তসলিমাকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত
২৫ শে জুন, ২০০৭ দুপুর ২:৫৩
একটু আগে পড়ছিলাম দৈনিক আমাদের সময়ে লেখা আলোচিত লেখক তসলিমা নাসরিনের কলাম -তুমি ভালো থাকো প্রিয় দেশ! পড়তে পড়তেই মনটা বিষন্ন হয়ে উঠলো! আগস্টের ১৭ তারিখ মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর অনুমতি না পেলে ভারত ছাড়তে হবে তাকে।
ভারত তো ছাড়তে চানই তসলিমা নাসরিন। ফিরে আসতে চান প্রিয় স্বদেশে; যেখানকার আলো বাতাসে বেড়ে উঠেছেন।যেখানে অনেক স্মৃতি জমে আছে তার। কিন্তু সে সুযোগ তার জন্য নেই।
তসলিমার অপরাধ? আমাদের তথাকথিত মৌলবাদীদের ঠুনকো ধর্মানুভুতিতে আঘাত হেনেছেন! ধর্মের বড় ক্ষতি করে ফেলেছেন! তাকে দেশে ফিরতে দিলে সর্বনাশ হয়ে যাবে! হাস্যকর সব যুক্তি।
কিন্তু যাদের প্রনোদণায় হয়ে উঠেছেন আজকের এই তসলিমা নাসরিন, তারাও নিশ্চুপ। ক' প্রকাশের পর তাদের মুখও বন্ধ। তাকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত এই কথা এখন খুব কম মানুষই বলছেন।
আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি তসলিমা নাসরিনকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত। তার লেখার জবাবটা লেখা দিয়েই হওয়া উচিত। আর ধর্ম তো আর এতো ছোট বিষয় নয় যে একজন তসলিমা নাসরিন ভুল ধরলেই তাতে পচন লেগে যাবে! এভাবে কারো দেশে ফেরার অধিকারটুকু কেড়ে নেয়ার কোন মানেই হয়না।
.................
তসলিমা নাসরিনের কলামের কিছু অংশ তুলে ধরা দিলাম-
ভারতে থাকার অনুমতি না পেলে আমি কোথায় যাব, আমি জানি না। দূরে কোথাও কোনও বরফের দেশে আবারও আমাকে আশ্রয় খুঁজতে হবে- এরকম ভাবা আর মৃত্যুর কথা ভাবা আমার কাছে অনেকটা একই রকম। আমি তো আর একটি দেশে ফিরতে পারতাম, যে দেশটি এখন আমার প্রতিবেশী দেশ! কিন' ফিরব কী করে, সে দেশে আর যে-কারওরই অধিকার থাকুক পা দেবার, আমার নেই। আমি যেন দেশটির ভীষণ শত্রু, আমার জন্য দরজা চিরকালের মতো বন্ধ। মানবতার কথা বলা বা সমানাধিকারের দাবি করাকে তো অন্যায় হিসেবে জানি না কোনও দিন। শাসকের চোখে, কট্টরপন্থী, সাম্প্রদায়িক, ধর্মান্ধদের চোখে তা ভীষণ অন্যায়। আমাকে নির্বাসন দণ্ড দেয়া হয়েছে সেই কবে, যুগ পেরিয়ে গেল। যাবজ্জীবনেরও তো একটা শেষ থাকে। আমার এই দণ্ডের কোনও শেষ নেই। সম্ভব মৃত্যু ছাড়া এই নির্বাসন থেকে মুক্তি নেই আমার।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, ১৯৯৯ রাত ১২:০০
নৈয়ায়িক বলেছেন:
তসলিমাকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত
শাওন বলেছেন:
হু ঠিক । দেশে ফিরিয়া বিচার করা উচিৎ ।
আপন তারিক বলেছেন:
শাওন আমিও তোমার সাথে একমত। দায়ী হলে অবশ্যই বিচার করা উচিত।
শাওন বলেছেন:
আমিও সেটা মানি । তবে দেশে এনে ।
কাশেম বিন আবু বকর বলেছেন:
তসলিমাকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত। তার বিচার আল্লাহ করবে।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
দেশে ফিরতে দেয়া উচিত তসলিমাকে!
অনন্তমৈথুন বলেছেন:
তসলিমা কে?
আপন তারিক বলেছেন:
কাশেম ভাই আমি এই কথাটাই বলতে চেয়েছিলাম।
সততা বলেছেন:
বই ছাপালে বিচার হবে!! ব্লগে লিখলে হবে না?
নুর3ডিইডি বলেছেন:
"সম্ভব মৃত্যু ছাড়া এই নির্বাসন থেকে মুক্তি নেই আমার।"তাকে মৃত্যুর কথা ভাবতে দিন, মৃত্যুর কথা ভাবলে সৃষ্টি কর্তাকে চিনা যায়।
মদন বলেছেন:
তসলিমা ব্লগে আইসা লেখুক।
যদি তসলিমা নাসরিন আবার দেশে ফিরে আসতে চায় তবে সরকার এ ব্যাপারে কোন পন্থা অবলম্বন করবে, এটা একটা দেখার বিষয়। আমার মনে হয় সরকার এই মুহুর্তে স্পর্শকাতর (এর সংগা একেক জায়গায় একেকরকম) বিষয়ে নীরবতা পালনের পন্থাই গ্রহন করবে। আমার মনে হয়, তসলিমার ভারত থাকার মেয়াদ বড় ভুল সময়ে শেষ হচ্ছে।
কিংবা, তসলিমা হয়ত বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে একে দেশে ফেরার সুসময় মনে করছেন।
যাই হোক, আমার মতে তাকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত। এটা তার অধিকার।
মদন বলেছেন:
সৈয়দ শামসুল হক, ইমদাদুল হক মিলন রা চাইবে কিনা ভেবে দেখার বিষয়।
মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন:
তসলিমার লেখার মধ্যে যে বিদ্বেষাত্মক ভঙ্গি দেখা যায়, তাতে মনে হয় ভাগ্যিস তার হাতে অস্ত্র নেই, থাকলে তার সাথে মৌলবাদীদের কোন পার্থক্য থাকত না। শুধু সে হত ইসলামবিরোধী মৌলবাদী। মানুষ ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতেই পারে। কিন্তু সেটার মধ্যেও একটা ভদ্রতা, শালীনতা থাকা উচিত্।
রবিনহুড বলেছেন:
দেশে ফিরে কি করবেন? কিছু উত্তেজক কথা বার্তা বলার জন্য বিদেশ ই ভাল। দেশটাকে ঠান্ডা থাকতে দেন।
কৌশিক বলেছেন:
তসলিমাকে অবশ্য অবশ্যই দেশে ফিরতে দিতে হবে। কোন বাঞ্চোত সরকারের তাকে দেশছাড়া রাখার অধিকার নাই। শুয়োরের বাচ্চা ফতোয়াবাজরা পরে জেএমবি করেছে আর তসলিমা এখনও নির্বাসনে! সালাদের ধোনের জোর নাই, কেবল তসলিমার ওপরে ফুটানি দেখায়!
তীরন্দাজ বলেছেন:
আমি তসলিমাভক্ত নই। তারপরও তাঁর দেশে ফেরার অধিকারকে সমর্থন করি।এ অধিকার হরণ করা অণ্যায়!
আপন তারিক বলেছেন:
মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবারই আছে। আপনারা যেমনটা করলেন। আর কারো নিজের দেশে থাকার অধিকারও কেউ কেড়ে নিতে পারেনা। ধর্মে বিশ্বাস থাকা মানুষদের অনন্ত এটুকু বোঝা উচিত যে তসলিমা ইসলাম বিরোধী কথা বললে তার বিচার আল্লাহ করবেন @মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) এবং রবিনহুড
অনন্তমৈথুন বলেছেন:
তলেতলে কিন্তু তসলিমার জন্য ঠিকই লালা ফালায় শুওরের বাচ্চারা..
নুর3ডিইডি বলেছেন:
"তসলিমাকে অবশ্য অবশ্যই দেশে ফিরতে দিতে হবে। কোন বাঞ্চোত সরকারের তাকে দেশছাড়া রাখার অধিকার নাই। শুয়োরের বাচ্চা ফতোয়াবাজরা পরে জেএমবি করেছে আর তসলিমা এখনও নির্বাসনে! "কৌশিক ভাই, আপনি কি মনেকরেন, জেএমবির ফাঁসি হয়েছে, তসলিমার ও হওয়া উচিৎ?
রক্ষণশীল বলেছেন:
ভদ্র মহিলাকে পুরুষদের ন্যায় রাস্তাতে দাড়িয়ে পশ্রাব করার স্বাধীনতাও দেয়া উচিত।
মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা) বলেছেন:
বিশ্বেস একশ কোটি মানুষের বিশ্বাসকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করবে, আর বিচার করা যাবে না? আমার মতে ফতোয়াবাজরা এবং তসলিমা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ মাত্র। যারা ফতোয়াবাজদের বিরুদ্ধে গলা ফাটিয়ে চিত্কার করে তাদের মমতা তসলিমার জন্য এত উথলে পড়ে কেন, সেটাই বুঝি না।
কৌশিক বলেছেন:
হাজার হাজার তসলিমা খাড়াইয়া মুতবো তাদের মৌলভীদের কোন চ্যাট? তারা ইচ্ছে করলে বোরখা পইড়া হাটুক কোন খানকির পোলা কি কইবে!
আপন তারিক বলেছেন:
হ অক্ষমের আর্তি!
ঝরা পাতা বলেছেন:
অবশ্যই দেশে ফিরতে দেয়া উচিত। তসলিমার 'ফরাসী প্রেমিক' বইটা পড়েছেন আপনদা?
আপন তারিক বলেছেন:
হু ; পড়ছি বস!
ঝরা পাতা বলেছেন:
এই বইটা কোন আলোচনার শিরোনাম হয় না। আর 'ক' নিয়ে সংসদও রম্য করে।
আপন তারিক বলেছেন:
আসলেই, আমাদের কাজ কারবারই এমন!
অন্ধকার বলেছেন:
আসতে দেয়া হোক।
গোপাল ভাঁড় বলেছেন:
ভাত পাইনা চা খাই, হোন্ডা নিয়া হাগতে যাই @ আমরা
আবু সালেহ বলেছেন:
মোটেও না......
সাইমুম বলেছেন:
আপন ভাই খেয়াল রাইখেন, এব তারেক কিন্তু জায়গামতো গিয়ে খাড়ায়া আছে। কেমন আছেন? এদিকে তো ভুলেও আসেন না। আমাকে এভাবে ভুল কইরা ভুইল্লা গেলে চলবো?
হোসেইন বলেছেন:
তসলিমাকে অবশ্য অবশ্যই দেশে ফিরতে দিতে হবে। কোন বাঞ্চোত সরকারের তাকে দেশছাড়া রাখার অধিকার নাই। শুয়োরের বাচ্চা ফতোয়াবাজরা পরে জেএমবি করেছে আর তসলিমা এখনও নির্বাসনে! সালাদের ধোনের জোর নাই, কেবল তসলিমার ওপরে ফুটানি দেখায়!
অমনিবাস বলেছেন:
সাদেক ভাইর কমেন্টের জন্য ৫
সাইমুম বলেছেন:
আপন : কার যেন কবিতা পড়েছিলাম : তসলিমা গো এই অসুখেই ঘুম আসে না রাতে।স্মৃতি দুর্বল হয়ে গেছে।
সাইমুম বলেছেন:
আপন : আপনার আইডিতে ছাপ্পড় মারা পিচ্চি পোলাডাই কি আপনার ছোট ছেলে জিসান?
আপন তারিক বলেছেন:
নাউজুবিল্লাহ !!! কি কন এই সব! এইডা তো আমিই ...
দিগন্ত বলেছেন:
"আমি তসলিমাভক্ত নই। তারপরও তাঁর দেশে ফেরার অধিকারকে সমর্থন করি." - আমিও একমত। কিন্তু সন্দেহ নেই সেটা দেশে বিশৃঙ্খলতার সৃষ্টি করবে।




















