[গল্প'টি লিখেছিলাম বছরখানেক আগে, আমাদের বাড়ন্ত এক বন্ধুকে "সাইজ" করার উদ্যেশে।প্রায় পুরোটাই বানিয়ে বানিয়ে।সংগত কারনেই তার নাম এখানে পরিবর্তন করা হয়েছে।তবে লেখাটি বহুজাতিক কোম্পানীতে চাকুরীরত অনেকের মানষিকতা ধারন করে বলেই আমার বিশ্বাস]
যাকে নিয়ে আমাদের এই ছোট গল্পের অবতারনা তার নাম ‘দামরা’। হ্যাঁ, দামরা নামেই সে বন্ধুমহলে সমধিক পরিচিত।তার এই নামকরনের শানে-নূ্যুল আমরা একটু পরেই বর্ননা করব। তার আগে ওর পরিচয়টা জেনে নেওয়া যাক।ওর আসল নাম আহমেদ রাফিক.Ahmed Rafique.ইংরেজি থেকে বাংলায় সরাসরি অনুবাদ এমনই দাঁড়ায়।বেশ খান্দানি নাম। স্বর্নপদক প্রাপ্ত বাংলাদেশি সেলুলার অপারেটর ’কথাটেল’-এর উচুঁ মানের আই, এন এবং ভাস প্রকৌশলি। "কথাটেল"-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মেধাবী প্রকৌশলি-যার সাপ্তাহিক কর্মঘন্টা কমসে কম ৭৫ ঘন্টা।
স্বাভাবিক বাংলাদেশি সাধারণত বেঁটে-খাটো হলেও দামরা অপুর্ব দেহ-সৌষ্ঠবের অধিকারী। আটত্রিশ কোমরের অধিকারি দামরা-র কোঁকড়ানো চুল, ফ্রেঞ্চ কাট দাঁড়ি আর শ্যামলা-বরন, তাঁর চেহারায় খানিকটা আফ্রিকান, খানিকটা ভারতীয় ভাব দিয়েছে।ওর বয়স সেই ১৯৯৯ সাল থেকে ৩৫-এ থমকে আছে। থমকে যাওয়া বয়স এবং শারিরীক গঠনের-এই অপূর্ব কম্বিনেশনের কারনের বন্ধুরা ঈর্ষান্বিত হয়ে তার নাম দিয়েছে “দামরা”, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথমবর্ষে থাকাকালেই।
যা হোক, আমরা দামরা’র সাম্প্রতিক জীবনের প্রতি দৃষ্টি দেব। দামরা যে বিভাগে কর্মরত সেখানে নতুন এক মাল [মাল শব্দটি অশ্লীল হলেও মুলত এর অর্থ-পূর্ণ বয়স্ক আকর্ষনীয় যুবতী ইংরেজিতেঃMatured attractive Lady ]“ডলফিন” যোগদান করেছে। ওই যুবতির নাম ডলফিন হওয়ার ইতিবৃত্ত হলো আমাদের দামরা উনার শরিরের বাঁকে অথবা ভাঁজে কমপক্ষে আটটি ডলফিন খুঁজে পেয়েছে। মেয়েদের শরীরে আর কেহ ডলফিন খুজেঁ পেয়েছে বলে আমার জানা নাই। তবে দামরার দাবী-শিশুরা যাঁরা এখনো যৌনজ্ঞ্যান প্রাপ্ত হয়নি তারা নাকি ডলফিন দেখতে পায়। তাহলে বুজতেই পারছেন দামরা’র মাঝে এখনো এক শিশু বাস করে। হায়, ভগবান!
(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



