somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দামড়া-বৃত্তান্ত(২য় পর্ব)

১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

[প্রথম পর্ব গতমাসে দিয়েছিলাম,পাব্লিক পাত্তা দেয়নি।আমার আবার "হিট" হওয়ার ব্যাপক ইচ্ছা!লোকজনের কমেণ্ট না পাইলে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়!,যাইহোক প্রথমপর যখন লিখেই ফেলছি, তখন দ্বিতীয়'টা না দিলে কেমনে হয়?]
দামড়া-বৃন্তান্ত(১ম পর্ব)
এই ডলফিনটি এখন প্রয়োজনে-বিনা প্রয়োজনে দামরা’র কাছে ঘেঁসার চেষ্টা করে-এমনই দাবি দামরা’র।
যথেষ্ট যৌক্তিক দাবি। কারন ‘দামরা’র ১২ বয়স থেকে অসংখ্যা মেয়ে বাস্তবে না পারলেও কল্পনায় ওর সংগে ‘ইয়ে মানে ইয়ে’ করত। আমাদের পরিচিত এমন কোন মেয়ে পাইনি যে কিনা একবারের জন্য হলেও দামরা’র প্রেমে পড়েনি। আমাদের এক ঘনিষ্ট বন্ধু সুমন ভট্ট তো এই ভয়ে যথেষ্ট সুযোগ থাকা সত্বেও প্রেম করেনি, এখন শুনছি বিয়েও নাকি করবেনা। ওর দুশ্চিন্তা একটাই-ওর প্রেমিকা কিংবা পত্নী ওকে ছেড়ে দামরার সাথে চলে যাবে। দামরার অপ্রতিরোধ্য আকর্ষন উপেক্ষা করতে পারে এমন কোন মেয়েও আছে !আর আমরা যারা শারিরীকভাবে খানিকটা অক্ষম তারা ব্যাপারটা মেনেই নিয়েছি যে আমাদের বউরা দামরা’র সাথে ফষ্টিনষ্টি করবে।

যাক আমরা মূল প্রসজ্ঞে ফিরে আসি। ম্যাডাম ডলফিন কয়েকদিন আগে দামরা’কে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল তার ফ্ল্যাটে। দামরা সাধারণত মেয়েদের এই ধরনের ফালতু রিকুয়েস্ট তুচ্ছজ্ঞান করে থাকলেও এই বিশেষ প্রাণিটির আহবান তার পক্ষে উপেক্ষা করা সম্ভব হয়নি। সে নির্ধারিত দিনে তার ভার্সিটী লাইফের ঢোলা প্যাণ্ট আর টি-শার্ট পরে গায়ে AXE-Effet-এর সেন্ট মেরে যথাসময়ে হাজির হয়। একবার কড়া নাড়তেই দরজা খুলে দিল ডলফিন নিজেই। আজ সে পরেছে লাল কামিজ ; বুকের কাছে অনেকটাই কাটা, ওড়নাটা যথারীতি গলার সাথে প্যাঁচানো। ভিতের ঢুকেই দামরা ইতি-উতি তাকানো শুরু করেছে। ডলফিন খানিকটা মুচকি হেসে বললো”বাসায় ত কেউ নাই, আব্বা-আম্মা কক্সবাজারে বেড়াতে গেছে ,ছোট ভাই NSU-তে ক্লাস-এ আর কাজের মেয়েটা ছুটি নিয়েছে ”। কেন যেন মনো হ্ল, দামরা খানিকটা হাঁফ ছেড়ে বাঁচল।কারন, এর আগে বেশ কয়েকবার তাকে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়েছে। ডলফিন দামরাকে অনেকটা টেনেই তার ব্যাক্তিগত ঘরের দিকে নিয়ে গেল।ইতমধ্যে সে মেয়েটার সুগঠিত স্তন দুটোর অনেকটা দেখে ফেলেছে। আজকে ডলফিন দামরার কাছ থেকে এক্সেল অপারেশনের উপর পাঠ নিবে। ঘরে ঢুকে দরজার পাশে রাখা টিভি-র দিকে চোখ ফেরাতেই দেখল হিন্দী জিসম সিনেমার একটে গান চলছে।বিপাশা আর জন আব্রাহামের চুম্বন দৃশ্যা। গানটি ওর হার্ডডিস্কে কপি করা আছে। ও দিনে মিনিমাম একবার করে দেখে আর গানের এই চুম্বন দৃশ্য আসলেই ওর জিনিস খাড়াইয়া যায়। আজকেও তার ব্যাতিক্রম হলোনা!............

৭টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×