somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধাপরাধ ও ট্রাইব্যুনাল : ভূমিকা ও ইতিহাস

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
যুদ্ধাপরাধ ও ট্রাইব্যুনাল - ১ম পর্ব



"যুদ্ধ হলো মানবীয় সভ্যতার সঙ্কটের পরিণতি। ব্যক্তিগত বা শ্রেণীগত অহমীকার জাতীয় নামকরণ। মৃত্যু, হাহাকার, নৈরাশ্য। মূল্যবোধের পরিসমাপ্তি, সামাজিক স্তর বিন্যাসের ছন্দপতন। কোটি মানুষের ক্লেশের বিনিময়ে মুষ্টিমেয় লোকের পুজিঁর পাহাড় সৃষ্টি। নৈতিক চরিত্রের অধঃপতন, অসহায় নবজাতকের ক্রন্দনধ্বনি। পশুত্বের দাপটে অবলুপ্ত মনুষ্যত্ব। দিশেহারা মানবাত্মার গোঙানি।"
- আহমেদ নজীর (শেতাঙ্গিনীর দেশে)


যুদ্ধ-সংঘাত মানব সভ্যতার ইতিহাসের সাথে অতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রাচীনকালের যুদ্ধ বলতে আমরা বুঝি রাজা বা প্রধান সেনাপতির নেতৃত্বে কোন নির্দিষ্ট স্থানে দুই দল সৈনিকের সামনাসামনি লড়াই। এটা ছিল তখনকার দিনের বেশিরভাগ যুদ্ধের প্রথাগত নিয়ম।
"যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা।"
সব খেলার যেমন নিজস্ব নিয়ম-কানুন থাকে তেমনি যুদ্ধ নামের এই বিভৎস, অমানবিক খেলারও কিছু অলিখিত নিয়ম-নীতি প্রাচীনকালের কোন কোন যুদ্ধে ছিল। অনেক যুদ্ধে এইসব নিয়ম-নীতি স্থানীয় প্রথা বা উভয় পক্ষের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হত। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব নিয়ম-নীতি মানা হত না। কারণ যুদ্ধের মূল লক্ষ্য হল প্রতিপক্ষকে ছলে, বলে, কৌশলে হত্যা ও ধ্বংস করে বিজয়ী হওয়া। বিশ্বাসঘাতকতা, ষড়যন্ত্র, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, লুঠতরাজ, অগ্নিসংযোগ, নীরিহ মানুষ হত্যা, যুদ্ধবন্দীদের হত্যা, নির্যাতন ও দাস হিসেবে ব্যবহার, পরাজিত সৈনিকের স্ত্রী-কন্যাদের উপর যৌননির্যাতনসহ বিভিন্ন রকমের অমানবিক কার্যকলাপ ছিল প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় যুদ্ধের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যুদ্ধের কারণ ও উদ্দেশ্যের উপর ভিত্তি করে যুদ্ধের কলাকৌশল, আক্রমনের ধরণ, মৃতের সংখ্যা, বিভৎসতা বিভিন্ন রকমের হতো। যেমন বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে যুদ্ধ (Punic Wars), ধর্মীয় যুদ্ধ (ক্রুসেড, French Wars of Religion), ধর্মীয় আগ্রাসন (Byzantine-Arab Wars, Reconquista), সাম্রাজ্য বিস্তার ও লুন্ঠন (আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট, চেঙ্গিস খান, হালাগু খান), উপনিবেশ স্থাপন (পলাশীর যুদ্ধ, Mexican War of Independence), গৃহযুদ্ধ (American Civil War) প্রভৃতি।
------------------------------------------------------------------------
ফিলিপাইন-আমেরিকান যুদ্ধ (১৮৯৯-১৯০২): প্রায় সারা বিশ্ব তখন বৃটেন, ফ্রান্স এবং স্পেনের উপনিবেশে বিভক্ত। আমেরিকা উদীয়মান সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। মেক্সিকো, ফিলিপাইন, কিউবাসহ অনেক দেশেই শুরু হয়ে গেছে উপনিবেশ পরাশক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম। এমন সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী চরিত্রের এক নির্লজ্জ উদাহরণ ফিলিপাইন-আমেরিকান যুদ্ধ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আধিপত্যের যুদ্ধে স্পেনকে হারিয়ে আমেরিকা বন্ধুত্বের কথা বলে ফিলিপাইনকে নিজেদের দখলে নেয়। স্পেনের সাথে ফিলিপিনোদের স্বাধীনতার যুদ্ধ শেষ না হতেই এমিলো আগুইনালডের নেতৃত্বে ফিলিপাইন নতুন করে আমেরিকার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল। Zapote River Bridge এলাকায় মুখোমুখি যুদ্ধে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত আমেরিকানদের কাছে ফিলিপিনোরা পরাজয় বরণ করে। এমিলোর আত্মসমর্থনের মধ্য দিয়ে এ যুদ্ধের শেষ হলেও গেরিলা যুদ্ধ চলেছিল অনেকদিন। অবশেষে ১৯৪৬ সালের ৪ জুলাই ফিলিপাইন পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
---------------------------------------------------------------------------

বিভিন্ন যুদ্ধের অমানবিক কার্যকলাপের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধের প্রথা ও নিয়ম-নীতির কথা সাময়িকভাবে আলোচিত হলেও তা কখনও স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় নি। ১৮৯৯ সালে ফিলিপাইন-আমেরিকান যুদ্ধকালীন সময়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্দ্যেশ্যে হল্যান্ডে Hague Peace Conference - 1 এর আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রথম বারের মত Laws of war এবং War crimes গুলোকে চিহ্নিত করে তা আন্তর্জাতিক আইন হিসেবে গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। এখানে প্রথমবারের মত যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের যে কনসেপ্টের সুচনা হয়েছিল তা দীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সন্মতি, সম্নেলন, হেগ কনভেনশন ও জেনেভা কনভেনশনসমূহের মধ্য দিয়ে সংযোজন-বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিপক্কতা লাভ করে। ২য় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসী জার্মানী কর্তৃক লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষ বিশেষ করে ইহুদী হত্যা ও জাপান কর্তৃক বেসামরিক জনসাধারণ হত্যা ও যুদ্ধবন্দীদের উপর অমানুষিক নির্যাতনের কারণে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়ে।

জেনেভা কনভেনশন: ১৯৪৯ সালের ১২ আগষ্ট জেনেভায় বিশ্বের ৫৮টি দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি জেনেভা কনভেনশন নামে পরিচিত। এ কনভেনশন যুদ্ধ আইন, যুদ্ধবন্দী ও যুদ্ধাহত ব্যক্তিদের সাথে আচরণ প্রভৃতির বিধির উপর ৪টি আন্তর্জাতিক চুক্তি ও ৩টি প্রটৌকলের সমন্বয়ে গঠিত চুক্তিসমূহ। অর্থাৎ আগের ৩টি চুক্তির আপডেট করে, এর সাথে ৪ নম্বর চুক্তিটি যোগ করা হয়। তাই এটাকে 4th Geneva Conventionও বলা হয়। এসব চুক্তির মধ্যে সামরিক সংঘাত ও যুদ্ধকালীন সময়ে বেসামরিক লোকের মৌলিক অধিকার ও প্রতিরক্ষার বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। সবগুলি বা প্রায় সবগুলি চুক্তি ও প্রটৌকলে সম্মতি হয়ে মোট ১৯৪টি দেশ জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে।
সময়ের সাথে পরিবর্তন হচ্ছে রাজনৈতিক মূল্যবোধ, জাতিগত দ্বন্দ্ব, যুদ্ধের কৌশল, বিচ্ছিন্নতাবাদী লড়াই, মানবাধিকার লংঘন এবং যুদ্ধাপরাধের আচরণ। তাই প্যালেস্টাইন-ইসরাইল সংঘাত, 9/11 Attacks, বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাস, Guantanamo Bay Prison-এ বন্দী নির্যাতন, ইরাক-আফগানিস্থানে সন্ত্রাসীদের আত্নঘাতী হামলা প্রভৃতিকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার ব্যাপারে মতানৈক্যের সৃষ্টি হচ্ছে।

যুদ্ধাপরাধের সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা:
কোন দেশ, জাতি, সামরিক বা বেসমরিক ব্যক্তি কর্তৃক যুদ্ধের প্রথা বা আন্তর্জাতিক নীতিমালা লংঘন করাই হল সংক্ষেপে যুদ্ধাপরাধ। যুদ্ধের নীতিমালা হল যুদ্ধ সংক্রান্ত ঐ সমস্ত আন্তর্জাতিক আইন যা জেনেভা কনভেনসনের মাধ্যমে বিশ্বের জাতিসমূহ গ্রহণ করতে সম্মত হয়েছে।


শুরু থেকেই যুদ্ধাপরাধের একটি স্থায়ী ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের প্রস্তাব থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয় নি। ১৯৯০-এর দশকে প্রাক্তন যুগোশ্লাভিয়া ও রুয়ান্ডার গণহত্যা যখন ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে তখন স্থায়ী ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা প্রকটভাবে দেখা দেয়। অবশেষে ১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই রোম সম্মেলনে একটি স্থায়ী International Criminal Court স্থাপনের সিদ্ধান্ত ও সংবিধি ১২০টি দেশের 'হ্যাঁ' ও ৭টি দেশের 'না' ভোটের ফলাফলের মধ্য দিয়ে গৃহীত হয়। "না" ভোট প্রদানকারী ৭টি দেশ হল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইসরাইল, ইরাক, লিবিয়া, কাতার এবং ইয়েমেন। রোম সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্ত ও বিধিবদ্ধ আইনকানুনকে Rome Statute বলা হয়। অবশেষে ২০০২ সালের ১লা জুলাই হেগে স্থায়ী International Criminal Court স্থাপন করা হয়। এই দিন থেকে শুরু করে পরবর্তীতে সংঘটিত নিম্নলিখিত চার ধরনের অপরাধের বিচার ভবিষ্যতে এখানেই সম্পন্ন হবে।
i) The crime of genocide;
ii) Crimes against humanity;
iii) War crimes;
Iv) The crime of aggression.

জেনেভা কনভেনশন ও রোম স্ট্যাচ্যুট অনুসারে যুদ্ধাপরাধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
১। ১২ আগস্ট ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন লংঘন, যেমন:
ক) স্বেচ্ছাকৃত হত্যা; খ) অত্যাচার বা অমানবিক আচরণ; গ) স্বাস্থের উপর আগাত বা স্বাস্থগত কষ্টের কারণ ঘটানো; ঘ) অবৈধ দখল; ঙ) যুদ্ধবন্দী বা আটককৃত লোকের উপর বিদ্বেষী মনোভাব কার্যকর করা; চ) যুদ্ধবন্দী বা আটককৃত লোককে দিয়ে কোন কিছু করতে বাধ্য করা বা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করা; ছ) বেআইনী উচ্ছেদ, অবরোধ বা ট্রান্সফার; জ) জিম্মি রাখা।

২। আন্তর্জাতিক সশস্ত্র/সামরিক দ্বন্দ্বের বেলায়, যেমন:
ক) ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক ব্যক্তির উপর আক্রমণ; খ) সামরিক বিষয়বস্তু নয় এমন কিছু ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণ করা; গ) মানবাধিকার কর্মী বা মানবাধিকার কাজে ব্যবহৃত বস্তুর উপর আক্রমণ করা; ঘ) বেসামরিক লোকের জানমাল ও সম্পদের ক্ষতি হতে পারে এমন কোন আক্রমণ করা; ঙ) মারাত্নকভাবে আহত শত্রু বা আত্মসমর্থনকারী যোদ্ধাকে আক্রমণ বা হত্যা করা; চ) শিক্ষা, ধর্ম, চিকিৎসাসহ জনহিতকর কাজে ব্যবহৃত ঘরবাড়িতে আক্রমণ করা; ছ) শত্রুপক্ষীয় কোন সৈনিক বা ব্যক্তিকে প্রতারণা করে আহত বা হত্যা করা; জ) শত্রু সৈন্যকে বা আত্মসমর্থনকৃত সৈন্যকে কোন রকমের ছাড় দেওয়া হবে না ঘোষণা করা; ঝ) কোন জাতির লোককে বা শত্রু সৈন্যকে তার নিজস্ব জাতি বা দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বাধ্য করা; ঞ) ধর্ষণ, পতিতাবৃত্তি, যৌনকাজে ব্যবহার বা সন্তান গ্রহণে বাধ্য করা ইত্যাদি

৩। আন্তর্জাতিক নয় এমন সশস্ত্র/সামরিক দ্বন্দ্বের বেলায়, যেমন:
ক) কোন ব্যক্তি, গোষ্টি, দল বা সম্প্রদায়ের লোককে হত্যা বা তাদের প্রতি অত্যাচার ও নিষ্ঠুর আচরণ করা; খ) কোন ব্যক্তি, গোষ্টি, দল বা সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ; গ) জিম্মি রাখা; ঘ) চুরি, ডাকাতি, লুট বা ধংসাত্মক তান্ডব ঘটানো ইত্যাদি।
উল্লেখ্য, জেনেভা কনভেনশনের ধারাগুলি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সবধরণের সশস্ত্র/সামরিক দ্বন্দ্বের বেলায় প্রযোজ্য।



যুদ্ধাপরাধে উল্লেখযোগ্য ট্রায়ালসমূহ: নুরেমবার্গ ট্রায়াল, টোকিও ট্রায়াল, যুগোশ্লাভিয়া গণহত্যা ট্রায়াল, রুয়ান্ডা গণহত্যা ট্রায়াল, খেমাররুজ গণহত্যা ট্রায়াল ইত্যাদি।
"War may sometimes be a necessary evil. But no matter how necessary, it is always en evil, never a good. We will not learn how to live together in peace by killing each other's children."
- Jimy Carter
---চলবে---
-------------------------------------------------------------------
ছবি ও তথ্যসূত্র:
১। Encyclopaedia Britannica
২। Wikipedia
৩। War in Human Civilization by Azar Gat
৪। ইন্টারনেট ও বিভিন্ন পত্রপত্রিকা
৫। UN - Children & Armed Conflict
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৬
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×