আমার খুব কাছে এক দোস্ত, যার বাসাও আমার খুব কাছাকাছি তাকে “হিপহপ” রোগে ধরছে
ঘটনা হইল ঘটনা এখানেই শেষ না। তার এই রোগের কারণ বের করলাম। সেটা হল হিপহপ সোসাইটি। বালাদেশের আনাচেকানাচে এখন হাজার হাজার র্যাপার। এরা যে শুধু র্যাপ করে ব্যাপারটা সেখানে শেষ না। এরা গ্যাংস্টার র্যাপ করে।এদের এই বিশেষ র্যাপ খালি অমুক ব্যাক্তি তমুক ব্যাক্তিকে পঁচানো আর বিশেষ বিশেষ অশ্লীল গালি বেইজড। এমিনেম আর ৫০ সেন্টের মত আরকি ! একেকজন একেকজনকে পঁচাইতেই থাকে। দুইদিন পর পর ট্র্যাক বের করে আর কার ফ্লো কত বেশি সেটা দিয়ে রিসপেক্ট লেভেল পরিমাপ করা হয়।
শুনতে খারাপ লাগে না। তবে কী না, আই কান্ট লিভ অনলি অন দিজ থিংস। কিন্তু তারা পারে। শুধু গলায় না মননে আর আচরণে আর অতি অবশ্যই বেশভূষায়।
ত ঘটনা হল দোস্ত আর কিছু পোলাপানের(এরা দোস্তের দোস্ত, আমার পূর্ব পরিচিত) সাথে রাস্তার ঘুরতে ঘুরতে দোস্ত আমাকে পরিচয় করিয়ে দিল তার আরেক র্যাপ পার্টনারের সাথে। তার নাম হল, এমসি স্যাম। আমি বললাম, “ত, স্যামভাই কী করেন? কই পড়েন?” হঠাৎ দেখি পোলাপান চুপ। বুঝলাম না কিছু। সবাই দেখি আমার দিকে ঘুরে তাকাইছে। আমি ত ডরায়া গেলাম, হায় হায় কী না কী করে ফেলসি
ত ফেরত আসার সময় আমার দোস্ত আর অন্যান্য পোলাপানরে বললাম, “স্যামভাই এমন করল ক্যান?” এইবার দেখি পোলাপান পুরা চ্যাতা আমার উপর। পারলে আমারে রিকশা থেকে ফালায়া দেয়। আমি আবারও কেন স্যামভাই বললাম
কয়দিন আগে আবার গেছি সেই দোস্তের সাথে দেখা করতে। হঠাৎ খেয়াল হওয়াতে জিজ্ঞাসা করলাম, “কী রে মাম্মা, এমসি স্যাম এর খবর কী তা?” এইবার দেখি আমার দোস্ত চুপ। আমি এইবারও টাশকি খেয়ে ভাবতে লাগলাম যে এখন আমার কী করলাম
উফফফ, সারাজীবনে এমন হাসা হাসি নাই। কোথায় এমসি স্যাম আর কোথায় ওর সত্যিকারের নাম জামিল
তবে, সেইদিন এমসি স্যাম ছেলেটাকে আমার খারাপ লাগে নাই
© আকাশ_পাগলা
(এই সিরিজের এটা ৮ নাম্বার প্যাকেজ পর্ব সম্ভবত।)
বাকি পর্বগুলা এখানে দেখতে পারেন
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




