কালকে দুপুরে বাসায় ঢুইকা দেখি আবার নোটিশ! রাত ৮ টায় মহাসমাবেশ। সাবিনার হাতের লেখা। সোফিয়ার লগে দেখা হইল একটু পরে। সে চেইতা ভোম। তারপর নবাগত সেবাস্তিয়ান আইসা কইলো সকলের প্রতি সাবিনার নানারকম অভিযোগ। সেই তালিকায় আমি অনেক সামনে।
এদিকে কালকে রাত ১২ টার মধ্যে একটা রিপোর্ট শেষ কইরা মেইল দিতে হইবো। দুরুদুরু বক্ষে রান্নাঘরে গিয়া বইলাম। ঠিক ৮টায় সাবিনা ঘর থিকা বাইর হইয়া কারো দিকে না তাকাইয়া অভিযোগনামা পেশ করলো।
কাহিনি হইল ফ্রিজটা ফালাইয়া দিতে হইবো। কারণ পুরাণা ফ্রিজ বইলা নাকি সে বেশী কারেন্ট খায়! সুমন চৌধুরী ছাড়া কেউ নিয়মিত সেইটা ব্যবহার করেনা ইত্যাদি। তাকে জানানো হইল গত ২ বছরে আমরা ২ বার টাকা ফেরত পাইছি কম বিদ্যুৎ খরচের পুরস্কার হিসাবে। লাইগা গেল সোফিয়ার লগে। সেবাস্তিয়ান বেশ প্রফেশনালি ইলেক্ট্রিক বিলের কপি নিয়া দেখাইল। সাবিনা মরিয়া হইয়া এইবার আসল কারণ বাতাইল। ফ্রিজের শব্দে তার ঘুম আসে না। সবার কান একরকম না। তার কান বেশী পরিস্কার। আর সে বরাবরই সেনসেটিভ। কারণ সে পরিচ্ছন্ন। সোফিয়া কয় তুমি পাগলা গারদে যাও। সাবিনা কয় আর তো কয়টা দিন আছি। আমারে একটু ঘুমাইতে দাও ইত্যাদি। তারপর আমার দিকে ঘুইরা কয় সুমনের কাবাডে জিনিস বেশী সেই জন্যে নাকি রান্নাঘরে মাঝে মাঝেই দুইএকটা মাছি দেখা যায়। আমি কইলাম সেই ক্ষেত্রে তুমি ফ্রিজে মাছি বিষয়ে একটা অভিসন্দর্ভ লেইখা জমা দিতে পারো। তারপর মানুষ কিভাবে এরকম হয় কইয়া ঘরে গেলগা।
পরে সোফিয়ার কাছে শুনলাম আসল কাহিনি। সাবিনা ভাবছিল ১১৮তে কোন এর ফরাসী ছোকরা উঠবো। কিন্তু উঠছে সেবাস্তিয়ান নামে এক জার্মান। তার আবার ডাইন কানে দুল!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



