somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

থিসিস খসড়াঃ Theories to control minds

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



অন্যান্য পর্ব Click This Link
পর্ব – ৬

[এই পর্বের ফ্রন্ট নোট দেয়ার মতন কোন কথা পাইলাম না। ‘অলস ছেলের’একটা পোস্ট দেখে এই অনটপিক মনে হওয়ায় সেইটা নিয়ে এই পর্ব লিখতে বসে গেলাম(এই পুরা প্যারাটা পড়ে ওই লিংকটা দেখেন। আমি প্যারা শেষে লিংক দিয়ে দিচ্ছি)। এই পোস্টে, আমরা দেখলাম যে, আমাদের কালচার কীভাবে পরিবর্তন হয়েছে। কালচার পরিবর্তন হওয়াটা আমার কাছে কোন ব্যাপার না। লুঙ্গি ছেড়ে এখন আমরা জিন্স ধরছি। এতে আসলে কিছু যায় আসে না। কালচার মানুষেরই জন্য, মানুষের যা ভাল্লাগবে, মানুষ তাই করবে। এখন কথা হল, মানুষের যদি একেবারে একটা বাজে জিনিস ভাললাগে, আর গণহারে সবারই, তাহলে এই ম্যাসিভ মেন্টালিটি পরিবর্তনের পেছনের মনস্তত্ব জটিল হয়। কারণ সবাই একভাবে ভাবে না। সেটাকে কমন থিওরীর আওতায় আনা কষ্টের। তবু সেটা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলাম। Click This Link ]
আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে একটা মেয়ের কৈশরবলে বলতে গেলে একেবারেই নেই। সে তখন সবার চোখে ‘বড় হয়ে গেছে’। তার ফিজিকাল পরিবর্তন চোখে পড়ার সাথে সাথে এলাকার অন্যান্যদের কাছে সে তখন বড় মেয়ে।
কিন্তু তার বাসায় কী ঘটে? বাবা মা এর চোখে একদিনেই কী মেয়েটা বড় হয়ে যায়? বাবা মা ত জানেন যে, মেয়েটা এখন সবকিছু বোঝে না।
ফলে মেয়েরা একদম ধরণের ডায়ালেমায় পড়ে যায় এই বয়সাটায়। বাসার বাইরে গেলেই সে বড় মেয়ে আবার বাসায় ফিরলেই সে ছোট মেয়ে। পরিবেশের খুব দ্রুত এই পরিবর্তনের কারণে অনেকেই মানসিকতা ইমব্যালেন্সড হয়ে পড়ে। যদি এমন হয় যে, সে বাসাতে থাকে বেশি, কিন্তু বাইরের “বড় মেয়ে” পরিচয়টা তার বেশি পছন্দ তখনই এই সমস্যাটা হয়।

আমরা এটার প্রায়োগিক উদাহরণ দেখতে পারি। এমন অনেক ইন্নোসেন্স বা নিষ্পাপ টাইপ মেয়ে অহরহ দেখা যায় যে, সারাদিন পড়াশোনা করতেছে বা এমনিতেও স্বভাব চরিত্র ভাল। কিন্তু জামাটা অতিরিক্ত টাইট যেন দেহ সৌষ্ঠব জোর করে দেখানোর চেষ্টা। অথবা, গলাতে ওড়না বা হাতে। কিংবা হয়ত একপাশে। সেই মেয়েটার সাথে টাংকি মারতে যান, দেখবেন পাত্তাই দিল না। তখন, স্বাভাবিক ভাবেই মনে হবে, আরে, সব দেখায়া বেড়াইতেছে, আবার দেখতে গেলে দোষ !!! আমি উচ্চবিত্তের রোব কিন্তবা টিশার্টের কথা কিন্তু বলছি না, ওদের পরিবেশ আলাদা। আমি বলছি মধ্যবিত্তের বুকের উপর থেকে গলায় ওড়ানা উঠে যাবার কথা। এরা নিজেরা কিছু দিকে বাচ্চা রয়ে গেছে, কিছু দিকে বেশি পাকনা। ক্লাস ফোরের একটা মেয়ে নিশ্চয়ই গলাতেই ওড়না দিবে। সে ত বাচ্চা। কিন্তু এই বাচ্চা ক্লাস নাইনেই যে কত বড় হয়ে গেছে, তা সে আর তার বাসা কেউই টের পায় না। তখনও সে ছোট বেলার মতই গলাতেই ওড়না দিচ্ছে।

[সবাই এমন না, কিছু ত থাকবেই যারা দেখায়া মজা পায় !! অথবা আরও একদল আছে, এরা নারীবাদী। এরা মনে করে, আমার ঘর আমি খোলা রাখব, চোর কেন ঢুকবে !! আমাকে এই যুক্তিদিলে এর বিপক্ষে বলা যায়, কিন্তু রাস্তায় বাথরুম করলে গন্ধ ত সবার নাকেই লাগে। এখন যদি বলি তোমার কাজ তুমি করছ, তাইলে আমি কেন গন্ধ পাইলাম!! দোষ কী তাইলে আমার??? (আগের পর্বেই বুঝাইছি, যুক্তি আসলে কিছু না। ওই পক্ষ আর এই পক্ষের জন্য এরকম লক্ষ উদাহরণ দেয়া যাবে। আসলে এমন শো অফ ভাল না খারাপ সবাই জানে। যুক্তি লাগে না।)]

এই সমস্যার আরও একটা ভয়াবহ কারণ হচ্ছে হঠাৎ করে তার পিছে লাইন পড়ে যাওয়া। বাসায় এখনও সে ছোট মানুষ। টিভি চ্যনেলে কিসের সিন আসলে রিমোটের বাটন টিপে চ্যানেল ঘুড়িয়ে দেয়া হয়। সেই সময় সে এসএমএস পায়, “তোমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখতে পারলে এই জীবন সার্থক”। স্বপ্ন দেখার শুরুটা এখানেই, যার কোন ব্যালেন্স নেই। নিজের সবদিক সে খেয়াল রাখতে পারবে না, সেটাই স্বাভাবিক।

যেসব মেয়েগুলা এমন মেন্টালি ইমব্যালেন্স প্রবলেমে ভুগতেছে, তাদের কাছে পরিষ্কার বাস্তবতা তুলে ধরতে হবে যে, তুমি আসলে এখন বড় হয়ে গেছ। বাচ্চাদের মত করলে হবে না। কিন্তু সেখানে আমাদের পরিবেশের ব্যর্থতা। আমি ব্যাপারটা আরও পরিষ্কার করছি।
ধরেন একটা মেয়ে খুবই ভাল চরিত্রের। আর যথেষ্ট শালীনও। মানে, উপরে আমরা যে ধরনের মেয়েদের নিয়ে আলোচনা করেছি, সে ধরণের না। আমরা ছেলেরা দেখেন, অনেক সময় জিপার লাগাতে ভুলে যাই, হাত নাড়াই, পা নাড়াই, চুল টানি। একটা মেয়ে কী কখনও পাজামা ফিতা বাঁধতে ভুলে? সে যদি আমাদের অর্ধেকও হাত নাড়ায় বা চুল টানে, তাহলে কী তার ওড়না সবসময় জায়গা মত থাকবে? সে কী জানে যে, আমরা পিছন থেকে তার জামার ভিতরের অন্তর্বাসের চিনহ খুঁজতে ব্যস্ত? বগলের ভিতর দিয়ে বুকের দিকে তাকাচ্ছি? এই সব কী করে জানবে? তাকে বাসা থেকে কয়টা ছেলের সাথে মিশতে দেয়া হয়? আর, সব ছেলেই কী এই টাইপ? আর ছেলেরা মেয়েটাকে এসব বলবেও না। এসব বুঝতে হলে, মেয়েটাকে এই টাইপ ছেলেদের সাথে এমন ভাবে মিশতে হবে যেন এরা সব বলে দেয়। এখন এইটাইপ ছেলদের সাথে মিশে মেয়েগুলার স্বভাব নষ্ট হোক, আমরা কী এমনই চাই?

এখন এই উদাহরণে আমাদের সেই মেয়েকে প্রতিস্থাপন করেন। যার গলায় ওড়না প্যাচানো। বুক প্রস্ফুটিত। তার সাথে প্রেম করছে সেই টাইপ ছেলে যাদের এসবে সমস্যা নাই। তার কারণ,তার বড় বোন বা ছোট খালাও একই স্টাইলে ড্রেস পড়ে। তাহলে তারা তাকে কী বোঝাবে?
এই বুঝানোর দায়িত্বটা ফ্যামিলির। ফ্যামিলির সাথে এখন মেয়েদের ইন্টারকানেকশন ভাল হচ্ছে না, কারণ মা তেমন শিক্ষিত না হওয়ায় শিক্ষিত মেয়ের সমস্যা বুঝতেছে না। আর, মা ত পড়শীদের মেয়ে নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত। আর, আমাদের এই জেনারেশন থেকে যারা মা হচ্ছেন, তারা ত নিজেরাই বুকে ওড়না দিয়ে চলেন। তারা আর কী বোঝাবে। হ্যা, ঠিক মাঝে একটা জেনারেশন আছে, ধরা যাক, যাদের সন্তানের বয়স বর্তমানে ৫ থেকে ১২। এসব মা আমাদের জেনারেশন না বা তার আগেও না। এদের থেকেই আমরা কিছুটা দিক নির্দেশনা পাচ্ছি, এদের সাথে সন্তানের কানেকশন খুব ভাল। কিন্তু এই মা দের সংখ্যা কম।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, একেবারে সাধারণ মেয়েদেরও গলায় ওড়না দেয়ার মত একটা কালচার আমাদের দেশে ‘এখন’ কেন চালু হয়ে গেল! আরও সেটা আগে কেন হয় নি? এই ব্যাপারে দুটা ফালতু যুক্তি হল, আগে ধর্মীয় প্রোটেকশন বেশি ছিল আর আগে হিন্দী চ্যানেল আমরা দেখতাম না। এই দুটাই কোন যুক্তি না। কোনটা ভাল আর কোনটা খারাপ, তা সবাই বোঝে। ধর্ম বা চ্যানেল লাগে না। গৃহিনীরাই হিন্দী চ্যানেল বেশি দেখে। তারা ত মাছাক্কালি পড়ে না, পড়ে তাদের মেয়ে। তাহলে এই সময়ে কালচার পরিবর্তনের কারণটা কী? কারণটা হল, আগে মেয়েরা ঘরে থাকত বেশি। ঘরে তার বান্ধবী হত, ভাবী আর খালা আর ফুফুরা। ভাবী, খালা ফুফু যখন তাদের “উনি” কী করে, কিসব বলে এসব নিয়ে কথা বলে, মেয়েটা তখন শুনে শুনে অনেক আগে থেকেই বড় হয়ে যায়। আর বাসার বাইরে সে ত এমনিতে বড় মেয়ে। কিন্তু এখন সেটা হয় না। এখন মেয়ে কোচিং এ যায়। ফুফুও সিনেমা দেখে আর ভার্সিটি ঘুরে ব্যস্ত। খালা আর মা করছেন ভাইয়ের বউ নিয়ে গবেষণা। সবচেয়ে বড় কথা, এখন জায়ান্ট ফ্যামিলি আছেই কয়টা? সব ত সিঙ্গেল। ভাবী ছাড়া আর কেউ পাশে নাই। ভাবী নিজে ওড়নাই দেয় না।
এই কারণে আগে বলা হত যে, মেয়েরা ছেলেদের চাইতে দ্রুত এডাল্ট হয়। কিন্তু এখন অবস্থা অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখন ছেলেরা অনেক কিছু বোঝে আর মেয়েরাও বোঝে। পরিবেশ একই যে, সবাই এক কোচিং এ যায়। সমাধানটা করতে পারে শুধু সচেতন ফ্যামিলি। নইলে এই পরিস্থিতির কোন সমাধান নেই। ফ্যামিলি বলতে শুধু মা না, বরং এগিয়ে আসতে হবে ভাই কে। বোন করলেই সে ভাবছে এটা ঠিক, ব্যালেন্স থিওরীতে। কিন্তু তাকে বুঝতে হবে যে, এটা ঠিক না।আর বুঝাতেও হবে।

ছেলেরা আন্ডারওয়্যার পরে দুটা কারণে। জিপারে যেন প্যাঁচ না খায় ।আর রাস্তার মাঝে কোন কারণে উত্তেজিত হয়ে গেলে মানুষের সামনে যেন বিপাকে পড়তে না হয়। কিছু কিছু সুশীল বলেন, মেয়েরা ওড়না না দিলেই সমস্যা টা কী!! যারা তাকায় তাদের দোষ। উনারা সম্ভবত আন্ডারওয়্যার পড়ে না বলে বুঝেন না। আমরা একটা পড়ব, মেয়েরাও একটা পড়ব- ব্যাপারটা তেমন না। বরং যার যার কারণ অনুযায়ী যার যেভাবে পড়তে হয়, সে ততটা সেভাবে পড়বে। সেটাই হিসাব। যারা বাজে দৃষ্টিতে তাকায় তাদের পক্ষ আমি কোন ভাবেই নিচ্ছি না, কারণ এতে একটা ভাল মেয়েও হেনস্থা হতে পারে সেটা উপরে বড় প্যারা করেই বুঝিয়েছি। আবার, কেউ দেখিয়ে বেড়াবে, তাকে আমি সাপোর্টও দিব না।

একেবারে আমজনতা স্তরে আমাদের এই কালচারের পরিবর্তনটা কেন হল এটাই আমি ব্যাখ্যা করলাম। একেবারে নরমাল মেয়েগুলা এরকম একটা বাজে ব্যাপারকে এভাবে কি করে সার্বজনীন করে নিয়েছে, সেটাই আমি বুঝাতে চাইলাম। এটা সাধারণ কালচারাল পরিবর্তন না, এটা বড় ধরণের মানসিক পরিবর্তন। অলস ছেলের পোস্টের মত আরও যারা এসব মেয়েদের আচরণে কনফিউশনে পড়ে গিয়েছিলেন, সম্ভবত উনারা উত্তর পেয়েছেন।
বর্তমানের অনেক প্রেমিক প্রেমিকার গিফট ডিপেন্ডেন্ট রিলেশনে মেয়েদের মনস্তত্ব নিয়ে গবেষণা করছি সামনের পর্বে। ছেলদের কথাও কিছুটা আসবেই। তার পরে ফাইনাল পর্ব।

© আকাশ_পাগলা
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০১
১৮টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×