আমার প্রিয় পোস্ট
- নতুন বানানো ব্লগ বা ওয়েবসাইট সার্চইঞ্জিনে সাবমিশান পদ্ধতি - নিশাচর নাইম
ইন্টারনেটে ফ্রি বাংলা TV চ্যানেল সহ আরও অন্যান্য চ্যানেল দেখতে চান, তা হলে পোষ্ট টি আপনার জন্য।
- বোরহান উদদীন
- ▓▓▒▒░░░
IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ১ ডজন বই + একটা ফ্রি!!!!
░░░▒▒▓▓ - রাফি মাহমুদ
- জুমলা টিউটোরিয়াল: সম্পূর্ণ - গৌতম রায়
- হিটলারের নাৎসী জার্মানী , দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ , এবং হলকাস্ট(HOLOCAUST) - মানব সন্তান
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি’ ২০১১ ও ফতোয়া প্রসঙ্গে দুটি কথা (১) - নাজনীন১
- পারমানবিক বিদ্যুৎ শক্তি নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর - নুভান
- ১৯৭১ নিয়ে তৈরী হওয়া ৮৩টি ডকুমেন্টারীর সমন্বয়ে একটা পোষ্ট - নষ্ট কবি
- যেসব ছবি হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল - অপরিচিত_আবির
- একটি অসাধারণ মুভির সাদামাটা রিভি্উ - ফেলুডার চারমিনার
- জাপানে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ - কারণ অণুসন্ধান ও কিছু তথ্য - ~স্বপ্নজয়~
- সরাসরি বিশ্বকাপ ক্রিকেট দেখতে পাবেন যে সব সাইটে- - রাকিবুল আলম
- আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ওপেনিং সেরেমনি ঝলক এবং ডাউনলোড - শারিফ শাব্বির
- বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১ সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান - ইদিপাস
-
আবার জেনুইন Windows 7 পাইরেটেড বইল্লা এই খানে কিছু নাই।
- এম. এ. খসরু নোমান
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি বিষয়ক পোস্টগুলোর সংকলন - টি. জাহান চৌধুরী
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- এযাবৎ কালের সকল ব্লগারের লিষ্ট :: ১০০০% গ্যারান্টি , সবাই আছেন --নিয়মিত আপডেট করার খায়েস আছে - কুঁড়ের বাদশা
- গৃহযুদ্ধ, স্নায়ুযুদ্ধ ও জাতিগত সংঘাত নিয়ে ২০টি ভালো ছবি (ডাউনলোড লিংকসহ) - ফিউশন ফাইভ
- ডাউনলোড করুন উবুন্টুর লাস্ট ভার্সন ১০.০৪ এর ম্যানুয়াল। - নির্জন রহমান
- দ্বিতীয় বিপ্লব বা বাকশাল : শুনুন বঙ্গবন্ধূর মুখেই - অমি রহমান পিয়াল
- অনার-কিলিং এর অন্ধকার জগৎ - নগর সংগীত
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- পথে পথে মুক্তিযুদ্ধের টুকরো স্মৃতি চিহ্ন (ছবি ব্লগ) - ঝড়ো হাওয়া
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, আমাদের গলাবাজি, আমাদের দায়িত্ববোধ - শওকত হোসেন মাসুম
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (১) - পি মুন্সী
- পারমানবিক অস্ত্র কিভাবে কাজ করে? - ১ - নুভান
- বাংলা বানানের প্রায়োগিক কিছু ভুল: প্রয়োজন সাধারণ সতর্কতা - আলাউল হোসেন
- বাংলা শব্দ প্রয়োগের কিছু সাধারণ ভুল - তানভীর চৌধুরী পিয়েল
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
১৯৭২ সালের ৮ই জুন। ভিয়েতনাম যুদ্ধে নাপাম বোমার আগুনে জ্বলছে Trang Bang গ্রাম। আগুনে দগ্ধ নয় বছরের নগ্ন বালিকা Kim Phúc (ফুক) ও আতঙ্কিত কিছু শিশু জীবন বাঁচাতে দৌড়ছে। উল্লিখিত ছবিটি তুলেছিলেন Associate Press-এর ফটোগ্রাফার Nick Ut। তিনি এই ছবিটির জন্য পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছিলেন। নাপামের আগুনে দগ্ধ ও আতঙ্কগ্রস্থ কিম ফুকের নগ্ন ছবিটি ভিয়েতনাম যুদ্ধ তথা ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে তুলতে আগুনে ঘৃতাহুতির মত কাজ করেছিল।
__________________________________________
ভিয়েতনাম যুদ্ধ (১৯৫৯-৭৫): ভিয়েতনাম চীন ও জাপানের পর ফ্রান্সের অধীনে ছিল। ১৯৫৪ সালে জেনেভা চুক্তির আওতায় কমিউনিস্ট ও জাতীয়তাবাদীদের দাবীর মুখে সাময়িকভাবে ভিয়েতনামকে উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনামে বিভক্ত করা হয়। ১৯৫৭ সালে উত্তর ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট গেরিলারা National Liberation Font for South Vietnam-র (ভিয়েতকং) অধীনে সংগঠিত হয়ে দক্ষিণ ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। যুক্তরাষ্ট্র কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। কমিউনিস্ট উত্তর ভিয়েতনামকে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছিল চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। ১৯৬৮ সালে নিক্সন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের নৃশংসতা বেড়ে যায়। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, যুদ্ধবিরোধী মার্কিন জনমত, মাই লাই হত্যাকান্ডের নৃশংসতা, বিশ্বব্যাপী মার্কিন বিরোধী বিক্ষোভ-নিন্দা ইত্যাদি কারণে আমেরিকানদের আর যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। ১৯৭৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ যুদ্ধে চরম মূল্য দিয়ে পর্যুদস্ত হয়ে দেশে ফিরে যায় এবং পরে দক্ষিণ ভিয়েতনামী সৈন্যরা উত্তর ভিয়েতনামের কাছে বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করে। ১৯৭৬ সালে কমিউনিস্ট সরকার উভয় ভিয়েতনামকে একত্রিত করে। যুদ্ধে আমেরিকার নিহতের সংখ্যা ৫৮,০০০ ও আহতের সংখ্যা ৩,০৪,০০০। উত্তর ভিয়েতনামের নিহতের সংখ্যা প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ।
__________________________________________
ট্রাং বাং সায়গনের চল্লিশ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত একটি গ্রাম। ভিয়েতনামের দুটি গুরুত্বপূর্ণ শহর সায়গন ও নমপেনের সংযোগকারী একমাত্র সড়ক "রুট ওয়ান" গেছে এই গ্রামের মধ্য দিয়ে। উত্তর ভিয়েতনামী সৈন্য ও কম্যুনিস্ট গেরিলারা গ্রামটি দখল করে সড়কটি বন্ধ করে দেয়। দঃ ভিয়েতনামী সৈন্যরা সড়কটি মুক্ত করতে ট্রাং বাং গ্রামের আশেপাশে অবস্থান নিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। কয়েকদিন ধরে মাঝেমধ্যে দুই একটা গুলির শব্দ শোনা গেলেও যুদ্ধের তেমন একটা আলামত দেখা গেল না। যুদ্ধের খবর পেয়ে সেখানে জড়ো হয়েছিল নিক ওটসহ দেশবিদেশের কিছু সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফার। গ্রামটির অনেক লোক ইতিমধ্যে অন্যত্র চলে গেলেও কিছু লোক রয়ে গেল। তাদের ধারণা এখানে যুদ্ধ হবে না। কারণ কমুনিস্ট গেরিলারা গ্রামটি ছেড়ে চলে গেছে। দুপুরের দিকে দঃ ভিয়েতনামী সৈন্যদের কমান্ডার অতিরিক্ত সাহায্যের জন্য Bien Hoa Airforce Base-এ বার্তা পাঠালেন। সাংবাদিকেরা নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নিয়ে গ্রামটির দিকে নজর রাখলেন। যে কোন মুহুর্তে গেরিলারা পাল্টা আক্রমণ করতে পারে। দঃ ভিয়েতনামী সৈন্যরা গ্রামটির দিকে কয়েকটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করল। সেগুলো বিষ্ফোরিত হয়ে বাতাসে হলুদ বর্ণের ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ল। গ্রেনেডের শব্দ শোনে ভাইবোনসহ কিম ফুক ও তার কাজিনরা গ্রামের একমাত্র প্যাগোডাতে আশ্রয় নিল। কয়েক মিনিট পর দু'টি এয়ারক্রাফট উড়ে এসে প্যাগোডার পাশে বোমা ফেলল। এরপরও কোন গেরিলাকে পাল্টা আক্রমণ করতে বা পালিয়ে যেতে দেখা গেল না। এয়ারক্রাপ্টগুলো আরেকটা চক্কর মেরে এসে একই জায়গায় আবারো বোমা ফেলল। তবে এবারের বোমাগুলো দেখতে বড় বড় ড্রামের মত। এগুলো ছিল নাপাম বোমা। চোখের পলকে পুরো গ্রামটি একটি অগ্নিকুন্ডে পরিণত হল। কিম ফুকের শরীরে আগুন ধরে গেলে সে জামাকাপড় টেনে ফেলে দিল। নাপামের আগুনে তখন তার শরীর ঝলসে গেছে। যন্ত্রনায় চিৎকার করে সে ও অন্যান্য সবাই রাস্তার দিকে দৌঁড়তে লাগল। দঃ ভিয়েতনামী সৈন্য ও সাংবাদিকেরা হতভম্ব হয়ে দেখতে লাগলেন, জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ড থেকে দগ্ধ-অর্ধদগ্ধ মানুষের গগনবিদারী চিৎকার, দিগ্বিদিক ছুটাছুটি এবং জীবন বাঁচানোর শেষ প্রচেষ্টার বীভৎস দৃশ্য! বিশ্ব কাঁপানো ছবিটি ছিল নিক ওটের তোলা এইসব বিভৎস দৃশ্যেরই একটি। ওট যখন কিম ফুককে সাহায্য করতে এগিয়ে গেলেন তখন সে যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে আর চিৎকার করছে "Nong qua, Nong qua" (খুব গরম, খুব গরম)। সেই মুহুর্তে সাংবাদিকরা তাঁদের কাছে পান করার যে পানিটুকু ছিল তা ফুকের শরীরে ঢেলে দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার ছিল না।
___________________________________________
নাপাম বোমা: কৃষি কাজে আগাছা নির্মূলের জন্য পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে যে নাপামের উদ্ভব হয়েছিল তা ক্রমে শক্তিশালী হয়ে যুদ্ধের মারণাস্ত্রের রূপ ধারণ করল। Crude oil থেকে naphthenic acid এবং coconut oil থেকে নেয়া palmitic acid এলুমিনিয়াম সোপের সাথে মিশিয়ে বেসিক নাপামের সৃষ্টি। একে আরো শক্তিশালী ও কার্যকর করার জন্য যোগ করা হল গ্যাসোলিন ও জেট ফুয়েল। একটি শক্তিশালী নাপামের আগুনের তাপ ২৫০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে। ভিয়েতনাম যুদ্ধে ব্যবহৃত Napam-B তে দেয়া হয়েছিল ম্যাগনেসিয়াম ও হোয়াইট ফসফরাস। নাপামের আগুন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে নীরব ঘাতক গ্যাস কার্বন মনোক্সাইড (CO) সৃষ্টি করে। আগুন থেকে বাঁচতে কেউ মাটির নিচে গর্তে বা সুরঙ্গে আশ্রয় নিয়েও রক্ষা পায় না, সেখানে শ্বাসরোধ করে এই কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস।
__________________________________________

ট্রাং বাং গ্রাম থেকে হাসপাতাল প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। ফটোগ্রাফার ওট আর দেরী না করে ফুক ও গুরুতর আহত অন্য দু'জনকে নিজের গাড়িতে নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওয়ানা দিলেন। ব্যাথা ও যন্ত্রণায় চিৎকার করতে করতে ফুক গাড়িতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলল। ওট হাসপাতালে এসে দেখলেন, সেখানে এক নারকীয় অবস্থা। ফ্লোরে, বারান্দায় যুদ্ধাহত মানুষের আর্তনাদ আর ছটফটানি। এতলোকের চিকিৎসার স্থান, লোকবল, ঔষধপত্র কিছুই নাই। ডাক্তার-নার্সরা যেসব আহতদের বাঁচানো সম্ভব শুধু তাদের জরুরী চিকিৎসা করছেন। সুতরাং তাঁরা মৃত্যুপথযাত্রী ফুকের Hopeless case নিয়ে সময় নষ্ট করতে চাইলেন না। ওট ডাক্তারদেরকে বিনীত অনুরোধ করে বললেন, আমি ফুকের দুরাবস্থার ছবি পত্রিকায় পাঠাবো, অনেক লোক তার ঘটনা পড়বে। আমি তাদেরকে ফুকের চিকিৎসার সুসংবাদটুকুও দিতে চায়। অনেক অনুরোধ ও পীড়াপীড়ির পর ডাক্তাররা রাজী হয়ে ফুককে অপারেশন রুমে নিয়ে গেলেন। ওট পত্রিকায় রিপোর্ট করতে সায়গনের দিকে চলে গেলেন। ওটের পাঠানো ছবিগুলো থেকে কিম ফুকের নগ্ন ছবিটি পত্রিকায় প্রকাশ হল। মাই লাই হত্যাকান্ডের বর্বরতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সারা বিশ্বে নিন্দা-প্রতিবাদের যে ঝড় উঠেছিল তা না থামতেই দগ্ধ কিম ফুকের নগ্ন ছবিটি মার্কিন প্রশাসনকে বেকায়দায় ফেলে দিল এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের সমাপ্তিকে আরো ত্বরান্বিত করল।
___________________________________________
মাই লাই হত্যাকান্ড (My Lai Massacre) ভিয়েতনাম যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মার্কিন সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত সবচেয়ে কুখ্যাত গণহত্যা। ১৯৬৮ সালের ১৬ই মার্চ দক্ষিণ ভিয়েতনামের মাই লাই গ্রামে লেপটেন্যান্ট উইলিয়াম কেলি-র (Lt. William Calley) নির্দেশে এটি পরিচালিত হয়। অনুমান করা হয় প্রায় সাড়ে চার শো থেকে পাঁচ শো লোক এতে নিহত হয়। নিহতদের সবাই ছিলেন নিরস্ত্র ও নিরপরাধ গ্রামবাসী এবং তাদের অধিকাংশই ছিলেন নারী ও শিশু। এদের শরীরে ছিল পাশবিক অত্যাচার ও নিপীড়নের চিহ্ন। যুদ্ধোন্মাদ নরপিশাচ মার্কিন সৈনিকেরা হত্যার আগে গণধর্ষণ করেছিল নারীদের, গুলি করার আগে শিশুদের নিয়ে তামাশা করেছিল বিড়াল-ইঁদুর খেলার মত, যেসব গ্রামবাসী হাত জোড় করে অবনত মস্তকে প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন তাদেরকে হত্যা করেছিল রাইফেলের বাট দিয়ে পিটিয়ে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে। শুধু মানুষ নয়, নড়াচড়ার শব্দ শোনে এই কাপুরুষরা গুলি করেছিল আশেপাশের জীবজন্তু এমনকি গাছের পাতা পর্যন্ত।
বিস্তারিত : উইকিপিডিয়া : মাই লাই
___________________________________________
কিম ফুককে হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল ১৪ মাস আর অপারেশন হয়েছিল ১৭টি। তার চিকিৎসায় নিক ওট এবং পরবর্তীতে আরো অনেকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছিলেন। হাসপাতালে দীর্ঘদিন ডাক্তার-নার্সের সান্নিধ্যে থেকে ফুক স্বপ্ন দেখত বড় হলে সেও একজন ডাক্তার বা নার্স হবে। অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হল।

যুদ্ধ থেমে গেছে, জীবনতো থেমে থাকে না। ফুকের মা-বাবার চাষাবাদের কিছু জমি ও রাস্তার পাশে একটি চায়ের দোকান ছাড়া আর কিছু ছিল না। যুদ্ধবিদ্ধস্থ পোড়াবাড়িতে ফিরে এল ফুকের পরিবারের সবাই। শূন্য থেকে শুরু হল বেঁচে থাকার সংগ্রাম। হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে মা-বাবা ও ভাইবোনদের সাথে সে সংগ্রামে যোগ দিল রুগ্ন-দুর্বল দেহের ফুক। যুদ্ধের পর ফটোগ্রাফার উটও আমেরিকায় চলে গেলেন। যুদ্ধ, খরা, মহামারী, বন্যা, সাইক্লোন ইত্যাদির মর্মান্তিক শিকার হয়ে কিম ফুকের মত অনেকেই সংবাদ শিরোনাম হয়। মানুষের মুখে মুখে কিছুদিন আলোচিত হয় এদের নাম। অনেকেই এদের জন্য সাময়িক সহানুভূতি ও সমবেদনা প্রকাশ করে। তারপর কালের স্রোতে, সময়ের ব্যবধানে এরা আবার হারিয়ে যায় স্মৃতির অতলে, লোকচক্ষুর অন্তরালে। ফুকের বেলায়ও তাই ঘটল। উল্লিখিত ঘটনার পর দশটি বছর কেটে গেল। বিশ্ববাসী দূরে থাক এমনকি ভিয়েতনামবাসীও জানত না বা জানতে চাই নি দুনিয়া কাঁপানো ছবিটির সেই হতভাগা মেয়েটি কোথায় আছে, কেমন আছে।
১৯৮২ সাল। ভিয়েতনামের কম্যুনিস্ট সরকারের সাথে পশ্চিমা বিশ্বের সম্পর্ক তখন ভালো ছিল না। একজন জার্মান সাংবাদিক কোন এক ফটো প্রদর্শনীতে ফুকের সেই ছবিটি দেখে একটি ডকুমেন্টারি করার উদ্দেশ্যে ভিয়েতনাম এসে ফুককে খুঁজতে লাগলেন। এক বছর পর তাকে খুঁজে পেলেন হো চি মিন সিটির (সায়গন) নার্সিং কলেজের ক্যাম্পাসে। তার ছবি ও সাক্ষাৎকার নিলেন। ব্যাপারটি ভিয়েতনাম সরকার ভালো চোখে দেখল না। ফুকের সাথে পশ্চিমা মিডিয়ার যোগাযোগ বন্ধ করার জন্য গোয়েন্দা নিযুক্ত করা হল। সেইসাথে মার্কিন বিরোধী প্রোপাগান্ডা হিসেবে সরকারী মিডিয়াতে কিম ফুকের পুরানো ছবি ও কাহিনী প্রকাশ করা হল। ফুক আবার সংবাদ শিরোনাম হল বিশেষ করে ভিয়েতনামে। ফুককে নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়ার ডকুমেন্টারীর প্রচেষ্টা ও কম্যুনিস্ট সরকারের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠল। ১৯৮৬ সালে ফুক ভিয়েতনাম সরকারের বিভিন্ন শর্ত মেনে ফার্মাসিস্টে উচ্চ শিক্ষার্থে কিউবা যাওয়ার অনুমতি পেল। যুদ্ধের ১৪ বছর পর লস এঞ্জেলস টাইম ম্যাগাজিনে কিম ফুকের কিউবা আগমনের খবর পেয়ে নিক ওট তাঁকে দেখতে কিউবা গেলেন।
১৯৮৯ সালে "American Peace" নামে একটি সংগঠন যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণ জানালে ভিয়েতনাম ও কিউবা সরকারের আপত্তির কারণে ফুক সেখানে যেতে পারেননি। ১৯৯২ সালে কিউবায় অধ্যায়নকালে কিম ফুক Bui Huy Toan নামে আরেক ভিয়েতনামী ছাত্রকে বিয়ে করে বন্ধুবান্ধবের উপহারের টাকায় হানিমুন করতে মস্কো সফর করেন। আগুনের স্মৃতিকে ভুলে স্বাধীন ও নিরাপদ জীবনের জন্য মস্কো থেকে ফেরার পথে ফুয়েল ট্রানজিটের প্রাক্কালে তাঁরা কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। ফুক আবারও সংবাদ শিরোনাম হলেন, এবার কানাডায়। প্রাণে বেঁচে গেলেও আগুনের স্মৃতি আজও তাঁকে তাড়া করে ফিরে। ১৯৭২ সালের ৮ই জুন আগুন থেকে বাঁচতে ফুক যে দৌড় শুরু করেছিলেন তা আজও থামে নি। ফুকের পুরো নাম Phan Thị Kim Phúc যার অর্থ "Golden happiness"। সেই "স্বর্নালী সুখের" আশায় কিম ফুক সব বাঁধা-বিপত্তি পেরিয়ে এগিয়ে চাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখলেন। ব্যক্তিস্বাধীনতা ও জীবনের নিরাপত্তার জন্য ফুকের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে কানাডা সরকার তাঁদেরকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দিলেন।
১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের Vietnam Veternas Memorial Fund ফুককে আমন্ত্রণ জানালেন। কিম ফুক আবার সংবাদ শিরোনাম হলেন, এবার যুক্তরাষ্ট্রে। ফুক ওয়াশিংটনের ভিয়েতনাম মেমোরিয়াল হলে ভিয়েতনাম যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কয়েকশত সৈনিকের সভায় যুদ্ধের অভিশাপ নিয়ে বক্তৃতা দিলেন। সবাইকে শুনালেন বিশ্ব কাপাঁনো ছবিটির যুদ্ধাহত নগ্ন সেই বালিকার জীবন সংগ্রামের কাহিনী, আর দেখালেন ২৪ বছর আগে তাদের নিক্ষিপ্ত বোমার আগুনে ঝলসে যাওয়া সেই দগদগে ক্ষত।

এই সভায় কিম ফুকের নামে একটি ফাউন্ডেশন গঠন হল যার উদ্দেশ্য - যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ শিশুদের সাহায্য করা। কিমকে যখন প্রশ্ন করা হয়েছিল, "আপনার নয় বছর বয়সের নগ্ন ছবিটি দেখে আপনি কি বিব্রত হন?" উত্তরে তিনি বলেছিলেন, "মোটেই না, বিশ্ববাসীকে দেখতে দাও, যুদ্ধের নৃশংসতা কত ভয়াবহ হতে পারে।"

কিম ফুক স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে কানাডায় বসবাস করেন। বর্তমানে তিনি Canadian Comission for UNESCO-র সদস্য
১৯৭২ সালে পাইলটদের যে টিমটি ফুকের গ্রামে বোমা ফেলেছিল পরবর্তীতে তাদেরই একজন অনুতপ্ত হয়ে ফুকের কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিলেন। যাদের বোমার আগুনে ফুকের ভাইসহ অনেকের মৃত্যু হয়েছিল, পঙ্গু হয়েছিল অনেকে এবং অনেক নিরপরাধ মানুষের জীবনে নেমে এসেছিল দুর্ভোগ, তাদেরই এক পাইলটকে অপ্রত্যাশিতভাবে খুব কাছে পেয়ে নির্বাক হয়ে গেলেন তিনি। পাইলটটিকে দেখতে লাগলেন, একজন মানুষ কিভাবে এত নির্মম হতে পারে! পাইলটটি তার অনিচ্ছাকৃত কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে যা বললেন তার ভাবার্থ কবির ভাষায়,
"যুদ্ধ মানেই শত্রু শত্রু খেলা,
যুদ্ধ মানেই আমার প্রতি তোমার অবহেলা।"
সেই ভয়াল আগুনের স্মৃতিচারণ করে কিম ফুক অনেকক্ষণ কাঁদলেন আর পাইলটটিকে বললেন, 'ইতিহাস তো আর আমরা পরিবর্তন করতে পারি না।' তারপর তিনি অশ্রুর ধারায় ও হৃদয়ের মমতায় মানবতার দৃষ্টান্ত রেখে পাইলটটিকে ক্ষমা করে দিলেন। কিম ফুকের এই ক্ষমা ও ভালোবাসার উষ্ণতার কাছে ম্লান হয়ে গেল নাপামের ভয়ঙ্কর উত্তাপ।
যুদ্ধ, ধর্ম, রাজনীতি ও প্রতিশোধের নামে নিরপরাধ মানুষ হত্যা এখনও চলছে। যার খুব সামান্যই ছবি হয়ে মিডিয়াতে আসে। যুদ্ধের প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের আগুন থেকে রক্ষা পাচ্ছে না শিশুরাও। আজকের বিশ্ববিবেক জাতি, ধর্ম, বর্ণ, দল ইত্যাদি ইস্যুতে বহুধা বিভক্ত। মানুষ এখন সমষ্টিগত প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের শিকার নিরপরাধ ও অসহায় মানুষের আর্তনাদে সাড়া দেয় না, যদি সে ভিন্ন জাতি/ধর্ম/মতের লোক হয়। মনুষ্যত্বের অবক্ষয় ও মানব সভ্যতার কলঙ্ক নিরপরাধ মানুষ হত্যার এই বিভৎস চিত্রের পুনরাবৃত্তি বন্ধের জন্য প্রয়োজন ব্যক্তি, লিঙ্গ, গোষ্টী, সম্প্রদায়, ধর্ম, বর্ণ, জাতি, রাজনীতি ও দলীয় সংকীর্ণতার উপরে উঠে "মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা"।
-----------------------------------------------------------------------
ছবি ও তথ্যসূত্র:
The Survivor by Horst Faas and Marianne Fulton,
http://www.kimfoundation.com
Wikipedia
দেশ-বিদেশের পত্রপত্রিকা
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কিম ফুক, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, নাপাম ;
প্রকাশ করা হয়েছে: সত্যি ঘটনা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
খুবই ভাল সংগ্রহ, তার জন্যে ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
লেখক বলেছেন: মন্তব্য নিষ্প্রোয়োজন!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ+
শয়তান বলেছেন:
কিমের সাথে একমতঃ বিশ্ববাসীকে দেখতে দাও, যুদ্ধের নৃশংসতা কত ভয়াবহ হতে পারে।
লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সুবিদ্ বলেছেন:
অসাধারণভাবে ফুটিয়েছেন পুরো ব্যাপারটা......ছবিটিই শুধু আগে দেখেছি.....আপনার সূত্রে এর গভীরেও যাওয়া হলো......ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার লেখনী! মর্মান্তিক ঘটনার প্রামাণ্য দলিল। বিবেক ও মানবতা জাগানিয়া পোস্ট। যুদ্ধের করুণ পরিণতি মানবতার জন্য হুমকিস্বরূপ- অপরাধের সাথে জড়িতরা নিজেদের ভুল বুঝলেও সংশোধনের কোন পথ খোলা থাকেনা, যা ক্ষতি তাতো হয়েই যায়। সেই ক্ষতিকে পূরণ করবে কোন ঐশ্বরিক শক্তি?ধন্যবাদ একটা চমৎকার পোস্ট ব্লগে উপহার দেবার জন্য।
লেখক বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।
ম্যাক্স পেইন বলেছেন:
চমৎকার অসাধারণ!!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বাঁশির সুর বলেছেন:
সত্যিই মর্মান্তিক!!!!!!! সোজা প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
চমৎকার। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
সাগর ঢাকা বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ..... অনেক ব্লগ এর মধ্যে কিছু , কিছু লেখা ভাবায়, থমকে দেয় ....ভালো থাকবেন ...আশা করি আরো লেখা পাবো .
লেখক বলেছেন: আপনার অনুভূতি জেনে ভালো লাগলো । শুভেচ্ছা নেবেন।
অদ্রোহ বলেছেন:
+++.
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ+++
মনসুর রহমান বলেছেন:
ধন্যবাদ। ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।
রেজোওয়ানা বলেছেন:
নির্যাতিত শিশু দেখলে চোখে পানি চলে আসে, মনে হয় আমার সন্তানেরও তো এমন হতে পারে!!++++
লেখক বলেছেন: নির্যাতিত কোন শিশু দেখলে আমাদের সবার আপনার মতই অনুভূতি হওয়া উচিত। ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ছবিটির আবেদন মানুষের মনকে উদার ও মহৎ করুক - কামনা করি। ধন্যবাদ আপনাকে।
রাজর্ষী বলেছেন:
ধন্যবাদ। আমেরিকানরা হিরোশিমা নাগাসাকি সহ অনেক বর্বরতার জন্য দায়ী।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। যুদ্দবাজদের প্রতি ঘৃণা ও নিরপরাধ ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি প্রসারিত হউক সাহায্যের হাত।
কুতুব্ বলেছেন:
অসাধারন লেখা। ফেসবুকে শেয়ার করলাম অন্যদের সাথে.......
লেখক বলেছেন: শেয়ার করার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
জয় সরকার বলেছেন:
প্রিয় পোস্ট...............অসাধারন তথ্যসমৃদ্ধ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
পোস্টটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ..
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ইতিহাসের শিক্ষা কেউতো গ্রহণ করে না।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
এন্তার এত্তেলা বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন...যুদ্ধের ভয়াবহতা... মৃত্যু... হাহাকার...
ভাবতেই খারাপ লাগে... মানুষ কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে...
লেখক বলেছেন: সেই নিষ্ঠুরতার শিকার হয় নিরপরাধ শিশুরাও
ধন্যবাদ।
ভালো লাগলো।খুব গুছানো একটি লেখা।
লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
ভালো লিখেছো, জোবাইর।ভিয়েতনাম নিয়ে অনেক কিছুই লেখার পরিকল্পনা আছে কিন্তু কিছুই লেখা হচ্ছেনা।
প্রসুন/ তারেক -এর লেখা আগেই পড়েছি;আজকে তোমার ব্লগ প্রথম দেখলাম।হয়তোবা আগেই দেখেছি কিন্তু ঐভাবে লক্ষ্য করা হয়নি।
এনিওয়ে, কিপ ইট আপ।
লেখক বলেছেন: উৎসাহিত মন্তব্যের জন্য সহস্র ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: লজ্জা পেলাম! অসীম জ্ঞান ভান্ডারের কিছুই জানি না, নিজের সামান্য জানাটুকু সবার সাথে শেয়ার করার চেষ্টা মাত্র। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।
ভুডুল বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ+
সৌরদীপ্ত বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ++++++
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ+++++++
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতার কিছু নেই। আপনাদের ভালো লাগার সুন্দর মন্তব্যগুলো সময় ও শ্রম দিয়ে লেখার প্রেরণা দেয়। শুভেচ্ছা রইল।
তািরকএকিবিড বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। সংগ্রহে রাখার মত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
টনি বলেছেন:
শোকেসড
লেখক বলেছেন: Thanks
নীল ভোমরা বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো!..... প্লাস!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ফুরােমান বলেছেন:
ধন্যবাদ, আপনার এই পোস্টটির জন্য। অধিক পাঠে নিশ্চিৎ করতে আপনার পোস্টটি লিংক দিয়ে আবার প্রকাশ করলাম।
লেখক বলেছেন: আপনার আন্তরিক উদ্যোগের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আবু সালেহ বলেছেন:
আপনার এই পোস্ট আমি প্রিয়তে নিয়ে নিলাম...কিন্তু প্রশ্ন এখন ....সেই আমেরিকাই আবার তালেবান বা জঙ্গী নাম করে আফগানিস্তান এবং ইরাকে হামলা চালিয়েছে...তবে এবার হাতে ছিলো মিডিয়া...তাই এধরনের তেমন কোন কিছুই প্রকাশ হয়নি...তথাপিও যা হয়েছে....সেটা হয়তো মানুষের মনে দাগ কাটতে পারেনি....
তারপরেও কেন এই বুশ বাহিনি অন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উপর একপেশী যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়...
আগের মন্তব্য মুছে দিন..
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে আমিও একমত। সামান্য হলেও যেসব ছবি এসেছে তা মানুষের মনে দাগ কাটতে না পারার প্রধান কারণ পোস্টের শেষে আমি উল্লেখ করেছি - জাতি, ধর্ম ও দলীয় সংকীর্ণতা। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভাবের অভাব বলেছেন:
হায়নারা হায়নায় থাকলো। বিভৎস!!!!!!! শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাই এবং সোজা প্রিয়তে।+++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা।
লাল দরজা বলেছেন:
Thanks.
লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম।
আনমনে বলেছেন:
পোষ্টটির জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।+++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও আন্তরিক শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: কিম ফুকের ঘটনার সাথে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত তথ্য দিয়েছিলাম যে কারণে আপনার মন্তব্যে তা সার্থক হল জেনে খুশী হলাম। ধন্যবাদ আপনাকেও।
মনির হাসান বলেছেন:
অনেক দিন পর সেইরকম একটা তথ্য সমৃদ্ধ ... ভয়ংকর ভালো একটি পোস্ট পড়লাম ।লেখক জোবাইর'কে অসংখ্য স্যালুট ...
- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
বিনয়ী মূর্খ অহংকারী বিদ্বান অপেক্ষা মহত্তর ... জটিল ! !
মনির হাসান বলেছেন:
বলতে ভুলে গিয়েছিলাম ... কিম আর নিক'কে হাজার হাজার স্যালুট ...
লেখক বলেছেন: ডাবল কমেন্টের জন্য আপনাকেও ডাবল স্যালুট।
ওসমানজি২ বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ একটি গোছালো লেখার জন্যে। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। প্রিয়তে রাখলাম। ++++
লেখক বলেছেন: আপনাদের ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত হলাম। ধন্যবাদ আপনাকেও।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
প্রিয়তে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাগ ইমন বলেছেন:
আমেরিকা সব খানে আগে যুদ্ধ লাগায় , তারপর শান্তি প্রতিষ্ঠা করে , আগে অপরাধ করে তারপর ঘটা করে ক্ষমা চায় । আমরা ছাগলরা পাতা খেয়ে নাচি ।
লেখাটার জন্য ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: খুবই সুন্দর মন্তব্য, আপনার সাথে একমত। শুভেচ্ছা নেবেন।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
অসাধারণ একটা লেখা, অসংখ্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধৈর্য নিয়ে পড়ার জন্য পাঠককেও ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট।+++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ++++++++++++++
লিপিকার বলেছেন:
অসাধারণ এবং চমৎকার পোস্ট........প্রিয়তে।কিম ফুকের সেই বিখ্যাত ছবি আগে দেখেছিলাম। আজকে বিস্তারিত জানলাম। সে এখন ভালো আছে জেনে খুব ভালো লাগছে। তথ্যগুলো জানানোর জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার অনুভূতি খুবই ভালো লাগল। কিম ফুকের জীবনে "স্বর্নালী সুখ" কামনা করছি। আপনিও ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।
মুভি পাগল বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
এক টা কেমন যেন প্রতিযোগিতে চলে খারাপ হবার । দিন কে দিন বর্বর হচ্ছি। একের পর এক মারণাস্ত্র আবিষ্কার করে চলেছি লেখক বলেছেন: সহমত, ধন্যবাদ।
নির্বাসন বলেছেন:
বাংলাদেশের সাথে প্রায় এক ই সময়ে স্বাধীন হওয়া ভিয়েতনাম আজ কোথায় আর আমরা চরিত্র দোষে এখন ও মাথা খুটে মরছি...ভিয়েতনামীদের কাছে অনেক শেখার আছে আমাদের...
লেখক বলেছেন: সুন্দর ও সঠিক মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
অসমাপ্ত কবিতা বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো আপনার লেখাটি পড়ে। +
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
.....and we call ourselves 'humans'! ওহ্! মানবতা!
তুমি কি
নাপামের আগুনে
দগ্ধ
আর আতঙ্কগ্রস্থ
কিম ফুকের এক
নগ্ন ছবি?
লেখক বলেছেন: আজকের মানবতাকে আপনার কাব্যিক প্রশ্ন - অসাধাবণ ও চমৎকার। সুন্দর মন্তব্যের জন্য সহস্র ধন্যবাদ।
নির্ঝরিনী বলেছেন:
ইস!! যুদ্ধের কি ভয়াবহতা...ভিয়েতনামের যুদ্ধের অল্প কিছু জানা ছিলো...
খুব চমৎকার লিখেছেন...অনেক বিস্তারিত জানা হলো...
প্রিয় পোস্টে রাখলাম..
লেখক বলেছেন: আপনার আবেগময় মন্তব্যের জন্য সহস্র ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
প্লাস সহকারে সোজা প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ+++
++++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তারপরেও কিছু মানুষ এধরনের নিষ্ঠুর খেলা খেলে। ধন্যবাদ আপনাকে।
সৌরভ১৩ বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম ... ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেছেন:
আপনাকে লাল সালাম, বস।
লেখক বলেছেন: পড়া ও মন্তব্যের জন্য আপনাকেও লাল সালাম।
মাছুম পলাশ বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম। আম্রিকা তারাই আবার শান্তির জন্য বড় বড় বুলি আওরায়। বাইরাইয়া ........................ ফেলান দরকার।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন, সহমত। ধন্যবাদ।
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন:
অসাধারণ...... ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
নষ্ট কবি বলেছেন:
ভালো
ঘু্ড্ডি বলেছেন:
হৃদয় ছোয়া একটা পোস্ট।ধন্যবাদ। +
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
দুরন্ত মানুষ বলেছেন:
ভাল লাগল।
আজাদ আল্-আমীন বলেছেন:
নৃশংসতা কাকে বলে; মার্কিনীরা তা তাই দেখালো ।
একলোটন বলেছেন:
সবার জানা উচিৎ। পড়ার জন্য নিলাম।
মোস্তাফিজুর বলেছেন:
Thanks For Your Blog.
লেখক বলেছেন: + এর সেন্চুরী করার জন্য আপনাকে অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: নিক উতকে আমার শুভেচ্ছা দেবেন। ধন্যবাদ।
নবজাগরণ বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++চমৎকার একটা পোষ্টের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। ভালো থাকুন।
রুমানবিডি বলেছেন:
comment by: শয়তান বলেছেন: কিমের সাথে একমতঃ বিশ্ববাসীকে দেখতে দাও, যুদ্ধের নৃশংসতা কত ভয়াবহ হতে পারে।
লেখক বলেছেন: ইতিহাসের শিক্ষা কেউতো গ্রহণ করে না। আজকাল যুদ্ধের নৃশংসতা অনেক মানুষের হৃদয়ে কোন প্রতিক্রিয়া করে না! মানুষ খুবই স্বার্থপর, আত্মকেন্দ্রিক এবং নির্মম হয়ে যাচ্ছে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সর্বদাবেলায়েত বলেছেন:
ব্যাপক পোস্ট। এত চমৎকার পোস্ট এতদিন চোখে পড়েনি কেন জানি না। লেখককে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বিলম্বে হলেও পোস্টটি পড়ে অনুভুতি প্রকাশের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, সময় ভালো কাটুক আপনার।
লেখক বলেছেন: চমৎকার উপহার! আবেগে আপ্লুত হয়ে গেলাম। আপনার মত ভালো ছেলে ব্লগে আর একটাও নেই। ধন্যবাদ আপনাকেও। যেখানেই থাকুন - ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
শতকত বলেছেন:
মন খারাপ করে দেয়া পোস্ট।। ধন্যবাদ আপনাকে।যতই দিন যাচ্ছে আমরা সভ্য হবার বদলে অসভ্য হয়ে উঠছি। আমরা গুহা মানবদের অসভ্য বলে গালাগাল দেই। আসলে প্রকৃত অসভ্য তারা নয় আমরা নিজেরাই।
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
িকম্ভূত িকমাকার বলেছেন:
সভ্যতার নিষ্ঠুর ভব্যতায় আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্র। মানবিকতা কি জিনিষ, তা যেন কখনই মার্কিন সরকার বুঝে না
মাহফিজুর রহমান বলেছেন:
সত্যিই মর্মান্তিক.............
নকীবুল বারী বলেছেন:
মুগ্ধতা রেখে গেলাম
নগর-বাউল বলেছেন:
খুব ভাল লাগল। অসাধারণ পোষ্ট।
'লেনিন' বলেছেন:
অসাধারণ পোস্ট।
অপু২৮৩৮ বলেছেন:
অসাধারণ পোস্ট ।
মগা নাকি বলেছেন:
শালারা শেষের দিকে পিশাচ হয়ে গিয়েছিল অনেক কষ্ট দিয়েছিল, ইরাক আফগানিস্তান এ থেকেও বেশি।
কাকপাখি ২ বলেছেন:
আপনাকে অসংখ্য ধইন্যবাদ জনাব। মানুষের উপর অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে লিখতে থাকেন। আমরা আপনার পাশে থেকে সমর্থন দিয়ে যাব।
রকবাজ বলেছেন:
যুদ্ধকে না বলুন।
নাসের০১৯ বলেছেন:
মন খারাপ করে দেয়!
বাবুআনা বলেছেন:
না জানি আফগানস্থিন , ইরাক, চেচিনিয়া আর ফিলিস্থানে আর্ও কত ভয়াবহ নিষ্ঠুরতার শিকার হয় নিরপরাধ শিশুরা।
স্বাধীকার বলেছেন:
আমি একজন নতুন ব্লগার। এই পোস্টটির লিংকটি পেয়ে আমি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ থাকলাম এই লেখকের কাছে।
রাজু বলেছেন:
চমৎকার একটি লেখা
নিশাচর ভবঘুরে বলেছেন:
আমরা বহুবার আমাদের দৃষ্টি বিকিয়ে দিয়েছি,অন্ধত্বের কাছে।
আর কিছু বলতে চাইনা। মানবতা তার দৃষ্টি ফিরে পাক।
আেনায়ার এইচ ভূইয়া বলেছেন:
ছবিটা দেখে চোখের পানি রাখতে পারলাম। নিষ্ঠুরতার কাছে মানুষ কত অসহায়। সৃষ্টির পর থেকেই এই নিষ্ঠুরতা চলে আসছে। কোনটা বেশি কোনটা কম।
অপরাজিতার কথা বলেছেন:
অসাধারন একটি পোস্ট।আমার মত যারা ভিয়েত্নাম সম্বন্ধে অল্প জানতেন তাদের বিশেষ উপকার হল।ছবির সাথে ভি্যেতনাম যুদ্ধ সম্পর্কেও কিছু আলোকপাত করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।চোখে পানি চলে এসেছিল কিম ফুকের ছবি দেখে।তার শরীরের এই ঘা তাকে বয়ে বেড়াতে হবে আমৃত্যু !তাহলে সে কি করে ভুলবে যুদ্ধের স্মৃতি ?আর আমরাই কি পারব ভুলে যেতে?তারপরো কি আ্মেরিকা থেমে আছে?আমাদের দেশও তো হতে নিয়েছিল আরেক ভিয়েতনাম!আমেরিকার এই রক্ষকের ভূমিকায় হাত বাড়িয়ে দেয়াটা এখন ঘৃণা হয়।এখন সময় এসেছে এই হাত গুড়িয়ে দেয়ার।হিটলার কে যদি দমানো যায়,তাহলে সব দেশ মিলে এই দানবকে কি দমাতে পারে না?এটা কি কল্পনাতীত?...ধন্যবাদ আপনার পোস্টের জন্য।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

































