আমার প্রিয় পোস্ট
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জাতিসংঘের অধিবেশনে একজন কম নিলে সৌদি আরবের শিরচ্ছেদ হয়ত ঠেকানো যেত। - বেঙ্গল মাসুদ
- দেশের সম্পদ বিকিয়ে দিলে নিভবে তোদের বাতি, বাবার সম্পদ ভাবলে তোদের দলকে মারি লাথি। - পাহাড়ের কান্না
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখাই পড়ুন-২ (উতসর্গ অমি রহমান পিয়াল) - আমি সাগর
- বাহারি ইলিশ ( রেসিপি)
- সুরঞ্জনা
- মৃত শিশুর পোড়া মাংসে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে..... - মনজুরুল হক
- কালের কন্ঠ ও একজন ব্লগারের মিথ্যাচারের জবাব................ - ব্যঞ্জনবর্ন
- নেপাল-ভারত ১৯৫০ সালের শান্তি ও বন্ধুত্ব চুক্তি!!!!!!!!!! স্বাধীন হয়েও পরাধীন নেপাল!!!!!!!! - টিংটিং
- হাসিনার ভারত সফর: যৌথ ঘোষণা ও ভারতীয় কূটনীতি - পি মুন্সী
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- মাওবাদীদের নিয়ে কিছু কথাঃ সাথে খারেজির একটি পোষ্ট - জাতেমাতাল
- কয়লা নীতি, টেকনিক্যাল জ্ঞানের রাজনীতি - আমরা কেমন বুয়েট চাইতে পারি? - পি মুন্সী
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
- প্রিয় কবিতা - আকাশলীনাঃ জীবনানন্দ দাস - জলপাই দেশি
- শূয়োরের বাচ্চা ফ্লু, ফ্যাকটরী ফার্মিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবী - দিনমজুর
- ইতিহাসের পুনারাবৃত্তি - অপ বাক
- আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ধর্মনিপেক্ষতা বিষয়ে তালাল আসাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নার্মিন শেখ - ননাই
- Pirated এক্সপিকে Genuine করুন ৫সেকেন্ডে.... - তাজুল ইসলাম মুন্না
- একটি ছবির কথাই শুধু বলতে এসেছি ! - প্রচেত্য
- টেল অফ্ থ্রি জোয়েলস্ - আহসান হাবিব শিমুল
- বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র টিফাচুক্তি কিংবা দিন বদলের পয়লা গান - দিনমজুর
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- সহজিয়া উবুন্টু ৮.০৪ শিক্ষা!!! - রোকন
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- অশউইৎস- বিরকেনিঊ, নাজী কনসেনস্ট্রেশান গ্যাস চেম্বারের গনহত্যা, আমাদের বিষণ্ণ যাত্রা... - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- বাঁচার জন্য লড়াই - মনিং_ষ্টার
- গণতন্ত্র মুক্তি পাক, উড়ে যাক, নিপাতই যাক - জ্বিনের বাদশা
- ৮ই জুন,২০০২ : অতঃপর একটি খুনী বুলেট তাকে অকস্মাৎ থামিয়ে দেয়-১ - আহসান হাবিব শিমুল
- কর্ণেল তাহেরর জবানবন্দি - চিলে কোঠার সেপাই
- দুইরকম তারুণ্য - সুমন রহমান
- অরুন্ধতী রায়ের সাক্ষাৎকার : শাবাশ নতুন ভারত! - ফারুক ওয়াসিফ
- ইংরেজী বর্ষ বার নির্ণয় প্রণালী - আবিদুর রহমান
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- "আয়ান হারসা আলি একজন "মুসলমান-নাস্তিক" শিরোনামে "এস্কিমো" নিকের একটি পোস্টের কাউন্টার পোস্ট :৩ - নাহিদ মাহমুদ
- বাংলা যুক্তবর্ণের তালিকা (পুন: পোস্ট) - ত্রিভুজ
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- আমেরিকার পুঁজিবাদকে সমাজতন্ত্রের প্রশ্ন! - ফেরদাউস আল আমিন
- যৌন নিপীড়ন বিরোধী নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হবে! - জামাল ভাস্কর
- নৈঃশব্দের দোকানঘর - রিফাত হাসান
- প্রয়োজনীয় ১০০+ Run Command - লুলুপাগলা
- ফুলবাড়ির ফুল থেকে এখনো আসে রক্তের গন্ধ!! - নজরুল কবীর
- একটি প্রার্থনা - পারভেজ
- মাহমুদ দারউইশ : শেষ আকাশের পর - ফয়সাল খালিদ
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- মাগনা MOVIE ডাউনলোড সাইট (ALL DIRECT AND NON-RAPIDSHARE LINK) - বাউনডুলে
- নবীনদের জন্য - নাদান
- কেন লেখেন? - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
নির্মোহ দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার ভারতসফরের ফিরিস্তি
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৬
খালেদা ম্যাডামের শিক্ষাগতযোগ্যতা নিয়ে যতই হাসাহাসি করিনা কেন, উনার বচনখানি কিন্তু বাণী-চিরন্তণী স্থান পাবার যোগ্যতা রাখে।"পাগল এবং শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়"।তথাস্তু আমিও নিরপেক্ষ নয়।তবে নিরপেক্ষ না হয়েও নির্মোহ বিশ্লষণ করা বোধকরি সম্ভব।
মোহগ্রস্ততা ভিন্ন জিনিস যেটা এখন এবং শেখ হাসিনা'র ভারত সফরের পুর্ব থেকেই দেখা যাচ্ছে আওয়ামী এবং আওয়ামী বিরোধী শিবিরে; ব্লগ, দৈনিক পত্রিকা, টকশো সবখানেই।
সফরের ফিরিস্তি নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করা যাক।
ভারত চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি পাবে।এটাতে আমি সত্যিকারভাবে দোষের কিছু দেখিনা।রেজিওনাল কানেকটিভিটি সময়ের বাস্তবতা।চট্রগ্রাম এবং মংলাবন্দরে যদি সেই ধারনক্ষমতা থাকে, তাহলে ব্যবহারের অনুমতি দিতে বাধা কোথায়।বরং রাজস্ব দিয়ে বাংলাদেশই লাভবান হবে।তবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের প্রকৃতি যেহেতু জটিল তাই শুধু রাজস্বই শেষ কথা নয়। বন্দর ব্যবহার করতে দেয়ার বিনিময়ে আমরা কি পাচ্ছি!
বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের দাবী নেপাল-ভুটান'কে চিকেন'স নেক দিয়ে ট্রানজিট প্রদান।যৌক্তিক দাবী অবশ্যই।ল্যান্ডলকড এই দুটি দেশের বাংলাদেশের অভ্যন্তর দিয়ে মংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি পেলে তা হবে সত্যকারের রিজিওনাল কানেকটিভি।সেখানে অগ্রগতি কতদুর!দু:খের সাথে বলতে হচ্ছে হাসিনা সরকারের ডিপ্লোম্যাটিক ডেবাকল এবং ভারতের অনুদার নীতিতে এক্ষেত্রে অর্জন সামন্যই।
"নেপাল ও ভুটানকে ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে আসতে দেওয়ায় ভারত সম্মত হলেও বাংলাদেশি পণ্যবাহী গাড়ি নেপাল ও ভুটানে যেতে একই সুবিধা পাবে কি না, তা স্পষ্ট নয়"।
আবার নেপাল ও ভুটানে পণ্যবাহী যান সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ২০০ মিটার পর্যন্ত প্রবেশ করতে দিতে ভারতের সম্মতিকে এই সুবিধার কার্যকারিতা সীমিত করে ফেলবে বলে মনে করেন তিনি।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মনজুর আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের ভেতরে কোন স্থান পর্যন্ত নেপাল-ভুটানের গাড়ি যাবে, তা নির্ধারণের এখতিয়ার এককভাবে বাংলাদেশের। এখানে ভারত কোনো সীমা টেনে দিতে পারে না। আমাদের পক্ষে যাঁরা এ বিষয়ে সমঝোতা করেছেন, তাঁরা এ ক্ষেত্রে দক্ষতা দেখাতে পারেননি।’
সুত্র
পারস্পরিক দরকষাকষির এই ক্ষেত্রে এই পর্যায়ে " উই আর লুজারস, ইনডিয়ানস আর গেইনারস"।ভবিষ্যতে হাসিনা সরকার যদি সত্যিকারের "রিজিওনাল কানেকটিভটি" প্রতিষ্ঠা করতে পারে, সেটার জন্য আগাম অভিনন্দন।
ভারত আখাউড়া থেকে ত্রিপুরা সীমান্ত পর্যন্ত নিজ খরচে ১৪ কিমিরেলপথ নির্মান করবে।ঢাকা-কলকাতা ট্রেনসার্ভিস নামকাওয়াস্তে হলে বলবৎ; ত্রিপুরা থেকে পশ্চিমবংগ সরাসরি ট্রেন যাবে।এতে ত্রিপুরা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথ প্রায় ৯০০ কিমি কমবে।ভালো কথা!যেহেতু এই দীর্ঘপথ যেতে মানুষ (হিউম্যান বিইং) সবচে কষ্ট সহ্য করতে হয়।সুতরাং এইটা প্যাসেনজার ট্রেনসার্ভিস হওয়া উচিত ছিলো কিন্তু সেটা হবে শুধু পন্যপরিবহনের জন্য।যেখানে উত্তরপূর্ব ভারতে হাজারও বাধাও সত্বেও বাংলাদেশি পন্য কম্পটিটিভ এবং সম্ভাবনাও উজ্জল, সেখানে এইভাবে "নিজের পায়ের নিজেই কুড়াল মারা'র অর্থ কি!
ভারত তার উত্তর-পুর্ব অংশের বাজার পুরোপুরি কন্ট্রোল করতে চায়।ভালো কথা তোমরা করো সেজন্য চট্টগ্রাম বন্দরে একসেস দেওয়া হবে, কিন্তু এই রেলওয়ে ট্রানজিট কেন!
বাংলাদেশি ডিপ্লোম্যাটরা বোধহয় ঘাস চিবোয় নইলে এই সাধারণ ব্যাপারটা তাদের মাথায় আসবে না কেন।এগেইন "বাংলাদেশ লুজেজ, ইন্ডিয়া উইনস"।
ভারত বাংলাদেশের ৪৭টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার কথা বলেছে।এতে আমাদের সরকার বগল বাজাচ্চেন।শালার বলদরা এইটা জানেনা ভারতে বাংলাদেশের রপ্তাণীর প্রধান বাধা শুল্ক নয়, অশুল্ক বাধা(নন ট্যারিফ ব্যারিয়ার)।বাংলাদেশি পণ্য ভারতে ঢুকতে হলে ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড টেষ্টিং ইনস্টিউইট থেকে ছাড়পত্র নিতে হয়, যে ছাড়পত্র কখনোই আসেনা, যদিওবা আসে ততদিনে সেইসব পণ্যের অবস্থা কাহিল।
"কিন্তু অশুল্ক বাধাগুলো দূর করা না গেলে অবস্থার তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না বলে মনে করেন তিনি।
মনজুর আহমেদের মতে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে অশুল্ক বাধা অপসারণের বিষয়টি উঠে এলেও তা আরও জোরালো হওয়া প্রয়োজন ছিল।"
উচিত ছিলো বি,এস,টি,আই আর আই,এস,টি,আই কোলাবোরেশন।যাতে বাংলাদেশি পণ্য বাংলাদেশেই ছাড়পত্র পায়।কিন্তু পেলাম কি !
এক্ষেত্রে বাংলাদেশ আগেই থেকেই লুজারস ছিলো নতুন করে হওয়ার কিছু নাই।তবে
সাউথব্লক যে কিভাবে তাদের ঘোল খাওয়াইলো সেটা যদি বাংলাদেশি ডিপ্লোম্যাটরা বুঝে থাকেন তাইলেই সেইটাই বড় এক প্রাপ্তি।
ভারত সরকার বাংলাদেশকে ১০০কোটি ডলারের লাইন ক্রেডিট দিবে রেইলওয়ে খাতের আধুনিকীকরনের জন্য।এইটা অবশ্য ভালো যদি এতেও ইচ্ছাকৃতভাবে "ঘাটের মরা'য় পরিণত করা রেলওয়েকে সরকার পুনর্যৌবন দিতে পারে।তবে সরকার চাইলে এই অর্থ স্থানীয় বাজার থেকেই যোগাড় করতে পারতো, লোন করার প্রয়োজন ছিলোনা।
বিদেশী ঋণ জিনিসটাকে আমি বরাবরই ভয় পাই।কারন বিদেশি ঋণ খালি খালি আসেনা, আসে হাজার রকম বায়না সহকারে।অমুক (নভিশ)ভারতীয় কোম্পানীকে সাবকন্ট্রাক্ট দিতে হবে(যাতে তারা হাত পাকায়), তমুক দেশমুখ কিংবা পান্ডেকে কনসাল্টেন্ট নিয়োগ দিতে হবে যার বেতন হবে মাসে ১৫-২০ হাজার ইউ,এস,ডি। এইটা অবশ্য শুধু ভারত করেনা, যেদেশ ঋণ দেয় তারাই এইসব আবদার(শর্ত) জুড়ে দেয় সাথে।
আর কিছু অনেক বিষয় টিপাইমুখ, তিস্তার পানিবন্টন সব লিখতে ইচ্ছা করতেছে না...।অন্যকেউ লিখবে।
তবে শেখ হাসিনা সরকার আপাতত বাংলাদেশকে ভারতীয় মিডিয়া এবং মিডলক্লাসের বদান্যতায় প্রাপ্ত জংগী রাষ্ট্রের তকমা থেকে বের করে নিয়ে এসেছেন।এইটা অবশ্য বড় প্রাপ্তি।শভিনিস্টিক ভারতীয় মিডিয়া অবশ্য কতদিন ঠান্ডা থাকে তা বলার উপায় নেই।
আচ্ছা আরেকটি প্রাপ্তি আছে শেখ হাসিনা "ইন্দিরা গান্ধি" পুরস্কার।আকালের দিনে এইটাই বা কম কি!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশ, ভারত, বিদেশনীতি ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনি কিছু না পড়েই সবপোষ্টেই এই কমেন্টখানা পোষ্ট অন্যভাবে বললে ফ্লাডিং করছেন।আপনি যদি পুরো লেখার কোথাও ভুল কিংবা পক্ষপাতদুষ্টতা দেখাতে পারেন, তাইলে এসে কথা বলেন, নইলে আপাতত তফাৎ যান।
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
+
াহো বলেছেন:
তবে শেখ হাসিনা সরকার আপাতত বাংলাদেশকে ভারতীয় মিডিয়া এবং মিডলক্লাসের বদান্যতায় প্রাপ্ত জংগী রাষ্ট্রের তকমা থেকে বের করে নিয়ে এসেছেন।এইটা অবশ্য বড় প্রাপ্তি।শভিনিস্টিক ভারতীয় মিডিয়া অবশ্য কতদিন ঠান্ডা থাকে তা বলার উপায় নেইReply>
BMP/Jamat said there is no Bangla Bahi.But what you see.
Why everyday 30 people killed in Pakistan bomb blast in school?
লেখক বলেছেন: একটা জংগী রাষ্ট্র আর সেই দেশের কিছু (স্বল্পসংখ্যাক) মানুষের জংগী হয়েওঠার মধ্যে অনেক পার্থক্য।
ভারতে সংখ্যা দিয়ে হিসাব করলে মুসলিম জংগীর সংখ্যা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি হবে।তাই বলে কি ভারত জংগিরাষ্ট্র হিসেবে আপনি মানেন!
নাকি তারা সংখ্যালঘু বলে তাঁদের ভারতের নাগরিক মনে করেন না।
আমি অস্বীকার করছি না বাংলাদেশে জংগী সমস্যা নাই, অবশ্যই আছে কিন্তু সেটাকে বাড়িয়ে বড়সড়ো করলে পৃথিবীর তামাম রাষ্ট্র হিসেবে দেখানো যাবে।
বিগত সরকারের সময়ে জংগিবাদকে অস্বীকার করার মাধ্যমে তাদের আসলে প্রশয় দেয়া হয়েছে-এইটাতেও লুকোনর কিছু নেই।
বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের প্রেক্ষিত আলাদা।এখানে আপনি অপ্রাসংগিকভাবে পাকিস্তানকে নিয়ে এসেছেম।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
হুদাকামে প্লাস-মাইনাস না দিয়ে আসেন আলুছানা করি। ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কেমন চাই আমরা, এবং আমাদের ডিপ্লোম্যাটদের ঘাটতি কোথায়, আমাদের নীতিনির্ধারকদের জ্ঞানবুদ্ধি কেমনে বাড়ানো যায়....এইসব....।
দুরণ্ত সাহস বলেছেন:
গাঁধার গাঁধা আর বেকুব এর বেকুব রা ঠিকই বোঝে ভাই। কিন্তু কর্তার ইচ্ছাই কর্ম। +
জুল ভার্ন বলেছেন:
+
রশিক রশীদ বলেছেন:
নাই মামার চেয়ে কানা মামা কি ভাল নয় ?আপনার কথায় আশার কিছু কথা আছে আমি যোগ করতে চাই আপনাকে ১০০তে পৌছাতে হলেতো ১ থেকে শুরু করতে হবে । গুরুত্বপূর্ন হলো শুরু করাটা ।
একটি অবান্তর প্রশ্ন : এই বিশ্বায়নের যুগে ভারত বিরোধীতার যুযুকি আমাদের পেছনে ঠেলে দেবে না ?
আমার দেশ দেখিয়েছে ২০১১ সালে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন ভারতের প্রাপ্তি এটা কি প্রকাশ করে সাম্প্রদায়িক দৃষ্টি ভঙ্গী ছাড়া আর কি ? রবীন্দ্র নাথ যতটানা ভারতের আমি মনে করি তার চাইতে অনেক বেশী বাংলাদেশের।
লেখক বলেছেন: নাইমামার চেয়ে কানামামা ভালো....এই কথাটা অন্তত আন্ত:রাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে খাটেনা।রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্কে চিরস্থায়ী বন্ধুতা বলে কিছু নেই।সেই সম্পর্কে আবদার, দয়াদাক্ষিন্যের অবকাশ নেই।করুনাভিক্ষা, ভিক্ষাবৃত্তি, কিছু হলেও প্রাপ্তি আন্ত:রাষ্টে সম্পর্কের নিয়ামক হতে পারেনা।
বিশ্বায়নের যুগে ভারত বিরোধিতার জুজুকে একেবারে দুর করার সুযোগ হাসিনা সরকারের সামনে ছিলো, কিন্তু উনার সরকার ডিপ্লোম্যাটিক ব্যার্থতায় সেটা হারালেন।সুতরাং ভারতজুজু আবার সামনে আসবে! আপনি এই সফরের একটা অর্জন বলেন যেখানে আমরা সামনে পিছনের পরিবর্তে সামনে যাবো।
২০১১ সালে বরীন্দ্রজয়ন্তি পালন ভারতের প্রাপ্তি এইটা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভংগী।তবে রবীন্দ্রনাথ নিশ্চিতভাবেই ভারতীয় বাংগালী-এইটা আপনি মানেন কিংবা না মানেন সত্য।
চিটির বাক্স বলেছেন:
+++ ধন্যবাদ সুন্দর বিশ্লেষন এর জন্য।াহো বলেছেন: রবীন্দ্রজয়ন্তী Problem ,but host Cricket together is fine।
----আসুন আমার স্বাধীনতা দিবস ও একসাথে পালন করি ১৫ই আগষ্ট!!!
হাজারি বলেছেন:
+
মৌ-মাছি বলেছেন:
নির্মোহ দেখানোর চেষ্টা কিছুটা ছিল, স্বীকার করতে হবে। কিন্তু তবুও ভারত বিরোধী ভাব মোটামুটি কোমলমাত্রায় হলেও স্পষ্ট দৃশ্যমান। সন্দেহ করার দৃষ্টি (রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে) নিয়ে লেখা হওয়ায় ইতিবাচক দিক গুলি নেতিবাচক দিক গুলির মত ভালো করে আলোচনা করা হয় নি বলে মনে হয়।
লেখক বলেছেন: আপনার কথায় সত্যতা থাকতে।
তবে আমি মনোভাব সেইঅর্থে ভারতবিরোধি না; বাংলাদেশী ডিপ্লোম্যাট এবং সরকার'এর নির্বুদ্ধিতা এবং হামবড়া মনোভাব বিরোধি।কুটনীতির দুনিয়ায় সুনির্দিষ্টভাবে বন্ধুদেশ-শত্রুদেশ বলে কিছু নেই, এইটা দরকষাকষির দুনিয়া, আপনি যেভাবে পারবেন,সেভাবে আদায় করবেন।
সেইঅর্থে ইতিবাচক আমি পাইনি।আপনি উল্লেখ করলে পোষ্টে অ্যাপেন্ড করতে আমার সমস্যা নেই।আর নেতিবাচক যেগুলো বলছেন, সেইগুলোর ইনিশিয়েশন নিয়ে আমার মনোভাব অবশ্যই ইতিবাচক, কিন্তু যে টার্মস এন্ড কন্ডিশনে হচ্ছে সেটাতে আমি ইতিবাচক কিছু খুজে পাচ্ছিনা।
আমি পিপল টু পিপল কন্টাকে বিশ্বাসী।আমি নেপাল, ভারত, ভুটানে ট্রেনে করে যেতে চাই, তেমনি ভাবে তাঁরাও আসবে বাংলাদেশে-এইটাতে সমস্যার কিছু দেখিনা।
াহো বলেছেন:
রবীন্দ্রজয়ন্তী Problem ,but host Cricket together is fine।----আসুন আমার স্বাধীনতা দিবস ও একসাথে পালন করি ১৫ই আগষ্ট!!!
Reply>
# সরকারী প্রেসনোটে পহেলা বৈশাখ নববর্ষের ছুটি বাতিল, ২৪০টি রাস্তার নামকরন হিন্দু থেকে মুসলিম করন, ৬৯টি বই নিষিদ্ধ- হিন্দুরা মুসলমানদের অস্তিত্ব বিলোপের কাজ করেছে – এই সংবাদে দৈনিক সংগ্রামের উপসম্পাদকীয় জুন, ১৯৭১
# বিভিন্ন স্খানে শান্তি কমিটর সভা – ভারত ও তাবেদারদের বিরুদ্ভে প্রতিরোধের দৃঢ় সংকল্প – দৈনিক পাকিস্তান ১৭ জুন, ১৯৭১
# পূর্ব পাকিস্তানীরা সর্বদাই পশ্চিম পাকিস্তানী ভাইদের সাথে একত্রে বসবাস করবে – গোলাম আযম দৈনিক সংগ্রাম -২৯শে জুন, ১৯৭১
াহো বলেছেন:
রবীন্দ্রজয়ন্তী Problem ,but host Cricket together is fine।----আসুন আমার স্বাধীনতা দিবস ও একসাথে পালন করি ১৫ই আগষ্ট!!!
Reply
Reply
Reply
#
জুলাই ১৯৭১
# জয় বাংলা স্লোগানে পূর্ব পাকিস্তানের আকাশ বাতাস কলুষিত হয়েছে। ধর্ম নিরপেক্ষদের ধর্ম বিরোধী অত্যাচার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ময়দানে রাজাকারদের ক্ষূদ্র অস্ত্র দিয়ে গুলী চালানোর ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে – দৈনিক সংগ্রাম – ১-৫ জুলাই, ১৯৭১
# জামাত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের আহ্বান- গ্রামে গ্রামে রক্ষীদল গঠন করুন – দৈনিক পাকিস্তান ৩রা জুলাই ১৯৭১
# জনগণ এখন স্বেচ্ছায় রাজাকার ট্রেনিং নিচ্ছে – জামাত নেতা আব্দুল খালেক – দৈনিক সংগ্রাম ৯ জুলাই, ১৯৭১
# ৭০ এর নির্বাচন প্রত্যক্ষভাবে ঘর ভাঙার নির্লজ্জ চক্রান্ত – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১২ জুলাই, ১৯৭১
# পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালীদের জীবনের নিরাপত্তা নেই একথা ভিত্তিহীন – ড: সাজ্জাদ হোসেন – দৈনিক পাকিস্তান ৯ জুলাই, ১৯৭১
# বরিশালের শান্তি কমিটির সভায় আব্দুর রহমান বিশ্বাসের বক্তৃতা – দৈনিক সংগ্রাম ১৮ জুলাই, ১৯৭১
# সেনাবাহিনী কুখ্যাত শহীদ মিনারটি ধ্বংস করে মসজিদ গড়েছে – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১৬ জুলাই, ১৯৭১
# ফজলুল কাদের চৌধুরী – পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে - দৈনিক পাকিস্তান ১৮ জুলাই, ১৯৭১
# ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রেসিডেন্টের ফর্মূলা বর্তমান সংকটের একমাত্র সমাধান, শেখ মুজিবের বিচার শূরুর আবেদন – জামাত অস্থায়ী আমীর মীর তোফায়েল মোহাম্মদ – দৈনিক পাকিস্তান ২৪ জুলাই, ১৯৭১
# আলেমদের প্রতি সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সহযোগিতার আহ্বান – দৈনিক পাকিস্তান ২৬ জুলাই, ১৯৭১
# সামরিক আইনে রাজাকারদের যে কোন লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতা প্রদান- রাজাকারদের অত্যাচার বৃদ্ধি
াহো বলেছেন:
স্বাধীন বাংলা জিগিরের উদ্দেশ্য মুসলমানদের হিন্দু বানানো - দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয়, ১০ অক্টোবর, ১৯৭১
লেখক বলেছেন: আপনি বেলাইনে চলে যাচ্ছেন।কোন কিছুতে অবসেসড থাকলে কিংবা মাথায় চিরিৎ করে মাল উঠলে এমন সমস্যা হয়।
দৈনিক সংগ্রামের এইসব লাইনদিয়ে আপনি কি বাল'টা মিন করতে চান? যে বাংলাদেশে যারা ভারতের হেজিমনিষ্টিক অ্যাপ্রোচ নিয়ে কথা বলে তাঁরা সবাই দৈনিক সংগ্রাম পড়ে, কিংবা একাত্তরে পড়ত।আজিব কথাবার্তা।
পোষ্টে যে পয়েন্টগুলো বলা আছে, সেইগুলো নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন বক্তব্য থাকলে বলুন, নাইলে ফোটেন।
রশিক রশীদ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: নাইমামার চেয়ে কানামামা ভালো....এই কথাটা অন্তত আন্ত:রাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে খাটেনতাহলে এক কাজ করেন ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন যুদ্ধ করে দাবী আদায় করুন ।
আর যদি ডিপ্লোমেসী দিয়ে করতে চান অপেক্ষা করতে হবে। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদকে সমর্থন দিয়ে সেখানে ১০ কিম্বা তারও বেশী অস্ত্র পাঠানোর উদ্ব্যোগ নিয়েছি বেশী দিন হয়নি সেই দেশের কাছ থেকে স্বার্থ আদায় করতে হলে প্রথম যেটা প্রয়োজন তা হল পাস্পরিক আস্থা অর্জন ।
আমি মনে করি এই সফর ছিল সেই আস্থা অর্জনের প্রথম ধাপ।
লেখক বলেছেন: ভাই, আমি অবসেসড না।আপনি যুক্তিতর্ক নিয়ে আসুন কথা বলি।শক্তিতে বড় কেউ আপনাকে চড় দিলে আপনি আরেকগাল পেতে দিতে পারেন খুশিমনে, আমি হয়তো দিবো তবে খুশিমনে নয়।
ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করার কথা এখানে বলা হয়নি। ভারত যদি বাংলাদেশে ট্রানজিট পায়, তাইলে বাংলাদেশ কেন ভারতে ট্রানজিট পাবেনা।আমি তো ট্রানজিটের বিরোধি না বরং সমতার বেসিসে ট্রানজিট দেয়ার পক্ষপাতী।
পারস্পরিক আস্থা অর্জনের জন্য অনেক কিছু করা হইছে।উলফা গেরিলাদের আইন না থাকা সত্ত্বেও ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এরপর কিভাবে আস্থা অর্জন করা সম্ভব! পশ্চাদদেশের কাপড় খুলে দাঁড়ানো ছাড়া তো উপায় দেখি না।
কুটনৈতিক ভাষায়, বাংলাদেশ ভারতের বিচ্ছিন্নবাদীদের সাহায্য দিয়ে যতটা না অপরাধ করছে, তারচে বেশি অপরাধ করছে সেইদেশ ট্রাক মালের দ্বায় স্বীকার করে।ভারত তো শান্তিবাহিনী কিংবা এল,টি,টি,এই কে অর্থ-অস্ত্র সবকিছু দিয়ে সাহায্য করেছে, সেটাকে কি কখনো স্বীকার করেছে।
ভারত অন্যদেশে নাক গলানোর সামর্থ রাখে, আমরা রাখিনা।তাই বাংলাদেশ উত্তর-পুর্ব ভারতের সশস্ত্র বিদ্রোহীদের ব্যাপারে কি ভুমিকা নেবে সেটা অভ্যন্তরীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত ছিলো।ট্রাকের মালের দ্বায়িত্ব স্বীকার করে ভারতকে ডিপ্লোমেটিক আপারহ্যান্ড দেওয়ার কোন জরুরত ছিলোনা।
অলস ছেলে বলেছেন:
১. তাহলে বিষয়টা দাড়ালো ভারতীয় মিডিয়া সুন্দর কৈরা আমাগোরে জঙ্গী রাষ্ট্র হিসেবে ঝুকিপুর্ণ বইলা প্রচারণা করলো (বাংলাদেশে জঙ্গী আছে/কিন্তু স্বয়ং ভারতের চাইতে বেশি সন্ত্রাসী কাজকর্ম কি বাংলাদেশে হৈছে?) তারপর বেকায়দায় ফেলায়া অহন আমাগোর ক্যারেক্টার সার্টিফিকেট দিছে। অই খুশীতে বগল ফাডাইতে ফাডাইতে আম্রা তাগোরে দরজাটা খুইলা দিলাম। আও মেরে জান।
২. কানেকটিভিটি? আবার আও মেরে জান। কাহিনী তো আপনিই কিছুটা বলছেন। "তবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের প্রকৃতি যেহেতু জটিল তাই শুধু রাজস্বই শেষ কথা নয়।" ভারতের আগ্রাসী রাজনৈতিক মনোভাব আর পররাষ্ট্রনীতির প্রেক্ষিতে দুই দেশের ইস্যু গুলা সমাধান অনেক জটিল। কিন্তু ভারতই বিএনপি সরকারকে সুযোগ দেয়না সামনে আগানোর। লীগ সরকার আসলেই কোলে তুলে দুধভাত খাওয়াইতে শুরু করে। এই মাইন্ডসেট ঠিক করে দেয়া আর নিজেদের মধ্যে বিভেদ দিয়ে শেষপর্যণ্ত লাভবান হচ্ছে সাউথব্লক।
৩. আমাদের ডিপ্লোমেট দের দোষ দিয়া লাভ নাই। সব পেশাজীবি সব স্তরেই গলদ। মিনিষ্ট্রির অফিশিয়াল বা সচিব যদি দেখে যে দাদাদের জুতার তলা চাটলে নিজের দেশের সরকারের গুডবুকে থাকা যায়, তাইলে কেমনে কি?
লেখক বলেছেন: @অলসছেলে, আমার মনে হয়, সাম্প্রতিককালে ভারতের মাউন্ডসেটে কিছু পরিবর্তনের সম্ভবনা দেখা গেছে।ভারত উঠতি পরাশক্তি অন্তত সে আকাংখা তার আছে। কিন্তু তার চারপাশে বৈরি প্রতিবেশি।সুতরাং নিজের স্বার্থেই বন্ধু প্রতিবেশী দরকার।বাংলাদেশ সে সুযোগ নিতে পারতো।
সরকার এবং ডিপ্লোমেটদের সামনে সুযোগ ছিলো নিজেদের প্রমান করার।সবসময় জুতা চাটার প্রয়োজন হয়না, জুতা না চেটেও ঝানু কূটনীতি দিয়ে কিছু অর্জন অন্তত এইবার সম্ভব ছিলো বলেই আমার বিশ্বাস।
সেতূ বলেছেন:
সময় উপযোগি পোষ্ট...
পোষ্টের জন্য...কারো কারো গায়ে চুলকানি হচ্ছে কেন?????
এই চুলকানি ঔষধ কি নাই ????
+++
অলস ছেলে বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপনি বেলাইনে চলে যাচ্ছেন।কোন কিছুতে অবসেসড থাকলে কিংবা মাথায় চিরিৎ করে মাল উঠলে এমন সমস্যা হয়। ------
আগের মন্তব্যে কিছু সংযোজন। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নির্ণয়ে বিএনপি ধোয়া তুলসীপাতা তাও না। অতি মাত্রায় রাজনীতি করতে গেলে সমস্যা হয়। কিন্তু বর্তমান সরকার যেহেতু লীগের তাই ঐটা বিস্তারিত প্রসঙ্গ না।
সময় উপযোগি পোষ্ট...
পোষ্টের জন্য...কারো কারো গায়ে চুলকানি হচ্ছে কেন?????
এই চুলকানি ঔষধ কি নাই ????
+++
মুহাম্মদ আমিন বলেছেন:
সেতূ বলেছেন: সময় উপযোগি পোষ্ট...
পোষ্টের জন্য...কারো কারো গায়ে চুলকানি হচ্ছে কেন?????
এই চুলকানি ঔষধ কি নাই ???? +++
----- আছে ভারতে পাওয়া যায় ......+++++++++ ভাল লিখেছেন।
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
ভালো বিশ্লেষণ। +
একজন আমি বলেছেন:
মুহাম্মদ আমিন বলেছেন: সেতূ বলেছেন:সময় উপযোগি পোষ্ট...
পোষ্টের জন্য...কারো কারো গায়ে চুলকানি হচ্ছে কেন?????
এই চুলকানি ঔষধ কি নাই ???? +++
----- আছে ভারতে পাওয়া যায় ......+++++++++ ভাল লিখেছেন।
াহো বলেছেন:
কুটনীতির দুনিয়ায় সুনির্দিষ্টভাবে বন্ধুদেশ-শত্রুদেশ বলে কিছু নেই, এইটা দরকষাকষির দুনিয়া, আপনি যেভাবে পারবেন,সেভাবে আদায় করবেনReply
Agree
াহো বলেছেন:
উলফা গেরিলাদের আইন না থাকা সত্ত্বেও ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছেReply
This is also done for USA.
াহো বলেছেন:
তিন চুক্তিতেই লাভ ভারতের: বিএনপিThu, Jan 14th, 2010 2:25 pm BdST
Dial 2324 from your mobile for latest news
ঢাকা, জানুয়ারি ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় করা তিনটি চুক্তিতে দেশের স্বার্থ রক্ষা হয়নি বলে দাবি করেছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি।
দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন বৃহস্পতিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ওই চুক্তি তিনটিতে ভারতই লাভবান হয়েছে।
ভারত সফর শতভাগ সফল- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা জানালেও বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, ওই সফর পুরোপুরি ব্যর্থ।
দেলোয়ার জানান, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রতিক্রিয়া জানাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় অপরাধ দমন বিষয়ক তিনটি চুক্তি হয়। এগুলো হলো- অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি, দণ্ডাদেশ পাওয়া অপরাধীদের হস্তান্তর চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অবৈধ মাদক পাচার রোধ চুক্তি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, "যে তিনটি চুক্তি তিনি করেছেন; তাতে আমাদের নয়, ভারতই লাভবান হয়েছে। ওই চুক্তির কারণে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হবে।"
চুক্তিগুলোকে 'অসম ও দেশবিরোধী' বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।
বিএনপি সংসদে ফিরবে কিনা- জানতে চাইলে দেলোয়ার আবারো বলেন, "আমরা সংসদে ফিরতে চাই। তবে সংসদে যাওয়ার কোনো পরিবেশ সরকারি দল রাখেনি।"
এ বিষয়ে বিএনপির সংসদীয় দল বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি।
বিএনপি নবম সংসদে প্রথম অধিবেশনের পর আর যোগ দেয়নি। সংসদে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে স�প্রতি ১০টি শর্ত দিয়েছে তারা।
নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের শুরুতেই বিএনপি মহাসচিব হাইতিতে ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতিতে দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।
ব্রিফিংয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ফজলুর রহমান পটল, শামসুজ্জামান দুদু, সংসদে বিরোধী দলের প্রধান হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, সাংসদ শাম্মী আখতার প্রমুখ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএম/আরএ/এমআই/১৫০০ ঘ.
WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।এই সংবাদটা আগে দেখিনি। আপনার বদান্যতায় পড়া হলো।
আমার সংবাদের সুত্র পোষ্টেই আছে।সরকারের ভারতসফর নিয়ে উল্লসিত প্রথমআলোতেই প্রকাশিত।কপি-পেষ্ট না করে পড়ুন।আখেরে কাজে দিবে।
মেরেছো কলসীর কানা
তাই বলে কি প্রেম দেবনা?
লেনদেনের বহর দেখে তাই মুনে পড়ে গেলো!!!
++
ও.জামান বলেছেন:
খুবই ভাল বিশ্লেষণ। প্লাস ++++
ShusthoChinta বলেছেন:
PM-ar prottaborton uplokkhe dhakai 7-8 hour jam sara desh je ar kisu pai nai aida 100% sure!!
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
ভাল বিশ্লেষণ। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যদিও আমার কাছেই আমার বিশ্লষণ পূর্ণাংগ মনে হচ্ছেনা কেন জানি।
যারা আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন, পাছে ভারত বিরোধী হয়ে যায় এমন কিছু করা যাবে না - তাদেরকে আপনি কিভাবে নির্মোহ বুঝাবেন। ভারতের কুটনীতি অবস্হান আমাদেরকে ভারতীয় শাসকদের বিরোধী করে তুলছে - এটা কি বিচার করার অবস্হায় তারা আছেন?
াহো বলেছেন:
ভারতের কুটনীতি অবস্হান আমাদেরকে ভারতীয় শাসকদের বিরোধী করে তুলছে - এটা কি বিচার করার অবস্হায় তারা আছেন?Reply>
Which country is the best friend of US?
Nobody in the world.
আ.লীগ জন্মের পর থেকে-ই ভারত কে সেবা দিয়ে আসতেছে.....,
আপনি কি মনে করেন আমাদের নেতা নেত্রী বা আমলারা এই বিষয় গুলো জানে না?
অবশ্যই তারা জেনে বুঝে এমন চুক্তি করেছে।
শেখ হাসিনা গনতন্ত্রের মানস কন্যা বলে আ.লীগের কাছে খ্যাত অথচ সেই নেত্রীর অসম চুক্তি নিয়ে জাতী সংসদে আলোচনা হয়নি বা কখনো হবে ও না। তবে হাঁ মিডিয়াই এই নিয়ে আ.লীগ বিএনপি খেলা চলবে। আ.লীগ দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে দেশের ১০% খাদক শ্রেনী খাওয়াবে আর বিএনপি ভুল করে অন্যের গাড়ে দোষ চাপাবে।
এই হলো বাংলাদেশ। দেশটা স্বাধীন হলেই ভালো হতো...., হয়তো আজকে এ কথা ভালো লাগছে না! তবে প্রমানিত হইবে ২০/২৫ বছরের মধ্যে।
লুথা বলেছেন:
Click This Link ব্যাপার হইতেছে আমাদের দেশ অলওয়েজ লুজার থাকে...ভারত যে কতটা প্রতিশ্রুতি পূরন করবে, ভালোমতন জানা আছে...দেখা যাক, কয়টা কথা পূরণ করে...১০ দিনের মাথায় তো আরেকটা লোক বিএসএফ'এর গুলিতে মরবে...
মৌ-মাছি বলেছেন:
ভারতের কাছে থেকে বাংলাদেশের পাওয়ার নৈতিক অধিকার কতটুকু এই বিষয়ে আলোচনা করা দরকার। আর সেই অনুযায়ী আমরা পেয়েছি কিনা সেটা বিবেচনা করা দরকার। ধরেন আমরা পাইতে চাইব সবকিছু, কিন্তু পাওয়ার যৌক্তিক কারন গুলি কি। আর ভারতের সাথে দরকষাকষি করার মত আমাদের হাতে কি আছে। আমরা তার সদ্ব্যবহার করেছি কিনা। ধরেন ভারত যেমন অনেক কিছু বন্ধ করে দিয়ে আমাদের বিপদে ফেলতে পারে, আমরা ভারতকে চাপে ফেলতে পারি এইরকম কিছু কি আমাদের হাতে আছে, থাকলে কি, সেটা আমরা কাজে লাগিয়েছি কিনা। অথবা ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে পারব কিনা তার চেষ্টা করেছি কিনা। কি পাওয়া সম্ভব তার বিচার না করে কি পেলাম তা বিচার করা একটু মুসকিল। আর সেটি করা হলে পররাষ্ট্রবিষয়ক নির্মোহ আলোচনার চেয়ে রাজনৈতিক মতামত সামনে চলে আসে। আসা করি কি কি পাওয়ার যৌক্তিক বাস্তবতা ছিল, আর তা পেয়েছি কিনা এইরকম একটা আলোচনা করার চেষ্টা করবেন, যেখানে রাজনীতির ডামডোল অনুপস্থিত থাকবে। তাহলেই কেবল বুঝা যাবে হাসিনার ভারত সফর বিফল না সফল না সুচনা না শেষ কোনটা।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
আমাদের পাওয়ার নৈতিক অধিকার আন্তর্জাতিক আইন।আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী উজানের দেশে ভাটির দেশের অনুমতি ছাড়া একক ভাবে নদীতে বাঁধ নির্মান করেনা কিংবা একতরফাভাবে পানি প্রত্যহার করতে পারেনা।আপনিই বিবেচনা করেন ভারত আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে নাকি চলেনা!
তবে আন্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নৈতিকতার বেইল নাই।জোর যার মুল্লুক তার।আন্তর্জাতিক নদী আইনেরও ক্ষমতা নাই ভারতকে কোন বাধ্যবাধকতায় নিতে।আই,সি,সি(ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট) সুদানের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সমন জারি করতে পারে কিন্তু ইজরায়েলের বিরুদ্ধে টুঁ শব্দটিও করতে পারেনা।
না, দুর্বল রাষ্ট্র হিসেবে ভারতকে চাপে ফেলতি পারে এমন কিছু আমাদের হাতে নাই।তবে জিওগ্রাফিকাল অবস্থানের কারনেই বাংলাদেশকে ভারতের দরকার।আগেই বলেছি, ভারতের চারিদিকে বৈরি প্রতিবেশি, তার নিজের পরাশক্তি হওয়ার আকাংখা আছে, তার উত্তর-পুর্ব অন্চলে তার পুরো কন্ট্রোল দরকার; প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশকে তার প্রয়োজন।সুতরাং আমাদের হাতে দরকষাকষির অপশন আছে।
"কি পাওয়া সম্ভব" এইরকম ফিলোসফিক্যাল ডিবেটে যাওয়ার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না।বিকিকিনির হিসেবেও যদি হিসেব করি, বন্দর ট্রানজিটের বিনিময়ে আমরা কি পেলাম, উত্তর পুর্বান্চলের সশস্ত্র সংগ্রামীদের ভারতের তুলে দিয়ে ওদের(ভারতের) অখন্ডতা নিশ্চিত করলাম, বিনিময়ে আমাদের অস্তিত্বের হুমকি টিপাইমুখ নিয়ে ফাঁপা প্রতিশ্রুতি ছাড়া আর কি পেয়েছি, বি,এস,ফ-এর নির্বিচারে মানুষহত্যার ব্যাপারে কোন আশ্বাস(!), ভারতীয় ভিসা নিয়ে চরম ভোগান্তি-'র উপশমের কোন পদক্ষেপ, ত্রিপুরা-কলকাতা রেলওয়ের ট্রানজিটের বিপরীতে আমাদের প্রাপ্তি কি?
হাসিনার সফর শুভসুচনা হিসেবে দেখতেই আমি রাজি আর কিছুনা।ব্যাস শুধু ঐটুকুই।
তবে এতো ঢাকঢোক পিটিয়ে সফর করার ফলাফল অশ্বডিম্ব বৈকি আর কি নয়।
মৌ-মাছি বলেছেন:
"আপনিই বিবেচনা করেন ভারত আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে নাকি চলেনা!"সবল দরকার মত আইনকে নিজের কাজে লাগায় দুর্বলকে বাধ্য করার জন্য আর যথাসময়ে ভাঙতে পছন্দ করে নিজের সুবিধা দেখলেই। দুর্বলে আইনের আশ্রয়ই নিতে হয়, তার আর কোন উপায় নাই। এইগুলি নৈতিক ভাবে গ্রহনযোগ্য না হলেও, বাস্তবসত্য। দুইটি রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক নৈতিকতার ভিত্তিতে কমই নির্ধারিত হয়। আর আন্তর্জাতিক আইনকে তো রক্ষাকবচ হিসাবে ধরা যায়ই না। কাজেই ভারতকে একা দোষারোপ করে কি হবে আমেরিকা সহ সকল শক্তিশালী রাষ্ট্র একই কাজ করছে। আমি নৈতিক ভাবে গ্রহন না করেও এটিকে স্বাভাবিক প্রবনতা হিসাবে ধরে নিচ্ছি।
"তবে জিওগ্রাফিকাল অবস্থানের কারনেই বাংলাদেশকে ভারতের দরকার।আগেই বলেছি, ভারতের চারিদিকে বৈরি প্রতিবেশি, তার নিজের পরাশক্তি হওয়ার আকাংখা আছে, তার উত্তর-পুর্ব অন্চলে তার পুরো কন্ট্রোল দরকার; প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশকে তার প্রয়োজন।সুতরাং আমাদের হাতে দরকষাকষির অপশন আছে।"
আপনার এই বক্তব্যটির উপরে আমি জোর দিব। বাংলাদেশকে ভারতের প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত ৬০ বছর ভারতের বাংলাদেশকে এইকাজে লাগানো ছাড়ানোই চলছে। ঠিক যেমন বাড়িতে বিদ্যুত আসার আগে আমরা কেরোসিনে চলে অভ্যস্ত থাকি। সেতু হওয়ার আগে উত্তরবঙ্গ যেমন চলছিল। এখন ভাবুন বিদ্যুত আসার পরে আপনি যখন এর গুরুত্ব হাতে কলমে বুঝেছেন এখন যদি বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন করা হয় তাহলে আপনার উপর বেশি চাপ দেয়া যাবে নাকি কি বিদ্যুত যখন ছিলনা, আপনি কেরোসিনে অভ্যস্ত ছিলেন, তখন বিদ্যুত সংযোগ দিব কি দিবনা তা নিয়ে বেশি চাপ দেয়া সম্ভব। একই অবস্থা চিন্তা করেন, সেতু হওয়ার আগে উত্তরবঙ্গ যেভাবে চলত, এখন সেতু কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হলে কি অবস্থা হবে ভেবে দেখুন। আমি যা বুঝাতে চাইলাম আপনি যদি তার সাথে একমত হোন তাহলে বুঝবেন, আমাদের হাতে ভারতের সাথে দরকষাকষি করার যে অবলম্বন আছে তাকে সক্রিয় করা দরকার। ভারতকে তার দুইপাশের মধ্য যোগাযোগের সুযোগ দিয়ে, তাকে অভ্যস্ত করিয়ে, তাকে বাংলাদেশের দেয়া এই সুবিধার উপর নির্ভরশীল করিয়ে, আমরা যত খানি দরকষাকষি করতে পারব, বর্তমানে কিছু না দিয়ে তা করতে পারব না। আমরা তখন বলতে পারব, এই দিলাম তোমার সব বন্ধ করে, দিলাম গলায় টিপ। গলা তো আমাদের কাছে।
"কি পাওয়া সম্ভব" এইরকম ফিলোসফিক্যাল ডিবেটে যাওয়ার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না।"
এটি দার্শনিক পর্যায়ের বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে ভাবুন, আপনাকে কেউ অনবরত গালি দিচ্ছে, আপনার পরিবারের কাউকে আপনার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়ার সাহায্য করছে, এখন আপনি তাকে কি কোন কিছু উদার হস্তে দিয়ে দিবেন। বাংলাদেশ ভারতের মধ্যেকার প্রায় পুরোটা সময় আমাদের ভারত বিরোধী সরকার গুলি গালিই দিয়ে এসেছে, ঝগড়াই করে এসেছে। এরা কিছু নেয়ার জন্য কোন রকম দেন দরবার পর্যন্ত করে নাই। কাজেই ভারতের কাছে থেকে কোন কিছু পাওয়ার তেমন কোন যৌক্তিক ভিত্তি আমাদের আছে বলে আমার মনে হয়না। একমাত্র আন্তর্জাতিক আইন আছে, আমাদের পক্ষে, আর আমরা ধরে নিয়েছি, সেই আইন মেনে কেউ আমাদের সব মুখে তুলে দিয়ে যাবে।
"বিকিকিনির হিসেবেও যদি হিসেব করি, বন্দর ট্রানজিটের বিনিময়ে আমরা কি পেলাম, উত্তর পুর্বান্চলের সশস্ত্র সংগ্রামীদের ভারতের তুলে দিয়ে ওদের(ভারতের) অখন্ডতা নিশ্চিত করলাম, বিনিময়ে আমাদের অস্তিত্বের হুমকি টিপাইমুখ নিয়ে ফাঁপা প্রতিশ্রুতি ছাড়া আর কি পেয়েছি, বি,এস,ফ-এর নির্বিচারে মানুষহত্যার ব্যাপারে কোন আশ্বাস(!), ভারতীয় ভিসা নিয়ে চরম ভোগান্তি-'র উপশমের কোন পদক্ষেপ, ত্রিপুরা-কলকাতা রেলওয়ের ট্রানজিটের বিপরীতে আমাদের প্রাপ্তি কি?"
বন্দর দিলে যে আমরা অর্থনৈতিক দিক দিয়ে কিছু পাব, সেটি আপনি ভালই জানেন। আমি সেই আলোচনায় যাচ্ছি না। আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রামের সাথে আমি ভারতের বিচ্ছিন্নতা বাদীদের এককাতারে ফেলা যায় কিন আমি নিশ্চিত নই। স্বাধীনতার যুদ্ধের পূর্বে (এর আগে তো সশস্ত্র সংগ্রাম ছিল না, ছিল রাজনৈতিক সংগ্রাম) আমাদের নির্বাচনের মাধ্যমে পুরো জন গোষ্ঠির স্বাধীকার ও স্বায়ত্বশাসন প্রশ্নে জনরায় ছিল। এটি আর কোন দলের বিষয় ছিলনা। ভারতের এই বিচ্ছিন্নতা বাদীদের কি এই রূপ কোন জনরায় আছে -- যা বৈধ ভাবে ঐ এলাকার স্বাধীনতা দাবী করে। আপনার কাছে প্রমান থাকলে দিবেন, মেনে নেব। তবে আমার জানামতে ঐ বিচ্ছিন্নতা বাদীরা আমাদের মতো নিয়মতান্ত্রিক পথের চেয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে পথের দিকেই এগিয়ে গেছে, এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে তাতে জন গনের সমর্থন আছে এটি বুঝার উপায় নাই। তামিলদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। ভারতের ঐবিচ্ছিন্নতা বাদীরা যদি নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় দেখাতে পারে জন গন তাদের পক্ষে আছে, তাহলেই কেবল আমরা তাদের সশস্ত্র সংগ্রামেও সমর্থন দিতে পারি। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে আরো অনেক দেশই স্বাধীনতার সংগ্রাম করছে। -- এমনকি যুক্তরাজ্যের ভিতরে স্কটল্যান্ডেও এইরকম সংগ্রাম বিদ্যমান। তবে সেইদল গুলি ভোটের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত নিয়েই সেটি করতে চায়। যাইহোক একদুইজন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের তুলে দিয়ে একদম ভারতের অখন্ডতা নিশ্চিত করলাম বলা কম করে বললেও একটু ঝোঁকের চোটে বলা হয়েছেই বলা যায়।
"টিপাইমুখ নিয়ে ফাঁপা প্রতিশ্রুতি ছাড়া আর কি পেয়েছি" -- হমম এটি সত্য -- ধরা যাক এটি অক্ষমতা, বা অনিচ্ছা, বা ভারত তোষন। কিন্তু আমাদের কি করার আছে, সে বিষয়ে কেউ কিছু বলছে না। ভারতকে নাকে খত দিয়ে টিপাইমুখ আর করব না বলানো কি সম্ভব। আর ধরুন রাজনৈতিকভাবে আমাদের অন্য যারা ফাঁপা প্রতিশ্রুতির বাইরে কার্যকর কিছু চায়, তারা তো কিছু দিন আগেও ক্ষমতায় ছিলেন, আবার ৪বছর পরে আসবেন হয়ত। তারা যদিও কার্যকর কিছু করেন নাই, ভুলে গেছেন, তবুও আবার এসে করবেন এই আশাবাদ রাখছি, যদিও কিছু করবেন না বলেই মনে হয়।
সীমান্তে ঠেলা ঠেলি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা -- কম আর বেশী। আমাদের সাহসী বিডিআর রাও কয়েক বছর আগে ভারতীয়দের মেরে বাঁশের সাথে ঝুলিয়ে এনেছিল -- পত্রিকায় ছবি এসেছিল। ভিসা সমস্যাও নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা বলেই আমার কাছে মনে হয়। আর আমরা ভারতের এইসব কর্মকান্ডের প্রতিক্রিয়া হিসাবে ভারত যাওয়া আসা কমিয়ে দিলে এই সমস্যা তেমন থাকেনা। :-)
আমার দৃষ্টিতে ভারতের সাথে সদ্ভাব রেখে ভারতকে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা দিয়ে তার গলাটা আমাদের পাওয়া দরকার। যাতে গলায় টিপ দেওয়ার (এখন যেটা শুধু তাত্ত্বিক অবস্থায় রয়েছে) বাস্তব অবস্থা সৃষ্টি করে ভারতে চাপে ফেলানো যায়।
লেখক বলেছেন: "আপনার এই বক্তব্যটির উপরে আমি জোর দিব। বাংলাদেশকে ভারতের প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত ৬০ বছর ভারতের বাংলাদেশকে এইকাজে লাগানো ছাড়ানোই চলছে"।
হাঁ চলেছে ।তবে ৬০ বছর আগের ভারত আর এখনকার ভারত এক না।৬০ বছর আগের ভারত নিজেদের ইন্টেগ্রেটি আর পাকিস্তানের সাথে বাদাবাদির চিন্তায় উদ্বিগণ এক গরীব দেশ।৬০ বছর আগে, ভারত পরাশক্তির স্বপ্ন দেখলেও(যদি আদৌ দেখে থাকে!) তা প্রকাশ করার সাহস পায়নাই, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার স্বপ্ন দেখে নাই; এখন দেখে।।এইগুলো বাস্তবায়ন করতে তার বাংলাদেশকে প্রয়োজন।কেনো প্রয়োজন আগেই বলেছি!
"কিন্তু আমাদের কি করার আছে, সে বিষয়ে কেউ কিছু বলছে না"।
ব্রক্ষপু্ত্র নদীতে চীন বাধনির্মান শুরু করাতেই ভারতীয় মিডিয়ার চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়ে গেছে না।এই বাঁধ ভারত রুখবে কিভাবে? চীনকে বাধ্যবাধকতায় ফেলার ক্ষমতা তার নাই।সুতরাং , এ সমস্যার আন্তর্জাতিক রুপ দিয়ে বাংলাদেশকে পাশে পেতে চাইবে।তখনই আমরা চাইবো, টিপাইমুখ নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে লিখিত চুক্তি।
"ভিসা সমস্যাও নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা বলেই আমার কাছে মনে হয়"।
মানতে পারছি না।ভারতীয় ইনটেলিজেন্সের চোখে শত্রুরাষ্ট্র তিনটা, চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ।বিশ্বাস নয় হয় এখানেই দেখুন।
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সমস্যা সেই দৃষ্টিভংগীর প্রতিফলন।
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
না, দুর্বল রাষ্ট্র হিসেবে ভারতকে চাপে ফেলতি পারে এমন কিছু আমাদের হাতে নাই।তবে জিওগ্রাফিকাল অবস্থানের কারনেই বাংলাদেশকে ভারতের দরকার।আগেই বলেছি, ভারতের চারিদিকে বৈরি প্রতিবেশি, তার নিজের পরাশক্তি হওয়ার আকাংখা আছে, তার উত্তর-পুর্ব অন্চলে তার পুরো কন্ট্রোল দরকার; প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশকে তার প্রয়োজন।সুতরাং আমাদের হাতে দরকষাকষির অপশন আছে।=================================
শিমুল ভাই, আপনার সাথে আমার চ্যাটিং এ এবিষয় নিয়ে কথা হয়েছিল।
সন্দেহ নেই ভারতের কাছে আমাদের অনেক দাবীদাওয়া আটকে আছে ভারতের সদিচ্ছার অভাবে। কিন্ত আন্তর্জাতিক দাবীদাওয়া মায়ের বুকের দুধ না যে কান্নাকাটি করলেই তা পাওয়া যাবে। এই বানিজ্যিক যুগে সবকিছুই বানিজ্যিক। তাই বাংলাদেশের দাবী দাওয়া আদায়েরও হাতিয়ার হতে হবে বানিজ্যিক সম্পর্ক।
উদাহরন দেই, ধরেন চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারত তার সুফল ঘরে তুলছে। পাশাপাশি বাংলাদেশও বেশ কিছু কাঁচাপয়সা ও লাভজনক বন্দরের মুখ দেখছে। ধীরে ধীরে বন্দর বানিজ্য কেন্দ্র করেই বেশ কিছু বাংলাদেশী ও ভারতীয় বিনিয়োগ গড়ে উঠল [ এমন নয় যে বিনিয়োগটা ভারতীয় সরকারী বিনিয়োগই হতে হবে] স। সুতরাং তখন বাংলাদেশ ভারত সুসম্পর্কের দাম বন্দর বানিজ্যের সমমূল্য। তখন স্বভাবতই সীমান্তে একজন বাংলাদেশীকে গুলি করে মারতে হলেও ভারতকে দ্বিতীয়বার ভাবতে হবে। এমনকি শুধুমাত্র বন্দর কেন্দ্রিক বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও ভারতে বাংলাদেশের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করতে। অন্যদিকে দরকষাকষির জন্য বাংলাদেশের হাতেও আরেকটি অস্ত্র আসবে। বলতে পারেন ফারাক্কা যেমন ভারতের তুরুপের তাস তেমনি আমাদের বন্দর হবে আমাদের তুরুপের তাস।
সেভেন সিস্টারসে বাংলাদেশের বানিজ্য সম্ভাবনা আছে কোন সন্দেহ নেই ।সেটা নিয়ে সরকার দরকষাকষিতে খুব একটা সুবিধা আদায় করতে পারেনি তাও সত্যি। কিন্তু যদি প্রাথমিক ভাবে কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও ( ধরি শুধু ট্রানজিটের বিনিময়ে ) একটা বানিজ্য সম্পর্ক দাঁড় করাতে পারে তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশও নেপাল ভুটানে তার সুবিধামত ট্রানজিটের জন্য দরকষাকষিতে আপারহ্যান্ড পাবে। অথচ এখনই যদি আমরা সমান সুযোগের দাবীতে নিজেদের দরজা বন্ধ করে রাখি তাহলে বন্ধ দরজা দিয়ে কোন সুযোগই ঢুকবে না।
ইংরেজরা এদেশে একসময় বিনামূল্যে চা বিতরন করে চা কে জনপ্রিয় করেছিল । তারা কিন্তু প্রথম থেকেই চায়ের চড়া মুল্য আদায়ের চেষ্টা করেনি । নি:সন্দেহে সেটা ইংরেজদের বানিজ্যিক দূরদর্শিতাই ছিল । বানিজ্যের ধারনা কিন্তু এখনও খুব একটা পরিবর্তন হয়নি।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
@মৌমাছি এবং প্রিয় শাওন,দুজনেই চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতকে অভ্যস্ত করিয়ে সেখান থেকে পলিটিক্যাল প্রেসার ক্রিয়েট করতে চাই, এমন অবস্থায় যেতে চাইছেন।সেইটা হয়তোবা সম্ভব কিন্তু সেটার আগে চট্রগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে দেয়ার টার্মস এন্ড কন্ডিশন কি ঠিক করা কি উচিত না!বর্তমান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ি বাংলাদেশ তেমন কোন অর্থনৈতিক কিংবা রাজনৈতিক সুবিধা যে পাবেনা, সেটি আমি আরেকটি পোষ্টে বিষৎ আলোচনা করবো।
শাওন, তুমি ভারতকে কিছু ছাড় দিয়ে পরবর্তীতে কিছু দাবী আদায় করতে চাইছো।আমার মনে হয় এইটাও সম্ভব না।দরকষাকষির শুরুতেই আমরা যদি আমাদের দাবীদাওয়া ঠিকমতো তুলতে না পারি, পরবর্তীতে তা নিয়ে কিছু ছাড় পাওয়ার আশা বৃথা।উদাহরন, বেরুবারি ছিটমহল ভারতের হাতে ছেড়ে দেওয়ার পর প্রতিশ্রুত তিনবিঘা করিডর কি আমরা পেয়েছি! আমি আগেই বলেছি, ভারতের উপর চাপ প্রয়োগ করার ক্ষমতা আমাদের নেই কিন্তু দরকষাকষির সুযোগ আছে এবং সেই সুযোগই আমাদের একমাত্র অবলম্বন।এক্ষেত্রে যে কোন ছাড় দেওয়ার আমি চরমবিরোধি।
তুমি আরেকটা জিনিস উল্লেখ করছো, যে বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ হলে সীমান্তে বি,এস,এফ-এর কিলিং বন্ধ হবে।এইটাও ধোপে টিকে না।বাংলাদেশ বিশেষত ঢাকাশহরে ভারতীয় বিনিয়োগ নেহায়েৎ কম না।অভিজাত রেষ্টুরেন্ট(যেমন খানা-খাজানা, শাড়ীরদোকান(ভাসাবি) যেমন আছে, তেমনি মোবাইল অপারটেরগুলোতে ভ্যালু-এডেড সার্ভিস প্রোভাইড করে অনেক ভারতীয় কোম্পানী, এমনকি বাংলাদেশের গার্মেন্টস, টেলিকম সেক্টরে কর্মরত হাইলীপেইড ভারতীয় অফিসিয়াল অনেক।এতো কিছুর পরেও সীমান্তে কিন্তু কিলিং বন্ধ হয়নি।
সীমান্তে কিলিং ভারতীয় আধিপত্যের এক কুৎসিত প্রকাশ; বাংলাদেশকে রাষ্ট্রকে চোখে আংগুল তুলে দেখিয়ে দেয়া "দেখো, আমরা চাইলেই তোমাদের কুকুরের মত গুলি করে মারতে পারি"।শুধু বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ বাড়লেই যে তা বন্ধ হবেনা, তা চোখ বন্ধ করেও বলে দেওয়া যেতে পারে।এরপ্রতিবাদ রাষ্ট্রকেই করতে হবে।
"পাকিস্তানে ভারতীয় বিনিয়োগ যে বাংলাদেশের চেয়ে কম" নিশ্চিতভাবেই বলে দেয়া যেতে পারে।কই পাকিস্তান সীমান্তে বি,এস,এফ এমন শ্যুটিং প্রাকটিস্ তো করতে পারেনা।
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
বেরুবাড়ি আর বন্দরের বানিজ্যিক মূল্য এক না। সুতরাং সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তা এক রকম প্রভাব ফেলবে না।খানা খাজানা বা কিছু বেসরকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর চেয়ে বন্দর বা ট্রানজিটের বানিজ্যিক মূল্য অনেক অনেক গুন বেশী পাশাপাশি কূটনীতিতে তার প্রভাবও বেশী। আর মই দিয়ে গাছে উঠিয়ে মই কেড়ে নেয়ার ব্ল্যাকমেইলিং আরো বেশি ইফেকটিভ হওয়ার কথা
পাকিস্তানে ইন্ডিয়ার ইনভেস্টমেন্ট এর চেয়েও বড় ফ্যাক্টর হলো পরমানু অস্ত্র। সুতরাং পাকিস্তান সীমান্ত ও বাংলাদেশ সীমান্ত কোন ভাবেই তুলনীয় নয় ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা, বুঝলাম বেরুবাড়ি আর বন্দরের গুরুত্ব এক না।কিন্তু ভারতীয় কুটনীতিকদের মনোভাব বোঝার জন্য এইটা যথেষ্ট।
আচ্ছা, তুমি আমাকে বলো বন্দরকেন্দ্রিক কি কি বিনিয়োগ ভারত করতে পারে, যেটাকে আমরা ট্রামকার্ড হিসেবে ইউজ করতে পারি!এমনকি, দিল্লীর সাউথকে ব্লককেও চাপে রাখতে পারি!
নীচের কথার সাথে একমত; সবশালাই শক্তের ভক্ত নরমের যম।সো, এরকম মিনমিন করে চললে সবাই থাবড়াবোই।আমি বি,এন,পি/জামাত সরকারের মতো নির্বোধ হতে বলছিনা, দরকষাকষি নিজেদের বীর্যবান হিসেবে প্রমান করতে বলেছি।
মৌ-মাছি বলেছেন:
লেখক, আপনার কথার সুর উপরে উপরে বুঝলাম। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে কি বলতে চাইছেন -- তা পরিস্কার হল না। শক্ত হয়ে কথা বলতে হবে এটা পরিস্কার কিন্তু কি বলতে হবে এটা পরিস্কার না। বোধ হয় বলতে চাইছেন,"আমাদের পদ্মায় পানি দিতে হবে, টিপাইমুখ বন্ধ করতে হবে, সীমান্তে মানুষ মারা যাবে না, না হলে আমরা ট্রানজিট, বন্দর, দিব না।"
ঠিক এটিই আমরা গত ৪০ বছর ধরে মোটামুটি করে আসছি। ঠিক এই পলিসি নতুন কোন ফলাফল বয়ে আনবে বলে মনে হয় না, এমনকি ভারত পরাশক্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখা সত্ত্বেও। কাজেই আমাদের ভিন্ন কিছু করতে হবে। কি সেটি সেটা নিয়ে কথা বলা দরকার।
লেখক বলেছেন: মধু সংগ্রাহক ভ্রাতা, কি করতে হবে, কিভাবে করতে হবে, তার আগে আমাদের অনেক ফিজিবিলিটি স্টাডি দরকার।একটু সময় তো লাগবেই।৪০ বছর অপেক্ষা করেছি আর কিছুদিন করতে সমস্যা কোথায়
মনে পড়ে, গতসরকারের অর্থমন্ত্রী সাইফুরের রহমানের চটুল মন্তব্য(গ্যাস রপ্তানীর প্রসংগে) "মাটির নীচে গ্যাস ফেলে রেখে লাভ কি"? তখন অনেককেই যুক্তি দিতে শুনেছি, পরে এই গ্যাস উত্তোলন করার আগেই অন্য টেকনোলজি আসবে; তখন এই গ্যাসের মুল্য থাকবে না।হাহাহাহা.....।
ভগবান না করুক, ঐ সময়ে বামরা যদি তাঁদের ক্ষুদ্র শক্তি দিয়ে না রুখে দাড়াঁতো
তাইলে আজ কি মুসিবতেই না পড়তাম।যাহোক, আপনার ধৈর্যচ্যুতি না ঘটিয়ে
সচলের একটা লিংক ভারতের সাথে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক চুক্তি দেই।ঐখানে অগোছালো ভাবে হলেও, করণীয়গুলো নিজের মতো করে বলেছি।একটু সময় নষ্ট করে পড়ে নিন।
অনেকের একব্লগের লিংক অন্যব্লগে দেওয়া'র বিরোধি।লিখতে লিখতে হাত ব্যাথা হয়ে গেছে।তাই দিলাম, ডোন্ট মাউন্ড।
ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















২০১১ সালে দুই দেশ যৌথভাবে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকেও জাতীয় স্বার্থবিরোধী আখ্যা দিয়েছে জামায়াত।
-------------------------------------------------------------------------------------
Why there is no Anti Burma
We have problem with Burma.Muslim Killing.Border Issue.
Last week ,there is a meeting in Dhaka.
Khalada ,BNP said about this in last 10 years in Open Meeting?
Any blogger write any feature?
--------------------------------------------------------------------------------
বাংলাদেশকে কেন এই ঋণ দিলো ভারত?
UK give us laon.
But UK govt also take laon to reduce budget deficit.
-----------------------------------------------------
Pakistan do take his people from Bangladesh in 30 years.
But this is not a election issue.