আমার প্রিয় পোস্ট

কত কিছু যে করতে চাই, তবুও কিছু করতে না পারার দায়ে মাথা খুঁটে মরি ।

গল্পঃ বসন্ত শেষে

১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:১৩

শেয়ারঃ
0 1 0




সাদা কাগজটাতে ঘসাঘসি করে যাচ্ছি অনেকক্ষণ। কলমের আঁকিবুকি। একটা গল্প লিখব ভাবছি। প্রধান চরিত্রের নাম শিউলী। বাইশ বছর বয়সী। সুন্দরী, শিক্ষিতা, বিবাহিত। সোবহান নামের এক ছেলের সাথে চটুল প্রেম করে। এভাবে কাহিনী এগুবে। লেখা তেমন আগাচ্ছেনা না। মাথা ফাঁকা। যেই জানালার পাশে আমার লেখার টেবিল, সেই জানালাটা পশ্চিমে মুখ করা। জ্বলন্ত সূর্য চোখে পড়ে না। শুধু হেলে পড়া সূর্য আমার সঙ্গী।

যেই বাসাটায় থাকি, সেটা নিখুঁত একটা আয়তক্ষেত্র। চারতলার সিঁড়ি বেয়ে উঠে ডান দিকে ফিরলে পাশাপাশি দুটো দরজা। একটা দিয়ে ঢুকলে ড্রয়িং রুম। এখানেই আসলে থাকি আমরা। আরেকটা দিয়ে ঢুকলে চিকন একটা করিডর। সামনে যাবার। এখান দিয়ে ঢুকে সামনে এগুলে অথবা ড্রয়িংরুমটা পেরুলে পড়বে ডাইনিং স্পেস। কোন টেবিল নেই। একটা শিতলপাটি পড়ে আছে। এখানে দাঁড়িয়ে বাম দিকে মুখ করলে পাশাপাশি দুটো রুম। ওদুটোয় সাবলেট দিয়েছি। এক কর্মজীবী ভদ্রমহিলা থাকে। সারাদিন বাইরে চাকরী করেন। সন্ধ্যার দিকে ঘরে ফিরেন। আর, পাশের রুমে উনার বৃদ্ধ শাশুড়ি থাকেন। মহিলার কিছু একটা রোগ আছে। অথবা, হয়ত বয়সের ভারে ন্যুজ। কারও সাথে কথা বলেন না। ঝিম মেরে থাকেন। ঘরে থেকেও নেই। নিজের রুমের বাইরে বের হন না।


যাক, রুম দুটোর ঐ পাশে বারান্দা। আরেকটা বারান্দা ডাইনিং স্পেসের এইদিকে। ড্রয়িংরুমেই আমাদের খাট। আমার লেখার টেবিল। নিজেদের তিন রুমের ঘরে আমি সাবলেট দিয়েছি দুটো রুম। এই বাড়িটা ফুফার। ফুফা আমাকে এই ফ্ল্যাটটা দিয়েছেন নামে মাত্র ভাড়ায়। সাবলেটের ভাড়ার টাকাটাই ফুফাকে দেই। আমরা দুজনেই শুধু জানি।


আমি, মিলি আর আমার ছোট্ট ছেলে বাবু। এই আমাদের সংসার। আমি আর মিলি এক সময়ে পালিয়ে বিয়ে করি। অতীত স্মৃতি। এসব এখন বিশ্বাস হতে চায় না। মনে হয়, আদৌ কী এসব দিন ছিল! মিলি এখনও আগের চেহারা ধরে রেখেছে। হাজার অনটনের মাঝেও সে কখনও অভিযোগ দেয় না। কোন অভাবের কথা বলে না। বলে না যে এটা নেই, ওটা নেই। মাঝখান দিয়ে আমিই বোধ হয় আরও বুড়ো হয়ে গেলাম। আসলে খুব বেশি একটা বয়স কিন্তু হয়নি। লেখকরা কেন যেন আগে আগে বুড়ো হয়ে যায়। তাদের চিন্তা যে বেশি। তাও যদি সত্যিকারের বড় লেখক হতাম।


আমি একটা সাহিত্য পত্রিকায় লেখালিখি করি। এটুকুই। আর কিছু পাই না করার। সেখানেও ইদানীং লিখতে পারিনা। আমার লেখা নাকি পাবলিক খায় না। “বুঝলে, শাহেদ, এখনকার যুগ মোবাইলের। গল্প বুঝার পাবলিক কই? আর, তুমিই বা এমন গল্প লেখ কেন? গল্প লিখবা বড়লোকের। কেএফসি তে একটা মেয়েকে দেখে প্রেমে পড়ে গেল পাভেল—এই সব টাইপ। নইলে, লাইব্রেরীর সিড়িতে বসে নতুন মেয়েটিকে দেখে অবাক হল পলাশ। কাহিনী বানাবা এই রকম।সামনের দিকে দিবা আঠা আঠা যৌনতা। বলেও বলবা না। আর নায়িকা অবশ্যই প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়বে বুঝছ? নইলে এইসব আঠা আঠা ব্যাপারগুলা ম্যাচ করেনা। পাবলিকের ডিমান্ড।”, সম্পাদক সাহেব অনেক ভাবেই বুঝিয়ে বলেন আমাকে। আমিও বুঝি।


ইদানীং আমার লেখা নিতে উদাসীন তিনি। সারাদিন বসে থাকলে হয়ত এক কাপ চা খাওয়ান। আগের মত খাতির নেই। আসলে হয়ত আমারই দোষ। পাবলিক ডিমান্ডের লেখা লিখতে পারিনা। কী করব ! মাথায় আসে না ইদানীং। কষ্টের লেখা ছাড়া লিখতে পারিনা।


বাবু আর আগের মত ছোটটি নেই এখন। আর, আদো আদো কথা বলেনা। বাথরুমে যেয়ে ভয় পেয়ে কান্না কাটি করে না। বাবার সাথে বল খেলা নিয়েও তার আর আগ্রহ নেই। অপুষ্টিতে শরীর তেমন বাড়েনি ওর। ও এখন ‘চাই চাই’ স্টেজে। আমি ওকে টেবিলে বসিয়ে বলব, “ওই দেখ মেঘের ভেতর হাতি ”, এসবে আর আগ্রহ নেই ওর। এসব বলা বাবার চেয়ে খেলনা পিস্তল গিফট করা রেহান চাচাকেই বেশি পছন্দ তার। রেহান তার জন্য ব্যাট আনবে, মাঝে মাঝে বল। কোনদিন চকোলেট। রেহান আমার ফুফাত ভাই। এই ফ্ল্যাট যাদের।


রেহান কখনও ঘরে এসে আমাকে দেখলে অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে। আমার সাথে অল্প দুয়েকটা কথা বলে উঠে যায়। বারান্দায় যেয়ে মিলির সাথে কিছুক্ষণ গল্প করে চলে যায়। আমি না থাকলে কী হয় বলতে পারিনা। জানি না। জানার ইচ্ছাও নেই। বাবুকে নিয়ে রেহানের আগ্রহ চোখে পড়ে শুধু। আমি বলতে পারিনা যে, ব্যাট না এনে কিছু ফল আন। বাবুর ওটাই দরকার। বলতে পারিনা যে, বাবুর শুধু দুটো হাফপ্যান্ট। একটা লাল আরেকটা খয়েরী। খেলনা পিস্তল না এনে আরেকটা প্যান্ট বাবুর জন্য আনতে পার। রেহান এসব খেয়াল করে না। মিলিও কী করে না !!

দুদিন পরে বাবুকে স্কুলে দিব। তখন কী হবে ! এমনিতেই দেরি হয়ে গেছ অনেক। জানি না সামনে কী হবে!


“শোন, কালকে একটা ভাল স্বপ্ন দেখেছি। কালকে দেখি কী আমরা সবাই ঘুরতে যাচ্ছি কোথায় যেন।”, কথা শেষ না হতেই মিলি উঠে চলে গেল। আমার কথা শোনা ছাড়াও ওর কাজ আছে। হাজার অনটনের মাঝেও সে কখনও অভিযোগ দেয় না। কোন অভাবের কথা বলে না। বলে না যে এটা নেই, ওটা নেই। আসলে ও এখন কোন কথাই বলে না আমার সাথে।


সম্পাদক সাহেবের কথা মত লিখতে পারিনা। ইদানীং সংসার যেন চলছে না। ভদ্রভাবে বেঁচে থাকার টাকাটাতেও টান পড়েছে। ধার নেয়ার আর লোক খুঁজে পাই না। তাও মাঝে মাঝে মিষ্টি আসে। মাস শেষে চাল ডালও আসে। আমি বাজার না করলেও আসে। হঠাত কখনও ভাল খাবার এসে পড়ে। মিলি চালিয়ে নিচ্ছে সব। আঠা আঠা প্রেম কাহিনী লিখতে পারছিনা। নয়তলা ফ্লাটের আটতলায় বসে কফি খাওয়া চরিত্রের গল্প লিখতে মন সায় দেয় না। মাথায় আসে না আর এসব। মাঝে মাঝে মনে হয়, মন খুলে সব লিখে দেই। লিখে দেই আমার কথা। গরীব মানুষের রোজকার কথা। আমি ত তাও এখানে থাকি, যারা থাকার মত ফ্ল্যাটটা পায় না তাদের কথা। যাদের বাসায় এরও দুজন মানুষ বাড়তি অথচ আমার মত অনশ্চিত জীবন তাদের কথা। ইচ্ছা করে এসব কথা লিখে দেই।

বস্তিতে যারা থাকে তারা ত রিকশা চালাতে পারে। আমরা যারা, বস্তির মত ফ্ল্যাটে থাকি, আমরা তাও করতে পারি না। ইচ্ছা করে এসব লিখে দেই।
আমার ছেলে বাবু প্রতিদিন বিকেলে নিচে থেকে খেলে আসার পর, খালি বিস্কুটের টিনে হাত বাড়িয়ে দুটো বিস্কুট খোঁজে, প্রতিদিন। পরপর দুটো প্যান্ট পড়ে দিনের পর দিন কাটায় ও। এসব কথা লিখতে পারি না। কারণ, আমি দেখেও দেখি না।


ইচ্ছা করে হাফিজের কথা লিখি। ঐ যে আমার বন্ধু, আমার সাথে স্কুলে পড়ত। কয়েকদিন আগে ওর আথে দেখা। প্রায় ৬ বছর পর। আমি আর সংবাদপত্রের আরেক স্টাফ সফিউর সাহেব ছিলাম। হাফিজ চেনে নি আমাকে। আমিই চিনেছিলাম। ময়লা একটা শার্ট। ভাঙ্গা ফ্রেমের চশমা। ছেড়া স্যান্ডেল পায়ে হাঁটছে।“ কী রে হাফিজ, চিনিস না? আমি শাহেদ।”, হাফিজকে ইতস্তত করতে দেখে বললাম। কিন্তু ও আসলে অন্য কারণে ইতস্তত করছিল। “ শুনেন শাহেদ সাহেব, ৫০০ টা টাকা দেন ত। খুব লাগবে।”, হাফিজ আমার দিকে তাকিয়ে বলল। বুঝলাম, আমাকে হাফিজ চেনে নি। কিন্তু, না চিনেও আমার কাছে টাকা ধার না চেয়েও পারে নি। আমি চুপ করে থাকতেই সফিউর সাহেবের দিকে তাকাল হাফিজ। বলল,“ভাই, আপনি কী কোন সাহায্য করতে পারেন? মাত্র ৫০০ টাকা দিতে পারেন? আমি কালকেই আপনাকে ফেরত দিয়ে আসব।” আমি আর দাঁড়াইনি। সফিউর সাহেবের হাত ধরে টেনে এনেছি।

পাগলের কাণ্ড সম্পাদক সাহেবকে বলেছিলেন সফিউর সাহেব। পত্রিকা অফিসের সবাই হেসেছিল। শুধু আমি সারাটা রাত বাবুকে বুকে জড়িয়ে স্বপ্নের মধ্যেও কেঁদেছিলাম।


যে ঈশ্বর পৃথিবীতে সব মানুষকে খাবার দিতে পারে না, পরকালে সে ঈশ্বর সবার খাবার দেবে আমি বিশ্বাস করি না। আবার, নিজেকেই বুঝাই, ঈশ্বর খাবার ঠিকই দিয়েছেন শাহেদ। সবাইকে দেন নাই। পরকালেও সবাইকে দেবেন না। নিজের কথায় নিজেই দীর্ঘশ্বাস ফেলি। ভালই ত বলেছি। না আছে টাকা, না আছে নেকী। এখানেও ফ্রী খাবার নেই, ওখানেও নেই।


সম্পাদক সাহেবের কথা রাখতে ইদানীং নতুন একটা গল্প শুরু করেছি। আঠা আঠা যৌনতা থাকবে এমন কাহিনী। প্রধান চরিত্রের নাম শিউলী। বাইশ বছর বয়সী। সুন্দরী, শিক্ষিতা, বিবাহিত। সোবহান নামের এক ছেলের সাথে চটুল প্রেম করে। সোবহান মনে করে, শিউলীর স্বামীটা হাবা। বুঝে না কিছু। কিন্তু, শিউলীর স্বামী সবই জানে। জানে শিউলীও। কেউ কিছু বলে না। শিউলীর স্বামী ভাবে, তাও ভাল। তাও ত মাঝে মাঝে কিছু টাকা আসে ঘরে। বাবুর ত এখন কত কিছু দরকার!


কোথায় যেন একটা গান শুনেছিলাম, “শোন ও প্রিয়তমা, বসন্তের দিন শেষ হয়েছে। ভালবাসাবাসি দিয়ে সে দিনকে দূরে রাখা গেল না।”



© আকাশ_পাগলা

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উপলব্ধিগল্প ;
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৮
সময়ের সাথে সবসময় বলেছেন: এসব কথা লিখতে পারি না। কারণ, আমি দেখেও দেখি না।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: আসল পয়েন্টটা ধরে ফেলেছেন।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫২
স্বপ্ন নীল বলেছেন: একেবারেই মৌলিক লেখা। খুউব ভাল লাগল। +++
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

৪. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
কামালআবু বলেছেন: জীবনটা কি বিচিত্র। আমাদের দেশের সমাজটা আরও বিচিত্র।সবাই আমরা জানি, অবস্হার পরিবর্তনের জন্য কর্মের কোনো বিকল্প নেই। অথচ কোথায় যেনো লজ্জা এবং হতাশা বাধা হয়ে আসে। এই সংর্কিনতা থেকে উঠে আসতে হবে আমাদের সবাইকে।কত পরিবার তাদের আবস্হার পরিবর্তন করেছে এভাবে শহরে এবং গ্রামে লজ্জার সংকিনতাকে দুরে ঠেলে। কর্মের উদ্দিপনা তেরি করা দরকার সবার মাঝে।









.......এই রকম লেখা লিখতে পারেন না।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: কী বুঝাতে চাইলেন শেষের দিকে বুঝি নাই।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৯
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: লেখাটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুগ্ধতা নিয়ে পড়েছি...এরপরে কি লেখলে ভাল লেগেছে এই ভাষাটা প্রকাশ পাবে বুঝতেছি না..আসলে কিছু কিছু ভাষা হয়তো প্রকাশ পাবার জন্যে নয়, মনে গোপন থেকে শুধু অনুভূতি সৃষ্টি করার জন্য..অথবা সেই ভাষাটা হয়তোবা আমি জানি না...
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: এরকম কমেন্ট আসলে প্রেরণা।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।

৭. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫০
ইরফান রিজভী বলেছেন: "যে ঈশ্বর পৃথিবীতে সব মানুষকে খাবার দিতে পারে না, পরকালে সে ঈশ্বর সবার খাবার দেবে আমি বিশ্বাস করি না। আবার, নিজেকেই বুঝাই, ঈশ্বর খাবার ঠিকই দিয়েছেন শাহেদ। সবাইকে দেন নাই। পরকালেও সবাইকে দেবেন না। নিজের কথায় নিজেই দীর্ঘশ্বাস ফেলি। ভালই ত বলেছি। না আছে টাকা, না আছে নেকী। এখানেও ফ্রী খাবার নেই, ওখানেও নেই।"

অসাধারন!!!!!!!!! আমি জানি না আর কি ভাবে আমার আবেগ টাকে আরো গভীভ ভাবে প্রকাশ করা যায়।।
২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস বস।
পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৮. ২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৭
অলস ছেলে বলেছেন: খুব কঠিন একটা সময়ে বসে এই লেখাটা পড়লাম। কিছু বলার নেই আমার।
২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৯. ২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৮
অলস ছেলে বলেছেন: খুব কঠিন একটা সময়ে বসে এই লেখাটা পড়লাম। কিছু বলার নেই আমার।
১০. ২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৫৫
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: খুবই ভাল লেগেছে ... একটানে পড়ে ফেললাম .... +++
২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
নিজের লেখার স্টাইল থেকে নিজেই বেরুতে চাচ্ছিলাম। এ কারণেই এই লেখা।

১১. ২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১৭
অপরিচিত_আবির বলেছেন: সাবাস পাগলা, তোমার লেখার হাত পাকতাছে। এইটায় গল্পের ফ্লোটা একদম মাখনের মতো স্মুথ হইসে। ভালো জিনিসের জন্য যাঝা।
২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বস।

২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ২০ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
এন এইচ আর বলেছেন: ও মাই গড..................... এরকম পরিপক্ক লেখা লেখ আমার পাগল ভাই? আর আমি সময়ের দোহাই দিয়ে আসি না। নিজেকে মাইনাচ।

তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই এরকম একটা লেখা পড়ার সুজোগ দেবার জন্য। এক সময় অনেক বই পড়তাম। বরি ঠাকুর থেকে শুরু করে অনেক অজানা শুনা লেখকের লেখাও পরেছি..... তাই বলছি এত গভীরতা নিয়ে এই পটভূমিতে লেখা অনেক দিন পর পড়লাম ।

সাবাশ এগিয়ে ্যাও সামনের দিকে.....।এখন থেকে নিয়মিত একজন পাঠক পাবে আশা করি।

তুমি করে বলে ফেললাম......
২০ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: আমাকে তুমি করে বলতে পারেন। নো প্রবলেম।

যেই কমেন্ট দিছেন, এটা একটা প্রেরণা।
অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৪. ২১ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: কি ব্যাপার একটা পোষ্ট নাই কেন? মুইছা দিলেন কেন?
২২ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৪২

লেখক বলেছেন: কোন পোস্ট বস??
সবই ত আছে।

১৫. ২২ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
আকাশ অম্বর বলেছেন: ইমন জুবায়ের বলেছেন: + ভালো লাগল।
২২ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভ্রাতা।

১৬. ২৩ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:০৩
খোলা_আকাশ বলেছেন: আপনি আমার পোষ্টে যে মন্তব্য করেছেন তার জবাবে বলতে চাই,

না, আমি ইউরোপ আমেরিকার লোক নই, এটাই একমাত্র কারণ নয়। কিন্তু আপনি নিশ্চয়ই জানেন পশ্চিমা দেশগুলো আর আমাদের দেশের সংস্কৃতি চর্চার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। রোম, প্যারিসে যেমন নারী পুরুষের নগ্ন মুর্তি দেখা যায় আমাদের দেশে তেমন দেখা যায় না।

আপনি আরো বলেছেন, "যেই বিষয়ে পোস্ট করছেন, সেটা নিয়ে লিখলে লেখা আরও যুক্তিসঙ্গত হতে হবে, আরো ঝাঝালো হতে হবে, যেন সবাই সেটা নিয়ে ভাবে।"

ঠিক আছে আপনি তাহলে এই বিষয়ে আরো যুক্তিসঙ্গত, আরো ঝাঝালো করে একটা পোষ্ট দেন।
২৩ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের উত্তর আপনার পোস্টে দিয়ে এসেছি।

১৭. ২৩ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক পরিপক্ক লেখা ..... চমৎকার ......

ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম, সাথে একরাশ শুভেচ্ছা
২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
এতদিন পরে দেখলেন?

১৮. ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: চমৎকার একটা লেখা, শুরুতে গল্প বানানোর অংশ পড়ে একরকম ভেবেছিলাম। কিন্তু পরে বুঝলাম, উত্তম পুরুষ গল্প বানিয়ে খায়। সেজন্য আগ্রহ বাড়ছিল। এবং শেষ পর্যন্ত গল্পটি যেভাবে শুরুর সাথে মিলিয়ে দেয়া হলো সেটা এক অর্থে অসাধারণ।
===
গল্পের ভেতরে কিছু কিছু অংশে লেখকের গলার স্বর শোনা গেছে। যেমন, ঈশ্বরের পৃথিবী নিয়ে যে প্যারাটি, এমন। এরকম গল্প যেহেতু উত্তমপুরুষে লেখা, খুব সহজেই চরিত্রের মুখে (মনে) দিয়ে এমন কথাগুলো বলে ফেলা যায়। তবে একটু মনোযোগ দিলে পার্থক্য ধরা পড়ে কিন্তু। এটুকু বাদ দিয়ে দেখেন, লেখাটা আরও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ হয়ে উঠবে। মূল চাতুর্য হলো, চরিত্রের চরিত্র নিজের থেকে আলাদা করে ফেলা।
২৫ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: গঠনমূলক সমালোচনার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।


কিন্তু, অভাবে পড়লে ঈশ্বর নিয়ে মানুষের অনেক রকম চিন্তা খেলে যায়। অনেক এলোমেলো চিন্তা। কেউ তাঁকে আশ্রয় করে, কেউবা তাঁর উপর ভরসা হারিয়ে ফেলে। চরিত্রটাও যে এরকম কিছু একটার ভিতর দিয়ে গেছে সেটা বুঝাতে চেয়েছি।

১৯. ২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
ভবঘুরে ছেলেটি বলেছেন: অসাধারন!
+

কিন্তু প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মেয়েটার ব্যাপারে কিছু আপত্তি আছে, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়লেই ছেলে-মেয়েরা ওরকম হয়ে যায় না

নিজে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ি বলেই হয়তো গায়ে লাগল ...
২৭ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: বস, আমিও প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি তেই পড়ি।

আমি বিশ্বাস করি, সবখানেই ভাল ছেলে মেয়ে থাকে।

আমি আমার গল্পে পাবলিকের ডিমান্ডের কথাটাই তুলে ধরতে চেয়েছি (ব্যাঙ্গাত্মক অর্থে বুঝিয়েছি। সিনেমাতেও বড়ো একটা শ্রেণীর দর্শক খোলামেলা নায়িকা চায়। মধ্যবয়সী চরিত্র প্রধান হলে তরুণী নায়িকাকে তাই মধ্যবয়সী সাজানো হয়।সেখানে স্বপ্নে সে যুবতী সময়ের কথা ভেবে গান গায়। পাবলিক ডিমান্ড। পরিচালককে হিট করতে চাইলে তাই করতে হবে।একই কথা অনেক সময় লেখকদের বেলাতেও খাটে।তাকেও হিট করতে হবে। কাহিনী যেখানকারই হোক, খোলামেলা নায়িকাকে তাই প্রাইভেটে পড়ানো হবে। মানুষ এভাবেই ভাবতে পছন করে)।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২০. ২৭ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: মাঝখানে সপ্তাখানেক দৌড়ের উপরে ছিলাম, তাই ব্লগে আসতে পারিনি ..... এখন ফ্রী হয়ে সবার ব্লগে ব্লগে পুরানো পোষ্ট ঘুরে দেখছি .......

সাই-ফাই এর কি অবস্হা ? নতুন সাই-ফাই কবে পাবো ?
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: সাই ফাই আর মাথায় নাই বস। কনসেপ্টের অভাব।

আমি ত উলটা আপনার সাই ফাই এর অপেক্ষায় আছি।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২. ২৭ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬
নীরজন বলেছেন: আসলেই খুব ভালো হইসে...............
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু।

২৩. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দুর্দান্ত কিছু পড়ানোর জন্য অশেষ ধন্যবাদ। এই পোস্টটাও প্রিয়তে নিলাম
৩০ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বস।

( আপনার কমেন্ট পেয়ে খুশিতে লাফ দিতে ইচ্ছা করতেছে। )

২৪. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০০
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: পড়লাম। শুধু এটুকু বললেই-তো অনেক কিছু বলা হয়। তাই-না। আরেকটু বলি পড়ে ভাল্লাগছে।
৩০ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩০ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: :(

২৬. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:২২
রাগ ইমন বলেছেন: দুরূহ শব্দে ভরা মন্তব্য লিখতে চাইছি না । অল্প কথায়, একটা সম্পূর্ণ এবং সার্থক ব্লগ পোস্ট । প্রিয়তে এবং প্লাসের চেয়েও বেশি কিছু ।

লেখকের পরিমিতিবোধ পরিণত লেখকের লেখা পড়ার তৃপ্তি দিয়েছে বলে অগণিত ধনিয়া পাতা বর্ষিত হউক বলা গেলো।

৩০ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।

০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: তাইলে ত মানুষ বলবে যে আমার নকল করছেন ।

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

২৮. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
েজবীন বলেছেন: দারুন ....

গল্পটা বলার ভঙ্গীটা ভালো লাগল
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

২৯. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০৪
মীজানুর রহমান বলেছেন: জীবনটা কি বিচিত্র। আমাদের দেশের সমাজটা আরও বিচিত্র।সবাই আমরা জানি, অবস্হার পরিবর্তনের জন্য কর্মের কোনো বিকল্প নেই। অথচ কোথায় যেনো লজ্জা এবং হতাশা বাধা হয়ে আসে। এই সংর্কিনতা থেকে উঠে আসতে হবে আমাদের সবাইকে।কত পরিবার তাদের আবস্হার পরিবর্তন করেছে এভাবে শহরে এবং গ্রামে লজ্জার সংকিনতাকে দুরে ঠেলে। কর্মের উদ্দিপনা তেরি করা দরকার সবার মাঝে।---সহমত
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩০. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৩
আগলিআগলি বলেছেন: ভালো লাগল । চমতকার একটা লেখা ।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩১. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: কিছু বলার নাই
+++++++++

মনটা খারাপ হয়েছে লেখাটা পড়ে ।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: বস আপনার কমেন্ট পেয়ে অনেক ভাল লাগল।

অনেক ধন্যবাদ।

৩২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১০
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: .................. কী বলব, আমার যা বলার ছিল সবাই আগেই বলে ফেলেছেন, তাই শুধুই প্লাস!
৩৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩৬
আকাশ_পাগলা বলেছেন: এটুকুই যথেষ্ট।

অনেক ধন্যবাদ।
৩৪. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৯
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: একটা গল্প পড়ার সময় অনেকগুলো বিষয় আমি খেয়াল করি, এই লেখার স্টাইলটা বেশ টানল। কনটেন্টেও একটা দুঃখবোধ আছে, প্রেজেন্টেশনের জন্য যেটা আরও অনন্য মনে হয়েছে।।। আঠা আঠা যৌনতার গল্পের ব্যাপারটা গল্পে মিলি আসার পরই অনুমান করা গেলেও, কিছু কিছু পূর্বানুমান মুগ্ধতা বাড়ায় বই কমায়না.......এক্ষেত্রেও তেমনটাই ঘটল..
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন: এতদিন পরে এই লেখা পেলেন কোথায় !!

পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৬. ৩১ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৩৭
নীল কষ্ট বলেছেন: কোন মন্তব্য করব না।
উপলব্ধিটা শুধু অনুভব করলাম।
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। এতদিন পরে এই লিংক কই পেলেন?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯৬২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি রিজভান হাসান। ডাক নাম আকাশ আর ব্লগ নিক আকাশ_পাগলা নিয়ে চলছি বেশ কিছু বছর। আমার স্থায়ী ঠিকানা হল http://wings.rizvanhasan.com...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ