আমার প্রিয় পোস্ট

সব বিষয়ে জানতে ও শিখতে আগ্রহী একজন উদার মনের মানুষ।

ডিজিটাল ক্যামেরা টিউটোরিয়াল (বেসিক)

০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪০

শেয়ারঃ
0 30 1


ভূমিকা - ক্যামেরা কিভাবে কাজ করে - Compact vs SLR - ফিচার/ফাংশন - ক্যামেরা কেনার আগে - ক্যামেরা কেনার পরে - অটোমুডে ছবি - শেষ কথা

সাধারণ মানের একটি ডিজিটাল ক্যামেরা এখন আর বিলাসদ্রব্য নয় বরং প্রাত্যহিক জীবনের অত্যাবশ্যকীয় একটি বস্তু। ডিজিটাল ক্যামেরা দিন দিন সুলভ হয়ে আসছে। হাজার দশেক টাকায় এখন বেশ ভালো ক্যামেরা পাওয়া যায়। বিভিন্ন ব্রান্ডের ক্যামেরা দিনদিন সুলভ হচ্ছে এবং এর সাথে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন ফীচার ও ফাংশন। তাই প্রতিদিন ডিজিক্যামের ব্যবহারকারীও বাড়ছে। নতুন/সাধারণ ব্যবহারকারী ও যারা নতুন ডিজিটাল ক্যামেরা কিনতে চান তাদের জন্য কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরার বেসিক ফাংশন ও ফিচার নিয়ে এই লেখা।

ক্যামেরা কিভাবে কাজ করে
কনভেনশনাল ক্যামেরা মেকানিক্যাল ও ক্যামিকেল প্রসেসের উপর নির্ভর এবং আলো লেন্সের মাধ্যমে শার্টারের মধ্য দিয়ে এসে ফিল্মের উপর পড়ে। বিভিন্ন ধাপে রাসায়নিক প্রসেসের মাধ্যমে এই ফিল্ম থেকে ছবি প্রিন্ট হয়। ডিজিটাল ক্যামেরার প্রসেস হচ্ছে ইলেকট্রনিক এবং আলো এসে পড়ে CCD (Charge-Coupled Device) সেনসরের উপর। এরপর বিভিন্ন ইলেকট্রনিক প্রসেসের মাধ্যমে পুর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ছবি তারপরে প্রিন্ট কপি। CCD/CMOS -র এই ডিজিটাল তথ্য (ছবি) সব ধরনের ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার সম্ভব।

Compact vs SLR
ডিজিটাল ক্যামেরাকে মোটামুটি দুই ভাগে ভাগ করা যায়। Shoot and Point (Compact) ও SLR (Single Lens Reflex)। কমপ্যাক্ট ক্যামেরায় বেশিরভাগ ফাংশন অটোমেটিক যা ক্যামেরা নিজেই নিজস্ব প্রোগ্রামের আলোকে সেটিং করে। এসএলআরে এসব ফাংশন ব্যবহারকারী নিজেই সেটিং করতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর অবশ্যই ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফী সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। SLR ক্যামেরার আকার, ওজন এবং দাম কমপ্যাক্ট ক্যামেরা থেকে বেশি হয়, এছাড়া আলাদা লেন্স ও ফ্লাস ব্যবহারের অপশন থাকে। এক কথায় এসএলআর ক্যামেরা হচ্চে প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের জন্য। এই লেখাটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য তাই এখানে শুধু কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়েই আলাপ করব।

ডিজিটাল ক্যামেরার গুরুত্বপূর্ণ ফিচার/ফাংশন সমূহ

১। CCD (Charge-Coupled Device): সিসিডি ডিজিটাল ক্যমেরার একটি সিলিকন চীপ যেখানে ছবি রেকর্ড হয়। CCD বা CMOS সেনসর হচ্ছে ডিজিটাল ক্যমেরার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও দামী ডিভাইস। এটি মিলিয়ন পিক্সেলের সমন্বয়ে গঠিত। আলো যখন লেন্সের মধ্য দিয়ে এসে এই সেনসরের ফটোএকটিভ লেয়ারে আঘাত করে তখন ঐ লেয়ারের নিচের পিক্সেলে একটি বৈদ্যুত্যিক চার্জ উৎপন্ন হয়। আলোর পরিমাণের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পিক্সেলের বৈদ্যুত্যিক চার্জ বিভিন্ন রকমের হয়। মিলিয়ন পিক্সেলের বৈদ্যুত্যিক চার্জগুলোর সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় একটি ডিজিটাল ছবি।

কোন ডিজিটাল ক্যমেরার রেসুলেশন কত মেগাপিক্সেল তা দিয়ে ঐ ক্যামেরার সেনসরের ক্ষমতাকেই বুঝায়। যত বেশি মেগাপিক্সেল তত বড় প্রিন্ট আউট নেয়া যাবে ছবির মান অক্ষুন্ন রেখেই। ইদানীং অনেকে এই মেগাপিক্সেলকে ক্যামেরার স্ট্যাটাস সিম্বল মনে করে :)। পোস্টকার্ড সাইজ ফটো হচ্ছে 6"x4"। ব্যতিক্রমধর্মী প্রয়োজন ছাড়া এর থেকে বড় প্রিন্ট কেউ করে না। 7"x5" ফটো কোয়ালিটি প্রিন্টের জন্য ৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরাই যথেষ্ট!


২। Lens: লেনস ডিজিটাল ক্যামেরার ২য় গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস। Nikkon, Canon, Olympus কোম্পানীগুলো নিজেরাই লেন্স প্রস্তুত করে, আবার Sony, Casio, Panasonic কোম্পানীগুলো থার্ড পার্টির লেন্স ব্যবহার করে।


৩। Zoom: লেন্সের Zoom ক্ষমতা ক্যমেরার গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। 'জুম ইন' করার অর্থ হচ্ছে দুরের বস্তুকে লেন্সের সাহায্যে দৃশ্যত কাছে টেনে আনা, আর 'জুম আউট' করার অর্থ হচ্ছে কাছের বস্তুকে লেন্সের সাহায্যে দৃশ্যত দুরে ঠেলে দেয়া। জুম দুই প্রকারের: অপটিক্যাল জুম ও ডিজিটাল জুম। অপটিক্যাল জুম করার ক্ষেত্রে ক্যামেরা ব্যবহার করে লেন্স। অর্থাৎ লেন্সের সাহায্যে বস্তুকে ছোটবড় করবে যেখানে ছবির কোয়ালিটি একই থাকবে। ডিজিটাল জুমের সাথে বস্তু বা লেন্সের কোন সম্পর্ক নেই। এখানে ডিজিটাল প্রসেসে ছবির কোন অংশকে বড় করে দেখানো হয় এবং ছবির কোয়ালিটি হ্রাস পায়। উদাহরণ: গ্রাফিক প্রোগ্রামে ছবিকে যত বেশি জুম ইন করা হয়, ছবি ততবেশি ঝাপসা হয়ে যায়।

সুতরাং সাবধান, ক্যমেরার ডিজিটাল জুম দেখে প্ররোচিত হবেন না, লক্ষ্য করবেন অপটিক্যাল জুম ক্ষমতা কত। যত বেশি জুম থাকবে তত বেশি দুরত্বের ছবি তোলা যাবে। অপটিক্যাল জুম ক্ষমতাকে অনেক সময় ফোকাল লেনথ্‌ দিয়েও প্রকাশ করা হয়। যেমন: 5.8-17.4mm, 35-105mm ইত্যাদি। শেষের সংখ্যাকে প্রথম সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে অপটিক্যাল জুম ক্ষমতা বের হয়। 105/35=3। অর্থাৎ 3X Optical Zoom। শাব্দিক অর্থে ফোকাল লেনথ্‌ হচ্ছে লেন্স থেকে সেনসরের দুরত্ব।

৪। Focusing Range: লেন্স কতদুরের এবং কত কাছের বস্তুর ছবি তুলতে পারে তা Focusing Range দিয়ে প্রকাশ করা হয়। বেশির ভাগ ক্যামেরা অসীম (infinity) দুরত্বের বস্তুর ছবি তুলতে পারে, সুতরাং কত কাছের বস্তুর ছবি (Macro) তুলতে পারে সেটাই উল্লেখযোগ্য। যেমন: 1.6 ft (0.5 m) to infinity (wide), 3.28 ft (1.0 m) to infinity (telephoto), 8 in. (0.2 m) (close-up) ইত্যাদি।

৫। Aperture: লেন্সের Iris Diaphragm কে কতটুকু খোলা যায় উল্লেখ করার জন্য Aperture শব্দটি ব্যবহার হয়। লেন্সের মধ্য দিয়ে আলো প্রবেশের নিয়ন্ত্রণের জন্য Iris Diaphragm বা গোল আকৃতির ছিদ্রকে Aperture ছোট/বড় করে। এর মাধ্যমে লেন্সে প্রবেশকৃত আলোর পরিমান বাড়ানো কমানো হয়। f/# সংখ্যা দিয়ে বিভিন্ন সাইজের এপারচার বোঝানো হয়। সংখ্যা যত বড় হবে আলো প্রবেশের পথ তত ছোট হবে।


৬। Shutter Speed: লেন্স ও সেনসরের মাঝখানে আলো ঠেকানোর আবরণকে বলে শাটার। এটি আলো আটকে রাখার কাজ করে। লেন্সের মধ্য দিয়ে আসা আলো সেনসরে প্রবেশের জন্য এটি খুলে দিতে হয়। ছবি তোলার সময় অর্থাৎ Shutter release button চাপার সাথে সাথে এই শাটার অল্পক্ষণের জন্য খুলে আবার বন্ধ হয়ে যায়। শাটার স্পিড হচ্ছে লেন্স ও সেনসরের মাঝখানে আলো ঠেকানোর আবরণটি (শাটার) খুলে যাওয়া এবং বন্ধ হয়ে যাওয়ার টাইম গ্যাপ। অর্থাৎ আবরণটি কতক্ষণ খোলা থাকবে তা নিয়ন্ত্রণ করা। সাধারনত এই সময়টি এক সেকেন্ডেরও কম হয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশিও হতে পারে। শাটার স্পিডকে 1/90, 1/125, 1/250, 1/500, 1/1000, 1/1500 সেকেন্ড হিসেবে প্রকাশ করা হয়। রাতের ও দিনের ছবির জন্য Aperture ও Shutter Speed ভিন্ন রকমের হয়।

৭। Exposure কন্ট্রোল: Aperture ও Shutter Speed এর যথার্থ সমন্বয়েই সম্ভব সুন্দর ছবি তোলা। শাটার স্পিড এবং এপারচারের সঠিক সমন্বয় না হলে ছবি “ওভার এক্সপোজ” (বেশি উজ্জ্বল) কিম্বা “আন্ডার এক্সপোজ” (বেশি কালো) হয়ে যাবে। সাধারণত প্রফেশনাল ফটোগ্রাফাররা Aperture ও Shutter Speed ম্যানুয়েলি নিয়ন্ত্রণ করে ছবি তোলেন। কমপ্যাক্ট ক্যামেরা অটোমেটিক মুডে এগুলো নিজে নিজেই নিয়ন্ত্রণ করে। তবে তা সবসময় পুরোপুরি সঠিক নাও হতে পারে।

ইদানীং বেশিরভাগ ক্যামরায় Pre-programmed Exposure Mode সেটিং করা থাকে, সেখান থাকে সিলেক্ট করেও কাজ চালানো যায়। যেমন: Landscape, Portrait, Sunset, Beach/Snow, Backlight, Macro, Night Scene, Fireworks, Panorama, Sports ইত্যাদি। যত বেশি মুড থাকবে তত বেশি সুবিধা।

৮। ISO (Sensitivity): এটি হচ্ছে একটি মাপ, যা বলে দেয় CCD বা CMOS সেনসর কতখানি সংবেদনশীল বা আলোর স্পর্শে কত তাড়াতাড়ি রিয়্যাক্ট করবে। Low ISO Rating -এর অর্থ এটা কম সংবেদনশীল অর্থাৎ যথার্থ এক্সপোজারের জন্য বেশি আলোর প্রয়োজন হবে। High ISO Rating -এর বেলায় হবে ঠিক উল্টো। সাধারণত ISO 100 - ISO 400 ব্যবহার হয় বেশি। ISO Rating যত বেশি হবে ক্যামেরা কম আলোর ছবি তত বেশি ভালো তুলতে পারবে।

৯। Imaze Stabilazator: খুবই প্রয়োজনীয় একটি ফিচার। এক্সপোজারের সময় ক্যামেরা কাঁপলে ছবি ঝাপসা হয়। এই সমস্যাকে কমিয়ে আনার জন্য image stabilization অথবা vibration reduction systems। এক্সপোজারের সময় ক্যামেরা কাঁপলে সেনসর নিজেই সামান্য স্থান পরিবর্তন করে সেটা ব্যালেন্স করে নেয়। জুমের মত এখানেও Optical Stabilazator গুরুত্বপূর্ণ, ডিজিটাল নয়।

১০। Viewfinder/LCD Display: যে ব্স্তু বা ব্যক্তির ছবি তুলব তা আমরা ভিউফাইন্ডারের মাধ্যমেই দেখি। আমরা যে দৃশ্যের ছবি তুলবো সেটা ফ্রেমের মধ্যে কেমন দেখাচ্ছে তা ভিউফাইন্ডারের মাধ্যমে অথবা এলসিডি ডিসপ্লেতে দেখে সন্তুষ্ট হলেই শাটার বাটন চাপ দিয়ে ছবি তুলি। এছাড়া ছবি তোলার পর ডিসপ্লেতে দেখতে পারি ছবিটি ভালো হয়েছে কিনা, নাহলে ডিলিট করতে পারি। সুর্যের প্রকট আলোতে ডিসপ্লের পরিবর্তে ভিউফাইন্ডার ভালো। সুতরাং ভিউফাইন্ডার ও ডিসপ্লে দুটিই প্রয়োজনীয়। ডিসপ্লের ব্যবহারে ব্যাটারী তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়। ডিসপ্লে কমপক্ষে ৩ ইঞ্চি (কোনাকুনি দৈর্ঘ্য) হওয়া উচিত।

১১। Autofocus: ছবি তোলার সময় আমরা লেন্সকে জুম ইন বা জুম আউট করে অথবা নিজে ক্যামেরা নিয়ে বিভিন্ন দিকে মুভ করে ভিউফাইন্ডার/ডিসপ্লেতে দেখি কোন পজিশনে ছবিটি ফোকাস পয়েন্টে আসে। এই কাজটি লেন্সকে আগে পিছে মুভ করে ক্যামেরা নিজে নিজে করাকেই বলে অটোফোকাস।

১২। White Balance: ছবি থেকে অবাস্তব রঙের প্রভাব দুর করে বাস্তবসম্মত সাদা করার প্রসেসকে বলে হোয়াইট ব্যাল্যান্স। বিশেষ করে যেখানে সাদার প্রধান্য বেশি সেসব ক্ষেত্রে যদি ফ্লোরোসেন্ট বাতি জালানো হয় তখন সাদার মধ্যে একটি নীলাভ আভা প্রতিপলিত হয় যা ছবির কালারকে অবাস্তব করে তোলে।


১৩। Flash: সাধারণত কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরার built-in flash ৩-৫ মিটার দুরত্ব কভার করে। অন, অফ, অটো ছাড়াও ফ্লাশ লাইটেরও আবার বিভিন্ন মুড থাকে যা ক্যামেরার ইউজার ম্যানুয়েল দেখে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়। কিছু ক্যামেরায় Infrared sensor থাকে যার মাধ্যমে ক্যামেরা ও ছবির টার্গেটের দুরত্ব নির্ণয় করে ফ্লাশ এডজাস্ট হয়ে যায়। অনেক ক্যামেরায় আবার External Flash Unit ব্যবহারের সুযোগ থাকে, তবে তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসএলআর ক্যামেরার বেলায়।

১৪। Red Eye Reduction: মানুষ বা জীব-জন্তুর ছবিতে অনেকসময় দেখা যায় চোখের রেটিনা লাল বর্ণের হয়ে গেছে। শটের সময় ফ্লাশের আলো সামান্য কোণ সৃষ্টি করে লেন্সে ফিরে আসে। চোখের রেটিনা হল আয়নার মত। কমপ্যাক্ট ক্যামেরায় ফ্লাশ লাইট ও লেন্সের অবস্থান খুবই কাছাকাছি। পোট্রেইট বা ক্লুজ আপ শট নেওয়ার সময় ফ্লাশ লাইটের আলো যখন রেটিনা থেকে প্রতিপলিত হয়ে সোজাসুজি লেন্সে চলে আসে তখনই রেটিনার ছবি লাল হয়। এই সমস্যাকে এড়ানোর জন্য Red-Eye Reduction Flash Mode।


১৫। Continuous Shot Function: দ্রুত গতিতে চলমান কোন বস্তু (গাড়ি) বা ব্যক্তির (খেলোয়াড়) ছবি তোলার জন্য Continuous Shooting বা Burst Mode। এই মুডে শাটার বাটন পুরো চাপ দিলে ক্যামেরা পরপর অনেকগুলো ছবির (সিরিজ) শট নেবে এবং সাথে সাথে মেমরিতে সেভ করবে। সেখান থেকে দেখে সবচেয়ে ভালো ছবিটি রেখে বাকীগুলো ডিলিট করতে পারেন। ভালো ক্যামেরায় সিরিজে ছবির সংখ্যা বেশি হয় ও ছবি রেকর্ডের গতি দ্রুত হয়।

১৬। Video with sound: সাউন্ডসহ ভিডিও করার ফিচার। এটা কখনও ভিডিও ক্যামেরার সমতুল্য নয়, শুধু কয়েক মিনিটের ভিডিও ক্লিপ। কোন বিশেষ মুহুর্তকে রেকর্ড করার জন্য প্রয়োজনীয় একটি ফিচার।

১৭। File Format: প্রায় সব ক্যামেরাই তিন ধরনের ফাইল ফরমাট সাপোর্ট করে: JFEG, TIFF এবং RAW। JFEG (ডিফল্ট ফরমাট) কমপ্রেশন ফরমাট অর্থাৎ ফাইলের সাইজ ছোট করার জন্য ছবির অপ্রয়োজনীয় ও কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ দেয়া হয়। TIFF ফরমাটেও কমপ্রেস হয় তবে ছবির কোন তথ্য বাদ দেয় না। ফাইল সাইজ বড় হয়। RAW ফরমাটে কোন কমপ্রেস হয় না, ছবির সম্পুর্ণ ডিজিটাল নেগেটিভ।

১৮। Storage Media: ডিজিটাল ক্যামেরার সাথে যে মামোরি (12 MB - 32 MB) দেয়া হয় তা খুবই অল্প। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আলাদাভাবে মেমোরি কিনতে হয়। সুতরাং ক্যামেরা কেনার আগে দেখা উচিত কোন ধরনের মেমোরি কার্ড কিনতে হবে। তার দাম কেমন ও সহজলভ্য কিনা। উল্লেখযোগ্য মেমোরি কার্ড CompactFlash, Secure Digital, SDHC, xD Picture, Memory Stick, MicroDrive, and SmartMedia. তবে SD ও SDHC কার্ড হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও সহজলভ্য কার্ড। সাধারণত 2GB - 4GB মেমোরি যথেষ্ট। ছবি পেন ড্রাইভ বা সিডিতে কপি করে মেমোরি খালি করলেই হয়ে যায়। সাধারণত 4GB মেমোরিতে 10 MP ক্যামেরায় JFEG ফরমাটের প্রায় ১১৫০ টি ছবি ও 8 MP ক্যামেরায় ১৪৫০টি ছবি সেভ করা যায়।

১৯। Power Sources: ডিজিটাল ক্যামেরার বহুমুখী ফাংশন ও এলসিডি ডিসপ্রের জন্য যথেষ্ট বিদুৎ প্রয়োজন। সুতরাং রিসার্জেবল ব্যাটারীর কোন বিকল্প নেই। সাধারণত ব্যাটারীর অপশন তিন রকমের হয়ে থাকে।
ক) Lithium Ion ব্যাটারী, এটি ক্যামেরার সাথেই থাকে এবং ক্যামেরাসহ চার্জ করতে হয়। অবিকল মোবাইল ফোনের মত। নতুন ব্যাটারীকে প্রথমবার ৮-১২ ঘন্টা চার্জে রেখে পূর্ণ চার্জ করা ভালো (ম্যানুয়েল দ্রষ্টব্য)। বিভিন্ন ক্যামেরার ব্যাটারীর সাইজ ও মডেল বিভিন্ন রকমের হয়। অনেকদিন ব্যবহারের পর ব্যাটারীর চার্জ বেশিক্ষণ থাকে না। যারা ক্যামেরা নিয়মিত ব্যবহার করেন সম্ভব হলে তাদের একটা রিজার্ভ ব্যাটারী কিনে নেয়া ভালো।
খ) সার্জারসহ Lithium Ion ব্যাটারী, সবকিছু উপরের মতই, শুধু পার্থক্য হচ্ছে আলাদা একটি চার্জার থাকে, ব্যাটারী ক্যামেরা থেকে বের করে এই চার্জারে রেখে চার্জ করতে হয়। সুবিধা হল, একটা এক্সট্রা ব্যাটারী কিনলে একটা স্ট্যান্ড বাই চার্জে রেখে আরেকটা দিয়ে ক্যামেরার কাজ চালানো যায়।
গ) Rechargeble AA NiMh (পেন্সিল ব্যাটারী)। এ অপশনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যাটারী ও চার্জার আলাদাভাবে নিজেকে কিনতে হয়। ব্যাটারীর চার্জের ক্ষমতা mAh বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।

২০। Interfaces: সব ক্যামেরার সাথে USB ক্যাবল থাকে। অনেক ক্যামেরার সাথে টিভি কানেকটিং কেবল থাকে যাতে ক্যামেরার ছবি সরাসরি টিভিতে দেখা যায়।

২১। Self-timer option: কোন বিশেষ দৃশ্যে বা কোন গ্রুপের সাথে নিজের ছবি তুলতে এই অপশন। ক্যামেরাকে ট্রাইপড বা স্টাবিল কোন কিছুর উপরে রেখে দৃশ্য নির্বাচন করে এই অপশনটি নির্বাচন করে আপনি সেখানে গিয়ে দাড়াঁন। ৫-১০ সেকেন্ড পর ক্যামেরা নিজেই শট নেবে।

২২। Photo Editing Software: সব ক্যামরার সাথে একটি ফ্রি ফটো এডিটিং সফটওয়্যার দেয়া হয়। কোনটা পাওয়ারফুল আবার কোনটা সিম্পল। এই প্রোগ্রাম কমপিউটারে ইনস্টল করে ফটো এডিটের কাজ করা যায়।

২৩। In-Camera Photo Editing: ইদানিং লেটেস্ট মডেলের ক্যামেরায় In-Camera Photo Editing টুলস থাকে। এই টুলস দিয়ে ক্যামেরার ডিসপ্লেতে ছবির বেসিক এডিটিং করা যায়। যেমন: ছবির আলো/কনট্রাস্ট কমানো-বাড়ানো, সাইজ ছোট করা, অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দেয়া, ক্লোজ আপ করা ইত্যাদি।

ক্যামেরা কেনার আগে
এক জনের পছন্দ ও প্রায়োরিটির সাথে আরেক জনের মিল নেই। উল্লেখিত ফিচার/ফাংশন দেখে এখন আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিন কোন ধরণের ক্যামেরা আপনার দরকার, সে ক্যামেরাতে কি কি ফিচার অবশ্যই থাকা চাই এবং কোন ফিচার থাকলে ভালো, না থাকলেও চলে ইত্যাদি। যারা অনেকদিন ধরে ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করে তাদের থেকেও পরামর্শ নিতে পারেন। প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন: মেগাপিক্সেল কত হবে, অপটিক্যাল জুম কত, ডিসপ্লের সাইজ এবং আপনার বাজেট। এরপর পছন্দনীয় ফিচার/ফাংশনগুলোর একটি তালিকা করুন। শুধুমাত্র ব্রান্ডের নাম দেখে পছন্দ করবেন না, ইদানিং লিডিং সব কোম্পানীর ক্যামেরার মানই ভালো। এবার আপনার কাঙ্খিত ক্যামেরাটি নিম্নলিখিত সাইটগুলোতে গিয়ে খুঁজে দেখুন:
১। DigiCam Resource Page
২। Imaging Resource
৩। Digital Camera Info
৪। PriceRunner
এছাড়া ক্যামেরা নির্মাতা কোম্পানীর ওয়েবসাইটে গিয়েও দেখতে পারেন। একেবারে ১০০% আপনার মনের মত পাবেন তেমন কোন নিশ্চয়তা নেই, সেক্ষেত্রে আপনাকে হয়তো কিছুটা আপোষ করতে হবে। যদি কোন ক্যামেরা পছন্দ হয়, ব্রান্ড ও মডেলের পূর্ণনাম ও ফিচারগুলো নোট করুন। বিভিন্ন রিভিউ সাইটে গিয়ে দেখতে পারেন আপনার পছন্দের ক্যামেরা সম্পর্কে এক্সপার্টরা কী বলে। এবার দোকানে গিয়ে ক্যামেরাটি ভালোভাবে দেখে সবকিছু (দাম, সার্ভিস, গ্যারান্টি, প্যাকেজের অন্যান্য উপকরন) পছন্দ হলে কিনে নিন। অভিনন্দন!
বিভিন্ন দোকানের মধ্যে দামের তেমন একটা পার্থক্য হয় না। কয়েকশ টাকা বাচাঁনোর জন্য এমন দোকান থেকে কিনবেন না যেখানে পরে ক্যামেরার কোন সমস্যা নিয়ে গেলে ওরা আপনাকে আর চিনবে না!

ক্যামেরা কেনার পরে
এক্ষেত্রে আমরা সবাই যে ভুলটা করি তা হচ্ছে অদম্য কিউরিসিটি! তাড়াতাড়ি প্যাকেট খুলে জেনে বা না-জেনে বিভিন্ন বাটন বা অপশন নিয়ে টিপাটিপি। তরতাজা নতুন ক্যামেরাটির এখন ল্যাবরেটরির অসহায় গিনিপিগের মত অবস্থা! প্রথমে ক্যামেরার সাথে যা যা থাকার কথা সবকিছু আছে কিনা দেখুন। তারপর ৩০টি মিনিট ধৈর্য ধরে প্যাকেটের ইউজার গাইড / ম্যানুয়েলটি পড়ুন। ইদানিং PDF ফরমাটে সিডিতে ম্যানুয়েল দেয়া হয় যা কমপিউটারে পড়তে হবে। সেখানকার নির্দেশ অনুসারে প্রাথমিক সংযোজন শেষ করে আপনার ক্যামেরার সাথে পরিচিত হউন। কোন বাটন কী কাজ করে ও কোন অপশনটি কোন মেনুতে গেলে পাবেন ইত্যাদি জেনে আপনার প্রিয়তম মানুষটির শট নিয়েই experiment শুরু করুন। ডিজিটাল ক্যামেরার জগতে আপনাকে স্বাগতম!

অটোমুডে ছবি তোলা কমপাক্ট ক্যামেরার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অপশন।
১) ক্যামেরা অন করে অটো মুড নির্বাচন করুন।
২) দৃশ্যের গুরুত্বপূর্ণ বস্তু/ব্যক্তিকে ভিউফাইন্ডার/মনিটরের মাধ্যমে ফোকাস এরিয়াতে (সেন্টার পয়েন্ট) কম্পোজ করুন।
৩) শাটার বাটনকে অর্ধেক (উচ্চতার ৫০%) চাপ দিয়ে এ জায়গায় স্থির রাখুন। ক্যামেরা এখন আপনার নির্বাচিত দৃশ্যের ছবির জন্য প্রোগ্রাম সেটিং করবে। যখন দেখবেন কম্পোজ ফ্রেমের রং পরিবর্তন হয়েছে বা একটা বিপ দিয়েছে, তার অর্থ ক্যামেরা রেডি।
৪) এখন শাটার বাটনের বাকী অর্ধেক চাপ দিন। ক্যামেরা ছবিটি উঠিয়ে মেমোরিতে সেভ করবে। ঠিক এই মুহুর্তে ক্যামেরা একটি বিপ দিতে পারে।
৫) ভিউ/প্লে অপশন নির্বাচন করে ছবিটি মনিটরে দেখতে পারেন।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন সময় ও অবস্থানের ছবির জন্য সরাসরি প্রি-প্রোগ্রাম সীন মুড থেকে অপশন সিলেক্ট করবেন যদি সে ধরনের মুড থাকে। এতে ক্যামেরার জন্য কম্পোজ করা সহজ হয়।

শেষ কথা
প্রযুক্তির বেলায় শেষ কথা বলতে কিছু নেই। Face Detection, Blink detection, Smart Auto scene selection ইত্যাদি নতুন নতুন ফিচার নিয়ে নতুন মডেলের ক্যামেরা বাজারে আসছে, আসবে। তবে ভালো ছবির ব্যাপারে শেষ কথা হচ্ছে, ভালো ছবি শুধু ক্যামেরার জন্য হয় না, এর জন্য প্রয়োজন ক্যামেরার পিছনে একজন দক্ষ মানুষ। চেষ্টা ও প্রাকটিসই একজন মানুষকে দক্ষ করতে পারে। এজন্য ডিজিটাল ক্যামেরা পারফেক্ট। বিভিন্নভাবে এক্সপেরিমেন্ট করুন, ছবি ভালো না হলে ডিলিট করুন, অতিরিক্ত কোন খরচ নেই। আপনার ক্যামেরায় যেসব ফিচার/ফাংশন আছে সেগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করুন। ডিজিটাল ক্যামেরা আপনার জীবনের মধুরতম স্মৃতি ও গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তগুলো স্বপ্নীল এলবামে সাজিয়ে রেখে আগামী দিনগুলোকে আরো অর্থময় ও আনন্দময় করুক - এই প্রত্যাশা রেখে লেখাটি শেষ করলাম।

ফটোগ্রাফি টিউটোরিয়াল (বেসিক)
-----------------------------------------------------------
তথ্য ও ছবিসূত্র:
http://www.shortcourses.com/use/index.html
Cambridge in Colour
40 Digital Photography Techniques by John Kim
ইন্টারনেট ও পত্র-পত্রিকা

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ডিজিটাল ক্যামেরাক্যামরাDigital Camera ;
প্রকাশ করা হয়েছে: টিপস্‌বিজ্ঞান  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫০
সাগর ঢাকা বলেছেন: সুন্দর লেখা, ব্লগের ইদানিং ভালো পোস্ট কমে গেছে, আস্তিক/নাস্তিক/লীগ/দল/শিবির এর যন্ত্রনায় চিন্তা করার, শেখার মতো , পোস্ট নাই বললেই চলে...

ক্যামেরার অনেক টার্ম , Exposure কন্ট্রোল, ISO (Sensitivity), এর কথা শুনেছি , জানতাম না..

প্রিয়তে নিলাম !
০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ১০০% সহমত। ইদানীং বাজে ক্যাচালের জন্য লেখার উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছি। মনে হয় ব্লগে এখন কেউ ভালো লেখা লেখতে বা পড়তে আসে না। সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫২
সাইফ হাসনাত বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম। সময় করে মন দিয়ে পড়বো...

পোষ্টটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আশা করি কাজে আসবে।

৩. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫৩
অয়ন আহমেদ বলেছেন: এই রকম একটা লেখা খুঁজছিলাম। চমৎকার হয়েছে। অনেক কিছু অজানা ও অস্পষ্ট ধারণা ছিল। নিয়মিত এ ধরনের লেখা চাই।
০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: অবশ্যই চেষ্টা করব। ভালো থাকুন, ধন্যবাদ।

০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আশা করি কাজে লাগবে।

৬. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০১
অপ্রয়োজন বলেছেন: চমৎকার ... অনেক সাহায্য হলো।

ধন্যবাদ।
০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আপনার কাজে আসলো জেনে খুশি হলাম ও আমার লেখার পরিশ্রম সার্থক হলো। ধন্যবাদ আপনাকে।

৮. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২০
জর্জিস বলেছেন: তবে ভালো ছবির ব্যাপারে শেষ কথা হচ্ছে, ভালো ছবি শুধু ক্যামেরার জন্য হয় না, এর জন্য প্রয়োজন ক্যামেরার পিছনে একজন দক্ষ মানুষ।....
....সহমত।

একজন দক্ষ ফটোগ্রাফার একটা সাধারন মাপের ক্যামেরা দিয়েও অসাধারণ ফটো তুলতে পারেন। তবে একজন অখ্যাত ফটোগ্রাফার হিসেবে আমার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হল নাইট ফটোগ্রাফি। কারন আমি মনে করি একজন ফটোগ্রাফার কতটা দক্ষ তার প্রমান পাওয়া যায় তার নাইট ফটোগ্রাফিতে। কাজেই রাতের বেলার ফটোগ্রাফি নিয়ে আমার অসীম আগ্রহ। নাইট ফটোগ্রাফি নিয়ে আপনার পোস্ট থাকবে আশা করছি। আপনার পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
++++++
০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: খুবই সুন্দর মন্তব্য করেছেন। আগামীতে নাইট ফটোগ্রাফিসহ ভালো ফটো তোলার বিভিন্ন টেকনিক ও টিপস নিয়ে লেখব। আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।

৯. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২২
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন: অনেক ভালো লাগল। পোস্ট প্রিয়তে।
০২ রা মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা রইল।

১০. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২৪
কামরুল৯৯ বলেছেন: ধন্যবাদ সরাসরি প্রিয়তে নিলাম
০২ রা মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। ভালো থাকুন।

০২ রা মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ+

১২. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫১
ফজলুল করিম বলেছেন: এরকমই একটা ফিচার খুজছিলাম। পড়ার আগেই + এবং প্রিয়তে।
১৩. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৩
নাহিনরানা বলেছেন: ডিগিটাল এস এল আর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
০২ রা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: আগামীতে এস এল আর সম্পর্কে লেখার ইচ্ছা আছে। ধন্যবাদ।

১৪. ০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০১
নঈম জামাল বলেছেন: ভাই ধন্যবাদ, nikon p90 সম্পর্কে জানতে চাই...!!!
০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: Nikon’s COOLPIX P90 is the company’s latest super-zoom digital camera, sporting 12.1 Megapixel resolution, a tilting 3in screen and a 24x optical range that’s equivalent to 26-624mm.

বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:
Nikon COOLPIX P90 Review

১৫. ০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৭
কুতুব্ বলেছেন: স্যার, এইবার একটু এস এল আর এর ব্যপারে আলোকপাত করুন, প্লীজ।
০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: আবশ্যই। তবে তার আগে ফটোগ্রাফির কলা-কৌশল, টিপস ইত্যাদি নিয়ে আলোকপাত করব যাতে কমপ্যাক্ট ক্যামেরার সীমাবদ্ধতা ও এস এল আর এর উপকারীতা বুঝতে সুবিধা হয়। ধন্যবাদ।

১৬. ০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১২
অপ্রয়োজন বলেছেন: ইন্টারমিডিয়েট ও এ্যাডভান্সড পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম (বসতে দিলে শুইতে চাই ) ;)
০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: আপনাদের জানার উৎসাহ আমার লেখার প্রেরণা :) । আগামীতে ভালো ছবি তোলার টেকনিক ও টিপস নিয়ে লেখব। শুভ রাত্রি।

১৭. ০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫১
ফজলুল করিম বলেছেন: আমার ডিজিটাল ক্যামেরাটি ক্যানন ৮৬০আইএস ৮ মেগাপ্রিক্সল।

আমার কিছু প্রশ্ন আপনার কাছে, আনেক অপশন আছে আসলে বেশীরভাগই জানিনা।

০১. আইএসও: হাই/আটো: কোনটা ভালো?
০২. সুপারফাইন/ফাইন/নরমাল: কোন অপশন ভালো, কাজ কি?
০৩. এল/এম১/এম২/এম৩/এস/পোষ্টকার্ড/ওয়াইডস্ক্রিন কোন মোডের সাইজ কত? কোন পরিস্থিতিতে এ সকল অপশনে ছবি তোলা ভালো?
০৪. +-০ এই অপশনের কাজ কি? -২ এ ডিসপ্লে আলো কম এবং +২তে আলো বেশী দেখা যায়। নরমাল = ০
০৫. এডাবলিওবি কি? অপশন হচ্ছে অটো/ডেলাইট/ক্লাউড/টাংস্টেন/..... ইত্যাদি।
০৬. ডিজিটাল মেক্রো কি?
০৭. কালার এসেন্ট/সোয়াপ কি?
=====
০৮. রেড আই কি "অন" না "অফ" সিলেক্ট করবো?
০৯. এএফ-এসিষ্ট বিম "অন" না "অফ" সিলেক্ট করবো? কাজ কি?
১০. আই এস মোড কি? অফ/কনটিনিওয়াস/সুট ওনলি/পেনিং....... কাজকি?
১১. লেন্স রিট্রেক্ট কি? ০ সেকেন্ড/১ মিনিট.

আমি Imaze Stabilazator খুজে পাচ্ছিনা। মাঝেমধ্যে ছবি ঝাপসা আসে।

লেটেষ্ট এই ক্যামেরায় আবশ্যই থাকবে।

জানাবেন প্লিজ.............. ধন্যবাদ

০৩ রা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন:
১। অটো মুডে ক্যামেরা নিজেই ISO সেট করে। সাধারণত যেখানে সামান্য অন্ধকার কিন্তু ফ্লাশ ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না সেখানে ISO অটো বা হাই করে ছবিকে উজ্জল করা যায়।
২। সুপার ফাইন ছবি নিতে ক্যামেরার সময় লাগে বেশি, ফাইলের সাইজ হয় খুব বড়। এ অপশনে স্পেশাল প্রয়োজন ছাড়া ছবি না তোলাই ভালো। সুপার ফাইনের নিচের ধাপ ফাইন। প্রিন্টের জন্য ছবি ফাইন অপশনে তোলতে পারেন। প্রাত্যহিক জীবনের ছবির জন্য 'নরমাল' যথেষ্ট।
৩। ফটোর স্ট্যান্ডার্ড প্রিন্ট সাইজ পোস্টকার্ড সাইজ, ৬ বাই ৪ ইঞ্চি, ওয়াইডস্ক্রীনের সাইজের অনুপাত ১৬:৯। এল/এম১/এম২/এম৩/এস সম্ভবত Large, Medium, Small। আপনার ক্যামেরার ম্যানুয়েল দেখুন।
৪। +-০ ও ০ এর মান একই হওয়ার কথা!
৫। Auto White Balance (AWB) function সঠিক হোয়াইট ব্যালেন্সের জন্য ব্যবহার হয়। আমার লেখার ১২ নং ফিচার দেখুন।
৬। মেক্রো অপশন কোন ক্ষুদ্র জিনিসের ছবি উঠানোর জন্য। যেমন পিপঁড়ার Close Up ছবি।
৭। কোন ছবির নির্বাচিত অংশের কালার রেখে অবশিষ্ট অংশকে সাদা-কালো করার নাম Color Accent,

Color Swap হচ্ছে কোন ছবির সবকিছু ঠিক রেখে নির্বাচিত কোন কালারকে অন্য কালারে পরিবর্তন করা। যেমন একটি ছবির সবকিছু ঠিক থাকবে শুধু ঘাসের বং সবুজের পরিবর্তে লাল হবে!
৮। যেসব ছবিতে চোখের রেটিনা লাল হওয়ার সম্ভাবনা সেখানে রেড আই কি "অন" সিলেক্ট করবেন।
৯। এএফ-এসিষ্ট বিম অন্ধকার পরিবেশে ক্যামেরার ফোকাসের সুবিধার্থে ব্যবহার হয়।
১০। Image Stabilizer (IS) technology।
১১। Picture-taking mode থেকে picture-viewing mode-এ আসার অপশন সিলেক্ট করলে লেন্স মূল অবস্থানে ফিরে যাওয়ার সময় লেন্স রিট্রেক্ট টাইম।

বিভিন্ন ব্রান্ড ও মডেলের ক্যামেরার মধ্যে অপশন ও ফাংশনের ব্যবহারে কিছুটা তারতম্য হয়, ক্যামেরার নিজস্ব ইউজার ম্যানুয়েল হচ্ছে সবচেয়ে বড় সাহায্যকারী। আশা করি আপনার সব প্রশ্নের মোটামুটি উত্তর পেয়েছেন।

০৩ রা মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৯. ০২ রা মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১১
হক মাহবুব বলেছেন:
খুবই ভালো এবং আমার জন্য জরুরি একটি পোষ্ট। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

ও ভালো কথা- প্রিয়তে
০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকুন।

২০. ০৩ রা মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০০
মেঘকন্যা বলেছেন: রেড আই এবং ম্যাক্রোর ব্যভার জানতামনা,অনেক ধন্যবাদ।
০৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, সেইসাথে প্রীতি ও শুভেচ্ছা।

২১. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪৭
নুরুন নেসা বেগম বলেছেন: অনেক ভালো। পড়ে পড়ে ক্যামেরার সাথে মিলিয়ে আরো বুঝবো। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ভালো থাকবেন।

২২. ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩৪
আমার প্রতিকৃতি বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম. . . পরে সময় নিয়ে পড়বো।
২৯ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আশা করি কাজে লাগবে।

২৯ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ৩০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ২:৩৫
তিমির বলেছেন: ধন্যবাদ এত তথ্য দেবার জন্য ।
৩০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: আশা করি তথ্যগুলো কাজে আসবে। ভালো থাকুন।

২৫. ৩০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২৮
কালপুরুষ বলেছেন: এই পোস্টে আমার মন্তব্য করার মতো কিছুই পাইনি। পোস্টটা এতো ভাল লেগেছে যে যেদিন প্রথম দেখলাম সেদিনই প্রিয়তে রেখে দিয়েছি। এমন একটা পোস্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
৩১ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লাগার অনুভূতি প্রকাশের জন্য আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

২৬. ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪২
অিনেকত বলেছেন: অেনক ধন্যবাদ । একটা িবষয়ে একটু সাহায্য চাই । ১০-১২ হাজার এর মধ্যে যে সব ক্যামেরা েসগুলো কি শুরু করার জন্য ভাল হবে নাকি আরকেটু বেশি দামের িকনতে হবে, পরামর্শ চাই ।
০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: ১০-১২ হাজার এর মধ্যে যে সব ক্যামেরা পাওয়া যায় সেগুলো শুরু করার জন্য ভালো। ক্যামেরার বেসিক ও প্রয়োজনীয় ফিচার/ফাংশন থাকলেই হলো। সম্ভব হলে পরিচিত যাদের ডিজিটাল ক্যামেরা আছে তাদের থেকেও পরামর্শ নিতে পারেন। তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতাও আপনার কাজে আসতে পারে। ধন্যবাদ।

২৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২৫
জেমিনি বলেছেন: সব গুলাই প্রিয়তে :) আমি অল্প সল্প জানি এই সব ব্যপারে তাই আমার অনেক কাজে আসবে। আপনাকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২৮. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৪
আরিফ-সন্দ্বীপ বলেছেন: ভালো হয়েছে যে................লাগবে
২৯. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৪
আরিফ-সন্দ্বীপ বলেছেন: ভালো হয়েছে যে................লাগবে যে
৩০. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৪৭
সজল৯৫ বলেছেন: comment by: সাগর ঢাকা বলেছেন: সুন্দর লেখা, ব্লগের ইদানিং ভালো পোস্ট কমে গেছে, আস্তিক/নাস্তিক/লীগ/দল/শিবির এর যন্ত্রনায় চিন্তা করার, শেখার মতো , পোস্ট নাই বললেই চলে...

ক্যামেরার অনেক টার্ম , Exposure কন্ট্রোল, ISO (Sensitivity), এর কথা শুনেছি , জানতাম না..

প্রিয়তে নিলাম !

পুরোপুরি সহমত তাই.........+++
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩১. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪
ডট কম ০০৯ বলেছেন: ৪০ তম প্লাস্টা আমিই দিলাম।
৩২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৪
সাব্বির মাহফুজ বলেছেন: অনেক প্রয়োজনীয় একটি পোষ্ট . আপনার জন্য অনেক শুভ কামনা.
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

৩৩. ২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৫৭
কুমিল্লার নবাব বলেছেন: খুবই ভাল হইছে......কিছুদিন পরে একটা ক্যামেরা কিনার ইচ্চা আছে......আপনার লেখা থেকে অনেক কিছু শিখলাম......অসংখ্য ধন্যবাদ......
৩৪. ২৭ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৩২
সাইফুল ফারদিন বলেছেন: সময় করে মন দিয়ে পড়বো...

পোষ্টটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
৩৫. ০৯ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০৩
মোঃ আমিন বলেছেন: চমৎকার পোস্ট.....।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
৩৭. ১১ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৬
ময়ুরবাহন বলেছেন: দারুন হয়েছে ৷ অনেক কিছু জানতে পারলাম ৷+
৩৮. ১৫ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৫৯
নুরুল বলেছেন: +++++++, প্রিয়তে নিলাম ! :) :)
৩৯. ২২ শে মে, ২০১০ রাত ১২:১৮
একান্ত কথা বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম ! পুরোপুরি সহমত তাই.........+++
৪১. ২৫ শে মে, ২০১০ রাত ২:২৪
গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম বলেছেন: বস এই লাইনে বুঝি কম, তাই মন্তব্য করতে পারছিনা।
তবে এইটুকু বুঝতে পারি, প্রচুর শ্রম দিয়ে লেখাটা তৌরি করছেন।

পরিশ্রম সফল হোক।
৪২. ২৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৮:৩৯
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ধন্যবাদ। পোস্টটি সংগ্রহে রাখলাম।
৪৪. ৩১ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৩৭
দূর্বার বলেছেন: ধন্যবাদ। পোস্টটি সংগ্রহে রাখলাম।
৪৫. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫৮
অক্রুর মাঝি বলেছেন: পোস্টটি প্রিয়তে রাখলাম।
৪৬. ১০ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:০৯
একলোটন বলেছেন: প্রিয়তে থ্যাংকু থ্যাংকু থ্যাংকু
৪৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৩৭
কলম কবির বলেছেন: অনেক কিছু শিখলাম, ধন্যবাদ।
পোস্টে প্লাস দিয়ে গেলাম++
৪৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৩
নীরবতা নীল বলেছেন:

+ + + + + + +
প্রিয়তে।
৪৯. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৫
জসিম বলেছেন: গিয়ান সমৃদ্ধ হইলো। পিলাচ
৫০. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:০৫
নাযীর আহমদ বলেছেন: দিলাম সালাম, নিলাম প্রিয়তে
৫১. ১৯ শে মার্চ, ২০১১ রাত ৮:৪২
এম এস জুলহাস বলেছেন:
শেষ মূহুর্তে বহুত কাজ দিলো আমার জন্য।
৫৪. ১১ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১১:১৭
বিথী৭৮৯ বলেছেন: অপটিক্যাল জুম ও ডিজিটাল জুম আমি বুঝতে পেরে খু্বই খুসি B-)



১২ ই এপ্রিল, ২০১১ ভোর ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)
অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।

৫৬. ১৬ ই মে, ২০১১ রাত ৮:২৯
ভ্রমনবিলাসী বালক বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম।এবার কাজে লাগাতে হবে।এখন যাই।যাওয়ার আগে প্রিয়তে।
৫৭. ৩১ শে মে, ২০১১ রাত ৯:৪৬
ইষ্টিকুটুম বলেছেন: +++++ প্রিয়তে নিলাম। যা যা লিখেছেন তা তা করে দেখবো। না বুঝলে আবার আসবো। B-) B-) B-)
৫৮. ২৩ শে জুলাই, ২০১১ রাত ৯:০০
পাথুরে সুমন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।অনেক কিছু জানলাম।প্রিয়তে......।
৫৯. ০৭ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:১৫
অমিত বাংলা বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া এমন একটি চমৎকার এবং কার্যকর পোস্ট দেয়ার জন্য
৬০. ২৮ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:১৬
বন্দী জাহাজী বলেছেন: Nikon Coolpix P500
Canon PowerShot SX30 IS
Panasonic Lumix DMC-FZ47

বাংলাদেশের জন্য কোনটা ভাল হবে?
সব একসাথে
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:২৫

লেখক বলেছেন: সবগুলোর স্পেসিফিকেশন প্রায় একই রকম। আমার মতে আরও রিভিও দেখে Nikon Coolpix P500 ও Canon PowerShot SX30 IS এর মধ্যে যে কোন একটি নিতে পারেন।

৬১. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৩
আ শী ষ বলেছেন: অলিম্পাস এফ২০ এর ব্যাটারির দাম চায় (ফ্লোরা) ২৪০০ টাকা। এটা কি অন্য কোথাও পাওয়া যাবে কম দামে?
৬২. ২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:০২
মুসাফির রকস বলেছেন:

প্রিয়তে নিলাম,


সনি DSC-H10 or 20 কিনতে চাই। থাকলে আওয়াজ দিয়েন। সেকেন্ড হ্যান্ড হলেও চলবে।
৬৩. ২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৬
রমাকান্তকামার১১০১১৪৫ বলেছেন: অনেক তথ্যবহুল লেখা। কাজে দেবে, প্রিয়তে নিলাম :)
৬৪. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩০
ডাঃ রাজিব বলেছেন: আমি NIKON D3100 kit lens সহ কিনেছি। Sharpness নিয়ে সন্তুষ্ট না। একটা prime lens কিনতে চাই। কোনটা ভাল হবে?
Nikon af-s 35mm dx f1.8G না nikon 1f-s 50mm dx f1.8G
জানি 50mm equivalent to 75mm in Dx camera.
কোনটা তে bokeh ভাল হবে?
৬৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:২০
েজােজা13 বলেছেন: ভাই, আমি usa থাকি। camera কিনতে চাই। But আমি Photographyr কিসুই জানি না। কোনটা দিয়ে start করবো suggestion দিন। upto 700$.
৬৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:০৯
জলঝিরি বলেছেন: প্রচুর কষ্ট করে পোস্টটি লিখেছেন বোঝাই যাচ্ছে । প্রিয়তে না নিয়ে উপায় নেই।

 

মোট সময় লেগেছে ২.১০৩৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বিনয়ী মূর্খ অহংকারী বিদ্বান অপেক্ষা মহত্তর।
Copyright © Zobair
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ