আমার প্রিয় পোস্ট

কত কিছু যে করতে চাই, তবুও কিছু করতে না পারার দায়ে মাথা খুঁটে মরি ।

তারা আসলে লুল !! (ট্রাকভর্তি নারীবাদী ডায়লগে ভর্তি)/:)/:);)

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

শেয়ারঃ
0 96 2

এক দৈত্য আছিল খুবই পেটুক। সারাদিন মানুষ ধরত আর খাইত। কিন্তু চাইলেই ত আর যার তার উপর ঝাপিয়ে পড়া যায় না। একটা না একটা কথা দিয়ে ঝগড়া লাগে, পরে তার উপর ঝাপিয়ে পড়ে। ত সব উছিলা যখন শেষ, তখন উপায় খুজতে অনেক সাধনা করল সে।
একটা বাগান বানালো। সেখানে খুব সুন্দর সুন্দর ফুল দিয়ে ভরায়া ফেলল। সেটার কোনই দেয়াল নাই। মানুষ জন তাকায় আর অবাক হয়ে যায়,”এত সুন্দর বাগান কার !!” পরে আর কী! দৈত্য ঝাপায়া পড়ে তার উপর,” ঐ শ্লা তুই আমার বাগানের ফুল দেখলি ক্যান? তুই আসলে লুল। আইজকা তোরে খাইসি।“ ;)
আরও কিছুক্ষণ পরে দৈত্য ভরপেটে ঢেকুর তোলে।
------
কোন এক কালে এক সাংবাদিক ঢাকা শহরের মেয়রের কাছে জানতে চাইল, এই যে এত নোংরা আবর্জনা রাস্তা ঘাট ভরিয়ে ফেলছে। দেখতে ত খুবই খারাপ লাগে। খুব খারাপ গন্ধ। এ ব্যাপারে কী সরকারের কোনই দায়িত্ব নেই?

ত সেই মেয়র উত্তর দিল, “দেখেন বাঙ্গালীরা কোন দিন শুধরাবে না। সরকার ত মানুষের দায়িত্ব নিবে, ময়লার ত না। মানুষ ময়লার দিকে তাকায় কেন? ময়লার গন্ধ না নিলেই পারে।
যাদের মনে গন্ধ তারাই ময়লার গন্ধ পায়। তারা আসলে লুল।“
--------------
সেদিন একজন তর্ক করল(ব্লগের জ্বালাময়ী নারী,আধুনিক নারীবাদী) যে, মেয়েরা কেন ওড়না পড়বে? চাইলে আমি শর্ট ড্রেস পড়তেই পারি। ছেলেরা বুকের দিকে তাকাবে কেন? নিজেদের সামলে রাখতে পারে না?
উপরের গল্প দুইটা যারা পড়ছেন, তাদের নিশ্চয়ই বলতে হবে না যে এই কথার উত্তর কী !! আধুনিক নারীবাদীরা বুঝবে না । সাধারণ মানুষ বুঝবে।
শুধু একটা কথা জিজ্ঞাসা করি, রাস্তার আলতু ফালতু পোলাপান আপনার বুকের দিকে তাকালে কী খুব গর্ববোধ করেন? জানি ত, ফোঁস করে উত্তর দিবেন,” তোরা লুল, তোরা তাকাস ক্যান? ” এই প্রশ্নের উত্তর হল উপরের দুই গল্প। ফুল বলেন আর ময়লা যেটাই ভাবেন, দুই গল্পের বিষয়বস্তু একই। আমার চোখের সামনে ধরেন তাই তাকাই। গর্বে আপনার বুক আরও ফুলে যায়। আমি লজ্জা পাই, কেউ কেউ মনে মনে অশালীন হাসি দেয়।
[ওইসব মানুষকে বিরক্ত লাগে, যারা বলে ছেলেদের তাকানোটাই স্বাভাবিক।ওরা নিজেরা বুঝে না যে কী বলতে হবে আর সেটা না বুঝেই মানুষকে উলটাপালটা বলে। ছেলেদের তাকানোটা মোটেও স্বাভাবিক না, বরং এর রিপ্লেসড শব্দটা হবে, ”যাদের যাদের চোখের সামনে আসবে তাদের”]
--------
৫০০ বা তারও বেশী টাকা দিয়ে লিপস্টিক কিনে কিছু নারী জাতি যখন নারীবাদী ডায়লগ দেয়, তখন আমার খুব হাসি লাগে। যখন তারা চিল্লাপাল্লা শুরু করে যে, “পুরুষরা নাকি তাদের জোর করে পণ্য বানাইছে,” তখন শুনতে খুব মজা লাগে। উনারে পুরুষরা খুব জোর করে, পিলিজ লাগে একটা লিপস্টিক কিনেন। না কিনলে সংবিধান অবমাননা হবে ;) !! উনি লিপস্টিক কেন দিলেন? এত দামী মেকাপ বক্স কেন? এত বড় ঝুমকা কেন? স্বর্ণের গহনাই বা লাগবে কেন? কারণ আমিও জানি, উনারাও জানেন। কারণ হল, উনাদের যেন সুন্দর লাগে। আর পুরুষের চোখে সুন্দর লাগানোটাই যদি ফ্যাক্ট হয়, তাহলে আফু এত পণ্য নিয়ে ডায়লগ ক্যান দেন?
আমার কাছে কিন্তু মেয়েরা সেজেগুজে আসলেই ভাল লাগে। আমি নিজেও শার্ট চয়েস করতে গেলে বেছে দেখি যে কোনটাতে আমাকে ভাল লাগবে। এই জন্যই কিন্তু আমি ডায়লগ দেই না যে, অপর পক্ষ আমাকে পণ্য বানাতে চায়। যদি আমি বলতাম যে, আমি ত পুরুষ, সবাই আমার পিছে এমনিই ঘুরবে বরনং তাইলেই এটা পুরুষবাদী ডায়লগ হত।
একটা মেয়ে যখন সেজেগুজে থাকে, তখনও সেটা পুরুষবাদী ধারারই স্রোত। যেখানে সে যোগ দিয়েছে নিজে। আধুনিক নারীবাদী মেয়েরা পুরুষতান্ত্রিক সবচেয়ে বেশি। মুখে নারীবাদী ডায়লগ, কিন্তু ঠোটে লিপস্টিক যেন সেই ডায়লগ বাকিদের কাছে ভাল লাগে। আহা! আমরা দেখি, আমরাই ত লুল।
ব্লগের বিখ্যাত এক নারী, সেই নারীবিদ আমাকে অমোঘ ডায়লগ দিলেন, আমি ছোট মানুষ বলেই নাকি বুঝি না যে, মেয়েরা আসলে নিজেদের জন্যেই সাজে। নিজেদের গন্ধ একটু শুকে দেখবে, নিজেদের সাজলে কেমন লাগবে, সেটা জানার জন্যেও নাকি সাজে।
আমি চিন্তা করে দেখলাম, আসলে এটাই সব সময় হয়। সচেতন মহল মাত্রই জানেন যে, মেয়েরা নিজেদের দেখার জন্য সেজেগুজে গরেই বসে থাকে। আর বাইরে যাওয়ার সময় কখনই সাজে না ;)। আমি ছোট মানুষ ত তাই বুঝতে পারি নাই। আসলে কিছু মানুষ থাকে, যারা নিজের মতবাদকে নিজের সত্ত্বা ভাবে। আর ভুল হলেও উলটাপালটা যুক্তি নিয়ে আসে। বুঝে না যে, এটা আসলে নিজেকেই ঠকানো।

আমি কিন্তু মোটেই সাজগোজের বিপক্ষে না। কিন্তু যে সাজগোজ করবে, সে যখন বলে যে কেন আমরা পুরুষদের মনোরঞ্জন করব? কেন আমরা পণ্য হব, তখন ত আমি হাসলে তাদের গায়ে লাগে ক্যান বুঝলাম না।
বিজ্ঞাপণের মডেলরা নিজেদের পণ্য বানায়, সেজেগুজে মনিটরের বিজ্ঞাপণ দেয়, “আমার ড্রেসে মতই পাতলা আর এই ড্রেসের কাপড়ের মতই স্বচ্ছ ছবি।” সরাসরি বলে না, কিন্তু আইডিবির সামনে ল্যাপটপের বিলবোর্ডে হাফপ্যান্টেরও ছোট একটা প্যান্ট পরে মেয়েটার বসে থাকার মানে এই স্লোগান ছাড়া আর কী হতে পারে বুঝলাম না ! মনে আছে, এরকম আরেকটা বিলবোর্ডের বিপক্ষে লিখে এক ব্লগার আধুনিক নারীবাদীদের মাইনাসের বন্যায় ভেসে গেছিল।
মডেলিং এর জন্য দেখি নারী জাতি পাগল। এরাই নিজেদের পণ্য বানিয়ে দর্শকদের লোভ দেখায়। টাকা হবার পর, যৌবন শেষে এরা নারীবাদী সংগঠনের প্রধান হয়।

---------------
জগদ্বিখ্যাত মনীষী আকাশোটাশকির (;)) মতে, আমি যার দুপুর বেলার খাবারের টাকা দেই না, সে দুপুর বেলা কী পড়ে বের হবে তা ঠিক করে দেবার অধিকারও আমি রাখি না।
কিন্তু, কিন্তু, আমি যা পারি, তা হল, মনে মনে ঠিক করতে যে, এ ভাল আর এ খারাপ। আর আমি মনে মনে তাকে ভাল বা খারাপ যাই বলি না কেন, সে আমাকে কিছু বলতে পারে না। কারণ আমার দুপুরের খাবার টাকা সে দেয় না, তাই দুপুর বেলা তাকে দেখে আমি কী ভাবব সেটা সে ঠিক করার অধিক্র রাখে না।
সে তার যা ইচ্ছা পড়ুক, আমি তাকে যা ইচ্ছা মনে করব।
আর যাকে যা ইচ্ছা করার অধিকার না দিলে আমি বুঝব কী করে যে, কে ভাল আর কে খারাপ !!

------------
মেয়েদের টিজ করা নিয়ে মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট আসে। সেখানে আধুনিক নারীবাদীদের কিছু ডায়লগ দেখে মাঝে মাঝে হাসি লাগে। এরা যে টিজের সাথে পরিচিত শুধু খবরের কাগজ আর সিনেমা আর কাহিনী শুনেই, সেটা পরিষ্কার বুঝা যায়।
একটা বখাটে ছেলে যে, মেয়েদে বিরক্ত করে সে জাতির সবচেয়ে নিকৃষ্ট সন্তান। আর, সামনে বা পরে তার থেকে অন্য কোন ভাল কিছুর প্রত্যাশা করাটা বোকামী। বা যদি এমন ভাবেন যে তার অন্য কোন ভাল গুণ থাকতে পারে, সেটাও বোকামী। কারণ তার মানবিকতাই নাই, তাই আর কোন ভালগুণ থাকারও কথা না।
আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি তা হল, একটা বখাটে ছেলের কাছ থেকে আপনি ভাল কিছুই আশা করতে পারেন না। তাও, তাও তার টিজিং এর দুটা ভাষা থাকে। এটা যারা দেখছে, তারাই জানে। একটা আজেবাজে ড্রেস আপের মেয়ে সামনে দিয়ে গেলে ওরা ঘেউ ঘেউ করে যে, “ ওররে কত্ত বড় রে, কত্ত মজা হইব রে।চাকুম চাকুম। মজাই মজা। ” আর একটা ভদ্র মেয়ে গেলে ওরা ঘেউ ঘেউ করে যে, “ এইটা আমার বউ। ওরেই আমি চাই। তোরা সবাই ভাবী ডাকবি। ”
দেইখেন, আমি “ ঘেউ ঘেউ করে ” টার্মটা ব্যবহার করছি। কেউ আবার বইলেন না যে আমি ওদের ভাল কইছি। আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি তা হল, পাশাপাশি দুটা সংখ্যাকে যা দিয়েই মাল্টিপ্লাই করা হোক না কেন,ইনপুটের গুরুত্ব থাকেই। আপনি ভাল হলে, আপনি সবার থেকে সাপোর্ট পাবেন, আর নইলে সবাই মজা দেখবে। মজা দেখতে সবাই ভালবাসে।
[যারা এসিড মারে কিংবা ধরে নিয়ে যায় বা রেপিস্ট, তারা কিন্তু টিজার না, সন্ত্রাসী। তারা শুধু মেয়েদের ধরে তা না, তারা রাস্তায় ছেলেদেরও ছিনতাই করে। ব্যাপারটাকে অনেকে গুলিয়ে ফেলে। ওখানে এইসব কুকুর যাদের কামড় দেয়, তাদের কোন ভূমিকাই নাই।যাই হোক, এইটা আর উপরে বলা বিষয় এক না। সুতরাং এই বিষয়ে উদাহরণ টেনে এনে যুক্তি দেখানো ফ্যালাসি ছাড়া কিছু না।]
-----------
বস্তিতে কত মানুষ বউ পেটায় সেই খবর জানেন? রক্ষণশীল ভড়ংবাজ পরিবারগুলোতে মেয়েগুলোর ইচ্ছার বিরুদ্ধে কত বিয়ে হয় সেটার এক্যুরেট পরিসংখ্যান কয়জনের কাছে আছে? কৃষিক্ষেতে যারা কাজ করে সে সব মহিলারা সারাদিন পর্দা নিয়ে চিন্তা করলে হাটতেই পারবে না। হাটু পর্যন্ত শাড়ি উঠিয়ে সবার সাথে কাজ করে, তখন এদের স্বামী কিছু বলে না। কিন্তু মাথা থেকে ঘোমটা নামালে তালাক হয়। যৌতুকের জন্য কত শত মেয়ে অত্যাচারিত হয়েছে সারাটা বছর। এসব কারও চোখে পড়ে না?
এভাবে যারা অত্যাচারিত হয়, মানবতার অধিকারগুলোই তাদের কাছে নারী অধিকার। তারা শর্ট ড্রেস পড়ার অধিকারের জন্য আন্দোলন করে না, লিপস্টিক ঠোটে দিয়ে মুখে ওড়না না দিলে চলতে কত সুবিধা সেসব নিয়ে ডায়লগ দেয় না। এরা খেয়ে পড়ে বাঁচার অধিকার চায়, আর সম্মান চায়। যেটা তাদের প্রাপ্য, মানুষ ইসেবে,মায়ের জাতি হিসেবে।

আফসোস, আধুনিক নারীবাদীরা এসব খেটে খাওয়া নারীদের পক্ষে কখনই কথা বলে না। মেয়েদের ওয়েস্টার্ণ ড্রেস পড়ার অধিকার নিয়েই তারা লাফায় বেশি। ওই যে, আকাশোটাশকি বলেছেন, “সবাই মজা নিতে ভালবাসে রে মামা। সব্বাই মজা নিতে চায়।“ এই আকাশোটাশকি আসলে পুরাই লুল।
আফসুস, আফসুস।
মেয়েদের নিয়ে লিখছি, অনেক ভড়ংবাজ নারীবাদীর গায়ে লেগে গ্যাছে। পুরা পোস্ট পড়ার দরকার নাই। গায়ে লাগলে এমনিই মাইনাস দিয়ে যান।
ইনারা আবার পুরা কথা কখনও শোনেন না। উনাদের গং ছাড়া অন্য কেউ নারীদের নিয়ে এক দুই লাইন বললেই সাথে সাথে ঝাপাইয়া পড়েন, জ্ঞান দেন। একজন বলে যাবেন, “শিক্ষিত ছেলেরা এমন চিন্তা করে দেখে লজ্জায় মাথা নুয়ে যায়।” কিছু না বুঝেই চ্যাট সাইটে কমেন্ট করবেন, “ মেয়েদের নিয়ে ও পোস্ট দিছে এটা দেখার সাথে সাথে মাইনাস দিয়ে আসছি। ” আফসুস। আফসুস।
(এই পোস্টটা নিজের শোকেসে রাখব ঠিক করছি। আধুনিক ভড়ংবাজ নারীবাদীদের কমেন্ট আর পোস্ট পেলে ওখানে যেয়ে এটার লিংক দিয়ে আসব। হিটাকাংখী মনোভাবের জন্য নিজেরেই আফসুস দিলাম।;) )
© আকাশ_পাগলা

 

প্রকাশ করা হয়েছে:   বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: নারীবাদী হইবো বস!

কঠিন হইছে:)
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

২. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৩
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: শুভ ব্যান, মাইনাস, ফ্লাডিং, রিপোস্ট, নারীবাদী আক্রমণ মুবারক!
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: শুভ ব্যান ??? !!!

ডরাইছি।

একটু দুয়া কইরেন।

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৫
কালপুরুষ বলেছেন: বিশাল সাইজের লেখা। ধৈর্য ধরে পড়ে গেলাম। মন্তব্য কি করবো বুঝতে পারছিনা। কথাগুলো যৌক্তিক মনে হলো। আসলে সবই দৃষ্টিভংগির ব্যাপার। কে কোন জিনিষ কিভাবে নেয়, কার কাছে কোনটা মানাসই, কে কেমনভাবে চলবে ফিরবে, কে কি ব্যবহার করবে সবই আপেক্ষিক ব্যাপার আর তা মানুষ মাত্রেই বদলাতে পারে বা দৃষ্টিকটু বা দৃষ্টিনন্দন যে কোনটাই হতে পারে। এ নিয়ে বিশাল তর্ক বিতর্ক চলতে পারে তবে সমাধান বা ঐক্যমতে পৌঁছানো মনে হয় দুরুহ ব্যাপার।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: আসলেই দৃষ্টিভঙ্গীর ব্যাপার।

তা তো বটেই। কেউ মজা দিয়ে মজা পায়, আবার কেউ বিব্রত হয়।
আমার কীই বা বলার আছে।

এত পড় পোস্ট কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।।

কবি যদি হতে পারতাম, তাহলে কবিতা লিখতাম।

৬. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৫
রাফাত সাদাত বলেছেন: এককথায় প্রিয়তে। পুরোটা পরে পড়ব।

"আইডিবির সামনে ল্যাপটপের বিলবোর্ডে হাফপ্যান্টেরও ছোট একটা প্যান্ট পরে মেয়েটার বসে থাকার....." আসলেই জুস !!!! :P :P :P :P :P
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: কী আর কমু !!
বয়সের দোষে উলটা পালটা আমার দিকে চোখ যায়। আমি আর ভাল হইলাম না !! আফসুস।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৭. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৬
বৃত্তবন্দী বলেছেন: সরি পাগ্লা, তোমার অনেক কথার সাথেই একমত না...
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ভুল গুলি একটু ধরায়া দিলে নিজেকে শুধরানোর চেষ্টা করতাম।

কষ্ট করে এত বড় পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৮. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৭
নিরীহ মানুষ বলেছেন: এইখানে দেখি লুলের মেলা বসেছে..........তাই আমিও যোগ দিলাম
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: আমিও দিলাম।

পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৯. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৯
ক্ষত্রিয় বলেছেন: সাবাশ আকাশ পাগলা! সাবাশ! মুখোশ খুলে দিয়েছ!

+++++++++++++++++++++++++
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৩
নিরীহ মানুষ বলেছেন: অফ টপিক........... সামুর সবচেয়ে বড় লুল কেডা কেও কৈতারেন?????
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: ইয়ে আমি লিস্ট করলে নিজেরে প্রথম দিকেই রাখুম। কিন্তু সেইটা সামু তে না, বরং বাইরে।

ঠিক সামুর ভিতরে কারে রাখুম বুঝতাছি না।

১২. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৩
অলস ছেলে বলেছেন: ইয়ো ম্যান! ইউ রক। ইউ নো, আজকাল আন্ডার্গ্রাড পড়ুয়াদের মাঝেই যে জীবনবোধ সঞ্চারিত হয়েছে, দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে যাই। তোমাদের যে ম্যাচুরিটি, আমরা বুড়ো হয়েও এখনো তা পেলুম না। তোমাদের কে দিয়ে হতেই হবে। একবার এক দু:খী দু:খী সন্ধায় এক দোস্ত পুরানা বাণী নতুন করে দিছিলো, বুঝলি... দুনিয়া হৈলো শুধুমাত্র দুইটা জিনিসের জন্য।। আসলেই দুনিয়া দুইটা জিনিসের জন্য। জীবনকে বুঝতে হবে। জীবনের অন্তর্নিহিত লক্ষ্য অনুসন্ধানে এ দুই এর অন্যতম এক প্রসঙ্গে এ পোষ্ট এক মাইল ফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিশেষত, বিভিন্ন মতবাদ এসেছে যেখানে বিভিন্ন বৈচিত্র পিয়াসু মানুষের আকাঙ্খার স্ক্রীনসেভার হিসেবে। একবার কথা প্রসঙ্গে বিশিষ্ট দার্শনিক ও সকলবাদী মানবসেবক ড. ডিকয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, পুরুষ হিসেবে আমি প্রচন্ড লজ্জিত মানুষ হিসেবে আমি অমানবিক, কারণ সংক্ষিপ্ত পোষাকে ত্যাড়া হয়ে দাড়িয়ে থাকা মডেলদেরকে দেখলে আমার মানবতাবাদি চিন্তাভাবনা সাময়িক লুপ্ত হয়ে আমি দৃঢ় হয়ে যাই।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: ইয়ো ম্যান !!! :( :(
আসলে এখন মানুষ ত অনেক। তাই অনেকে অনেক দিক ভাবে। এটাই আসল কথা।

বিখ্যাত মনীষী আকাশোটাশকি বলছেন, “সবাই মজা নিতে ভালবাসে রে মামা। সব্বাই মজা নিতে চায়।“ সে মনে হচ্ছে ডঃডিকয়ের বাংলা ভার্সন। হে হে

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৩. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৩
ইমতিয়াজ জামিল বলেছেন: জটিল হইসে....কেন যে মাইনাস দিলাম না...+ দিতে হইল
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৪. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৫
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: আপাতত সংগ্রহে রাখলাম.. পড়ে কমেন্ট করুম..
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।

১৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৮
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: সবগুলোর সাথে একমত না, তবে কিছু কিছু কথা খুব ভাল
বলছেন ।
ঘেউ ঘেউ এর জায়গা টুকুকে স্পেশালি ++


যুক্তির একটা সমস্যা আছে আমি যদি বলি আমি যুক্তির কথা বলছি আপনি কিন্তু বলতে পারেন কোন যুক্তির কথা বলছেন?!


কিছু মানুষ থাকে যারা নিজের মতবাদকে শতভাগ সত্য ভাবে, বিপরীত মতবাদ কে ছেনেছুয়ে দেখে না । আময়াদের কারোর ই উচিত হবে না সেই সব মানুষদের মধ্যে পড়ে যাওয়া

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ শেষের প্যারাটাই।

কোনো জায়গায় ভুল থাকলে তা শুধরে দিলে খুশি হব।

পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৬. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
দন্ডিত বলেছেন: পাগলা কিছু জায়গায় পেচাইয়া ফেলছো। তোমার লেখা আরেকবার নিজে পড়। এইটুকু বেনিফিট অফ দ্যা ডাউট তুমি পাইবা। তারপর বাকিটুকু বলুম।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: ভাষার সীমাবদ্ধতায় ভুগতেছি অনেক দিন ধরেই। একারণেই চেষ্টা করেও লেখক হতে পারলাম না।

পয়েন্টগুলি ধরায়া দিলে খুশি হইতাম। শেষের প্যারা নিয়ে কিছু বললে ভাল লাগত।

১৭. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
জনৈক আরাফাত বলেছেন: প্রবলেম হইলো কেউ পুরোটা না জেনে বা শুনেই তালগাছ চাই।
লেখা মোটামুটি পছন্দসই হইছে!
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৮. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
রনি রাজশাহী বলেছেন: খারাপ না। ফেভারিটে রাখলাম।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৯. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: জটিল বিশ্লেষণ ... সাব্বাস :)
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২০. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৯
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: মাইয়ারা যখন ডায়লগ দেয়,

"আমরা মুখে চুনকাম করি নিজের কাছে ভাল লাগার জন্য, চুলে পাম দিই নিজের কাছে ভাল লাগার জন্য, কাউরে দেখানোর জন্য না, কারো কাছে ভাল লাগানোর জন্য না, কারো প্রশংসা পাবার জন্য না, সাজতে ভাল লাগে তাই সাজি।"

গোলমাল বাধে যখন মাইয়াদের এই চারটা ডাল ভাত খাবার মৌলিক অধিকার নিয়া পোলারা ঘেউ ঘেউ করে। অফু আফনাকে সোন্দর লাগতাছে কইলেই, অসভ্য বেটা ছেলের জাত কাইয়া গাল আর চটকানা দিয়া দিব। কিন্তু গোপনে বান্দুবীদের কাচে গিয়ে কইবো, জানোছ আজকা পোলা গোর কাছে বিশাল মার্কেট পাইলাম, সেই চান্স মত দাবড়াইয়াও দিছি এক চান্দুরে....
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: হে হে হে
পুরা কোপায়া দিসেন।

২১. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২০
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: পয়েন্ট অফ ভিউ - জিনিশটা বড়ো খতরনাক। নিজের মতের বাইরে সবকিছুরেই ঝাপসা করে দেয়।

কোনরকমের সিদ্ধান্তমূলক কথা বলবো না। কারণ তাতে আসলে শেষমেশ কোন সিদ্ধান্তে আসা যায় না। তবে যে ফ্যালাসির কথা বলছেন, সেরকম ফ্যালাসি কিন্তু এই লেখাতেও আছে- এটুকু খালি বলতে পারি।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: সেটাই ত ফ্যাক্ট। পয়েন্ট অব ভিউ। কেউ কেউ মানুষকে মজা দিয়ে মজা পায়, কেউ বা বিব্রত হয়।

কী আর কমু !!

পোস্ট মাত্রই কিছু না কিছু ভুল থাকবেই। কোন ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে খুশি হব।

২২. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪২
সাগর ঢাকা বলেছেন: মেয়ে দের রূপের প্রসংসা করলে বলবে....ধান্দাবাজ , চরিত্র হীন ...আর না করলে বলবে ...রুচি নাই ...বড়ই আজব ..
লেখা ভালো হইছে ..একটু বড় ..কিন্তু দরকার ছিলো ..আপনি তো পাগলা না...নিক বদল করেন :)
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: কী যে বলেন ভাই। পুরা পোস্টে যা বললাম, সবই ত পাগলের প্রলাপ।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৩. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: হিপোক্রেসির ব্যাপারটায় একমত ।

আর তোমার অকপট প্রকাশভংগীতে + ।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: হে হে হে
কী আর কমু।

কী কী ভাল লাগল না সেটা বলে গেলে ভাল লাগত।

কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৪. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০১
দুরের পাখি বলেছেন: পড়ছি আগেই । অল্প কথায় মন্তব্য করতে ইচ্ছা করতাছিলো না । তাও যখন ডাইকা আনলা , আইলাম । সামনের শনি-রবি উইকেন্ডে বিস্তারিত বলবো ।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: ডরাইছি। তবুও অপেক্ষায় রইলাম।

তয় যাই বলেন পরে উলটা এপ্রোচ নিয়েন না (আগেই সতর্ক করে দিলাম, কারণ আপনি একদিন প্রায় ২০ নাম্বার কমেন্টটার মত একটা কথা বলছিলেন চাপ্পুতে। আমাকেই বলছিলেন। এখন উলটা এপ্রোচ নিয়েন না। কারণ, ওই কমেন্ট দেখেই আপনার কথা মনে হইছে।)

২৫. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০১
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: পাগলা, ভুলটা সহজ। চিন্তা আর কাজের পার্থক্য।

একজন মেয়েকে দেখে একজন পুরুষের চিন্তা, বা একজন পুরুষকে দেখে একজন মেয়ের চিন্তা আকর্ষণমূলক হতে পারে, এমনকি তীব্র আকাঙ্ক্ষা হওয়াটাও অস্বাভাবিক। তবে সেই চিন্তাটাকে অনেকেই কাজে পরিণত করে না। যারা করেন না, তাদের ফিল্টারিংটা সমাজের শিখিয়ে দেয়া। যারা করেন, তারাও এই ফিল্টারের কথা জানেন (সভ্যতা, ভব্যতা, শালীনতা, সহনশীলতা ইত্যাদি), তারপরেও কোন মেয়ের নিতম্ব বা স্তনে হাত পড়ে, তারা শিস শুনে, কটূক্তি শুনে, অনেকের সুযোগমতো ওড়না বা পোশাকে হাত পড়ে (পুরুষ-লাঞ্ছনার উদাহরণ পেলাম না)।

এখন, চিন্তা করা আর কাজের পার্থক্যটা হলো, চিন্তার কোন শাস্তি নাই কারণ সেটা নিজস্ব মাথায় থাকছে। যাকে নিয়ে চিন্তা সে জানছে না। কিন্তু উপরে উল্লিখিত ধরনের কাজগুলো একজন মানুষের সম্ভ্রমে হাত দেয়, তার নাগরিক যে সুবিধা, নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা সেগুলো তখন খারিজ হয়ে যায়। সেটা একটা অপরাধ। রাষ্ট্র বা সমাজ সেটার শাস্তি দেয় না বলেই সেটা আমাদের চোখে সয়ে গেছে।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ত আমি এইটার বিপক্ষে কখন কথা বললাম রে ভাই !!

কোথায় থেকে কোথায় গেলেন??

আপনার কমেন্টের ব্যাপারে সহমত। কিন্তু সেইটা ত একেবারেই অন্য বিষয়। এখানে সেইটা কোন দিক থেকে আনলেন?

আমি পোস্টে আসলেই কী নিয়ে বলছি সেইটা একেবারেই ধরতে পারেন নাই। ব্যাপারটা দুঃখজনক। আমারই ভাষার সীমাবদ্ধতা।

ভাল থাইকেন।

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: (দেইখেন, আমি “ ঘেউ ঘেউ করে ” টার্মটা ব্যবহার করছি। কেউ আবার বইলেন না যে আমি ওদের ভাল কইছি। )

শুধু মাত্র কথা বলে টিজ করা বখাটে দেরকে জন্যেই আমি "ঘেউ ঘেউ করে" টার্ম ইউজ করসি। সেখানে আপনি যাদের কথা তুলছেন, তাদের প্রতি আমার মনোভাব নিশ্চুই বলে দিতে হবে না !!

২৬. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০২
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: টাইপোঃ ...আকাঙ্ক্ষা হওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়*
২৭. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪০
আমি এবং আঁধার বলেছেন: আপাতত শোকেসে, পরে বিস্তারিত আলোচনার আশা রাখি।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৮. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
মুরুববী বলেছেন: আই লাইকড ইট!!! ১০০% স হ ম ত
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: আপনি কী আমুর ব্লগার "মুরুব্বী"???

আপনাকে দেখে ভাল লাগলো।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৯. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৬
লুৎফুল কাদের বলেছেন: ক্ষত্রিয় বলেছেন: সাবাশ আকাশ পাগলা! সাবাশ! মুখোশ খুলে দিয়েছ

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: মাইয়ারা যখন ডায়লগ দেয়,

"আমরা মুখে চুনকাম করি নিজের কাছে ভাল লাগার জন্য, চুলে পাম দিই নিজের কাছে ভাল লাগার জন্য, কাউরে দেখানোর জন্য না, কারো কাছে ভাল লাগানোর জন্য না, কারো প্রশংসা পাবার জন্য না, সাজতে ভাল লাগে তাই সাজি।"

গোলমাল বাধে যখন মাইয়াদের এই চারটা ডাল ভাত খাবার মৌলিক অধিকার নিয়া পোলারা ঘেউ ঘেউ করে। অফু আফনাকে সোন্দর লাগতাছে কইলেই, অসভ্য বেটা ছেলের জাত কাইয়া গাল আর চটকানা দিয়া দিব। কিন্তু গোপনে বান্দুবীদের কাচে গিয়ে কইবো, জানোছ আজকা পোলা গোর কাছে বিশাল মার্কেট পাইলাম, সেই চান্স মত দাবড়াইয়াও দিছি এক চান্দুরে....
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট পেয়ে ভাললাগলো।

বস, ট্র্যাক বানানো শেষ। (র‌্যাপ + মেটাল) টাইপের কিছু একটা দাড়াইছে। কিছু উইজেটের জন্য কয়েকদিন কয়েকজনের পিছে ঘুরা লাগছে, তাই দেরী হল অনেক। আর মাঝে দিয়ে পরীক্ষাও গেল।

কালকেই বিট আর জিমির লিরিক খাপে খাপে মিলাতে বসবো।

সঠিক সময়ে আপনার দেখা পাইলাম।

৩২. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৬
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: ভাল লিখছো...
অপজিট সেক্সের প্রতি আকর্ষন সহজাত,দৈত্যের বাগানের ফুল আমাকে আকর্ষিত করতেই পারে, সেকারনে যদি লুল বলা হয়, তাতে আপত্তির কিছু নাই, একটা ছেলের একটা মেয়েকে দেখে ভাল লাগতেই পারে, সেটা অনুভবের কারনেই হোক কিংবা দৈহিক অনুভুতির কারনেই হোক,তবে সেই মেয়েকে নোংরা পর্যায়ে নিয়ে ভাবাটাই বিবেচনা, ঘেউ ঘেউ উন্নাসিকতা আর শীলতার পার্থক্য হয়ত সেখানে। আমার চোখ আমার মনে কি বিবেচনা সৃষ্টি করছে, আমার চিন্তায় কি সৃষ্টি করছে সেটাই আমার কাছে ফ্যাক্ট.. আপত্তিকর অ্যাপ্রোচের কারনে মেয়েটা যেমন দায়ী,সেটা দেখে আপত্তিকর চিন্তায়ও ছেলেটাও দায়ী, দোষে দোষে কাটাকাটি ;) ঘেউ ঘেউ অংশটার জন্য পিলাচ :)
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
+ এর জন্য ধইন্যা।

৩৩. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৭
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:


বিশ্লেষন মোটামুটি ভালুই লেগেছে........ তবে কিছু কথা একপেশে হয়ে গেছে।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩৪. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৮
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আমার একটা প্রশ্ন (সিরিয়াসলি) নারীবাদ জিনিশটা কি?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: ঠিক আমিও জানি না। অবহেলিত সবার একই অধিকার প্রয়োজন।

কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে নারীদের আলাদা করে বঞ্চিত করা হয়। যেমন, মেয়ে শ্রমিককে কম টাকা দেয়া হয়। কাজের মেয়ের উপর অত্যাচার বেশি হয়। যৌতুকের জন্য অত্যাচার।

তাই সময়ের প্রয়োজনেই এদের প্রতি আলাদা ভাবে যেসব বঞ্চনা করা হয়, তার বিপক্ষে যা মতবাদ এসেছে, সেগুলোকে আলাদা করে নারীবাদ ধরা হয়।

কিন্তু আধুনিক "ব্লগীয়" নারীবাদীরা অন্য চিন্তাধারা পোষণ করে। এরা যতগুলো পোস্ট এ পর্যন্ত দিছে আর যত কমেন্ট এ পর্যন্ত করছে সব হইল, ""কেন শর্ট ড্রেস পড়া যাইবো না। এইটা নিয়া কথা কইলে সেটা হিপোক্রেসি, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে ছেলেরাই কেন শুধু বিড়ি খায়, পুরুষরা কতভাবে নারীদের প্রোডাক্ট বানাইছে"" এইটাইপ।

এখন ধুমধাম গরীবপ মানুষদের নিয়ে পোস্ট দিলে আমার কিছু বলার নাই। কিন্তু প্রথম এই টার্ম ব্যবহার করা হতো বঞ্চিত নারীদের কথাগুলো আলাদা ভাবে বোঝাতে। এখন এই টার্মে যেসব কথা তোলা হয়, সেখানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অত্যাচারের কথা থাকে না, থাকে ডিস্কোতে পুরুষরা মেয়েদের খারাপ চোখে দেখে কেন সেইটার উপর!!
------------------
ম্যাসেঞ্জার দেখেন না কেন? কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা অফলাইন ম্যাসেজে দিছিলাম একদিন। দেখছিলেন??

৩৫. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৮
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: নারীবাদ জিনিশটা আমারে হাসাইতেছে..একটা মেয়ে আগে মানুষ তারপর তো সে মেয়ে, একটা ছেলেও তেমন, আমি তো প্রথমে ভাবছিলাম পুরুষদেরই নারীবাদী হওয়া উচিত, কারন নারীকে, নারীরুপে তো পুরুষই সম্মান করবে, তোমার কথা অনুযায়ী ঠোটে রগরগা লিপস্টিক ডলার বৈধতা আদায়ের জন্য যদি নারীবাদীতা হয়, শর্ট ড্রেসের বৈধতার জন্য যদি নারীবাদীতা হয় তাহলে নারীবাদীতার বিকৃত বিবর্তন ঘটেছে। নারী তার বন্দীত্ব থেকে মুক্তির জন্য হবে নারীবাদী, নারী তার বৈধ স্বাধীনতার জন্য হতে পারে নারীবাদী এতে আমার কোন আপত্তি নাই, শুধু মাত্র কামলা খাটা, গার্মেন্টসের মেয়েদের জন্য নারীবাদ সীমাবদ্ধ থাকবে না, পুরুষবাদীতার অস্তিত্ব হয়তো একারনেই নেই কারন পুরুষ ঘরের বাইরে আপন ক্ষেত্রে স্বাধীন, নারী তার বৈধ স্বাধীনতার জন্য নারীবাদী হোক পুরুষকে সাথে নিয়েই। যদিও জানিনা তোমার পোষ্টের আলোচনা থেকে দূরে সরে গেলাম কিনা, তবু কন্টেন্টের প্রাসঙ্গিকতায় লিখতে ইচ্ছে করল।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: সহমত।

নারীবাদের বিকৃত বিবর্তন হইছে, কারণ বিবর্তনের রুলটাই এটা। সার্ভাইভাল অফ দ্যা ফিটেস্ট। যারা বঞ্চিত তারা নিজেদের কথা বলতে পারে না। তাই তাদের কথা হারিয়ে গেছে।
আর যারা তাদের কথা বলত, এক সময়ে মানুষের যথেষ্ট সাপোর্ট পেয়েছে তারা। ফলে তারা কিছু পাওয়ার পায়। মানে মানুষের সাপোর্টটাই ত পাওয়ার।
ফলস্বরূপ, অনেকেই এখন তারা এই টার্ম নিজেদের জীবন যাত্রাকে ব্যাখ্যা করতে ব্যবহার করে। নিজেদের ইচ্ছামাফিক সংজ্ঞা দেয়।
এরাই নারীদের নারী বানিয়ে রাখে, মানুষ ভাবতে চায় না। যখন বুঝবে সবাই মানুষ, তখন আর ভেদাভেদ থাকবে না।

এখনও অনেক সত্যিকার মানুষ আছেন, যারা সত্যিকার বঞ্চিত নারীদের নিয়ে কথা বলেন। এরা আড়ালে।

৩৬. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫১
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: ম্যাসেন্জারের মেসেজ পেয়েছিলাম - তোমারে কৃতজ্ঞতার পাশে ধইন্যা জানাইলাম :)
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: মেনশান নট। ব্যাপারস না।

এখন আপনারে মেসেঞ্জারে দেখি না ক্যান?

৩৭. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১২
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: মেসেন্জারে থাকি তবে অফলাইনে যখন ইচ্ছা হবে বাজ! দিবা অবশ্যই রিসপন্স করবো।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: ওক্কে বস। আমিও অফলাইনেই থাকি। হে হে হে

৩৮. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: দু:খিত আকাশ_পাগলা, অনেক খানি পড়লাম পোষ্টের, অনেক কিছুর সাথেই একমত হওয়া সম্ভব না....
আপনার প্রকাশের চেষ্টা টা ভালো লাগছে...কিন্তু পোষ্ট ভালো লাগেনাই...(যতটুকু পড়ছি, অর্ধেকের একটু বেশি হবে)..
পরে পুরাটা পরে যদি ভালো লাগে, জানবো....
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: আচ্ছা, ওক্কে।
অপেক্ষায় রইলাম।

কেন আর কী কারণে একমত না সেটা একটু ধরিয়ে দিলে ভাল লাগত।

ভাল থাকবেন।

৩৯. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
আলোর অভিলাসী বলেছেন: ইয়ো ম্যান! ইউ রক

প্লাস....
৪০. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
আলোর অভিলাসী বলেছেন: ইয়ো ম্যান! ইউ রক

প্লাস....
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৪১. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪
এস বাসার বলেছেন: পাগলা, অনেক বড় লেখা, বরাবরের মতই পুরুটা পড়লাম। নারীবাদী শব্দটা অনেক নারীর কাছেই প্রিয় এবং অনেকের কাছে সেটা লিপষ্টক লাগানোর মতোই ক্ষনস্থায়ী, ঘরে ফিরেই ধুয়ে ফেলা আরকি।

হ্যা, নারীমুক্তি বা নারী অধিকার বাস্তবায়নে তথাকথিত নারীবাদীদের ভুমিকা যতসামান্য।

তবে আমার মনে হয় ওরাও একসময় বাস্তবতার নিরিখেই নারীমুক্তির পথে এগিয়ে আসবে , সেদিন তুমি বা আমি না হয় তাদের স্বাগত জানাবো।

ভালো থেকো।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: অবশ্যই। যখন তারা অবহেলিতদের অধিকার আদায়া এগিয়ে আসবে, আমরা ওদের স্বাগত জানাবো।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪২. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৪
অন্যরকম বলেছেন: বক্তব্যের প্রতিটি বাক্য. শব্দ, বর্ণ অক্ষরের সাথৈ একমত রে পাগলা। সরাসরি প্রিয়তে নেয়া হইল।

পোস্ট পইড়াই বুঝছি, পাগলা লুল, আমি লুল, পাঠক লুল.... শুধুমাত্র উল্লেখিত নারীবাদিরাই ফুল!!!!! ;)
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: ধা হা হা হা
জ্বী, আমরাই লুল ;)

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪৩. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫২
লুথা বলেছেন:
নারীবাদীরা "ভেডা" মার্কা ছেলে পছন্দ করে এবং আমি "ভেডা" হইতে চাই না, তাই আমি নারীবাদী মাইয়া পছন্দ করি না...

দুনিয়ার সব অশান্তির মূলে হইতেছে "নারীবাদী মাইয়া" গুলা...

মানুষের সামনে "বুক" দেখাইয়া ঘুরলে মানুষ বাজে কথা কইবোই...
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৩০

লেখক বলেছেন: হেরা শুনলে কিন্তু আপনারে খাইয়া ফেলবে।

মেয়েগুলি কেন এমন করে সেটা আমরা বুঝি। লাইম লাইটে আসার চেষ্টা। কোন মেয়ে গাঞ্জা খাইলে এরা বাহবা দিবে যে, যাক এখন মেয়ে গাঞ্জাখোর আছে।
কিন্তু ভাববে না যে, এটা কোন গর্বের ব্যাপার না। বরং মেয়েরা গাঞ্জা খায় না, এটাই গর্বের বিষয় ছিল।

তবে, নারীদের চেয়ে ইদানীং ছেলেরা এমন আচরণ বেশি করে। দুইটা কারণ, নারীদের কাছে নিজের ইমেজ, আর ""ইউনিক হওয়ার জন্য সবার মতের বিরুদ্ধে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা""।

৪৪. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৬
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম। আপনার লিংকটা অনেক পোস্টের কমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করতে চাই। আশা করি আপত্তি থাকবে না।

কিছু কিছু ব্যাপারে দ্বিমত আছে।
যেমন - মেয়েদের সাজার ব্যাপারে। যুগের সাথে সাথে ছেলে-মেয়ে উভয়ের পোশাক-আশাকে ব্যাপক চেন্জ আসছে। আমরা ছেলেরা কিন্তু চেস্টা করি, নিজেদেরকে আধুনিক পোশাকে স্বজ্জিত করতে। তেমনি একটি মেয়েও তাই চাইবে। যে পোশাক বাইরের কোন দেশে খুবই স্টাইলিস বলে চলছে, সেই পোশাকই আমাদের দেশে একটি মেয়ে পড়লে তাকে বাজে ছেলেদের টিজিং এর স্বীকার হতে হচ্ছে।আসলে টিজিংটা কিন্তু মন-মানসিকতার ব্যাপার। আপনার কথামত
"একটা আজেবাজে ড্রেস আপের মেয়ে সামনে দিয়ে গেলে ওরা ঘেউ ঘেউ করে যে, “ ওররে কত্ত বড় রে, কত্ত মজা হইব রে।চাকুম চাকুম। মজাই মজা। ” আর একটা ভদ্র মেয়ে গেলে ওরা ঘেউ ঘেউ করে যে, “ এইটা আমার বউ। ওরেই আমি চাই। তোরা সবাই ভাবী ডাকবি। ”

আমি নিজেই দেখেছি, স্কুলের বাচ্চা বাচ্চা মেয়েরা স্কুল ড্রেসে রাস্তায় অনেক খারাপ রকমের টিজিং এর স্বীকার হয়। এরা কিন্তু কেউই আজেবাজে ড্রেস পরেনি। আপনার কথা কিছু বিশেস ক্ষেত্রে ঠিক। সেইরকম মেয়ে আসলে বেশী না যারা ছেলেদের বুক দেখানোর জন্য ওরনা পরে না।

আমি কিন্তু লুল না। তবে আপনার লেখার মুল বিষয়বস্তু বুঝতে কারো কোন সমস্যা হওয়ার কথা না। আমি অনেক আপু ব্লগারদের কাছ থেকে কিছু কমেন্ট আশা করেছিলাম। যারা কিছু হলেই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার দোষ দেন।

U ROCK MAN.
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:২৬

লেখক বলেছেন: আমার খেয়াল আছে, একবার এক থানাতে ৪ বছর বয়েসী একটা মেয়ে রেইপড হয়। আমি খবরের কাগজে পড়ে হতবম্ভ হয়ে গেলাম। এখানে এই ৪ বছরের মেয়েটাকে দেখে নিশ্চয়ই ওরা আকৃষ্ট হয় নাই। ওরা সাইকো বা পারভার্ট।এ ধরণের লোকেরা শুধু যে নারীর প্রতি হুমকি ব্যাপারটা তা না, এরা সবার জন্যেই হুমকি।

(সেইরকম মেয়ে আসলে বেশী না যারা ছেলেদের বুক দেখানোর জন্য ওরনা পরে না) এই ব্যাপারটায় একটু কনফিউশন আছে। সরাসরি মেয়েরা এই চিন্তা করে না। এইটা সত্য। কিন্তু এখন রাস্তায় বের হলে আপনি দেখবেন ৭০% ওড়না ছাড়া অথবা গলার উপর। আমি মনে করি না যে,বের হলে আপনি দেখবেন ৭০% ওড়না ছাড়া অথবা গলার উপর। ""আমি মনে করি না যে,""এরা সবাই সরাসরি বুক দেখানোর চিন্তা নিয়ে ঘোরে।কিন্তু দেখাচ্ছে ত? তাই না? কারণ, এরা মনে করে ""এভাবে থাকলে সুন্দর লাগে। ইটস নিউ স্টাইল।"" এখানে "সুন্দর" কথাটা কী যুক্তিযুক্ত হবে? এখানে আসলে ""হট লাগে"" বলতে হবে।
এখন আপনি কোন মেয়েকে যেয়ে বলেন(আপনার ফ্রেন্ড না) যে হট লাগে, দেখেন আপনাকে কী করে। তখন আপনাকেই টিজার বানিয়ে দিবে।হা হা হা হা হা হা। এরা সুন্দর আর হট ব্যাপারটা মিশিয়ে ফেলে।

থ্যাংক্স ম্যান। যে কোন পোস্টের কমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করেন, আপত্তি নাই।

৪৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১০
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: যাদের নিয়ে লিখেছেন, মানে আপুরাই ত কোন কমেন্ট করলেন না :(
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি আন্ডারডগ ব্লগার। আমার পোস্ট পড়ার মত সময় উনাদের নাই।

( ....... নারীদের নিয়ে এক দুই লাইন বললেই সাথে সাথে ঝাপাইয়া পড়েন, জ্ঞান দেন। একজন বলে যাবেন, “শিক্ষিত ছেলেরা এমন চিন্তা করে দেখে লজ্জায় মাথা নুয়ে যায়।” কিছু না বুঝেই চ্যাট সাইটে কমেন্ট করবেন, “ মেয়েদের নিয়ে ও পোস্ট দিছে এটা দেখার সাথে সাথে মাইনাস দিয়ে আসছি। ” আফসুস। আফসুস।)

পড়ার জন্য ধন্যবাদ ভাই।

৪৬. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: মানুষ মাত্রই সাজে নিজেকে সুন্দর দেখাবার জন্য। কারন সুন্দর দেখানোটা জরুরী। আমি সাজি যাতে আমাকে ভাল দেখায়............আমার পুরুষ কলিগকে, বন্ধুকে বা ছোট ভাইটিকে প্রলুদ্ধ করার জন্য না। যেমন তুমি পোশাক ঠিক করার সময় ভাব কোনটিতে তোমাকে ভাল দেখাবে।

আমাদের সাথে একটি বোরখা আবৃত মেয়ে পড়তো ইউনিতে। ওর হাতের কব্জি, পায়ের পাতা আর দুটো চোখ ছাড়া আর কিছু দেখা যেত না। হলে আমরা মেয়েরা শুধু তাকে দেখতে পেতাম। আমাদের ছেলে বন্ধুরা তার চোখ দুটো দেখেই ব্যপক গবেষণা করতো......ও কত ই না সুন্দর! বলা বাহুল্য তার চোখ সুন্দর ছিল, সে ভাল সুন্দরী ছিল..........আমরাও আগুনে ঘি ঢালতাম.......বলতাম, হুম ও কিন্তু অনেক সুন্দর! :)

কাজেই একটা মেয়ে যখন বোরখা পড়ে তখনও ভাবে তার ভিতরে কি আছে! যখন কেউ ওড়না ছাড়া ঘোরে তখনও ভাবে কি আছে। এমনটা সবাই ভাবে না..........কেউ কেউ ভাবে। কে কি ভাবলো সেটা তার ব্যপার...........মেয়েরা এত মাথা ঘামাবে কেন?

মেয়েদের স্বাধীনতা আসে শুধু পোশাকে নয়, যদিও পোশাক টাও স্বাধীনতার একটা অংশ অবশ্যই; কারণ সে কি পোশাক পড়বে এটা তার নিজের ইচ্ছায় ঠিক করার স্বাধীনতা থাকা দরকার। এদেশের মেয়েরা এখনো নিজের ইচ্ছেমত অনেক ব্যপারেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। একা কোথাও চলতে পারে না, সমাজ, রাস্ট্র তাকে সে নিরাপত্তা এখনো দেয়নি। গ্রামগুলোতে এখনো এইটুকু বয়সে মেয়েগুলো মা হচ্ছে। সংসারে হয় মানিয়ে চলছে অথবা মানাতে না পারলে সংসার ই হারাচ্ছে। একেক শ্রেণীতে একেক রকম নির্যাতন....শারিরীক, মানসিক। সেগুলো তো সচেতন মানুষকে ভাবাতেই পারে।

বাংলাদেশের মেয়েরা তুলনামূলক ভাবে নিজেদের অনেক কম পণ্য বানায়। কারণ আমার দেখা মতে এদেশের গুটিকতক নারী ছাড়া প্রায় সবাই খুবই কম সময এবং অর্থ ব্যয় করে সাজ সজ্জার পেছনে...........যেটা উন্নত দেশে করে।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: আমিও কিন্তু এই কথাটা হালকা ঘুরিয়ে বলেছি। আপনি হয়ত খেয়াল করেন নি।
আমি বলেছি, যার যা ইচ্ছা পড়ার অধিকার আছে।

হ্যা, তা তো অবশ্যই। আপনি আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ না করলে আমি জানবো কী করে যে আপনি ভাল নাকি খারাপ !!
-------------
পশ্চিমা বিশ্ব খুব খারাপ বা খুবই ভাল, এইটার সাথে আমরা কতটুকু ভাল তার কোন সম্পর্কই নেই। যে ভাল সে ভাল।
--------------
বোরখা পড়াটা আমার কাছে কেমন যেন লাগে, মানে, মনে হয় বোরখার ভিতরে মানুষগুলো সবার থেকে একটু আলাদা থাকে, তাই বোধহয় একটু সংকীর্ণ হয়। আমার মতে, স্বাভাবিক শালীনতাই যথষ্ট।
-----------
কেউ কী ভাবল নাকি না ভাবল সেটা নিয়ে মেয়েরা মাথা না ঘামালেই হয়। কিন্তু, ঐ যে, ""আমরা"" সাজি এটা ভেবে যেন আমাদের ভাল দেখায়। একই ভাবে আমাদের ভাবা উচিত যেন আমাদের সবাই ভাল বলেও।
আমি বুঝাইনি যে সবাই প্রলুব্ধ করতে চাইছে, কিন্তু ,সেইটাও ভাবলেও দোষের কিছু না।কিন্তু কেউ প্রলুব্ধ হলেই দোষ দেয় কেন??
একটা তরুণী মেয়ে রাস্তা দিয়ে হাটবে, সে যা দেখাবে মানুষ তাই দেখবে। এখন আমি আপত্তিকরভাবে তাকিয়ে থাকলে সে রাগ করবে কেন? সে দেখাছে বলেই ত দেখতেছি, আর না দেখালে কী দেখতে পারতাম?
একটা প্রশ্ন আসবেই, আমি তাকালাম কেন? প্রথম দুই গল্পেই তার উত্তর দিলাম। এই ত !!
-----
আপনি যদি একটা সদ্য তরুণীর প্রেক্ষাপটে চিন্তা করেন, ব্যাপারটা আমার বুঝানো সহজ হবে। কারণ আমি সেই প্রেক্ষাপটেই বলছি। আর, আমি সাজগোজের বিপক্ষে যাবো কেন? আমি বুঝাইছি, বিজ্ঞাপণে সাজগোজ করে পণ্য হতে আসার পর, নিজেই যদি চেঁচায় যে, পুরুষরা পণ্য বানাইছে, তাইলে সেটা ফাউলামি।

আপনাকে দেখে ভাল লাগলো।
কেমন আছে আপু?

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: ড্রেস ছাড়াও দেশের বঞ্চিত মেয়েরা আরও হাজারটা সমস্যায় ভুগে।
আধুনির নারীবাদীরা কেন শুধু ড্রেস নিয়েই গবেষণা করে?

মেয়েদের কেন তারা শুধুই ড্রেস সর্বস্বভাবে?
যারা বন্চিত তারা বাঁচার অভিকার আগে চায়, খাওয়ার অধিকার আগে চায়, সম্মান নিয়ে বাঁচার অধিকার আগে চায়।
যারা তা পাইছে, তাদের অনেকেই নিজেদের সম্মানকে ডুবাচ্ছে।
কিছুই বলার নাই !!

৪৭. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৬
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: আমি আর কি কমু!!! সহমত যে সেইটা তো আর কইয়া দিতে হৈব না :)

দেখি নারীবাদীরা কি কয়!

ব্যাপক পোস্ট.....সুজা শোকেসে।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ধইন্যা।
রোবোটিক্স একবার কইছিল (;)) মাইয়ারা ভাবে ওড়না দুই ইঞ্চি নামাইলে তাদের অধিকার খর্ব হয়।
সেই ডায়লগ এখনও মনে কইরা হাসি।

শোকেসে নেয়ার জন্য শত ধইন্যা।

৪৮. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৮
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: বিজ্ঞাপনে যে নিজেকে পণ্য বানায় সে নিজে কিন্তু চেঁচায় না। :)

লেখাটা বুঝিনি এমন তো মনে হয়নি..........আমি আমার মতটা বললাম........অনেক জায়গায় আমাদের মত মিলল........অনেক জায়গায় হয়তো না।

আর শালীনতা ব্যপারটাও তো এক এক সমাজে এক এক রকম............এই দেশেও অনেক কিছু বদলাচ্ছে..........কাজেই শালীনতা নিয়ে আমাদের ভাবনাগুলোও এক সময় বদলে যাবে।

একটা কথা তখন বলিনি..........আমার একান্ত নিজের মতামত...........যদি নিজেকে ভাললাগার মানুষটার জন্য সাজাই, তখন অবশ্যই তার কাছ থেকে প্রশংসা পাবার জন্য অথবা তার চোখে মুগ্ধতা দেখবার জন্য সাজাই..............এই একই সাজে তো আরো অনেক জন দেখবে.........তাদের মনেও মুগ্ধতা আসতে পারে। কিন্তু আমার মন অন্য কারো স্তুতি পাবার জন্য বা অন্য কারো বিশেষ দৃষ্টির জন্য তৈরী নয়। তাই অনাহুত কেউ যদি বলেই বসে "আপনাকে ভাল লাগছে"...........সেটা আনন্দ না দিয়ে বরং বিরক্তি বাড়ায়। হয়তো সেখান থেকেই তোমার কথা মত "আমি দেখলে ক্ষতি কি" জাতীয় সমস্যাটা তৈরী হয়।

স্থান কাল পাত্র টা যুতমত না হলেই সমস্যা হয়।

জানিনা বোঝাতে পালাম কিনা। লেখকদের বেশি বোঝাতে হয়ও না।:)

ভাল থেকো।

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: বিজ্ঞাপণে যে নিজেকে পণ্য বানায়, যৌবন শেষে সেও চেঁচায়। তখন সে নারীবাদী কমিটির সভাপতি। হা হা হা। আমি কিন্তু এটা পোস্টেই বলছি। আর, বিজ্ঞাপণই শুধু না, তাদের দেখাদেখি বাস্তবেও মানুষ সাজে আর চেঁচায়। কেউ সাজলে আমার ভাল্লাগে, কিন্তু সেটার উপর তার মূল্যায়ণ নির্ভর করে না। সেটা নারীর নিজেকেই বুঝতে হবে।


শেষের ব্যাপারটা পরিষ্কার।
প্রিয়জনের জন্য সাজা যেতেই পারে।
সেটা যদি এমন হয়, যে অন্য কারও এমন ভঙ্গিতে তাকানোর সুযোগ আছে, যেটা সভ্য না, তাহলে দোষটা "দুজনেরই।"
সময়েরটা সময়েরই।
আমি মনে করি শালীনতা পোশাকে না, মানসিকতায় থাকতে হয়।

আপনি যাই পড়েন, সেটা পড়ে কীভাবে দাঁড়িয়ে আছেন সেটাই ফ্যাক্ট। আমি আপনাকে কিছু বললাম না, খারাপ লোলুপ দৃষ্টিতে দেখলাম, সেটা নিশ্চয়ই কোন ভাল জিনিস না। একই ভাবে, আপনি সময় যুগ অনুসারে যেই পোশাকই পড়েন না কেন, আপনার এপ্রোচটাই আসল। রোব, জিন্স, গাউন, ওয়েস্টার্ন ড্রেস পড়লেই কেউ অশালীন হয় না, আমাদের সংস্কৃতির পোশাকেও অশালীনতা সম্ভব। যদি এবং যদি আপনার মানসিকতা থাকে। ধরেন, শাড়ি কে কীভাবে পড়বে, সেটা তার ব্যাপার। সেটার জন্য পোশাক দায়ী না। ভারতীয় মিউজিক ভিডিওতে শাড়ী পড়া দেখছেন?

লেখক কারে বললেন?!!!

৪৯. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: জানিনা কার উপর খেপে আছ, জানতেও চাইনা...........
কমেন্ট এর উত্তরটা পছন্দ হয়েছে।
লেখক তোমাকে বললাম.........তোমার গল্পের একজন মুগ্ধ পাঠক আমি।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: হে হে
অনেক ধন্যবাদ।

আপনার কথা শুনে মনটা ভাল হয়ে গেল।
জাফনা পিচ্চীকে ত দেখাইলেন না। একদিন বেড়াতে আইসেন ওকে নিয়ে।

৫০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৬
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: আগুন আগুন............... পুরা আগুন পোষ্ট বস!

"জগদ্বিখ্যাত মনীষী আকাশোটাশকির (;)) মতে, আমি যার দুপুর বেলার খাবারের টাকা দেই না, সে দুপুর বেলা কী পড়ে বের হবে তা ঠিক করে দেবার অধিকারও আমি রাখি না।
কিন্তু, কিন্তু, আমি যা পারি, তা হল, মনে মনে ঠিক করতে যে, এ ভাল আর এ খারাপ। আর আমি মনে মনে তাকে ভাল বা খারাপ যাই বলি না কেন, সে আমাকে কিছু বলতে পারে না। কারণ আমার দুপুরের খাবার টাকা সে দেয় না, তাই দুপুর বেলা তাকে দেখে আমি কী ভাবব সেটা সে ঠিক করার অধিক্র রাখে না।
সে তার যা ইচ্ছা পড়ুক, আমি তাকে যা ইচ্ছা মনে করব।
আর যাকে যা ইচ্ছা করার অধিকার না দিলে আমি বুঝব কী করে যে, কে ভাল আর কে খারাপ !!"

কোপা আকাশোটাশকি কোপা!!!
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: (কোপা আকাশোটাশকি কোপা!!! )


ব্যাথা পাইছি রে ভাইইইইইইইইইইই ;) ;)

পড়ার জন্য ধইন্যা।

৫১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
সোনালীডানা বলেছেন: আর যাকে যা ইচ্ছা করার অধিকার না দিলে আমি বুঝব কী করে যে, কে ভাল আর কে খারাপ !!

ফাটাফাটি একটা কথা।



পোষ্ট ভাল হইছে।দরকার ছিল এমন পোষ্টের।

পিলাচ এবং শোকেস :)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনার কথা শুনে ভাল লাগল।

কেমন আছেন?

৫২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
মদন বলেছেন: পুরোটাই পড়লাম। +
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৫৩. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: হুমম পড়লাম একটানে, তাই হয়ত সম্পূর্ণ পরিস্কার হতে ব্যর্থ।তবে যতটুকু পরিস্কার হয়েছি ততটুকু ভিত্তিতে সহমত পোষণ করছি। দৈত্য,ঢাকার মেয়রের উদাহরণ অসাধারণ। নিম্নশ্রেণীর উদাহরণ আমায় অনেকদিন ভাবায়। আমাদের দেশে সিস্টেম হল-"তেল মাথায় ঢাল তেল,টাক মাথায় ভাঙ্গ বেল"। আমাদের দেশে অধিকাংশ নারীরা নির্যাতিত কিন্তু সেই দিকে নারীবাদী পুরুষ অথবা আপাদের নজর যেন কম, তাদের নজর শুধু ঘুরে বেড়ায় একটা নির্দিস্ট লেভেলে।। তবে আমাদের পুরুষতান্ত্রিক ভোগ মানসিকতাও আছে- যেমন চাকরির ইন্টারভিউতে সুন্দর মেয়েকে প্রাধান্য দেওয়া হয় অনেক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে (সুন্দর ছেলেরাও অল্পবিস্তর পায়-ভাবখান যেন এমন সুন্দররা কোন খারাপ কিছু করে না)। আমাদের ভোগবিলাস মানসিকতা এবং কর্পোরেট কালচার নারীদের পণ্যদের দিকে ধাবিত করছে এবং স্বল্পসংখ্যক নারী তার সুবিধাও নিচ্ছে(যে যেভাবে পারছে লুটে-পুটে খাচ্ছে)। মাকসুদের অনেক পুরাতন গানের কিছু লাইন মনে পড়ে গেলঃ
যদি ব্যান্ড সংগীত অশ্লীল হয়, নারী পক্ষ কেন নীরব রয়?
প্রতিটি পণ্য বিক্রিতে ব্যবহার দেখি কেন বিজ্বাপনের শত সুড়সুড়ি রমণী।
ত্যাগ কর এই সামাজিক কোষ্ঠকাঠিন্য দিনগুলি নতুন সকালের জন্য।
আমরা সবাই কোষ্ঠকাঠিন্য ভুগছি তাই যেদিকে চোখ দেওয়ার কথা সেদিকে না দিয়ে নিজে শর্ট ড্রেস পড়ব না ওড়না পড়ব না তাই দিয়ে নারী স্বাধীনাতার সংজ্বা দিচ্ছি।
স্বাধীনতা মানে কিন্তু স্বেচ্ছাচারিতা না -এই জিনিস সবার বুঝা উচিত।
আপনার লেখায় ++++++
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: যেমন চাকরির ইন্টারভিউতে সুন্দর মেয়েকে প্রাধান্য দেওয়া হ

প্রতিটি পণ্য বিক্রিতে ব্যবহার দেখি কেন বিজ্বাপনের শত সুড়সুড়ি রমণী।


এইকথা গুলোই আমি বলতে চেয়েছি। আমি মার্কেটে যাবো। পণ্য কিনব। আমি চাই সব কিছু পণ্য হিসেবে আসুক। কিন্তু, যদি কেউ নিজে পণ্য হতে না চায়, তাহলে তাকেই আগে সাবধান হতে হবে।
আমি যদি বলি যে, পণ্য হও, আর তোমাকে বেশি দামে কিনবো। এতে যদি সে বিকিয়ে যায়, তাহলে ত সে পণ্যই।

নারীকে নিজেই আগে সচেতন হতে হবে যে, সে কোন পণ্য না।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫৪. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৬
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: জাফনা পিচকি তো একবার আড্ডতে গেছিল, তুমি আসনি।
তুমি বরং তাকে দেখতে চলে এসো একদিন, শিবলীর কাছে ফোন নম্বর আছে।

.................................
দেখতে সুন্দর হইলে চাকরী পায়..........এইটা তো ফেয়ার এন্ড লাভলীর বিজ্ঞাপন টাইপ কথা হইয়া গেল.........নিজে কাম কইরা খাই........মগজ দিয়া এবং শ্রম দিয়া ............তাই গায়ে লাগল। ঢালাও ভাবে কথা বলা উচিৎ নয়। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীগুলা কাম না করায়া চেহারা দেখে পয়সা দিলে আর তাগো আর লাভ করা লাগত না। যদিও আমি মাল্টিন্যাশনালে কাজ করি না, সরকারী ছোটখাট কাজ করি।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: ঢালাও ভাবে উনি বলেন নাই মেয় বি।
আমি বা উনি বুঝাতে চাইছেন যে, প্রাধান্য দেয়া হয়।

ব্যাপারটা অন্য ভাবে নিছেন। ধরেন, ইনকোয়াইরিতে বা বড় অফিসারের সেক্রেটারী হিসেবে বা ধরেন রিসিপশনিস্ট হিসেবে বা এয়ারহোস্টেস হিসেবে অথবা প্রোডাক্ট রিপ্রেজেন্টেটর হিসেবে বা এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে অথবা বিজ্ঞাপণেএকই যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষদের মাঝে সুন্দর/স্মার্টদের বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়। এইটা অস্বীকার করা যাবে না, আর এখানে ত মেয়েরা অনেক আগ্রহ নিয়েও ত আসে। সবাই মানে ছেলেরাও, তাদের বেলাতেও স্মার্টদের কদর আগে হয়। সমান মেধাবীদের মধ্যে থেকেও।

এখন টিচার বা ইঞ্জিনিয়ার বা ডাক্তারদের বেলায় বা টোটাল প্রফেশনাল জব যারা করেন, তাদের বেলায় নিশ্চয়ই এই রুল খাটে না। তাই না? এইটা ত সবাই বুঝে।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: তাই গায়ে লাগার কিছু নাই বোধহয়।

৫৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: "শ্রাবনসন্ধ্যা" আপুর অভিযোগ আকাশ_পাগলা ভাই দিয়ে দেওয়ায় ধন্যবাদ। একটা সত্যি ঘটনা বলি(আমার এক বড় ভাইয়ের মুখে শোন, উনার অফিসের)। বড় ভাইয়ের অফিসের বসের টেকনিক্যাল এসিস্ট্যান্ট প্রথমে ছিল মোটামুটি সুন্দরী। সব কাজেই বস মেয়েকে হেল্প কর। উপদেশ ছিল "না পারলে অন্য ভাইদের থেকে সাহায্য নাও"। সুর সবসময় কমনীয় থাকত। অল্প কিছুদিন আগে ঐ মেয়ের জায়গায় অন্য দেখতে খারাপ মেয়ে আসল,বসের ঝাড়ি- "তুমি কিচ্ছু পার না" -এই টাইপ।
আর আমি কিন্তু বলেছি সুন্দর ছেলের কথাও। আপনাকে ব্যক্তিগত আঘাত অথবা দুঃখ দেওয়ার জন্য বলি নাই।
আকাশ পাগলা ভাইকে আবারও ধন্যবাদ।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৫

লেখক বলেছেন: এ ধরণের কিছু ব্যাপার আমিও দেখেছি।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৫৬. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১১
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: সেটা তো ছেলে মেয়ে দুজনের বেলাতেই হয়.........যে কাজে স্মার্টনেস দরকার সেখানে কর্তৃপক্ষ স্মার্টজনকেই নেবেন।

আমি উল্টোটাও দেখেছি, অফিস এসিস্টেন্ট সুন্দরী কাজে ভাল না, অন্যজন ভীষন কাজের দেখতে খুব ভাল না...........টিকে আছেন কিন্তু যোগ্যজন, সুন্দরী অদক্ষজনের চাকরীটা এখন নেই।

সুতরাং টিকে থাকতে হলে যোগ্যতা এবং কর্মদক্ষতা দরকার, সৌন্দর্য, স্মার্টনেসটা হতে পারে অতিরিক্ত যোগ্যতা।

০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: এইটা ত নাটকের মত হয়ে গেল !!!

আমি দেখেছি যে, অফিসে প্রথম যখন কেউ জয়েন করে, কাজে একটু দুর্বল থাকেই। পরে সুন্দরীকে সাহায্য করার জন্য আমার মত ছেলেরা জান দিয়ে হেল্প করে, আর খুব দ্রুতই মেয়েটাও সাবলীল হয়ে যায় কাজে।

আর উপরের কমেন্টেই ত বলেছি, একই যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও প্রাধান্যের ব্যাপার। সুন্দরী বলেই ভ্যাম্প বানাচ্ছি না, বলছি যে, অনেকের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু মাত্র স্পেশাল একজন বেনিফিটেড হচ্ছে।

আর ছেলে মেয়ে সবার বেলাতেই ত এই কথা ইদানীং খাটে। কিছু বলার নাই, সে সময় ত দুজনেই পণ্য হয়। কিন্তু ছেলেটার চেহারা দেখে মানুষ আসে কম। এইটা মানসিকতা। আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবেন তার উপর।
--------------------------------

দারুণ মজার একটা কাহিনী বলি। আমার পরিচিত একটা মেয়েরে দেখতাম এই ছেলের সাথে ওই ছেলের সাথে ঘুরে। ত তার বয়ফ্রেন্ড আমার হালকা পরিচিত ছিল। ওদের ব্যাপারে আমি নাক গলাই নাই। কারণ, পরে নিজেদের মিটমাট হবে আর আমি শত্রু হব। ত, মেয়ে ধরা খাইল, ব্রেক আপ হইল। মেডিকেল এডমিশনের আগে ছেলে পরীক্ষা দিবে না ঠিক করল।

আমি মেয়েরে ফোন দিলাম, এই সব কী কর? মেয়ে বলল, যারটা তার তার।

পরে আর কী !! আরেক জুনিয়র ফ্রেন্ডের থেকে কাহিনী শুনলাম। সেটা হল, মেয়ে পরীক্ষার ১ ঘণ্টা আগে হলে ঢুকল। মোটামুটি বেশ খোলামেলা একটা ড্রেস পড়ে। পাশে বসা ছেলেটাকে কিছুক্ষণ পটালো, তাকে ফোন নাম্বার দিল, তার থেকে ফোন নাম্বার নিল।

হে হে হে, মেয়ে নিজেই বলছে, সেই ছেলের থেকে ৩৫ টা উত্তর দেখছে, সব হইছে।
মেয়ে রংপুর মেডিকেলে প্রথম জন হিসেবে চান্স পাইছে। সম্ভবত রাজশাহী পর্যন্ত আসবে।

একজন না না দুইজন আধুনিক নারীবাদী আমাকে বলেন, "এটাই ভাল। মেয়েটা তার সব কিছু নিয়েই পরীক্ষায় নামছে। দেশের মেয়েরা এদের সিলি মেয়েলী অনুভূতি কাটিয়ে উঠছে। এভাবে একসময় তারা উপরে উঠে যাবে আরও। এই জিনিস আগে শুধু ছেলেরাই করত, এখন মেয়েরাও দেখাচ্ছে যে তারা পারে। এখানে খারাপ কিছু ত নাই!!"

আমি কামনা করি, উনাদের চিকিৎসা অই মেধাহীন মেয়েটাই করুক, তার যা আছে সব দিয়ে করুক। ছেলেরা কিছু করলেই তা ভাল না, ভাল খারাপ বুঝে ফলো করতে হবে।
------------------------------
আমি মার্কেটে গেলে পণ্য কিনবই। ডানো দুধ কিনতে গেলে দেখে শুনেই কিনি। একটা মেয়ে যদি পণ্য হিসেবে দাঁড়ায়, আমার কাছে সে পণ্যই। সে কোন মেয়ে না। তার যদি পছন্দ না হয়, সে পণ্য হিসেবে না দাঁড়ালেই পারে।

কেউ নিজের গায়ে প্রাইস ট্যাগ ঝুলাইলে আমি আর কী বলব!! তার প্রাইস ৩৫টা মাল্টিপল চয়েস।

০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৫৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৫
আমি সাইরাজ বলেছেন: বালা পাইলাম

মাইয়ারা ভাবে ওড়না দুই ইঞ্চি নামাইলে তাদের অধিকার খর্ব হয়
:D:D:D
কঠিন কথা ভাই হাসতেই আচি
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: হ রে ভাই, আমিও হাসতাছি।
হে হে হে হে

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:


লেখাই দম আছে ! মাশাল্লাহ !
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: শুনে ভাল্লাগলো।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৬০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
মেঘ বলেছেন: আপনি তো পুরুষ আগে , তারপর মানুষ । লেখার অক্ষও সেদিকেই হেলা।
এখানে কি আসলে নারীবাদ বা পুরুষবাদ মুখ্য না কি আমাদের চারপাশ ঢেকে দেয়া তথাকথিত মুক্তবাজার অর্থনীতিতে প্রতিটি মানুষই যে পণ্য সে কথা মুখ্য?
বোঝার ভুল আমার নিজেরও থাকতে পারে।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: পয়েন্ট টা আসলে দুটোর লিংক।

মানে, আমাদের প্রধান সমস্যাই হল, আমরা সবাই পণ্য। আর, বিশেষ করে মেয়েরা। কারণ, কিছু লোক তাদের বানাতে চায়, আর তারা নিজেরাও আগ্রহী।
আমি এটাই বুঝাতে চাইছি যে, আমাদের আশেপাশে যাদের দেখি নারী দের অধুইকার নিয়ে আলোচনা করতে, তারা এই সব বিষয় খেয়াল করেনা। সারাদিন শুধু ড্রেস নিয়েই পড়ে থাকে। নারীদের অধিকার নিশ্চয়ই শুধু ড্রেসেই সীমাবদ্ধ না।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখায় দোষ ত্রুটি আর হালকা পক্ষপাতিত্ব থাকবেই, যতটুকু সম্ভব সেটা কমিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি, আপাতত এটুকু ব্লতে পারি।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৬২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন:

দরকার হলে উচিৎ কথা বলে আজীবনের জন্য ব্যন হয়ে যাবো, কিন্তু কখনও সুশীল ভাব নিতে চাই না।
**********************************

বস, এক্কেবারে জায়গামত হাত দিছেন।
++++++++
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৬৪. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
নিঃসঙ্গ বলেছেন: পাগলারে কেডায় হাক্কো নারানোর কথা মনে করাইয়া দিলো..... :|


পুরাডা পড়লাম লগে ফেবারিটে রাইখা দিলাম।
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা

পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৬৫. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬
রিয়াজ উল বলেছেন: দিন কয়েক আগে আমার এক নারীবাদী নারী কলিগকে বলেছিলাম পুরুষের চরিত্র ঠিক না হলে কি নারীদের অধিকার আসবে?....কোন উত্তর পাই নাই।
আপনার মত কি জানতে চাই। আর লেখাটা প্রিয়তে।
২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪১

লেখক বলেছেন: আমি ব্যাপারটা এভাবে দেখি।

কথাটা পুরুষদের চরিত্র না ভেবে উর্ধ্বতনের চরিত্র ভাবেন। এখানে পুরুষই যে উর্ধ্বতন তা না কিন্তু, ধরেন স্ত্রীর উপর শ্বাশুড়ীও উর্ধ্বতন।

আপনার বস যদি আপনাকে দাম না দেয়, গুরুত্ব না দেয়, তাহলে আপনার অধিকার চাপা পড়বেই। এটাই স্বাভাবিক।
এটা যে শুধু পুরুষ আর নারীর বেলায় খাটে তা না, সবার বেলাতেই খাটে। গরীবের উপর, সাধারনের উপরও।

এখন বসের থেকে আপনার অধিকার পুনুরুদ্ধার করার জন্য আপনি কী এটেম্পট নেবেন, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি কী তাকে প্রলোভন দেখাবেন নাকি আপনার অধিকার না পেলে তাকে বর্জন করবেন, সেটা সম্ভব না হলে কাজ কমিয়ে দেবেন, সবই এখানে আলোচনায় আনতে হবে।

যাই হোক, উপরে যে থাকে সে নিচের জনকে শোষণ করেই। এখানে নারীবাদী কলিগের উত্তরের ভূমিকা বুঝলাম না। এক নারীও আরেক নারীকে শোষণ করতে পারে।

প্রিয়তে নেয়ার জন্য আর পড়ার জন্য ধন্যবাদ ভাই।

৬৬. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০৬
রিয়াজ উল বলেছেন: ধন্যবাদ উত্তর দেওয়ার জন্য....আরেকটা কথা নারীদের মধ্যেও কিন্তু লুল থাকে।
২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: তা ত থাকেই।
খেলা শেষে সবাই মানুষ।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৬৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩০
হা...হা...হা... বলেছেন: অসাধারণ লেখা!! খুবই ভাল লাগল। ধন্যবাদ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: জ্বী সেটা ঠিকই।
একটা পাশ নিয়েই আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।

পানি সমস্যা নিয়ে বলতে গেলে, দ্রব্যমূল্য, বিদ্যুত সমস্যা,বায়ু দূষণ -- সব কিছু নিয়ে বলাটা নিশ্চয়ই জরুরি না। তাই না?

০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৭১. ০৮ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫০
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন: কেউ কেউ মানুষকে মজা দিয়ে মজা পায়, কেউ বা বিব্রত হয়।

অসাধারন!! জট্টিল বিশ্লেষন!!
০৯ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: থ্যানক্স।

৭২. ২৭ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৪৮
তাশমিয়া বলেছেন: "একটা তরুণী রাস্তা দিয়ে হাটবে, সে যা দেখাবে মানুষ তাই দেখবে।এখন আমি আপত্তিকরভাবে তাকিয়ে থাকলে সে রাগ করবে কেন? সে দেখাছে বলেই ত দেখতেছি, আর না দেখালে কী দেখতে পারতাম?"

"আমি মার্কেটে গেলে পণ্য কিনবই।"


এর সমার্থক মানষিকতা হল-

*কেউ নিজে থেকে ঘুষ সাধলে আমি ঘুষ খাব না কেন?

*অন্যের মূল্যবান জিনিষ পড়ে থাকলে আমি চুরি করব না কেন?

*কোন হট মেয়েকে একা পেলে আমি তাকে ধর্ষন করব না কেন?

আপনার লেখা পড়ে মনে হল,আপনার নিজস্ব বিবেকবোধ এবং মননশীলতার কোন প্রয়োজন নেই।একজন নারীকে পণ্য হতে দেখলেই তাকে ভোগ করবার কথা ভাববেন।তাই না?
২৭ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: বাংলা ভাষা বুঝতে না পারার সমস্যাটা বাংলাদেশে অনেক ভোগান্তির ব্যাপার। আপু এই সমস্যায় ভুগছেন কতদিন???

আমার পোস্টের লাইনের উত্তরে কী বলেছেন, সেটার উত্তর পরে। আগে আপনি নিজে নিজে যেসব লাইন দিয়েছেন, সেগুলা নিয়েই চিন্তা করি।

a*কেউ নিজে থেকে ঘুষ সাধলে আমি ঘুষ খাব না কেন? -- এখানে কেউ একজন দিচ্ছে। আরেকজন নিচ্ছে।

b*অন্যের মূল্যবান জিনিষ পড়ে থাকলে আমি চুরি করব না কেন? -- এখানে কেউ দিচ্ছে না, আরেকজন নিচ্ছে।

c *কোন হট মেয়েকে একা পেলে আমি তাকে ধর্ষন করব না কেন? -- এখানে কেউ দিতে চাচ্ছে না। আরেকজন জোর করে নিচ্ছে।



আমার পোস্ট থেকে যে লাইনটা কোট করেছেন, সেটাকে যদি x ধরি, তাহলে

x=a.x=b,x=c হলে a=b=c । এমনটাই ত হবার কথা নাই না??

কিন্তু আপনার কমেন্টের তিনটা লাইনের অর্থ এবং ইনটেনশন একেবারেই আলাদা আলাদা।

তাহলে এই তিনটা লাইন কীভাবে আমার একটা লাইনের সমার্থক হয় ?????????


আগে মাথা ঠিক করেন, পরে কমেন্ট করেন। তার পরে পোস্টটা বুঝিয়ে আবার উত্তর দেয়া যাবে।
১১ টা মাইনাস পেয়েছি, কিন্তু এমন বোকার মত কমেন্ট এই একটাই পেলাম।


আমার কাছে যা পণ্য হিসেবে আসে, আমার লাগলে সেটা আমি কিনব। হেরোইন, মরফিনও ত পণ্য। এগুলা যার যার লাগে সে সে কিনবে। কখনও শুনছেন মরফিন বা প্যাথিড্রিন বা হেরোইন বিক্রেতা( যে নিজেই ড্রাগ বিক্রি করতে এসেছে), সে ড্রাগ এডিক্টদেরকে ড্রাগ নেয় বলে গালি দিছে?? আর ড্রাগ বিক্রেতাদের কে কী কেউ ভাল বলে?একদম একই ভাবে, আপনি নিজেকে পণ্য বানান, যার লাগে সে কিনবে। তাকে গালি দেয়ার অনেক লোক আছে, কিন্তু আপনি (যে নিজেই পণ্য হলেন শখ করে),সেই আপনি গালি দিবেন ক্যান? আপনি ভাল সাজবেন ক্যান?

৭৩. ২৭ শে মে, ২০১০ রাত ১১:৩৭
তাশমিয়া বলেছেন: প্রথমে আপনার নিজের স্ববিরোধী লেখা ভর্তি পোস্টের কিছু লাইন তুলে দিই।
তারপর আপনি আপনার সুবিধাবাদী চেহারাটা দেখে জবাব দেবেন।

##
"আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি তা হল, একটা বখাটে ছেলের কাছ থেকে আপনি ভাল কিছুই আশা করতে পারেন না। তাও, তাও তার টিজিং এর দুটা ভাষা থাকে। এটা যারা দেখছে, তারাই জানে। একটা আজেবাজে ড্রেস আপের মেয়ে সামনে দিয়ে গেলে ওরা ঘেউ ঘেউ করে যে, “ ওররে কত্ত বড় রে, কত্ত মজা হইব রে।চাকুম চাকুম। মজাই মজা। ” আর একটা ভদ্র মেয়ে গেলে ওরা ঘেউ ঘেউ করে যে, “ এইটা আমার বউ। ওরেই আমি চাই। তোরা সবাই ভাবী ডাকবি। ”"

আপনি বোঝাতে চাইলেন, বখাটেদেরও টিজ করার সময় রুচিবোধ কাজ করে।
তারা রুচিশীল মেয়েদের বউ হিশেবে চায় ও আজেবাজে মেয়েদের শয্যাসংগি হিশেবে চায়।
তাহলে আপনার চোখে এদেশের ধর্ষিতাদের ইমেজটা কেমন তা বুঝতে পারছি।
কারণ বউকে তো আর রুচিশীল বখাটেরা ধর্ষণ করবে না।



"[যারা এসিড মারে কিংবা ধরে নিয়ে যায় বা রেপিস্ট, তারা কিন্তু টিজার না, সন্ত্রাসী। তারা শুধু মেয়েদের ধরে তা না, তারা রাস্তায় ছেলেদেরও ছিনতাই করে। ব্যাপারটাকে অনেকে গুলিয়ে ফেলে। ওখানে এইসব কুকুর যাদের কামড় দেয়, তাদের কোন ভূমিকাই নাই।"

হুমম..
টিনএজ ইভ টিজার.. গ্রাম্য ছেলে..
স্কুলছাত্রীকে রাস্তায় উত্ত্যক্ত করে।
অশালীন প্রস্তাব দেয়।
(মেয়েটা স্কুলড্রেস !! পরে ছিল। আপনার মতে আজেবাজে পোশাক। যেহেতু.. ইভটিজারদেরও রুচিবোধ আছে।
ভাল মেয়েদের তারা 'ঘেউঘেউ' করে বউ ডাকে। অশালীন কথা আজেবাজে পোশাকের মেয়েটাকে বলে।)
বন্ধুদের নিয়ে একদিন সে মেয়েটাকে ধাওয়া করল। হয়ত ধর্ষণও করল।
মেয়েটা অপমানিত হয়ে আত্মহত্যা করল।
ছেলেটার কোন সন্ত্রাসী পরিচয় নেই। ছিনতাই করার সাহস নেই। মেয়েদের বিরক্ত করার সাহসটুকু আছে। সে গ্রাম্য বা মফস্বলের বখাটে।

ঢাকায় গৃহপরিচারিকার ২ বছর ৯ মাসের মেয়েটাকে যে ছেলেটা অ্যাপার্টমেন্টে নিয়ে ধর্ষণ করেছিল সে সন্ত্রাসী ছিল না। তার বয়স কত আপনি জানেন?

ভয় নেই। আপনাকে রাস্তায় ছিনতাই করবে না।

প্রেমে প্রত্যাখাত হয়ে এসিড নিক্ষেপ। এই ছেলেরাও সন্ত্রাস করে বেড়ায়????

তারা রাস্তায় ছেলেদের ছিনতাই করে না।


এমন খবর আপনি জানেন না। তাই না?
পত্রিকা পড়ুন, খবর দেখুন, জানবেন।

এমন একটি দুটি না। অসংখ্য খবর জানবেন।


"দেইখেন, আমি “ ঘেউ ঘেউ করে ” টার্মটা ব্যবহার করছি। কেউ আবার বইলেন না যে আমি ওদের ভাল কইছি। আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি তা হল, পাশাপাশি দুটা সংখ্যাকে যা দিয়েই মাল্টিপ্লাই করা হোক না কেন,ইনপুটের গুরুত্ব থাকেই।"

নাহ্ আপনি ওদের একদম ভালো বলেন নি!!!! জাস্ট রুচির প্রশংসা করেছেন।

জাস্ট 'ঘেউঘেউ' করা বখাটেদের রুচির প্রশংসা করেছেন।

ইভ টিজিং যেখানে মূলত সেক্সচুয়াল হ্যারাসমেন্ট, আপনি সেটাকে ফ্লার্ট এর পর্যায়ে নিয়ে গেলেন!
এ বিষয়ে পড়াশুনা কম.. এই তো?
যান। ইভটিজিং সংক্রান্ত সাংবিধানিক আইন পড়ে আসুন।

তারপর এসব লিখতে বসবেন।
৭৪. ২৮ শে মে, ২০১০ সকাল ৭:৪৬
আকাশ_পাগলা বলেছেন: ভার্সিটি লেভেলটা ইংলিশ মিডিয়াম করে দেয়ার পরে এই হচ্ছে কুফল, আমরা এখন একটু বড় বাংলা লেখা বুঝতেই পারি না। গল্প টল্প হলে তাও কিছু মাথায় ঢোকে, কিন্তু একটু যুক্তির কথা হলে তাল হারিয়ে ফেলি। --- এমন কিছু কথা নিয়ে একটা সেমিনার ডেকে ফেলেন আপু।


আমি জানি না আপনার সাথে আমার কবে কোন আমলে ফাইটিং হইছিল বা আদৌ হইছিল কী না, কিন্তু আপনি যেভাবে বাছা বাছা লাইন কোট করে বুঝেও না বুঝার ভাব ধরতেছেন, আমি বাকহারা।

আপনি "আমার স্ববিরোধী লাইনগুলার " উলটা স্ববিরোধী ব্যাখ্যা দিলেন।
আপনি প্রথমে আমার যেই লাইনটা কোট করলেন, যারা টিজার, তাদের রুচিবোধ নিয়ে, সেখানে সাধারণ টিজারদের কথা বলা হয়েছে(যারা ধর্ষণ করে, তারা এক্সট্রিম টিজার)। এটা কেন আপনি বুঝলেন না, আমি জানি না। ধর্ষকদের রুচিবোধ নিয়ে কথা হয় নি,সাধারণ যেসব বখাটে ছেলে(আপনি নিশ্চয়ই মনে করেন না যে, যারাই মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে,তারা সবাই সবাই ধর্ষণ করে!!) রাস্তায় টিজ করে, তাদের "ভাষার কথা" বলা হয়েছে। রুচির না, কারণ রুচি হলে সে একটাইপের মেয়েদেরকে বিরক্ত করত। কিন্তু এরা সবাইকেই বিরক্ত করে।তাহলে এখানে আমি "তার রুচি"র কথা আনলাম কখন?তাদের ভাষার কথা আনছি,যেটা ইনপুটের কারণে চেঞ্জ হয়।


এইযে উপরের প্যারাতে আমি ঐ লাইনটা পরিষ্কার করলাম, এটা ঠিকই পোস্টে বলা আছে। কারণ তার পরের প্যারাগুলায় এটা স্পষ্ট যে, ধর্ষণকারীদের আমি খুনীর পর্যায়ে ফেলছি।এই লাইনে সাধারণ ইভ টিজারদের পর্যায়ে কথা বলা হইছে। ঐটা অন্য কেইস, সেটাও পোস্টে পরিষ্কার করে দেয়া।

যেই ছেলে এসিড নিক্ষেপ করে বেড়ায় সে সন্ত্রাসী করে না??? এটাই ত সন্ত্রাসী। সে অবশ্যই অন্য কোন খারাপ কাজের সাথে জড়িত। আপনার সাথে চ্যালেঞ্জ, এসিড নিক্ষেপকারী ১০০টা ছেলের মাঝে ১০০ জনই ড্রাগ নেয়। একদম১০০ জনই। ড্রাগ ছাড়া কখনও, এবং কখনই মানুষ এভাবে সাহস পায় না(যদি না আপনার মনে কোন আদর্শ থাকে,যেটা দিয়ে আপনাকে ব্রেইনওয়াশ করানো হয়েছে মিনিমাম ৬মাস)।


""এ বিষয়ে পড়াশুনা কম.. এই তো?"" আমি জানি না আপনি কত ভাল ছাত্রী, কিন্তু যেভাবে সিম্পল জিনিসটাকে এক্সট্রিম, আমার মনে হয় না পড়াশোনা নিয়ে গর্ব করা খুব একটা উচিত হচ্ছে আপনার।

পড়াশোনার কথাই যখন আসল, আপনাকে কিছু জ্ঞানের কথা বলি। আপনি একটু খোঁজ নিয়ে আসেন, রেইপকে সেক্সুয়াল ম্যাটার হিসেবে কতটুকু ধরা হয়,আর ভায়োলেন্স হিসেবে কতটুকু ধরা হয়। একজন ধর্ষককে একজন খুনীর সাথে তুলনা করা হয়।একটা খুনীর খুনের দুটো মোটিভ,শিকারের উপর বিতৃষ্ণা(এসিড নিক্ষেপকারীকেও এখানে ফালানো যায়) অথবা নিজের উপরে ক্ষোভ। যারা ধর্ষক তাদের মাঝে ভায়োলেন্স কাজ করে,সেক্সের ভূমিকা নাকি সামান্য।যেমন,একটা ধর্ষক যখন কারও সাথে সেক্স করতে চায়,সে চাইলেই হস্তমৈথুনে যেতে পারে,সেটা না করে সে মেয়েটার উপর ঝাপায়া যখন পড়ে,তখন বুঝা যায় যে,তার মানসিকতার মাঝেই সমস্যা আছে।অন্য উপায় থাকা সত্তেও একটা মানুষ ভায়োলেন্ট হয় বা হওয়ার ক্ষমতা রাখে,সে একটা অসহায় মেয়েকে পেলে যেমন ধর্ষণ করবে(সেক্স জাস্ট উছিলা),তেমনি তাকে যদি কখনও মিছিলে নিয়ে যাওয়া হয়,ঠিকই সে কয়েকটা চাপাতির কোপ যে কাউকে দিয়ে আসবে। আপনার কাছে মনে হয় ছাপোষা ভদ্রলোক, খুঁজে দেখেন তার মনের ভিতর সবসময়েই ভায়োলেন্স ছিল,যেটা এই মেয়েটার উপর দিয়ে গেল।

এগুলা সবাই হাই লেভেলের চিন্তার কথা। সাধারণ গুলাই বুঝেন না,এগুলা বুঝানো নিয়ে নতুন তর্কের সুচনা করার ইচ্ছা ছিল না।তবুও পড়াশোনার কথাই যখন টানলেন, একদম সহজ ভাষায় ""এ সংক্রান্ত থিওরী""টা জানিয়ে দিলাম।এটার মানে হল,এখানে কোনটা ঠিক বেঠিক সেটা নিয়ে আমার সাথে হাজার চিল্লায়াও লাভ নাই,কারণ এটা প্রতিষ্ঠিত সাইকোলজিকাল থিওরী।আপনি চাইলে মনোবিজ্ঞানীদের সাথে ঝগড়া করতে পারেন। ২ বছর ৯ মাসের মেয়েকে যে ধর্ষণ করছে, আপনার ধারণা সেটা সেক্সুয়াল কেইস??ওই ছেলে সন্ত্রাসী না আপনি কীভাবে জানেন?এইটা মানসিক সমস্যা।উপরে আমি যেই থিওরী দিছি,তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ,তার মাঝে ভায়োলেন্স ছিল।সে অনেক মেয়েকেই দেখছে,তাও পিচ্চীর উপর সেটা প্রয়োগ করছে।কারণ,পিচ্চীকে অসহায় অবস্থায় পেয়েছে সে।সেক্স এখানে উছিলা অনলি।এই ছেলের হাতে একটা ছুরি দিয়ে রাস্তায় ছাড়েন,দেখেন সে সন্ত্রাসী করে কী না।অবশ্যই সে করবে।একটা প্রতারক,যে প্রেমের অভিনয় করে গহনা নিয়ে পালায়,সে কী সুযোগ পেলে একটা ছেলের সাথে প্রতারণা করবে না?সে হয়ত প্রফেশনালি অজ্ঞানপার্টির সদস্য না, তাই আপনি বলবেন কোন ছেলেকে এখনও সে এমন করেনি,করছে শুধু মেয়েদের।কিন্তু আমি বলব,মেয়েদেরকে অসহার অবস্থায় পাইছে,তাই করছে।ছেলেদেরকেও ""যদি পেত"" অবশ্যই সে প্রতারণা করত। আমি যা বলছি বিশ্বাস না হলেও কিছু বলার নাই। এ বিষয়ে একটু পড়াশোনা করতে পারলেই বুঝতে পারবেন।


যাক, আমি আমার পোস্টে থার্ড ব্র্যাকেটের ভিতর স্পষ্ট বলে দিছি যে, **ওখানে এইসব কুকুর যাদের কামড় দেয়, তাদের কোন ভূমিকাই নাই।যাই হোক, এইটা আর উপরে বলা বিষয় এক না। সুতরাং এই বিষয়ে উদাহরণ টেনে এনে যুক্তি দেখানো ফ্যালাসি ছাড়া কিছু না।]
আপনি এত পড়াশোনা করছেন, মানুষকে পড়াশোনা করে আসতে বলেন,পোস্টের এই লাইন চোখে পড়ে নাই? আপনার মত মানুষরা যারা "মেয়ে" বললেই মনে করে ইভটিজিং,তাদের জন্য আগেই বলছি এসব নিয়ে ফ্যালাসি না করতে।

আর, আপনার প্রথম কমেন্টটা ত বাঁধাই করে রাখার জন্য।যতবার রাগ হচ্ছে,ওটা দেখে হেসে নিচ্ছি। ওটাতে যে এমন উলটাপালটা কথা বললেন,একটা সাথে আরেকটা মিলায়া শেষে কী বোঝাতে চাইলেন,সেটার ত সুরাহা হল না। যাক,ওখানে আমার উত্তর ঠিকমত পড়ে নিয়েন।আমি ওখানে শেষে একটা প্রশ্ন করছি,আপনি তার উত্তর না দিয়ে আমার পিছে লেগে আছেন।তার মানে,প্রশ্নটা আপনাকে নাড়া দিয়েছে,আর আপনি সেভাবে ভাবতে পারছেন। যাক, এটাই এই পোস্টে আমার পাওয়া।আপনার সেকেন্ড কমেন্টের মাঝেও তেমনই একটা ফ্যালাসি আছে। ১.০০ আর ১.২০ ত কাছাকাছি।আবার ১.২০ আর ১.৫০ কাছাকাছি।আবার ১.৫০ আর ২ কাছাকাছি।তাই ১ আর প্রায় ২ একই। আপনি এই ভাবে একটা লাইনের সাথে আরেকটা লাইন মিশিয়ে দেন।

যেমন,বখাটে ইভটিজার আর এক্সট্রিমিস্ট (খুনী,ধর্ষণকারী,প্রতারক,এসিড নিক্ষেপকারী,ছিনতাইকারী) এদেরকে একেবারেই আলাদা চোখে দেখা হয়েছে।অথচ দুটা মিলিয়ে একজনের উপর বলা কমেন্ট আরেকজনের উপর নিয়ে গেলেন। এত সহজ ভাষায় পোস্টে বলে দেবার পরেও এমন না বুঝার "ভান" কেন করলেন আপনিই জানেন।যাক,এতক্ষণ যা বললাম, পোস্টেই পরিষ্কার করা।

ভাল থাকবেন।
সাইনবোর্ড পড়ে সেগুলা বুঝে শুনে পথ চলবেন।
৭৫. ২৮ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২৬
তাশমিয়া বলেছেন: ৭২নং কমেন্টে আমি ৩টা লাইন নিয়ে লিখেছি।

"একটা তরুণী রাস্তা দিয়ে হাটবে, সে যা দেখাবে মানুষ তাই দেখবে।এখন আমি আপত্তিকরভাবে তাকিয়ে থাকলে সে রাগ করবে কেন? সে দেখাছে বলেই ত দেখতেছি, আর না দেখালে কী দেখতে পারতাম?

আপনি এটাকে ১টা লাইন দেখলেন???

এবার পড়ে দেখুন মিল পান কী না।

"একটা তরুণী রাস্তা দিয়ে হাটবে, সে যা দেখাবে মানুষ তাই দেখবে।
a*কেউ নিজে থেকে ঘুষ সাধলে আমি ঘুষ খাব না কেন? -- এখানে কেউ একজন দিচ্ছে। আরেকজন নিচ্ছে।

সে দেখাছে বলেই ত দেখতেছি, আর না দেখালে কী দেখতে পারতাম?
b*অন্যের মূল্যবান জিনিষ পড়ে থাকলে আমি চুরি করব না কেন? -- এখানে কেউ দিচ্ছে না, আরেকজন নিচ্ছে।
লাইনটা এরকম শোনায়, "সে ফেলে রেখেছে বলেই ত নিতেছি, আর না ফেলে রাখলে কী নিতে পারতাম?"

এখন আমি আপত্তিকরভাবে তাকিয়ে থাকলে সে রাগ করবে কেন?
c *কোন হট মেয়েকে একা পেলে আমি তাকে ধর্ষন করব না কেন? -- এখানে কেউ দিতে চাচ্ছে না। আরেকজন জোর করে নিচ্ছে।
মেয়েটা চাচ্ছে না, আপনি "আপত্তিকরভাবে" তাকান।তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকাচ্ছেন, তাই রাগ করছে।

এখানে x=a, x=b, x=c নয়,

x=a+b+c হবে।

এবারও মিল পাননি, তাই তো?
আওয়াজ দিয়েন আরও সহজ বাংলায় বোঝাব। :((



##
আপনার উত্তর দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম , ত্রিঘাত সমীকরণ দিয়ে আপনাকে দেখাব x=a, x=b, x=c হয়, যেখানে a,b,c পরস্পর সমান নয়।

হায়!!!
যে ১ আর ৩এর পার্থক্য বোঝে না, তাকে আমি কী বোঝাতে যাচ্ছিলাম! :-B
আর যে ১ আর ৩ এর পার্থক্য বোঝে না তার আর যাই হোক গণিত নিয়ে কথা বলা উচিৎ না। |-)

যাই হোক, একটি নির্দিষ্ট ব্যাপারে আপনার মানসিকতা তুলে ধরতেই লাইন গুলো কোট করেছিলাম।
এখানে বাক্যের না, মানসিকতার সমার্থকতা বুঝিয়েছিলাম।
অর্থাৎ, সুযোগ পেলেই নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে কাউকে সেক্সচুয়াললি হ্যারাস করাকে সমর্থন করেন কী না।

"আমি মার্কেটে গেলে পণ্য কিনবই।" এই প্রেক্ষিতে জানতে চেয়েছিলাম,
'একজন নারীকে পণ্য হতে দেখলেই তাকে ভোগ করবার কথা ভাববেন।তাই না?'

**
"কিন্তু আপনি (যে নিজেই পণ্য হলেন শখ করে),সেই আপনি গালি দিবেন ক্যান? আপনি ভাল সাজবেন ক্যান?"
যে নিজে শখ করে পণ্য হল তাকে সাপোর্ট করে কোন লাইন লিখলাম তা একটু কোট করে দিন।
৭৬. ২৮ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৫
তাশমিয়া বলেছেন: আপনার সাথে আমার আগে কখনো ফাইটিং হয়নি।বরং দেখলাম আপনার সর্বশেষ পোস্টে আমি প্লাস দিয়েছিলাম।এই পোস্টে আপনার অনেক কথার সাথেই একমত এবং যেসব বিষয়ে দ্বিমত তাই কমেন্ট আকারে জানিয়েছি।

যারা এসিড মারে কিংবা ধরে নিয়ে যায় বা রেপিস্ট, তারা কিন্তু টিজার না, সন্ত্রাসী। তারা শুধু মেয়েদের ধরে তা না, তারা রাস্তায় ছেলেদেরও ছিনতাই করে। ব্যাপারটাকে অনেকে গুলিয়ে ফেলে। ওখানে এইসব কুকুর যাদের কামড় দেয়, তাদের কোন ভূমিকাই নাই।যাই হোক, এইটা আর উপরে বলা বিষয় এক না। সুতরাং এই বিষয়ে উদাহরণ টেনে এনে যুক্তি দেখানো ফ্যালাসি ছাড়া কিছু না।]

ইভটিজিং সম্পর্কে আপনার কনসেপশনের সাথে আমি একমত না।ইভটিজারদের আপনি হার্মলেস রোডসাইড কমেন্টেটর হিসেবে দেখিয়েছেন।
যেখানে তাদের অশালীন মন্তব্যে ও আচরণে ভুক্তভোগী কিশোরী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে লেখাপড়া বন্ধ করে দিচ্ছে,আত্মহত্যা করছে।

আপনি কি হ্যারাসমেন্টকে ভায়োলেন্স হিসেবে ধরতে রাজী নন?

তাছাড়া আপনি ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপকে general violence বলতে পারেন না। কারণ এদেশে কেবল নারীর প্রতি সহিংসতা প্রকাশেই এগুলো করা হয়।

আর ইভটিজাররাই টিজিং এর এক পর্যায়ে ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ করে।
এরকম কমই শোনা যায়, প্রচলিত সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে কোনো মেয়েকে এসিড নিক্ষেপ করেছে, যেমনটা তারা প্রকাশ্য দিবালোকে খুন, টেন্ডারবাজী করে থাকে।

এ কারণেই বুঝাতে চেয়েছিলাম এসিড নিক্ষেপকারী এবং ধর্ষকরা সবাই প্রচলিত সন্ত্রাসী নয়। এদের সন্ত্রাস এরা কেবল মেয়েদের উপরই প্রয়োগ করে।

এবং মেয়েশিশুদের ছোটোবেলা থেকে যারা সেক্সচুয়াললি হ্যারাস করে আসে, সুযোগ পেলে ধর্ষণ করে (যেমন: অনেক ক্ষেত্রে মামা-চাচা, বড় কাজিন, হাউস টিউটর) তারাও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত নয়, স্বাভাবিক মর্যাদায় জীবনযাপন করে। সুযোগ পেলেই আপনাকে এরা খুন করবে না, মিছিলে চাপাতি হাতে মানুষ কোপাবে না।

আরো কয়েকটা লাইনের ব্যাপারে দ্বিমত ছিল।আর লিখতে ইচ্ছা করল না। ভাল থাকবেন।
২৯ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: "ইভটিজিং সম্পর্কে আপনার কনসেপশনের সাথে আমি একমত না।""আপনি কি হ্যারাসমেন্টকে ভায়োলেন্স হিসেবে ধরতে রাজী নন?""

>আংশিক। তবে,অবশ্যই হার্মফুল।শুধু হ্যারাসমেন্টে কেউ আত্মহত্যা করে না। ওগুলা পেপারের কথা। ভিতরে বহুত কাহিনী থাকে।হ্যারাসমেন্টের কারণে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়,আত্মহত্যা না। আত্মহত্যা হয় প্রতারণা করলে,বাসায় আজেবাজে কথা বললে।


"কারণ এদেশে কেবল নারীর প্রতি সহিংসতা প্রকাশেই এগুলো করা হয়।"
>আমার মতে,নারীর প্রতি সহিংসতা নয়,বরং নারীকে অসহায় অবস্থায় পায় বলেই। আর,কিছু সহিংসতা সবখানেই খুজলে পাবেন।গরীবের উপর ধনীর অত্যাচারের মতন।গ্রামে বউরে দিয়ে হাল টানায়।এগুলাকেও ইভটিজিং হিসেবে ধরলে সহিংসতা পাবেন।তবে,আমার মতে এটা অশিক্ষা আর দারিদ্রতার ফল।সহিংসতা মূল না।



"এরকম কমই শোনা যায়, প্রচলিত সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে কোনো মেয়েকে এসিড নিক্ষেপ করেছে, যেমনটা তারা প্রকাশ্য দিবালোকে খুন, টেন্ডারবাজী করে থাকে।"
>সাংঘাতিক ভুল। প্রচলিত সন্ত্রাসীদের চ্যালারা নিজে থেকে অথবা বসের ডাইরেক্ট অর্ডারে এসব করে।
শুধু পেপারের লেখা পড়লে হবে না, একটা ছেলে যদি এসিড মারে, এলাকাতে বাকি পোলাপান তাকে কচুকাটা করবে। এটা সে জানে। ভালই জানে। তাই চাইলেই যে কেউ এসিড মারতে পারে না, পিছনে ব্যাকাপ লাগে।


"এ কারণেই বুঝাতে চেয়েছিলাম এসিড নিক্ষেপকারী এবং ধর্ষকরা সবাই প্রচলিত সন্ত্রাসী নয়। এদের সন্ত্রাস এরা কেবল মেয়েদের উপরই প্রয়োগ করে।"
>বুঝতেই পারছেন, আপনি ভুল।সবাই প্রচলিত সন্ত্রাসী না, কিন্তু পিছনে বিশাল ব্যাকাপ থাকে।

"(যেমন: অনেক ক্ষেত্রে মামা-চাচা, বড় কাজিন, হাউস টিউটর) তারাও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত নয়, স্বাভাবিক মর্যাদায় জীবনযাপন করে।"
>এই মামা চাচা ভার্সিটি লাইফে কী করে আসছে খোঁজ নেন। কোন দলের সাথে যুক্ত ছিল সেটাও খোঁজ নেন। বন্ধু বান্ধবের সাথে কী করে আসছে খোঁজ নেন। তার ভার্সিটিতে আরও সুন্দরী মেয়ে ছিল, তাদের সাথে সে কিছু করতে পারে নি, এখানে করল ক্যান?কারণ,মেয়েটাকে অসহায় অবস্থায় পাইছে।সেক্স এখানে উছিলা বা ফ্যাক্ট,ভায়োলেন্স মেইন।সেক্স সব হইলে সে পতিতালয়ে যাইত,নয়ত হস্তমৈথুনে যাইত,নয়ত বান্ধবীদের উপর চড়াও হওয়ার রেকর্ড থাকত। আর কিছু ত সাইকো থাকেই। এরা অসহায় অবস্থায় অন্য কাউকে পেলেও ছাড়ে না।হাসপাতাল গুলারে খোঁজ নেন, বাচ্চা বাচ্চা কাজের মেয়েরা যেমন আসে, তেমনি বাচ্চা বাচ্চা কাজের ছেলেরাও যে আসে,সেটা জানেন! এসব ইনসিডেন্ট কীভাবে হয়?


এভাবে স্পেসিফিক কমেন্ট করলে কথাবার্তা চালাতে সুবিধা হয়।
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।

২৯ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: পেপারে যা লেখে সেটাই সব না। আরও বহুত কাহিনী থাকে। মানুষ কখনই সিম্পল প্রাণী না। এত সহজে কেউ আত্মহত্যা করে না। পিছনে কাহিনী থাকে।আর চাইলেই আপনাকে কেউ এসিড মারতে পারবে না। পিছনে ব্যাকাপ থাকে।

আর,মামা,বড় কাজিন এরা স্বাভাবিক ভাবে এখনও আছে বুঝলাম।কিন্তু আমরা তাকে জানি কতটুকু?যে ফ্যামিলিতে বাপ ভিষণ রগচটা,ছেলেকে মাইরের উপরে রাখেন,মুখের উপর হালকা প্রতিবাদও সহ্য করতে পারেন না। খোঁজ নেন,উনি ভার্সিটি বা কলেজে কীভাবে চলছেন!ওখানে এই ভাব ধরে থাকলে তার ফ্রেন্ডদের মাইর খাইত শিওর।তাহলে এখন এমন হইছে ক্যান?(একখান থেকে অন্যখানে চলে গেলাম।যেটা বুঝাচ্ছিলাম,যে খোঁজ নিলেই বুঝা যাবে যে কে আসলে কী ছিল।ভাল বা খারাপ!)

৭৭. ২৮ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০৭
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: কয়দিন পর নারীবাদীরা কইব-আমরা পুরা নেংটা হ্‌ইয়া প্রকাশ্যে রাস্তায় ঘুরমু পোলারা তাকাইব কেন?
২৯ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: খ্যাক খ্যাক।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৭৮. ২৮ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৫
নেক্সাস বলেছেন: সামুতে ১০০+ ব্যাবস্থা রাখা হোক ।

আমি আকাশ মামুরে ১০০ টা প্লাস দিমু...

জোস হইছে মামা।প্রিয়াইলাম।

তয় মামা সাবধান তুই সুন্দরের পক্ষে সাফাই গাইলি..শালীনতা আর মানবতার পক্ষে সাফাই গাইলি... মূল্যবোধের পক্ষে সাফাই গাইলি...

এবার কিন্তু তোরে অনেকে বলবে বিকৃত রুচির ছেলে।মেয়েদের সন্মান করতে জানেনা....ব্লা ব্লা ব্লা....


তুই এসব না লিখে মামা ভাল হয়ে যা।উচ্চ স্বরে বল মেয়েরা যা ইচ্ছা করবে।রাস্তায় বুক খুলে ঘুরবে।আমরা ছেলেরা তাকাবো কেন?
আমরা কোনো কিছুই সিরিয়াসলি নেবোনা। যা কিছু করি সব কিছুই ফান।
তাহলে দেখবি আধুনিক মেয়েদের চোখে তুই খুব ভালো, স্মার্ট, ফ্রেন্ডলি, রুচিশীল, নিরাপদ ব্লা ব্লা ব্লা...

এবার দেখবি আধুনিক মেয়েরা তোকে ইয়াহু আইডি দেবে....সেল নাম্বার দিবে...তোর সাথে ডেটিং -এ যাবে।

তারপর তুই মাধবী,সুমি,নন্দিনী দের সাথে পালাক্রমে ডেটিং করবি আর মনে মনে ইন্দ্রিয় সুখ নিবি।তারপর বাসায় এসে নারী শ্রদ্ধার গুষ্টি উদ্ধার করে বন্ধুদের কাছে গল্প করবি..."দোস্ত নন্দিনী যা একটা মাল।ওর ইয়ে গুলান দেখলে পাগল হয়ে যাবি"

কোন ভয় নাই মামা এমন ডাবল রোল প্লে করলে আজীবন তুই ওসব মেয়েদের চোখে ভাল থাকবি।এমন কি তুই বিয়ে করার পরেও তোর বউ-এর সংসারটাকে তচনচ করে তারা তোর সাথে ডেটিং করে যাবে।তখন তারা একবারো ভাববেনা যে আরেকটা মেয়েকে তুই অধিকার বঞ্চিত করছিস।


কেন মামা শুধু শুধু সত্য কথা বলে,ন্যায়ের কথা বলে আধুনিক মেয়েদের সাথে কিছু লুল পুরুষের শত্রু হতে চাস?

২৯ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: মেয়েরা যা ইচ্ছা করবে।রাস্তায় বুক খুলে ঘুরবে।আমরা ছেলেরা তাকাবো কেন?

হা হা হা। সেটাই।তারা যা ইচ্ছা করুক,আমি তার বাপ না, আমি হেরে আটকামু না। আমি রাস্তার মানুষ, আমি দেখুম।
একারণে আমি ক্যান গালি খামু? সে কেন ভাল মানুষ সাজে আর আমি সমাজের চোখে খারাপ হয়ে যাই!!
প্রশ্নের উত্তর, ""আমরা খারাপ।আমরা অসভ্য!""


আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনেক ভাল থাকবেন।

৭৯. ৩০ শে মে, ২০১০ রাত ৯:২৩
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষে

সংসদে পাশ করাইয়া দিলাম
৩১ শে মে, ২০১০ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা
চরমজ।
অনেক ধন্যবাদ।

০২ রা জুন, ২০১০ সকাল ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮১. ০৮ ই জুন, ২০১০ সকাল ৭:১৭
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: আকাশ পাগলায় আগুন ধরায়া দিসে । :> :> +
০৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: খেক খেক খেক।
থানক্স।

৮২. ০৮ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
কেলেভুষো বলেছেন: আমি লুল আমাকে চড় দিন।
০৮ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: ???!!!
ওক্কে।
দেখা কইরেন।
খ্যাক খ্যক।

পড়ার জন্য থ্যানক্স।

৮৩. ১৭ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:২৭
নৈশচারী বলেছেন: গোটা লেখাটা এবং সমস্ত কমেন্টের জবাব মোটামুটি পড়ার পর যেটা মনে হলো তা হচ্ছে- আপনার দুর্ভাগ্য,সম্ভবত আপনি আপনার ব্যক্তিগত জীবনে ব্লগে/ব্লগের বাইরে এমন কোনো মেয়ে/নারীবাদী মেয়ের সাথে পরিচিত হননি যারা নারীবাদ সম্পর্কে ওই ধরনের হঠকারী এবং বিভ্রান্তিকর ধ্যান ধারণা পোষণ করে না এবং সত্যিকার অর্থেই মেয়েদের সমস্যাগুলি নিয়ে ভাবে! সেটার জন্য সমবেদনা জানানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারছি না! তবে যেই কথাগুলি লিখেছেন যেহেতু সেগুলো শুধুমাত্র নারীবাদীদের একটা নির্দিষ্ট অংশের জন্য প্রযোজ্য [যারা কিনা সংখ্যাগরিষ্ঠও নয়] সুতরাং কামনা করব অপর অংশের সাথেও যেন আপনার শিগ্রী পরিচয় ঘটে এবং ভুল ধারণাগুলি দূর হয়!
গোটা লেখাতে নিরপেক্ষ হবার বেশ সচেতন চেষ্টা চোখে পড়ল! সেটার জন্য সাধুবাদ! তবে শুধু চেষ্টা করাটাই তো নয় সত্যিকার অর্থে ভেতর থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে একটা নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থাকা জরুরি! যেহেতু আমরা সবাই প্রথমে মূলতঃ মানুষ এবং পরে নারী/পুরুষ এবং দোষত্রুটি ও দুর্বলতা দুই পক্ষেরই কিছু কিছু থাকা স্বাভাবিক! তাই আপনি ভিতর থেকে যত বেশি নিরপেক্ষ হবেন তত ফেয়ারলি জিনিসগুলো জাজ করতে পারবেন!
ভালো থাকবেন! শুভকামনা রইলো!
১৭ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: হ ভাই। রাইট।

এই পোস্টটা ব্লগের একটা নির্দিষ্ট অংশের জন্য প্রযোজ্য।
এত পেঁচায়া বলার কিছু নাই। এটাই রাইট। আপনে ঠিক।

৮৪. ২২ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৩২
ভাবসাধক বলেছেন: ক্ষত্রিয় বলেছেন: সাবাশ আকাশ পাগলা! সাবাশ! মুখোশ খুলে দিয়েছ!

+++++++++++++++++++++++++

নারী মানেই নব সময়ই তার যুক্তিই সঠিক
বিচার মানি , তবে তালগাছ আমার ।

অধিকাংশ নারীই লোভী , সুবিধাভোগী, স্বার্থপর ,,,,,,,,,,,,,,,,
২২ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: অধিকাংশ নারীই লোভী , সুবিধাভোগী, স্বার্থপর ,,,,,,,,,,,,,,,, ???!!!!

ভাই ধীরে সুস্থে। এত এগ্রেসিভ হবার কিছু নাই।

তবে, নারী সবসময় তালগাছটা চায়। কিছু বলার নাই।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৮৫. ০২ রা জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩৭
নূর-ই-আল-মামুন বলেছেন: আকাশ ভাই। স্যালুট টু ইউ। আর কিছু কইলাম না।

+ দিলাম। প্রিয়তে নিলাম। আর মাঝে মাঝে অবস্থাটা ঝালাই করার জন্য আপনার লেখাটা পড়তেছি। সবগুলা কমেন্ট ই পড়তেছি । আপনার উত্তরগুলো দেখছি। আফসোস লাগে কেউ কেউ সত্য জেনে বুঝে না বোঝার ভান করে। বাদ দেন। জেগে জেগে ঘুমালে কেউ জাগাতে পারবে না তারে।

আপনারে যদি কেউ লুল কয়, তাইলে আমি এই টাইপের লুল হ্ইতে এক পায়ে খাড়া । চালায়ে জান। আরো দিন এই টাইপের বিভিন্ন পোস্ট । যদি কোনোদিন এগুলো নিয়ে মুভমেন্ট করেন, আমারে ডাইকেন। ছুডো ভাই হতাশ করবো না, কতা দিতাছি।
০২ রা জুলাই, ২০১০ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস বস।
এগুলা নিয়ে কী ধরণের মুভমেন্টের কথা বললেন, বুঝি নাই।
কিন্তু আপনি পাশে আছেন শুনে অনেক ভাল লাগল।
আপনার কমেন্টে সাহস পেলাম।


আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৮৬. ০২ রা জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২০
নূর-ই-আল-মামুন বলেছেন: তেমন কিছু না ভাই। যদি কোনো দিন আপনার ভেতর থেকে ডাক পান, সেদিন নিজেই বুঝবেন কি করতে হবে। সেদিন আমি যদি বেচে থাকি তো আমি আপনার পাশেই থাকব। কথা দিচ্ছি।

আর বস টস কইয়েন না। আমি যা না তা বল্লে খুব লজ্জা লাগে ভাই। আপনার লেখাটা খুব খুব খুব পছন্দ হইছে।
৮৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:০৫
কঠিনলজিক বলেছেন: পাগল ক্ষেপলে যে এমন আগুন পোস্ট বাইর হয় এটা আগে জানতাম না।
প্লাস বটনও কাজ করতাছে না প্রিয়তে নেওয়ার টাও না। লিন্ক সেভ কইরা রাখলাম । এই টা মন্তব্য না, যাস্ট থ্যান্কস আর প্লাস নোট ।
মন্তব্য করবো পোস্ট আকারে আজকে কালকের মধ্যেই ।
কঠিন সত্য বেশী তিতা এবং মানতে একটু কস্ট হয়। অনেকের মন্তব্যে তিতা ভাব এবং অমত প্রমান করে পোস্টের বক্তব্য সত্য,যৌক্তিক এবং বাস্তব । শব্দ চয়ন বা লেখার ধরনের ভুল (যদি কিছু থাকে ) গুনায় ধরার সময় নাই । এটা ব্লগ, পাঠ্য বই না। মূল বক্তব্য ঠিক থাকাটাই মুখ্য সাহিত্য চটি মনে কইরা যারা তেনা পেঁচানোর হাল্কা চেস্টা নিলেন উনাদের জন্য করুনা রইলো ।
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: ভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৮৮. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৩৪
রেড ওয়াইন বলেছেন: প্লাস # ৮২ টা আমি দিলাম।
৩০ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৮৯. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৪
হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালা বলেছেন: comment no 44,46,48,57 er ans dia sob clear korsen.....ei comment gular ans pura lehar che valo xpressive hoise.... prob hoilo amio apnar lahan lool boilai hoito ei post da posond korlam :( naribadi hoile hoito kortam na :P
৯০. ২৯ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:০৪
নকীবুল বারী বলেছেন: নারীদের সৌন্দর্য সবসময়ই প্রশংসনীয়..পুরুষ হিসেবে নারীদের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করা পুরুষ হিসেবে আমার রাইট.....সুগঠিত নারীদের দিকে আমিও তাকাই....কামভাবে হতে পারে....শৈল্পিক দৃষ্টিকোণ থেকে...কামনা থেকে....ফ্যান্টাসী কল্পনা করে।

তাই বলে অনূভুতির উগ্র প্রকাশ...যা কাউকে মানসিকভাবে ও শারিরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করবে এটা অনুচিত এবং শাস্তিযোগ্য।

কেউ কাউকে কল্পনা করে বাথরুমে...............মারুক...এটাকে আমি ডেভিয়েশন বলবো না....বরং কামনার অনিয়ন্ত্রিত প্রকাশকে সামাজিক মূল্যবোধের ডেভিয়েশন বলবো।

আর নারীদের যে কোন পোষাক পড়ার রাইট আছে....এবং এ নিয়া মজা নেয়ার রাইটও পুরুষের আছে কিন্তু তা নিজের মাঝে একটা থ্রেসহোল্ড লিমিট-এর বাইরে গেলেই সমস্যা....


৯১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৬
চিন্তায় আছি বলেছেন: only Islamic rules can give the pperfect write to women
৯২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১১
নিউট্রন বলেছেন: 72 নং কমেন্ট এর critical reasoning টা ভালো লাগলো। পোস্ট + +প্রিয়তে।
আর ভার্সিটি লেভেল এ ইংলিশ দেয়াতে প্রব্লেম নাই। পলাপাইন এর চিন্তা করার ক্ষেমতা কমে গেসে , তাই কিছু বুজতে পারে না। সবাই এখন passive learner. আপনার( আমার!) মত critical thinkers দের বড়ই অভাব
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: উনার অই কমেন্টের উত্তরটা দিয়ে আমি মনে খুব শান্তি পেয়েছিলাম। ভেবেছি যে, পড়তে হয়ত বোর লাগবে, কিন্তু নিজের মত করে উত্তর দিয়েছিলাম।
আপনার ভাল লেগেছে জেনে, আমারও ভাল লাগল।


ভাই, আমি নিজেও ভার্সিটি লেভেলে ইংলিশ মিডিয়ামেই পড়তেসি। ঐটা ত ছিল জাস্ট কথার কথা। ইংলিশের নিজস্ব যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।

৯৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩
মোরশেদ পারভেজ বলেছেন: এরাই নিজেদের পণ্য বানিয়ে দর্শকদের লোভ দেখায়। টাকা হবার পর, যৌবন শেষে এরা নারীবাদী সংগঠনের প্রধান হয়।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: কমেন্টের জন্য থ্যাংক্স।

৯৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৩১
তারার মেলা মিটিমিটি বলেছেন: মডেলিং এর জন্য দেখি নারী জাতি পাগল। এরাই নিজেদের পণ্য বানিয়ে দর্শকদের লোভ দেখায়। টাকা হবার পর, যৌবন শেষে এরা নারীবাদী সংগঠনের প্রধান হয়।

হা হা পে খু গে =p~ =p~ =p~
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: হায় হায়, সব ত দেখা গেল।


খেক খেক খেক।

৯৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৪
saimoomagain বলেছেন: প্লাস-এর সেন্চুরি টা কিন্তু আমিই করলাম.........awesome
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক থ্যাংক্স রে ভাই।

১২ কেজি ধইন্যাপাতা।

৯৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৫
জাহাজী পোলা বলেছেন: আমি ১০১ তম পেলাচ দিচি B-)
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনারেও অনেক থ্যাংক্স।

৯৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৫
আরিফ্ ৯১ বলেছেন: @ জাহাজী পোলা==> ১০১ তম পিলাচ আমার!! X((
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: হ ভাই। ২ টা ১০১ তম প্লাস দেবার সিস্টে্ম করার জন্য মডুদের প্রতি আমরণ অনশন করার হুমকি দিলাম।

আপনি সাথে থাইকেন।

বাই দ্যা ভাই, অনেক থ্যাংক্স।

৯৮. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:২১
সুরাইয়া সুিম বলেছেন: কালপুরুষ বলেছেন: বিশাল সাইজের লেখা। ধৈর্য ধরে পড়ে গেলাম। মন্তব্য কি করবো বুঝতে পারছিনা। কথাগুলো যৌক্তিক মনে হলো। আসলে সবই দৃষ্টিভংগির ব্যাপার। কে কোন জিনিষ কিভাবে নেয়, কার কাছে কোনটা মানাসই, কে কেমনভাবে চলবে ফিরবে, কে কি ব্যবহার করবে সবই আপেক্ষিক ব্যাপার আর তা মানুষ মাত্রেই বদলাতে পারে বা দৃষ্টিকটু বা দৃষ্টিনন্দন যে কোনটাই হতে পারে। এ নিয়ে বিশাল তর্ক বিতর্ক চলতে পারে তবে সমাধান বা ঐক্যমতে পৌঁছানো মনে হয় দুরুহ ব্যাপার".......একমত
৯৯. ১০ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:৪৬
নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: সেরাম হইছে! কিন্তু এই খুব সহজ সত্য কথাগুলো নিজেদের পন্য বানানোর জন্য অতি আগ্রহী আমাদের তথাকথিত কিছু নারীবাদী বুঝবেন বলে মনে হচ্ছে না! আসলে যে জেগে ঘুমায় তাকে জাগানোর সাধ্য কার!
১০০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫৩
আত্মমগ্ন আিম বলেছেন: এতো কমেন্ট পইড়া তো মাথা আউলাইয়া গেল!
আজকের সমাজে নারীদের এই দশার জন্য অনেক কিছুই দায়ী...শুধু পুরুষ বা নারী একাই না।
তবে সবকিছুর মূলে আছে অর্থনীতি,মুক্তবাজার অর্থনীতি।
আপনি খুব হাই অথবা লো সোসাইটিতে দেখতে পাবেন নারীর প্রতি সবচেয়ে বেশী অবমাননা।
মধ্যবিত্ত জীবনেও নারী খুব সুখে আছে,তাও বলবনা,তবে তারা অন্ততঃ
পূর্বোক্ত দুই শ্রেনী থেকে ভাল আছে।
১০১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫৯
আত্মমগ্ন আিম বলেছেন: এতো কমেন্ট পইড়া তো মাথা আউলাইয়া গেল!
আজকের সমাজে নারীদের এই দশার জন্য অনেক কিছুই দায়ী...শুধু পুরুষ বা নারী একাই না।
তবে সবকিছুর মূলে আছে অর্থনীতি,মুক্তবাজার অর্থনীতি।
আপনি খুব হাই অথবা লো সোসাইটিতে দেখতে পাবেন নারীর প্রতি সবচেয়ে বেশী অবমাননা।
মধ্যবিত্ত জীবনেও নারী খুব সুখে আছে,তাও বলবনা,তবে তারা অন্ততঃ
পূর্বোক্ত দুই শ্রেনী থেকে ভাল আছে।
২৬ শে এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: হাই সোসাইটিতে আবার কী সমস্যা? ওখানে ত অর্থনীতি ঠিকই আছে।

আমিও এইটা মানি, অর্থনীতিই মূল।

১০২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৬
নুভান বলেছেন: খাইছে, বিয়াফুক গবেষণা ভিত্তিক পুষ্ট দেখা যায়! আগে চোউক্ষে পড়লোনা কেন!
১০৩. ১০ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৭:০৭
আমিভূত বলেছেন: এক কথায় বলতে পারছি না আপনার সাথে সহমত,তবে আপনার লেখা যুক্তিযুক্ত ,তবে আমাদেরও দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন ঘটানোর প্রয়োজন।আমি দেখেছি আমার কিছু মেয়েবন্ধুর পোশাকের মাঝে অশালিনতা থাকত,কিন্তু মেয়েরা যদি ওই মেয়েকে পোশাকের ব্যাপারে কিছু বলত মেয়েরা ক্ষেপে যেতো। কিন্তু তার বয়ফ্রেনড যদি বুঝিয়ে বলত তাহলে কিছুতা পরিবর্তন হত।তাই আমি বলব পুরুষরা যেহেতু ঘরের প্রধান,অথবা বয়ফ্রেন্ড ,অথবা ভাই,অথবা বাবা,অথবা বর,অথবা ছেলে তাদের উচিৎ তাদেরি নিকট আত্মীয়াদের (মেয়ে) এই ব্যাপারে সতর্ক করা।আর ঘর থেকেই হক না শুরু শালিনতার।পরিবার,পরিবেশ,সমাজের ও ত কিছু দায়িত্ব আছে,শুধু মেয়েদের দোষারোপ না করে নিজেদের বিপক্ষেও কিছু বলুন,আপনি হয়ত নারীবাদী মেয়েদের পরিবর্তন করতে পারবেন না তবে,নতুন করে নারীবাদী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।
১০৪. ১০ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৭:০৮
আমিভূত বলেছেন: এক কথায় বলতে পারছি না আপনার সাথে সহমত,তবে আপনার লেখা যুক্তিযুক্ত ,তবে আমাদেরও দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন ঘটানোর প্রয়োজন।আমি দেখেছি আমার কিছু মেয়েবন্ধুর পোশাকের মাঝে অশালিনতা থাকত,কিন্তু মেয়েরা যদি ওই মেয়েকে পোশাকের ব্যাপারে কিছু বলত মেয়েরা ক্ষেপে যেতো। কিন্তু তার বয়ফ্রেনড যদি বুঝিয়ে বলত তাহলে কিছুতা পরিবর্তন হত।তাই আমি বলব পুরুষরা যেহেতু ঘরের প্রধান,অথবা বয়ফ্রেন্ড ,অথবা ভাই,অথবা বাবা,অথবা বর,অথবা ছেলে তাদের উচিৎ তাদেরি নিকট আত্মীয়াদের (মেয়ে) এই ব্যাপারে সতর্ক করা।আর ঘর থেকেই হক না শুরু শালিনতার।পরিবার,পরিবেশ,সমাজের ও ত কিছু দায়িত্ব আছে,শুধু মেয়েদের দোষারোপ না করে নিজেদের বিপক্ষেও কিছু বলুন,আপনি হয়ত নারীবাদী মেয়েদের পরিবর্তন করতে পারবেন না তবে,নতুন করে নারীবাদী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।
১০ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: আপনি হয়ত নারীবাদী মেয়েদের পরিবর্তন করতে পারবেন না তবে,নতুন করে নারীবাদী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।


হমমম। এটা দারুণ বলেছেন।

কমেন্টের জন্য থ্যাঙ্কস।

১০৫. ২৪ শে জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:২৫
মূল্যহীন বালক ...বেস্ট বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++্
২৪ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১০৬. ২৫ শে জুলাই, ২০১১ রাত ২:১৭
নিশম বলেছেন: ভালো পোস্ট না হলে তো আর প্রিয়তে নিতাম না ! ঝা ঝা হয়েছে :)

একটা জিনিস কি, নারীবাদি বয়স্ক মহিলা গুলো, এদের প্রতি আমার না ন্যুনতম সম্মান বোধ নেই। এরা অধিকার অপধিকার বলে চিৎকার করে, এরা কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে যে এরা বাসায় কোনো বুয়া দিয়ে কাজ করায় না? কোনো কাজের মেয়ে গ্লাস হাতে থেকে ফেলে দিলে চটাস করে থাপ্পর দেয়না? এদের যদি বুয়া-কাজের মেয়ে নাই থাকে, এদের ঘর-বাড়ি, রান্না কে করে? আকাশ থেইকা পরে ??? সারা দিন তো স্যান্ডুইচ-বিস্কিট খেয়ে মিটিং কইরাই শেষ করে, সংসার আর কখন করবে? এইসব ডাবল গেমারদের লাত্থি মেরে বের করে দেয়া উচিত। কোথায় মহিলারা শিক্ষার অভাবে, অর্থের অভাবে রোদের নীচে ঈট ভাঙ্গে, সেইটা অধিকার আদায়ের সংরামের লিস্ট নাই। স্কুল কলেজে বোরখা পরা যাবেনা, সেইটা অধিকার আদায়ের ইস্যু হয়ে যায়!

আপনার লিখা অসম্ভব ভালো হয়েছে। :)
২৫ শে জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৫ শে জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ।
আপনি ১০০ তম ব্লগার যিনি এটা প্রিয়তে নিলেন।

১০৮. ২৫ শে জুলাই, ২০১১ রাত ৯:৪৬
েপচাইললা বলেছেন: পুলা তুমি কুন ক্লাশে পড়...! তোমার তো ষাট পার হওয়া হাত হে...!!

মুগ্ধ পাঠক হলাম...
২৬ শে জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

পড়াশুনা শ্যাষ হতে হতে মনে হয় ষাট হয়েও যেতে পারে ভাই।

১০৯. ০৬ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ১০:৩৭
বস শাকিল বলেছেন: সবগুলোর সাথে একমত না, তবে কিছু কিছু কথা খুব ভাল
বলছেন ।
০৬ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

১১০. ২০ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:০৬
অপরাজেয়আমি বলেছেন: ভাই আমি খালি পড়লাম ই আর বুজার চেষ্টা করলাম কে কি রকম।।।।।।।।।।।।।।

আফারা ভালা হইয়া যান.......ভালা হইতে টাকা লাগে না...ডলার লাগে.....লাগলে আমার কাছ থেকে নিয়েন তার পড়ে ও ভাল হয়ে যান.....

ভাই সে ই রকম হইছে...........

+-*/(প্লাস.মাইনাস.গুন,ভাগ) সব দিয়া দিসি আপনারে.........আর প্রিয়তে আপনার কি মনে হয় নি ছি না...............ঐ পাগলা পাগলামী আমি ও করতে পারি বুজছেন........... আমার এইখানে ও ইহা শোকসে বন্দি...........

বাইর হইতে চাইলে ও বাইর হইতে দিমু না........

sorry viaya দুষ্টামী করার জন্য>>>>>>>>

আসলে ই কামে র জিনিস...
!:#P !:#P !:#P !:#P !:#P /:) /:) /:) /:) /:)
২১ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: আরে ভাই, আপনাকে ত আমি পরশুদিন ধরে খালি খুঁজতেই আছি।
বলেন ত ক্যান???

ধন্যবাদ দেয়ার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য।

১১১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১:৪৪
মেেহদী১০ বলেছেন: এতদিন পরে হলেও পোস্টে +++++ দিয়ে গেলাম । ১দিনেই ২-৩ টা পোস্ট পরলাম আপনার ভাল লাগল ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: একদিনে এতগুলো পোস্ট পড়ার জন্য অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।

http://wings.rizvanhasan.com/ এখানে আমন্ত্রণ রইল।

শুভকামনা।

১১২. ০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫০
যাযাবরমন বলেছেন: চিন্তা করছি! + দিবো না - !
০৯ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: - দেয়ার ত সিস্টেমই ত নাই।
হা হা হা হা


একমত না হলে + দেয়ার দরকার নাই।

১১৩. ১৪ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১১
Observer বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
১৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১১৪. ২৯ শে নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৩
অনুভূতিহীন০০৯ বলেছেন: আজ ১ম আপনার লিখা পরলাম , তাও আবার নারীবাদী কথা । উম খারাপ লাগেনি , পুরাটা পড়ে ভালই লাগলো ।


৩০ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনে ধন্যবাদ।
আমি খুব বেশি লিখি না, তাই আমার লেখা প্রথম পড়াই স্বাভাবিক।

যাক , প্রথমবার ত হল।
ভাল থাকবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৪০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি রিজভান হাসান। ডাক নাম আকাশ আর ব্লগ নিক আকাশ_পাগলা নিয়ে চলছি বেশ কিছু বছর। আমার স্থায়ী ঠিকানা হল http://wings.rizvanhasan.com...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ