আমার প্রিয় পোস্ট

কত কিছু যে করতে চাই, তবুও কিছু করতে না পারার দায়ে মাথা খুঁটে মরি ।

থিসিস খসড়াঃ Theories to control minds

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

শেয়ারঃ
0 0 0



অন্যান্য পর্ব Click This Link
পর্ব – ৫


[হূমায়ূন আহমেদের একটা কথা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে দারুণ খাটে। আমাদের দেশে মধ্যবিত্ত ঘরে ছেলেদের প্রথম প্রেম নাকি কাজিন আর মেয়েদের বেলায় গৃহশিক্ষক। এই পর্বে আমি মেয়েদের পছন্দ অপছন্দের পেছনে মনস্তত্ব খোঁজার চেষ্টা করছি। আমি মনে করি, মানসিক দিক থেকে কোনভাবেই প্রভাবিত ‘নয়’ এমন একটা মেয়ে আর একটা ছেলের পছন্দ অপছন্দের মূলত কোন পার্থক্য নেই। আমরা আগে থেকেই জানি, একটা মানুষের পছন্দ আর মানসিকতা নির্ভর করে পরিবেশের উপর আর কিছুটা বংশগতির উপরেও। ভাই বোন দুজনের(একই বংশগতি) বেড়ে উঠার পরিবেশ আমরা যতদিন একই রকম পাচ্ছি, ততদিন এদের মন মানসিকতা মোটামুটি একই রকম থাকবে, সেই সাথে তাদের পছন্দের বিষয়গুলোও।]

খেয়াল করে দেখেন, আপনি যখন ছোট ছিলেন, আপনি আর আপনার কাছাকাছি বয়সের বোন দুজনকেই যখন বলা হত, তোমাদের চোখে আদর্শ পুরুষ কে? এক কথায় উত্তর, “আব্বু ।” তোমাদের কাছে সবচেয়ে মজা লাগে কাকে? সাথে সাথে চিৎকার, “ছোট মামা।” এই সব বিষয়ে ছেলে আর মেয়ের মাঝে আমাদের পরিবেশ কোন সীমারেখা দেয় নি। তাই তাদের পছন্দের ধরণও একই রকম হচ্ছে। কিন্তু দেখবেন, খেলনার সময় ছেলেটা খেলছে পিস্তল দিয়ে, মেয়েটা পুতুল দিয়ে। এখানে পার্থক্য কেন? কেউ কেউ বলে থাকেন, মেয়েরা বংশগত ভাবেই নাকি এমন। আসলে এটা পুরাই ভুয়া কথা। মেয়েটাকে আসলে বুঝানো হয়েছে যে, পিস্তল তোমার খেলার জিনিস না। এটা সচেতন ভাবে কোন ব্যক্তি বোঝায় না, বোঝায় আমাদের পরিবেশ। টেলিভিশনে যখন দেখায় ওই মেয়ের বয়েসী কিছু পিচ্চী মেয়ে পুতুল দিয়ে খেলছে, অথবা, পাশের বাসার একটু বড় মেয়েকে পুতুল দিয়ে খেলতে দেখেই সে পুতুলের ব্যাপারে আগ্রহী হয়। ওই মেয়েকে কেউ হয়ত সরাসরিভাবে এমনটা বুঝিয়েছে। আর, তাছাড়া, আরেকটা ব্যাপার কাজ করে। সেটা হল অনুকরণ। মেয়েটা তার মাকে অনুকরণ করছে। মাকে রান্না করতে দেখে সেও রান্নাবাটি খেলে। ব্যাপারটা জাস্ট সিম্পল। এখানে বংশগতির হাত নেই। মার সাথে সাথে যেই ছেলেটা ঘোরে, তাকেও দেখবেন মার দেখাদেখি এটা সেটা কাটতে চাচ্ছে। কিন্তু মেয়েটাকে যদি সত্যি সত্যি রান্নার কাজ দেন, দেখবেন প্রথমে আগ্রহে এগিয়ে আসলেও একটু পরে সে পিছু হটছে। কারণ, কাজ করতে কষ্ট লাগে আর তার আগ্রহও শেষ।

ছেলেদের মন মানসিকতার গড়ণ নিয়ে একবার ব্যাখ্যা হয়ে গেছে আগের পর্বগুলোয়। আমি আর রিপিট করব না। মেন্টালি আনটাচড অর্থাৎ যার উপর মানসিক প্রভাব খাটানো হচ্ছে না, সে রকম একটা মেয়ের পছন্দ অপছন্দ নিয়ে গবেষণা করা যাক। একটা কথা আমাদের দেশে প্রচুর বলে, মেয়েরা নাকি শক্ত সমর্থ আর পুরুষালি চেহারার ছেলেদের খুব পছন্দ করে। আমি জানি না এটা কতটুকু সত্য, তবে এই ব্যাপারটা আরেকটু খুঁচিয়ে দেখা যায়। হিন্দী সিনেমার নায়ক রণবীর কাপুরের নারীভক্ত কয়জন আর পুরুষালী চেহারের অর্জুন রামপালের নারীভক্ত কয়জন? অথবা, টম ক্রুজের নারীভক্ত কী ভিন ডিজেলের নারী ভক্তের চেয়ে কম? তাহলে, আসলে তাদের পছন্দ কীসের উপর নির্ভর করে?

আমাদের অবচেতন মন অনেকভাবে আমাদের ছোট বেলার স্মৃতি রেখে দেয়। তাই বড় হবার পরেও ছোট বেলার অভ্যাস থেকে আমরা মাকড়সা অথবা কেউ কেউ আরশোলাকে ভয় পাই। একটা মানুষের ছোট বেলার আচরণ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে তার পছন্দ অপছন্দের উপর।

ছোট থেকেই একটা মেয়ের কাছে সবার আগে আদর্শ পুরুষ হল, তার বাবা। মেয়েটা পুরুষ বলতে ছোট থাকতে চিনেছে যাকে, সে হচ্ছে তার বাবা। বাবার সাথে যদি মেয়েটার স্বাভাবিক সম্পর্ক থাকে, তাহলে বাবার আচরণই মেয়েটার কাছে পারফেক্ট পুরুষের আচরণ হবে। একটা ছোট মেয়েকে নিশ্চয়ই তার বাবা অনেক আদর করে তাই না? ধরা যাক, তার বাবা তার সাথে বদরাগী পুরুষালী ভাব নিয়ে ঘোরাফিরা করে না। উনি ভদ্র এবং চুপচাপ। তাহলে মেয়েটার কাছে সুইট টাইপ ছেলেই পছন্দের হবে বেশি। বাবা এখানে উদাহরণ, যার সাথে ভাল সম্পর্ক বেশি আমি তাকেই বুঝাচ্ছি। বড় ভাই কিংবা মামাও কিছু কিছু ক্ষেত্রে হতে পারে। তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাবা।

বাবার গায়ে লোম কম থাকলে, বেশি লোমওয়ালা পুরুষকে দেখে মেয়েটা বলবে, “ ইয়াল্লা, এইটা ত বনমানুষ।” আর উল্টাটা হলে, সেই একই পুরুষকে মেয়েটা বলত, “এরকম জাদরেল ভাব না থাকলে আবার পুরুষ বলে বুঝা যায় নাকি!”

ধরা যাক, মেয়েটার মন মানসিকতা এখনও কোন নির্দিষ্ট লাইনে আসে নি। এতদিনে মেয়ে কিছুটা বড় হয়েছে, মেয়ের উপর বাবার এখন বিধি নিষেধ জারী হয়েছে, বাবা এখন পড়াশুনা না করলে মেয়েকে ধমকও দেন খুব। তাহলে, বাবা আর তার আগের পজিশন মেয়েটার মনে ধরে রাখতে পারবে না। এখন মেয়েটা যেহেতু চোখের সামনে অন্য কোন ছেলেকে পাচ্ছে না, তাই মোটামুটি ভাবে যে তার কাছাকাছি, সে তাকে আদর্শ পুরুষ ধরবে। বলেন ত সেটা কে? ছোট ভাইকে আমরা গণায় ধরছিনা। বড় ভাই মাঝে মাঝে একটা ফ্যক্ট।সেও আদর্শ পুরুষ হতে পারে, তবে একেও যদি বাদ দেই, সেটা সেই মেয়ের গৃহ শিক্ষক, মোস্ট অব দ্যা টাইম। যদি এদের বয়সের পার্থক্য কম হয়, তাহলে ছেলেটাও হালকা প্রশ্রয় দেবে, আর এই বয়েসী মেয়ে যে কী না মাত্র স্বপন দেখা শুরু করল, সে প্রথমবারের মত একটা ছেলেকে অন্য চোখে দেখা শুরু করবে।গৃহ শিক্ষকের পরে এই লাইনে কাছাকাছি আসে কে?

তাহলে পাচ্ছি বারান্দার সামনের দেয়ালে রাস্তায় টাংকি মারার জন্য যে ছেলেটা দাঁড়িয়ে থাকে সে। তেমন হয়ত কথা হয় না এদের, কিন্তু, হালকা চোখাচোখিও স্বপ্ন দেখতে যথেষ্ট। কারণ, ছেলেটা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মেয়েটার কাছেই এটাই তখন আদর্শ, ব্যাকা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে, তখন তাই ভাল।
মেয়েদের এই বয়সটায় মেয়েরা খুবই আবেগী হয়। ছেলেদেরও আসলে একই অবস্থা হয়, কিন্তু সেই বয়সে ছেলেরা অন্যান্য মেয়েদের থেকে পাত্তা পায় না। সেখানে একটা মেয়েকে স্বপ্ন দেখাতে লাইন পড়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েরা পরবর্তীতে আফসোস করে যে, প্রথম জীবনে কী করে এমন এক জনের প্রেমে পড়েছিল !

এ সবই কিন্তু মেনটালি আনটাচড, অর্থাৎ মানসিকভাবে প্রভাবিত ‘না’ এমন মেয়েদের ক্ষেত্রে। যতক্ষণ না সে কোন মুভি বা কোন গল্পের বই বা কোন এক্সট্রা পাকনা বান্ধবী থেকে শিখছে যে, তার একটা মেয়ে হিসেবে কী ধরণের ছেলেকে পছন্দ করা উচিত। এখন সেই এক্সট্রা পাকনা আবান্ধবী হয়ত মুভি বা গল্পের বই থেকেই আগে শিখেছে। একটা বয়সের পর আর এসব মুভি বা বান্ধবীর কথায় গুরুত্ব দিলেও তেমন এফেক্ট ফেলবে না। এখন কথা হল, আপনি বুঝবেন কী করে যে মেয়েটা মেন্টালি প্রভাবিত কী না? দশ মিনিটের কথাতেই বোঝা যায়।এটা এমন বড় ব্যাপার না। এমনিতেও মধ্যবিত্ত ফ্যামিলিতে মানসিক ভাবে ‘প্রভাবিত’ মেয়ে আসলে কম। ১০% এর মত হবে হয়ত।


আরও একটা ব্যাপার এখানে ফ্যাক্ট। বংশগতির দিক থেকে মেয়েরা একটা আচরণ ঠিকই পায়, সেটা হল বাচ্চাদের প্রতি আলাদা মায়া, ছেলদের থেকে বেশি। একটা বাচ্চার কী দেখে ওরা আকৃষ্ট হয়? নিশ্চয় সাইজ না, সেটা হল কিউটনেস। বাচ্চার আদুরে ভাব। একটা মেয়ের মধ্যে অনেক আগে থেকেই এই ব্যাপারটা কাজ করে। সুতরাং, যেসব ছেলেদের মধ্যে একটা শিশুটাইপ আলাভোলা ব্যাপার থাকে, অথবা কিউটনেস থাকে, বেশিরভাগ মেয়েরা তাদের বেশি পছন্দ করে। এই থিওরী দেশের প্রায় ৮০% মেয়েদের বেলাতেই খাটবে।
সুতরাং, এত বেশি মানুষের মুখে আমরা যেটা শুনি যে, খুব পুরুষালী চেহারার ছেলে বা জাদরেল চেহারার ছেলে অথবা খুব শক্ত টাইপ ছেলে "ছাড়া" মেয়েরা পছন্দ করে না, এসব কথার ভীত কতটুকু শক্ত তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
কিউট মানে কিন্তু মেয়েলী বা শিশুসুলভ পুরুষদের কথা বুঝাচ্ছি না। এইটা অন্য এঙ্গেল। পছন্দ অপছন্দ এরকম নির্দিষ্ট ফরম্যাটে হয় না। একটা মেয়ে/মানুষের পছন্দ অপছন্দ তার পরিবেশের উপরই নির্ভর করে। আর, এক্ষেত্রে একটা মেয়ে কী ধরণের পরিবেশ পায়, আমাদের দেশে আমি মূলত সেটা নিয়েই ভেবেছি।

একটা মেয়ে যে মেনটালি প্রভাবিত, তাকে প্রভাবিত করা যায় বা কীভাবে তার মন মানসিকতা কাজ করে, সেটা নিয়ে সামনের পর্বে আলোচনার আশা রাখি।
© আকাশ_পাগলা



 

প্রকাশ করা হয়েছে: বিনোদন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
রনি রাজশাহী বলেছেন: ঐ মিয়া, এত থিসিস কইর‌্যা পিএইচডি লইবেন নাকি? রম্য/ফানপোস্ট লিখেন। আমাল ফেভালিট।+
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: আমি এত পরে পাইলাম এইটার লিংক ।



লেখাটা ভাল লাগল ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
রনি রাজশাহী বলেছেন: সবগুলো পর্ব কমপ্লিট হলে এটা ই-বুক আকারে বের করেন। ভাল হবেও।


অফটপিকঃ ফেইসবুক গ্রুপের ই-বুকটা কি দেখেছেন? কেমন হয়েছে?
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: ভাই, ওইটা যে কী লিংক দিলেন বুঝি নাই। ডাউনলোড করতে গেছি ২৩ কিলোবাইটের একটা ফাইল নামলো। আর কিছু হল না। অনেক চেষ্টা করেও পারি নাই।

আমাকে আরেকটা লিংক দিয়েন। দেখি নামাতে পারি কী না।

এই লেখা গুলোর ই বুক বের করতে ভয় লাগে। এখনও খসড়া পর্যায়ে। মানুষ মাইর না দিলেই হয়!!

৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৭
অলস ছেলে বলেছেন: অনেক মজা পেলাম। শেষ প্যারা পড়ে বুঝলাম আপনি এখনো কিছুটা বাচ্চা আছেন। আর আগে ছবিতে তো দেখেছি, আপনি সত্যিই কিউট। আমার বাড়ি চিটাগাং বলে আবার ভয় পাইয়েন না ;)
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: আমি কিউট ??? ভালই মজা নিলেন। যদি হইতে পারতাম।

তাইলে ভাই এত ব্যাখ্যা না দিয়া সরাসরি আমার কাহিনীই বইলা দিতাম। কিউট ত হইতে চাইতেছি আসলে, আল্লাহয় বানায় নাই তেমন কইরা, আমি কী করতে পারি !!!!

আমি আসলে বাচ্চা আছি বোধ হয়, কিন্তু সেইটা শুধু আমার আম্মাই বলত, এইবার আপনিও দলে যোগ দিলেন।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১০
ফারুক আহসান বলেছেন: বিস্তারিত আলোচনায় পরে যাবো, আপাতত একটা ব্যাপার বলে রাখি । মেয়েরা বাচ্চা পছন্দ করার পিছনে জেনেটিক বা ইভ্যুলশনারি কারণ (মানুষের বাচ্চা ছোটকালে অন্য প্রাণীর তুলনায় অসহায় থাকে, অতএব তার বায়োলজিকাল স্বার্থ হচ্ছে অসহায়বেলায় কেউ তাকে বিনাশর্ত ভালোবাসা দিবে । বাবা আর মার মধ্যে মা হচ্ছে লজিক্যাল চয়েস, কারণ তার দুগ্ধপানের দরকার আছে ম্যামালদের । এইজন্য মেয়েরা শিশু পছন্দ করতে ইভ্যুলশনারি প্রোগ্রামড )আছে । সেইটা ঠিকাছে ।

কিন্তু এই পছন্দ আর প্রজনন সঙ্গী পছন্দের ব্যাপারটা টোটালি আলাদা । একটা সঠিক প্রপোজিশন থেকে একটা ফাউল/ভুল কনক্লুশন দিলা । ইনকোহেরেন্ট লজিক ।

সাধারণত টেস্টোস্টেরন হরমোন বেশি থাকলেই ফিনোটাইপে পুরুষালি ভাব বেশি থাকে । কম থাকলে মেয়েলি বা শিশুসুলভ ভাব আসতে পারে । টেস্টোস্টেরন বেশি থাকা প্রজননের পক্ষে উপকারি । এইকারণে আউটফিটে/দেহে/চেহারায় পুরুষালি ছেলেদের পছন্দ করাটাই মেয়েদের ইভ্যুলশনারি টেন্ডেন্সি ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: তাই, আপনি সার্ভে করেন।

আমার যেহেতু এখনও খসড়া, তাই আমি জোর গলায় কিছু বলব না।

তবে, আপনাকে বলি, টমক্রুজ মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকে কেন? ব্যাখ্যা দেন।

(সাধারণত টেস্টোস্টেরন হরমোন বেশি থাকলেই ফিনোটাইপে পুরুষালি ভাব বেশি থাকে । কম থাকলে মেয়েলি বা শিশুসুলভ ভাব আসতে পারে ।)

শিশুসুলভ ভাব আর মেয়েলি ভাব কী এক?? সব খানে ইভ্যুলেশন এক??? দেখেন, আমি কোন বই থেকে কপি পেস্ট মেরে কথা বলছি না, আমি সরাসরি আমাদের দেশীয় পরিবেশ থেকে ব্যাখ্যা দিচ্ছি। আর, আপনি প্রথম পর্বগুলো কতটুকু পড়েছেন আমি জানি না, কিন্তু মানুষের আচরণের উপর তার পরিবেশের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।

মেয়েদের ইভ্যুলেশন নিশ্চয়ই তার পরিবেশ কন্ট্রোল করে না, পরিবেশে সবাই থাকে। ছেলে মেয়ে গরু ঘোড়া সবাই।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: খেয়াল করবেন, মেয়েরা ছেলেদেরকে দেখলেই ঠিক "প্রজনন সঙ্গী" হিসেবে ভাবতে পারে না। আমরা ছেলেরা তেমনটাই ভাবি। এইটা আদিম যুগ থেকে আসছে। ছেলেরা বাইরে শিকার করতে যাইত, লাইফের রিস্ক বেশি ছিল, ফলে বংশানুক্রমের ধারা রেখে যেত।

কিন্তু মেয়েরা কৃষিকাজ করত। তাই তারা ছেলে দেখলেই প্রজনন সঙ্গী হিসেবে ভাবে না। তারা একজন শেয়ার পার্টনার খোঁজে। আর, প্রথমে সেটা অবশ্যই ফিলিংস শেয়ার বোঝায়। বিশেষ করে, সদ্য কৈশরে পা দেয়া মেয়েটা যে মাত্র স্বপ্ন দেখা শুরু করল এভাবে। খেয়াল করবেন, এটা কিন্তু "স্বপ্নদোষ" না কখনই। কিন্তু ছেলে হলে সেটা খুবই কমন।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনার কথার মাঝে ব্লগার "দু** পা*" টাইপ ভাব আছে। আপনি কি উনিই??

৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৩
জুনাইদ কবীর তন্ময় বলেছেন: প্রারম্ভের কোটেশনটা কি হুমায়ুন আহমেদের নাকি হুমায়ুন আজাদের?
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদেরই।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৭
জামসেদ রেহমান চৌধুরী বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষন হয়েছে। ধন্যবাদ এমন লেখার জন্য।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২২
রনি রাজশাহী বলেছেন: হায় হায়!!
কি বলেন!!! ওকে আবার দেব।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা।

৯. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
রনি রাজশাহী বলেছেন:



ঐ ছবিটা চেঞ্জ করে এগুলোর একটা দেন। কেমন যেন ভুতুড়ে ভুতুড়ে লাগে আপনার দেওয়া ছবিটা। কন্টেন্টের সাথে যায় না মনে হচ্ছে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: প্রথম ছবিটা আসলেই দারুণ।

১০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪০
রনি রাজশাহী বলেছেন: ৯ নম্বর কমেন্টসহ এটা ডিলিট করে দেন।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংক্স। দারুণ লাগল ছবি গুলা। প্রথম টা তো জোস লাগল। আচ্ছা, আমি এডিট করে দিচ্ছি।

১১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
অলস ছেলে বলেছেন: পাখী ভাইএর কথাটা উড়ায়া দিলেন? আপনি আস্তিক ;) বৈলা আমি একটু হালকাভাবেই বলতে চাইছিলাম B-) B-)
যাইহোক, মজা না। একটা কথা বলি।

হুমায়ুন আহমেদ দুই প্রজন্মের শহুরে একটা অংশের মাথা পুরোপুরি খায়া দিছেন। আমার এক বন্ধু। ধরা যাক নাম শুভ্র। পুরা কিউট, আউটলুক আর ভিত্রেও। বছরে দুই বছরে আমরা গাঁজা খাইতাম, সে বড়জোর গান শুনায়া ফিলিংস বাড়াইতো, তাও দুরে বইসা থাকতো, ধোয়া টোয়া দূর হইবার পর আসতো। আমরা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতাম আর সে খালি নিন্দাবাদ জানাইতো, মর্মাহত হইতো।

পরের ঘটনা লম্বা। সংক্ষেপে শঙ্খিনী প্রজাতির লালমাটিয়ার এক মাইয়ার সাথে তার এফেয়ার হইলো। আমি বুইঝা শুইনা যখন বললাম, দুস্ত বিয়া করিস না, সে আমার শত্রু হইলো। ব্যাপার না, সব শত্রুই এককালে বন্ধু আছিলো আমার। সেই পুলা আবার ক্রিয়েটিভ, জিঙ্গেল টিঙ্গেল লিখছিলো, ঘুরায়া পেচায়া এক ফেমাস বিজ্ঞাপন নির্মাতার লগে শঙ্খিণীর পরিচয়। ঘটনা আরো সংক্ষেপে, এখন আমার দুস্ত আকুল হয়ে ডাকে, মা মা আমার চশমাটা কুথায়? আর ভাবে দুই বছরের পুলাটার চেহারা কি কিছুটা সুজা ভাইএর মতো লাগে কেনো!

সেই মেয়ে তারে কিউট দেখে বিয়া করছিলো, কিন্তু সাইকোলজিকালী এবং অতি অবশ্যই ফিজিক্যালী শেষ পর্যন্ত ক্লিক করে নাই। সাইকোলজি কি শইলের বাইরের কিছু নাকি ভাইজান?

তবু্ও আপনার কথাও সবটুকু বেঠিক না, সবটুকু সঠিকও না মনে হয়, এই আর কি। আবু সায়ীদ চ্চাচ্চুর (সম্ভবত) জর্ণালে একটা কথা আছে, ছেলেরা শরীরের ভেতর দিয়ে মনে পৌছতে চায়, মেয়েরা চায় মনের ভেতর দিয়ে শরীরে পৌছতে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: ককিন্তু, বস, আমি ত এখনও এত দূর যাই নাই। আমি শুধু প্রথম ফিলিংসের মানসিকতাটা কীভাবে কাজ করে সেটা আমার মত করে ব্যাখ্যা করলাম।

তবে, শেষ পর্যন্ত ক্লিক করবে কী না, সেটা একটা পয়েন্ট ত বটেই। ছেলেটার ত কিছু না কিছু যোগ্যতা ত লাগবেই। মেয়েলিভাব আর শিশুসুলভ, এই দুটা ব্যাপার কিন্তু এক না মোটেও। দুর্বল আর কিউট শব্দটাও এক না।

কিউট বা শিশুশুলভ ছেলে বলতে আপনি কেন দুর্বল ছেলেকে ভাবলেন??

এখানে দেখেন, আমি কিন্তু মেন্টালিটি কন্ট্রোলের কথা বলে পোস্ট দিয়েছি। কিন্তু পোস্টে মানুষের মেন্টালিটি বর্ণনা করেছি। কারণ টা হল, মেন্টালিটি কীভাবে কাজ করে বুঝলেই, সেটার উপর নিজেই কন্ট্রোল করতে পারবেন। এই পোস্টের দায়িত্ব শুধু সেটুকুই।

এরকম ক্লিক না করার মত অঘটন যে কোন টাইপ ছেলের বেলাতেই হতে পারে। যে কোন টাইপ ছেলে। তবে, এইটাও বুঝা যায়। আশা করি, এ নিয়েও আমি একটা পোস্ট দিব।

গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
(আপনিও তাইলে ধরতে পারছেন যে অইটা পাখী ভাই??? হে হে হে)

১২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৫
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: পড়লাম, ভালাই হৈছে! এখন আপুরা আইসা সম্মতি জানায়া গেলে হয় ;)
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: আপুরা লজ্জা পাইলে???

১৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১১
ফারুক আহসান বলেছেন: সবগুলা পর্ব মনোযোগ দিয়াই ফলো করে যাচ্ছি । আচরণের উপর পরিবেশের প্রভাব ব্যাপক । এইটা নিয়া বিরোধিতা করছি না । তবে তোমার বুঝায় একটু ভুল আছে । সেইটা হলো আচরণ/মনোভাবও একটা ফিনোটাইপ । এইটা শুধু জিনোটাইপ বা শুধু পরিবেশ দিয়া নির্ধারিত হয় না । বরং জিনোটাইপ এবং পরিবেশের মিথোস্ক্রিয়ায় গঠিত হয় । আকৃতিগত ব্যাপারগুলাতে জিনোটাইপের প্রভাবের অংশটা বেশি, আচরণগত ব্যাপারগুলাতে পরিবেশের প্রভাবের অংশ বেশি । এইখানে একমত ।

তবে বায়োলজিকাল বা ইভল্যুশনারি প্রভাবটা একেবারে সামান্য না । কারণ জিনোটাইপ শুধুমাত্র কয়েকটা বৈশিষ্ট্য কাভার করে না । বরং একটা জীবের টোটাল ম্যাপ হচ্ছে জিনোটাইপ । অতএব বায়োলজিকাল প্রেশারটাও মূলত জিনোটাইপেই পড়ে ।

তবে মানুষের ক্ষেত্রে মজার ব্যাপার হলো, মানুষ বায়োলজিকাল প্রেশারের বিপরীতে চলতে পারে । অথবা আরেক বড় বায়োলজিকাল স্বার্থের জন্য ছোট একটা বায়োলজিকাল স্বার্থের বিপরীতে কাজ করতে পারে ।

আমাদের দেশে মেয়েলি অথবা শিশুসুলভ ছেলেদের পছন্দ করার ক্ষেত্রে মেয়েদের উপর কালচারাল প্রভাব থাকতে পারে । একটা সাধারণ বোঝাপড়া হলো, মেয়েলি বা শিশুসুলভ ভাবের পুরুষদের পক্ষে ধর্ষক/আক্রমণকারী হওয়ার সম্ভাবনা কম । এইজন্য প্রতিকূল পরিবেশে প্রজনন স্বার্থের চাইতে অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিতে পারে । সেই পরিবেশে পুরুষালি ভাবের ছেলেদের চাইতে মেয়েলি/শিশুসুলভ ভাবের ছেলেদের দিকে মেয়েদের আগ্রহ বেশি থাকতে পারে । সেটা নিরাপত্তার ব্যাপার । এইকারণে টম ক্রুজকে পছন্দ করা মেয়েদের সংখ্যা বাড়তেও পারে । আর তাছাড়া ন্যাচারাল ডিস্ট্রিবিউশনতো আছেই ।

টোটালি নিরাপদ সোসাইটিতে ব্যাপারটা কি রকম সেটা ভেবে দেখার বিষয় । থিসিস বা এইধরণের বিজ্ঞানবিষয়ক আলোচনার জন্য এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট শিখে রাখতে পারো । তুমি যখন একটা প্যারামিটারের স্বাপেক্ষে একটা আচরণের উপর পরীক্ষা চালাবা , তখন তোমাকে ঐ আচরণের উপর প্রভাব আছে এমন অন্যসব প্যারামিটারকে কনস্ট্যান্ট রেখে পরীক্ষা চালাতে হবে । অর্থাৎ তুমি যদি মেয়েদের মনের পছন্দের উপর পরীক্ষা চালাতে চাও তখন তোমাকে নিরাপত্তার দিকটা দেখতে হবে । কারণ নিরাপদ পরিবেশে পছন্দ একরকম হতে পারে আবার অনিরাপদ পরিবেশে পছন্দ আরেকরকম হতে পারে ।

আবার পছন্দ শব্দের ডেফিনিশনও ঠিক করতে হবে । ছেলেদের বা মেয়েদের পছন্দের অনেকরকম ক্রম আছে, প্রেক্ষিত আছে । দুঃখ শেয়ার করার জন্য পছন্দ, একসাথে ঘুরাফিরা করার জন্য পছন্দ, সময় কাটানোর জন্য পছন্দ, যৌনসঙ্গী হিসাবে পছন্দ এইজাতীয় হাবিজাবি অনেক রকম থাকতে পারে । এইজন্য একশটা মেয়েকে খালি জিজ্ঞাসা করলেই হবেনা আপনার কাকে পছন্দ টম ক্রুজ নাকি ব্রুস উইলস । সেক্ষেত্রে রেজাল্ট একরকম আসবে । আবার যদি সমস্তরকম গোপনীয়তার আশ্বাস দিয়ে জিজ্ঞাসা করা যায় যৌনসঙ্গী হিসাবে কাকে পছন্দ তখন রেজাল্ট আরেকরকম আসবে ।

শেয়ার পার্টনার অথবা যৌনসঙ্গি হিসাবে দেখার পার্থক্যের মধ্যে শুক্রাণু ও ডিম্বানুর প্রোপার্টিজ এর পার্থক্য একটা পয়েন্ট হিসাবে ভেবে দেখতে পারো । একটা একক শুক্রাণুর সাফল্যের হার খুবই খুবই কম । অন্যদিকে একটা একক ডিম্বাণুর নিঃস্বরণের স্পিসিফিক মোমেন্ট খোদ মেয়ে নিজেও বুঝতে পারেনা । এইকারণে শুক্রাণুর দরকার অধিক পরিমাণে প্রচুর জায়গায় রোপিত হওয়া, অন্যদিকে ডিম্বাণুর জন্য দরকার সারা মাস জুড়ে কনস্ট্যান্ট পরিমাণে শুক্রাণু পাওয়া নিশ্চিতকরণ । ফলে মেয়েদের পক্ষে স্থিরতা চাওয়া আর ছেলেদের পক্ষে এবান্ডেন্স চাওয়াটাই বায়োলজিকাল প্রেশারের পক্ষে ।

অনেক কথা বৈলা ফেল্লাম । এই সিরিজটা মনোযোগ দিয়া ফলো করতেছিলাম । ভাবছিলাম শেষ হৈলে একটা রিভিউ লেখবো । দেখি কিভাবে আগায় পরের পর্বগুলা ।

আমি দুরের পাখি ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: [যাক, আমি তাইলে ধরতে পারছি যে আপনিই দুরের পাখি। খুশি খুশি লাগতেছে। ভাষাগত ব্যাপার ছিল এখানে, আর শেষমেষ আপনার পোস্ট গুলার হেডিং দেখলাম, যা পুরাই শিওর করে দিল।]


আপনার কমেন্ট থেকে একটা পয়েন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হল, যেটা আগে ভাবি নাই।
একটা মেয়েকে সব ধরণের গোপনীয়তা দিলে কাকে যৌন সঙ্গী হিসেবে নেবে, তার প্যারামিটার নিয়ে চিন্তা করা উচিত।

সেখানে কিন্তু ফ্যান্টাসীও কাজ করতে পারে, সেটা যে সবসময়েই তার "চয়েজ" হবে তেমন কোন কথা নেই। যাই হোক, ব্যাপারটা নিয়ে আরও ভাবব।

তবে, কিউট ছেলে বা শিশুসুলভ ছেলে মানে দুর্বল ছেলে ভাবার কোন কারণ নেই। আর, এই ছেলেকে চয়েজ করার পিছে ধর্ষণ এর সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করাটা খুবই হালকা মনে হল। একটা সদ্য কিশোরী মেয়ে ধর্ষণের চেয়ে ধোঁকাবাজদের বেশি ভয় পায়, ওদের নিয়ে বেশি ভাবে।

ধর্ষণের ভয় হলে মেয়েরা কিন্তু খোলামেলা পোষাক পড়ত না, এখন স্বাভাবিক কালচারেও এটা ভালই ঢুকে পড়েছে। সেখানেই ত এই ব্যাপারটা ফ্যাক্ট হবার কথা ছিল। সোসাইটি তখনও নিরাপদ না, সেখানে এদের পোশাক খোলামেলা হতে পারে, আর ছেলে চয়েজের বেলার\ইয় এই কথা ভাববে, মনে হয় না।

মানুষ কিন্তু আত্মহত্যাও করে। বায়োলজিকাল স্বার্থ বিসর্জন দিয়েই। মনের উপর কন্ট্রোল আনতে পারলে আমি মনে করি, বায়োলজিকাল প্রভাবটা কিছুটা হলেও কমানো যায়। আর, যে মনের উপর কন্ট্রোল আনতে যাবে, সে যে বায়লজিকাল দিক থেকে একেবারেই অক্ষম, সেটা ভাবা জরুরি না। আর, সেটা গণাতেও ধরছি না।



১৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২২
অলস ছেলে বলেছেন: সবাই জানে ঐটা কে, আপনি দেখি জানেন না ;)
পাখি ভাই রিভিউ করবে শুইনা আপনার কি অবস্থা কে জানে, আমি বিরাট ভয় পাইছি। উনিতো আপনার লেখাটাকে পুরা গুপ্তকেশবাগ বানায়া ছাড়তে পারে, জানমানের ছদকা দেন তাড়াতাড়ি।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা

আরে, আমি ত আসলে এভাবে ভাবিই নাই।
সময়েরটা সময়েই দেখা যাবে। রিভিউ মানে কিন্তু আমি ভাল জিনিসই ভাবছিলাম।

দেখা যাক। যেটাই হোক, আপনারা সাথে থাইকেন।

(আপনার কমেন্ট চরম লাগল।)

১৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩০
মুকুল বলেছেন: আলোচনা এবং আলোচনার প্রেক্ষিতে আলোচনা - ভালো লাগছে। চলুক। +
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ বস।

১৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
ফারুক আহসান বলেছেন: সেখানেই ত এই ব্যাপারটা ফ্যাক্ট হবার কথা ছিল। সোসাইটি তখনও নিরাপদ না, সেখানে এদের পোশাক খোলামেলা হতে পারে, আর ছেলে চয়েজের বেলার\ইয় এই কথা ভাববে, মনে হয় না।


খোলা পোশাক পরে রাস্তায় বের হওয়া আর বন্ধুত্ব/সম্পর্কের জন্য ছেলে পছন্দের ব্যাপারটা আলাদা । একটা নোংরা সিক্রেট মনে হৈতাছে তুমি জানো না । যতগুলা ধর্ষণ ঘটে তার ৯০ ভাগ হয় আত্নীয় বা পরিচিতজনের দ্বারা । এমনকি এক্সট্রিম ক্ষেত্রে নিজ বাবা বা ভাইয়ের দ্বারাও । খোলামেলা পোশাক পরে সাধারণত যারা বের হয় (আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে) তারা মোটামুটি সচ্ছল পরিবারের মেয়েরা । এই অবস্থানের একটা মেয়ে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর নিহত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা রাস্তায় বের হলে গাড়ী দুর্ঘটনায় মারা যাবার সম্ভাবনার সমান । আমরা অচেতনেই এইধরণের সম্ভাবনাগুলাকে অস্বীকার করার প্রবণতা নিয়েই বাইরে যাই ।

কিন্তু একটা মেয়ে যখন একটা ছেলেকে বন্ধু বা প্রেমিক বানাবে , তখন তার মধ্যে অটোমেটিকালিই ঐধারণা থাকে যে এই ছেলে/পুরুষটির সঙ্গে সে অনেক অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাবে । কাজেই পোশাক পরার ক্ষেত্রে তার যেই ভয় আসবে না, বন্ধু পছন্দ করার ক্ষেত্রে সেই ভয়ই বিশাল বড় হয়ে দেখা দিবে ।

আর তাছাড়া পোশাক পরার ক্ষেত্রে দেখলেও । যত উন্নত দেশ তত ছোট বিকিনি ;)

"তবে, কিউট ছেলে বা শিশুসুলভ ছেলে মানে দুর্বল ছেলে ভাবার কোন কারণ নেই।"

সেটা আমি বলিও নাই । এটা একটা এভারেজ আইডিয়া । মানুষ অনেককিছুই এভারেজ আইডিয়া দিয়া করে । একেবারে পার্ফেক্ট জাজমেন্ট দিয়া না ।

বায়োলজিকা স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে মানুষ কাজ করতে পারে সেইটাতো আমি নিজেই বললাম ।

আমার এই নিকের কথা অনেক পুরান । সবাই এম্নে এম্নেই জানে । তুমি বুদ্ধি দিয়া বাইর করছ, এইটা আত্নতৃপ্তির যৌক্তিক দাবীদার । দুরের পাখি ব্যান থাকলে এইটা ইউজ করি ।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ধর্ষণের এই ফ্যাক্টটা আমি কিছুটা জানি। তবে, মাথায় রাখি নাই।

কথা হল, সেই মেয়েটা জানে?? এখানে কোন বয়েসী মেয়েটার কথা বলছি আমরা???? এই খানে আপনি বোধহয় একটু ভূল করলেন।

আর, খোলামেলা পোশাক আশাক এখন একেবারেই নরমাল। এইটা বলতে আমি টাইট টিশার্ট কে বুঝাই নাই। আমি সিম্পল সালোয়ার কামিজকেই বুঝাইছি, ওড়না ছাড়া, অথবা গলায় ওড়না দিয়ে।
সুতরাং এই ব্যাপারটা নিয়েও মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং হচ্ছে।

উপরের কমেন্টে দেখেন, আপনি বলেছেন একটা মেয়ে আরেকটা ছেলেকে অনেক এঙ্গেল থেকে চয়েজ করতে পারে।
আমার পোস্টে আমি ত সব এঙ্গেল দেখাই নাই। আর তার দরকারও নাই। সিম্পল বাংলায় প্রেমিক বলতে আমরা যা বুঝি, মেয়েটা তাই খুজতেছিল। এইখানে আমি আবারও বলি, মেয়েটার বয়স দেখেন আর ছেলেটার প্রশ্রয়।

এতক্ষণে বোধহয় আমি ব্যাপারটা আপনাকে পরিষ্কার করে বুঝাতে পারলাম। যাই হোক, আপনার কমেন্ট আস্তে আস্তে কোন দিকে ঘুরতেছে বুঝলাম না। আমি যদি এখনও পরিষ্কার করে বুঝাতে না পারি, তাহলে আশা করি এক লাইনে বলতে পারবেন যে, সমস্যাটা কোন লাইনে হচ্ছে! তবে, মনে হয় না এখন আর কোন সমস্যা আছে।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: হু আ উদাহরনটা ঠিক জুইতের হলো না ।

ছেলে মেয়ে -- কাছে যারে পাবে -- তার প্রতি দূর্বল হওয়া স্বাভাবিক --

প্লাস আমাদের সোসাইটিতে -- সেক্স নিয়ে যে অবদমন চলে -- সেটারও বিক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া এটা --

~~~~~~~~~

মেয়েলী ভাব পুরুষ -- আর রাফ এন টাফ পুরুষের চে আমার মনে হয় -- এখন মানি ব্যাগটা কার কতো বড়ো সেটা র দিকে মেয়েদের চোখ থাকে --


ছেলেদের চোখ সেক্সের দিকে --

এই প্রসংগে একটা মজার কোট মনে পড়লো -- বিল ক্রিষ্টালের --

উইমেন নিভ রিজন এন্ড টাইম ফর সেক্স -- মেন জাষ্ট নিড আ প্লেস !!

~~~~~~~~~~

মোটকথা এই পর্বে আইসে কেমন জানি ঝুইলা গেলো লেখাটা --

তুমি এক কাজ করতে পারো -- এই বিষয়ে একটু পড়াশোনা কইরা তারপর -- তাতে দেশী ছোয়াচ লাগাতে পারো ।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: বস ত, একেবারেই অন্য লাইনে চলে গেলেন। আমি নারী পুরুষের অন্তবর্তী সম্পর্কের কথা বলি নাই, বরং "প্রথমবার" মেয়েদের মানসিকতা কীভাবে কাজ করে, সেটা নিয়ে বলেছি।

আপনি বোধহয় তাড়াহুড়ায় পড়লেন।

আপনার কমেন্টের সাথে পুরাই একমত। সামনের পোস্টে আমি এসব নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা রাখি।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: মেয়েদের কৈশর নিয়ে সবে ত শুরু। এইটা নিয়ে আস্ত আরেকটা পোস্ট দিব সামনে। কথা গুছাইতে পারতেছি না। মনে মনে ভাবতেছি।

ছেলেদের বেলায় যেমন করছিলাম, তেমন।

১৯. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: তবে একটা ব্যাপার ঠিক, এই প্রথম ব্লগে দেখলাম যে, আমার পরেই একটা মেয়ে পোস্ট করল, আর এখনও সে আমার চেয়ে কম মন্তব্যের মালিক।

এইখানেই ত সকল থিওরী ফেইল। জনগণ যে আসলে কখন কী করে !!!

পুরাই টাশকি খাইলাম। ঘটনা কিতা !!!
২০. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৪
আধারে অপ্সরী বলেছেন: আপনার থিসিস অন্য কারো কাছে যথাযথ ও ভালো লাগুক বা না লাগুগ....আমি আপনার সাথে একমত....(ব্যালেন্স থীওরি অনুসারে ...আমার চিন্তার সাথে সাপোর্ট পাইলাম আর কি ;) )

যাই হোক মাইয়া লয়া এখানে তো বিশাল মতামত এর পাহাড় ভাইঙ্গা পড়ছে....আপনেও কনফিউসড হয়া নেক্সট পর্ব দিতে লেট করতাছেন....অনেকে আবার আজাইরা (!!!) থিসিস অফ কইরা ফানপোস্ট দিতে বলছে....অনেকে বলছে সংক্ষেপিত করতে...:-*
তো আপনার কাছে একটাই অনুরোধ....ঐ টাইপের চিন্তা থাকলে....।পিলিজ আমারে নেক্সট পর্ব গুলা মেইল কইরা দিয়েন....।

আপনার ৫ পর্ব একসাথে পড়ে বড়ই উপকৃত হলাম....& অনেক জ্ঞান লাভ করলাম....।

আপনাকে একটা বিশাল THANKS.........keep writing....:) :D
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

এমন কমেন্ট আসলে প্রেরণা।

আমি সামনের পর্ব জলদিই পাবলিশ করব। চোখে রাইখেন।

শুভকামনা রইল।

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২২. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:৫১
তাশফিকাল বলেছেন: ভাই আপনার লেখা খুবই চমৎকার লাগলো... প্লিজ, চালিয়ে যাবেন।
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: লেখাটা কেন যেন আর কন্টিনিউ হয় নি।
শেষ পর্বটা আর দেই নি।
ছিল আমার কাছে, লিখেছিলামও।
কিন্তু বেশি বড় ছিল, আর একেবারে শেষ মুহূর্তে আমার মনে হয়েছিল ব্যাপারটা অনৈতিক হবে হয়ত।


আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৬৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি রিজভান হাসান। ডাক নাম আকাশ আর ব্লগ নিক আকাশ_পাগলা নিয়ে চলছি বেশ কিছু বছর। আমার স্থায়ী ঠিকানা হল http://wings.rizvanhasan.com...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ