আমার প্রিয় পোস্ট

সব বিষয়ে জানতে ও শিখতে আগ্রহী একজন উদার মনের মানুষ।

GPS কী ও কিভাবে কাজ করে

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৭

শেয়ারঃ
0 15 1


একসময় মানচিত্র, কম্পাস, স্কেল ইত্যাদি দিয়ে মেপে ও অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশের সাহায্যে ভূপৃষ্ঠের কোন স্থানের অবস্থান (Position) নির্ণয় করা হত। বিজ্ঞানের উন্নয়নও নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনে এখন খুব সহজে ও নিখুঁতভাবে পৃথিবীর কোন স্থানের অবস্থান সম্পর্কে জানতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার হয় তার নাম Global Positioning System বা সংক্ষেপে GPS। গাড়ি, জাহাজ, প্লেন, ল্যাপটপ এমনকি নতুন মডেলের মোবাইল ফোনেও এখন GPS রিসিভার থাকে। বিজ্ঞানের জটিল বিশ্লেষনে না গিয়ে এখানে সংক্ষেপে ও সরলভাবে GPS-এর বেসিক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো।

ইতিহাস
US Military নিজস্ব প্রয়োজনে GPS প্রযুক্তির প্রাথমিক কাজ শুরু করে ১৯৭৭ সালে। এরপর ধাপে ধাপে এর উন্নয়ন ও ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ১৯৯৫ সালে ২৪টি স্যাটেলাইটের সমন্বয়ে সৃষ্ট নেটওয়ার্ককে পৃথিবীর সব জায়গা থেকে ব্যবহারযোগ্য একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সিস্টেম হিসেবে ঘোষণা করে। সেইসাথে সিস্টেমটি বিশ্বের বেসরকারী লোকদের ব্যবহারের জন্যও উম্মুক্ত করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইতে অবস্থিত স্যাটেলাইট ট্রেকিং ষ্টেশন থেকে US Military স্যাটেলাইটগুলোর নিয়ন্ত্রন ও মনিটরিং করে।

বেসিক কনসেপ্ট
GPS প্রযুক্তির বেসিক কনসেপ্ট সর্বসাধারণের বুঝার সুবিধার্থে একটি উদাহরণ তুলে ধরলাম:
মনে করুন আপনি বাংলাদেশের কোন জায়গায় হারিয়ে গেলেন। আপনি জানেন না জায়গাটির নাম কী, আপনি জানেন না আপনার আশেপাশে কোন শহর বা লোকালয় আছে কিনা! আপনি ঠিক করতে পারছেন না কোনদিকে যাবেন! এসময় (A) নামে একটা লোকের দেখা পেলেন তারও একই অবস্থা, পথ হারিয়ে ফেলেছে। তবে তার কাছে বাংলাদেশের একটা মানচিত্র আছে কিন্তু তা কোন কাজে আসছে না। কারণ আপনারা কোন জায়গায় আছেন তা জানলেই তো মানচিত্র দেখে আশেপাশের শহর কোনটি, কোনদিকে যেতে হবে, কতদূর যেতে হবে ইত্যাদি জানা যাবে।

এসময় X, Y, Z নামে তিনজন লোকের দেখা পেলেন। X বললেন আপনারা ঢাকা থেকে ১১০ কিলোমিটার দূরে আছেন, কিন্তু ঢাকার কোনদিকে (উ:, দ:, পূ: প: ) আছেন তা বলেনি। (A) তার মানচিত্রে ঢাকাকে কেন্দ্রবিব্দু ধরে ১১০ কিলোমিটারকে ব্যাসার্ধ (মানচিত্রের স্কেলে) ধরে একটি বৃত্ত আকঁল। (উপরের ছবির সবুজ বৃত্ত দ্রষ্টব্য)। অর্থাৎ যেসব জায়গার উপর দিয়ে সবুজ লাইনটি গেছে সেসব জায়গার কোন একটিতে আপনারা আছেন।

Y বললেন আপনারা রংপুর থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে আছেন, কিন্তু কোনদিকে (উ:, দ:, পূ: প: ) আছেন তা বলেনি। (A) তার মানচিত্রে রংপুরকে কেন্দ্রবিব্দু ধরে ১৫০ কিলোমিটারকে ব্যাসার্ধ (মানচিত্রের স্কেলে) ধরে একটি বৃত্ত আকঁল। (উপরের ছবির নীল বৃত্ত দ্রষ্টব্য)। অর্থাৎ যেসব জায়গার উপর দিয়ে নীল লাইনটি গেছে সেসব জায়গার কোন একটিতে আপনারা আছেন। কিন্তু একই সাথে X ও Yএর তথ্যকে সঠিক হিসেবে নিলে আপনাদের অবস্থান গোপালপুর অথবা ময়মনসিংহে। কারণ সবুজ ও নীল বৃত্ত দুটি পরষ্পরকে এ দুটি জায়গায় ছেদ করেছে। গাণিতিক ও জ্যামিতিক হিসাবে শুধুমাত্র এ দুটি জায়গা থেকেই ঢাকার দুরত্ব ১১০ ও রংপুরের দুরত্ব ১৫০ কিলোমিটার।

Z বললেন আপনারা সিলেট থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে আছেন। (A) তার মানচিত্রে সিলেটকে কেন্দ্রবিব্দু ধরে ১৪০ কিলোমিটারকে ব্যাসার্ধ (মানচিত্রের স্কেলে) ধরে একটি বৃত্ত আকঁল। (উপরের ছবির লাল বৃত্ত দ্রষ্টব্য)। অর্থাৎ যেসব জায়গার উপর দিয়ে লাল লাইনটি গেছে সেসব জায়গার কোন একটিতে আপনারা আছেন। উল্লিখিত নিয়মে আমরা দেখতে পাচ্ছি সবুজ, নীল এবং লাল বৃত্তটি পরষ্পরকে শুধু একটি বিন্দুতে ছেদ করেছে, সেটি হল ময়মনসিংহ! অর্থাৎ তিনটি বৃত্তের Intersection point (ময়মনসিংহ) থেকে X, Y এবং Z তিনজনের তথ্যই সঠিক। এভাবেই আপনারা জানলেন আপনাদের অবস্থান ময়মনসিংহে।

এখন আমরা বলতে পারি: X, Y এবং Z নামের তিনটি স্যাটেলাইট থেকে প্রেরিত বিশেষ তথ্য A নামের GPS রিসিভার গ্রহণ করে গাণিতিক ও জ্যামিতিক হিসাবের মাধ্যমে ডিজিটাল মানচিত্রে আপনার বর্তমান অবস্থানটি (Position) উল্লেখ করার যে পদ্ধতি/সার্ভিস তার পূর্ণনাম Global Positioning System ও ডাকনাম GPS।

স্যাটেলাইট:
GPS সিস্টেমের মূল অংশ হচ্ছে ২৭টি স্যাটেলাইট (24 active, 3 Reserve) ও GPS রিসিভার। ভূপৃষ্ঠ থেকে ২০০০০ কিলোমিটার উপরে ৬টি অরবিটে ২৪টি স্যাটেলাইট পৃথিবীর চারিদিকে ২৪ ঘন্টায় দুইবার করে ঘুরছে।

পৃথিবী ও স্যাটেলাইটের ঘুর্ণায়ন অবস্থায় একটি GPS রিসিভার কিভাবে নিকটস্থ স্যাটেলাইটের সাথে যোগাযোগ করে তার দৃশ্য

অরবিটগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে যে কোন সময় কমপক্ষে চারটি স্যাটেলাইট দৃশ্যমান হয়। স্যাটেলাইটগুলো প্রতিনিয়ত দুধরনের সংকেত (signal) প্রেরণ করছে ; L1ও L2। L1 হচ্ছে বেসামরিক লোকের জন্য, যার ফ্রিকোয়েন্সী 1575.42 MHz (UHF band)। এই সংকেতের জন্য প্রয়োজন Line of sight। অর্থাৎ যোগাযোগের সময় স্যাটেলাইট ও রিসিভারের মাঝখানে কোন প্রতিবন্ধকতা থাকতে পারবে না। L1 সংকেতে যেসব তথ্য থাকে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে: "I'm satellite X", My position is Y এবং "This information was sent at time Z". তাছাড়া থাকে almanac data ও ephemeris data। সংকেতগুলো আসে আলোর গতিতে (৩০০,০০০ কিলোমিটার/সেকেন্ড)। প্রতিটি সংকেতে sending time লেখা থাকে।

GPS রিসিভার
GPS রিসিভার সংকেতটির reciving time থেকে sending time বিয়োগ করে runtime বের করে। runtime দিয়ে ৩০০০০০ কে গুণ করলে রিসিভার থেকে স্যাটেলাইটটির দুরত্ব বের হয়। এভাবে চারটি স্যাটেলাইটের দূরত্ব বের করে রিসিভার প্রতিটি স্যাটেলাইটের পজিশনকে কেন্দ্রবিন্দু করে প্রতিটির দূরত্বকে ব্যাসার্ধ ধরে চারটি ত্রিমাত্রিক বৃত্ত (sphere) অঙ্কন করে। তারপর বৃত্তগুলোর Intersection point দিয়ে 3-D Trilateration ক্যালকুলেশনের মাধ্যমে পজিশন নির্ণয় করে। ত্রিমাত্রিক পদ্ধতিতে গোলক (sphere) সৃষ্টি করে Trilateration ক্যালকুলেশনের মাধ্যমে সঠিক ফলাফলের জন্য কমপক্ষে চারটি স্যাটেলাইটের তথ্য প্রয়োজন হয়। অনেকসময় ৪র্থ স্যাটেলাইটের পরিবর্তে পৃথিবীর পরিধিকে ৪র্থ বৃত্ত হিসেবে ধরেও হিসাব করা হয়।


GPS সিস্টেমে সময় মাপের ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ১ লক্ষ ভাগের ১ সেকেন্ড = ৩ কিলোমিটার। এত ক্ষুদ্র সময় মাপতে পারে ব্যয়বহুল Atomic clock (accuracy ন্যানোসেকেন্ড) যা স্যাটেলাইটের আছে কিন্তু রিসিভারের নাই। রিসিভার স্যাটেলাইট থেকে প্রেরিত pseudo-random code কে synchronize করে নিজের ঘড়িকে আপ-টু-ডেট করে নেয়, অর্থাৎ স্যাটেলাইট ও রিসিভার উভয়ের ঘড়ির কারেন্ট টাইম একই হয়ে যায়। সাধারণ মানের GPS রিসিভার (±10m) সঠিক পজিশন দেখাতে পারে। Global Positioning System এর higher accuracy-র (±1m) জন্য ব্যবহার হয় Differential GPS। এই সিস্টেমে মহাশূন্যের স্যাটেলাইট ছাড়াও ল্যান্ড স্যাটেলাইট থেকেও তথ্য নেওয়া হয়। জিপিএস সফটওয়্যারে (জিপিএস ম্যাপ) রাস্তাঘাট ছাড়াও পেট্রোল পাম্প, পুলিশ স্টেশন, হোটেল/রেস্টুরেন্ট, পর্যটন স্থান, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ইত্যাদির তথ্য থাকে। কারেন্ট পজিশনের আশেপাশে উল্লিখিত কোন কিছু থাকলে জিপিএস ডিভাইসের ডিসপ্লেতে তা প্রদর্শন করে।
গাড়ি, জাহাজ, প্লেন ছাড়াও বড় বড় শহরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনে, যুদ্ধে শত্রুসেনার ট্রেকিং রাখতে, বোমা-মিসাইলের নিশানাকে সঠিক করতে, কোন বিশেষ স্থানের উপর নজর রাখতে GPS সিস্টেম ব্যবহার হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের GPS-র বিকল্প হিসেবে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন তৈরি করছে global navigation satellite system (GNSS)। যাকে বলা হয় Galileo। এটি ২০১৩ সাল থেকে চালু করা হবে। GLONASS নামে রাশিয়ার নিজস্ব নেভিগেশন সিস্টেম আছে যা মহাশূন্য গবেষনা ও সামরিক কাজে ব্যবহার হয়। চীনও Beidou-2 নামে তাদের নিজস্ব নেভিগেশন সিস্টেম তৈরির প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে।
----------------------------------------------------------
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট, উইকিপিডিয়া, HowStuffWorks,
Introduction to GPS: The Global Positioning System, Second Edition by Ahmed El-Rabbany

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): GPSজিপিএস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বিজ্ঞান  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৮
রাজন সান বলেছেন: ভাল লিখেছেন।প্লাস।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২১
মনুমনু বলেছেন: সুন্দর পোস্ট হয়েছে।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।

৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৪
সৌম্য বলেছেন: জটিল পোস্ট। তবে একটা ইনফো লাগায়া দিতে পারেন। জার্মেইনের একটা মোটামুটি জিপিএস (এখন দেখি সবাই মোবাইলে ইউজ করে, ঘন্টা খানিকের মদ্ধ্যে চার্জ যায়গা) এর দাম ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকা ঢাকার মার্কেটে। কিন্তু ভাটিয়ারীতে জাহাজের ভাঙ্গারীর দোকানে ১৪/১৫ হাজার টাকাতেই পাওয়া যায়। এগুলো টানা কয়েকদিন ট্রেক করার মতো। দারুন জিনিস।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, তথ্যটি অনেকের কাজে লাগবে।

৪. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩২
চিরসবুজ-মানব বলেছেন: চমৎকার বর্ণণা।

এর জন্যই মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ৮০র দশকে বলতে পেরেছিলেন যে "You can run but you can not hide"। বস্তত এই GPS টেকনলজি মার্কিনিরা বৃটেন কে ১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড যুদ্ধে সহায়তা করায় ব্রিটিশরা অল্প সময়েই আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে জয়লাভ করে।

তবে রাশিয়া, চীন, বৃটেন ও ফ্রান্সের কাছে স্যাটেলাইট জ্যামিং ডিভাইস আছে। তারা চাইলেই আমেরিকা সহ অন্যকোন দেশকে স্যাটেলাইট মনিটরিং কে বাধাগ্রস্থ করতে পারে।

আপনি যদি Thermal Imaging নিয়ে বিস্তারিত লিখতেন উপকৃত হতাম। এ সমন্ধে আগ্রহ প্রচুর। কারণ আপনার অনুবাদ খুবই দারুণ। ধন্যবাদ।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:২৪

লেখক বলেছেন: তথ্যবহুল মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত যুদ্ধ ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ব্যাপারে ব্যবহার হবে এমন প্রযুক্তির তথ্য সব দেশই গোপন রাখে। Thermal Imaging নিয়ে ভবিষ্যতে লেখার চেষ্টা করবো। ভালো থাকুন।

৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
ডিএইচ৫০০ বলেছেন: জিপিএস একটা জোস জিনিস। এখন খুব সহজেই পথ চানা যায়। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে জিপিএস শুধু বড় বড় হাইওয়ে বা বড় রাস্তায় ভাল কাজ করলেও অলিতে গলিতে তেমন একটা ভালো কাজ করে না। যেমন ধরুন আমি ঢাকার শাহীনবাগের কোনো বাসায় যাব। দেখা যায়, মেইন রাস্তায় আমার অবস্থান জিপিএস দেখালেও যখন আমি কোনো গলিতে ঢুকলাম তখন জিপিএস ভালোভাবে আমার সঠিক অবস্থান দেখাতে পারে না, বাংলাদেশের অধিকাংশ অলিগলির রাস্তা জিপিএস এ স্পষ্ট দেখা যায় না।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
GPS যেহেতু Line of sight সংকেত তাই অলিগলিতে বা আশেপাশে উচুঁ ভবন থাকলে উল্লিখিত সমস্যা হয়। পাওয়ারফুল GPS রিসিভার ও Differential GPS দিয়ে বড় বড় শহরগুলোতে এধরণের সমস্যার কিছুটা সমাধান করা যায়।

৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১২
সায়েম মুন বলেছেন: জিপিএস ছাড়া আমাদের ফিল্ড ওয়ার্কস অচল আর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৯. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৩৯
রাহাজানি বলেছেন: আমি টমটম ইউজ করি আয়ারল্যান্ডে।গতবছর দেশে যাওয়ার সময় সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম।মোহাম্মদপুরে কোন সিগনাল পায় নাই।হাইওয়েতে টেস্ট করা হয় নাই।তবে বাংলাদেশ এর জন্য জিপিএস ম্যাপ এভেইলেবল কি না জানি না।ম্যাপ ইন্সটল করা না থাকলে তো শুধু কোডিনেট দেখাবে।রাস্তাঘাট কিছুই দেখা যাবে না।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত জিপিএস রিসিভারে কোন সমস্যা না থাকলে উন্মুক্ত আকাশে স্যাটেলাইট সিগনাল পাওয়ার কথা। পজিশন প্রদর্শনের জন্য আপনার রিসিভারে জিপিএস ম্যাপ থাকতে হবে। বাংলাদেশের সব শহরের জিপিএস ম্যাপ বের হয়েছে কিনা জানিনা, তবে ঢাকার আছে, শুনেছি। ইউরোপ আমেরিকার বড় বড় শহরের জিপিএস ম্যাপ সস্তায় পাওয়া যায়, এমনকি নেট থেকেও ডাউনলোড করা যায়। উল্লেখ্য, জিপিএস রিসিভার আপনার পজিশনের কতটুকু ও কতরকম তথ্য প্রদর্শন করবে তা নির্ভর করে এসব ম্যাপের ডিজাইন ও প্রোগ্রামিংয়ের উপর।

১০. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫
আট আনা বলেছেন: পেলাস। জিপিএস নেভিগেশন কিট্রে বালা ফাই। ঐডি না থাকলে ম্যালা পোরোবলেম হৈত, রাস্তাঘাট তো কিছুই চিনিনা।

তয় জিপিএস ট্র‌্যাকিং ডিভাইস মাইনষের পেরাইভেসি নষ্ট করতাসে। গাড়ি চুর, মুপাইল চুরগো বিপত বাড়সে। ডগ কলারের মদ্দেও নাকি ইদানিং টেরাকিং ডিবাইস বসাইতেচে, কুত্তা হারাইয়া গেলে খুইজ্জা পাওনের লিগা। :|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সবকিছুরই ভালো খারাপ দুটি দিক থাকে, এখন যে যেভাবে ব্যবহার করে। :)

১১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
ফিরোজ-২ বলেছেন: ভালো লাগলো সুন্দর পোস্ট +++

ভালো থাকুন....।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।

১৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
সেতূ বলেছেন: ভাল লিখেছেন।প্লাস।
১৪. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২
মৃদুভাষী বলেছেন: ধন্যবাদ, অনেক তথ্যবহুল লেখা। জিপিএস অনেক কাজের জিনিস।
জারমিনের জিপিএস ব্যবহার করছি অনেকদিন থেকে। বর্তমানে ব্যবহার করছি 76CSx, 60CSx মডেল।
১৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০১
টোনা বলেছেন: অসাধারন হইসে .. এইরকম পোস্ট বার বার দেন .. আমরা পড়ি ;)
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাইজান আসল জিনিসগুলাই বাদ দিছেন!


১) মডুলেশন টেকনিক?
২) ইরোর কারেকশন আর স্যাটেলাইট জিওম্যাট্রি?


তাই ভাই, ভালা হইছে, কারন লেখনের তো শেষ, এইসব লেখতে গেলে ব্লগের পাতা শেষ হইয়া যাইবো!


এরম লেখা আরও চাই!
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। মডুলেশন টেকনিক ও ইরোর কারেকশন লিখতে গেলে পোস্টটি খুবই লম্বা হবে যা আপনি নিজেই উল্লেখ করেছেন। এছাড়া এবিষয়গুলো বুঝতে হলে কিছু বেসিক টেকনিকের ধারণা থাকতে হবে। বেশির ভাগ ব্লগারই লম্বা ও জটিল পোস্ট পড়তে চাই না। তাই পোস্টটি লেখার মূল উদ্দেশ্য জিপিএসের বেসিক কনসেপ্টের উপর একটা ধারণা দেওয়া। ভালো থাকুন।

১৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
মানুষ বলেছেন: পড়লাম কিন্তু বুঝলাম না :|
১৮. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
আট আনা বলেছেন: নিচের লিংকে ঢাকা শহরের জিপিএস ম্যাপ, টমটম কমপ্যাটিবল

(নিজের রিস্কে লোড করবেন)

Click This Link
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, লিঙ্কটি অনেকের কাজে আসবে।

১৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬
ভাইটামিন বদি বলেছেন: আপনার পোষ্টগুলো সবগুলোই কাজের এবং তথ্যবহুল।।।।

এরকম আরো লেখা আশা করছি...অনেক ধন্যবাদ।। ভাল থাকুন।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

২০. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৯
রানা বলেছেন: বর্তমানে ভাল মানের মোবাইলে জিপিএস না থাকলে সেটাকে সেটের একটি ডিসএডভান্টেস হিসেবে ধরা হয়।
২১. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ধন্যবাদ --

প্রিয়তে --

জিপিএসটা অনেক কামের জিনিস ।
২২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৩
নিরক্ষর বলেছেন: প্রিয়তে --

জিপিএসটা অনেক কামের জিনিস ।
২৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬
নাজিরুল হক বলেছেন: আমি তো গুগল ম্যাপেই GPS ইউজ করি। :)
২৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৯
রাগিব বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।

আপনার তথ্যগুলো যদি উইকিপিডিয়াতে যোগ করে দিতেন, তাহলে সবার উপকার হতো।

এখন বেশি কিছু নাই ওখানে (Click This Link)।

দেশে জিপিএসের এতো দাম কেনো!! আমি টমটমের জিপিএস দেখলাম বাজারে ৮০ ডলার করে, মানে ৫৬০০ টাকার। আর ইউএসবি জিপিএস কার্ড ২০-৩০ ডলারে পাওয়া যায়।

আইফোনের জিপিএস গুগল ম্যাপসের সাথে খুব চমৎকার কাজ করে।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। উইকিপিডিয়াতে এ ধরনের কিছু লেখা যোগ করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু সময়ের অভাব ও আলসেমির জন্য হয়ে উঠেনি। আপনি যখন মনে করিয়ে দিলেন, এবার সিরিয়াসলি নিতে হবে।
যে কোন নতুন প্রযুক্তির দাম প্রথম দিকে বাংলাদেশে সবসময় বেশি থাকে। কারণ এইসব বস্তু অনেকের জন্য স্ট্যাটাস সিম্বল! :) ভালো থাকবেন।

২৫. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন: কিছু হলেও জানতে পারলাম।

ধন্যবাদঅ
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

২৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৭
আশরাফুল ইসলাম সাগর বলেছেন: প্লাস। অনেক তথ্য সমৃদ্ধ লেখা।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

২৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
মাছুম পলাশ বলেছেন: ভাল পোস্ট। প্রিয়তে নিলাম। বাংলাদেশে কিভাবে ব্যবহার করা যাবে? এ নিয়ে যদি একটি পোস্ট দিতেন তাহলে ভাল হতো। আর মোবাইল ফোন ট্র্যাক করার উপায় কি?
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: GPS রিসিভার (নেভিগেটর) বাংলাদেশে ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট বা সিমকার্ডের প্রয়োজন নেই। GPS রিসিভারে বাংলাদেশের GPS ম্যাপ ইনস্টল থাকলেই হবে। ঢাকা শহরের GPS ম্যাপ পাওয়া যায়। অন্যান্য শহরের পাওয়া যায় কিনা জানি না। মোবাইল ফোন ট্র্যাক করতে মোবাইল ফোনে যে কোম্পানীর সিম কার্ড তাদের সাহায্য নিতে হবে। ওরা টাওয়ারের মাধ্যমে ট্র্যাক করে।

২৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
নিরব হাসি বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++
২৯. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
গোলন্দাজ বলেছেন: লেখক বলেছেন: GPS রিসিভার (নেভিগেটর) বাংলাদেশে ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট বা সিমকার্ডের প্রয়োজন নেই। GPS রিসিভারে বাংলাদেশের GPS ম্যাপ ইনস্টল থাকলেই হবে। ঢাকা শহরের GPS ম্যাপ পাওয়া যায়। অন্যান্য শহরের পাওয়া যায় কিনা জানি না। মোবাইল ফোন ট্র্যাক করতে মোবাইল ফোনে যে কোম্পানীর সিম কার্ড তাদের সাহায্য নিতে হবে। ওরা টাওয়ারের মাধ্যমে ট্র্যাক করে

dhoren ami jodi kauke phn e tress korte chai...ekebare she je khane ache , thik oikhantai....tahole ki shomvob?
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন:
না, সম্ভব না। :((
এ ধরনের কাজ গোয়েন্দা সংস্থা ও মোবাইলফোন কোম্পানীগুলোর সমন্বয়ে করা হয়।

৩০. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৮
রেজা হামিদ বলেছেন: ভাল পোস্ট। প্রিয়তে নিলাম। এরকম লেখা আরও চাই। পোস্টে প্লাস।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৩২. ১২ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
নাসের০১৯ বলেছেন: চমত্কার!!!!!এরকম লেখা আরও চাই।
৩৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৯
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস++++++

Bangladesh travel information
৩৪. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:৩৮
রাজু রাজ বলেছেন: আমি কিছু বূঝি নাই.

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬১১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বিনয়ী মূর্খ অহংকারী বিদ্বান অপেক্ষা মহত্তর।
Copyright © Zobair
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ