আমার প্রিয় পোস্ট
- ভালো লাগা কিছু WordPress Plugin ( জানলে ভালো, না জানলে আরো ভালো মার্কা পোস্ট ) - উণ্মাদ তন্ময়
- কিভাবে একা থাকা অবস্থায় হার্ট এ্যাটাক হলে নিজেকে রক্ষা করবেন? - ওসমাণ
- দেখুন ৮০র দশকের ভয়াবহ রকম অশ্লীল বাংলা ছায়াছবির কিছু চরম অশ্লীল গান (১৮++ দের জন্য) - কবি ও কাব্য
- ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, সংসদে বক্তব্য এবং আমাদের রাজনীতি...... - অবলা পুরুষ
- Undergraduate এ CGPA যদি খুব কম থাকে, আপনি কি সত্যি-ই USA-Canada তে MS- PhD করার জন্যে ফান্ডিং পাবেন - ফার্মাসিস্ট
- যে সকল উদ্ভাবকদের আবিস্কারের স্বীকৃতি দেয়া নিয়ে বিতর্কের জন্ম নিয়েছিল - রামন
- Filmmaking - আসুন শিখে ফেলি কিভাবে আস্ত একটা সিনেমা বানিয়ে ফেলা যায় - সবগুলো অধ্যায়ের লিঙ্ক - মাস্টার
- এন্ড্রয়েড সমগ্র (আপডেটেড ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১২ পর্যন্ত) - রায়হান কবীর
- জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা। - হাসান41554
- দ্বাদশ পর্ব - ফটুক তোলা শিখতে চাইলে আমার শিষ্যত্ব গ্রহন করো.... - পাঙ্খাবাবা
- খুব কাজের কিছু ওয়েবসাইট যা আমরা ব্যবহার করি কম...
- মামুন হতভাগা
- এন্ড্রয়েডে বাংলা লিখার সহজ তরিকা - ভবঘুরে যোম্বি
- প্রয়োজনীয় কিছু Android Applications . - ই মানব

হাবিজাবি---
মজা পাবি
১৮পিলাচ মাইনাস
- স্বর্পরাজ
- ২০ টি কাজের এবং মজার ছবি এডিটিং ওয়েবসাইট অবশ্যই দেখুন - অণুজীব
- কার গাইড (Car guide) -০৭ - রাজীব
- গল্প: তাহলে কে এসেছিল - ইমন জুবায়ের
- নিজে নিজেই এ্যানিমেশন কার্টুন বানিয়ে নিন মাত্র ৫ মিনিটে। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে, তাই না। বাট ইট্স ট্রু - কক

বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর এলাকার সবচেয়ে সুন্দর জায়াগাগুলিতে ঘোরার জন্য আপনার জন্যই প্যাকেজ পোস্ট!!!এক পোস্টে সব পাবেন।:D
- ঢাকারআশিক
- আবারও মিছা ইব্রাহিমের ২ নাম্বারী - আন্ডা মিয়া
- আমরা শিশুদের কি শিখাচ্ছি বা অন্যভাবে বললে শিশুরা আমাদের থেকে কি শিখছে? - বেঙ্গল মাসুদ
- অনুবীক্ষন যন্ত্রের মাধ্যমে তোলা আমাদের দেহের ভিতরের কলকব্জার অসাধারন সব ছবি - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- টেক্সটাইল ইঞ্জিঃ এর কিছু ব্লগ এর লিঙ্ক - প্রামানিক
- ক্যামেরা বিষয়ক পোস্টের ডিকশনারী (আপডেট) - রাজসোহান
- ছবি এডিট করা এত সহজ! এখন থেকে এক তুড়িতেই নিজের ছবি প্রফেশনালদের মতো এডিট করুন!!

- হাসান জোবায়ের
- একদিন, শাহ আবদুল করিম - ইমন জুবায়ের
- বুফে : ঢাকায় বুফের হালচাল এবং আমার অভিজ্ঞতা থেকে ঢাকার বিখ্যাত বুফে রেস্টুরেন্ট(বিস্তারিত) - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- বিনোদন জগতের কয়েকটি পরিচিত মুখ সমাচার - আদিত্য আরাফাত
- মাত্র দুটি প্রশ্নই আপনাকে বুঝিয়ে দেবে কোন কোন এমএলএম/ডিরেক্ট সেলিং কোম্পানি অবৈধ!!! - ডি-টু-কে
- এই লজ্জা রাখি কোথায়? (প্রসংঙ্গঃ ইন্টার্নী ডাক্তারদের গ্রামে এক বছর ইন্টার্নী করতে হবে) - ডাঃ নিয়াজ
- ইন্ডিয়ান মিউজিশিয়ানদের জোচ্চুরি
(আসুন কিছু হিন্দি গানের অর্জিনাল ভার্সন শুনি) - আলআমিন মিরাজ
- ইচ্ছা মতো আপনার ছবির বেকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করুন আর দেখুন কত মজা! - হাসান জোবায়ের
- আপনার ইচ্ছা মতো ছবিতে হাসি,দুঃখ এবং ফানি এক্সপ্রেশন ফুটিয়ে তুলুন! (ছবিতো মনের কথাই বলে)
- হাসান জোবায়ের
- কিছু জোক্স !!! হাসাতে পারলাম না তাই দুঃখিত! - আভাস রশিদ
- মধ্যরাতের হাসাহাসি -- এটি একটি তেব্র ১৮+ প্লাস পোষ্ট - কুঁড়ের বাদশা
- বলিউডি সিনেমা- হলিউডি কাহিনী - ইহতিশাম আহমদ
- মুজিব বাহিনী: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে রহস্যময় অধ্যায় - গিনিপিগ
- কয়েকটি লিংক ; আপনার কাজে লাগতে পারে। - আজাদ আল্-আমীন
- ডেটাবেজ থেকে পরিবর্তন করবেন ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের ইউজার পাসওয়ার্ড - রানা পাটোয়ারী
- ~::~ শ্যাডো আর্ট ~::~ [ না দেখলে মিসাইবেন
] - আসিফ আহমেদ মামুন
- নকল!নকল!!নকল!!!নকল হইতে সাবধান - পাগলমন২০১১
- ট্রাভেল গাইড::বান্দরবান:: কি ভাবে যাবেন,কি দেখবেন? কত খরচ? - মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী
- আসেন দেখি আমাদের প্রিয় পৃথিবী আমরা কোথায় কিভাবে রয়েছি - ফাহিম আহমদ
- আমার ব্যাখ্যাতীত দুঃস্বপ্নগুলোঃ কেউ কি যৌক্তিক কোন ব্যাখ্য দিতে এগিয়ে আসবেন? - মাহমুদহাসান
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- বিদেশে উচ্চশিক্ষা: অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কথা (পর্ব-১)
- মেঘলা মানুষ
- একটি নিঃস্বার্থ বিজ্ঞাপন(ব্লগার রিভিউ)। আপডেট সহ। - অ্যামাটার
- ওয়েবসাইটচন্দ্র লিংকসাগর : কিছু অতি জরুরী ওয়েবসাইট , না জানলে পস্তাবেন - জাফর সািদক রুমী
- যা কিছু পছন্দের........ মিউজিক! - স্বাধীনতার বার্তা
- কিছু কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের ফ্রি আল্টারনেটিভ - অজানা এক পথিক
- শিক্ষার ক্ষেত্রে অন্তত যৌক্তিক হউন, প্লিজ প্লিজ প্লিজ - দুরের পাখি
- হলিউড থেকে কপি করা হিন্দি মুভি - দিপ
- ঈদের ছুটিতে সিলেট ঘুরে আসুন (সিলেটের পর্যটন স্পটগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা) ১ম পর্ব - আমরা সোচ্চার
- বাংলা সাহিত্যের কিছু আলোচিত উদ্ধৃতি ও রচয়িতা - কাউসার আলম
- ব্লগ লিখে আয় করুন। - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- আমার প্রিয় কিছু মোবাইল সফটওয়্যার - মাহমুদ সিএসই
- কিছু interview questions.. প্রস্তুতি শুরু হোক এখনি।।

- ওমর হািবব
- সাবধান, ভুলেও যাবেন না, গেলে ক্ষতি না লাভ পরে বুঝবেন (৪র্থ ও শেষ পর্ব)। - মাহফুজ৩১৮
- ইমোটিক গপ্প - ঠাট্টা
- ১০০ রসিকতা । হাসতে হবেনা ঠোট বাঁকালেই চলবে !!.....চামে একটা চরম ১৮+ ফাউ - ছোট মামা
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ের আমার অদ্ভুত কিছু স্মৃতি- copy - রণতরী বাংলাদেশ
- কী চমৎকার দেখা গেল-১!!!!!নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হইতেছে.... - অসামাজিক ০০৭০০৭
- ফটোশপে পাসপোর্ট এবং স্ট্যাম্প সাইজের ছবি (পাসপোর্ট প্রতি ছবি প্রিন্টের খরচ ১ টাকা ১৬পয়সা এবং স্ট্যাম্প ২৯ পয়সা !!) - রিডার ওয়ান
- শেয়ার ব্যবসা-৬: যে ভাবে ঘোষিত হতে যাওয়া ডিভিডেন্ট হিসাব করবেন - ওরাকল
- ইংরেজীর মজা - িক
- গিগা পিক্সেল ছবির জগতে আসুন - সালাহউদ্দীন আহমদ
- পদ্মা রিসোর্ট, লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ - আনিসুজ্জামান রাসেল
- DOI : ২ টি মেসেজ , নাম মুজিবের , ব্যক্তিটি কে ? - দাসত্ব
- বাংলার ভাবান্দোলনঃ জালালগীতিকা পাঠ - সেলিম তাহের
- অসাধারন কিছু ওয়েব-পেজ এর [সংক্ষিপ্ত]বর্ননাসহ লিংক (প্রতিটি পেজের গ্যারান্টি আছে [ওয়ারেন্টি না], ভাল না লাগলে বদলায়া দেব) - নাজমুস
- ওরে বাপস এইডা মিলা নি - আমি কুমিল্লার পোলা
- বিনামূল্যে পড়ুন MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে - আলামিনস্টাইন
- আমার যত প্রিয় বল্গারস পর্ব ৪ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- সঠিক পথে গাড়ী চালানোর লাইসেন্স পেতে যা করতে হবে... - মেসবাহ য়াযাদ
- আজকের আকাশে অনেক তারা... - দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- মাঝরাতের বাড্ডেপোস্ট: শুভজন্মদিন পাগলা! - আমড়া কাঠের ঢেকি
- ফটুক ব্লগ ...মেরিল প্রথম আলো এওয়ার্ড ) (১৮ + হৈতেও পারে -পর্ব ২) - দূর্যোধনের হাত
- আইপিএল নাইট, আইপিএল ফ্যাশন সো, আইপিএল গ্যালারি, বলিউড + আইপিএল। (১৮+) - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শুরু করবেন যেভাবে : সংকলিত - হাসমত০০৯
- অনলাইনে জিডি করতে পারবেন রাজধানীবাসী - াহো
- দেহ ঘড়ির কিছু মাইক্রস্কোপিক ছবি - আমার জন্য লেখা
- জুমলা টিউটোরিয়াল: সম্পূর্ণ - গৌতম রায়
- ফুওয়াং ক্লাবের ডিসকোতে অশ্লীল নৃত্য : অবৈধ মদের রমরমা ব্যবসা {১৮++} - স্পাইডার
- হাৱলঃ মহাবিশ্বের ১০টি বিষ্ময়কর ছবি - ক্লান্ত দুচোখ
- গল্প: শেষবেলার নানারকম আলো - ইমন জুবায়ের
- লোল সন্তানরা দেখুন ও কিছু শিখুন অমিতাভ রেজার কাছ থেকে
- নাফিস ইফতেখার
- ইন্টারনেটের বিশাল তথ্যভান্ডার থেকে আপনার কাঙ্খিত তথ্যটি খুঁজে পাওয়ার কয়েকটি সহজ এবং ইউসফুল ট্রিক্স। - হোরাস্
- তারা আসলে লুল !! (ট্রাকভর্তি নারীবাদী ডায়লগে ভর্তি)


- আকাশ_পাগলা
- ছবি ব্লগ : যে যুদ্ধটা একাত্তরে শেষ হয়নি - অমি রহমান পিয়াল
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- যেকোন মুভির জন্য 字幕 --> Subtitle কিভাবে ব্যবহার করবেন? - বিডি আইডল
- বারকোড তৈরি করুন আপনার নিজের নামে !!!
- তারেকবিডি
- ক্রিয়েটিভ কমনস্ বিষয়ে কিছু তথ্য.. - আশাবাদী!!
- গুগলের কাছ থেকে ফ্রি হোস্টিং নিয়ে চলুন এবার একটি ফ্রি ওয়েবসাইট বানাই নিজের জন্য... - পান্থ বিহোস
- আমাদের লুঙ্গীহীন ফরহাদ্দা (দাদা অর্থে) - রাজীব আহমেদ
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- ব্লগের ভাইয়া আর দুলাভাইয়াদের জন্য ঈদ স্পেশাল
- অসূর্য স্পর্শী
- ঈদের ব্লগীয় যাত্রপালা - বিবাহিত পাগ্লা

- শ্রাবনের ফুল
- জন্মযুদ্ধ '৭১ : আমাদের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছিলো তিব্বতীরাও! - অমি রহমান পিয়াল
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- ওরেএএ!!! কত অজানারে!!!!
- কাঙাল মামা
- প্রকৌশল শিক্ষা গ্রহণ এবং তার পরবর্তী চাকরী বাজারে যেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন... - ড়ৎশড়
- রাগের নাম: ভৈরবী - ইমন জুবায়ের
- শাকিরার গান ... গোয়া আমার সত্যবাদী - ঠুকেমারি
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- বিয়ে ভালবাসার দ্বিতীয় অধ্যায়................!!! (অবিবাহিতদের জন্য) - সিটিজি৪বিডি
- ছফা'র বর্ণনায় হুমায়ূন আজাদ-১: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - সাদাত হাসান
- বিজ্ঞানের থিওরী এবং টাইম মেশিনের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য (নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর) - আকাশ_পাগলা
- মানুষ-পাখির গান (উৎসর্গ: আকাশ-পাগলা) - ইমন জুবায়ের
- একের অধিক Yahoo Messenger এক সংগে ব্যবহার করা! - ম রহমান
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ভড়কে যান ভড়কে দিন(নোটপ্যাড এর কারিশমা) - আলামিনস্টাইন
- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাঃএর কিছু দালিলিক প্রমাণ,আশা করি বিভ্রান্তি এবার দূর হবে - যাযাবর রাজিব
- যারা ইয়ে করে বিয়ে করতে যাচ্ছেন, পালিয়ে (আইনী পরামর্শমূলক) - প্রজন্ম একুশ
- গো. আ সাহেবের একাত্তর নামা (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) - লাল দরজা
- Hack-Cracks Computers, Messenger Passwords, saved Passwords, With 96 Hacking Tools - বিপ্লব কান্তি
- ৬৭৬টা ই-বুকের ডাউনলোড লিংক.... (ফর ডামিস সিরিজের) - মারুফ হায়দার নিপু
- অন্যের কম্পিউটারের তথ্য জেনে নিতে ইউজ করুন LANguard Network Scanner v.2.0 - বিপ্লব কান্তি
- বিজয় কী বোর্ডের রহস্য!?!! নিজেই দেখুন - আর আপনার মতামত দিন - বজ্রাহত
- ৭১ এর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রকাশিত দৈনিক আজাদী এর সেই কপি.. - অনির্বান
- সুফিয়ার কবর চাঁদার টাকায়ঃ ইউনূসের হাতে নোবেল - বিডি আইডল
- আইপি বের করুন ই-মেইল সেন্ডারের....! - তাজুল ইসলাম মুন্না
- পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তথাকথিত শিক্ষকদের নোংরামি কোথায় এবং কিভাবে - রিয়াজুল ইসলাম
- প্রকৃতির খেলা ১ - অপরিচিত_আবির
- কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ওয়েবসার্ভারে ইনস্টল করবেন? - হাসান
- SOME EXCLUSSIVE PHOTO- ইতিহাস - হিটলারের সাগরেদ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গনহত্যার ভিডিও দেখুন - অমি রহমান পিয়াল
- ফ্রীতে নিজের একটা ওয়েবসাইট তৈরি করুন !!

- ইসানুর
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- ১৮+ পোস্টঃ চড়ক! - সৌম্য
- সহজে Favicon তৈরী করুন - প্যান্ট ঢিলা মাস্তান
ন্যাশনাল আইডি কার্ডের চিট-শিট - নারিকেল-জিন্জিরা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল - মাহবুব আলম পলাশ
- ফেসবুকে gift অথবা quiz এপলিকেশন তৈরি করুন এক্কারে সহজে......
- গিফার
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ৭১ এর গোপন দলিল: মন্ত্রী নিজামী, মুজাহিদ মুক্তিযুদ্ধ প্রতিহত করতে ততপর ছিলেন - লায়ওনো
- রাজাকারদের পুত্র কন্যারা কোথায় লেখাপড়া করেছে? - রুহুল্লাহ
- গণহত্যার ছবি : নূরুল উলা - হাসিব
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- আমার ও বউয়ের বিয়া হইছিলো একই দিনে, আইজ সেই দিন
- শওকত হোসেন মাসুম
- প্রিয় রুদ্র - তসলিমা নাসরিন - বইপাগল
- আইপি ট্রেস , হু ইজ অনলাইন নাও, কেম ফ্রম, ইত্যাদি , ইত্যাদি জানিবার চাইলে, ঢুইকা পড়েন - ভেংচুক
- মোবাইল নিয়ে কিছু জানা ও অজানা - দুঃখবিলাস
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (৪) - ত্রিভুজ
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
বিজ্ঞানের থিওরী এবং টাইম মেশিনের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য (নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর)
১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
আমি কয়েকজন জ্ঞানী ব্লগারের বেশ কয়েকটা জ্ঞানী পোস্ট পড়লাম। সংখ্যা আর বিজ্ঞানীদের কোটেশনের ছড়াছড়ি। উনারা যে অনেক জ্ঞানী, সেটা আমি বুঝলাম। কিন্তু, পোস্টে যে কী বুঝাতে চাইছেন, সেটা বুঝি নাই। যাই হোক, আমি এই পোস্টে কোন সংখ্যা আর বিজ্ঞানীদের কোটেশনের ছড়াছড়ি বসাব না। শুধু দিব সেই ব্যাখ্যাটুকু যেমন ভাবে আমি ব্যাপারটাকে বুঝি।
মনে করেন, আমি একটা রকেট(স্পেস শাটল) নিয়ে বের হইছি, পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে। এখন পুরা পৃথিবীটা চক্কর মারলাম। আমার যেই গতি, আমার এতে লাগল ধরেন ১০ ঘণ্টা। আচ্ছা, আমার গতি যদি আরো বাড়াই তাহলে ? স্বাভাবিক ভাবেই পুরা পৃথিবীটা ঘুরতে আরও কম সময় লাগবে।গতি যদি আরো বাড়াই, লাগবে ৫ ঘণ্টা। গতি আরও বাড়ালাম, লাগল ২ ঘণ্টা (এত গতি বাড়ানো আদৌ যে সম্ভব না, সেটা মুখ্য বিষয় না। বিষয় হল, গতিটা বাড়ালে ফলাফল কী হত, তাই।)। গতি আরো বাড়ালাম, লাগবে ১ ঘণ্টা। গতি আরো বাড়ালাম, লাগল ২০ মিনিট। আরো গতি বাড়ালাম, লাগল ৫ মিনিট। আরো গতিতে গেলে, লাগবে ১ মিনিট (ব্যাপারটা আস্বাভাবিক লাগলেও গতি বাড়ানোর ফলাফলটাই আমাদের আলোচ্য বিষয়।)। গতি যদি আরো বাড়াই ? লাগলো ১ সেকেন্ড। আরো গতি বাড়ালাম,অনেক বাড়ালাম। লাগল ০.০০০০১ সেকেন্ড।
এখন, ধরেন আরো বাড়াতেই থাকলাম, একটা সময় কি আসবেনা যখন গতি ০ এর পিছে চলে যাবে ? ব্যাপারটা হজম করা একটু কঠিন, কিন্তু সত্য এটাই। ০.০০০০১ এর চেয়েও কম, তার চেয়েও কম, এমন কি তার চেয়েও কম সময়ের পরে হয়ত, আমরা ০ এর কম সময়ে একবার ঘুরে আসব।
০ এর কম, মানে কী ? মানে, সময়ের আগে। মানে, যখন, আমরা রওনা দিলাম, তার আগে। আমি রওনা দেয়ার আগেই, আমি পৌঁছালাম। আমি অতীতে গেলাম।
[এই ব্যপারটা সাধারণ চিন্তায় যাদের কাছে বোধগম্য অথবা যুক্তিগ্রাহ্য হয়নি, তাদের জন্য পোস্টের শেষে আবার অন্যান্য দিক থেকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলাম।]
এটুকুতে এসে সে সময়ে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, টাইম মেশিন বানানো সম্ভব।
এখন, নিশ্চিয়ই প্রশ্ন আসতেছে, এত গতি বাড়ানো কি সম্ভব আদৌ ? না, তা সম্ভব না। আইন্সটাইন প্রমাণ করে গেছেন, আলোর গতির সমান বা তার চেয়ে বেশি আমরা গতি পাব না। তিনি প্রমাণ করেন, আলোর গতির সমান আমাদের বেগ হলে, আমাদের ভর হবে অসীম।
[গতি ব্যাপারটা একটু বিস্তারিত বোঝেন। আমরা, কতটুকু সময়ে কতটুকু দূরত্ব পার হই, সেটাই এখানে আলোচ্য বিষয়। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে দ্রুতি।মানে, আমি ১ সেকেন্ডে কতটুকু দূরত্ব গেলাম, সেটাই আমার দ্রুতি। ধরেন, আমি ১ সেকেন্ডে ১ মিটার গেলাম।তাহলে আমার দ্রুতি সেকেন্ডে ১ মিটার।]
সে সময়ের বিজ্ঞানের দৌড় এখানেই শেষ। আগের যুগের বিজ্ঞানীরা এ থেকেই সমাপ্তি টেনে দেন যে, টাইম মেশিন অসম্ভব।
কিন্তু, বিজ্ঞানের আরো একটু গভীরে যাই। আপনার মেঝেতে একটা বিন্দু ধরেন। মেঝের সাথে লাগানো। এই বিন্দুটাকে চিনহিত করার উপায় কী ? দেখেন, এই বিন্দুটা আপনার ঘরের ডান দিকের দেয়ালের থেকে ১ মিটার দূরে। ডান দিকের দেয়ালের চেয়ে এই দূরত্বে অনেক বিন্দুই আছে, মানে ওই বিন্দুর পুরা লাইনটাই ১ মিটার দূরত্বে, এই দেয়ালটা থেকে।
আবার, দেখেন, আপনার সামনে দেয়াল থেকেও ১ মিটার দূরে।এখন, ডান দিকের দেয়ালের থেকে ১ মিটার আর সামনের দেয়াল থেকে ১ মিটার দূরত্বে এই একটাই বিন্দু পাবেন আপনি।
অন্য দেয়ালগুলো হিসাব না করলেও হয়। ব্যাপারটা আরো মনযোগ দিয়ে ভাবুন, গ্রাফের বিন্দু বের করার মতন। যেই বিন্দুগুলা ২ টা দিক(মাত্রা) থেকে হিসাব নিয়ে চিনহিত করা যায়, সেগুলোকে দ্বিমাত্রিক বিন্দু বলে। যেই তলে বিন্দুগুলোর এই পরিমাপ সম্ভব, সেটা দ্বিমাত্রিক তল। যেমন, আপনার মেঝে, কাগজের উপরের পৃষ্ঠ, যেকোন কিছুর একপাশের তল।
এভাবে একমাত্রাও সম্ভব। যেমন, ধরেন ছুরির এক প্রান্ত। সবচেয়ে উপরের বিন্দু থেকে ৪ ইঞ্চি পরে, এভাবে এক দিক হিসাব করেই আপনি একটা নির্দিষ্ট বিন্দু পাচ্ছেন।
এভাবে, কিন্তু, ৩ মাত্রাও সম্ভব। যেমন, আপনার মাথাটাকে একটা বিন্দু ধরেন। ডান দিকের দেয়াল থেকে ১ মিটার দূরে, সামনের দেয়াল থেকে ১ মিটার পিছে, এভাবে মেঝেতে যেই বিন্দুটা পাব তার চেয়ে ১ মিটার উপরেই আপনার মাথা, মানে নির্দিষ্ট বিন্দুটা।
এতক্ষণে বুঝে গেছেন, আমরা যেই জগতের, তা ত্রিমাত্রিক। এখানে, আমরা ৩মাত্রায় বলে, ১ আর ২ মাত্রা দেখতে পাই। অথচ, ৪র্থ মাত্রা ধরতে পারিনা, কল্পনাও করতে পারি না।
৩ মাত্রায় থাকার ফলে, আমরা নিচের মাত্রা গুলা থেকে বেশি সুবিধা পাই। সেটা হল, ধরেন দ্বিমাত্রার একটা বিন্দু, মেঝেতেই যে থাকে। শূন্যে ভাসতে পারেনা সে (মানে, আমাদের মাথার পজিশিনে সে আসতে পারবেনা, কাগজের একটা ছবির মত তার অবস্থান।তাকে শুধু বস্তুর একটা পৃষ্ঠে থাকতে হবে।)। তাকে যদি আপনার আলমারির উপরের তলে উঠতে হয়, তার যাথাপথ কী হবে?
সেটা বের করতে হলে, আপনাকে আপনার আঙ্গুলটা মেঝেতে লাগাতে হবে।মনে করেন, এর নিচের স্পর্শ বিন্দুটাই সেই দ্বিমাত্রিক বিন্দু। আপনাকে প্রথমে আঙ্গুলটা আলমারি পর্যন্ত নিতে হবে, পরে আলমারির গা বেয়ে উপরে উঠতে হবে।(ব্যাপারটা না বুঝলে আবার ভাবেন। ছবিকে যেমন আপনি কাগজের তল থেকে শূন্য উঠাতে পারেন না, এখানেও তেমন। ছবিটাই দ্বিমাত্রায়।ছবিটা যদি নড়তেও পারত, তাহলেও উড়ে আলমারির উপরে যাবেনা। তাকে একটা তলে বেয়ে যেতে হবে।)
এবার, আঙ্গুলটাকে যদি মুক্ত করে নেন,মেঝে থেকে উপরে উঠান তাহলে আপনার আঙ্গুল আবার ত্রিমাত্রিক জগতে ফেরত আসল। এখন, আপনি আলমারির উপরে কিভাবে যাবেন ? সরাসরি। মানে, সোজা গিয়ে আলমারির উপরে হাত রাখবেন(ছবিটা উড়তে না পারলেও, ছবিটা যেই কাগজে আঁকা হয়েছে, তা তো আমরা উপরে উঠাতে পারি, তাই না? কারণ, কাগজটা ত্রিমাত্রিক জগতে, শুধু এর একটা পৃষ্ঠটা দ্বিমাত্রিক জগত।)।
মজাটা ধরতে পারছেন ? আলমারিরি উপরে সরাসরি হাত রাখতে আপনাকে ১ মিটার কোণাকুণি হাতটা বাড়ালেই হল।
সেখানে, দ্বিমাত্রিক কোন বিন্দুকে আলমারি পর্যন্ত দূরত্ব যেতে হবে, এরপর পুরা আলমারির নিচে থেকে উপরে উঠতে হবে। মানে, একই জায়গায় যেতে আপনার থেকে সেই বিন্দুকে বেশি দূরত্ব পার করতে হবে।
আপনি হাত টা উপরে উঠান। দেখেন, মেঝেতে ছায়া পড়েছে। হাতটা ত্রিমাত্রিক জগতে, ছায়াটা দ্বিমাত্রিক জগতে। হাতটা পাশের দেয়ালে লাগান। ভাবুন, আপনার হাতের ছায়াটা একই জায়গায় কিভাবে আসল? ছায়াটা প্রথমে দেয়াল পর্যন্ত আসছে, পরে দেয়ালের পৃষ্ঠ বরাবর উঠতে হল। সেখানে, আপনি সরাসরি হাতটা রাখতে পারলেন। আপনার হাত যে সময়ে যতটুকু দূরত্ব অতিক্রম করল, আপনার ছায়াটা কিন্তু একই সময়ে তার চেয়ে বেশি পথ বার করল। গন্তব্য বিন্দু একই, সময়ও একই। শুধু ছায়াটা পথ পাড় করল বেশি।
মানে, ত্রিমাত্রিক জগতে থাকার কারণে আমরা কম গতিতেও দ্বিমাত্রিক জগতের তুলনায় বেশি পথ অতিক্রম করলাম।
[এটুকু যদি না বুঝেন, তাহলে আবার পুরাটা পড়লে হয়ত পরিষ্কার হবে।]
এখন যদি, আমরা কোন ভাবে ৪র্থ মাত্রায় যাই, তাহলে কম গতিতেও ত্রিমাত্রিক জগতের তুলনায় বেশি পথ অতিক্রম করতে পারব।
এখানে,আলোর সমান গতিতে থাকলে হয়ত এক্স মিটার পার হব।কিন্তু,৪র্থ মাত্রায় থাকলে একই গতিতে আরো বেশি দূরত্ব পার হব। ৫ম মাত্রায় থাকলে সেই গতিতে আমাদের মাত্রায় আরো বেশি দূরত্ব পার হতাম। এভাবে ৬ তম,৭ তম মাত্রায় যেতে পারলে আমাদের ৩য় মাত্রায় আরো বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারতাম।
ব্যাপারটা হয়ত অনেকেই ধরতে পারছেন। আলোর সমান গতিতে না যেয়েও কিভাবে টাইম মেশিনের জন্য পর্যাপ্ত গতি পেতে পারি। ব্যপারটার জন্য আমাদের গতি বাড়াতে হবে না, বরং অন্য মাত্রায় যাওয়া লাগবে। সেটা যদি করতে পারি, তেমন প্রযুক্তি যদি আবিষ্কার হয়, তবেই টাইম মেশিন সম্ভব।
এখানে এসে বিজ্ঞানীরা ভাবতেন, টাইম মেশিন বানানো আসলে সম্ভব।
এখন পর্যন্ত এটুকুই বলা যায়। তবে,বিজ্ঞান আসলে খুবই মজার জিনিস। চলেন তো, আমরা বিজ্ঞানের আরো একটু গভীরে যাই!!!
ভাবেন, কাগজে আঁকা ছবিটাকে আপনি আমাদের জগতে বের করে আনলেন। সেটা কী সম্ভব ? কাগজে আঁকা ছবিটা কীভাবে কাগজ থেকে বের হবে ?
আমাদের উপরের মাত্রাতেও আমাদের যাওয়া সম্ভব না। তবে, উপরের মাত্রার যে কারো পক্ষে আমাদের জগতে অস্বাভাবিক গতি অর্জন করা অসম্ভব নয়।
আমাদেরকে সেই প্রযুক্তি তাদেরকেই দিতে হবে। আপাতত, নতুন কোন থিওরী খোঁজা ছাড়া আমাদের পক্ষে কিছু করার নাই। এমন থিওরী বের করতে হবে, যেটা দ্বারা আমাদের উপরের মাত্রায় যাওয়া সম্ভব, অথবা এমন প্রযুক্তি বের করতে হবে, যেটা দিয়ে কাগজের ছবিকে বাইরে বের করানো যাবে। যা আসলে অসম্ভব।
হা হা হা, আসলে ঘুরে ফিরে আবার আগের ধারণাতেই। টাইম মেশিন অসম্ভব।
[এখন পর্যন্ত ধারণা করা হয়, ৯টি[শুধুমাত্র স্ট্রিং থিওরী অনুযায়ী, যা এখন অনেকেই বর্জন করেছেন] অথবা ১০টি[বিগ ব্যাং থিওরীর একটা অংশ, এছাড়া আরো কিছু থিওরীর হাইপোথিসিস] মাত্রা সম্ভব। আমাদের ৩ টা সোজা, বাকি গুলা অত্যন্ত বাঁকানো।]
[বিভিন্ন মাত্রিক জগত তথা ভেরিয়াস ডাইমেনশন হাইপোথিসিসস সম্পর্কে ধারনাটা আসলে আইন্সটাইনের আপেক্ষিক সূত্রের একটা অনুসিদ্ধান্ত। যেটা স্টিফেন হকিং সবচেয়ে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞানী মহলে আলোড়ন তোলেন। ‘ব্রিফ হিস্টোরী অব টাইম’-এ এই ব্যাপারটা তুলে ধরা হয়। টাইম মেশিনের ব্যাপারে উনি সরাসরি কিছু না বললেও আমি ব্যাপারটাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করি।]
---------------------------------------------------------------------------------
[উপরের প্রত্যেকটা লাইন যারা পুরোপুরি বুঝছেন, নিচের এই অংশটা শুধু তাদের জন্যেই।]
[নিচের ব্যখ্যাগুলো কোন থিওরী না। কোন বইয়ের কথাও না। উপরের ব্যাখ্যা দিয়ে যা যা আরো বোঝা যায় (যেভাবে আমি বুঝি), সেগুলাই দিলাম।]
যদি দ্বিমাত্রিক প্রাণী থাকত, তাহলে তা কেমন হত? কাগজে আঁকা জীবন্ত ছবির মতন। সেটা কাগজ ছেড়ে উঠে আসতে পারবে না। শুধু কোন বস্তুর একটা তলেই বা এক পৃষ্ঠেই তার অবস্থান।
শূন্যে যেহেতু কোন বস্তু নাই, তাই সেখানে আমরা যেতে পারলেও কোন দ্বিমাত্রিক প্রাণী(যদি থাকে) যেতে পারবে না।
মানে, পৃথিবীতে দ্বিমাত্রিক জগতের কোন প্রাণী চাঁদের দ্বিমাত্রিক জগতে কখনই যেতে পারবেনা। যদি না আমরা সেই কাগজটাকে রকেটে(স্পেস শাটল) করে চাঁদে নিয়ে সেখানে না রাখি। মানে, নিজে থেকে কোনভাবেই দ্বিমাত্রিক জগতের প্রাণী কোন শূন্য স্থান পাড়ি দিতে পারবে না।
অর্থাৎ পুরা আলাদা আলাদা গ্রহে পুরা আলাদা আলাদা দ্বিমাত্রিক জগত। আথচ, সেই তুলনায় আমাদের ত্রিমাত্রিক জগত কত বড়, ব্যাপারটা ভাবতে পারেন ? আমাদের বিশ্বব্রম্মাণ্ড কত বড়, সেখানে দ্বিমাত্রিক জগতে প্রাণী থাকলে তা শুধু একটা গ্রহেই তাকে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। অন্য গ্রহে যেতে পারবেনা। সব খানে আলাদা আলাদা ২য় মাত্রার জগত।
সবচেয়ে বড় কথা, দ্বিমাত্রিক জগতের প্রাণী কখনই আপনার পূর্ণ রূপ দেখবে না। কাগজে হাত রাখলে সে শুধু আপনার হাতে নিচের পৃষ্ঠ দেখবে । আপনার মুখ দেখতে পাবে না। তার কাছে আপনার হাতের নিচের পৃষ্ঠটাই মনে হবে অনেক বড় কিছু । কিন্তু, ত্রিমাত্রিক জগতের একটা বহুতল বিল্ডিং এর কাছে আপনি কতটুকু ? অথচ, এই জগতে এসে দ্বিমাত্রিক প্রাণী এসব দেখে নাই বলে, তার কাছে আপনার শুধু হাতটাই অনেক বড়। একইভাবে আবার হয়ত ছোটও হতে পারে। কিন্তু, তার আসল রূপটা আপনি কোনদিনই বুঝবেন না।[কাগজে ১ মিটার স্কয়ার চতুর্ভুজের চেয়ে বাস্তবে ১ মিটার কিউব কত বড় হয় দেখছেন? কারণ,এখানে মাত্রা ৩ টা। একই ভাবে, ৪র্থ মাত্রাতেও 'একই স্কেলের' কোন বস্তু আমাদের মাত্রার তুলনায় অনেক অনেক গুণ বড় হবে।]
ত্রিমাত্রিক জগতের শূণ্য স্থান কোনদিন দ্বিমাত্রিক জগতের কেউ কল্পনাও করতে পারবেনা।
৪র্থ মাত্রায় একি স্কেলে বস্তু কি পরিমাণ বড় হবে বুঝতে পারছেন ? ৫ম, ৬ তম, ৭ তম, ১০ তম ???
সেই মাত্রার জগতে আমাদেরও যে অনেকগুলো আলাদা আলাদা জগত থাকবে বুঝতে পারছেন? সেখানেও এমন কয়েকটা তল থাকতে পারে, সেটা আমাদের ৩টা মাত্রা দিয়ে আমরা কল্পনাও করতে পারি না। ওই জগত থেকে কোন প্রাণী আসলে আমাদের মাত্রায় তার যেই অংশটুকু পড়ে, আমরা শুধু তার সেইটুকুই দেখতে পাব। তার সবটুকু দেখা আমাদের পক্ষে কোন ভাবেই সম্ভব না। ১ মিটার স্কয়ারের চেয়ে ১ মিটার কিউবের যে পার্থক্য, ওখানে একই স্কেলের কেউ থাকলেও সে আসলে আমাদের থেকে ওই পরিমাণ বড়। হয়ত খুবই কম, আমাদের কাছে তাকে বেশি লাগতেছে, অথবা অনেক বড়, আমাদের কাছে অতি ক্ষুদ্র লাগবে।মোট কথা, ওই জগতে না যেয়ে আমরা তার আকার বুঝতে পারব না।উচ্চ মাত্রার জগতের কেউ আমাদের জগতে খুব সহজেই সময় পরিভ্রমণ করতে পারে।
---------------------------------------------------------------------------------
[উপরের অংশটা যারা বুঝেছেন, নিচের অংশটা শুধু তাদের জন্যই।]
[নিচের ব্যখ্যাগুলো কোন থিওরী না। কোন বইয়ের কথাও না। উপরের ব্যাখ্যা দিয়ে যা যা আরো বোঝা যায় (যাভাবে আমি বুঝি), সেগুলাই দিলাম।]
[এটুকু কারও কারও ভালো নাও লাগতে পারে, তাহলে শুধু উপরের টুকু নিয়েই ভাবুন।
[নিচের ভাবনা গুলো ব্যাক্তিগত।]
ছোট থাকতে খুব অবাক হতাম। দুনিয়াটা না গোল !! এটার বাইরে গেলে সব তো টিভিতে দেখি কালো দেখায়। তাহলে নীল আকাশটা গেল কোথায় ?? তখন বুঝি নাই যে আকাশ মানে মহাশূণ্য। সেটা তো এখন বুঝি। এই আকাশের কথা থাক।
এমন আরো অনেক কিছু আছে, যেটা বুঝেছি পরে।
কুরআনে দেখি বলা আছে, আসমানের কথা। সেটা কীভাবে থাকা সম্ভব ? বিশ্বব্রম্মাণ্ডের উপরে ছাদের মতন ?? এটা কি আদৌ সম্ভব ? ব্রম্মাণ্ডের আবার উপর নিচ কী ?
হুজুর বলল, সম্ভব। ছাদের মতন উপরে আছে। অনেক উপরে।
কুরআন নাযিল হবার আগে, প্রথম আসমানে যেখানে রাখা হয়, সেটা নাকি কাবা শরীফের একদম উপরে নাকি অবস্থিত। হঠাত একদিন খেয়াল হয়, আরে পৃথিবী না ঘুরতেছে !! তাহলে তো এখন কাবা শরীফ যেখানে, ১২ ঘণ্টা পর দুনিয়ার বিপরীত দিকে থাকবে(যেহেতু পৃথিবী ঘুরে গেছে।)। তাহলে, মাথার উপর ছাদের মতন আসমান থাকলে সেটাও কি এভাবে পৃথবীর সাথে সাথে ঘুরে? কারণ, ওই জায়গাটাতো কাবা এর একদম উপরে। অনেক উপরে তাহলে ছাদের মত থাকে কীভাবে ?
হুজুর বলল, তুই নাস্তিক। এখনই তওবা পড়। আমি কিছুই না পড়ে দৌড় দিয়ে চলে আসি।
বিশ্বাস অনেকটাই হালকা ছিল তখন। আমি আরও যখন অন্যান্য অনেক প্রশ্নের উত্তর পাই, তখন বুঝতাম এই ধর্মে ভালো জিনিস অনেক আছে। আর ক্ষতিকর কিছু নেই। কিন্তু, এই আসমান, পরকাল এই বিষয়গুলো মিলাতে পারতাম না। কেমন যেন লাগত।একটা জিনিসকে ভালো মনে করা, আত তাকে সত্য মনে করার একটা পার্থক্য আছে। বিশ্বাস ছিল। কিন্তু, মাঝে মাঝে হিসাব মিলতনা।
আমি ব্যাপারটা বুঝি আবার। অনেক বছর পরে। ক্লাস ৮ এর শেষের দিকে। ৯ এর শুরু, ব্রিফ হিস্টোরি অব টাইম এ যখন বিভিন্ন মাত্রিক জগতের ধারণাটা পাই। একে দিয়ে অনেক কিছুরই ব্যাখ্যা সম্ভব।
বিভিন্ন স্তরের আসমান আসলে বিভিন্ন ডাইমেনশান বা আমাদের উপরের মাত্রিক জগত। আমরা ত্রিমাত্রিক জগতের। আমাদের উপরের আসমান যদি প্রথম আসমান হয়, তাহলে সেটা হবে ৪র্থ মাত্রার জগত। সাত আসমান হবে ১০ মাত্রার জগত। ব্যাপারটা মজা না ?
দোযখ, বেহেশত কে যদি আপনি আলাদা আলাদা ত্রিমাত্রিক জগত ভাবেন, তাহলেই সেটার ব্যাখ্যা সহজ হয়ে যায়। আর, কেন কেউ আমাদের নিয়ে না গেলে আমরা সেখানে যেতে পারব না, সেটাও বোঝা সহজ হয়ে যায়।
সৃষ্টিকর্তা যদি একই সাথে সবখানে থাকতে চান, সবার সাথে এবং অতীতে আর ভবিষ্যতে তাহলে তিনি যদি ১০ম মাত্রায়(৭ আসমানে) থাকেন, তাহলেই সেটা সম্ভব হয়।
আবার ধরেন, ফেরেশতাগন যদি ৪র্থ বা ৫ম মাত্রায় থাকেন, তাহলে তারা যদি স্বরূপে আমাদের এখানে আসেন, তাহলে তাঁদেরকে কী পরিমাণ বিশালাকায় লাগবে,ব্যাপারটা ধরতে পারছেন?
নবীজী(স) এর ফেরেশতা দেখার বর্ণনা নিয়ে অনেক নাস্তিক অনেক প্রশ্ন করেন। আসলে যত দিন যাবে, আমরা আরো অনেক কিছু শিখব।
মনির ভাইকে নিয়ে লেখা আমার এক ব্লগে তিনি আমাকে প্রশ্ন করেন যে, কুরআনে নবীজীর ভুত(ফেরেশতাকে বুঝাইছেন) দেখার বর্ণনা আছে। সেটা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য!!
আসলে আমাদের অনেক কিছুরই জানার বাকি। ফেরেশতারা ৪র্থ বা ৫ম মাত্রায় থাকলে উনাদের দেখার বর্ণনা মিলে যায়।
মেরাজ কীভাবে সম্ভব তাও মিলে যায়। ।
সর্বোপরি, আল্লাহ একই সাথে কীভাবে সবখানে থাকতে পারেন এবং সব ধরনের সময়ে, তার একটা যুক্তি চলে আসে।
আরো খুঁটিনাটি অনেক কিছু ব্যাখ্যা করা যায়। মনে আসতেছে না। পরে মনে আসলে এডিট করে দিব।
[আচ্ছা, অতীতে আসলে ফেরত যাওয়ার উপায় কী ? আরো ভাবতে হবে, হঠাত মনে হল।]
--------------------------------------------------------------------------------
এখন, ১ম অংশের ব্যাখ্যায় আসি। আমার গতি যত বাড়তেছে, আমার সময় ততই কমতেছে। এখন, ২ টি ধনাত্মক সঙ্খ্যার ভাগফল কখনো ০ হয় না।এটুকু আমরা জানি।
আরো কিছু বিষয় জানতে হবে। সেটা হল, স্বাভাবিক চিন্তায় আমাদের মনে যা চিন্তা আসে, সেটা হল একটা সঙ্খ্যাকে যতই ক্ষুদ্র ভাগে ভাগ করি, সেটাকে কি কখনো ঋণাত্মক করা সম্ভব ? না, ভাগ করলে তা সম্ভব না।
কিন্তু, এখানে ব্যাপারটা এত সহজ না। যেহেতু, সঙ্খ্যাটাকে আমরা একবার ভাগ করছিনা, বরং চলকের (এখানে সময়) সাপেক্ষে প্রতিনিয়ত উক্ত সঙ্খ্যাকে ভাগ করতেই থাকব,তাই এখানে আমাদের সাধারণ ভাগ করলে হবে না। অন্তরীকরণ করতে হবে।
আমার কাছে অনেক কমেন্টের মাঝে সবচেয়ে শক্তিশালী যে কমেন্টটা মনে হয়েছে, আমি এখানে তার ব্যাখ্যা দিব।
দূরের পাখি বলেছেন,"অন্তরীকরণ মানে হৈল স্বাধীন চলকের ক্ষুদ্র পরিবর্তনের স্বাপেক্ষে অধীন চলকের কি পরিবর্তন হয় সেইটা বের করা ।
এখন সময়ের স্বাপেক্ষে অন্তরীকরণ করলে নেগেটিভ ভ্যালু আসার মানে হৈল, অধীন চলকের মান সময়ের সাথে কমতাছে । এর বেশি কিছু না ।
y =10-2x
dy/dx = -2
এর মানে হৈল এক্স এর মান বাড়াইলে ওয়াই এর মান কমে । এবং এক্স এর মান একটা সীমার বেশি হৈলে ওয়াই এর মান ঋণাত্নক হয় ।
কিন্তু তুমি যেই ফাংশনের কথা বলতাছ সেইটা হৈল
y = c/ v (c>0, v>0)
dy/dx = c/x*x
এইখানে ও প্রথম ডেরিভেটিভ এর মান ঋণাত্নক, এইটাও নির্দেশ করে এক্স এর মান বাড়াইলে ওয়াই এর মান কমে । কিন্তু এইখানে এক্স এর মান যতই বাড়াও ওয়াই এর মান কখনোই শূণ বা ঋণাত্নক হবে না । সমীকরণ থাইকা কারণটা বোঝ কিনা দেখ । পরিবর্তনের হারটাই আবার এক্সের ফাংশন এবং ব্যস্তানুপাতিক । মানে কি
মানে হৈল এক্স এর মান বাড়াইলে ওয়াই এর মান কমে, কিন্তু এক্স এর মান বাড়াইলে পরিবর্তনের হারও কমে। অর্থাৎ বেগ দ্বিগুন করলে সময় যদি ১০০ সেকেন্ডে কমে তিনগুন করলে কিন্তু ২০০ সেকেন্ড কমবে না । ২০০ সেকেন্ড কমাইতে হৈলে তোমার বেগ করতে হৈব চার গুন । এইভাবে করতে থাকলে তুমি বেগ যতই বাড়াও , শেষের দিকে পরিবর্তনের হার এমন কৈমা যাইবো যে, বেগ বাড়াইয়া সময় আর কমানো যাইবো না ।
গ্রাফে আঁইকা দেখ, এই গ্রাফ কখনোই এক্স অক্ষরে ছেদ করবো না ।"
উনার বক্তব্য কতটুকু সঠিক তা বোঝার জন্য আমাদের ২ টা ব্যাপার জানতে হবে। ১ম টা হল, করেস্পন্ডেনস প্রিন্সিপল। এর মানে হল, 'গতি কম হলে আপেক্ষিক তত্ত্বের সমীকরণ পদার্থবিজ্ঞানের সনাতন সমীকরণে পরিণত হয়।' এখানে, প্রথম থেকেই অস্বাভাবিক গতির কথা 'বিবেচনা' করে আসছি বা 'ধরে নিচ্ছি'। সেখানে, তাই এই করেস্পডেনস প্রিন্সিপল খাঁটবে না। অর্থাৎ, এখানে এসে আমাদের সমস্ত যুক্তি ভেঙ্গে পড়ে।সময় পিছিনে আসবে কী আসবে না, তা আর আমরা সাধারণ যুক্তি দিয়ে বিচার করতে পারব না। এমন কি সময় আর আমাদের কাছে ধ্রুবও নয়। সময়ও আমাদের কাছে এখন আপেক্ষিক। একে তাই সময় হিসেবে বিবাচনাও আমরা করতে পারব না। এখন এর পরিচয় শুধুই একটা 'সংখ্যা' ।
[কেউ যদি ব্যাপারটা নাও বোঝেন, চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারেন। কারণ, এ ব্যাপারে কারও মত পার্থক্য থাকলে তাকে আমার বিপক্ষে না, বরং আইন্সটাইনের বিপক্ষে লড়তে হবে। উনার আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব এখন ব্যাখ্যা করতে চাচ্ছি না।তবে দাবী উঠলে এটা নিয়ে পরে আরেকটা পোস্ট দেয়া যেতে পারে।]
এখন আসি ২য় ব্যাপারটায়।সেটা হল, চাইলেই কী একটা সঙ্খ্যাকে আমরা গ্রাফে বসাতে পারি, যেই সঙ্খ্যাটা একটা ত্রিমাত্রিক মাত্রায় ব্যবহৃত হচ্ছে ? ত্রিমাত্রিক জগতে ব্যবহৃত সঙ্খ্যাকে মনের মত গ্রাফে বসানো যায় না। একে একটা জ্যামিতিক বা ত্রিকোণমিতিক ফর্মে আনতে হবে। তাই, উক্ত এই সংখ্যার সাথে, আমাদের সাইন৯০ অথবা কস০ দিয়ে গুণ করতে হবে।[কারণ,এই দুটার একটা বসালে আমাদের সঙ্খ্যার মানের কোন পরিবর্তন হবে না।]
এক্ষেত্রে আমরা যদি কস০ কে গ্রহণ করি, তবে ওই সংখ্যার সাথে এটা গুণ করার সাথে সাথেই এর মান অনিশ্চয়তায় পড়বে। এর মান আর ধ্রুব থাকবে না।কারণ, এখানে করেস্পন্ডেনস প্রিন্সিপল খাঁটবে না। এখন যদি, আমরা এর অন্তরীকরণ করি, তাহলে আমরা গ্রাফে ঋণাত্মক একটা সংখ্যা পাই। আমার সমীকরণ ছিল,y=cos0 x X যেটা দূরের পাখি ধরতে পারেন নি(এই সমীকরণটা স্বাভাবিক পর্যায়ে নাই। কারণ, এর ক্ষেত্র ত্রিমাত্রিক এবং অতি উচ্চগতি সম্পন্ন। এর ত্রিমাত্রিক রূপ লেখা সম্ভব,কিন্তু সেটা দিয়ে সাধারণ মানুষের মাথা খারাপ করতে ইচ্ছা করছে না।)।এ থেকেই প্রমাণ, করা সম্ভব যে উঁচু গতির ক্ষেত্রে সময়ের ঋণাত্মকতা সম্ভব।[অন্তরীকরণের সময় আমরা কস০ এর মান ভাঙ্গাতে পারব না, কারণ এত উচ্চ গতিতে তার মান আমরা জানি না।এ ব্যাপারে এক মত না হলে, আইনস্টাইনের সাথে ঝগড়া করতে পারেন।যাই হোক,সমীকরণ্টা অন্তরীকরণ করতে যেয়ে পরে কস এর মান ধুমধাম বসিয়ে দিয়েন না।এখানে কস এর মান ধ্রুব নাই।সেটা তো আগেই বলছি।
এত কিছু ভাবতে যাদের কাছে কঠিন লাগছে, তারা এভাবে বুঝতে পারেন, অতি উচ্চগতির ক্ষেত্রে সাধারণ কোন যুক্তিই খাঁটেনা। আর সময় কখনই কোন বস্তু না। একটা বস্তুকে আমরা যতি ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করি না কেন তা ঋণাত্মক করা সম্ভব না। কিন্তু, সময়ের ব্যাপারটা কী তাই !! তাছাড়া, এখানে সাধারণ নিয়মও খাঁটে না। এখানে সময়কে বস্তুর মত ভাগ করার নিয়মে ভাবলে হবে না। এখানে, বলা হয়েছে সময়ের আগে যাওয়ার কথা। মানে, কোন কিছু একবার ঘুরে আসতে ১ সেকেন্ড সময় লাগে। তার আগে গেলে কত সময় লাগবে? তারও আগে যদি যাই ? তারও আগে? হয়ত পেলাম ০.০০০০০০০০০০০০০০১। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন সময়টা কত ক্ষুদ্র !! আমি যদি তার চেয়েও গতি বাড়াই,আরো বাড়াই, আরো বাড়াই, এমনকি তার চেয়েও বাড়াই তখনও কি সময়ের গতির চেয়ে আগে যেতে পারব না? এর মানেই তো সময়কে ঋণাত্মক ধরা, অর্থাৎ সময়ের পেছনে যাওয়া।[যারা মনে করেন, সময়ের কোন গতি নাই।তারা স্টিফেন হকিং এর সাথে মারপিট করতে পারেন।]
যাই হোক, এখন কেউ কেউ বলবেন, আদৌ কি সম্ভব এত গতিতে যাওয়া ? কথা হল, সেটার ব্যাখ্যাই তো পুরা পোস্টে দিলাম। এখনো না বুঝলে পুরাটা পড়েন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উপলব্ধি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শুভ৭৭ বলেছেন:
পরে সময় নিয়ে পড়ে মন্তব্য করব।
লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম। কিছু বর্ধিত করলাম। অনেকে বুঝে নাই প্রথমে। আবার পরে নিয়েন।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আপনার আইডিটা সুন্দর হইছে, "আকাশ_পাগলা"
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পোস্টটার জন্য কিছু বলবেন না?
হোলসেল বলেছেন:
অ। আইচ্ছা।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
নকীবুল বারী বলেছেন:
বেশি মাত্রায় চিন্তা করতে গেলে মাথা ঘুড়ায়।কিন্তু লেখাটা চমেৎকার লাগলো।
জোসসসস লিখেছেন
++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি কখন না বললাম ?
স্কাই আকাশকে ডাইমেনশন বলি নাই রে ভাই, বুঝাইছি যে তখন অনেক কিছুই জানতাম না। সেইটা বুঝাইছি।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আছেন কেমন ?
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
লেখক: "আইন্সটাইন প্রমাণ করে গেছেন, আলোর গতির চেয়ে বেশি আমরা গতি পাব না।"এতটুকু পড়ে আর পড়তে ইচ্ছে হল না। মাত্রা নিয়ে বাগাড়ম্বরের অন্ত নেই, অন্যদিকে স্বীকার্য আর উপপাদ্য গুলিয়ে ফেলা? সবাই কী এভাবেই ভাল বিজ্ঞান-বিজ্ঞে পরিণত হচ্ছে?
আইনস্টাইন না, কেউই কখনো প্রমাণ করেন নি যে আলোর গতি (ভ্যাকুয়ামে) সর্বোচ্চ এবং ধ্রুবক। এটা একটা অ্যাক্সিয়ম।
লেখক বলেছেন: ভাই, জ্ঞানপাপী বলে একটা কথা আছে, যারা জ্ঞান দেখাইতে চায় হুদাই।
ভাইরে, আলোর চেয়ে বেসি গতি আমরা পাব না। আপনি যত কথাই বলেন।
কে বলছে, আর না বলছে কিছুই যায় আসে না।
আমাদের গতি আলোর সমান হলে ভর অসীম হয়ে যাবে, সেটাই আসল কথা।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পার্সোনালি আপনাকে আমার ভাল লাগে।
কিন্তু, আপনি যে আমাকে কী ভাবেন, আপনিই জানেন।
আপনার কথা শুনে বুঝলাম, যে কী বোঝেন নাই।
তাই আবার অইখানে ২ টা লাইন বাড়ায়া দিলাম।
খুশি ?
দুরের পাখি বলেছেন:
কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর মাত্রা থাকে দৃশ্যমান মাত্রাগুলার ভিতরের দিকে, বাইরের দিকে না । যেমন ধরা যাক কাগজের তলের কথা । কাজগের তলকে দ্বিমাত্রিক বলা হৈলেও, অনেক সূক্ষ্ণ স্কেলে সেইটাই আবার ত্রিমাত্রকি । কারণ যত ছোটই হোক, কাগজের একটা পুরুত্ব আছে । শূণ্য পুরুত্বের কাগজ বানানো সম্ভব না ।
এখন স্ট্রিং থিওরী বা অন্য থিওরীর মাল্টিডাইমেনশনগুলা মূলত ঐরকম । কাগজের পুরত্বটা যখন একটা নতুন মাত্রা হিসাবে ধরলাম , তখন কাগজটা দুই থেকে তিন মাত্রা হৈয়া গ্যালো । এইভাবে সেইটারে চার / পাঁচ এইভাবে ইচ্ছা করলে হাজার মাত্রাও বানানো গেলো ।
কিন্তু বানাইলেইতো হৈবে না । সেইগুলার হিসাব জ্যামিতিকভাবে যদ্দুর পর্যন্ত দেখানি যায় তদ্দুর পর্যন্তই হিসাবের ভিতর আনা হবে ।
চার রকমের বেসিক বলের একীভূত করন তত্তটা এইখানে গুরুত্বপূর্ণ । স্ট্রিং থিওরীর হাইপোথেসিস অনুযায়ী ভিতরে দিকে ভাঙতে ভাঙতে ১১ মাত্রা পর্যন্ত গেলে তখন সবগুলা বলকে একটা সমীকরণ দিয়াই প্রকাশ করা যায় । এইকারণে ১১ মাত্রার বেশি আর দরকার নাই বা ১১ র বেশি আর মাত্রা নাই বলা হয় ।
বাইরের দিকে মাত্রা যোগের ব্যাপারটা জীবনে প্রথম শুনলাম । ইন্টারেস্টিং । তয় সমস্যা ঐখানেই , হিসাব কৈরা না দেখাইতে পারলে ভ্যালু নাই আরকি ।
লেখক বলেছেন: আপনি প্রথম শুনলেন ??
স্টিফেন হুকিং এর কাছ থেকে আগেই জেনেছি। হা হা হা। ভাই, আমি সোজা আর বাঁকার কথা বলেছি। ভেতর আর বাহিরের না।
বস, কীসের সাথে কী ধরতাছেন ?? আমার যুক্তিতে ভুল দেখান।
আমি কিন্তু, কাগজের উপরের মাত্রাটার অকথাই বলেছি। আর বলেছি সেখানে আঁকা ছবিটার কথা।
আমি কাগজটা টেবিলে রেখ, টেবিলের উপরের থেকে দেখাইনি। বরং, কাগজে ছবি এঁকে সেই ছবিটাকে হিসাব করেছি কাগজের উপর থেকেই।
আশা করি, পয়েন্ট টা ধরতে পারছেন।
কমেন্টের বক্সটা কিন্তু দ্বিমাত্রিক। এখানে মনিটরের পুরুত্বের হিসাব আসলে কি চলবে??
এটার পুরুত্ব যদি হিসাবে আনেনও, তাহলে সেটা বাদ দিয়ে যা থাকে, তাই তো দ্বিমাত্রিক।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
দুরের পাখি বলেছেন:
মাগার নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তরডা দেইখা হা হা প গে
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ভাইয়া আপ্নি এমন প্রান্জল ব্যাখ্যা দিলেন যে আপ্নেরে আমার কদম্বুছি কর্তে ইচ্ছা কর্তেছে। পিলিজ আপ্নের পায়ের এক্টা দ্বিমাত্রিক ফটুক দেন। ত্রিমাত্রিক আমি দ্বিমাত্রিক ফটুকে আমার ত্রিমাত্রিক হস্তযুগল স্পর্শ করে চতুর্মাত্রিক কদম্বুছি করি।
লেখক বলেছেন: হা হা হা হা।
খোঁচাটা ভালা লাগলো না। তবুও হাসতেই আছি।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ম্যাভেরিক বলেছেন:
বেশ বড় লেখা, পুরোটা পড়তে হবে সময় করে। তবে খুব সাবলীল অনবদ্য লাগল যেটুকু পড়লাম।ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
এই যুগে ভাই নিরাপদে থাকুন।
তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন:
পড়ে ভালো লাগলো। যুক্তি গূলো ভালই। প্রিয়তে নিলাম।+++++
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
মারুফ হোসেন বলেছেন:
নাজিম উদদীন, ট্র্যানজিস্টার, দুরের পাখি , যা বলেছেন তাতেই পাগলা সাহেবের বোঝা উচিত অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী।
লেখক বলেছেন: উনাদেরকে যে উত্তরগুলো দিয়েছি, তা দেখুন।
হয়ত ভাল লাগবে।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
শামীম দ্যা রক্ বলেছেন:
ভাল!! কয়েকজনের ফাও কমেন্ট পড়ে মজা পাইলাম। লেখাটা আমার চিন্তার সাথে খাপ খায়। একসাথে না লিখে পর্ব আকারে লিখতেন।নাসতুদের আপনে জীবনেও কিসু শিখাতে পারবেন্না। কারন তারা অতী গীয়ানি। সরি আপনার এই এতবড় লিখাটা বিফলে গেল বলে। প্রিয়েতে নিলাম। সাথে প্লাস।+++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আমার জন্য দুঃখ করবেন না। বরং,ওদের জন্য দুঃখ কউন।
আবারো ধন্যবাদ।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
এই ছেলেটা একটা ইডিয়ট। এমন একটা সময় আসতে পারে যখন সে তার এই বোকামির সৌধ তৈরি করার ব্যাপারে হা-হুতাশ করবে।পড়াশোনা কর, জানো।
লেখক বলেছেন: বিজ্ঞানের বইয়ে যেসব শব্দ বিজ্ঞানের পরিভষা হিসবে ব্যাবহৃত হয়, সেগুলো আমি ব্যবহার করিনি। কারণ, সেগুলোর ক্ষেত্রে আবার তার সংজ্ঞা দিতে হয়।
তার মানে এই না যে আমি জানি না।
যাই হোক, আলোর সমান গতিবেগ কোন বস্তুর পক্ষে অর্জন করা সম্ভব না। আর এটা আইন্সটাইনই প্রমাণ করছেন।
আপনি ফিজিক্সের টিচার হলেও আমার কিহু যায় আসে না। এই পোস্ট টা নিয়ে অনেক চিন্তায় আছি।
সেখানে, আপনার এই অদ্ভুত কথা নিয়ে বাগাড়ম্বর করার ইচ্ছা নাই।
আমাকে গালি না দিলে , এত বিরক্ত সাধারণত আমি হই না।
আপনি যুক্তিতে ভুল ধরলে বলে যান। সেটা না ধরে আইন্সটাইনের বলা কথাকে নিয়ে প্যাচাচ্ছেন কেন ?
আইন্সটাইন প্রমাণ করেন নাই এইটা ?
তাহলে, আমি এখন করলাম।
যেই করুক, আমি অথবা উনি, এটাই সত্য।
খুশি ?
নাস্তিকদের ব্যাপারে কোন ধরনের বিতর্কে না যাওয়াই ভালো ..
"চাকা নতুন করে আবিস্কার করা যাবে না" .. মানব সভ্যতা তার চরম শিখরে পৌছে গেছে ....যেটা ১৯০০ শতকের মানুষ মনে করতো পদার্থ বিজ্ঞানে আর কোন নতুন থিওরী আবিস্কার করার কিছু নেই
চাকার মতো রিভুলেশনারী কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করলেও
মুরতাদ হিসাবে ট্যাগ হবা..
চাকা কারো ব্যাক্তিগত আবিস্কার না .. একটা ৮ বছরের বাচ্চা যদি অত বইটই না পড়ে .. আবিস্কার করে যে গোলাকার বস্তু
অন্য আকৃতির বস্তুর চাইতে সহজে ঠেলে নেয়া যায় .. তাহলেও অনেকে হৈ হৈ করে উঠবে ব্যাটা মূর্খ বলে ...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
তবে কোরানের সাথে বিজ্ঞানের ব্যাখাটা না করাই ভালো
দুই নৌকায় পা রাখলে ব্যালান্স থাকে না ....
কোরানে অনেক অসংগতি আছে বিজ্ঞানের হিসাবে.... যেটার ব্যাখা নাই আপাতত
বিজ্ঞান দিয়ে চিন্তা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ
লেখক বলেছেন: যতটুকু পারি নিজের মত করে বুঝার চেষ্টা করছি।
তবে, আমড়া একটা কথা বলছিল, বিজ্ঞান তো এখনো শিশু।
আমিও তাই ভাবি, দুনিয়া প্লেটের মতন। এটাও এক সময় বিজ্ঞান ছিল।
আমি আসলে প্রথমে বিজ্ঞান বিষয়ক পোস্ট দিতে চাইছিলাম। কিন্তু শেষে ধর্মের দিকে টার্ণ নিলাম। এখানে খোঁচাখুচিটাকে এঞ্জয় করি।
হা হা হা
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
মোহাইমেন বলেছেন:
'কমনসেন্স' আর 'সেন্স অব হিউমার' কে অনেকে গুলিয়ে ফেলে। অনেকে 'কমনসেন্স' থেকে 'সেন্স অব হিউমার' খোজার চেষ্টা করে, বড়ই আজিব!!!! পাগলা, লেখাটা ভালই লাগছে, দেখি পরের বার কি আসে।
লেখক বলেছেন: ভাইজান, আপনি জটিল বলছেন। আপনাকে ভাল পাইলাম।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
বেছু মেম্বার বলেছেন:
পুরাটা পড়লাম কিন্তু কিছু জায়গায় আইসা মাথায় ঝিম মেরেছে কেন বুঝলাম না!
পরে আবার পড়তে হবে। তবে ভালো লেখা। প্লাস।
লেখক বলেছেন: এই জিনিস কখন ভাইবা বাইর করছি জানেন ? ক্লাস ৯ এর শুরুর দিকে।
এখন যদি বলেন, আমাথা ঘুরায়, তাইলে কীভাবে হবে ??
ভাই, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আরেফিন জিটি বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। +
লেখক বলেছেন: শেষের দিকে আরো ২ টা লাইন লাগালাম। হঠাত মনে হল।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
দুরের পাখি বলেছেন:
"আমি কাগজটা টেবিলে রেখ, টেবিলের উপরের থেকে দেখাইনি। বরং, কাগজে ছবি এঁকে সেই ছবিটাকে হিসাব করেছি কাগজের উপর থেকেই।"হাহাহা । কাগজে ছবি কি দিয়া আঁকছেন ? কালি দিয়াতো ? ঐ কালির স্তরের পুরুত্বটাই তৃতীয় মাত্রা ।
বুঝার ঘাটতি আছে , তয় চিন্তার অভ্যাসটা রাখা ভালু আরকি ।
আরেকটা ব্যাপার, হকিং এর কুন বইএর কোন জায়গায় তিন মাত্রার বাইরের দিকের মাত্রার কথা বলা আছে, রেফারেন্স দেয়া যাবে ? অনেকাগে পড়ছিতো, নিজের জানাটাও একটু ঝালাই কৈরা নিতাম ।
লেখক বলেছেন: হমমমমম, তর্কের খাতিরে তর্ক করে লাভ কী? ভাইজান, এসব কী বলেন ?
কালির পুরুত্ব আছে। সেটা কি আমি বুঝাইছি ?? আছে তো কি হইছে? সেইটা বাদ দিয়েই তো দ্বিমাত্রিক।
এটা একটা উদাহরণ, সবচেয়ে কাছের উদাহরণ। সবচেয়ে ভালো উদাহরণ।
আপনার আরো ভাল উদাহরণ লাগবে বুঝেছি। আমি সাধারণ পাবলইকের বোঝার জন্য দিছি।
আপনার জন্য, উদাহরণ হল -- মনিটরের এই কমেন্টের বক্সটা। এখন যদি, বলেন এইটারো পুরুত্ব আসে, তাহলে হয় আমি বুঝাইতে পারিনি, নয়ত আপনি বুঝে নাই।
ধর্ম বিষয়ক পার্টটা ভাল লাগে নাই বুঝলাম, সেটার জন্য ১ম অংশ নিয়ে এমন করাটা কি জরুরী ?
পড়ার জন্য আবারো ধন্যবাদ।
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ে বোঝার চেষ্টা করলাম। একবার পড়েছি, বুঝতে হলে কিছু অংশ আরও পড়তে হবে। লেখা খুব ভালো। যাদের জন্য লেখা তারা এটা খাবে না, কারণ তারা যা খাবার তাই খাবে বলে সংকল্পে অনড়। বিশ্বাস খুব হালকা বিষয় নয়। যে তর্কবিতর্ক করছে সে নিজের কাছ থেকেও শতভাগ নিরাপদ না, কারণ, উল্টা স্রোতে চলে সে শুধু নিজের বিশ্বাসটাকে ঝালিয়ে দেখতে চায়, অন্তরে খুব জ্বালা আর অতৃপ্তি। কিন্তু তারা মূর্খ। ব্রিফ হিস্টরি অব টাইম অন্তত তাদের পড়া উচিত।লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
দুরের পাখি বলেছেন:
এখন, ধরেন আরো বাড়াতেই থাকলাম, একটা সময় কি আসবেনা যখন গতি ০ এর পিছে চলে যাবে ? ব্যাপারটা হজম করা একটু কঠিন, কিন্তু সত্য এটাই। ০.০০০০১ এর চেয়েও কম, তার চেয়েও কম, এমন কি তার চেয়েও কম সময়ের পরে হয়ত, আমরা ০ এর কম সময়ে একবার ঘুরে আসব। এই জায়গাটা পুরাই ভুল । দুরত্ব একটা ধণাত্নক সংখ্যা, গতি একটা ধনাত্নক সংখ্যা
সময় = দুরত্ব/বেগ
এইটা বেগ যতই বাড়ানো হোক , সময় কোনদিনও ০ হবে না, ঋণাত্নকতো পরের কথা ।
ক্যালকুলাসে, প্রান্তিক মান হিসাবে ১/ইনফিনিটি = ০ ধরা হয় । কিন্তু ০ কখনোই হবে না ।
লেখক বলেছেন: হে হে হে হে, গুরু, হবে হবে।
আপনার যুক্তিটা ভালো লাগল।
এটাতো সাধারণ বিজ্ঞানের যুক্তি।
ফিজিক্স ত সাধারণ বিজ্ঞান না। ফিজিক্সে কোন কন্ডিশন নাই। এখানে ধনাত্মক বলে কোন ধারণা নাই। ফিজিক্সে ধনাত্মক মানে, ক্স অক্ষ বা ভূজ। যুক্তিতে যদি আসে,আমি সময়কে বাম দিকেও টানব।
correspondence pronciple এখানে খাঁটবে না।
সময়ের সাপেক্ষ অন্তরীকরণ করলে কি মাইনাস আসে না ? তখন কি সেটা বাদ দেই আমরা ? পাইছেন এমন কোন থিওরী ?
এমনকি এডভান্সড ফিসিক্সে তো দূরত্বকেও মাইনাস ধরে মাঝে মাঝে। পরে কাটাকাটি করে বাদ দেয়ার জন্য ধ্রুবক আনতে হয়। কারণ, এখানে ধনাত্মক/ঋণাত্মক শুধু দিক বুঝায়, মান না।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
পাগলা, আমি ধরে নিচ্ছি তুমি উচ্চমাধ্যমিকে পড়। অন্তত পদার্থবিদ্যার লেভেল সেটাই দেখায়। তোমার বইয়ে স্পেশাল রিলেটিভিটির ওপর একটা চ্যাপ্টার আছে, নেই? সেটা দুটো স্বীকার্য দিয়ে শুরু, এটাও তুমি জান।১. পদার্থবিদ্যার সব নীতি, ইনার্শিয়াল রেফারেন্স ফ্রেম-নির্বিশেষে খাটে;
২. আলোর গতি শুন্যস্থানে ধ্রুবক, যে ইনার্শিয়াল রেফারেন্স ফ্রেম থেকেই মাপা হোক না কেন।
এ-দুটো ব্যবহার করে, দুটো ফ্রেমে একটা কলিশন চিন্তা করে আমরা ভরের আপেক্ষিকতা পাই, এটা তুমি জান। ভরের আপেক্ষিকতা থেকেই আমরা পাই তুমি যেটার দিকে ইঙ্গিত করেছ, সেটা। কিন্তু চিন্তা করে দেখ,
১. আলোর গতি শুন্যস্থানে ধ্রুবক না-ও হতে পারত
২. অন্য কোন ধ্রুবক হতে পারত।
কিন্তু তুমি হয়তো জানোনা, ভরের আপেক্ষিকতার বদলে গতির আপেক্ষিকতা দিয়েও সর্বোচ্চ গতির এ-ধারণায় আসা যায়, আরো সহজে। একদিন হয়তো পড়বে-ও। সেখানে দেখবে বেগ > আলোর বেগ হলে টার্মটা কাল্পনিক হয়ে যায় - দ্বিতীয় স্বীকার্যের সরাসরি ইমপ্লিকেশন গতির সীমারেখা। এবং এটা আসে সেই স্বীকার্য থেকেই।
কেন এত সময় খরচ করলাম জানি না। ভাল থেকো, জানতো থেকো। অনেক কিছু জানার আছে। তুমি লিনিয়ার অ্যালজেব্রাও পড়নি স্পেসের ওপর - যখন মাত্রা নিয়ে গভীর বাণী দাও, মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে।
লেখক বলেছেন: আমি কিসে পড়ি, আপনি বুঝেন নাই।
আপনি জানেন কীসের থেকে কীসে গেলেন। আইন্সটাইনের থিওরীকে এইটা কী বানালেন ??
আপনি আসলে কী বলতে চান ?
আইন্সটাইনের মহা আপেক্ষিক থিওরীর কথা শুনছেন তো।
সকল মাত্রায় যে আলোর গতি ধ্রুবক ? এমনকি আপেক্ষিক ভাবেও ?
এই কথাটা আপনি বল্লেছেন এই ভাবে,'আলোর গতি শুন্যস্থানে ধ্রুবক, যে ইনার্শিয়াল রেফারেন্স ফ্রেম থেকেই মাপা হোক না কেন।'
আমি যা বলি সবাইকে বুঝিয়ে বলার মত করে বলি।
যাই হোক, আপনি আরও বলেছেন,
আলোর গতি শুন্যস্থানে ধ্রুবক না-ও হতে পারত ।
হতে পারত কথাটার আসলেই ভিত্তি কি ?
হতে পারত, কিন্তু হয় নাই। ঠিক না ?
আলোর গতি কী কেউ মাপে নাই ?? যে এখানে এখনো কনফিউশান আছে যে 'হলেও হতে পারত।'
আপনি হয়ত আসলেই অনেক জ্ঞানী। আমারই বুঝার ব্যার্থতা। মাত্রা নিয়ে আমার ব্যাখ্যা কোন ভুল থাকতেই পারে, আমি বিজ্ঞানী না।
তাই, আইন্সটাইনের থিওরীতে আপনার কি সমস্যা আমি বুঝতে ব্যর্থ হলাম।
তবুও সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
@ দূরের পাখি: হা হা
দুরের পাখি বলেছেন:
খিক খিক , কি অবস্থা দেখেন, পুরা লেখাটা দাঁড়াইয়া আছে গতি বাড়াইতে পারলে সময়রে ঋণাত্নক করা যাইবো এইটার উপর । গোড়াতেই গলদ @ ট্রানজিস্টারলেখক বলেছেন: ভাই আমারই ভুল। সব দোষ আমার। বুঝাইতে ব্যার্থ।
এইখানে থিওরি ২ই টা। একটার প্রমাণের সাথে আরেকটার সম্পর্ক নাই। শেষের দিকে ২ই টাকে শুধু মিলাইছি।
উফফফ, কারে কি বুঝাই ?
যান, ধর্ম তর্ম আপনাকে কিছুই বিশ্বা করতে হবে না। খুশি ?
এটা শুধু আমার মত বোকাসোকাদের জন্য। হইছে??
আমি টায়ার্ড।
সময়কে ঋণাত্মক করা যায় না নর্মাল ফিজিক্সে, এডভান্সডে যায়। আর যুক্তি তে আসে। আপনি সময়কে কতক্ষুদ্র করবেন ? সেটা কি মাইনাসে যাবে না?
এডভান্সড বাদ দেই, আপনি সাধারণ টাই ভাবেন।১০ থেকে একটা সংখ্যা বিয়োগ করতে দিল। সেটা ৮। ৮ এর মান যদি ১ করে বাড়াতে থাকি, বাড়াতে থাকি, আরো বাড়াই,তাহলে কি ১০ থেকে এর বিয়োগের মান ঋণাত্মক আসবে না ?
দুরের পাখি বলেছেন:
হাহাহাহাহা । সময়ের সাপেক্ষ অন্তরীকরণ করলে কি মাইনাস আসে না ? তখন কি সেটা বাদ দেই আমরা ? পাইছেন এমন কোন থিওরী ?
ধনাত্নক কিছুরে সময় কেন একটা মুরগির স্বাপেক্ষে অন্তরীকরণ করলেও ঋনাত্নক কিছু আসবো না ।
অত কথার কাম কি ? একটা উদাহরণ দেও , তাইলেইতো হয় ।
লেখক বলেছেন:
কোসেক 'টি', কস 'টি' কে অন্তরীকরণ করেন।
দল টাইনা কী লাভ? আমি কি আপনার শত্রু ?
মত না মিললে নাই। কিন্তু, এমন করেন কেন ?
ট্রাঞ্জিস্টার কি বললেন, আমি ধরতে পারছি না। কিন্তু, আমার মনে হয় না আপনিও উনার ব্যাপারটা বুঝতেছেন।
শুধু উনিও এখন আমার বিপক্ষে বলে আপনি এখন উনাকে নিয়ে গ্রুপিং করতেসেন ??
মানুষ কি ব্লগে শত্রুতা করতে আসে ?
আমরা কি শত্রু ?
উনার কথা উনি বলুক, আপনার টা আপনি। একে অপরকে টানতেছেন কেন?
ভুল তো কার হতেই পারে।
গ্রুপিং শুরু করলেন কেন ??
আমার এখনো কোন গ্রুপ নাই।
থাকলে বোধহয় এত কথা ব্যয় করতে হত না।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
"এটাতো সাধারণ বিজ্ঞানের যুক্তি।ফিজিক্স ত সাধারণ বিজ্ঞান না। ফিজিক্সে কোন কন্ডিশন নাই। এখানে ধনাত্মক বলে কোন ধারণা নাই। ফিজিক্সে ধনাত্মক মানে, ক্স অক্ষ বা ভূজ। যুক্তিতে যদি আসে,আমি সময়কে বাম দিকেও টানব।
correspondence pronciple এখানে খাঁটবে না।"
ভুল স্বীকার করতে সমস্যাটা কোথায়?
t = s/v
যখন v---> inf.
তখন t---> 0
যা-তা বলে কী লাভ?
লেখক বলেছেন: ভি = অসীম হয় কিভাবে ?
একটু আগে না বললাম, ভি আলোর গতির চেয়ে কম হবে ?
ভি কে যদি অসীম ধরা হয়, (কষ্ট করে), সে তুলনায় খুব সহজেই গ্রাফের সাহায্যে সময়কে ঋণাত্মক ধরে নেয়া যায়।
যা-তা কে বলে?
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
@ দূরের পাখি: ধনাত্মক এবং মনোটনিক্যালি ইনক্রিজিং
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
এখানে কোরেসপন্ডেন্স প্রিন্সিপল আসে কোত্থেকে?
লেখক বলেছেন: সেটাই তো বললাম। আসবে না।
এখানে সেই থিওরী ক্লাজে লাগালে হবে না।
সময় ঋণাত্মক হবে এখানে।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
"এখন, ধরেন আরো বাড়াতেই থাকলাম, একটা সময় কি আসবেনা যখন গতি ০ এর পিছে চলে যাবে ? ব্যাপারটা হজম করা একটু কঠিন, কিন্তু সত্য এটাই। ০.০০০০১ এর চেয়েও কম, তার চেয়েও কম, এমন কি তার চেয়েও কম সময়ের পরে হয়ত, আমরা ০ এর কম সময়ে একবার ঘুরে আসব।"বুল শিট।
লেখক বলেছেন: গ্রাফ বুঝেন ??
এক্স এক্সিসের পেছন দিকে বাড়ালে কি ঋণাত্মক আসে না ??
দুরের পাখি বলেছেন:
হাহাহা । টায়ার্ডতো হবাই (আপনে আপনে করতে ভাল্লাতাছেনা, ছবি দেইখা মনে হৈতাছে তুমি আমার ছোটই হবা, আমি এসএসসি ২০০০ ব্যাচ, যদি জুনিয়র না হও তাইলো বইলো, আবার আপনি কৈরা বলবো)" এডভান্সড বাদ দেই, আপনি সাধারণ টাই ভাবেন।১০ থেকে একটা সংখ্যা বিয়োগ করতে দিল। সেটা ৮। ৮ এর মান যদি ১ করে বাড়াতে থাকি, বাড়াতে থাকি, আরো বাড়াই,তাহলে কি ১০ থেকে এর বিয়োগের মান ঋণাত্মক আসবে না ? "
এই জায়গাটা খেয়াল কৈরা । তুমি কিন্তু দেখাইতাছে ভাগের কথা, বিয়োগের কথা না । পিছলাইয়া একটা কৈলেইতো হৈব না ।
ভাগ কৈরা একটা কিছুরে কোনদিনও শূণ্য করা যাইবো না । ঋণাত্নকেরতো প্রশ্ন আসে না ।
আর ভারী ভারী শব্দ দিয়া পিছলানির কাম নাই । খিক খিক ।
লেখক বলেছেন:
ভাগ শিখছেন বোধহয় ক্লাস ২ তে।
ভাগ করলে জিসের মান কমে, বিয়োগ করলে কী বাড়ায়া দিলাম ??
এইখানে ভাগ বিয়োগ ব্যাপার না, সময়ের পরিমাণ কমল, আর আপনি এটাকে গ্রাগ\ফে কী ভাবে পয়েন্ট করবেন, সেটাই ব্যাপার।
০ দিয়ে ভাগ করলে শূন্য হয়।
ভাগের ০ হয় না? হা হা হা।
যাই হোক,
এস কে ভি দিয়ে ভাগ করছি।
ভি কে যদি অসীম "ধরতে হয়", তাহলে সময়কেও ঋণাত্মক মানতে অসুবিধা কী ?
ভি অসীম হতে পারে না। যদি সেটা করা যায়, তখনই সময় ঋণাত্মক হবে।
সেই জন্যই মাত্রার ধারণার অবতারণা। এই থিওরী এখানে আনার কারণ ত এটাই।
দুরের পাখি বলেছেন:
@ ট্রানজিস্টার , আরেকটু বিস্তারিত বলেন, বুঝি নাই ।" ধনাত্মক এবং মনোটনিক্যালি ইনক্রিজিং "
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
@দুরের পাখি: এইসব পোলাপানের বেসিক অ্যারিদমেটিকের সেন্স নাই এরা সাহিত্য মুখস্থ করে ভাবে বিজ্ঞান করছে...
লেখক বলেছেন: গ্রাফ কএন নাই নাকি আপনারা?
একজন আবার বলে, ধনাত্মক কিছুকে অন্তরীকরণ করলে নাকি কখনো ঋণাত্মক পাওয়া যায় না।
হা হা হা
আপনাদের সবার জ্ঞানের বহর দেখে আমি মুগ্ধ।
দুরের পাখি বলেছেন:
" উফফফ, কারে কি বুঝাই ?যান, ধর্ম তর্ম আপনাকে কিছুই বিশ্বা করতে হবে না। খুশি ?
এটা শুধু আমার মত বোকাসোকাদের জন্য। হইছে?? "
রাগ করো ক্যান । আমিতো ধর্ম নিয়া কিছু কই নাই । তোমার বুঝাতে আউলা ঝাউলা আছে । কিছু ভারী ভারী শব্দ দিয়া প্লাসরে মাইনাসে উল্টাইয়া দেয়া যায় না । এই জায়গাগুলা ভালোমত খেয়াল কৈরা । সেইটাই আলোচনা করতে চাইতাছি ।
লেখক বলেছেন: ধর্ম নিয়ে মিলালাম বলেই যে এত কিছু বলতেছেন, সেটা কি বুঝি না??
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
@ দূরের পাখি: মনে করেন, আপনার হাতের ফাংশানটা হল e^(-x); ই টু দ্যা পাওয়ার মাইনাস এক্স। এখন, যেকোন t>0 এর জন্য এটা পজিটিভ, কিন্তু যেহেতু এটা কমতে থাকে, d/dx করলে সবসময় নেগেটিভ। মনোটনিক্যালি ইনক্রিজিং মানে কখনো নামবে না, সবসময় উঠবে। এই আরকি।
লেখক বলেছেন: আমিও ত সেটাই বলি।
পাখি ভাই,
মনোটনিক্যালি ইনক্রিজিং আনলেন কেন ?
দরকার নাই তো।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
ফাটাফাটি একটা লেখা। এইসব মাত্রা নিয়ে আগে জানতাম, তাই লেখাটি বুঝতে সমস্যাই হয়নি কোন। বেশ ঝরঝরে লেখা।যারা বুঝেন নাই আমি মনে করি আরেকবার পড়লেই ক্লিয়ার হবে।
নাস্তিকগুলার পোস্ট দেইখা হাসি আসতাছে। টপিকের বাইরে গ্যান ফলায়। কি যে ফলায় নিজেরাই জানে বইলা মনে হয়না। এইসব গ্যান ফলানোর দুইডা দিক থেইকা বেশ ভালো! :
প্রথমত, নিজেরে অতি বিদ্বান জাহির করা, যাতে লেখক নিজেই নিরুৎসাহিত হয়। এরা দেখবেন বিষয়বস্তুর ছোট্ট একটা আনইম্পরট্যান্ট পার্টের ভেতরে ঢুকে যায়- যেটা সত্য না মিথ্যা যাচাই করার উপায় থাকে না। দ্বিতীয়ত পাবলিকের কাছেও মহান হইত।
আপনি এই সেইম লেখাটাই নাস্তিকতা বাদ দিয়া লিখতেন, দেখতেন এরা আপনারে + দিয়া যাইত।
এ নিয়া আরো পড়াশুনার পড় বিশদ মন্তব্য দেওয়ার ইচ্ছা থাকল। একজন দেখি লিনিয়ার এলজেবরা কপচাইতেছে
প্রিয়তে নিয়া গেলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
আপনার কথা শুনলে ভাল্লাগে অনেক।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
"একজন দেখি লিনিয়ার এলজেবরা কপচাইতেছে"আমি লিনিয়ার অ্যালজেব্রা কপচাচ্ছি, না? আর মাত্রা কিছু না বুঝে স্ট্রিং থিওরি বুঝে যায়, আর ফার্মিল্যাবের ১% ও বুঝে না... নোবেল তো সুনিশ্চিত!
তুই বুয়েটে কোন টার্ম, ছোট ভাই?
লেখক বলেছেন: স্ট্রিং তত্ত্ব কখন কাকে বুখালাম ??
মাত্রা বুঝেনাই মানে?
ঠিকই বুঝছে।
দুরের পাখি বলেছেন:
ও , বুঝছি । মাই ব্যাড । ব্যাপারটা ভালোমত ফ্রেজিং করতে পারি নাই ।ঠিকাছে, সময়ের সাথে পরিবর্তনের হার ঋণাত্নক হৈতে পারে ।
সময়ের স্বাপেক্ষে অন্তরীকরনে বেগ, ত্বরণ এইগুলা আসবে । বেগের মান ঋণাত্নক হয় না ।
ওক্কে । এখন এইটার ইমপ্লিকেশন কি , তোমার তত্তের সাথে ?
আর দলাদলি করলাম কোথায় । আইডিয়ার এক্সচেন্জে সমস্যাতো নাই ।
লেখক বলেছেন: এটাই তো সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
অন্তরীকরণ মানে কী ?
একটা সংখ্যাকে যতটুকু সম্ভব ক্ষুদ্র করা যায়, ততটুকুই করতে হবে।
এবং ক্ষুদ্র করতে থাকলে একসময় এটা মাইনাস আসবে। যখন জ্যামিতিতে আনব।
আমি সময়কে যত ক্ষুদ্র সম্ভব ভাগ করলাম, আরো করতে করতে মাইনাসে চলে গেলাম। এখানে মাইনাস মানে, ঋণাত্মক না, মাইনাস মানে এক্স অক্ষের বিপরীতে এক্স প্রাইমের দিকে যাওয়া। সেখানেও সময়ের মান কিন্তু, ধনাত্মকই থাকে, শুধু দিক পালটায়।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
@ আমড়া কাঠের ঢেকি: শান্তনু, ০৭, সিএসই। ওকে।একটা ওয়ার্নিং দিই - ভদ্রতা বজায় রাখবা।
দুরের পাখি বলেছেন:
আমড়া কাঠের ঢেকি । খিক খিক । নামকরণের এমন স্বার্থকতা সামুতে বিরল ।
লেখক বলেছেন: পাখি ভাই, পাখির সমান ছোট মাথায় কত বুদ্ধি রাখেন।
হা হা হা
নামে কি আসে যায়, বুদ্ধিতে তার পরিচয়।
দুরের পাখি বলেছেন:
পোস্ট শোকেসে রাখলাম । ভাবনাচিন্তা কৈরা গলদটা ধরতে পারো কিনা দেখ । মাঝেমধ্যে চেক করে যাবো @ লেখক
লেখক বলেছেন: গ্রাফেই দিলাম জবাব।
শয়তান বলেছেন:
খিকজ
কলুর বলদ বলেছেন:
পোষ্টের শিরোনামে লিখছেন নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর। সব তো আপনে নিজের মত কইরা ধইরা নিছেন। নাস্তিকরা কি উত্তর পাইলো বুঝলাম না।
লেখক বলেছেন: মনির ভাইকে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছি।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
থ্রেট দ্যান নাকি? যাইহোক যেহেতু ডরাইছি তাই আর তর্কে গেলাম না। ব্লগে আপনি নতুন (আপনার প্রোফাইল তাই বলে) তাই আপনার সহমতাবল্মীদের ব্লগ দেইখা আইসেন তারা কেমন ভদ্রতা বজায় রাখে। আমার কুনু দোষ নাই, পরথম যখন ব্লগে আইছিলাম আপনার মতই ভদ্র আছিলাম
আর আমিতো কইলামই এই নিয়া পড়াশোনার পর মন্তব্য করুম। ভালা থাইকেন
[এত কুইক ইনফো পাইলেন কেমনে? মনে হয় আপনেরে চিনি ?!]
অরণ্যদেব বলেছেন:
খিকজ
আথ্যরিক বলেছেন:
THE 'BIG BANGER' IN NUMBERS
Scheduled to begin operation in May, the Large Hadron Collider (LHC) will produce close to one per cent of all digital data generated on the planet. The amount stored every year by each of the big experiments would fill about 100,000 DVDs.
The LHC operates at a temperature colder than that found in outer space - about 240C colder than a domestic freezer.
The vacuum inside the LHC beam pipe is so good that there is actually 10 times more atmosphere on the Moon.
The filament making up the LHC's superconducting cable is about a tenth of the width of a human hair. If you could lay all the filament end to end, it would stretch to the Sun and back five times.
LHC protons at full energy will travel within 0.0000001 per cent of the speed of light.
An LHC beam has the total energy of a 400-tonne train travelling at 150kph. Each proton has about the energy of motion of a flea.
The Sun never sets on the LHC collaborations - members come from all seven continents except Antarctica.
The magnet system of one of the detectors contains more iron than the Eiffel Tower.
Click This Link
and
Click This Link
Can have a look on these links also. . . .oh yes, DON'T forget to see the comments on them as well.
1. http://www.youtube.com/watch?v=oRWwI61so5Q
2. Click This Link
3.
Also can have a look on God's Particle of atom smashing in Switzerland.
But sorry if I derail you.
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
মোহাইমেন বলেছেন:
আমি বড়ই বুকা আর খারাপ কিছিমের ছাত্র, বদছাত্র (পিছনের বেন্চ্ঞির রংগতামাশা আমার ফ্রিয়)!!!! তবে কেলাশে একদিন স্যারে আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সের একটা ফাংশন পড়াইবার সময় কইলো, এই আপডেট করা গেলে একটা হুলস্হুল পইড়া যাইবো। কিন্তু আপডেট করনডা সোজা না, অনেক জল-পানি খাইয়াও কেউ কিছু করতে পারতাছেনা। তুমরা কি টেরাই করবা? আমার কেমতে জানি কি হইয়া গেল, মাতার ভিতরে ভোভো কইরা উঠলো, চাদ-তারা-পক্ষী সব চউক্ষের সামনে উড়তে লাগলো, আমার ১ সেকেন্ডের এক লক্ষ ভাগের ১ ভাগের মইদ্যে কিজানি কি হইয়া গেল, মনে হইলো ফরমুলা তো জলপাই (জল পাই তাই খাই) গাছ। আমি চিক্কুর পাইরা উটলাম, স্যারগো আমার জানি কিরাম কিরাম লাগে, মাথাডারে খুইজা পাইতাছি না। স্যার গো, এইডা কুনু ফরমুলা হইলো নাকি আমার তো অন্য কিছু ঠেকে গো স্যার। আমি এইডারে ঘুরাইয়া দিতাম চাই, ঘন্টা দুয়েকের মধ্য আমি একটা অংক কষলাম, এবং প্রাথিমক ভাবে অংক মিলা গেল। আমি স্যারকে ফুন কইরা কইলাম, আমার অংক মিলা গেছে গা স্যার। আমার তো জ্বর আইতাছে। আমার মাতা ঘুরাইতাছে স্যার, আমি অখন কি করমু কইয়া দেন গো স্যার.... তারপর পুরা ১৫ দিনের শেষ আমি একটা পেপার খাড়া কইরা ফালাইলাম কেউ ভুলেও আমারে অংক করতে দিয়েন না, আর পরীক্ষা কইরেন না। আমি অখনও পরীক্ষারে স্বপ্ন দেখি, তয় ফুর্তিতে না ডরে
মানুষ যে কি ভাবে আর কি করে, তা না জেনে অহেতুক তর্ক না করা ভাল। আমরা যেটা সাধারনভাবে দেখি, জানার মধ্যে থেকে দেখি হঠাত হঠাত তা অন্য দৃস্টিতে ধরা দেয়। আসুন আমরা দেখি পাগলা কি ধইরা ফেলছে। তারে যুক্তি-তর্ক বিশ্লেষনে সহায়তা করি। আমরা লাইনে থাইকা আগাইয়া যাই। ফলাফল বেরিয়ে আসতে পারে।
ও পাগলা ক্ষেইপেন না। ইনোভেটিভ আইডিয়া হঠাত চক্কর দিয়া উডে, অন্য কেউ ধরবার পারে না, তাই একটা মডেল দার করাইতে হয়। আইডিয়াকে ভাংগেন-চুরেন, ছোট-ছোট করেন। প্রেডিকশন টেষ্ট করেন। অংক দ্বারা প্রমান করেন। অপ্রামিনত অংশগুলোকে নোট করেন, সম্ভাব্যতার দিকে আগাইয়া যান। আর মনে রাখবেন, সব সুত্র মানুষ বানাইছে, তা ভুলচুক হইতেই পারে। আংশিকতা আছে, পুর্নতা নাই। আপনেরটা এডিশন হইতে পারে
পেছনের দিকে না তাকাইয়া আগাইয়া যান।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ এভাবে উতসাহ করার জন্য ।
আপনার কাহিনী তো দারুন।
হ্মহ্মহ্ম, আমারটা এডিশনও না। এই টা হচ্ছে, সূত্রে ফালায়া ব্যাখ্যা।
এইখানে আমার কোন কৃতিত্ব নাই।
তবু আমি আবার ভাবব ভাই।
আবারো ধন্যবাদ।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
@ ঢেঁকি:"[এত কুইক ইনফো পাইলেন কেমনে? মনে হয় আপনেরে চিনি ?!]"
তুমি এই বুদ্ধি নিয়ে দুই-এর বেশি ডাইমেনশন নিয়েই কীভাবে চিন্তা কর, ঠিক বুঝলাম না। তোমার ব্লগে রিইউনিয়নের পোস্টে তুমিই ফলাও করে ফোনসহ সব দিয়ে রেখেছ... না?
ফোন চেঞ্জ করার কোন দরকার নেই। আমি শুধু বলেছি লজিকে থাকতে... বুয়েটে পড়, এত সেন্সলেস কীভাবে হও? ০৫ এর পোলারা তো এইরকম না অ্যাভারেজে...
Click This Link
গান নিয়ে লেখাটা আসলেই ভাল হইছে।
লেখক বলেছেন: মাথার উপর দিয়ে গেল।
ওই লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
হোরাস্ বলেছেন:
হকিং এবং আইনস্টাইন দুইজনেই বলছে ওয়ার্ম হোলের মাধম্যে টাইম ট্রাভেল সম্ভব, এই ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি? মাত্রা নিয়ে কিছু বলার ইচ্ছা ছিলো, কিন্তু সে ব্যাপারে উপরেই বলা হয়েছে দেখে নতুন করে কিছু আর বললাম না।
লেখক বলেছেন: আমি মনে করি, এটা সম্ভব। কিন্তু, ওয়ার্মহোল আর ব্লাক হোলের একটু পার্থক্য আছে।
সেটা আরেকদিন বলব।
আমি মনে করি, এটা সম্ভব।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আব্দুলকুদ্দুসমদন বলেছেন:
মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। বিশ্লেষণটা ভাল লাগলো। কিন্তু টাইম মেশিন নিয়ে যে একটা কথা আছে তা হল_ যদি টাইম মেশিন আবস্কার হয় এবং সেটায় চড়ে কেউ তার পিতাকে অতীতে যেয়ে খুন করে আসে, তাহলে তার জন্মটা কিভাবে হবে? এই সমস্যার তো সমাধান হলো না?
লেখক বলেছেন: আগে আসল সমস্যার সমাধান হোক।
তবে, এই চিন্তাটাও মাথায় রাখতে হবে।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
জনৈক হস্তিমূর্খ: "ভি = অসীম হয় কিভাবে ?একটু আগে না বললাম, ভি আলোর গতির চেয়ে কম হবে ?
....
যা-তা কে বলে?"
-তুমি নিজের কথা প্যাঁচাচ্ছ। প্রথমে তুমি বলতে চেয়েছ যে বেগ বাড়ালে সময় ঋণাত্মক হতে পারে, যদি আলোর গতির কোন সীমা না থাকে। এই কথাটা ডাহা মিথ্যা, এবং প্রমাণ করে যে ক্লাস ফাইভে পাশ করার যোগ্যতাও তোমার নাই। যদি মাথায় না আঁটে, আরেকবার বলি:
"এখন, ধরেন আরো বাড়াতেই থাকলাম, একটা সময় কি আসবেনা যখন গতি ০ এর পিছে চলে যাবে ? ব্যাপারটা হজম করা একটু কঠিন, কিন্তু সত্য এটাই। ...আমরা ০ এর কম সময়ে একবার ঘুরে আসব।"
-এই কথাগুলো পুরোপুরি বেকুবি, এমনকি আলোর গতি যদি অসীম হতে পারত, তা-ও।
এইখান থেকেই লিমিটিং ভ্যালু অসীম নেয়া, তোমার যুক্তিতেই যে তোমার ম্যাথ ঠিক নেই তা দেখানো। আর কত অপমানিত হবা? তোমার পোস্ট আমি আমার ডিপার্টমেন্টে দেখিয়ে কত লোক হাসালাম আজকে, সেটা না-ই বা বললাম!
______
"ভি কে যদি অসীম ধরা হয়, (কষ্ট করে), সে তুলনায় খুব সহজেই গ্রাফের সাহায্যে সময়কে ঋণাত্মক ধরে নেয়া যায়।"
তুমি ম্যাথের ম-ও বোঝ না। তুমি ভাব এখানের লোকজন সব তোমার মত? গ্রাফের সাহায্যে না, কারো বাপের সাহায্যেও একটা পজিটিভ মানকে আরেকটা পজিটিভ মান দিয়ে ভাগ দিলে নেগেটিভ আসবেনা, তা যত বড়ই হোক না কেন।
এখন তোমার সামনে আরেকটা নির্বোধ পিছলামির স্কোপ আছে, সেটা বন্ধ করি। তুমি বলবা, 'আমি যদি উল্টাদিকে দূরত্ব মাপি?' তাহলে বেগও ঋণাত্মক - বাংলা কথা তুমি উল্টাদিকে মাপবা। একই কথা, নেগেটিভ বাই নেগেটিভ পজেটিভ।
এখন পিছলামি যত করবা, তত অপমান হবা। ভুল স্বীকার করতে পার না, কিসের সাইন্স বল?
এইসব হিস্ট্রি অব সাইন্স-ও না।
চাপা কমাও, এভাবে সবার সামনে লুঙ্গি পড়ার পর 'পড়ে নাই' বলে মান বাঁচাতে হবে না।
লেখক বলেছেন: বেশি হয়ে গেল না ???
আমার ক্লাসে আপনার কমেন্ট দেখায়া কত মানুষ হাসাবো কালকে টের পাবেন।
এই মাত্রা আর এর গতির সাথে উপরের মাত্রার প্রভাবটা আপনি গুলিয়ে ফেলেছেন।
বুঝতেছেন না ??
গ্রাফে বিপরীতে গেলে, সময় কি মাইনাস হয়?
বিপরীত দিকে মান ঠিকই প্লাস থাকে।
এই মাত্রায় তো অসীম গতি সম্ভব না। সে জন্যেই তো অন্যামাত্রায় যেয়ে এই মাত্রায় গতি বাড়াতে হবে।
আপনি কি পোস্ট পড়েন নাই ??
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
আর কোরেসপন্ডেন্স পাইলা কই এর মধ্য? টার্মবাজি দেখাও? একটা ইলেকট্রনের স্পেস লিমিট বইলা দিলে ওয়েভফাংশান-ও তো বাইর করতে পারবা বইলা মনে হয়না ম্যাথের অবস্থা দেইখা... চাপা সবখানে চলবেনা।
লেখক বলেছেন: এরপর থেকে আর কোন কথা হবে না। এখানে।
কথা শেষ।
করেস্পন্ডেন্স প্রিন্সিপাল বুঝেন ???
এই জ্ঞান নিয়া পাকনামি করেন ?
আপনার আর কোন প্রশ্নের উত্তর আমি দিব না।
গতি কম হলে আপেক্ষিক তত্ত্বর সমীকরণ সনাতন সমীকরণে পরিণত হয়।
এখানে গতি কম ???
ক হইলে এই নীতি খাটবে।
বেশি হলে না।
চিন্তা করে বের করেন, এখানে গতি কম না বেশি।
আর কমেন্ট থেকে বিরত থাকুন।
ভাল লেখা হলে প্লাস, না হলে মাইনাস। আজগুবি প্রশ্নের কোন দরকার নাই।
পারভেজ বলেছেন:
কয়েকবার পড়ে বুঝতে হবে।একটা কথা জানতে চাই- সময়কে কেন চতুর্থ মাত্রা ধরা হচ্ছে? দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা- এটা কি তিনটি আলাদা মাত্রা? নাকি একটা মাত্রার তিনটি আলাদা রূপ? কোনটা বেশী প্রযোজ্য? সময় বলতে কি আদৌ পরিমাপযোগ্য কোন কিছু কি আছে? নাকি ঘটনা পরম্পরায় বুঝানোর জন্য আমরা আগে, পরে, এই কথাগুলি দিয়ে সময়কে ব্যাখ্যা করি। যে ঘটনা সংঘটিত হয়ে যায়, সেটাতে কি ফিরে যাওয়া সম্ভব? বা সামনে যে ঘটনা ঘটবে সেটায় কি যাওয়া সম্ভব? এখানে মৌলিক কোন বিভ্রান্তি আছে বলে আমার ধারণা!
লেখক বলেছেন: ভাই, কীসের মাঝে কী আনলেন ?
এই টা কি আলাদ করে জানতে চাচ্ছেন ?
আমি কখন সময়কে মাত্রা ধরলাম, দেখান তো ? যাই হোক, এখানে শুধু রৈখিক মাত্রা আলোচনা করে ছি, যা একে অপরের থেকে লম্ব।
এখানে বক্র আর সমান্তরাল মাতারা ধরিনি। ওটা বুঝাতে আরও টাইম লাগবে।
যেই ঘটনা সংঘটিত হয়, তাকে আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে, এটা নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে।
আপনি পুরাটা আবার পড়েন, অনেক প্রশ্নের উত্তর পাবেন।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
দুরের পাখি বলেছেন:
কি ব্যাপার ! পড়ালেখার কথা জিজ্ঞাস করাতে কমেন্ট মুইছা দিলা ?
লেখক বলেছেন: হ্হমুমম,
পড়ালেখা পছন্দ না।
আমার কথা বাদ।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
@পাখি ভাই,ঠিক বাংলায় বুঝাতে পারি নাই। দুঃখিত।
কিন্তু, শুধু ত্রিকোণমিতি না, অনেক ভাবেই অন্তরীকরণ ব্যাখ্যা করা যায়।
অন্তরীকরণ এর মানে যে যতটুকু স্মভব ক্ষুদ্র করা , তা তো বোঝেন।
এখন এটাকে গ্রাফে আনেন। সাইন বসান।
এখানে সাধারণ ভাগ চলবেনা, ক্রমান্ব্যে ক্ষুদ্র করতে হবে। তাই, অন্তরীকরণ করেন।
করে দেখেন, ফলাফল কি আসে।
সাইন না বসায়া কস আর ট্যানও বসাতে পারেন। কিন্তু, সাইন যদি বসান, তখন কি হবে সেটাই আলোচনা করলাম।
এত কিছু বুঝান যায় ? আমি ভাবছিলাম, আগেই বুঝবেন।
যাই হোক,আলাপ শেষ।
আর কোন কথা বলব না।
[কমেন্ট মুছার জন্য দুঃখিত। কিন্তু, এখানে প্রয়োজনীয়।]
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
@ ট্রানজিস্টর "ভাইয়া" : বুয়েটে পড়লেই কেউ মহাগ্যানী হয় এমন ধারণাটা থেইকা বাইরে আসুন। আর আমার প্রথম মন্তব্যতেই আমি কইছি আরো পড়াশুনা করার পর কমেন্ট দিমু। কারণ আপনে কি সব বলছেন ঐগুলা নিয়া আমার আইডিয়া নাই।সেন্সলেস গিরির কি আইল হেইডা মনে হয় আপনিই ভালো বুঝছেন। ঐ পোস্টের কতা আমার মনে আছিল না। কোন নাম্বার আছে ঐডায় হেইডাও মনে নাই। বড়ভাই হিসেবে রেসপেক্ট আছে আপনার ওপর, তাই আপনার ভুল/শুদ্ধ কোন কিছুতেই কিছু কমু না। অফ গেলাম।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
@ দুরের পাখি: বিগেস্ট ধরা এভার। স্বীকার করবে না ঠিকই, কিন্তু ভবিষ্যতে উল্টাপাল্টা লেখার আগে দুইবার ভাববে।@ঢেঁকি: "বুয়েটে পড়লেই কেউ মহাগ্যানী হয় এমন ধারণাটা থেইকা বাইরে আসুন।"
-জ্ঞান অতি সামান্যই, শূন্যের কাছাকাছি। কিন্তু তোমরা মনে হয় তোমাদের বিজ্ঞান-সাহিত্যের সাথে বিজ্ঞানকে গুলিয়ে ফেলছ। যত তাড়াতাড়ি এইসব ভাব-কপচানো থেকে বেরিয়ে আসবা, ততই মঙ্গল।
আর আমি কোথাও দাবি করি নাই যে আমি খুব বুঝি - কিন্তু এইটা বুঝার ক্ষমতা আছে যে কে দেখাচ্ছে আর কে সরেস। তোমার বন্ধুকেই জিজ্ঞাসা করো না - সে যে এত বড় এক বুকনি দিল মহাআপেক্ষিকতা (জেনারেল থিওরি অভ রিলেটিভিটি) নিয়ে; সে কি টেনসর বুঝে? জিজ্ঞাসা করে দেখ। আমি টেনসর বুঝি না, অদূরভবিষ্যতে বোঝার ইচ্ছাও নাই, এবং ভাব মারার ইচ্ছাও নাই। উইকিপিডিয়া দিয়ে সাইন্স হয় না, সাইন্সলিটারেচার হয়। আমি নিশ্চিত, তুমি এবং তোমার বন্ধু, একটা সরল দোলককে চার ডিগ্রির বেশি টেনে ছেড়ে দিলে তার গতি কী হয়, এটাও জানো না। স্বাভাবিক, তোমাদের শেখার অনোক সময় বাকি। এক লাফে মগডালে উঠে বসার ভান না করাটাই শ্রেয়।
শেষ একটা জিনিষ বলি। কখনো খেয়াল করেছ, 'সাইন্স' উৎসাহীদের যত আগ্রহ রিলেটিভিটি আর কিউএম নিয়ে? কেন ডায়নামিক্স নয়, কেন নয় শব্দ? ম্যাথ বলতেই কেন না বুঝে স্ট্রিং থিওরি আর ম্যানিফোল্ড আওড়ানো? কেন গ্রাফ থিওরি নয়, কেন নয় ঢের সোজা একাধিক অর্ডারের ডিফারেন্সিয়াল ইকুয়েশন? ফ্লুইড মেকানিক্স নয় কেন, বা হিট ট্রান্সফার?
কারণটা তুমি চিন্তা করলেই পাবে, তা-ও বলি।
এগুলোতে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
আমি নিশ্চিত, তুমি এবং তোমার বন্ধু, একটা সরল দোলককে চার ডিগ্রির বেশি টেনে ছেড়ে দিলে তার গতি কী হয়, এটাও জানো না। স্বাভাবিক, তোমাদের শেখার অনোক সময় বাকি। এক লাফে মগডালে উঠে বসার ভান না করাটাই শ্রেয়।যেইখানে আপনি আগে থেকেই ধারণা নিয়া বসে আছেন আমি বুদ্ধির ঢেকি সেইখানে আমার কিছু বলার নাই। সরল দোলকের ফর্মুলা থেটার ছোট মানের জন্য খাটে, ফর্মুলা প্রমাণের সময়ই থেটা ছোট ধইরা সাইনের সূত্র এপ্লাই করছে। এইটা আছে, বইতে। আপনার ধারণা আপনি একাই পড়ছেন। ৪ ডিগ্রির বেশি এন্গেল হইলে সেইটা সিম্পল হারমোনিক ওসিলেশনে থাকব না, এইডা মনে হয় সবাই জানে (যদিও আপনার ধারণা ছিল আপনি একাই জানেন , বা আপনি + আপনার নাস্তিক বন্ধুরা
আপনার কথা মোতাবেক "'সাইন্স' উৎসাহীদের" আলোচনায় আসার আগে ইন্জিনিয়ারিং কোর্স একটা কইরা আসতে হইব
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
"করেস্পন্ডেন্স প্রিন্সিপাল বুঝেন ???"-একটু একটু। একটা কোর্স ছিল, গুলে খেয়ে ফেলসি।
তবে তুমি বুঝ না। পারলে একটা সমস্যার সমাধান করবা, ভাইটি? নতুন কিছু শিখতাম... মনে কর, একটা বোতলে কয়েকটা হাইড্রোজেন অ্যাটম আছে। এদের ওয়েভফাংশান থেকে হাইড্রোজেনের আপেক্ষিক তাপ বের করে এই অধমকে দেখাবা, এটা লার্জ স্কেলে পরীক্ষিত মানের সাথে কীভাবে কোরেসপন্ড করে? ধন্য হতাম!
বাই দা ওয়ে, "করেস্পন্ডেন্স প্রিন্সিপাল" না, প্রিন্সিপল। আমি তো ভাবলাম তুমি ভাষায় স্ট্রং হবা.. যারা সাইন্সে একটু কাঁচা তারা নাকি ভাষায় ভাল করে... এখন দেখি মহাভুল!
--------
"গ্রাফে বিপরীতে গেলে, সময় কি মাইনাস হয়?
বিপরীত দিকে মান ঠিকই প্লাস থাকে।"
-আমি সেটিই বলিয়াছি, ভ্রাতা হস্তিমূর্খ। তুমি আগে গ্রাফ ধরে টানাটানি করে টাইম নেগেটিভ বানাচ্ছিলে তো, তাই। এখন দেখি সাইড চেঞ্জ করার চেষ্টা করছ...আরেকবার পড়ে দেখতে পার। মোটা ও গরম মাথায় প্রসেসিং খারাপ হয়।
--------
"আর কমেন্ট থেকে বিরত থাকুন।"
-কেন ভাইটি? তোমার লুঙ্গিউন্মো্চন তো বাকি নেই!
লেখক বলেছেন: করেস্পন্ডেন্স প্রিন্সিপল এর সাথে আমার পোস্টের কী সম্পর্ক এটাই স্বাভাবিক ভাবে বুঝননাই। হা হা হা। আবার বলেন, আমি নাকি টার্ম বাজি দেখাই।
এত শিক্ষার পরেও এই কমেন্টে এই ধরণের ভাষা ব্যবহারের আগে নিজের মান সম্মানের কথা ভাবতে পারেন না ? আর কত অপমানিত হবেন? আপনার জ্ঞানের দৌড় আমার বুঝা শেষ। একটা ত্রিমাত্রিক সমীকরণ কে ইচ্ছামত গ্রাফে বসায়া দেয়ার কোর্স করছেন? সেইটা আবার বলতে আসেন?
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
@ঢেঁকি: সুন্দর একটা পোস্ট লিখলাম, ব্ল্যাঙ্ক হয়ে গেল।সরল দোলকের গতি জিজ্ঞাসা করসি, এসএইচএম থাকে কী-না তা না। এইটা ক্লাস টেনেও আমরা জানতাম।
বাদ দেই। থাকো তুমি, ডিপার্টমেন্টের অজুহাতে ফ্লুইড পইড়োনা, অন্যদিকে তার দশহাজারগুণ কঠিন রিলেটিভিটি আর মাত্রার জাহাজ হইয়া বইসা থাকো।
যেহেতু তুমি মাত্রায় একটি পাকা কুষ্মান্ডবৎ, অচিরেই গ্রাফ থিওরিতে তোমার কাছ থেকে মূল্যবান অবদান আশা করি।
দুরের পাখি বলেছেন:
একাডেমিক শিক্ষার কথা জিজ্ঞাস করছিলাম, কারণ তোমার কমেন্ট দেখে মনে হচ্ছে তুমি অন্তরীকরণ করো নাই কখনো । কেবল অন্তরীকরণ সম্পর্কে পড়ছো অন্তরীকরণ মানে ক্ষুদ্রকরণ না । অন্তরীকরণ মানে হৈল স্বাধীন চলকের ক্ষুদ্র পরিবর্তনের স্বাপেক্ষে অধীন চলকের কি পরিবর্তন হয় সেইটা বের করা ।
এখন সময়ের স্বাপেক্ষে অন্তরীকরণ করলে নেগেটিভ ভ্যালু আসার মানে হৈল, অধীন চলকের মান সময়ের সাথে কমতাছে । এর বেশি কিছু না ।
y =10-2x
dy/dx = -2
এর মানে হৈল এক্স এর মান বাড়াইলে ওয়াই এর মান কমে । এবং এক্স এর মান একটা সীমার বেশি হৈলে ওয়াই এর মান ঋণাত্নক হয় ।
কিন্তু তুমি যেই ফাংশনের কথা বলতাছ সেইটা হৈল
y = c/ v (c>0, v>0)
dy/dx = -c/x*x
এইখানে ও প্রথম ডেরিভেটিভ এর মান ঋণাত্নক, এইটাও নির্দেশ করে এক্স এর মান বাড়াইলে ওয়াই এর মান কমে । কিন্তু এইখানে এক্স এর মান যতই বাড়াও ওয়াই এর মান কখনোই শূণ বা ঋণাত্নক হবে না । সমীকরণ থাইকা কারণটা বোঝ কিনা দেখ । পরিবর্তনের হারটাই আবার এক্সের ফাংশন এবং ব্যস্তানুপাতিক । মানে কি
মানে হৈল এক্স এর মান বাড়াইলে ওয়াই এর মান কমে, কিন্তু এক্স এর মান বাড়াইলে পরিবর্তনের হারও কমে। অর্থাৎ বেগ দ্বিগুন করলে সময় যদি ১০০ সেকেন্ডে কমে তিনগুন করলে কিন্তু ২০০ সেকেন্ড কমবে না । ২০০ সেকেন্ড কমাইতে হৈলে তোমার বেগ করতে হৈব চার গুন । এইভাবে করতে থাকলে তুমি বেগ যতই বাড়াও , শেষের দিকে পরিবর্তনের হার এমন কৈমা যাইবো যে, বেগ বাড়াইয়া সময় আর কমানো যাইবো না ।
গ্রাফে আঁইকা দেখ, এই গ্রাফ কখনোই এক্স অক্ষরে ছেদ করবো না ।
যাউগ্গা, কথা বলায় তোমার আগ্রহ নাই, দেইখা মনে হৈতাছে জানোনা দেইখা জানতেও চাও না । তাইলেতো কিচ্ছু করার নাই ।
তয় একটা জিনিস খেয়াল রাখা উচিৎ । বড় বড় শব্দ লাগাইলেই সায়েন্সে অসম্ভব জিনিস সম্ভব হৈয়া যায় না । প্রত্যেকটা স্টেপ তোমার , এখনকার সায়েন্স অনুসারে কারেক্ট হৈতে হবে ।
রৈখিক ফাংশনের চরিত্ররে তুমি সূচকীয় ফাংশনে এপ্লাই করতে গিয়া গোলমাল লাগাইছ ।
ভালো থাক ।
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টের ব্যাখ্যা আমি পোস্টের শেষের দিকে এডিট করে দিলাম। টার্ম দিয়ে কমেন্ট দেখানোয় ভালো লাগল।
ভাল থাকেন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
পোস্টটা সবার বুঝার জন্য একেবারে শেষে আবার এডিট করা হয়েছে।
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
ট্রানজিস্টার ভাইয়ার সাথে কতা কমু না উনি মনে হয় পরতি টর্মে ফোর পিডায়
আমি চোথাবাজ মানুষ, পরীক্ষার আগের রাইতে ফেইল ঠেকাইতে পড়ি। তাও বেসিকের ওপর দিয়া সরল দোলকের সরল উত্তর দিলাম, ভাইয়া কাটি দিছে
বুয়েঠের কোন টিচারের ও এত ভাব আর অহংকার আমি এখনোব্দি দেখি নাই
দুয়া করি টিচার হন, আপনার ডিপার্টমেন্টের পুলাপানগুলা আপনার মত বিদ্বান আর জাহাজ হোউক। আমেন!
লেখক বলেছেন: হা হা হা হা
আমেন !!
কেল্টূ দা বলেছেন:
ফ্যাকাস_পাগলা, কিমুন আচো?তুমার গ্যান সারাঝিবন হাটুতেই থাকপো, উরফে উঠতনা ,
কয় কি ছাগ্লায়
" অই জগত থেকে কোন প্রাণী আসলে আমাদের মাত্রায় তার যেই অংশটুকু পড়ে, আমরা শুধু তার সেইটুকুই দেখতে পাব। তার সবটুকু দেখা আমাদের পক্ষে কোন ভাবেই সম্ভব না। আমাদের কাছে সে এক বিশালাকায় প্রাণী হিসাবে আবির্ভূত হবে।"
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
কিরে কেল্টা, কাজ কাম নাই?
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
কয় কি ছাগ্লায়" অই জগত থেকে কোন প্রাণী আসলে আমাদের মাত্রায় তার যেই অংশটুকু পড়ে, আমরা শুধু তার সেইটুকুই দেখতে পাব। তার সবটুকু দেখা আমাদের পক্ষে কোন ভাবেই সম্ভব না। আমাদের কাছে সে এক বিশালাকায় প্রাণী হিসাবে আবির্ভূত হবে।"
ভুল কি কইছে? সায়েন্সের কথায় যদি বুঝতে অসুবিধা হয়, তয় জাফর ইকবাল আংকেলের ইরন বইটা পড়া যাতি পারে, অনেক কিছু মাথায় ঢুকবে
লেখক বলেছেন: আরে ভাই, আপনি মহা একটা কাজ করছেন। ইরন এর কথা খেয়াল ছিল না। মনে করিয়ে দেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
ভাইয়া.. তিতিরে নিয়া পোস্ট দেন এইটাই ভাল!!এইটা পুরাটাই আজাইরা পোস্ট!! বহুতক্ষণ পর্যন্ত মাথা ঠিক রাখতে পারছি। আর পারলাম না।
আপনে কি ভাই আর্টসের ছাত্র?? সাধারণ যোগ-বিয়োগ বুঝেন না??
কোন একটা অংশকে কাটতে থাকলে সেটা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হতে থাকে। প্রায় ০'র কাছাকাছি যেতে থাকে। কিন্তু কখনোই ঋণাত্মক হতে পারে না।
এটুকু জ্ঞান নিয়ে আসলে আপনার এই পোস্টটা করা উচিত ছিল। শুধু শুধু কিছু সায়েন্সের টার্ম কপচাইলে কিছু হয় না।
লেখক বলেছেন: অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্ককরী।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
পোস্টটা সবার বুঝার জন্য একেবারে শেষে আবার এডিট করা হয়েছে।
অলস ছেলে বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
পোস্টটা সবার বুঝার জন্য একেবারে শেষে আবার এডিট করা হয়েছে।
ডিমওয়ালা বলেছেন:
চমতকার চিন্তা শক্তির পরিচয়। হয়তো একটু ভুলভাল থাকতে পারে, তবে অনস্বিকার্য যে আপনি অনেকখানি চিন্তা করতে সক্ষম।তো আরেকটু চিন্তা করুন, এবং মাথার মধ্যে রাখুন যে মানুষের নেগেটিভ মন্তব্যে আপনার চিন্তার ধারা অব্যাহত রাখুন।
নেগেটিভ মন্তব্যে আপনার চিন্তা শক্তি যদি অন্যদিকে খরচ হয় তাহলে ফাউ চিন্তা শক্তির খরচ।
পিলাচ পিলাচ
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
পোস্টটা সবার বুঝার জন্য একেবারে শেষে আবার এডিট করা হয়েছে।
০ এর কম, মানে কী ? মানে, সময়ের আগে। মানে, যখন, আমরা রওনা দিলাম, তার আগে। আমি রওনা দেয়ার আগেই, আমি পৌঁছালাম। আমি অতীতে গেলাম।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~`
এই যায়গাটা তে গলদ আছে
অন্য ব্যাপার গুলো আবার পড়বো
চিন্তা করার জন্য ++
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
পোস্টটা সবার বুঝার জন্য একেবারে শেষে আবার এডিট করা হয়েছে।
আমিই রূপক বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম। কিন্তু একটা ব্যাপার মাথায় আসছে না।সময়কে চতুর্থ মাত্রা ধরা হয়। অর্থাৎ আমাদের জগতের এক, দুই বা তিন মাত্রার যে কোন বস্তুর ক্ষেত্রে তার একটা স্থায়ীত্বকাল থাকতে হবে যাকে চতুর্থ মাত্রা বলা হয়েছে। কারণ, স্থিতিকাল ০ ধরলে কোন বস্তুর অস্তিত্ব আসম্ভব। ০ কিংবা -১ সেকেন্ড বিরাজমান কোন বস্তু কি সম্ভব?
আপনি চতুর্থ মাত্রা বলতে যা বুঝিয়েছেন আমার মনে হয় সেটা সময়কে বুঝাননি। আমার কিন্তু সময়কে চতুর্থ মাত্রা বলে মনে হয় না। কারণ, যে কোন বস্তু কল্পণা করতে গেলে বা যে কোন মাত্রার যে কোন বস্তুর ক্ষেত্রেই একটি সময়কাল থাকতে হবে বলে আমার মনে হয়।
আপনি চতুর্থমাত্রাটা দয়া করে আরেকটু ব্যাখা করুন।
লেখক বলেছেন: সময় এমন এক মাত্রা যেটা সাধারণ গতিতে স্থির না। এখানে আমি শুধু স্থির মাত্রা গুলো নিয়েই আলোচনা করেছি।
এখন, সময়কেও মাত্রা হিসাবে আনা হয়। সময়কে এখন ৪র্থ মাত্রা বলা হয়।যদিও বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়, আমাদের জগতের ৩ টা স্থানিক মাত্রা ও একটি চলমান মাত্রা (সময়)। এখানে, আমি যেভাবে মাত্রাগুলোকে দেখিয়েছি, সেই হিসাবে সময় ৪র্থ তম মাত্রা হিসেবে বুঝাইনি।
আমি যেভাবে বুঝিয়েছি,সেদিক থেকে ৫ম মাত্রার জগতেও স্থানিক মাত্রা থাকবে ৫টি আর সময় থাকবে চলমান মাত্রা। এভাবে, ৭ম মাত্রিক জগতেও স্থানিক মাত্রা ৭ টি এবং চলমান মাত্রা ১ টি যা সময়।
কেউ কেউ পুরোটা ভেঙ্গে বলেন না, তারা একসাথে যোগ করে বলেন, সেই হিসাবে আপনি হয়ত আমাদের জগতের ৪র্থ হিসাবে সময়কে বুঝিয়েছেন।
দেশী পোলা বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
পোস্টটা সবার বুঝার জন্য একেবারে শেষে আবার এডিট করা হয়েছে।
আট আনা বলেছেন:
পরে পর্মু। আপাতত ফেভারিটে অ্যাড কইরা রাখলাম। এরকম পোষ্ট আরো দেবেন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
নববর্ষে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ..... সুন্দর হউক বছরের প্রতিটি দিন .....
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
শুভ নববর্ষ।
দুরের পাখি বলেছেন:
এখন যদি, আমরা এর অন্তরীকরণ করি, তাহলে আমরা গ্রাফে ঋণাত্মক একটা সংখ্যা পাই। আমার সমীকরণ ছিল,y=cos0 x X y = cos0 x X
dy/dX = cos0
ঋণাত্নক কৈ থাইকা আসলো ? আর বাছা, তুমি খালি জল ঘোলা কৈরা শেষে একটা ফাউল কথা কৈয়া দিলেই হৈল ?
ধৈর্য্যের অলমোস্ট শেষ সীমায় পৌঁছাইয়া যাইতাছি ।
লেখক বলেছেন: সিম্পল একটা ডেরিভেটিভ আপনি না পারলে কী করব আমি ??
কস কে অন্তরীকরণ করলে 'ঋণাত্মক' সাইনের মান পাওয়া যায়। তাছাড়া,dy/dx কোথায় পেলেন আপনি ? সময়ের সাপেক্ষে, মানে, dy/dt। যাই হোক, অন্তরীকরণের একেবারে বেসিক শিক্ষাটা থাকলে কেউ এমন অদ্ভুত কমেন্ট করে ?দুইটা সংখ্যার গুণফলের অন্তরীকরণ করতে হলে, সেখানে নিচের সূত্র ব্যবহৃত হয়।
d(uv)/dx= u(dv/dx)+v(du/dx)
কিছু যদি মনে না করেন, আপনার একাডেমিক শিক্ষাটা একটু বলেবেন ??(আমাকে করা আপনার প্রশ্নটা এবার আপনাকেই করতে বাধ্য হলাম)।
আপনার লেখা গল্পগুলো সকালের দিকে পড়েছি। ভালো লাগল অনেক। কিন্তু, সায়েন্সের থিওরীতে আপনার গল্প লেখা ট্যালেন্ট আদৌ কোন কাজে আসবে বলে মনে হচ্ছে না।
যাই হোক, আপনার লেখা পড়ে আমার মনে হল, আপনার যথেষ্ট মেধা আছে। আর আপনার সাথে শত্রুতাও করতে চাই না। তাই আমিই আপনার পোস্টে যেয়ে আপনাকে ইনভাইটেশন দিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু, আপনার এহেন কমেন্ট দেখে মনে হচ্ছে, এই সায়েন্স বিষয়ক পোস্ট নিয়ে আপনার মাথা না ঘামানোই ভাল। এরচেয়ে আপনি বরং আমাদেরকে আরো সুন্দর সুন্দর গল্প উপহার দেন, এতেই জাতি খুশি থাকবে।
ভাল থাকবেন।
"গতি ০ এর পিছে চলে যাবে"
গতি বাড়িয়ে শুন্যের কাছাকাছি কিভাবে যায় ?
তুমি কি সময়ের কথা বলেছ ?
সময় ০ হবে ?
আলোর গতির কাছাকাছি গেলে সময় ধীর হয়ে আসে
এটা বলতে চেয়েছ ?
* The Principle of Relativity – The laws by which the states of physical systems undergo change are not affected, whether these changes of state be referred to the one or the other of two systems in uniform translatory motion relative to each other.
* The Principle of Invariant Light Speed – Light in vacuum propagates with the speed c (a fixed constant) in terms of any system of inertial coordinates, regardless of the state of motion of the light source.
লেখক বলেছেন: গতি আমাদের মাত্রায় আলোর চেয়ে বেশি হতে পারবে না। কিন্তু, অন্য মাত্রা দিয়ে আলোর চেয়ে কম গতিতেও আলোর চেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম সম্ভব কী না, সেটাই এখানে বুঝাতে চাচ্ছি।
যাই হোক, গতি বাড়ালাম সময়কে ছোট করতে। সময়েরও একটা গতি আছে। সেটা সম্পর্কে আমাদের পরিষ্কার ধারণা নাই। সেটা যতই হোক, অতি উচ্চ গতি দিয়ে আমরা তার চেয়ে আগে যেতে পারব কী না, সেটাই আমার পোস্টের হাইপোথিসিস।
লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ ।
হোলসেল বলেছেন:
Deshi Pula Bhai bolesen: +
হোলসেল বলেছেন:
Deshi Pula Bhai Amrikate Graduate Student, onek giyani luk. Uni jokhon ei post e plus disen, tarmane nischoi eitar mathematical analysis prosongshorar dabi rakhe. Hotei hobe, nishchoi.
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
বিতর্কে কে জিতলো, কে হারলো, এমনকি কার সাপুর্ট করুম, হেইডাও কুলায়া উটবার পার্তাছিনা..(হেল্ফ দর্কার)..তয় আমি ট্রানজিস্ট্যারের পক্ষে..
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
আবার দাবী জানাই: এইবার শ্রডিংগারের বিড়াল নিয়া একটা অপব্যখ্যা থুড়ি রম্য চাই।
পিলিজ ভাই।
দেশী পোলা বলেছেন:
ছি হোলসেল ভাই, এভাবে বলে নাআমি ব্যবসা করি, পুজিবাদী, কবে কইলাম যে আমি ছাত্র? আমারে অত জ্ঞানী ভাবলে লোকজন লজ্জা দিবে আপনারে।
খারেজি'র পোস্টে গিয়ে দেখেন, আপনার ভুল ভেঙে যাবে,
Click This Link
আমি নেহায়েত এক নিম্মমেধার মানুষ। আমারে ছাত্র বইলা ছাত্রদের অপমান করিবেন না
সোজা কথা বলেছেন:
তোমার বিশাল লেখাটির পুরোটি পড়ি নি । কিন্তু গতির সঙ্গে যে ভরের পরিবর্তন হবে এটি কী আলোচনায় এসেছে?কারণ যখন গতি বাড়তে থাকবে তখন ভর বাড়তে থাকবে এবং আলোর কাছাকাছি বেগে গেলে সেটি অসীমের কাছাকাছি হতে থাকার কথা এবং সেই বস্তুটিকে গতিশীল রাখার জন্য বিশাল পরিমাণ এনার্জি দরকার হওয়ার কথা ।
সুতরাং কাগজ কলমে সময়ের উল্টোদিকে চলতে অসুবিধা নেই কিন্তু বাস্তবে এটা সম্ভব হবে কিনা জানি না।
তোমার ব্যাখ্যা শুনতে চাই॥
=
There was a young lady named Bright,
Whose speed was far faster than light.
She went out one day,
In a relative way,
And returned the previous night!
লেখক বলেছেন: পুরোটা না পড়লে কী বলব ভাই ??
কবিতাটা কার ???
দারুণ লাগল।
হোলসেল বলেছেন:
Deshi Pula Bhai, apnei amare koisilen age. Ami jigaisilam, onno nike bolgan kina. Afne koisilen kamla khaita pet chalan lage, bolganor time paiten na, ei karone dui bochor bolgan nai. Tarpor ektu time paia bolgani suru korsen. Mone nai afnar? Amar ager nick e koisilen afne amare. Amerikate kamla khate graduate student ra. Businessman ra kamla khate eita to jantam na?
দেশী পোলা বলেছেন:
হোলসেল ভাই, এখন জানলেন, বিজনেস চালানো আর কামলা খাটার একই জিনিস, সুবিধা একটাই, ব্লগানোর পয়সাটা ট্যাক্স ফ্রি
হোলসেল বলেছেন:
Deshi pula bhai, jotodur mone pore kotabartai afne nijere student hisabe chalaite chaitesilen. Amar memory betray na kolle ami sure.
দেশী পোলা বলেছেন:
হোলসেলyou are just putting your words on my mouth, and what I do for a living, how does that affect your or my opinions?
I don't know what you do for a living, never cared to know either. In real life you or I could be anything, but here we're just words and charachters on a silly webpage
দুরের পাখি বলেছেন:
ওহে আকাটমূর্খ "কস কে অন্তরীকরণ করলে 'ঋণাত্মক' সাইনের মান পাওয়া যায়। "
কস থিটাকে থিটার স্বাপেক্ষে অন্তরীকরণ করলে ঋণাত্নক সাইন পাওয়া যায় ।
এখন কস ০ কে তুমি কিসের স্বাপেক্ষে অন্তরীকরণ করলা ?
দুইটা সংখ্যার গুণফলের অন্তরীকরণ করতে হলে, সেখানে নিচের সূত্র ব্যবহৃত হয়।
d(uv)/dx= u(dv/dx)+v(du/dx)
সংখ্যার গুণফলরে অন্তরীকরণ করে ক্যাম্নে ????
দুইটা ফাংশনের কথা কৈতাছ ধরলাম ।
এখন তোমার y= cos 0 x X
এইটারে সময়ের স্বাপেক্ষে অন্তরীকরণ করবাতো ?
কর
dy/dt = d(cos 0 x X)/dt
= ?
আমার হিসাবেতো = ০ হয় ; মানে সময়ের সাথে এইটার কোন পরিবর্তন নাই ।
তুমি কৈরা দেখাও না । আমার একাডেমিক জ্ঞানেতো কুলাইতাছে না ।
লেখক বলেছেন: আপনি আমার পোস্টের কিছু লাইন যে মিস করেছেন, সেটা আমি বুঝি নাই।ওখানে লিখেছি,এই সমীকরণটা স্বাভাবিক পর্যায়ে নাই। কারণ, এর ক্ষেত্র ত্রিমাত্রিক এবং অতি উচ্চগতি সম্পন্ন।অন্তরীকরণের সময় আমরা কস০ এর মান ভাঙ্গাতে পারব না।
কস এর মান এখন ভাই আর ধ্রুব নাই।আপনাকে এটাকেও চলক ধরতে হবে। ধুম ধাম মান বসায়া দিলে চলবে?
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
প্রিয়তে নিলাম।
ওপরে জ্ঞানী গুণীদের যতটা ঝগড়া দেখলাম, ঝগড়া হলেও ভালো লাগলো। কেনা তাতে আমাদের মতো অনেকের সমঝের মাত্রাটা বাড়বে।
আইনষ্টাইনের রিলেটিভিটি হোক বা স্টিফেন হকিং এর ‘ব্রিফ হিস্টোরী অব টাইম’ এর ব্যপারে হোক, তৃতীয় মাত্রার বাইরে অন্য কোন মাত্রা আছে কি নেই, সে সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনো ক্লিয়ার হয় নাই। তাই বেশি বাড়াবাড়ি মা ঝগড়া করার মতো কিছু আছে বলে মনে হয়না।
তারপরেও আপনার লেখাটা ভালো এবং সাবলীল লাগলো। নতুন করে অনেক কিছু চিন্তা করার খোরাক জোগালো। চতুর্থ মাত্রায় বস্তুর রুপ কি হবে সেটা ভাবলেও আশ্চর্য্য লাগে। ধন্যবাদ আপনাক।
লেখক, ট্র্যানজিস্টার আর দুরের পাখির প্রতি অনুরোধ রইল এই টপিকে আপনাদের কাছ থেকে আরো লিখা পাবার আশা রাখলাম।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
তৃতীয় মাত্রার বাইরে অন্য কোন মাত্রা আছে কি নেই, সে সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনো ক্লিয়ার হয় নাই।
এটা বলতে কী বুঝাইছেন ??
আর, মাত্র নিয়ে ত ঝগড়া হয় নাই।
ঝগড়া হোক বাড়াবাড়ি হোক যেটাই হোক ওপরের কমেন্ট গুলো পড়লে কিছু একটা হয়েছে বলে মনে হবে, তাইনা?
কিছু বোঝাতে চাইনি তবে, চতুর্থ মাত্রায় বস্তুর রুপ কি হবে তার সম্পর্কে পৃথিবীতে কারো ধারনা কি আছে?
লেখক বলেছেন: আপনি মাত্রার ব্যাপারটা ঠিক কীভাবে বুঝেছেন আমি বুঝলাম না।
সবগুলা মাত্রা একসাথেই তো !
মানে, আপনি ৩য় মাত্রায় হলে,আপনার একটা পৃষ্ঠ তো ২য় মাত্রা।
নারে ভাই, ৩য় মাত্রায় থেকে আমরা কে কীভাবে ৪র্থ মাত্রার স্বরূপ জানব ??
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
ভাল লেগেছে...............মন্তব্য গুলা পড়ে পড়ব..........কারন অনেকে কিছু না ভেবে সমালোচনা করার উসিলায় সমালোচনা করে...........আমার কাছে লিখাই আসল।আপনি সুন্দর লিখেছেন।
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
আরেকটা কথা..................এই বিশ্বে নানা মুনির নানা মত বিদ্যমান।যার যার ধারনা নিয়া বসে থাকলেই হয়,,,,,এভাবে সমালোচনা কেন???
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ঠিকই বলেছেন ভাই।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
@দস্যু বনহুরআজব।
টাইম মেশিনের থিওরী যেটা বলেছিলাম, সেটা নিয়ে ওখানে অনেকের সাথেই বিতর্ক হয়েছে, ওই বিষয়ে আমি আর কথা বাড়াচ্ছি না।
যেহেতু ওটা আমার ব্যাখ্যা, তাই কারও ভাল না লাগলে গালি দিতে পারি না।
কিন্তু, মাত্রা নিয়ে এমন গর্দভের মত কথা আমি প্রথম শুনলাম।
এই যে জনাব, মাত্রা নিয়ে তর্ক করতে চাইলে স্টিফেন হকিং এর সাথে পিটাপিটি করে আসতে পারেন হাসপাতেলে যেয়ে।
--------------------------------------------------------
সারোয়ার ইবনে কায়সার আর মুক্ত বয়ানকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।
~~~~~~~~~~~~~
হয়ত পুরা পোষ্টটাই আবোল তাবোল তাতে কিছুই যায় আসে না।
চিন্তা করেছ এটাই বড়।
লেখক বলেছেন: ছোট্ট একটা কমেন্টের দাম আসলেই যে অনেক সেটা বুঝলাম।
অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আজম বলেছেন:
ব্যাপক বিনোদন পোস্ট..................
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
ভাবনার সাথে মিলে গেছে .. ++++ আপনি নিশ্চয় ই র্সবোচ্চ ১০ মাত্রার কথা উদাহরণ হিসেবে বলেছেন, মাত্রার চুড়ান্ত সংখ্যা এর চেয়ে বহুগুন বেশি হতেই পারে, এমনকি আমাদের হিসেবে তা অসীম সংখ্যক ও হতে পারে ... লেখাটা অবশ্যই প্রিয়তে গেলো ....
লেখক বলেছেন: সহমত।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
তাত্বিক পদার্থবিদ্যার ছাত্রী হয়েও আপনার লেখাগুলো এন্টেনার উপর দিয়ে ই যাচ্ছিল... পরে মন্তব্য গুলো পড়ে + লেখাটা আবার পড়ে আপনার মূল সুর টা ধরতে পেরেছি যেটা বুঝাতে চাইছেন ... আপনি যদি পদার্থবিজ্ঞান পড়ে থাকেন , তবে যদি ফিনম্যান'স লেকচার না পড়ে থাকেন, তাহলে লেকচার এর রিলেটিভিটি অংশটুকু পড়ে দেখেন। পপুলার সাইন্স বলে একটা টার্ম আছে , ব্যাসিক সাইন্সের ব্যাপার স্যাপার জানার পর সেই পপুলার সাইন্সের সহজ উদাহরণ গুলাও কঠিন লাগে ! বার বার সিঙ্গুলারিটিতে চলে গিয়েছেন আপনি ... যেখানে গিয়েই সৃষ্ট থেমে যায় , শুধুই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব ... ...
সর্বশক্তিমান অতীত ভবিষ্যত সব জানেন, এটার একটা সহজ স্পেস এন্ড টাইম ফ্রেম ব্যাবহার করে পপুলার সাইন্সের মত ব্যাখ্যা আছে আমার কাছে, পরে সময় করে বলবো, যদি আগ্রহী হন।
লেখক বলেছেন: ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য যেটুকু ফিজিক্স পড়া লাগে, অতটুকুই পড়েছি। মানে ম্যাটেরিয়ালস।
তবে, হকিং এর কোন বই এমন কি কোন আর্টিকেলও বাদ দেই নি।
আমি অবশ্যই আগ্রহী, আশা করি খুব দ্রুত এসব নিয়ে বিস্তারিত বলবেন।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
ওহ আরো একটা ব্যাপার বলি ... বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, পদার্থ বিজ্ঞানের সব থিওরী পরিবর্তনশীল, সব অনুমান পরিবর্তিত হহতে পারে আরো শক্ত কোন ব্যাখ্যা পেলে ,তাই যেটা অপরিবর্তনীয় , যেটা ধ্রুব সত্য , যা সিঙ্গুলার পয়েন্ট অফ দিস ইউনিভার্স থেকে শুরু করে আবার ফিরে আসা সিঙ্গুলারিটিতে একি থাকবে, সেই স্রষ্টা বিষয়ক কিছু পদার্থবিজ্ঞান দিয়ে প্রুফ করাটা সব সময় শ্রেয় না। বিং ব্যাং কে কুরয়ান দ্বারা প্রমানিত দেখানোর চেষ্টা করা হয় , অনেক ভাবে বিং ব্যাঙ্গের অনেক এসাম্পশন চেঞ্জ হয়েছে, হকিং নিজেই তা বলেছেন , তখন কুরান দিয়ে দেয়া ব্যাখ্যার কি হবে ? পাচশ বছর পর ধরুন বিশ্ব সৃষ্টির নতুন তত্ব আসবে বিগ ফড়িং , তখন কি আবার কুরয়ান দিয়ে তা ব্যাখ্যা করা হবে ? কুরআনের বক্তব্য তো পরিবর্তন করা যাবেনা !
মানুষের উদ্ভাবন বা থেওরেম স্রষ্টার সব কথা দিয়ে প্রমান করার চেষ্টা তাই মনে হয় উচিত না।
আমরা মানুষেরা বড় ক্ষুদ্র , বড় সীমিত , খুব কম আমাদের শক্তি , বিদ্যা , প্রজ্ঞা... যা দিয়ে স্রষ্টার সব কিছু আয়ত্ব করা সম্ভব নয়। কখনোই সম্ভব নয়।
অদৃশ্যে বিশ্বাস ই আমাদের মুক্তি দেয় মৃত্যুর মত অমার্জনীয় ভাগ্য থেকে... বিশ্বজগত , মহা বিশ্বজগত ... অনেকটা স্পাইরাল পাথের মত ... মানুষ যেতে থাকবে , যেতে থাকবে ... অনেক গহীনে যাবার পরো সেই পথ শেষ হয়না... এসব নিয়ে ভাবতে গেলে পাগল হয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। আত্মহত্যার মত ঘটনাও ঘটেছে এস্ট্রোফিজিসিস্টের ... কিন্তু বিশ্বাসীরা এক পর্যায়ে ঠিকি স্রষ্টার অস্তিত্ব চরম ভাবে উপলব্ধি করে , তাদের মন প্রশান্ত হয়ে যায় ... একটা শব্দই সব অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি দেয় তখন ... ..."সুবহানাল্লাহ " !
লেখক বলেছেন: আমি ঠিক কুরয়ান কে দিয়ে বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করিনি, বরং বিজ্ঞানকে দিয়ে কুরয়ান ব্যাখ্যার চেষ্টা করলাম।
নাস্তিকদের সব প্রশ্নের উত্তর দিলেও জীন পরীর ব্যাপারে ঠিক আটকে যাই। তাই সেটাও যে থাকা সম্ভব, সেটা বুঝাতে চাইলাম।
টাইম মেশিন একটা বাড়োতি প্রসঙ্গ, উপজাত। এটা দেওয়াটা ভুল হয়ে গেছে। সবাই ওইদিকে চলে যাচ্ছে।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
মোর দ্যান থ্রি ডাইন্মেনশন ক্যাল্কুলেট করতে বা ডিফাইন করতে টেনসর এসেছে ... নাইন ডি ও ডিফাইন করে সুন্দর ম্যাথমেটিক্স সলভ করতে পারবেন। সমস্যা নাই ! কিন্তু , সেটা এসাম্পশন ই হবে, লেংথ, হাইট এন্ড উইডথ ... মানুষ এতোটুকুই রিয়েল লাইফে হিসাব করতে পারবে, দেখতে পারে , অনুভব ও...
যা দেখিনা , তাতো কত ভাবেই ব্যাখ্যা করে দেয়া যায়, বেশি মাত্রা তাই , কিংবা প্রচন্ড ম্যাগ্নেটিক ফিল্ড এর কারনে ... ব্ল্যাক হোলের ব্যাখ্যা আর কি ... কিংবা যা থেকে আলো বের হয়না তাতো দৃশ্যমান না , কিংবা মাত্রাই নেই... তাই দেখিনা আমরা ......... বিজ্ঞান আপনাকে অনেক ভাবে ভাবার অপশন দিবে... কিন্তু বাস্তবে ব্যাখ্যা একটাই যেটা শুধু তিনি ই জানেন...
আর... বিজ্ঞানকে দিয়ে কুরআন ব্যাখ্যা , সেটার ব্যাপারেও একি কথা আসোলে ... তবে কেউ তাতে পরিতৃপ্তি লাভ করলে... মনে হয় করা যেতেই পারে ! বিশ্বাস হয়তো আরো শক্ত হয়! ... শুয়তানতো অনবরত ভুলিয়ে ই দিতে চায় ... ...
ধন্যবাদ ভাইয়া। ভাবাটাই আসল ... ভাবতে ভাবতেই পেয়ে যাবেন কিছু ... ইনশাল্লাহ
লেখক বলেছেন:
পড়লাম আর জানলাম।
আবারো অনেক ধন্যবাদ।
রাজর্ষী বলেছেন:
চিন্তা ভাবনা জারি রাখা ভালো। তবে খালি সাদৃশ্য তালাশ করলে চলবে না বিশেষ করে ধর্ম আর বিগ্গানের তুলনা তত্বে কোন লাভ নাই। কারন এর বৈপরিত্যও অনেক দেখানো যাবে। কাউয়া আর কোকিলের কালার যেহেতু কালো তাই কাউয়া ই কোকিল। আবার এদের গলার স্বর যেহেতু আলাদারকম তাই এদের কোন সম্পর্কই নাই।
মা্ত্রা নিয়া সব প্রমান/অপ্রমান কইরা ফালানোর মাত্রাতরিক্ত চেষ্টাও ঠিক্না। মাত্রা ছাড়ানো যেমন ঠিক্না। ইন্ফ্যাক্ট কেউ মাত্রা ত্যাগ কর্তে চায়না। এমন্কি আপ্নার কাল্পনিক উচ্চ লেভেলের মাত্রায় ট্রান্সফার লওনের সুযোগ যদি পান আপনে কি যাইবেন? আই মিন আজরাইল যদি উপ্রের মাত্রা থেইকা আয়া লইয়া যাওনের লাইগা টানাটানি করে তখন কি করবেন। আর কোন মাত্রায়(আসমানে
But keep it up though, at least you will probably be able to write good science-religion fusion fiction.
লেখক বলেছেন: মূল সুরটা বুঝিনি ভাই।
তাও ভাল, কথাবার্তা মাত্রা নিয়ে চলছে ইদানীং।
দেখেন, আমি ৩য় মাত্রায় আছি, তার মানে এই না যে আমি অন্য কোন লেভেল এ। আমি ৩য় মাত্রায় থাকার মানে কিন্তু একুই সাথে ২য় মাত্রাতেও আমার কিছু অংশ আছে। যেমন, আমি দাঁড়িয়ে থাকলে আমার পায়ের পাতার নিচের দিক।
সেখানে নিচের মাত্রায় আসার কথা উঠল কীভাবে? আর আজরাঈলে টানাটানি করতে পারে বলেই ত চিন্তা করছি যে উনি থাকলে কোথায় থাকতে পারেন !!
নাহ, উনার কাছে যাওয়ার ইচ্ছা নাই।
আর কাল্পনিক উচ্চ লেভেলের মাত্রা ??? কাল্পনিক হইলে সেই কল্পনা আমার না, স্টিফেন হকিং এর হতে পারে। উনার সাথে ঝগড়া করতে পারেন। উপরের ফিজিক্সের ছাত্রীর কমেন্ট দেখেন।৯ম মাত্রার সমীকরণ ডিফাইন করার টেনসর আছে। বুঝছেন ?
এখন ধরেন, আমি এখানে ৩য় মাত্রায়। এখানে কাগজের ২য় মাত্রার পৃষ্ঠায় একটা দাগ দিলাম। চিটাগাং এ কাগজের পৃষ্ঠার মাত্রাও ২টা। আমার এখানে ২য় মাত্রায় কিছু থাকলেই কি চিটাগাং এর কাগজে চলে যাবে? ডজাকা থেকে কাগজটাকে চিটাগাং এ নেয়া লাগবে।
মানে, দোযখে কেউ উচ্চ ডাইমেনশানে থাকলেই হবে না, তাকে আমাদের উপরে আসতে হবে(ডাইমেনশান বুঝাচ্ছি না, অবস্থান বুঝাচ্ছি)। তাকে যদি আঁটকে রাখা হয়, তাহলে কী ভাবে আসবে?
ধর্মের সাথে বিজ্ঞানকে মিলানোর ব্যাপারটা যদি আপনার পছন্দ না হয়, তাহলে ব্যাপারটা জাস্ট ভুলে যান। মাত্রার ব্যাপারটা বুঝলেন কী না, সেটাই আসল।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
আগের বার সব কমেন্টস পড়া হয়নাই ... লেখা পড়ে কমেন্ট করেছিলাম। অন্যদের সব কমেন্টস পড়লাম... দূরের পাখি , আমড়া কাঠের ঢেকি ... ট্রান্সিস্টর... আপনার জবাব ......খুব সহজ একটা ধাঁধাঁয় ঘুরছিলেন সবাই! ডিফ্রেন্সিয়েশন এর প্রাথমিক রুলস গুলো সবাই জানে... কঠিন না ! আমরা মানুষেরাইতো রুলস গুলো বানিয়েছি ... ব্যাপক গবেষনার পর ক্যাকুলাস আজকের শেইপে আসছে... তারপরো বলা যায়না, প্রকৃতির কোন এক নিয়ম ব্যাখ্যা করতে না পারার জন্য অনেক রুলস পালটে যাবে, নতুন রুলস আর ফরমুলেশন আসবে !
সব ই রিলেটিভ... :-)
লেখক বলেছেন: সহমত।
তা ত সত্যিই। ফিজিক্সের প্রথম বড় ধাপ ছিল গ্যালিলিও নীতিমালা। আইন্সটাইন প্রমাণ করলেন, উচ্চ গতিতে এই নীতি একেবারেই কাজ করে না। যার জন্য, নতুন লরেঞ্জ ট্রান্সফরমেশন তৈরি করতে হয়।
করেস্পন্ডেন্স প্রিন্সিপালও তাই বলে, উঁচু গতিতে গতির সাধারণ সূত্র কাজ করে না। অথচ, এই সাধারণ সূত্র দিয়েই আমরা কত জটিল সব ইকুয়েশন করি। নরমাল গতিতে এক আর উঁচু গতিতে আরেক।
বিজ্ঞানকে এখনও আরো অনেক দূর যেতে হবে।
লেখক বলেছেন: আফসুস।
তরু বলেছেন:
লেখাটা ভালো হযেছে।+++আপনি কেমনে ঐ কমেন্ট করছেন, অবাক লাগলো।
যাক, একটা এডিট করেছি, দেখে আসবেন।
ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। তখন দেখে এসেছিলাম আবার।
আসলে এসব ব্যাপার সেন্সিটিভ।
রিসাত বলেছেন:
আমার পড়া যে কোন ব্লগের সব চাইতে ভালো লেখা,,,,,,,, অনেক কিছুই ভাবার আছে
লেখক বলেছেন: অনেক খুশি হলাম ভাই। পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
বজ্রনিনাদ বলেছেন:
"সময়কে ঋণাত্মক করা যায় না নর্মাল ফিজিক্সে, এডভান্সডে যায়। আর যুক্তি তে আসে। আপনি সময়কে কতক্ষুদ্র করবেন ? সেটা কি মাইনাসে যাবে না"---ভাইরে,কোন একটা বস্তুকে আপনি যদি ছোট ছোট করতে থাকেন তাহলে সেটা নেগেটিভ হয়ে যায়? এই বুঝলেন?
১/০ কে কেন ইনফিনিটি ধরে বা ১/ইনফিনিটিকে কেন ০ ধরে সেটাও তো মনে হয় ভাল মত বুঝেন না।
"গ্রাফ বুঝেন ??
এক্স এক্সিসের পেছন দিকে বাড়ালে কি ঋণাত্মক আসে না ??"...ভাই,এক্স আক্সিস এর নেগেটিভ দিক কেন নেগেটিভ এইটাতো অন্তত বুঝা উচিত ছিল।
আপনি ভাই আগে কিছুদিন ঠান্ডা মাথায় অন্তরিকরন করেন আর এইটার মানে বুঝেন,তারপর এইসব কথা বলতে আইসেন।
জাফর ইকবাল এর বই থেকে আপনি মেইন থিম পাইছেন,ওখানে যা লেখা আছে তাই সব না,আরও কথা থেকে যাবে।এটা না বুঝে এইরকম একটা পোস্ট দেয়া ঠিক হয়নি।
আর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে আজাইরা লজিক দিবেন না,এইচ এস সি এর পড়ার বাইরে আরও নতুন অনেক কিছু আছে।
লেখক বলেছেন: ভাইরে,কোন একটা বস্তুকে আপনি যদি ছোট ছোট করতে থাকেন তাহলে সেটা নেগেটিভ হয়ে যায়? এই বুঝলেন
গতি কী বস্তু? গতি কে বস্তুর কমন্সেন্সে বিচার করলে আমি অসহায়।
যাক, এক টপিক নিয়ে আর আলোচনায় যাব না।
""জাফর ইকবাল এর বই থেকে আপনি মেইন থিম পাইছেন,ওখানে যা লেখা আছে তাই সব না,আরও কথা থেকে যাবে।এটা না বুঝে এইরকম একটা পোস্ট দেয়া ঠিক হয়নি।""
যার দৌড় যতটুকু। এত কিছু লেখার পরে যদি আমাকে এই কথা শুনতে হয় যে জাফর স্যারের থেকে থিম নিছি তাহলে ব্যাখ্যা দেয়ার ভাষা নেই। পোস্টটা আদৌ পড়ছিলেন?? ওইখানে কার নাম লেখা? বড় পোস্ট পড়ার অভ্যাস নাই বোধ হয়।
যাক, অনেকে বিরোধিতা করেছেন। করবেনই। সুস্থ বিতর্ক স্বাগত। কিন্তু, এরকম যুক্তি ছাড়া কমেন্ট কেউ করেন নি।
জাফর স্যারের থেকে থিম মারছি !!! আপনি কথা পান না???
যাক, কষ্ট করে পড়ছেন, ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হা হা হা হা হা
তাও কষ্ট করে কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ।
স্বপ্ন নীল বলেছেন:
ভাই, আপনার এই লেখাটার জন্যেই মনে হয় এতদিন অপেক্ষা করছিলাম। অনেক জটিল লাগত এই টাইম মেশিনের ব্যপারটা । আজকে একদম ক্লিয়ার। আর ডাইমেনশনের ব্যাপারটা ভাবতে গেলে ধর্মের কথা ঠুনকো মনে হত। আপনি তো ধারণা এক্কেরে উল্টায়া দিছেন। জোস্ একটা পোস্ট হইছে। অসংখ্য ধন্যবাদ, আপনাক। + এবং প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট একটা প্রেরণা।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
বজ্রনিনাদ বলেছেন:
নেট কানেকশন এ ঝামেলা ছিল,তাই দেরি হল। আপনিতো আবার কমেন্ট মডারেটেড করে রাখসেন...যাই হোক,আপনের সাথে তর্ক করে লাভ নাই,আপনি বরং আপনার বক্তব্য সাপোর্ট করে এমন কোন পেপার এর লিঙ্ক দেন,বিশেষ করে ডিফারেনশিয়েশন এর নেগেটিভ হবার ব্যাপারটা নিয়ে...নিজের যুক্তি দিয়েন না,বিশ্বাস করব না।
আর সামুব্লগ এর একটা ডায়লগ দেই...common sense is the sense which is commonly uncommon to common people.
আর যদি এতই ভাল বুঝেন তাহলে এসব বিষয় নিয়ে একটা ম্যাথমেটিকাল পোস্ট ব্লগারে পাব্লিশ করেন ঈকুয়েশন সহ আর সেটার লিঙ্ক দেন,পড়ে আসি।
এই কমেন্ট আবার ডিলিট করে দিয়েন না কিন্তু।আর ওপেন সোর্স চোথা মারার নিয়ম হল যারটা মারতেছেন তার নাম স্বীকার করা,আপ্নি সেটা না করলে ত্রিভুজ টাইপের চোর হয়ে যাবেন।
লেখক বলেছেন: আমার পোস্টের মেইন টপিক বুঝার কমন্সেন্স যখন অর্জন করতে পারবেন, তখন আপনার মন্তব্যের উত্তর দেয়া হবে।
আপনার যদি মনে হয়, যে সময় পিছে যেতে পারে না। তাহলে, আপনি সেই লাইন বাদ দিয়েই পড়েন। ঠিক আছে? এই লাইন আমার পোস্টে কী আদৌ কোন ভূমিকা রাখে ? বা কতটুকু ?
আদৌ কী আমার পোস্টের টপিক বুঝেন নাই ?? নাকি ফ্যালাসি? শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা ? আস্তিক নাস্তিক টপিক উঠানোয় এসব ফ্যালাসি দিয়ে মেইন টপিক ঢাকাটা ত আমাদেরই পিছিয়ে যাওয়া তাই না?
যাক, আরেকটা বড় টপিক এখানে মাত্রা। এ ব্যাপারে কিছু বলবেন ?
'লেনিন' বলেছেন:
"এভাবে একমাত্রাও সম্ভব। যেমন, ধরেন ছুরির এক প্রান্ত।"আপাতত একমাত্রা মাথায় ঢুঁকলো... কতো বছর আগে ম্যাডাম বিন্দুরে একমাত্রা কইছিলো খেয়াল নাই।
লেখক বলেছেন: সেটাই কথা বস।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
সব টুকু পড়ে এসে কমেন্ট লিখতে অনেকটা সময় পাড় করে আসতে হল।প্রথমেই লেখক কে বলি, এটা অফটপিক হিসেবে নিবেন,আপনার ধারনার সাথে আমার অনেকটা মিল পেয়েছি, আমরা কয়েকটা বন্ধু প্রায়ই এসব আলোচনায় বসে অনেক যুক্তি তর্ক হয় কিন্তু লাভের লাভ হয় আমরা অনেক কিছু শিখে ফেলি, আর এসব আলোচনার অভিজ্ঞতা থেকেই বলি প্রথমে আলোচনার থেকে দ্বিমতই আমরা পরস্পরের কাছে বেশি পেয়েছিলাম আস্তে আস্তে সেটা একটা সহনীয় পরিবেশে অর্থাৎ ভালো আলোচনার পরিবেশে আসে কারন দুদিন পরে সবাই পড়াশোনা করেই আলোচনা করা শুরু করে, তবে এসব আলোচনার মূল উপজীব্য যতটা না বস্তুবাদী ফিজিক্স কপচানো তার থেকে বেশী ধারনা বা কল্পনা প্রবন ফিজিক্স...
@ ট্রানজিস্টার আপনার সমস্যাটা কোথায় আপনি এত ঔদ্ধ্যত্য প্রকাশ করে কথা বলেন কেন? আপনি উপরে নিজের কমেন্টগুলা দেখেন আলোচনার থেকে ঝগড়া আর অপ্রাসঙ্গিক কথার প্রবণতাই আপনার বেশী, কখনো কাউকে থ্রেট দিচ্ছেন, কখনোবা কাউকে কুইজ জিজ্ঞেস করে জ্ঞান জাহির করছেন, সুস্থ্য আলোচনা একজিনিস আর তর্ক কিন্তু অন্য জিনিস, লেখক যেটা বোঝাবার চেষ্টা করছে সেটার সাথে আপনার মতে না মিলতেও পারে সেটা আপনি সুন্দর ভাবে কোথায় মতে মিলেনি সেখানে কি হতে পারত বলে দিতে পারতেন, লুঙ্গি উচকানো কি আপনার স্বভাব নাকি? আর কিছু বলতে রুচি পাচ্ছি না।
এখন একটু প্রাসণ্গিক কত্থা বলি, হ্যা লেখকের সাথে আমি একমত এমন কি আমার বন্ধুরাও একমত হয়েছিলাম অনেক আগেই , যে মাত্রার কারনে আমরা আমাদের চারপাশের ফেরেশতা বা জ্বীন হয়ত দেখতে পাইনা। অনেকে বিজ্ঞান আর ধর্ম কে এক করতে চান না তাদের বলি, ধর্ম যেখানে জীবন ব্যবস্থা এবং বিজ্ঞান যেখানে জীবন ঘনিষ্ঠ মতামত, আমরা যারা স্রষ্টায় বিশ্বাসী, স্রষ্টা বিজ্ঞানকে ধর্মে অন্তর্ভুক্ত করবেন এটাই স্বাভাবিক। আমরা যেটা করতে পারি, বিজ্ঞানের মাধ্যমে ধর্মকে একটু যাচাই করে দেখতে পারি।
সোহায়লা রিদওয়ান কে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই তার বুদ্ধিদীপ্ত উত্তরের জন্য,আমি তার সাথে একমত।
আকাশ_পাগলা আপনি যা বলতে চাচ্ছেন বা বুঝাতে চাচ্ছেন তা হয়ত অনেকে নাও বুঝতে পারে এমনকি আপনার কোন কোন কথা সঠিক নাও হতে পারে সেক্ষেত্রে আপনাকে বলব আপনি ঠান্ডা মাথায় কমেন্ট গুলো নিবেন এবং সেখান আপনার জন্য প্রয়োজনীয় অংশটুকুই নিবেন, মাথা গরম না করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।আপনার চিন্তার ক্ষমতায় আমি মুগ্ধ। আমি আপনাকে বলব, আপনি সামনে এগিয়ে যান, কে কি খারাপ বলল না ভেবে যাচাই বাছাই করে নিজের ধারনাকে স্বচ্ছতা দিন, কারন আমরা তো আর সঠিক ভাবে জানিনা কার মাথায় কি আছে?
অফটপিক: কিছু দিন আগে একটি বই পড়েছিলাম, "সময়হীনতা ও ভাগ্য" যারা বলে থাকেন স্রষ্টা কিভাবে অতীতে বা ভবিষ্যতে যাবেন? তাদের কে বলি যেখানে স্রষ্টা সময় কে সৃষ্টি করেছেন সেখানে তার জন্য সময় কে অতিক্রম করা কোন ঘটনা নয় । এবং যারা সময় মাত্রার থেকে বেশী মাত্রার অধিকারী তারা স্বাভাবিক ভাবেই সময় কে অতিক্রম করতে পারবেন এটাই স্বাভাবিক।
যারা বলছেন যে অতীতে ফিরে গিয়ে আমি আমার বাবাকে যদি খুন করি তাহলে? আমার অস্তিস্তই থাকে না। দেখুন আপনাদের বলি, এইটা আমার ধারনা ভূলও হতে পারে, দেখা গেল কোন ভাবে আপনি গতকাল বা তার আগের দিনে ফিরে গেলেন সেক্ষেত্রে যেটা হবে আপনি আরেকজন আপনাকে তার প্রতিদিনের কাজ কর্ম করতে দেখবেন অর্থাৎ গতকালকে আপনি যা যা করেছেন তাই করতে দেখবেন, এবং আজ থেকে যেহেতু গতকালে গিয়েছেন এই আজ হবে আপনার অতীত.. তাই গতকালে যদি আপনি যান আপনি আরেকজন 'আপনার" অস্তিত্ব পাবেন, এবং কোন ক্রমে তাকে যদি আপনি মেরেও ফেলেন তাহলে আপনার কিছু হবে না কারন আপনার বর্তমানই হলো গতকালের সময়টা এবং আপনার অতীত হলো যে সময় থেকে আপনি অতীতে ভ্রমন করেছেন সেটা। অনেক প্যাচগোচ। সরি ।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই। আপনার কমেন্ট খুব ভাল লাগল। আপনি শেষের দিকেও খুব সুন্দর একটা পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। আমিও মোটামুটি এমনটাই ভাবতাম। কিন্তু, ধারণাটা অপরিষ্কার ছিল। আপনার কথায় ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়েছে।
আবারও অনেক ধন্যবাদ।
'লেনিন' বলেছেন:
পুরো পোস্ট পড়লাম, সবার মন্তব্যও। তুমি করেই বলি। তোমার চিন্তা-ভাবনা ঠিকই আছে। কনফিডেন্সও ভালো এবং থাকা দরকার। একটা কথা মনে রাখবা সবসময় 'খালি কলস বাজে বেশি'। অনেক অল্প জ্ঞান মাথায় নিয়ে ধরাকে সরা জ্ঞান করা যায়। তাই হয়তো প্রতি মন্তব্যের উত্তরেই এমন একটা টোন যেনো পৃথিবীর সবাইকে তুমি সবকিছু শিখিয়ে ফেলছো। আবার তার সাথে নাস্তিক-আস্তিক টেনে এনেও মনে হচ্ছে তাদের পার্থক্য পুরাটাই জেনে ফেলছো। এতো অহমিকা কখনোই ভালো নয়।
আমার মনে হয় দূরের পাখি বা ট্রাঞ্জিস্টর'ও তোমাকে কড়া ভাষায় হয়তো সমালোচনা করতো না বা চোখে আঙুল দিয়ে ভুল ধরে দিতে চাইতোনা যদি না তুমি সবাইকে জ্ঞানদানের ভাবটা না করতে।
তোমার প্রয়াসকে আমি সাধুবাদ জানাই। কিন্তু সেই ক্লাস নাইনে এটা ভেবে বের করেছি এই আত্মপ্রসাদ তোমাকে আর দূরে নিতে দেবেনা।
"Wisdom, like modesty, is something which, when you are most certain you have it, you've definitely lost it." কথাটা মনে রাখলে কাজে দেবে।
পোস্টের বিষয়ে মতামত দিতে চাচ্ছিনা। তোমার প্রচেষ্টার প্রতি অভিনন্দন, যদিও তোমার অহমিকা এবং শিক্ষক ভাব ("গ্রাফ বুঝেন? করেসপন্ডেন্স প্রিন্সিপল... হেন তেন...") সব যেনো শিখিয়ে দিচ্ছো। নিজে আরো শেখো।
সবশেষে এটাই বলবো চিন্তাধারা অব্যাহত রাখো কিন্তু ব্যক্তি গোষ্ঠি ইত্যাদি বিদ্বেষ বাদ রেখে।
অন্যদেরও অনুরোধ করবো লেখকের পজিটিভ দিকগুলোকে প্রাপ্তি হিসেবে দেখতে।
ভালো থাকো।
লেখক বলেছেন: পজিটিভলি ভাবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
যাক, ক্লাস নাইনের কথাটা বাদই থাকুক। কারণ, তখনকার ভাবা আর এখনকার প্রকাশের তফাত বিস্তর।
কিন্তু, আপনি হয়ত জানেন না কমেন্ট আর তার ভেতরের উত্তরের মাঝে কিছু ইতিহাস আছে। এরই মাঝে আমাকে নিয়ে একটা আপত্তিকর পোস্ট আসে প্রথম পাতায়। যা সরানো হয় ১ দিন পরে। সেটা যথেষ্ট অশ্লীল ছিল। আর, অনেক সেখানে আমার বিরুদ্ধে কথা বলে। ওই পোস্টের লেখক কিন্তু এখানেই মন্তব্য করছিলেন। সুতরাং সেই পোস্টের পড়ার পর থেকে, এখানে আমার মন্তব্য গুলো তাদের সাথে সুন্দর হবে না, সেটাই স্বাভাবিক।
নিশ্চয়ই, খেয়াল করেছেন, মন্তব্য মডারেটেড করে রেখেছি। এরপরও কতগুলো মন্তব্য দেখেছেন? অর্থাৎ, প্রথমে এই অবস্থা ছিল না। বেশ কিছু গালি গালাজের সম্মুখীন হতে হয়েছে। আপনি আমার থেকে কেমন আচরণ আশা করেন?
আপনার উপরে সগব্লগার শ্রাবণের ফুলের কমেন্টটাই দেখেন। উনার কাছে কিন্তু মনে হয় নি যে, আমি উদ্ধত আচরণ করেছি। অথচ, আপনারা একই পোস্ট পড়েছেন। আরচরণের যুক্তিসঙ্গততা যে একেকজনের কাছে একেকরকম তা নিশ্চয়ই মানবেন। আপনার কাছে যেমনটা মনে হচ্ছে সবার কাছে তা নাও হতে পারে। সে সময়ের পরিস্থিতিতে উত্তপ্ত মন্তব্য স্বাভাবিক ছিল।
উপরে আরও দেখেন, আইন্সটাইনের থিওরী আর স্টিফেন হকিং এর হাইপোথিসিস কে """আমার চিন্তাপ্রসূত"""" ভেবে হাসি ঠাট্টা করার চেষ্টা হয়েছে। সবচেয়ে বড়ো কথা, আমি কীসে পড়ি, কোন বই থেকে এসব দেখেছি, সেটা সামনে নিয়ে আসা হচ্ছি, কী বলেছি তা না! আপনি কেমন আচরণ আশা করেন?
সবশেষে একটা অনুরোধ। আসলেই একবার দেখেন ত। থিওরী বেশি দেখিয়ছে কে? আর, আমাকেই বা কেন দেখাতে হল ? আমি কোথায় পড়ি, কীসে পড়ি সেটা নিয়ে অনেক কথা আসে। আমি কী জানি না জানি, সাইন্টিফিকালি জানি কী না, টার্ম বুঝি কী না, আমার জন্য সেটা দেখানো দরকার ছিল। কিন্তু, আদতেই "অকারণে জ্ঞ্যান দেখাতে" থিওরী কে বেশি দেখিয়েছে, সেটা আবার একটু চেক করেন।
আমি যদি "" উদ্ধত আচরণ "" করেও থাকি, আমার আত্মপক্ষ সমর্থনে এটুকুই বলার ছিল। ""যদিও "" আমি আসলেই উদ্ধত আচরণ করেছি কী না, সেটাও নিয়েও ""অনেকেরই দ্বিমত"" আছে , তাই না??
আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
'লেনিন' বলেছেন:
"উপরে আরও দেখেন, আইন্সটাইনের থিওরী আর স্টিফেন হকিং এর হাইপোথিসিস কে """আমার চিন্তাপ্রসূত"""" ভেবে হাসি ঠাট্টা করার চেষ্টা হয়েছে। সবচেয়ে বড়ো কথা, আমি কীসে পড়ি, কোন বই থেকে এসব দেখেছি, সেটা সামনে নিয়ে আসা হচ্ছি, কী বলেছি তা না! আপনি কেমন আচরণ আশা করেন?"আমি যদি ঠিক বুঝে থাকি তাহলে তা করা হয়নি। কোনো কিছুর অনেক গভীরে বুঝে যাওয়া মানেই সব বুঝে যাওয়া নয়। তেমনি অনেক জানা মানেই অজ্ঞদেরকে ম্লেচ্ছ মনে করা বা অচ্ছুৎ ভাবা বা উন্নাসিকতা ইত্যাদির বহিপ্রকাশ পাগলামো ছাড়া আর কিছুই নয়। শিরোনামে নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর কথাটাই তাই সেধরণের পাগলামির নামান্তর মাত্র। আমার কথা একপেশে মনে হতে পারে, কিন্তু তা ব্যাখ্যা করার সময় নেই।
লেখক বলেছেন: নাস্তিক আস্তিক ব্যাপারটাই অনেক বড় ফ্যাক্ট হয়ে দাড়িয়েছে এখানে। সেটা পরিষ্কার।
""আমি যদি ঠিক বুঝে থাকি তাহলে তা করা হয়নি।""
আপনি ভুল বুঝছেন।
'লেনিন' বলেছেন:
আরেকটা ব্যাপার, অতীতে গিয়ে অতীত বদলে আসলে কী ঘটতে পারে তা Back To the Future মুভিতে হয়তো দেখেছেন। কোয়ান্টাম তত্ত্বে বস্তু কণা, তরঙ্গ একই সঙ্গে হতে পারে। অর্থাৎ সমসাময়িক অনেক অবস্থিতি থাকতে পারে বস্তুর। একে প্যারালাল বিশ্ব কল্পনা করাও যায়। সেটিও মাত্রা হতে পারে। যা এখনো আবিস্কৃত নয় বা প্রমাণিত নয় দেখা যাক বিজ্ঞান কী নিয়ে আসে ভবিষ্যতে।
লেখক বলেছেন: একে প্যারালাল বিশ্ব কল্পনা করাও যায়। সেটিও মাত্রা হতে পারে
কী থেকে কিসে আসলেন ? মাত্রা ত দৈর্ঘ্য প্রস্থ উচ্চতা এসব দিয়ে নির্ণয় হবে। সেটা প্যারালাল ইউনিভার্সে থাকলে সেখানেও একই হিসাব হবে।
কেজি মিটার মাত্রা একই থাকবে।
মুরুববী বলেছেন:
লিখাটা আমার পছন্দ হয়েছে। আপনার চিন্তা শক্তি ভাল। প্লাস!
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আনোয়ারুল আলম বলেছেন:
একটা খুব সহজ জিনিস আপনি মনে হয় মিস করেছেন , সেটা হল , সময়ের সংজ্ঞা ।সময়ের ডেফিনিশন ঠিক করে এই ধরনের আলোচনায় নামলে ভাল হত।
সময় কী সেটা জানেন কি ?
লেখক বলেছেন: না আমি মিস করিনি। উলটা প্রশ্ন না করে আপনি জানেন কী না সেটা বললেই ভাল হত।
কী বুঝাতে চাচ্ছেন ? হেয়ালি না করে সেটা বললে পরিষ্কার হত। সময়ের ডেফিনেশন আমি ঠিক করার কেউ না। যারা ঠিক করার তাদেরটা আমি জানি। সময় থাকলে আপনিও জানার চেষ্টা করতে পারেন।
http://en.wikipedia.org/wiki/Time
আনোয়ারুল আলম বলেছেন:
আপনি যেহেতু ডাইমেনশন নিয়ে কথা বলছেন , তাই সেটার প্রেক্ষিতে সময়ের একটা সংজ্ঞার প্রয়োজন ছিল । যেটা আপনার Wikipedia পাতায় মোটেও উল্লেখ করা হয়নি ।একটা quark এর কাছে সময় বলে কিছু নাই ।
তারপর আরেকটা বিষয় হচ্ছে, আলোর গতি নিয়ে । আলোর গতি কি সবসময় একই ছিল । যদি তাই হয় তাহলে তো বিগব্যাংয়ের শুরুর পর অত দ্রুত পদার্থের প্রসারণ হল কিভাবে ?
Click This Link
নতুন চিন্তার খোরাক যোগাবে ।
আপনাকে আক্রমন করতে আসিনি । আরো কিছু ব্যাপার ছিল সেগুলো সম্বন্ধে ভেবেছেন কি না শুধু তা জানার জন্য প্রশ্ন করেছি ।
আপনি এটা দেখুন এবং মন্তব্যগুলো মনযোগ দিয়ে পড়ুন।
Click This Link
আর এটা । উপরের টা পড়তে ইচ্ছা না করলেও অন্তত নিচের টা পড়ুন ।
http://en.wikipedia.org/wiki/Empiricism
দেখলাম আপনি গনিত দিয়ে অনেক কিছু ব্যাখ্যার চেষ্টা করছেন । একটু সাবধানে থাকিয়েন এই এলাকায় । তত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানকে গণিত ধংস করে দিয়েছে । এখন যে স্ট্রিং থিওরি নিয়ে সবাই লাফাচ্ছে, সেটা তো রুপকথা ছাড়া কিছু না । এটা পরীক্ষা করে নিঃসন্দেহে প্রমান করার কোন উপায়ের কথা তো তারা বলছেন না ।
আর আপনি যেহেতু দর্শন নিয়ে কথা বলছেন অনুরোধ করব, এই লিংকটাও দেখতে ...
http://en.wikipedia.org/wiki/Epistemology
লেখক বলেছেন: হমমম, ঠিক আছে। এতক্ষণে আপনার বক্তব্য পরিষ্কার হয়েছে।
বস্তুর গতি আলোর চেয়ে বেশি হয়না কারণ, গতি আলোর সমান হলে তার ভর অসীম হয়ে যাবে। যেটা অসম্ভব। (এটা আইন্সটাইনের দাবী)। বিগ ব্যং এর থিওরীর শুরুতেই ব্যাখ্যা দেয়া হয় যে, অসীম ভরের একটা সুপার এটম। সুতরাং, সেই মুহূর্তে গতি সমস্যা অবার কথা না। কারণ, ভর কোন সমস্যা করবে না তখন।
আমি যতটুকু জানি বললাম। এখন একটু বাইরে যাব, রাতে ফিরে এসে ইনশাল্লাহ আপনার লিংকগুলা পড়ব। তখন হয়ত নতুন কিছু শিখব।
কিন্তু, ভাই উপরের পোস্টের সাথে এসবের কী সম্পর্ক? যাই হোক, মূল্যবান লিংকের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আনোয়ারুল আলম বলেছেন:
সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন ?সময় এর সংজ্ঞা টা বের করার চেষ্টা করুন । বিশেষ করে কোয়ান্টামের জগতে এর সংজ্ঞা টা বেশ মজার ।
আপনি যেহেতু বিজ্ঞান নিয়ে কথা বলছেন, তাহলে শুরুতেই আমাদের জ্ঞান আর বিশ্বাসের পার্থক্যের সাথে পরিচিত হওয়া উচিত ।
জ্ঞান এর আবার অনেক প্রকারভেদ আছে, সেগুলোও জানার প্রয়োজন আছে । তারপর ধরুন, নতুন জ্ঞান তৈরি হয় কি করে সেই প্রক্রিয়া সম্পর্কেও জানার প্রয়োজন আছে এবং তার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে ।
এরপর গণিতের সংজ্ঞা জানার প্রয়োজন আছে । গণিত জিনিস টা কি ? এটার উৎপত্তি কোথায় ? কখন এটাকে কিভাবে ব্যবহার করা যায় , সেসব বিষয়েও ভাল ধারণা রাখার প্রয়োজন আছে ।
তবে এত কথা থাক , চলুন প্রথমে সময়ের একটা সংজ্ঞা বের করার চেষ্টা করি । সময় জিনিসটা কি , এটাই যদি না জানি, এটা নিয়ে এত গুঁতোগুঁতি করাটা কি ঠিক ?
আর প্লীজ কথায় কথায় বিজ্ঞানীদের টেনে আনবেন না, যদি না তার কোন পরীক্ষা ভিত্তিক সূত্র থাকে ।
ভাল একটা আলোচনার অপেক্ষায় থাকলাম ।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
@আনোয়ারুল আলমআমি প্রমাণিত সূত্র ছাড়া এখানে একটাও উল্লেখ করিনি। বিজ্ঞানীদের নাম দিছি একারণে যে এটাকে আমার কল্পনাপ্রসূত হিসেবে যেন ধরা না হয়। উপরের দিকের কিছু কমেন্ট কতিপয় ব্যক্তির এমন চেষ্টা পাবেন।
যাক, আসলে আলোচনাটা কোন দিকে ঘুরছে?
একটা কথা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞান আর বিশ্বাসের পার্থক্য। তাই আমি পুরা পোস্টটা ভাগ ভাগ করে দিয়েছি। যার কাছে যতটুকু ভাল লাগে। কেউ সমালোচনার উর্ধ্বে না। আমার পোস্টও তা না। তাই, একটা সাইডের কারণে অন্য টপিকগুলা যেন রোষে না পড়ে তাই সেই চেষ্টা করলাম।
আপনার কাছে ঠিক কোন জিনিসটাকে সমস্যা মনে হল, কাইন্ডলি সেটা বলেন। আমি যদি পারি, আমি হয়ত আরো গুছিয়ে বলার চেষ্টা করব। অথবা, আপনার যুক্তি মেনে নিব।
সময় আর গণিত নিয়ে আলোচনার জন্য অন্য একটা পোস্ট দেয়া যায়। তাই না? এই পোস্টের টপিকের জন্য যতটুকু জানার বা জানানোর দরকার তা বোধহয় পোস্টেই ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।
তবুও, ভাল একটা আলোচনার আশা রাখি। আর, লিংকগুলার জন্য অনেক অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আনোয়ারুল আলম বলেছেন:
সময় কি ? এটা নিয়ে একটা পোস্ট দিয়ে ফেলুন । অনেক মজার মজার আলোচনা করা যাবে তাহলে ।
আমার এমনিতে কোন সমস্যা নাই । আপনার আগ্রহ যেহেতু আছে বিজ্ঞান নিয়ে, তাই আপনার কৌতুহল টাকে একটু উস্কে দেয়ার চেষ্টা করছি , এর বেশি কিছু না ।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
স্কারনহরস্ট ইফেক্ট একটা হাইপোথিসিস। এটার সাথে এই পোস্টের কী সম্পর্ক? আর, যদি বা এই ইফেক্ট একসময় সত্যি হয়, তবুও মান বাড়বে অতি অতি নগণ্য। ত লাভটা কী?মৌমাছির ব্যাপারটা বুঝলাম। হমমম, গণিত আমাদের কথামত চলবেনা। ডাইমেনশনের সাথে এটার সম্পর্ক কী? গণিত এনেছি অনেক পড়ে, প্রথমে তো যুক্তি আর উদাহরণ দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করলাম।
ঘুম পাইছে। আপনার অপেক্ষায় থাকলাম। এই পোস্টের বাইরে আলোচনা চাইলে অন্য একটা পোস্ট দেন/অথবা আমি কী দিব??!!
তবে, জ্ঞান সম্পর্কে আপনার আগ্রহ আছে, তা পরিষ্কার।এটা ভাল্লাগছে।
আনোয়ারুল আলম বলেছেন:
পুরা মাল্টিডাইমেনশনের কনসেপ্ট টা একটা হাইপোথিসিস । যাই হোক , সময় নিয়ে একটা পোস্ট দিন না ।
পদার্থবিজ্ঞানে সময়ের সংজ্ঞা জানতে আপনার ইচ্ছা করছে না ?
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
ভাইজান আপনেগো মতো বিজ্ঞানীদের দেখা পাইয়া আমার আইনস্টাইনের-হকিং কথাও ভুইলা যাইতে ইচ্ছা করে। আলো বিষয়ক তত্ত্ব গুলার মূল ভিত্তি কিন্তু কিছু ধরে নেয়া বিষয় (কল্পনা)। এমন কি আলোকে শক্তি ও কণা উভয়ের একটা মিলিত জগাখিচূরি ধরার পরও আলোর সব গুলা ধর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না। এধরনের ধরে নেয়া ভিত্তির উপর হিসেব করে করে আইনস্টাইন থিওরী দাড় করিয়েছেন। সোজা কথা হইল এই থিওরীও ভবিষ্যতে পরিবর্তন হতে পারে। এমনকি হকিংও তার তত্ত্বে পরিবর্তন আনছেন।এধরনেরই একটা স্ববিরোধী ঘটনা বিজ্ঞান বলে। যেমন মহাশূন্যের কেন্দ্র থেকে যে বস্তু বা গ্যালাক্সী যত দূরে তার বেগ তত বেশি। এই হিসেবে বিজ্ঞানীদের মতে এমন গ্যালাক্সী থাকার কথা যার বেগ আলো থেকেও বেশি, আর তাই এদের আলো আমরা কখনই দেখতে পারার কথা নয়। যে দুরূত্বে এই বেগের সৃষ্টি সেই দূরুত্ব থেকেই "অন্ধকার অন্ঞ্চল" এর শুরু। তাই এধরনের থিওরীর উপর নতুন থিওরী কল্পনার থেকে বেশি দূরে এগোনোর কথা নয়।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
@জাতি জানতে চায়আপনার যুক্তি ভাল্লাগছে। সব কিছুই ভবিষ্যতে পরিবর্তন হতে পারে। এজন্যই চোখ কান বুজে বিজ্ঞানের উপর ভরসা করতে পারে না কেউ। আবার , তাই বলে যতটুকু এগিয়েছি তাকে ভুলে যাব, তাও কিন্তু না।
দেখেন, আলোতে হাইজেনবার্গের থিওরী মোটামুটি বাতিল হবার পরও থমাস ইয়ং এর ডাবল স্লিট পরীক্ষার মূল্য কমে নাই। এটাই ত আশা। ইমেজিনারি নাম্বার ধরে ত কত কিছুই সলভ হয়।
শেষে একটু হয়ত অন্যরকম বলেছেন। ব্যাপারটা আরেক রকম।
মহাশূণ্যের লিমিট হল ৯২ বিলিয়ন আলোকবর্ষ। আপনি কি জানেন লিমিটটা কীভাবে হিসাব করে? কেন্দ্র থেকে যত দূরেই হোক, কতটুকু দূরে থাকলে তার গতিবেগ আলোর সামান্য কম পর্যন্ত হবে, তার উপর হিসাব করা হয়।
আর, ফলে কিছু অঞ্চল পাওয়া যায়, যার থেকে এখনও আলো এসে পৌছায় নাই।ওগুলাকে অন্ধকার অঞ্চল বলে।এছাড়া,ইনভার্স ইনার্জিও আছে।
তবে, একদম শেষ লাইনটা সত্য। আইনস্টাইনের থিওরী বা হকিঙ্গের কথা পরিবর্তন করা হলে আমার হাইপোথিসিসের কোন দামই থাকবে না।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
@আনয়ারুল আলমমাল্টি ডাইমেনশন হাইপোথিসিস হলেও শক্তিশালী। কারণ, মাত্রা শুধু আমাদের দৃশ্যমানগুলোই থাকবে, আর থাকবেনা, এটা মেনে নিতে কষ্ট হয়।
হমমম, আমি আসলে এই লাইনের লোক না। ঝোকের বসে একটা বিজ্ঞানের পোস্ট দিয়ে দিছিলাম। সাই ফাই বা গল্প লিখতেই বেশি ভাল্লাগে। এরপরও চেষ্টা করব সময় নিয়ে একটা পোস্ট দিতে।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
সময় করে পড়ব, অর্ধেক পাঠ করেছি (ধর্ম বিষয়কের আগে)। আপাতত ঝুলিয়ে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।
এস বাসার বলেছেন:
তোমার এত সুন্দর এবং সহজ ভাবে সাধারনের উপযোগী লিখা আমি খুব কমই পড়েছি। আমি ও science এর student, বনধুদের কাছে মেধাবী বলে সুনাম ও ছিলো। কিন্তু সময়ের বাস্তবতায় আমি আজ ভিন্ন অবস্থানে।তবে পড়াশোনাটা সময় পেলে এখনো করি। হয়তো অনেক পড়ুয়া , বিদ্বান লোকেরা তোমার লিখার দোষ এুটি ধরেছে , অনেক ভারী ভারী মন্তব্য করেছে..। তাদেরকে ও ধন্যবাদ । তবে তোমাকে একটা কথা বলি, চিন্তা গুলোকে ধরে সামনে এগিয়ে যাও.... আমাদের দেশে science টাকে কেউ সহজ ভাবে প্রকাশ করেনা/ পারেনা/বা করতে চায় না। সুন্দর লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। নতুন লিখার অপেক্কায় রইলাম।
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
টাইম মেশিনের বিপক্ষের একটা সহজ কিন্তু শক্তিশালী যুক্তি হচ্ছে ভবিষতের কেউ যদি টাইম মেশিন বানাত তাহলে তাদের সাথে ইতোমধ্যে আমাদের দেখা হত। ভবিষ্যৎ থেকে মানুষ যোগাযোগ করত আমাদের সংগে। কেউ করেছে কি কখনও ? করেনি। কাজেই ভবিষতে কখনও টাইম মেশিন বানানো হবে না।
লেখক বলেছেন: এগুলি সাইফাই রাইটার দের সমস্যা , সাইন্টিস্ট দের না।
আমি টাইম মেশিনের পক্ষ বা বিপক্ষ নিচ্ছি না। কিন্তু, আপনার যুক্তিটা চাষাগতভাবে সুন্দর হলেও যৌক্তিক না।
কারণ, ধরেন, আমি টাইম মেশিনে যেয়ে পৃতিবীর প্রথম মানুষকে মেরে আসলাম। তাহলে? আমি আসলাম কীভাবে??
এইসব তাত্ত্বিক সমস্যা অনেক আগেই সমাধান করা হয়েছে। আমি যখনই প্রথম মানুষকে মারব, তখন ভবিষ্যত অন্য ধারায় চলে যাবে। মানে, আমরা প্রথম মানুষের বংশধর, আমরা ত মিলিয়ে যেতে পারি না। আবার, এই দিকে প্রথম মানুষও এখন নেই। এটা প্যারাডক্স।
আবার, এই প্যারাডক্সের চাবিকাঠি হল, আমরা যেই ইউনিভার্সের, সেখানে ভবিশ্যত থেকে কেউ পিছে আসেও নি। তাহলে ব্যাপারটা কী দাঁড়ায়?
অর্থাৎ, অতীতের কোন কিছু পরিবর্তন হলে সেটা অন্য একটা ভবিশ্যতে প্যারালাল ভাবে চলতে থাকবে।
অর্থাৎ, গতকালকের সময়ে কী যদি ভবিষ্যৎ থেকে আসে আর আমাকে মেরে ফেলে , ঠিক সেই সময়েই ভবিষ্যৎ দুইটা ধারায় ভাগ হয়ে গেছে। বর্তমানের আমি ত আচমকা বাতাসে মিলিয়ে যেতে পারি না। বা, প্রথম মানুষকে মেরে ফেললে সবাই গায়েব হবে না।মুহূর্তের মাঝে বিশ্বে এত বড় পরিবর্তন সম্ভব না।
ট্রুথ ইজ মোর স্ট্রেঞ্জ দ্যান ফিকশান।
এ ব্যাপারে আরও একটা হাইপোথিসিস আছে। সেটা হল, যা ঘটে গেছে তা আর পরিবর্তন করা যায় না। অর্থাৎ, কেউ যত চেষ্টাই করুক আগে যেয়ে প্রথম মানুষকে মারতে পারবে না। যতবারই সে চেষ্টা করুক, সে বিফল হবেই। মেজর কিছু চেঞ্জ করতে পারবে না।
আরও একটা দুর্বল হাইপোথিসিস আছে। যেহেতু, প্রতি সেকেন্ডে আলো ১০ টু দি পাওয়ার ৯ বার দশা পরিবর্তন করে, তাই ভবিষ্যত থেকে কেউ আসলে সময়ের ধারাটা না মিললে সে আমাদের শুধু দেখতে পারবে। কিন্তু স্পর্শ করতে পারবে না। বা কিছু উঠাতে পারবে না।
এই শেষের হাইপোথিসিসিটার ব্যাপারে আমি বেশি কিছু জানি না। আর, কীভাবে আসছে তাও জানি না। শুধু খেয়াল আছে কোথায় যেন পড়ছিলাম। তবে, এটা যে খুব দুর্বল, তা নিয়ে সন্দেহ নাই।
ভুডুল বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মাসুদুল হক বলেছেন:
অসাধারন লিখেছেন, বিশেষ করে এ ধরনের লেখায় ভাষার সহজবোধ্যতা বজায় রাখাটা বিরাট চ্যালেন্জ।অনেক আগে এসব নিয়ে পড়াশোনা করেছিলাম, ভালো লাগল,প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: প্রিয়তে নেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মৃত৬৬৬ বলেছেন:
ভাই , ভর আর আলোর গতির সম্পর্কের সমীকরণটা দিয়া দিলে সবাই আরো ক্লিয়ার ভাবে ভর অসীম হবার ব্যাপার টা বুঝত। আমিও অবশ্য মাত্রার ব্যাপার ভাল বুঝি নাই।
লেখক বলেছেন: সমীকরণ দিলে পিটাইনি খাইতাম ভাই
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
নিভৃত পথচারী বলেছেন:
পন্ডিত-পন্ডিত তর্কে বিষয়বস্তুর বৈভব বৃদ্ধি পায়। অনেক নতুন বিষয় জানছি আর উপভোগ করছি। চলতে থাকুক....
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আরাফাত রহমান বলেছেন:
ওরে ভাইএতো কষ্ট কইরা পোস্ট টা লিখছেন এই জন্য ধন্যবাদ। পুরোটাই পড়লাম। কমেন্ট গুলা পড়ি নাই এখনো।
ধন্যবাদ লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
এখনও মনে আছে, তখন কত সময় লেগেছিল !!!
![]()
তানিম কিশোর বলেছেন:
এখনকার বিজ্ঞানের একটা উদ্দেশ্য হল কোরানের সাথে তুলনা করে বিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটানো। এমন একটা পরিস্থিতিতে এমন চিন্তা-ভাবনা অবশ্যই ফেলনা নয়। ভাবনা ভাবাই মনের কাজ, তবে এখানে লেখক তার ভাবনা কে যুক্তির অনেক কাছে নিয়ে এসেছেন। ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
স্বপ্নীল আহমেদ বলেছেন:
লেখা বেশ ভাল হয়েছে।বেশ সময় নিয়ে মূল লেখা ও মন্তব্যগুলো পড়লাম।যদিও প্রথমে অনেকেই মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রশ্ন না করে অন্য বিষয়ে প্রশ্ন করে আলোচনা অন্য দিকে ঘুরিয়ে সময় নষ্ট করেছে,তারপরেও আপনি যেভাবে একের পর এক সেগুলোর জবাব চমৎকারভাবে দিয়েছেন,তা দেখে বেশ ভাল লেগেছে। মাত্রা নিয়ে আমার অনেক দিন থেকেই বেশ কিছু চিন্তা-ভাবনা ছিল,আপনি এত সহজভাবে সবকিছু লিখেছেন যে আমার ব্যাপারটা বেশ ভালভাবে মাথায় গেথে গেল।আমি একটানে লেখাটা পড়ে গেছি,বুঝতে তেমন কোন সমস্যা হয়নি।হয়ত পুরো লেখাটা নিখুত নয়(সেটাও কেউই নিশ্চয়ই আশা করে না),কিন্তু ওভারওল প্রচেষ্টাটা খুব ভাল লেগেছে।আমি একটা জিনিস চাই আপনার কাছে যে আপনি লেখাটা কন্টিনিউ করবেন।মানে এ ব্যাপারে বা তার সাথে আরো রিলেটেড লেখাও আপনি কখন লিখবেন সেটার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
আর একটা ব্যাপার,আমি কি এই লেখাটা প্রজন্ম ফোরাম ও আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে আপনার নাম দিয়ে দিতে পারি?তাহলে ওখানেও বেশ আলাপ আলোচনা হতে পারে।
লেখক বলেছেন: আপনি যদি আমার নাম দিয়ে এই পোস্ট এই ফোরামগুলো দিতে চান তাহলে আমার কোন সমস্যা নেই।
আপনি যদি ফোরামে পাবলিশ করার পর, সেই লিংক এখানে দিয়ে দেন, তাহলে খুব ভাল হয়। আমিও যেয়ে দেখতে পারব।
পোস্ট পড়ার জন্য আর এত কষ্ট করে কমেন্ট পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।
স্বপ্নীল আহমেদ বলেছেন:
প্রজন্ম ফোরামে নিচের টপিকে লেখাটা আপনার নাম ও সামুতে আপনার লেখার লিংক উল্লেখ করে পুরোটা হুবুহু তুলে দেয়া হয়েছে।সময় করে একবার আপনার লেখাটা দেখে আসবেন আর আমাদের সাথেও একটু আড্ডা মেরে আসবেন।Click This Link
লেখক বলেছেন: আমি গেলাম, একজনের কমেন্ট পড়ে উত্তর দেয়ার জন্য রেজিস্টারও করলাম। উত্তর দিয়ে আসলাম।
এই পোস্ট নিয়ে ওখানে বা কোথাও আর বিতর্কে জড়াবার ইচ্ছা নেই আমার।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, আরও অনেককে ধন্যবাদ যাদের কাছে লেখাটার ১ শতাংশ হলেও ভাল লেগেছে।
আপনার জন্য আন্তরিক শুভকামনা রইল, আর সাপোর্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
Anne তার লেকচারে সম্ভবত ১৫ মাত্রা পর্যন্ত আলোচনা করেছে। ইন্টারেস্টেড থাকলে লিংক টি দিতে পারি। পুরোটা এখনও দেখে শেষ করতে পারিনি।তাই বিশদ বলতে পারছি না। কিন্তু ভাল লেগেছিল।
লেখক বলেছেন: ১৫ মাত্রা !!!
মাত্রাঘটিত ব্যাপারে আমি খুবই আগ্রহী।
আমি খুবই ইন্টারেস্টেড। সময় থাকলে প্লিজ লিংক দেবেন।
এত দেরীতে রিপ্লাই দেবার জন্য দুঃখিত। খেয়াল ছিল না।
লাভলু জাফর সাদিক চৌধুরী বলেছেন:
দারুণ একটা পোস্ট। ধন্যবাদ জানা বিষয়গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করে এই জিনিস গুলো বুঝিয়ে দেয়ার জন্য। খুবই ইন্টারেস্টিং।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
তুমি তো ভাই জ়োশীলা লিখ!!! প্রিয়ায়িত । ++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
লালসালু বলেছেন:
প্রিয়তে নেয়ার সময় খেয়াল করলাম আমার আগে ৯৯ জন ব্লগার এই পোষ্টটাকে প্রিয়তে নিয়েছেন। আমি হলাম শততম ব্লগার। সেঞ্চুরি।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আর অনেক শুভকামনা।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
ভাই এত প্যাচাল বাদ দিয়ে একটা টাইম মেশিন বানাইয়া দেন। অতীতে গিয়া আমার দাদার দাদারে মাইরা ফালামু।পড়াশুনা করতে একটুও ভালো লাগে না। ঐ বুইড়া যত ঝামেলার মূল।
লেখক বলেছেন: পারলে প্যাচাল পারতাম না।
এত প্যাচাল শুধু এটা বুঝানোর জন্যেই যে আসলে এটা একসময় হয়ত সম্ভব হলেও হতে পারে। দেখা যাক। আসলে বিজ্ঞান কখনই একজাক্ট উত্তর দিতে পারে না।
সাহোশি৬ বলেছেন:
According toএinstein time was the fourth dimension and time was able to slow down and even stop.But not "negative" or best said backwords because this could only accur when traveling faster than light and according to এinstein nothing is faster than light because light is made of massless particles called photon. Hence free of any physical costrains (Click This Link). লেখক বলেছেন: আইনস্টাইন টাইমকে আলাদা ডাইমেনশন হিসেবে প্রমাণ করে যান নি। শুধু এরকম মনে করেছিলেন।
আমার পুরা পোস্টের মত উনার কথাটাও ছিল হাইপোথিসিস।
টাইম থামানো সম্ভব। উনার মতে। আসলে কী সেটা সম্ভব? এসব এখনও প্রমাণ হয় নি।
আলোর বেশি গতিতে আপনি কখনই যেতে পারবেন না। কিন্তু অন্য ডাইমেনশন থেকে নিচের ডাইমেনশনে আরও বেশি গতি অর্জন করা খুবই পসিবল। আপনি টেবিলের উপর হাত রাখেন, আর তার নিচে আপনার ছায়া দেখেন। আপনার হাত আর আপনার হাতের ছায়া কোনটা কতটুকু দূরত্ব অতিক্রম করল?
গরম কফি বলেছেন:
অসাধারন যুক্তি তর্ক। তার চাইতে অসাধারন পোস্ট । ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও এই পোস্ট পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ভাই এই মুহূর্ত থেকে আমি আপনার ভক্ত হয়ে গেলাম। আপনি ঠান্ডা মস্তিস্কের মানুষ। তাও বলি এসব নাস্তিকরা কোরআন হাদীস ভিত্তিক মাওলানাদের চেয়ে আপনাদেরকেই বেশী ভয় পায়। কারণ আপনি তাদের লুংগি ধরে টান দিয়ে ফেলেছেন। জ্ঞান-বিজ্ঞান তাদের একচেটিয়া বিষয় বলে মনে করে। এখন আপনি সেখানে হাত দিলে কেমন লাগে বলেন দেখি- নিজেদের (....গ্ন ...গ্ন) ফিল করতেছেন আর কি।
নয়ত আলোর গতি সম্পর্কিত বিষয়টা নিয়েও প্রশ্ন তোলে -
(হা হা প গে)- মন খুলে হাসলামরে ভাই। কিরকম খেপলে এই কাজ করতে পারে ভেবে দেখেছেন। বিজ্ঞান তো দেখি তাদের জন্য নতুন করে লিখতে হবে। (নাস্তিক বিজ্ঞান বলে একটা শাখা খোলা যেতে পারলে ভাল হত বোধ হয়)।
এদের পোষ্ট আর কমেন্টগুলো খেয়াল করলে দেখবেন- যখনি বিজ্ঞান নিয়ে কোন বিষয়ে ধরা খায় তখনই একটা লিংক দিয়ে দেয়। যেসব লিংক পড়লে অনেক সময় দেখা যায় যে বিষয় নিয়ে দিয়েছেন তার ধারে কাছেরও কোন বক্তব্য না।
লিংক না দিয়ে বিষয়টা ব্যাখ্যা করার যোগ্যতা তার নেই। কপি পেষ্ট জ্ঞান দিয়ে আর কতদিন চালাবে তাই ভাবছি। আপনার পোষ্টটা ভাল লাগল কারণ জ্ঞানটাকে আপনি আত্মস্থ করেছেন।
এবং আবারো- আপনার ভক্ত হয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: লেখা শেষে একোটা বার আছে। যেখানে লেখা আছে কতবার পঠিত আর কতটা মন্তব্য। যেখানে + আর - চিনহ থাকে। তার ঠিক মাঝখানে "হলুদ রঙের একটা তারা" আছে। এখানে মাউজের কারসর রাখেন। তাহলে দেখাবে যে কতজন ব্লগার এটাকে প্রিয়তে নিয়েছে। আর এখানে যদি ক্লিক করেন, তাহলে এই পোস্টটা আপনারও প্রিয়তে চলে যাবে।
এত বড় পোস্ট পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
এমন কমেন্ট আসলে প্রেরণা।
কৃতজ্ঞতা রইল।
এতটুকু পড়ে আর পড়তে ইচ্ছে হল না।
আর পৃথিবীর সমস্ত বস্তু (প্রাণীসহ) কে আমার কাছে ত্রিমাত্রিক মনে হয়নি সারে তিন বা চার মাত্রা হতে পারে। সারে তিন বললাম কারণ আমরা সময়ের একদিকেই ছুটে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত উল্টোদিকে যেতে পারছিনা।
তিন মাত্রা হলে সময়ের যে কোন এক বিন্দুতে সেগুলো দেখা দিয়েই মিলিয়ে যেত। আমার ধারণা আমরা আসলে চারমাত্রার দৃশ্যমান অংশ। আপনার লেখার ধর্মের অংশটুকু বাদ দিয়ে ভাবছি আপাতত।
এ কথাগুলো বললাম কারণ আপনার মত আমিও মাত্রা নিয়ে ভাবি মাঝে মাঝে। আমার ধারণাটুকুর মধ্যে আপনি হয়ত নতুন কিছু ভাবনার খোরাক পেতে পারেন।
আর একটা কথা যেহেতু আপনি হকিন্সের লেখাগুলো পড়েন- তার বর্তমান প্রচেষ্টাটা কতদূর এগোলো জানাবেন একটু। ইউনিফাইড তত্ব আবিস্কারের ব্যাপারে। এখানে আমার ধারণা একটা অসীম মাত্রার বিষয় চলে আসতে পারে। প্যারালাল ইউনিভার্সগুলো সহ সময়ের সবগুলো মাত্রা আমার ধারণা একটা সিংগুলারিটি থেকেই সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাত শুধু আমাদের এ মহাবিশ্বই নয়- সম্ভাব্য সবগুলি মহাবিশ্ব সেই একটি বিন্দু থেকেই বিস্তৃত হয়েছে।
আমি যা বলছি তার কিছুই বিজ্ঞান নয় ধারণা... তবে হকিন্সের কল্পনা থেকেই এই ধারণাগুলোর সূচনা। আমার মনে হয় স্ট্রিং থিওরী এখন বাতিলের তালিকায় গেলেও একসময় সেটা পূর্ণ সম্মান নিয়েই ফিরে আসবে।
আপনার সংগে আমার চিন্তাগুলো মিলছে বলেই এই কথাগুলো বললাম। কিছু ভাবনার মসলা পেয়েও যেতে পারেন।
..................................................
আর একটা কথা ভাই... আল্লাহ নিজে কিন্তু তাঁকে ঘিরে রহস্যটা রেখে দিতে চান। কারণ তিনি চাইলে পৃথিবীর সবাইকেই সত্যটা বুঝতে দিতে পারতেন। তা কিন্তু দেননি। বরং বিভ্রান্ত হবার পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং বিজ্ঞান দিয়ে স্রষ্টাকে প্রমাণ করা যাবে এমন দিন কখনো না আসার সম্ভাবনাই বেশী। যদি আসে তাহলে স্রষ্টার এই সৃষ্টিটাই অর্থহীন হয়ে যায়।
সুতরাং এ জাতীয় প্রচেষ্টা নিষ্ফল বলেই মনে হয়। আমি জানি সৃষ্টিতত্বে হকিন্সের আইডিয়াগুলো আপনি যত পড়বেন- আপনার কোরআন ও ধর্মীয় জ্ঞানের সাথে ততই তার সামঞ্জস্য খুঁজে পাবেন। কারণ প্রতিনিয়ত আমি নিজেও তা পাচ্ছি। কিন্তু আপনি অন্য কাউকে এমনকি আস্তিকদেরকেও তা বোঝাতে গেলে ব্যর্থ হবার সম্ভাবনা। কারণ এসব ধারণার পিছনে আপনার যে পড়াশোনা, ভাবনাচিন্তা তা শেয়ার করার মত অবস্থানে তাদের অনেকেই নেই।
এজন্যই বোধ হয় "আল্লাহর নিদর্শনগুলো অল্পমূল্যে বিক্রয় করো না"- এরকম নির্দেশনা আছে। কাজেই আপনার উপলব্ধিগুলো নিজের কাছে রাখুন। যারা বুঝতে চাওয়ার আমার মত তারাই আপনাকে খুঁজে নেবে।
দ্বিমাত্রার যে উদাহরণ নিয়ে যে আপনাকে চেপে ধরেছিল সে একটা সুযোগ নিয়েছে। কারণ ছায়া(শ্যাডো) ছাড়া পৃথিবীতে দ্বিমাত্রিক কিছুর উদাহরণ খুব কম। আপনার সারফেসের উদাহরণটি ঠিক আছে কিন্তু সেখানে যে আইডিয়াটি দিতে চেয়েছেন তা ঐ জ্ঞানপাপীরা বুঝেও বুঝতে চাইবে না। কারণ তাতে আপনাকে চেপে ধরার সুযোগ হারাতে হবে।
আমি জানি আপনাকে অনেক খারাপ সময় কাটাতে হয়েছে এই পোষ্টটি দিয়ে। তবে আপনার ধৈর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। ধৈর্যের ফল সবসময়েই মিষ্টি। আর প্লিজ চিন্তার এই ধারাটা ধরে রাখেন। ভুল শুদ্ধ মিলিয়েই নতুন আইডিয়াগুলোর সুচনা হয়। শুধু ধর্মটাকে বাদ দেন। আল্লাহই যেটা চান না, সেটা আমি আপনি চাইলে কি হবে?
যাই হোক ভাল থাকেন। আবারো কথা হবে।
শূদ্র বলেছেন:
ভাই আমি মানবিকের ছাত্র। কিন্তু একটা বিষয় বুঝলাম না এখানে নাস্তিকেদের সব প্রশ্নের উত্তর দিবে বলে লেখক আমাকে প্রলোভন দিয়ে তার জ্ঞানগর্ভ আলোচনা পড়ালেন, কিন্ত শীরোনামের বক্তব্য অর্থাৎ নাস্তিকদের প্রশ্নের উত্তর পেলাম না।এই লেখক আসলে কি বোঝানোর জন্য এই পোস্টটি দিলেন তার কারণটা ধরতে পারলাম না। বিষয়টি যদি হয়ে থাকে নিজেকে জ্ঞানী প্রমান করা তবে তিনি তা দেখাতে বা জ্ঞানের শোডাউন দিতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। এই কথাগুলো অবশ্য আমার নয় একজনের ধার করা। ঢ.বির এপ্লাইড ফিজিস্কের এক শিক্ষক পোস্টটা দেখে মন্তব্য করলেন। আমার অবশ্য সেই এলেম নেই। যা বলার উপরে জ্ঞানীরা তা বলে দিয়েছে।
লেখক বলেছেন: নাস্তিকরা কী ধরণের প্রশ্ন করে থাকেন, সেটার সম্পর্কে আপনার কোন আইডিয়া কী একেবারেই নাই নাকি কমেন্টে জাস্ট ফ্যালাসি করতে চাইতেছেন? তারা অনেকেই প্রশ্ন করে যে, সাত আসমান বলতে কী বোঝানো হইছে?
এই পোস্টে তার অনেকটুকু বলার চেষ্টা করছি(একটা অংশে)।
এই মোটাদাগের জিনিসটা আপনি বুঝলেন না, আর উপরে কে জ্ঞানী তা ধরে ফেলছেন?
আপনার এই অকারণ ফ্যালাসি ভরা কমেন্ট আমি এলাউ করতাম না, যদি না আপনি "প্রলোভন" শব্দটা ব্যবহার করতেন। কীসের প্রলোভনে আসলেন সেটা কী নিজেই জানেন না?উত্তর দেখেও আন্দাজ করা যায় যে, এটা কোন সাবজেক্টের প্রশ্নোত্তর। এই টুকু যে না বুঝবে তাকে প্রশ্নোত্তরের কথা বলে কীভাবে প্রলোভন দেখালাম আমি?
জ্ঞানের শো ডাউনে ব্যর্থ হইছি। সেটা বুঝাই যাচ্ছে। কিন্তু সমস্যাটা কী জানেন? এই কথাগুলো অবশ্য আমার নয় একজনের ধার করা।জ্ঞানের অনেকটুকুই আবার আমার না, স্টিফেন হকিং এর। আমার
অবশ্য সেই এলেম নেই। উপরের অনেক কথাই উনার মত জ্ঞানী বলে দিয়েছে
।
কিষান বলেছেন:
ও বাই সাংঘাতিক পোস্ট দিসেন।অনেক পেলাচ........
রাজসোহান বলেছেন:
জটিইইইইইইইইইইইইইইল্লল্লল্লল্লল্লল্লল্লল্লল্লল্লল্লল
জনাব হিটৈশি বলেছেন:
bhaloei
নিস্সঙ্গ যোদ্ধা বলেছেন:
আগে ভালোভাবে বুঝিনি .... তাই আবার পড়লাম। জটিল হইছে ++++
নীল বেদনা বলেছেন:
আলোচনা মনে হয় প্রায় সবটাই যথেষ্ঠ সাবলিল ও প্রাঞ্জল ছিল। মূল ভেজালটা করছেন শিরোনামে। আপনার কমেন্ট পইড়া মনে হইতাছে আপনি কয়েকজনের আচরণে অবাক হইতাছেন! তারা হঠাৎ কইরা আপনার পিছু লাগছে। পূর্ব শত্রুতা আছে নাকি খোজ করতাছেন!
আসলে সমস্যা ঐ শিরোনামেই। নাস্তিকগো উত্তর দিতে চাইছেন, নাস্তিকেরা প্রশ্ন করতাছে - এই আর কি।
রঙ পেন্সিল বলেছেন:
এখানে সবচেয়ে অধঃপতনের যেই জিনিষটা দেখলাম তা হলো অন্যকে ছোট করে দেখার প্রবণতাটা! (মন্তব্য পাল্টা মন্তব্য সমূহে)। ট্রান্জিসটার তো একেবারে খাপছাড়া! 'গ্যানী'!!!!
লেখককে ধন্যবাদ! সবচেয়ে সুন্দর যে জিনিষটা তা হলো স্টিফেন হকিং বিজ্ঞানটাকে সাধারন মানুষের কাছে পৌছানোর জন্যে অনেক বেশীদিন টিকে থাকবেন আর আপনার চেষ্টাটা সেই দিকেই।
ভাষাটাকে সহজ সাবলীল করে যুক্তিকে ফুটিয়ে তোলার সেই ক্ষমতা আপনার আছে- এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই!
ভাল থাকবেন! আর চেষ্টা করবেন আপনার সাবলীল ভাবটা লেখায় ধরে রাখতে।
আর একটা কথা পাঠক বুঝবেনা এই সন্দেহ না করাটাতেই কিন্তু আসল শক্তি আসল কৃতিত্ব!
মেঘেরদেশ বলেছেন:
ট্র্যানজিস্টর@ আপনার ভাবখানা এমন আপনি সবার গুরু আর বাকি সবাই আপনার ছাত্র।এমন ভাবে এক এক জন কে খোকা ,ছোট ভাই বলছেন যেন আইন্সটাইন আপনার কাছে রোজ ই প্রাইভেট পড়তে আসত।যদি তাই হয় তাহলে
সে ক্ষেত্রে আমরা ত শিশু।
কাকপাখি ২ বলেছেন:
এখন, ধরেন আরো বাড়াতেই থাকলাম, একটা সময় কি আসবেনা যখন গতি ০ এর পিছে চলে যাবে ? ব্যাপারটা হজম করা একটু কঠিন, কিন্তু সত্য এটাই। ০.০০০০১ এর চেয়েও কম, তার চেয়েও কম, এমন কি তার চেয়েও কম সময়ের পরে হয়ত, আমরা ০ এর কম সময়ে একবার ঘুরে আসব।
০ এর কম, মানে কী ? মানে, সময়ের আগে। মানে, যখন, আমরা রওনা দিলাম, তার আগেসহমত হইতে পারলাম না। এই পদ্ধতিতে ০ থেইকা কম হইবেন কেমনে?
বিবেক সত্যি বলেছেন:
এই পোষ্টটা আরেকবার পড়ে গেলাম...
কাকপাখি ২ বলেছেন:
আরেকটা কথা কই। নেগেটিভ বইলা কোন কিছুর অস্তিত্ব নাই। মহাবিশ্ব সবকিছুই পজেটিভ। না বুঝলে তর্ক করতে পারেন।আমি নাস্তিক না। আমি একজন মুসলমান।
নিশম বলেছেন:
TREMENDOUS !!!!! এই শব্দটার বাংলা জানা নাই ! বিজ্ঞান নাকি ধর্মের বিরুদ্ধ বার্তা, যারা এই কথা বলে, তাদের জন্য এই পোস্ট একটা কামান বৈ কিছুনা ! আপনি আরো লিখে যান, আপনাকে আমাদের দরকার। অনেক ধন্যবাদ !
ঘোড়ারডিম বলেছেন:
খুব ভাল হইছে। কঠিন বিষয়গুলো সহজ করে বলেছেন। আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুক।
স্বর্ণলতা বলেছেন:
নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমানকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন.. এখানে আপনার পোষ্টটা রেখেছি ।
অমিত কুমার সরকার বলেছেন:
আপনি খুব ভাল লেখেন। আপনার পোস্টটা আমি প্রিয়তে নিলাম
আবার পড়িতে হইবেক, ভাবতে হইবেক।
এতদিনে একটি মনের মত পোস্ট পেয়েছি যেটি আমার ভাবনাটাকে আরও সম্প্রসারিত করবে।
এই ভাবনাটা বেশ কিছু দিন ধরে আমাকে ভাবাচ্ছিল। পোস্টটি প্রিয়তে নিলাম।
একটি ফ্যান্টাসী পোস্ট দেখুন...
আইনস্টাইনের চোখে ধর্ম এবং বিজ্ঞান
বিজয় কেতন বলেছেন:
সত্যিই অসাধারন পোষ্ট। ডাইমেনশন জিনিসটা অনেক সহজ ভাবে বুঝলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মুভি পাগল বলেছেন:
বিজ্ঞান এত ভাল বুঝিবার না পারী
অমিত কুমার সরকার বলেছেন:
একমাত্র ভবিষ্যতে যাওয়া যায়। অতীতে কখনোই যাওয়া যায় না। আর ভবিষ্যতে গেলে সেখানে শুধু আপনিই থাকবেন, আপনার Duplicate থাকবে না। কারণ কেউ যদি ভবিষ্যতে যায় তাহলে সে ভবিষ্যেতেই থেকে যাবে বর্তমানে ফিরে আসতে পারবে না। তাই আজ পর্যন্ত কেউই ভবিষ্যত থেকে আমাদের দুনিয়ায় আসতে পারেনি।
লেখক বলেছেন: সেই ভয়েই হয়ত আসেন নি কেউ।
যা ঘটে গেছে তাতেই ফেরত আসা সম্ভব।
যা ঘটেনি তাতে কেউ কী করে যাবে????
আর আপনার কথামত ভবিষ্যতেই যদি যাওয়া যায়, ২০ বছর বয়সে আমি ৪০ বছরের নিজের কাছে গেলেও ডুপ্লিকেট হয়। তাই না? তাহলে?
আমার আয়ুষ্কাল বিবেচনা করে বিজ্ঞান আগায় না।
কন্টেন্টে যাই থাক, লেখার সাবলীলতা ভাল লেগেছে।
বয়সে আপনি আমার বেশ ছোট হলেও বিজ্ঞানের গভীরে যাওয়ার মত গাটস্ আমার নেই; তাই আলোচনায় যাচ্ছি না। জ্ঞান দেয়ার তো প্রশ্নই আসে না।
তবে, ক্যাঁচাল পোষ্টে আমার না যাওয়ার যে কারন সেটি এখানেও বেশ ভাল ভাবেই বিদ্যমান পেলাম আর সে কারনটা হলো, এ ধরনের পোষ্টের মন্তব্য সেকশনে বেশীরভাগই জানার চাইতে জানাতে/জাহির করতে বেশি আগ্রহী হন এবং প্রায় সময়ই তা হয় অপ্রাসঙ্গিক/কম-প্রাসঙ্গিক বিষয়টিকে টেনে রাবারের মত লম্বা করার অভদ্র প্রবনতা দ্বারা প্রভাবিত।
বিজ্ঞান ও ধর্মতত্ত্বের মিল বিষয়ে আপনি যেভাবে চিন্তা করেছেন, আমিও অনেকটা কাছাকাছিই চিন্তা করি।
যাঁরা বিজ্ঞান আর কুরআনিক তত্ত্বকে একীভূত করতে চান কিংবা নিদেনপক্ষে জাস্টিফাই করতে চান, তাঁদের জন্য আমার কথা হচ্ছে, কুরআনের বাণী/তত্ত্ব যদি সত্য হয়, তবে বিজ্ঞানকেই কুরআনের কাছে ফিরে আসতে হবে আর যদি অসত্য হয় তাহলেও জাস্টিফিকেশনের কোন মানেই হয় না!
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
শেষের দিকে আসলে একমত হতে পারছিনা। বায়াসড চিন্তা থেকে নিজেকে মুক্তি দেয়ার চেষ্টা করছি। ধর্মের প্রতি বায়াসড মানে জন্মের প্রতি বায়াসড। আজ আমি হিন্দু ঘরে জন্ম নিলে হয়ত কুরআনের জায়গায় বেদকে বসাতাম, তাই না?
সত্যিকারেই যে স্রষ্টার খোঁজ করে এটা কিন্তু তার আচরণ না।
আমি বিজ্ঞান নিয়ে খুবই আগ্রহী থাকি। আর যুক্তির মাঝেই নিশ্চয়তা খুঁজি। যা বিশ্বাস করি তার মাঝে যুক্তি খুঁজি, খুঁজে না পেলে স্বীকার করি যে না বুঝে বিশ্বাস করছি।
পুরো পোস্টে আমি তাই করেছি। দেখেন, একটা প্রতিনিয়ত চেঞ্জ হচ্ছে, আরেকটা কখনই হচ্ছে না।
আমি কেহই না বলেছেন:
এমন অসাধারন লেখাতে কমেন্ট করতে পেরে আনন্দিত।আল্লাহ আপনার জ্ঞান, ঈমান তার পখে ব্যায় করার তৈাফিক অবশ্যই দিবে ইনশ-আল্লাহ
আশরাফ মাহমুদ মুন্না বলেছেন:
হালকা চোখ বুলিয়ে বুঝলাম খুব দরকারি এবং কাজের পোষ্ট। আপাততঃ প্লাস দিয়ে প্রিয়তে রাখলাম পরে সময় নিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়বো বলে।অনেক ধন্যবাদ।
আশরাফ মাহমুদ মুন্না বলেছেন:
হালকা চোখ বুলিয়ে বুঝলাম খুব দরকারি এবং কাজের পোষ্ট। পরে সময় নিয়ে পড়বো। আপাততঃ প্লাস দিয়ে প্রিয়তে রাখলাম।অনেক ধন্যবাদ।
সজি৬২ বলেছেন:
really excellenttttttttttttttttttttttttttttttttttttttttttttt.waiting for the next ...............
প্রিন্স অফ ডার্ক বলেছেন:
ato pranjol vashay ato kothin jinisher bakkha ami r kaoke korte dekhinai,apne mia maal akkhan!
কালা পাহাড় ২০০০ বলেছেন:
লেখার জন্য ধন্যবাদ। আমার লেখাগুলো দেখতে পারেন।আমাদের দেহে অবস্থিত মিরাকলসমূহ : চোখ
'বিশ্বাস'-এর সংক্ষিপ্ত কথা: প্রশ্ন ৮: ধর্ম ছাড়া নৈতিকতা হয় কিভাবে?
আপনি শিল্প বা আর্ট বোঝেন? হাজার হাজার বছর আগের মানুষরা বুঝত?
আমি মনে করি, সময় হচ্ছে ৪র্থ মাত্রা।
হ্যাপি পেঙ্গুইন বলেছেন:
আলোচনাটা ভাল লাগল।
ভারসাম্য বলেছেন:
ভেবেছিলাম লেখাটি বেশ জ্ঞানগর্ভ। কিন্তু গোড়াতেই গলদ দেখে বাকীটা পড়ার আগেই মন্তব্য লিখতে বাধ্য হলাম।গতি যতই বাড়ুক তাতে সময় কমতে থাকলেও আপনার বুঝ অনুযায়ী সময় কখনোই শুন্য হবেনা। সময়ের পেছনে যাবার ধারণাটা বুঝতে আপনাকে আমাদের ইন্দ্রিয়ানুভূতি কিভাবে কাজ করে বুঝতে হবে। আলো কোন বস্তুর উপর প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে এলে আমরা বস্তুতি দেখি। ১৮৬০০০ মাইল দুরের কোন একটা বস্তু থেকে প্রতিফলিত আলো ১ সেকেন্ড পর আমরা দেখতে পাব। এখন যদি আমরা অনেক অনেক দুরের কোন বস্তু অভিমুখে প্রতি সেকেন্ডে ১৮৬০০০ মাইল গতিতে চলতে পারি তাহলে উক্ত বস্তুকে দেখতে আমাদের শুন্য সময় লাগবে।আর যদি আরো বেশি গতিতে যাই তাহলে বস্তুটির অতীত রূপ দেখব। অতীতের কথা শুনতে আরো কম গতি লাগবে কারন আলোর চেয়ে শব্দের গতি অনেক কম। যাই হোক যেহেতু আলোর গতি সবচেয়ে বেশি তাই আলোর চেয়ে বেশি বেগে চলতে পারলেই সময়ের বিপরীতে যাওয়া সম্ভব। এটাই সত্যি। কিন্তু আলোর চেয়ে বেশি গতি অর্জন মানূষের পক্ষে এখনো সম্ভব হয়নি। অবশ্য বিভিন্ন ধর্মে বর্নিত মহামানবগণের কথা আলাদা যা প্রমাণিত নয় তবে বিশ্বাসযোগ্য।
লেখক বলেছেন: বাকিটা যে পড়েন নি বুঝাই গেল।
পাঠকের বেশি পড়া উচিত।
ভাল পাঠক না হলে উঁচু জ্ঞানী হতে পারবেন না।
আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দেয়া আছে পোস্টে।
ছন্দ্বহীন বলেছেন:
বিশাল পোষ্ট অফলাইনে পড়তে হবে..আপাতত ছবি উঠিয়ে রাখলাম।
দুরত্ব বলেছেন:
onek valo legecha pore, jodi o onek kechu bujh te pari ne, tarpor o bujhber chesta kore c.ami pray e ai rokom vhabi tobe sha ta Shomoy neye. 1min er othoba koy ak second er bebodhane shob kechu ki kore change hoye jay? chotto 1ta kotha poroBorti shob gotona k provabito kore, tar mane ki daray? shob kechu ja ghote ta ki purbo nirdharito?
bujhber jonno ami bekha korche: dhorun protidin ami sokal 8tay office er udesha ghor thake ber hoi, aj o ber holam kintu 15min late kore, jokhon ber holam 8.15min e tokhon rastar mor e 1ta onek din er purana bondhu er satha molakat holo onk bochor por, dareye 15min kotha bol lam jokhon oi bondhu'r satha bedai nelam tokhon ghori te baje 8.30am. bus counter e matro 3second er jonno bus ta miss korlam,tar mane ki daray? only 3second age ashte parle obboshoi ami bus miss kortem na, r thick time e office j te partem. thn ama k cng deye office er udesha rowana d te hoyecha, late kore office ash c tai office er boss jhari kheye mon mejas kharap kore ami amr junior der upor rag dekhalam,onno din time moto office esha thn 10 min er jonno office er bahere geye ak ta dokan ase oi tay boshi r Tea r ciggr khai ami r ak jon collige but aj r jowya holo na, keno amr emne te e late hoye c lo tai. keno late hoicha ami aj sokal 8.15min e ghor thake ber hoi c. r late kore ber hoi c bole e amr frd er satha dekha hoyecha, r frd er satha dekha hoyecha bole e amr bus miss hoyecha r bus miss hoyecha bole e lat hoyecha....................tar mane ki daray. akta g nish ak ek ta g nis er satha shomprickto r shomoy e ak matro shob kechu ulot palot kore day.
দুরত্ব বলেছেন:
onek valo legecha pore, jodi o onek kechu bujh te pari ne, tarpor o bujhber chesta kore c.ami pray e ai rokom vhabi tobe sha ta Shomoy neye. 1min er othoba koy ak second er bebodhane shob kechu ki kore change hoye jay? chotto 1ta kotha poroBorti shob gotona k provabito kore, tar mane ki daray? shob kechu ja ghote ta ki purbo nirdharito?
bujhber jonno ami bekha korche: dhorun protidin ami sokal 8tay office er udesha ghor thake ber hoi, aj o ber holam kintu 15min late kore, jokhon ber holam 8.15min e tokhon rastar mor e 1ta onek din er purana bondhu er satha molakat holo onk bochor por, dareye 15min kotha bol lam jokhon oi bondhu'r satha bedai nelam tokhon ghori te baje 8.30am. bus counter e matro 3second er jonno bus ta miss korlam,tar mane ki daray? only 3second age ashte parle obboshoi ami bus miss kortem na, r thick time e office j te partem. thn ama k cng deye office er udesha rowana d te hoyecha, late kore office ash c tai office er boss jhari kheye mon mejas kharap kore ami amr junior der upor rag dekhalam,onno din time moto office esha thn 10 min er jonno office er bahere geye ak ta dokan ase oi tay boshi r Tea r ciggr khai ami r ak jon collige but aj r jowya holo na, keno amr emne te e late hoye c lo tai. keno late hoicha ami aj sokal 8.15min e ghor thake ber hoi c. r late kore ber hoi c bole e amr frd er satha dekha hoyecha, r frd er satha dekha hoyecha bole e amr bus miss hoyecha r bus miss hoyecha bole e lat hoyecha....................tar mane ki daray. akta g nish ak ek ta g nis er satha shomprickto r shomoy e ak matro shob kechu ulot palot kore day.
দুরত্ব বলেছেন:
onek valo legecha pore, jodi o onek kechu bujh te pari ne, tarpor o bujhber chesta kore c.ami pray e ai rokom vhabi tobe sha ta Shomoy neye. 1min er othoba koy ak second er bebodhane shob kechu ki kore change hoye jay? chotto 1ta kotha poroBorti shob gotona k provabito kore, tar mane ki daray? shob kechu ja ghote ta ki purbo nirdharito?
bujhber jonno ami bekha korche: dhorun protidin ami sokal 8tay office er udesha ghor thake ber hoi, aj o ber holam kintu 15min late kore, jokhon ber holam 8.15min e tokhon rastar mor e 1ta onek din er purana bondhu er satha molakat holo onk bochor por, dareye 15min kotha bol lam jokhon oi bondhu'r satha bedai nelam tokhon ghori te baje 8.30am. bus counter e matro 3second er jonno bus ta miss korlam,tar mane ki daray? only 3second age ashte parle obboshoi ami bus miss kortem na, r thick time e office j te partem. thn ama k cng deye office er udesha rowana d te hoyecha, late kore office ash c tai office er boss jhari kheye mon mejas kharap kore ami amr junior der upor rag dekhalam,onno din time moto office esha thn 10 min er jonno office er bahere geye ak ta dokan ase oi tay boshi r Tea r ciggr khai ami r ak jon collige but aj r jowya holo na, keno amr emne te e late hoye c lo tai. keno late hoicha ami aj sokal 8.15min e ghor thake ber hoi c. r late kore ber hoi c bole e amr frd er satha dekha hoyecha, r frd er satha dekha hoyecha bole e amr bus miss hoyecha r bus miss hoyecha bole e lat hoyecha....................tar mane ki daray. akta g nish ak ek ta g nis er satha shomprickto r shomoy e ak matro shob kechu ulot palot kore day.
দুরত্ব বলেছেন:
onek valo legecha pore, jodi o onek kechu bujh te pari ne, tarpor o bujhber chesta kore c.ami pray e ai rokom vhabi tobe sha ta Shomoy neye. 1min er othoba koy ak second er bebodhane shob kechu ki kore change hoye jay? chotto 1ta kotha poroBorti shob gotona k provabito kore, tar mane ki daray? shob kechu ja ghote ta ki purbo nirdharito?
bujhber jonno ami bekha korche: dhorun protidin ami sokal 8tay office er udesha ghor thake ber hoi, aj o ber holam kintu 15min late kore, jokhon ber holam 8.15min e tokhon rastar mor e 1ta onek din er purana bondhu er satha molakat holo onk bochor por, dareye 15min kotha bol lam jokhon oi bondhu'r satha bedai nelam tokhon ghori te baje 8.30am. bus counter e matro 3second er jonno bus ta miss korlam,tar mane ki daray? only 3second age ashte parle obboshoi ami bus miss kortem na, r thick time e office j te partem. thn ama k cng deye office er udesha rowana d te hoyecha, late kore office ash c tai office er boss jhari kheye mon mejas kharap kore ami amr junior der upor rag dekhalam,onno din time moto office esha thn 10 min er jonno office er bahere geye ak ta dokan ase oi tay boshi r Tea r ciggr khai ami r ak jon collige but aj r jowya holo na, keno amr emne te e late hoye c lo tai. keno late hoicha ami aj sokal 8.15min e ghor thake ber hoi c. r late kore ber hoi c bole e amr frd er satha dekha hoyecha, r frd er satha dekha hoyecha bole e amr bus miss hoyecha r bus miss hoyecha bole e lat hoyecha....................tar mane ki daray. akta g nish ak ek ta g nis er satha shomprickto r shomoy e ak matro shob kechu ulot palot kore day.
জ্ঞান পাপী বলেছেন:
ভাই টাইম মেশিন বানানোর পর আওয়াজ দিয়েন ........
মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন:
অসাধারণ!!!!! প্রীয়তে..
ভাইরাফাউনড বলেছেন:
চমতকার লেখা। খুব ই ভালো লাগলো। আমি কি লেখাটা ফেসবুক এ শেয়ার করতে পারি???
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই।
তানভীর হাসান অিন বলেছেন:
ভাই আপনি physics এর কিছু বুঝেন? যতসব গাধার দলকে সামুতে দেখি।
লেখক বলেছেন: আমি আসলে ফিজিক্স মিজিক্স কম বুঝি।
আমি শুধু বাংলা আর ইংলিশ বুঝি।
সেই টুকু নলেজ খাটিয়ে স্টিফেন হকিং পড়ছিলাম। ফিজিক্সের যা পাইছেন, সেগুলা আমার না, ওই ব্যাটা বিজ্ঞানী ছাগলের। আপনারা ত অনেক জ্ঞানী, সামনের নো-বেলটা আপনারই।
** হকিং সাহেবরে পাইলে একটা পিটানী দিয়েন। গুড লাক।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



























