আমার প্রিয় পোস্ট

কত কিছু যে করতে চাই, তবুও কিছু করতে না পারার দায়ে মাথা খুঁটে মরি ।

আপনি বাংলাদেশী না? এত গর্ব কীসের আপনার?

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

শেয়ারঃ
0 9 0

আজকে ভাল লাগতেছে না কিছুই। মনটা খুব খারাপ। আসলেই মনটা খারাপ। একজনের থেকে একটা কাহিনী শুনলাম। তার নিজের জীবনের কাহিনী। আসলে বাস্তবতা বড় কঠিন। আর, মাঝে মাঝে হাবিজাবি যাই হোক, একটু কিছু লিখি বলেই বোধহয় উনার প্রতিটা শব্দের পিছনের কষ্ট গুলো টের পেলাম। প্রতিটা বর্ণের পেছনের কষ্টগুলো আমার সামনে নানান বর্ণ নিয়ে হাজির হল।

আসলেই খুব কষ্ট পেলাম।

অমুকের গার্লফ্রেন্ড তমুকের সাথে চলে গেছে বা পাড়ার মাস্তানরা দামী মোবাইল নিয়ে গেছে এইসব নাকি কান্যার সমস্যা না। সরাসরি চোখ খুলে নিয়ে যাওয়ার কাহিনী। মায়ের সামনে তার দুই ছেলের চোখ খুলে নেয়ার কাহিনী। তিন মাসের একটা মেয়ে ছিল তার পেট বেয়োনেট দিয়ে এফোঁড় ওফোঁড় করে দেবার কাহিনী। মুক্তিযোদ্ধা স্বামীর আর কখনও ফেরত না আসার কাহিনী। আর নিষ্ফল আক্রোশে পুকুরের মাঝে ডুব দিয়ে থাকা সেই মহিলার চোখের পানিতে রক্তের প্রতিবিম্ব, সব কিছুই আমার চোখে ধরা পড়ল। কারণ, আমাকে বলার সময়েও উনার চোখে অশ্রু ছিল। পুকুরে মুখ লুকিয়ে লুকিয়ে চোখ দুটো বের করে সে দেখেছে, তার ছেলেদুটোর চোখ খুবলে নেয়া হল। রাজাকাররা করেছে এসব। পাকিস্তানীদের পথ দেখিয়ে নিয়ে আসে রাজাকাররা, মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের কাছে। পাকিস্তানীদের লাইন (একটা জাত, একটা নিচু জাত, যাদের রক্ত এখনও বর্তমান, যাদের জন্য বাংলাদেশের রমণীরা প্ল্যাকার্ড উঁচায় স্টেডিয়ামে,”প্লিজ ম্যারি মি।”) দূর থেকে দেখেই মহিলা পুকুরে লুকায়। তিনমাসের বাচ্চাকে কেউ কিছু বলবে না ভেবে আর পানিতে আনেনি তাকে। খাটেই বাচ্চাটার উপর বেয়নেট চার্জ করা হয়েছিল।

সেই পিচ্চী মেয়েটা বেঁচে গিয়েছিল। আশ্চর্য ব্যাপার হলেও সত্য। সেই মেয়েটা বেঁচে গিয়েছিল। আসলে কথাটা বোধহয় খুব বেশি সত্য না। মেয়েটা বেশি দিন বাঁচে নি। মারা গিয়েছে, পাকিস্তানী কুত্তাদের হাতে না, বাংলাদেশীদের হাতে। যৌতুক দিতে পারে নি, তাই তার স্বামী(!!!!!!! বলতে মুখে থুতু জমে) তাকে মেরে ফেলে। মেরে ফেলে মানে কী, কুপিয়ে খুন করে।

এ ব্যাপারে বেশি কিছু জানি না। মহিলা বলতে যেয়ে কাঁদতে কাঁদতে লুটিয়ে পড়ল আমার সামনেই।

সেই কুত্তার বিচার হয়েছে। অনেক পরে, কিন্তু হয়েছে। ফাঁসী। কিন্তু অতদিনে এই মহিলা পাগল হয়ে গিয়েছিল। তার মেয়ের উপর অনেক অত্যাচার করা হয়। সব কিছুই শোনে সে কোর্টে। মেয়ের জামাই (হ্যাঁ সে পাকিস্তানী না, সে বাংলাদেশী) প্রতিদিন মেয়েকে অত্যাচার করত, যেন সে তার মায়ের কাছে টাকা চায়। একবার নিয়ে এসেছিল অবশ্য, সাড়ে তিন হাজার টাকা। ১৯৯১ সম্ভবত, একজন দরিদ্র মহিলা যে মানুষের বাসায় কাজ করে পেট চালায়, তার থেকে তার মেয়ে তার জামাইকে সড়ে তিন হাজার টাকা এনে দেয়। এই মেয়েটা ত নিজেই বোঝে সে কী করল, তাই সে আর আসে নি। প্রতিদিন জামাই শ্বাশুড়ী(সেও ত একটা মেয়ে!!) মেয়েটার উপর অত্যাচার করেছে। মেয়েটা মায়ের কাছে টাকা চাইতে ফেরত আসে নি। মেয়েটার যাওয়ার জায়গাও নেই। প্রতিদিন কষ্ট করে ধুঁকে ধুঁকে তার মা তাকে এ পর্যন্ত বড় করেছে, তার মার থাকার জায়গা নেই, সে কোথায় যাবে! স্বামীর(!!থুঃ) ঘরেই পড়েছিল। তাকে কুপিয়ে মারা হয়েছে। সব কিছুই কোর্টে বেড়িয়ে আসে। এই মহিলা শোনে। নিজের মেয়েকে কীভাবে মারা হয়েছে তা শোনে। সে নিজের দাঁত ভেঙ্গে ফেলে, চোয়াল ভেঙ্গে ফেলে। তাকে বেঁধে রাখা হয় বেশ কিছুদিন।

এরপর আর কী !! পৃথিবী নিজের গতিতেই ঘুরেছে অনেক দিন। এই মহিলাও সুস্থ হয়েছে। একজনের বাসাতে কাজও পায়। আর হ্যাঁ, তার কাছে আরও একটা দায়িত্ব বর্তায়। তার নাতনি। তার মেয়ের ১ বছরের শিশু। তার নাতনি। যাকে একটা এতিমখানায় দেয়া হয়, আর মহিলা খুব এক বড়লোকের বাসায় চাকরী পায়। চাকরী আর কি, গৃহপরিচারিকা, বুয়া।

সব মিলিয়ে ১২টা বছর তার কাটে ওখানে। যাদের বাসায় কাজ করে তাদের সাথে শর্ত একটাই, কোন টাকা লাগবে না তার। শুধু নাতনির এতিমখানায় বেতনটা দিতে হবে। ড্যাম বড়লোক ত , ছেলে মেয়েকে সময় দেয়ার সময় নেই বাড়ির মালিকের। ৯ বছরের একটা ছেলেকে ১২ বছর ধরে পালে সে। আর, ছোট্ট একটা মেয়ে, সে আসার কয়েকদিন পরে যার জন্ম। তাকে বলা হল, এই মেয়েটাকে তুমি পালো, বড় কর নিজের পায়ে হাঁটা পর্যন্ত। পাঁচ হাজার টাকা পাবা, আমরা সময় দিতে পারব না ওকে। নিজের নাতনিকে রেখে সেই মেয়েকে লালন পালন করে সে।

চলে আসার সময় তাদের কাছে ৮০০ টাকা পায়, দেয় নি। সেই পাঁচ হাজার টাকার কথা উনাদের মনে ছিল না। আসলে গৃহকর্ত্রী কয়েকটা সংগঠন চালান, সমাজ সেবা করে সেসব সংগঠন। উনার মনে না থাকতেই পারে। কিন্তু যার পাওনা তার মনে থাকলেও সে কিছু বলে নি। এই মহিলার ভাষায়,”একটা শিশু হইল ফেরেশতা, ওরে বড় করছি। টাকার দাবী ক্যামনে করি?” ঢাকায় চলে আসে মহিলা, আসার আগে এতিমখানায় তার নাতনীকে দেয়ার জন্য ৩,৫০০ টাকা যা তার সম্বল দিয়ে আসে সেই ছেলের হাতে। যাকে সে ডাকত আব্বু, যাকে ১২ বছর বড় করল। সেই টাকাটা তার নাতনীর নামে করা ব্যাংক একাউন্টে জমা দিতে বলে আসে।

আমার আব্বু আজকে খবর নিছে। একটা টাকাও জমা দেয় নি সেই ছেলে। ৪ মাস হয়ে গেছে। মহিলা আমার কাছে প্রায়ই ওই ছেলের জন্য দুঃখ করে, বলে “হেই ঘরেও একটা নাতি আছে, হেরে ডাকতাম আব্বু।” সে ফোন করে সেই ছেলের কাছে, “আব্বু কেমন আছ? তোমার বইনে কেমন আছে?”

একটা মানুষের জীবনে এত বেশি কষ্ট কী করে থাকে? এত বেশী? মহিলা একেবারেই বয়স্ক। সারাদিন কাঁদে, তার কিছু হলে তার নাতনীকে দেখবে কে? এতিমখানায় তার নাতনী। এসএসসি পাশের পর সেখান থেকে বের করে দিবে, কোন কথা নেই, সোজা বের করে দিবে। এটাই নাকি ওখানকার নিয়ম।

মহিলা প্রায়ই কাঁদে।
কেমন যেন লজ্জা লাগল, আমিও উনার সাথে কেঁদে ফেলেছি।

আপনি বাংলাদেশী না? এত গর্ব কীসের আমাদের? এই মহিলাটাকে এক বিন্দু ছাড় দিতে পেরেছি আমরা? যেভাবে যে পেরেছে শুষে খেয়েছে। পাকিস্তানীদের জন্য স্টেডিয়ামে প্ল্যাকার্ড উঁচানো ঠিকই আছে,কারণ আজ নিজেদের প্রতি ঘৃণা হয়। আমরা রাজাকারদের ভোটও দেই, তারা দেশের মন্ত্রীও হয়। গরীবের টাকা মারা মানুষগুলো সমাজ সেবার নামে ভাঁওতাবাজী করে আর যৌতুকের জন্য আমরা মানুষকে কুপিয়ে খুনও করি। মেয়েটাকে খুন করে তার জামাই আর শ্বাশুড়ি। মা আর ছেলে মিলে খুন, নাইস টিমওয়ার্ক !!! ছিঃ ছিঃ।

[ পুরোটুকুই সত্যি কাহিনী। আর এক বিন্দুও বাড়িয়ে চড়িয়ে বলা হয়নি।]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উপলব্ধি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪১
ব্রাইট বলেছেন:
প্রশ্ন করার সময় এসেছে, জাতি হিসেবে আমরা ৩৮ বছরে কি অর্জন করেছি। নারীদের সন্মান কি আমরা দিতে পেরেছি? পত্রিকার পাতা খুললেই তো দেখি হত্যা-খুন-ধর্ষন। কারা করে এসব। আমরাই। হ্যাঁ, আমরাই!

মজুতদারি করে দ্রব্যমূল্যের দাম চড়িয়ে দেই। আর তাতে পুড়ে মরে নিন্ম আয়ের কতগুলো মানব সন্তান যারা আমাদেরই ভাই। লাভ করে কারা। হ্যাঁ আমরাই!

প্রতিনিয়ত ফর্মালিনে চুবানো মাছ আর ভেজাল তেল খেয়ে ধীরে ধীরে কবর পানে ধেয়ে চলি আমরা। লাভের ভাগটা কে পায়। হ্যাঁ আমরাই!

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: সেইটাই। ঠান্ডা মাথায় দেওয়া বাল সমৃদ্ধ বক্তৃতা শুনি, ভাঙ্গা টেপের রেকর্ড শুনি। আর একদলা থুতু উপরে ছুড়ে মারি যাতে তা আমার নিজের মুখে এসে পড়ে।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: সেটাই।
ধন্যবাদ।

৩. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫১
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: আসলে কিছু বলার নেই ... লজ্জা লাগে
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: হমমম।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: কিছুই বলার নেই।

৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
অগ্নিশিখা বলেছেন: একটা জাত, একটা নিচু জাত, যাদের রক্ত এখনও বর্তমান, যাদের জন্য বাংলাদেশের রমণীরা প্ল্যাকার্ড উঁচায় স্টেডিয়ামে,”প্লিজ ম্যারি মি".........প্রচন্ড ঘৃনা হয় এইসব দেখলে।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: হমমমমম।

৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৯
ত্রিমাত্রিক বলেছেন: বাড়ীর আঙিনা তো দুরের কথা নিজেগো ঘরটা এখনো পরিস্কার করতে পারলাম।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: সেটাই।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬
অয়ন আহমেদ বলেছেন: সত্যি খুব দুঃখজনক। সেই আদিম যুগে রয়ে গেছি। এখনো জংলী থেকে মানুষ হতে পারি নি।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: সত্যিই তাই।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২০
শিবলী বলেছেন: এসব কোন ব্যাপার না। সময়ে সবই সহ্য হয়....

:(
বাংগালি রক্তের বৈশিস্ট হল তা একটা পরাধীন জাতির রক্ত । সবসময়ই কারো না কারো দাসত্ব করে এসেছে এই জাতি। এরকম হওয়া তাই স্বাভাবিক। এখন যেমন আমরা দুর্ণীতি এর দাসত্ব করছ....।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।
আন্টির খবর কী??

০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৬
আকাশ অম্বর বলেছেন:



এত গর্ব কীসের আমাদের?




এক বিন্দুও বাড়িয়ে না বলা এক সত্যি কাহিনী
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: হমমমম।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: কিছুই ত বলার নেই।

১২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৮
অলস ছেলে বলেছেন: চুপচাপ দীর্ঘশ্বাস
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৩. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: মন খারাপ হল.........একটু না অনেক।

০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন: হ্মমমম।

আমারও অনেক মন খারাপ। এটা শুনে।

১৪. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
অন্যরকম বলেছেন: +

কিছু বলার ভাষা নাই।
ফেইসবুকে লেখাটা শেয়ার করা হল!
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৫. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬
যীশূ বলেছেন: হুমম, তবুও মানুষ বাঁচে নতুন আশায়!
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: উনার আর কী আশা বাকি থাকতে পারে???

আমি উনাকে বললাম, যা দুঃখ গেছে, আপনার উপর দিয়েই গেল। আপনার নাতনীর জীবন যেন অনেক সুখে কাটে, আর আপনাকে যেন মনে রাখে।

১৬. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫১
রোহান বলেছেন: আসলেই কিছু বলার নাই...

এসব দেখেও দেখা হয় না কারো... জাতি হিসেবে আমরা বোধহয় বড্ড বেশী বিবেকহীন হয়ে গেছি... মহিলার খোঁজ খবর কি আছে তোমার কাছে? আমাকে ডিটেইলসটা একটু মেইল করবা?
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: ওকে । আমি মেইল করতেছি।

০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: হমমমম।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৮. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯
এস বাসার বলেছেন: মানবতার পরাজয়। জাতি হিসেবে আমরা একটা গোলাধাঁধায় পড়ে গেছি।
তুমি যে দিকেই চোখ মেলে তাকাবে অন্যায়, দুর্নীতি, নোংরা রাজনীতী আর লালসার ছড়াছড়ি।

আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত আমরা, কিন্তু এভাবে সমাজ এগুতে পারেনা। না, দরিদ্রের পাশে, অসহায়ের পাশে রাষ্ট্র নেই।

মন খারাপ করা লেখা।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: এই সব এখন আর গায়ে লাগে না ।

পাথর হয়ে গেছি দিনে দিন ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: ইদানীং তাই মনে হয়।

আসলে একজনের অনুভূতির গভীরতা খুব একটা টের পাই না আমরা যতক্ষণ না নিজেরা পড়ি সেখানে।

এটা বোধহয় জাতি নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের সীমাবদ্ধতা।
----------
অনেক জল ঘোলা হচ্ছে ইদানিং। দেখলাম সকালে। ব্যাপারস না। একেকটা কমেন্ট পড়ি, একেক দিকে হেলি। পরে, শ্রাফুর কমেন্টে অনেক কিছুই পরিষ্কার।
দেখলাম।

ব্যাপারস না।
কেমন আছেন?

২০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮
রোহান বলেছেন: মেইলের রিপ্লাই দিছি। আইডিয়াটা ভালো হইলে পোষ্টাইও, আর আমারে মেসেন্জারে একটা টোকা দিয়া রাইখো।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা।
আমিও রিপ্লাই দিতেছি।

২১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: কিছুই বলার নাই। জাতি হিসেবে আমরা একটু বেশিই সুশীল।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: আসলেই।
আমরা একেকজন নৈতিকতা নিয়ে জানটা দিয়েই দেই, কিন্তু সবই মুখে মুখে।

২২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৬
সাধারণমানুষ বলেছেন: বাংলাদেশের রমণীরা প্ল্যাকার্ড উঁচায় স্টেডিয়ামে,”প্লিজ ম্যারি মি"......... এই জিনিসটা দেখা বড়ই কষ্টকর..
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: আসলেই কষ্ট লাগে।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: কিছুই বলার নাই।

২৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৩
লালসালু বলেছেন: এত লম্বা এলখা পড়ার ইচ্ছা নাই। তবুও পড়েছি। সুন্দর লেখা, প্লাস।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

এটাকে যদি বলেন লম্বা লেখা, তাতলে কী করে হবে? এটা ত আসলে মিডিয়ামের একটু ছোট সাইজের লেখা ;)

১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৬. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: পড়লাম , লজ্জা লাগে অনেক
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৭. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫১
দখিনা বাতাস বলেছেন: ঐ মহিলাকে সাহায্য করার কোন রাস্তা কি আছে? ২০নং কমেন্টে ধারনা করছি ( আমার বুঝতে কোন ভুল না হলে) রোহান কোন একটা আইডিয়া দিয়েছে। যদি তাই হয়, কোন কাজে লাগতে পারি? যোগাযোগ করতে পারেন, zahidul_s এট হটমেইল ডট কম। অথবা, ০১৭২৬৩০২৬২৮
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: একটা সম্ভাবনা আছে।

ঈদের পরে আমি আর রোহান ভাই, এটা নিয়ে একটা পোস্ট দিবো আশা করি।

সাথে থাইকেন।

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৯. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: আপনাকে সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: আপনাকে স্বাগতম।

৩০. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: কিছু কি করা হয়েছিল? কেউ কি তার জন্য কিছু করে ছিল? কেমন আছে এখন? কিছু কিছু মানুষের জীবন বেচে থাকতেই নরক হয়ে যায় যেন। আর কিছু মানুষের স্বর্গ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: সেই মহিলার আর খোঁজ নাই।

কুরবানীর ঈদের পর তার জন্য কিছু একটা করতে চেয়েছিলাম।
উনাকে আমি বললাম। ব্যাপারটা রাজীও করালাম।

রোহান ভাই এর খুব আগ্রহ ছিল ব্যাপারটায়। ঈদের পরেই আমিও উনার সাথে মিলে কিছু একটা করব বলে কথা দিয়েছিলাম।

পরে ঐ মহিলা গ্রামে চলে যান।
ওখানে নিজের মত আছেন।
উটকো কোন ঝামেলা নাকি চান না।

আমি কী বলতে পারি !!!

৩১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৭
মৈত্রী বলেছেন: ৩ মাসের বাচ্চাকে বেয়নেট চার্য করছিল?
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: ওরা করলে আমি কী করুম?

চার্জ মানে আমি বুঝাইছি বেয়নেট দিয়েই মারছিল।
এইটার কারণ আছে, তাদের ধারণা মা আশেপাশে থেকে দেখতেছে। বাচ্চাকে কিছু বললে বের হয়ে আসবে।

এরকম কাহিনী অনেক শুনেছি যে, ৪-৫ মাসের বাচ্চাকেও যাওয়ার সময় নিয়ে গেছে। এতে পালিয়ে থাকা মা, পরে খোঁজ নিতে যেন ক্যাম্পে যায়। আর, বাবা গেলে তাকেও মেরে ঝুলিয়ে রেখেছিল, যেন স্বামীর লাশ আনতে হলেও বাচ্চাটার মা কে যেতে হয়।

চার্জ মানে আপনি কী বুঝেন?

যাই হোক, বিশ্বাস অবিশ্বাস আপনার। পাকিদের কীর্তি অনেকেই বিলিভ করে না। তাদেরটা তাদের ব্যাপার।

৩২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
নীরজন বলেছেন: সকাল সকাল মনটা খারাপ হয়ে গেল............

এমনিতে আমি অনেক আশাবাদী মানুষ কিন্তু এইসব ভাবলে সামনে কোন আলোই দেখি না.............মনে হয় আস্তে আস্তে গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যাবে এই জাতি.........
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: আসেন, আমরা ভাল থাকার চেষ্টা করি।
এ ছাড়া আর কীই বা করতে পারি !!

৩৩. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩২
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আপনার কলম সবকিছুর কথা বলে। কাল রাতেই আপনের লালগপ্পো পড়ে ধারনা করেছিলাম, আপনে মজার মানুষ। আজ এই লেখাটা পড়ে মনে হলো, এতো গভীরভাবেও লিখতে পারে কেও?

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

৩৪. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৭
সামিউর বলেছেন: আশায় আছি একদিন সব অন্যাই আবিচারের বিচার হবে। ফিউচার জেনারেশন আমাদের ভুল গুলো থেকে শিখবে। ভবিষ্যত বাংলাদেশ হবে সুন্দর। মা-বোনরা তাদের প্রাপ্য সম্মান পাবে।

কিন্তু আফসোস হয় এমন সুন্দর দিন আমি হয়তোবা দেখে যেতে পারবোনা।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: দ্য জন্মানো শিশুরও সম্ভবত এমন আফসোস করলে ভুল হবে না।
আমাদের এই আশা পূরণের আরও বহু পথ বাকী।

আমার এখনও ভীতু।
কারণ, জ্যীদের মরতে দেখেছি চোখের সামনেই।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
রাজসোহান বলেছেন: পুরা জটিল লেখা++++++++
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৩৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৭
টিনটিন` বলেছেন: দিলেন, মনটা খারাপ করে? সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে যাই, তাহলে বাংলাদেশকে আমরা অনেক অনেক বদলে দিতে পারি।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: তা ত অবশ্যই।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩৭. ২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১২
সুবিদ্ বলেছেন: আমাদের ব্যর্থতার এই কথাগুলো বারবার স্মরন করিয়ে দেয়া উচিত......প্রশ্নে প্রশ্নে ক্ষতবিক্ষত করা উচিত আমাদের

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৪২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি রিজভান হাসান। ডাক নাম আকাশ আর ব্লগ নিক আকাশ_পাগলা নিয়ে চলছি বেশ কিছু বছর। আমার স্থায়ী ঠিকানা হল http://wings.rizvanhasan.com...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ