসায় ঘিরে রেখো "

রিশানের মাথায় নিজের গালটা রেখে তার ঘাড়ে পিঠে পরম ভালোবাসায় হাত বুলাতে থাকে পৃথিবীর প্রথম রোবসেপিয়ান্সে পিয়েলা লিয়ান ।

৯.
গভীর রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায় রিশানের। হাত বাড়িয়ে দেখে বিছানায় পিয়েলা নেই। সে ভাবে হয়তো বাতরুমে গিয়েছে। বেশ কিছুক্ষণ পরও সে ফিরে না আসলে রিশান বিছানা থেকে উঠে বাতরুমে উকি দেয়, বাতরুম ফাঁকা ! তাহলে এতরাতে কোথায় গেলো পিয়েলা ?

ঘুরে ঘুরে বসার ঘর, খাবার ঘর সব ঘরে খুঁজতে থাকে রিশান, কিন্তু কোথাও নেই পিয়েলা ! হঠাৎ বারান্দা থেকে একজন পুরুষ মানুষের গলার স্বর শুনে চমকে উঠে রিশান । কান পাতে সে, শুনতে পায় পিয়েলা বলছে, " ওহ! গড ! এত মানুষ ! আমি তো ভাবতাম পৃথিবীতে আমি, তুমি আর রিশান ছাড়া কেউ নেই "

পুরুষ কন্ঠটা বলে, " জ্বি , একদম সত্যি কথা, পৃথিবীতে বর্তমানে চারশত কোটি মানুষ। তুমিতো পড়ে থাক লোকালয় থেকে দুরে নির্জন স্হানে । এখানে জীবন কত আনন্দের ! সিনেমা হল, নাইট ক্লাব, থিম পার্ক , সমুদ্র , আরও কত কি ! "

পিয়েলা বলে, " সমুদ্র কি ? "

তুমি সমুদ্র দেখনি ? ওহ ! রিশান একটা সাইকো, ও তোমাকে পৃথিবীর তাবৎ আনন্দ থেকে দুরে রেখেছে, তোমাদের বাড়ির সামনে যে লেকটা আছে না, সমুদ্র হলো এর থেকে লক্ষগুন বড় জালধার, তুমি এপাড় থেকে ওপাড় দেখতে পাবে না, বিশাল বিশাল ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ে বিকট গর্জন করে । তুমি আমার কাছে চলে আসো, তোমাকে আমি সমগ্র পৃথিবী ঘুরিয়ে দেখাব। পিয়েলা, পৃথিবী তোমার ধারনার চেয়েও অনেক অনেক গুন বড় "

পিয়েলা বলে , " ইস্ ! আমার তো এখনই উড়ে চলে আসতে ইচ্ছার করছে "

এবার নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায় রিশানের ক্রোধ, চিৎকার দিয়ে সে বারান্দায় ঢুকে , দেখে পিয়েলা মোবাইলে ভিডিও আলাপ করছে এনিলির সাথে। রাগে গজগজ করতে করতে সে বলে, শেষ পর্যন্ত তোমার এই রুপ পিয়েলা ?

পিয়েলা নিশ্চুপ !

হাত ধরে টেনে হিঁচড়ে তাকে বেডরুমে নিয়ে আসে রিশান, নিজের ওপর কোন নিয়ন্ত্রন নেই তার এই মূহুর্তে, ড্রয়ার থেকে হেচকা টানে বের করে এটোমিক ব্লাস্টার । তাক করে পিয়েলার মাথায় ।

অস্ফুটভাবে পিয়েরা শুধু বলতে থাকে , " প্লিজ ! প্লিজ " ।

চোখ দিয়ে পানি পড়তে থাকে রিশানের, একবার চোখ বন্ধ করে আবার মাথা ঝাকায়, বলে কেন এমন করতে গেলে ? শুধু আমাকে পেয়ে কি সুখী নও ! তাহলে কেন তোমার সমগ্র পৃথিবী চাই ?

বেঈমান, বিশ্বাসঘাতক ... হঠাৎ মাথা চাড়া দিয়ে উঠে প্রচন্ড ক্রোধ টেনে দেয় ট্রিগার, ধ্বংস করে পিয়েলা লিয়ানকে যেমন ভাবে হত্যা করেছিলো সে প্রথম পিয়েলা লিয়ানকে, পার্থক্য শুধু এতটুকুই এইবার আর আত্মহত্যার প্রমান করার জন্য কোন তৎপরতা চালাতে হবে না ।

হো হো করে হেসে উঠে রিশান হঠাৎ করে, সে বুঝতে পারে, ভালোসার ঋনাত্মক আবেগ শুধু ঘৃনা নয় , এর সাথে ছোট একটা মান হিসাবে আছে " বিশ্বাসঘাতকতা", যে মানটাকে খুবই ক্ষুদ্র বলে রিশান বাদ দিয়েছিলো ।

হা হা করে হাসছে রিশান মাটিতে গড়াগড়ি করে, আর চোখ দিয়ে ঝড়ছে ক্রমাগত জল, মানুষ বড়ই অদ্ভুত ! তার চেয়ে বেশি অদ্ভুত তার আবেগগুলো ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাই ফাই সাইন্স ফিকশন কল্প গল্প আবেগ অনুভূতি ভালোবাসা ;
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৯
অলস ছেলে বলেছেন: খাইসে। রাত চারটার সময় এই কঠিন গল্প!!
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: :) ... পড়ছেনতো ? :) .....

একটু বেশি বড় হয়ে গেছে :| ..... অনেকেই সাইজ দেইখাই ভয় পাইছে মনে হয় :(

২. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:০৯
অলস ছেলে বলেছেন:
ভাইজান, না পড়েই পাম দিছি মনে করছেন? X(( /:) !:#P
বললামতো কঠিন হৈছে, পুরা ঝিনঝেনিয়াম।

সাইজ দেইখা ভয় পাওয়ার ব্যাপারটা থাকতে পারে। তাছাড়া, দেশে মনে হয় অশান্তি চলতাছে, কারেন্ট এর কারণে মাইনষের মনে অনেক কষ্ট, তাই হতে পারে গল্প পড়ার মুড নাই সবার।

যাইহোক, আমার ভালোই লাগছে, কারণ ভালোবাসার সাথে বিশ্বাসের সম্পর্ক টা বেশ কয়েকবার কঠিনভাবে টের পাইছি তো।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: ওহ ! আপনি "কঠিন" বলতে বুঝিয়েছেন "সুন্দর" গল্প :) ..... আর আমি বুঝেছি "Tough" ( এইখানে সঠিক বাংলা কি হবে আল্লায় জানে ) .... মানে এতরাতে এই "Tough" মুডের গল্প কি কেউ পড়বে ! আমি তাই বুঝেছি ..... হা হা হা ...।

এইটা আমার সবচেয়ে বড় গল্প .... সেই হিসাবে এক্সপেরিমেন্টালও বলতে পারেন :) ....

শেষে এসে এমন মান খারাপ একটা কথা বললেন :( .... আসলে কারও ভালোবাসা, বিশ্বাস এইগুলো নষ্ট হতে শুনলে খুব মন খারাপ হয়ে যায় :( .....

ভালো থাকবেন ... দোয়া করি :)

৩. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১৫
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
ভালোসার ঋনাত্মক আবেস শুধু ঘৃনা নয় , এর সাথে ছোট একটা মান হিসাবে আছে " বিশ্বাসঘাতকতা"

বাহ! দারুন বলেছেন।

মানুষ বড়ই অদ্ভুত ! তার চেয়ে বেশি অদ্ভুত তার আবেগগুলো ।

একদম ঠিক।

পুরোপা পড়ে খুব ভালো লাগলো।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: খুব ভালো লাগলো ,

আসলে এত বড় গল্প ! পোষ্ট দেওয়ার সময়ই ভয়ে আমার হাত পা .... !! মনে হচ্ছিলো এই বুঝি দৌড়ানি খাই .....

অনেক ধন্যবাদ শামীম ভাই ......

৪. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৬
অলস ছেলে বলেছেন: দোয়া :) । বেশি বেশি দোয়া করবেন, আর দোয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। তবে ঐদিনের মত না কিন্তু ;)

ভালোবাসা শুধু বউ এর সাথেই হয় না, ভাই এর সাথে হয়, বন্ধুর ভালোবাসা তো মারাত্মক, একজন সাবঅর্ডিনেট বা বস এর সাথেও হয়। ভালোবাসা ভাঙ্গা আসলেই মন খারাপের ব্যাপার।

নচিকেতা বলেছেন
ভেঙ্গে যায় বিশ্বাস, বারে বার কি কারণ
হয়তো, এ অভ্যাস থাকবে আজীবন
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: অন্যের জন্য ভালো দোয়া করলে নিজের জন্য ডাবল দোয়া বাই ডিফল্ট হয়ে যায় :) ... তাই দোয়া করতে কার্পূন্য করি না :)

"ভালোবাসা ভাঙ্গা" :( .... দোয়া করি কোন ভালোবাসাই না ভাঙ্গুক , যদিও জানি তবুও তা ভেঙ্গে যাবে :( .....

৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০১
কঁাকন বলেছেন: দারুন লাগছিলো গল্পটা পড়তে কিন্তু শেষ এসে অতি নাটকিয় হয়ে গেছে হিন্দি সিরিয়াল টাইপ

ভালো থাকুন
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :)

শেষের অংশটুকু নিয়ে আসলেই চিন্তিত আছি :| ..... কাঁচি চালাতে হবে সময় করে.....

২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: গল্পটা পোস্ট করার পর বুঝতে পেরেছিলাম শেষের অংশের জন্য ভুগতে হবে, দেখি আসলেই তাই :| ....

যাক, শেষের কিছু অংশ একট চেঞ্জ করে দিয়েছি, কিছু আতি নাটকিয় ডাইলগ বদলিয়ে দিয়েছি ......

দেখেন এইবার কেমন হলো ..... :)

অনেক ধন্যবাদ , আপু :)

৬. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১২
তামিম ইরফান বলেছেন: কঁাকনের সাথে একমত।

শুরুটা দূর্দান্ত হইছে কিন্তু শেষটা বেশী নাটকীয় হয়ে গেছে।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... ইরফান ভাই :)

মনে হচ্ছে শেষটা কাঁটাছেঁড়া করতে হবে :|

২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: শেষে একটু চেঞ্জ করে দিয়েছি :) .....

৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৬
অলস ছেলে বলেছেন: আবার + দিছি। দু্ইবার কেমনে এই অপশন আসলো? :(
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৫

লেখক বলেছেন: ওকে , নো প্রবলেমো .... একটা প্লাস কম কাউন্ট করা হইবেক ;)

২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৯. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: শেষটা ছাড়া বাকি সবটুকুই ফাটাফাটি...
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: বদলিয়ে ফেলেছি শেষের অংশের কিছুটা :) ...।

তবে আমি আসলে মানুষের কিছু আবেগকে নিজের মত করে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি ।

যেমন, আসল পিয়েলাকে রিশান পাগলের মত ভালোবাসতো কিন্তু সে নিজেই হত্যা করে তাকে .....তার পর আবার তাকে বানায় নিজের মত করে, আবার যাতে সে তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করতে পারে সেজন্য সব ব্যাবস্হা সে নিয়েছিলো .... কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না .... আবার তাকে হত্যা করলো ,

আসলে মানুষের পজেটিভ অনুভূতিগুলো সব সময় বেশি শক্তিশালী তবে নেগেটিভ অনুভূতিগুলোর দিকে আকর্ষণ বেশি ..... এই জিনিসটাই ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি .....

২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: ইস্ ! জেরী আপুর মন খারাপ করে দিলাম :( ...... সরি :(

১১. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
রোহান বলেছেন: ভালোবাসার ঋনাত্বক আবেশে যেমন বিশ্বাসঘাতকতা খুব ছোট একটা অংশ, ধ্বনাত্বক আবেশে বিশ্বাস ততোটাই বৃহৎ....

শেষটায় একটু কাঁচি চালাইতে পারেন তয় পুরাটা জটিল হইছে। ++
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: আসলে "বিশ্বাস-অবিশ্বাস" কিন্তু মৌলিক একটা অনুভূতি জোড়া :) ..... আর বিশ্বাসঘাতকতার সাথে ভালোবাসা জড়িত থাকে ..... তবে কোন অনুভূতিটা কখন বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে সেটা নির্ভর করে পারিপার্শিকতার উপর :) .... ( পুরাটাই আমার নিজের গল্পের বিজ্ঞান অনুসারে :) ) ......

আর শেষটায় একটু কাঁচি চালাইছি :)

অনেক ধন্যবাদ :)

১২. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: অনেক বড় হয়ে গেছে, কিন্তু পড়তে গিয়ে সেটা একদমই বুঝতে পারিনি। পরে স্ক্রল করে দেখি বিশাল এক গল্প পড়ে ফেলেছে। কেমন হয়েছে?... .... ..... .... সেটা কি আর বলার দরকার আছে?
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :) ......

প্রথমে বেশ ভয়ে ছিলাম এত বড় গল্প কি কেউ পড়বে :| ? আসলে গল্প যেমনই হোক, আপনাদের উৎসাহে একটু লেখার ভরসা পাই ..... :)

অনেক ধন্যবাদ :) ...

১৩. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
প্রসূন বলেছেন: রিয়েলি গ্রেট... আর জাফর স্যারের প্রভাবমুক্ত... সুন্দর... অবশ্যই প্রিয়তে :)
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: মাত্র কয়েকটা ভাঙ্গা ভাঙ্গা শব্দে যে কমেন্টটা করলেন খুব ভালো লাগলো .....

জাফর স্যারের অথবা আইজাক আজিমভের প্রভাবমুক্ত হওয়া আসলেই কঠিন ... উনারা সাইন্স ফিকশনকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে এদেরকে পাশ কাটানো সত্যিই কঠিন, আমি একটু চেষ্টা করেছি এই আর কি :) ....

প্রিয়তে নেওয়ায় গর্বিত অনুভূব করছি :)

১৪. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
েজবীন বলেছেন: এডিট করাটাই পড়লাম..... :) ভালো লাগল। ...
পড়তে গিয়ে লাগেনি বড় গল্প পড়ছি, অন্যেরা বলায় সাইজটা খেয়ালে আসলো....:)


ভালোসার ঋনাত্মক আবেস ... "ভালোবাসার ঋনাত্মক আবেগ" কি হবে?
আওরাতে... "ড়" এর কমতি'র জন্য হিন্দি ভাষার মহিলা মহিলা লাগছে :D


মাতব্বরি'র জন্য ক্ষমা দিয়েন...:)
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :) .... আসলে এডিট বলতে শুধু শেষ প্যারায় ৩/৪ লাইন একটু চেঞ্জ করেছি বেশি কিছু না :)

" আওরাতে " বানানটা ঠিক করে দিচ্ছি ... আর "ভালোবাসার ঋনাত্মক আবেস" এই খানে "আবেগ"-ই হবে টাইপিং মিসটেক :| ....

"মাতব্বরি" হা হা হা ... এইটাইতো চাই :) ... ভুল না ধরলে সংশোধন করবো কিভাবে ! বরং খুশি হয়েছি , ভুল ধরাতে :) .....

অনেক ধন্যবাদ :) ....।

১৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭
রুমমা বলেছেন: ভাইয়া ভয় পাইছি।এত বড় কেনো?
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: :( একটু বেশি বড় হয়ে গেছে :(

... অবসর পাইলে সময় করে পড়ে নিয়েন :)

১৬. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
পারভেজ বলেছেন: অসাধারণ।
শুরু থেকেই একটা নির্দিস্ট বুননে গাঁথা। সেটাকে দাড় করানোর জন্য সাইকোলজিক্যাল যুক্তিগুলি বিশেষ করে ৬ নং প্যারায় যে ব্যাখ্যাটা করা হয়েছে, এটা প্রশংসার দাবী রাখে। আমরা সচরাচর প্রচলিত ধরণাগুলিকে দিয়ে সাই ফাই লেখা করে ফেলি; পাঠকেরও বুঝতে সমস্যা হয় না; কিন্তু তুমি ৬ নং প্যারায় যেসব বিষয় তুলে এনেছো সেটা মৌলিকত্বের দাবীদার নিঃসন্দেহে। অনেক ভালো লাগলো।
পরে আবার পড়ার জন্য প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ....

আসলে মানুষের এই যে আবেগ , অনুভূতি এইগুলো নিয়ে আমি বেশ চিন্তা করি .... যে কোন বিষয়ে আমি রেগে গেলে পরমুহুর্তেই ভাবি যে আমার এই রাগের অনুভূতিটাই যদি না থাকতো ! তাহলে আমি কিভাবে রিএক্ট করতাম !

আবার ভাবি, একটা বিড়ালের তো ক্রোধ আছে, আছে ভালোবাসা অথবা আছে ভয় কিন্তু " অনুরাগ " এই অনুভূতিটা কি আছে .... বা " অভিমান " ?

আসলে এইসব হাবিজাবি চিন্তার আউটপুট এই গল্প :| .....

প্রিয়তে নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ .... :)

১৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আজ বিকেল থেকেই ৩টা গল্প পড়লাম। প্রথমটায় মাঝে একটু খটমটে, দ্বিতীয়টায় ভাল লাগে নাই। আর, তিন নম্বরটায় পড়তে পড়তে হঠাৎ দেখলাম..
"লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাই ফাই সাইন্স ফিকশন কল্প গল্প আবেগ অনুভূতি ভালোবাসা ;"
বুঝতেই পারলাম না, কখন শেষ হয়ে গেল..
আর মন্তব্য করতে হবে, কেমন হয়েছে??
+++
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :) ....... প্রথমে কিন্তু আমি বেশ ভয়েই ছিলাম ... ব্লগে এত বড় গল্প ! কেউ কি পড়বে ? যাক লেখাটা লিখে স্বার্থক মনে হচ্ছে, মানে পাঠক পড়ে স্বার্থক হলেই লেখক হিসাবে আমি স্বার্থক :) ......

১৮. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: ১নম্বর প‌্যারা পুরোটাই বাদ দেয়ার পক্ষপাতী আমি, কারণ এই প‌্যারাটা গল্পটাকে একেবারে ডিফাইনড করে ফেলছে, পড়লেই মোটামুটি ধারণা করা যায় গল্পের অন্তর্গত কাহিনী কী হতে যাচ্ছে, সেজন্য গল্পের স্টার্টিংটা একটু বদলে দেখতে পারেন।
এভাবে বিষয়টা দেখেন, ৩টা ঘটনাকে পাশাপাশি সাজান, এরপর লোকালয় থেকে অনেক দূরে বাড়ি কেনা, এই ব্যাপারগুলো পরপর সাজালে কিন্তু একটা লিংক পাওয়া যাচ্ছে সহজরই, সেক্ষেত্রে গল্পের প্রোজেকশনটা শুরুতেই ধরে ফেলা যাচ্ছে...তখন পাঠক শেষাংশটুকই পড়বে , মাঝের থ্রিলিং অংশ যেটাকে গল্পের প্রাণ বলব, সেটার আকর্ষণ কিন্তু ফিকে হয়ে যাচ্ছেে। এ ধরনের সেমি সাইকোলজিকাল+সেমি ফিকশন গল্পে প্রত্যকটি চরিত্র-ঘটনাকেই একেকটি অর্থবাহী হওয়া প্রয়োজন, এবং অর্থগুলো এমন হবে যেন পাঠক কিছুতেই পূর্বানুমান করতে না পারে...এই গল্পে চরম একটা টুইস্ট হতে পারত সেই মালামাল সাপ্লাই দেয়া ছেলেটি, বিশেষত বিভিন্ন প্রশ্ন করার মধ্য দিয়ে সে একটা অবস্থান তৈরি করে নিয়েছিল, কিন্তু গল্পের বিপরীতেই তার চরিত্রটি অফ হয়ে গেল........এন্ডিংয়ের থিমটা ভাল লেগেছে, তবে প্রকাশের ধরনটা ভাল লাগেনি, যেহেতু স্টার্টিংয়ের কারণে এই ঘটনার এই লুপটা আগে থেকেই কল্পনাতে চলে আসছিল।।।

কেউ কেউ দেখলাম লেখাটাকে জাফর ইকবাল কিংবা অসিমভের প্রভাবযুক্ত বলছেন, আমার এটাকে শান্তির দেবদূতেরই প্রভাবযুক্ত মনে হল, কারণ জাফর ইকবালের সাইন্স ফিকশনগুলো সব ১৮- ক্যাটাগরির, যেজন্য ভাষাবিন্যাস-কাহিনীবিন্যাস সবকিছুই ঐ ঘেষা, কিন্তু এই গল্পটা যতটা ফিকশন, ততখানিই এন্টি-ভালোবাসারও বটে.....তাই এখানে জাফর ইকবাল কোথা থেকে আসল বুঝলাম না।।। আসলে এই ব্যাপারটা খুবই পীড়াদ;ায়ক, প্রভাব খোজার জন্য বোধহয় কেউ কেউ মুখিয়ে থাকেন.....যা একজন স্বাধীন লেখকের সৃজনশীলতার পথে যথেষ্ট বিব্রতকর।।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: ভালো কিছু পয়েন্ট ধরেছেন .... এখন বের হতে হচ্ছে, তাই আপনার পয়েন্টগুলো নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচার করার ইচ্ছা আছে .....

নাহঃ কে তো জাফর স্যার বা আসিমভের প্রভাবযুক্ত বলেনি ! বরং বলেছে জাফর স্যার বা আসিমভের প্রভাবমুক্ত .... :) আপনি ভুলে করে প্রভাবমুক্ত কে প্রভাবযুক্ত পড়েছেন :) .....

২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: ১)
এক নং প্যারাটা আসলে পাঠকদের জন্য একটা ট্র্যাপ। পিয়েরার আত্মহত্যার ব্যাপারটা পেপারে আসা, পাঠককে চিন্তাকে অন্য দইকে প্রভাবিত করতে সাহায্য করবে যে , কেন সে আত্মহত্যা করলো । একদম শেষে দেখা যায় যা আসলে তাকে রিশানই হত্যা করেছে।

মনে করেন, প্রথম প্যারাটা নেই, তাতেও কিন্তু তিন নং প্যারাটা পড়লে পাঠকে কাছে অনেক কিছু ক্লিয়ার হয়ে যাবে । আর পুরা গল্পটিতে আছে নয়টি প্যারা, তাই আসলে মুটামুটি ইফেক্ট একই ব্যাপার ....

পুরা ব্যাপারটা এমন যে , পাঠক ভাবতে থাকবে রিশান পিয়েলাকে হারিয়ে পাগল প্রায় হয়ে আবার তাকে নতুন ভাবে তৈরী করতে ব্যস্ত, আবার পাঠকরা এমন কিছু আশংকা করতে থাকবে যে, হয়তো পিয়েলাকে তৈরী করার পর অন্য কোন দূর্ঘটনা ঘটবে, যেমন রিশানকে চিনতে না পারা বা ভালো না বাসা । কিন্তু আসলে সে ঠিকই ভালোবাসবে আবার বিশ্বাস ঘাতকতাও করবে ( যা মানুষের একটা অনুভূতিই মাত্র ) এবং রিশান আবার তাকে হত্যা করবে ।

এখানে একটা বিষয়ে পাঠক প্রশ্ন করতে পারে তা হলো, প্রথম প্যারায় তাহলে খবরের কাগজের আশ্রয় কেন নেওয়া হলো ? আসলে পিয়েলা আত্মহত্যা করেছে এটা যদি আমি সাধারন বর্ননা আকারে লিখতাম তাহলে এটা হতো লিখকের মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া , আমি এই জন্যেই খবরের কাগজের মাধ্যমে ভাব বাচ্যে এটা বলেছি যাতে পরে পাঠক নিজেই বুঝতে পারে পেপারে সব সত্যি খবর আসে না বা আসতে দেওয়া হয় না ....

২)
মালামাল সাপ্লাই দেওয়া ছেলেটা কিন্তু একটা রোল আছে :) ..... আসলে পিয়েলা এই ছেলেটার সাথেই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এই ছেলেটা প্রতি মাসে এক বার এখানে আসে, তার কাছে রিশানের মোবাইল নাম্বার আছে, সেই আসলে রিশানের প্রতিপক্ষ এই গল্পে..... এটাকে বুঝার জন্য আমি এই গল্পে দুইটা ক্লু দিয়েছি ,

ক্লু নং ১ :
শুধু মাত্র এই মালামাল সাপ্লাই দেওয়া ছেলেটাকে কিন্তু পিয়েলা চিনে , তার পরিচিত জগতে আর কেউ নেই ... শুধু মাত্র রিশানের এক ক্লাস মেট মেয়ে বন্ধুটা ছাড়া ।

এবার নয় নাম্বার প্যারায় প্রথম দিকে দেখেন, পিয়েলা বলছে, " ওহ! গড ! এত মানুষ ! আমি তো ভাবতাম পৃথিবীতে আমি, তুমি আর রিশান ছাড়া কেউ নেই " [ এখানে রিশানের মেয়ে বন্ধুটার কথা লিখতে হবে, ভুলে গেছি :( ]


ক্লু নং ২ :
চার নাম্বার প্যারার শেষের দিকে..... " স্যার আমার নাম, এনিলি, এখন থেকে প্রতি মাসে আমিই আপনার প্রয়োজনিয়ে জিনিস নিয়ে আসবো।"

নয় নাম্বার প্যারার মাঝখানে .... এবার নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায় রিশানের ক্রোধ, চিৎকার দিয়ে সে বারান্দায় ঢুকে , দেখে পিয়েলা মোবাইলে ভিডিও আলাপ করছে এনিলির সাথে। রাগে গজগজ করতে করতে সে বলে, শেষ পর্যন্ত তোমার এই রুপ পিয়েলা ?

এই দুই জায়গায় নামটা খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন ।

১৯. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬
রাতমজুর বলেছেন:
এই মারাত্মক (মারামারি ধ্বণাত্মক) লিখার পিছনে ভাবীজানের অবদানটা কৈলেন না যে? উনার স্ব-হস্তে প্রদানকৃত নিদেনপক্ষে ডজন দুই খুন্তির বাড়ি, সাথে মুড়ো-ঝ্যাঁটার হালি খানেক ছাড়া আপনের এই লেখা কোনমতে পসিবল না ;)
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা .....

আমর বউটা কিন্তু এত খারাপ না X( .....

:) তবে নারী চরিত্র বুঝার জন্য বউ এর মত উত্তম গিনিপিক আর নাই ;) .....

[বিঃদ্রঃ আমার এই রিপ্লায় যে কোন সময় মুছে দিতে হতে পারে ;) .... আর যাই হউক , বউরে গিনিপিক কয় কোন সে বীরপুরুষ :| ]

২০. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: ম আর য পাশাপাশি তো, তাই মিলিয়ে ফেলেছিলাম, তাহলে ঠিকই আছে।।।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: :)

২১. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: সোকেসে নিয়া রাখলাম, সাই-ফাই পড়তে মজা পাই:)
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: পড়ে একটু সমালোচনা কইরেন, তাহলে লেখার মান বাড়বে :) .....

সমালোচকদের বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো :) :)

২২. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১০
রাতমজুর বলেছেন:
ইচকিন শঠ রাখলাম, নেক্সট বাড্ডেতে ভাবীরে গিফট দিমু প্রিন্ট কৈরা :D
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: :((:((:((:((


আমরা একটা মিউচুয়াল আন্ডারস্টেনডিং এ কি আসতে পারি ? B-)B-)B-)

কি খাবেন বলেন :):):)

২৩. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
তামিম ইরফান বলেছেন: শেষেরটুক আবার পড়ে গেলাম:)....... ভালো লাগছে।





আর ভাবীরে গিনিপিক বলছেন সেটাও দেইখা গেলাম:P
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: সবাই খালি বউয়ের ডর দেখায় ! " আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে ! " ;)

২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা .... কি যে কন না বস ! আপনের তো দেখি নেগোসিয়েশনে একদমই কাঁচা :D .... এর চেয়ে বউরে একটা "পিৎজা" খাওয়া দিলে আরও বেশি ইফেকটিভ হইবো ;) ;)

২৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৩১
পথিক ছেলে বলেছেন: অনেক দিন পরে ... চমৎকার একটা সায়েন্স ফিকসন পড়লাম। আমার জীবনের অন্যতম সেরা...লেখা।

নতুন জীবনের experience থেকেই লিখেছেন মনে হয়।

ভাবিকে শুভেচ্ছা জানাবেন।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ .... আপনাকে অনেক দিন পর দেখলাম ..... আপনি না একসময় রুপকথার গল্প লেখতেন ! এখন লেখেন না ?

নতুন জীবনের এক্সপিরিয়েন্স তো অনেক মধুর ও আনন্দের .... এটার সাথে তো গল্পের কোন সম্পর্ক নেই :) ...

আপনাকেও অনেক শুভেচ্ছা ...... :)

আপনার নতুন জীবনে পদার্পনের খবর কি ?

২৬. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
চাঙ্কু বলেছেন: এত বড় কিল্লাই !!! পড়ুম কবে ??:(
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন: ওরে চাঙ্কু .... এতদিন পড়ে আইসা এই কথা !!

প্রতিদিন এক প্যারা করে পড়তে পারেন :) .... আজকে এখন এক প্যারা পড়েন । কালকে দ্বিতীয় প্যারে :) ..... হা হা হা .....।

২৭. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০৯
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: গল্পে পিলাস ... ভালো হইছে +++++ ;)

একটা প্রশ্ন: রোবট যখন সম্পূর্ণভাবে মানুষের মতো অনুভূতি লাভ করবে, তখন তার মানবাধিকার থাকবেনা?
সেখান থেকে উল্টা দিকে এক্সপ্যান্ড করে প্রশ্নে আসা যাইতে পারে যে আমার হাতের কাঁচের গ্লাসটা ভাঙার অধিকার আমার আছে কিনা? ;)


অফ টপিক:
আরেক পোস্টে মুকলেশের কাহিনী পইড়া হা হা প গে
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বস্ :) ......

প্রশ্নের উত্তরে আসলে আমার কিছু বলার নাই , এই বিষয়ে আইন বিশেষজ্ঞরা ভালো বলতে পারবে ;) ... তবে আইজাক আজিমভের একটা গল্প আছে, " বাইসেন্ট্রিয়াল ম্যান " এই গল্পে রোবটকে মানুষ হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছিলো .... এইটা নিয়ে একটা মুভিও হয়েছে :) .....

অফ টপিকের উত্তর : আসলে ব্লগে বিতর্ক করতে ইচ্ছা করে না, আমরা সবাই ( আমি নিজেও ) প্রিকনসেপ্ট মাথায় রেখে আলোচনা শুরু করি এর ফলে কোন সমাধানে আসা অসম্ভব :) ... ব্যাপারটা এমন যে, আগে ডিসিশন নিয়ে রাখলাম, তার পর লজিক দিয়ে ঐ ডিসিশনটাকে প্রুভ করা .... অথচ হওয়া উচিত উল্টা

..... কি করবো বলেন ? তারপরও মাঝে মাঝে ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায় , পরক্ষনেই আবার খারাপ লাগে , কি জানি, যাকে কষ্ট দিলাম সে হয়তো সত্যিই আমার ভালো চায় বলেই হয়তো আমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কথা বলছে ....

অনেকটা খ্রিষ্টানরা মনে করে মুসলিমরা সব দোজখে যাবে, তাই তাদেরকে ঐ দোজখের হাত থেকে বাচাতে হবে ,আবার একজন মুসলিমও একই ভাবে হয়তো ঐ খ্রিস্টানকে বাচানোর ইনটেনশন থেকেই তার বিশ্বাসর বিরুদ্ধে কথা বলে ....

আসলে ভালো লাগে না এইসব বিতর্ক ...... :)

২৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১২
চাঙ্কু বলেছেন: আপনে কি এইডারে টিপি ছিঃরিয়াল পাইছেন নাকি যে ১ মিনিট দেখে ২ মিনিট বসে থাকুম !!!! X(X(X(X

২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা .... ওকে , চাঙ্কু , তাইলে ৩ ঘন্টার হিন্দি সিনেমা মনে কইরা পইড়া ফালান ;)

২৯. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভালো লেগেছে ..

এমনিতে আর সাইফাই পড়তে ভালো লাগ না ...

আলো আর আধার মিলিয়েই আমদের দুনিয়া ।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :) .....

কন কি বস্ ! সাইফাই পড়তে ভালো লাগে না ! :| ... আমি আবার সাইফাই-এর পোঁকা :) ... গোগ্রাসে গিলি :) ......

আসলে মানুষের জীবন বড়ই অদ্ভুত :( বড়ই অদ্ভুত

২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: :)

৩১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
সরকার সেলিম বলেছেন: আপাতত+ দিলাম পরে পড়ে নিব। আপনি পোষ্ট করেছেন না পড়লে কি হয়।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ওকে , পরে পড়ে সমালোচনা করলে ভালো লাগবে :) ... ধন্যবাদ :)

৩২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালা বলেছেন: আমি খুব সাধারন ১ জন পাঠক...তাই সরাসরি বলি...আমি লেখা বা মুভিতে মজা তখনি পাই যখন তা একটানে পরতে বা দেখতে দারুন লাগে। এবং এই লিখাটা একবারে ফাটাফাটি হইছে...ধন্যবাদ এমন একটি লিখার জন্য
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: খুব ভালো লাগলো, আপানর এই সরাসরি মন্তব্য .... অনেক ধন্যবাদ :) ....

আপনাদের উৎসাহ পেয়েই গল্প লেখার সাহস করতে পারছি ..... আপনাদের ভালো লাগলেই আমার পরিশ্রম স্বার্থক ..... :)

৩৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪
যীশূ বলেছেন: ভালোই লিখেখেন।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :) ... চেষ্টা করছি আর কি , কিছু লেখার :)

৩৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
সবুজ বলেছেন:
জাফর ইকবাল মনেহয় বেশি সাইফাই লিখে ফেলেছেন। অন্য কোন লেখা পড়তে গেলে মনে হয় চেনা চেনা। কপোট্রনিক সুখ দূখের ছায়া আছে এখানে।

তাই বলে আপনি যে অনেক পরিশ্রম করেছেন, সেটা অস্বিকার করছি না। আপনার উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। আরো নতুন লেখার আশায় আছি।

তবে শেষটা অন্যরকম আশা করেছিলাম।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: জাফর স্যারের প্রভাবমুক্ত হওয়া আসলে কষ্টকর, উনি সাইফাই কে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন .... মাঝখান থেকে ধার আমরা :| ...।

শেষটা নিয়ে আমি নিজেও একটু কনফিউজড ... অনেক ধন্যাবদ :)

৩৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২৪
ডিমওয়ালা বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন। শেষটাও ভালো হইছে।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :) .... আপনাদের ভরসা পেয়েইতো লেখার সাহস পাই :) ....

৩৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২৫
ফ্রুডো বলেছেন:


আমার কাছে লিখাটা জাফর স্যারের প্রভাবযুক্ত মনে হয় নাই...

যাই হোক লিখাটা পড়ে ভাল লাগল, তবে আন এডিটেড টা পড়লে বুঝা যেত শুরুতে কেমন ছিল, কারেন্ট নাই হয়ে যাওয়ার কারনে পড়তে পারি নাই।


প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :) ....

আমার কাছে লিখাটা জাফর স্যারের প্রভাবযুক্ত মনে হয় নাই...
অনেক চেষ্টা করেছি জাফর স্যারের প্রভাব মুক্ত রাখতে ... তবুও একেক জন একেক ভাবে, একেক দৃষ্টিকোন থেকে দেখে ... যার যার চিন্তার স্বাধীনতা অনুসারে... সো, নো প্রবলেম :) ......

তবে আন এডিটেড টা পড়লে বুঝা যেত শুরুতে কেমন ছিল, -- না না !! তেমন কিছু এডিট করিনি ... শুধু শেষ পার্টে পিয়েলার সাথে এনিলির কিছু অতিনাটকিয় ডায়লগ ছিলো, ["ভালোবাসি, বাচবো না, চলে এসো আমার বুকে " :`>:`> টাইপ ] ৪/৫ লাইনের মত ... ওগুলো একটু বদলিয়ে দিয়েছি এই যা :) ....

কারেন্ট নাই হয়ে যাওয়ার কারনে পড়তে পারি নাই। সমবেদনা ছাড়া কিছুই দিতে পারছিা না :) ... হা হা হা

প্রিয়তে নিয়ে গেলাম। - গর্বিত মনে অনুভব করছি, অনেক ধন্যবাদ :)

৩৭. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:০৮
মেঘাচ্ছন্ন বলেছেন: অসাধারণ ! একটানে পড়ে গেলাম....খুবই ভালো লাগলো....+++++
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :) আপনারা পড়ছেন বলে এখন বড় বড় গল্প পোষ্ট করার সাহস পাচ্ছি :) .....

৩৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
চাচামিঞা বলেছেন: গল্পটা সময় নিয়ে পড়লাম, তাই মন্তব্য করতে দেরি হয়েছে। আমাকে সমালোচনা করতে বলেছিলেন.....আজকে কোনো সমালোচনা করবো না.....শুধু ছোটো একটা আলোচনা (আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে)
আপনি নিশ্চই জানের আমি ১ সন্তানের জনক। তার বয়স এখন ১০ মাস। জন্মের পর থেকে রাতে তাকে আমর পায়ে নিয়ে দোলা দিতে হয়, তা না হলে সে ঘুমায় না। এভাবে ১ মাস ২ মাস আর কতোদিন নিজে না ঘুমিয়ে বাচ্ছাকে দোল দেওয়া যায়। তখন মনে হয়েছিলো...ঠিক আমার পায়ের মতো নকল পা বানিয়ে যদি কোনো যন্ত্রে সাহায্যে নারাতে পারতাম, তাহলে ভালো হতো। সেই থেকেই "নকল বাবা" নামে একটা সাইন্সফিক্সন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিলো। আজকে আপনার গল্পটা পড়ে মনে হলো.....সেটার আর প্রয়োজন নাই।
খুব ভালো লিখা.....অসাধারণ......আপনার বউ কি জানে আপনার এই গুনের কথা?
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: চাচা, এইটা কি কমেন্ট করলেন ... আবেগে আপ্লুত হয়ে গেলাম ... অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে দিয়েছেন আমার এই তুচ্ছ লেখাটাকে ... অনেক ধন্যবাদ , অনেক ...

আপনার সন্তানের জন্য অনেক অনেক দোয়া .... সন্তানের জন্য বাবা মায়ের যে আকুতি ও ভালোবাসা তার সাথে পৃথিবীর আর কোন কিছুর তুলনা চলে না .... আল্লাহ পৃথিবীর সব বাবা মাকে ভালো রাখুন ......

এখনও বউকে সাহস করে বলে উঠতে পারিনি ... তবে জানে যে আমি একটু আধটু ব্লগে লেখালেখি করি ..... :) ...

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধ

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ন্য

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: বা

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: দ

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: হে হে হে :)

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টের রিপ্লায় দিতে দিতে তো জান বাইর হইয়া গেলো :| ....

৪৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:০৩
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: এত সুন্দর গল্প অবলীলায় লিখে ফেলছেন, এখন পাঠকের অত্যাচার সহ্য করেন একটু!;)
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা ... এই অত্যাচারে যে কতটুকু ভালোবাসা জড়িত সেটা টের পেয়েই সব ভুলে যাই ;) ......

৪৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
কক বলেছেন: অসাধারণ লিখা।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :) .... আপনারা পড়েন বলেই একটু সাহস করি আর কি :) ...

ব্লগের তুলনায় অনেক বড় হওয়ায় প্রথমে ভয়ে ছিলাম কেউ পড়বে কিনা :) ... তবে এখন ভরসা পাচ্ছি ..... :)

৪৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১১
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: আমি তো আপনাকে আগেই বলেছি লেখার আকার এখন কোন ব্যাপার না। আপনার গল্প বলার ক্ষমতাই সবাইকে ধরে রাখে, রাখবে।

কেমন আছেন দেবদূত'দা? :)
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ .....

নতুন একটা সাইফাই এর আইডিয়া আসছে মাথায়, তাই দুইদিন ধরে ঘুমাতে পারছি না :( .... ঐটা নিয়ে একটু পড়াশুনা করতে হবে, নেট ঘেটে .... আমি আবার উড়াধুড়া সাইফাই লেখতে পারি না .... যেটাই লেখি সেটা মুটামুটি ভাবে গ্রহনযোগ্য একটা ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা করি .... :)

৪৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩৩
মন মানে না বলেছেন: ভালোসার ঋনাত্মক আবেস শুধু ঘৃনা নয় , এর সাথে ছোট একটা মান হিসাবে আছে " বিশ্বাসঘাতকতা"

২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: এই সবই আমার উন্নত মস্তিষ্কের কল্পনাপ্রসূত থিউরি ..... ;) ....

৪৯. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
মদন বলেছেন: ""উত্তরে রিশান শুধু বলেছিলো পিছনের সবকিছুকে ভুলে যেতে চাই, একেবারে নতুন করে সাজাতে চাই জীবনকে। আসলে রোহান মিথ্যে কথা বলেছিলো বন্ধুদের, সে আসলে ফেলে আসা অতীতকে নতুন করে আবিষ্কার করতে চায়, জয় করতে চায় অতীতের সব না পাওয়াকে।""

= =ভুলক্রমে নামটি রোহান হয়ে গেছে?

""এতক্ষণে বুঝতে পারে রিশান কোথায় ভুল হয়েছে । এক নাম্বার মৌলিক অনুভুতির প্রসেসরাটা সে উল্টা করে লাগিয়েছে ।""

= = প্রসেসর উল্টো করে লাগালে কাজই করার কথা না।



গল্প ভালো হয়েছে, +
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: নামটা ঠিক করে দিচ্ছি .....

আসলে আমাদের বর্তমানের প্রসেসরগুলোতো উল্টা করে লাগানোই যাবে না, মানে পোর্টে খাপ খাবে না, আসলে গল্পের প্রসেসরগুলো ( কাল্পনিক ) অন্য রকম .....

অনেক ধন্যবাদ :)

৫০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: সাই-ফাই এর সাথে আবেগ! আপনার গল্প বলার ধরনটা মজার, মনে হয় সামনে বসে গল্প শুনলাম এতোক্ষণ! :)
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন: সাই-ফাই এর সাথে আবেগ! --- হা হা হা .... কেন সাইফাই এ কি আবেগ থাকতে পারে না ? :) ....

আপনার গল্প বলার ধরনটা মজার, মনে হয় সামনে বসে গল্প শুনলাম এতোক্ষণ! --- হা হা হা ... তাই নাকি ? এভাবে তো কেউ বলেনি বা আমি নিজেও ভেবে দেখেনি বা খেয়াল করিনি :) .... খুব ভালো লাগলো আপনার কমেন্ট পেয়ে :) ... অনেক ধন্যবাদ :)

৫১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
দারুণ দারুণ দারুণ।
চরমের উপর সাঙ্ঘাতিক।

ভাই আমার পক্ষ থেকে মনে মনে ৬টা রজনীগন্ধা ফুল নেন।
ভাই ভাল একটা গল্প পড়ে মনটা অনেক ভাল লাগতেছে।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, পাগলা :) ....

আপনার আবেগের উচ্ছোসিত পাগলাটে কমেন্ট পেয়ে খুবই ভালো লাগলো :) ....

অনেক ধন্যবাদ :)

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানানো হইলো :) .......

৫৩. ০২ রা মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
রোহান বলেছেন: নতুন সাইফাই জলদি লিখেন :-B
৫৪. ০৩ রা মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
পলাশমিঞা বলেছেন: দেবা এটা এখন পড়ব পরে পড়ব।

কেমন আছ?
৫৫. ২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২২
রাশেদ বলেছেন: প্রথম প্যারাটা খাপছাড়া লাগছে। এইটা গল্পের ভিতরেও তো ঢুকিয়ে দেয়া যেতো? যখন নতুন পিয়েরাকে তার নাম বলে তখন খবরের কাগজের খবরটা দেখানো যেতো। (মাতব্বরি করার মজাই আলাদা! :D )


লাস্টের দিকটা পছন্দ হয় নাই। সে আবার পিয়েরাকে বানাচ্ছে দেখিয়ে শেষ করলে ভালো লাগতো (আমার কাছে)। মানে সে একটা লুপে আটকা পড়ে গেছে আর কি! :D
২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা .... আপনি তো সব একদিনে পড়া শুরু করছেন !! ভালু খুব ভালু :) ...

মাতব্বরিটা পছন্দ হইছে :) ... কিন্তু, তিনটা ঘটনার মধ্যে প্রথম দুইতা খবরের কাগজে আসছে, শেষেরটাতো আসে নাই .... :| :| ..... তবে আইডিয়াটা ভালো দিছেন, গল্পের মাঝেও অন্য কোন ভাবে এইগুলো ঢুকানো যেতো :) .....এই অংশটা নিয়া ব্লগার হিমালয়ের সাথে ১৮ নাম্বার কমেন্টে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে.... দেখতে পারেন :) ....

আর শেষের অংশটা নিয়ে আমিও অতটা তৃপ্ত না ... একটু ঘষামাজা করতে হবে...আপনার মত অনেকেই শেষেরটা নিয়া প্রশ্ন তুলছে :( ....

আর, বস্ , মাতাব্বুরিই কন আর সমালোচনাই কন, এই জিনিষটা কিন্তু আমি সত্যি খুবই লাইক করি .... এতে দুইটা সরাসরি উপকার :) ....

এক হইলো, এতে মনে হয় পাঠক গল্পটা মনযোগ সহকারে পড়েছে, খুব খুশি লাগে :)

দ্বিতীয়টা হইলো, এতে আমার দূর্বলতাগুলো সামনে চলে আসে, এতে পরবর্তীতে একই ভুল না হওয়ার সম্ভবনা কম :) .....

তাই পাঠকদের যত বেশি মাতব্বুরি আমি ততবেশি খুশি .... হা হা হা

অনেক ধন্যবাদ :)

৫৬. ২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪১
রাশেদ বলেছেন: থ্যাঙ্কস উত্তরের জন্য। :P

"পুরা ব্যাপারটা এমন যে , পাঠক ভাবতে থাকবে রিশান পিয়েলাকে হারিয়ে পাগল প্রায় হয়ে আবার তাকে নতুন ভাবে তৈরী করতে ব্যস্ত, আবার পাঠকরা এমন কিছু আশংকা করতে থাকবে যে, হয়তো পিয়েলাকে তৈরী করার পর অন্য কোন দূর্ঘটনা ঘটবে, যেমন রিশানকে চিনতে না পারা বা ভালো না বাসা । কিন্তু আসলে সে ঠিকই ভালোবাসবে আবার বিশ্বাস ঘাতকতাও করবে ( যা মানুষের একটা অনুভূতিই মাত্র ) এবং রিশান আবার তাকে হত্যা করবে ।"


তেমন একমত না। এইটা সিনেমাতে মানায় মনে হয়।


তয় গল্প পছন্দ হইছে এইটা।
২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: :( হু , এই দুই অংশেই একটু কাঁচি চালাইতে হবে ..... এখনতো আমার নিজেরই কিরাম কিরাম লাগতেছে :| :| ....

৫৭. ২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
রাশেদ বলেছেন: খেক খেক! মিশন সফল! :D

যাইগা। বিড়ি টানতে গেলাম।

আরেকটা গল্প চাইঃ কাহিনীটা হবে পাতালে। যেইটার শেষ হবে লাভাস্রোতে পুরো জাতি ধংস হয়ে! :| :(
২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ও আইচ্ছা ! মিশনের নামছিলেন ! X(X(

ওরে বাপস্ ! লাভাস্রোতে পুরো জাতি ধ্বংস !!! ডরাইছি :|

তবে আগামি রবিবারের দিকে নতুন একটা সাই-ফাই পোষ্ট দিমু :) .... তয়, আন্ডার গ্রাউন্ড জাতি না পুরা বিশ্বব্রক্ষান্ড নিয়াই টান দিমু ... খেক খেক খেক

৫৮. ২৩ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
আজম বলেছেন: জটিল লিখেছেন..............
নিখুত লেখা.....

গল্প বলার স্টাইলটাও জটিল।

আচ্ছা বলেন তো ভালোবাসা নিয়ে আপনার এই উপলব্ধির উৎস কি?
২৩ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :) ....

আসলে শুধু ভালোবাসা নিয়ে বিশেষ কোন উপলব্ধি না, আমার মানুষের অনুভূতিগুলো নিয়ে চিন্তা করতে ভালো লাগে .... আমাদের কত শত অনুভূতি, কত দ্বৈত আচরন ..... প্রচন্ড ভালোবাসার মধ্যেও লুকিয়া থাকে প্রছন্ন ঈর্ষা .... যাকে চরম ঘৃনা করি তার বড় কোন বিপদে আবার সাহায্য ঝাপিয়ে পড়তে পারি ..... বন্ধুত্বের খোলসে ঢেকে থাকে প্রচন্ড ক্ষোভ .....

এইগুলো নিয়ে চিন্তা করতে করতেই এই গল্পের প্লট মাথায় আসে ..... খেয়াল করলে দেখবে আমার প্রায় সবগুলো সাইফাই'ই মানুষের আচরন, অনুভূতি, ইন্দ্রীয়গুলোকে নিয়ে :| .....

৫৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৯
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: বস এইটা পুরাই ক্লাসিক....... :) এখন পর্যন্ত আপনার লিখা সবগুলা সাইফাই এর মধ্যে সেরা.... সোকেশে নিয়ে গেলাম! :)
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: ব্লগের এই জিনিষটাই খুব ভালো লাগে, পাঠকের সাথে লেখকের ইন্টারেকসন .... গল্পের কোথায় কোথায় দূর্বলতা, কোথায় কি ভুল হচ্ছে, কোথায় গাঁথুনিটা একটু আলগা হয়ে গেছে , এই ব্যাপারগুলো আলোচনা সমালোচনার মাধ্যমে ইমপ্রুভ করে নেওয়া যায়।

অনেক ধন্যবাদ, খুঁজে খুঁজে গল্পগুলো পড়ার জন্য .... আর সোকেশে নেওয়ার জন্য গর্বিত অনুভব করছি :)

৬০. ২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:০৭
শিট সুজি বলেছেন: অসাধারন বস।

সামুব্লগে পড়া সেরা গল্পগুলোর একটা।

++++++++++++।
২৩ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ .......

কষ্ট করে বিশাল পরিধির এই গল্প পড়েছেন সে জন্য কৃতজ্ঞ, আর পড়ে আনন্দ পেয়েছেন, ... আমার খাটুনিটা স্বার্থক হলো ......

আবারও অনেক ধন্যবাদ :)

৬১. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৭
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
জিনিয়াস না হলে কেউ সায়েন্স ফিকশান লিখতে পারে না।
+++
১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০১

লেখক বলেছেন: আপনার কাছ থেকে এমন কমেন্ট পেয়ে গর্বে বুকের ছাতি কয়েক হাত ফুলে গেলো বস্ ..... সেই সাথে একটু লজ্জাও পেলাম :`>:`>

৬২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৯
তারার হাসি বলেছেন:
কতবার খুন করবে রিশান ?
মানবীয় আবেগ যতবার দিবে ঠিক তুতবার।
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন:
একদম মূল জায়গায় ধরেছেন, আমি ঠিক এই জিনিসটাই ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি।

আপনি দুই বাক্যে আমার পুরা গল্পের বক্তব্য ফুটিয়ে তুলেছেন চমৎকার ভাবে, অনেক অনেক ধন্যবাদ ....

মানবীয় আবেগ অদ্ভুত জিনিস, খুব ভাবায় আমাকে, সবচেয়ে বেশি ভাবায় ও দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয় মানুষের দ্বৈত আচরন .....

অনেক ধন্যবাদ, আবারও .....

৬৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২৬
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: ভালবাসা এমনই হয় ,তবে প্রথম থেকেই আচ করতে পারছিলাম কেমন হবে ,

আমার ধারনার সাথে মিলে গেল ।

অনেক ভাল লাগছে ।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য। শুভেচ্ছা রইলো আপনার জন্য

৬৪. ০৬ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৪১
মুহসিন বলেছেন: কমেডি হলেই ভালো হতো।
২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা ঠিক মত বুঝিনাই, আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন যে "সাথে আর একটু কমেডি থাকলে ভালো লাগতো"; না কী "এটা সাই-ফাই কিছুই হয় নাই, এর চেয়ে কমেডি লেখেন ভালো করবেন" :) ......

দ্বিতীয়টার ক্ষেত্রে আমি নিজেও একমত, তবে সাই-ফাই লেখার চেষ্টা করে যাচ্ছি, একদিন না একদিন সফল হবো ইনশাআল্লাহ ...... কথা আছে না, "কচু গাছ কাটতে কাটতে একদিন ডাকাত"-- :):)......

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো আপনার জন্য..... আর আপনার কাছ থেকে আরও আরও সমালোচনা আশা করছি, নিজের লেখার মান উন্নতির জন্য ......

৬৫. ১৪ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৯
শিশিরের বিন্দু বলেছেন: অনেক অনেক চমৎকার একটা সাইফাই পড়লাম। :)
২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৬৮৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিজের কথা কি আর বলবো ...... নিজে সুখী মানুষ, পৃথিবীর সবাই সুখী হওক এই কামনা করি...... কয়লার মধ্যে কালো খুঁজি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ