আমি অবাক হলাম খবরটা শুনে। একজন রাজনীতিবিদ সত্যি কি একজন সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করতে গিয়েছিল । তাও আমাদের দেশে !! আসলেই অবাক হলাম। পাবনা ৫ আসনের এই সংসদ সদস্য এক জন কে উদ্ধার করতে যেয়ে আহত। উনি এখন শমরিকায় আছেন। পা ভেঙ্গে গেছে উনার।
বাকীবিল্লাহ নামের একজন বসুন্ধরার সিকিউরিটি ইন চার্গ মারা গেছেন। আবার, আরেক খবরে শুনলাম উনি নাকি ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ছিলেন।
খুঁটি নাটি বিষয়ে একেক চ্যানেল একেক কথা বলতেছে।
তবে, চ্যানেল ওয়ানে এই মাত্র একটা ফুটেজ দেখলাম। একজন ফায়ার ফাইটার উপরে উঠার দড়ি থেকে পড়ে যান।চদেখে কেমন যেন লাগতেছে। প্রায় আঠারো তলার থেকে পড়েন। উনার লাশটাও দেখায়। আর দেখায়, উনার স্ত্রী আর তার কোলে তাদের দুই বাচ্চাকে। দেশটাতে কী যেন হইছে।
কিছু একটা হইলেই মানুষ মারা যায়। মানুষের মৃত্যু এখন এত সহজ। তাহলে, মনের মধ্যে যারা অন্যকে মারা চিন্তা নিয়ে ঘোরে, অরা কেন মরে না ?
রাবি তে যার দোষই থাকুক, অখানেও ছেলেরা মৃত। যে যেই দলেরই হোক , কারো মৃত্যুতে খুশি প্রপকাশ করা নির্লজ্জ ঘৃণার কাজ ছাড়া আর কিছু না। কিছু, মানুষের হাতে , তাদের পিটুনিতে মৃত্যু বরণ করাটা বড় কষ্টের। নিজেকে একবার ঐ জায়গায় ভেবে দেখুন তো !! তারা জানে, তারা দেখতেছে তাদের সামনে আপনি ধুঁকে ধুঁকে মরছেন, এরপরেও আপনাকে পিটিয়ে চলেছে। এরা যেই দলেরি হোক, এদের থেকে সত্য আপনি দেশের সেবা আশা করেন !! নিজেকে একবার ঐ জায়গায় ভাবুন। যে মারা গেছে তার জায়গায়।
আগুনে পুড়ে পুড়ে মরার কষ্টটা ভাবতে যেয়েই কেমন যেন লাগতেছে। অখনো জানা যায়নি এভাবে কেউ মারা গেছে কী না।
মালয়েশিয়া থেকে তিনশত শ্রমিক আজ কাজ না পেয়ে দেশে ফিরলো। অনেকে নাকি অখানে এখনো ব্রিজের নিচে ঘুমাচ্ছে। কেউ কোন সাহায্য আন করলে নাকি না খেয়ে মারা যাবে। তারা অনেকেই ৭ দিন না খেয়ে আছে। কোম্পয়ানী এদের থেকে জোর করে সিগ্নেচার করিয়ে নিয়েছে যে, এদের তকে নাকি কাজ দেয়া হয়েছে। ১ বছরে নাকি ৩ মাসও কাজ দেইনি। বাকি সময় আটকে রেখেছিল। ওখানে বাংলাদেশের দূতাবাসে যেয়ে নাকি কোন লাভ হয়নি। ওদের নাকি পাত্তাই দেয় নি।
এইসব কোম্পানী কি এতদিন তত্তাবধায়ক সরকারের অগোচরে ছিল। তাদের সমর এওত বড় আদম চালান হল, তাদের বাপ মিলিটারীরা কি ঘাস কাটছিল ? এখন আবার তারা দেশের সূর্য সন্তান।
নির্লজ্জ আমরা। আমাদের দেশটা ধংস না হলে আর কাদের হবে ! আমরাই আবার বিদেশীদের দোষ দিয়ে সাধু সাজি।
[ কত মানুষ পড়ে, কিন্তু কেউ রেটিং করে না। আপনি একটা দিয়ে দেন ।]
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



