somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাড়ি দে মাড়ি দে

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক দিন আগের কথা, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিকে প্রায়ই কৌতুক বলার আসর বসতো ক্যাম্পাসে। তবে শর্ত ছিল অবশ্যই আদি রসাত্নক হতে হবে। এক দিন নোয়াখাইল্লা আবেদ কৌতুক বলবে। কৌতুকের টাইটেল মাড়ি দে মাড়ি দে। আমরা প্রথমে বুঝতে পারি নাই মাড়ি দে এর মানে। যাইহোক আবেদ শুরু করলো -

শহরের সব ছাইয়া নামকরা নর্তকীর ড্যান্সের অনুষ্ঠা ন হইতেসে । তার ড্যান্সের আসল আকষর্ণ হইতেসে ড্যান্স কইরতে কইরতে হে গায়ের ব্যাক কাপড় খুলি ফালায়। একদিন যেই কাপড় খুইলবো অমনি দর্শকগো থন একজন ছিল্লাই উঠলো মাড়ি দে মাড়ি দে। নর্তকী তো রাগে নাইছ বন্ধ করি দিলো। পঁছা ডিম না কি মাড়ি দেয়। আয়োজকরা অনেক কষ্টে বুজাইয়া হেতিরে নাইছতে পাঠাইলো। কিন্তু যেই কাপড় খুইলবো আবার মাড়ি দে মাড়ি দে কইয়া ছিল্লান দি উডে। শেষমেষ আয়োজকরা ঠিক করলো আবার যেই ছিল্লান দিবো সাথে সাথে দর্শকগো উফরের লাইট জ্বালায় দিয়া দেখবো কে ছিল্লায়। যাইহেক এইবার কাপড় খুলনের লগে লগে যেই ছিল্লান দিসে আর সাথে সাথে লাইট জ্বলি উঠলো। দেখা গেলো নাইছ দেখি উত্তেজিত হইয়া দর্শক বেকগুলান হাত মাইরতেসে, খালি এক জন মাড়ি দে মাড়ি দে কই ছিল্লাইতেসে কারণ অর দুই হাতই নাই।

এতক্ষণে বুঝা গেল মাড়ি দে এর মর্তবা। সবাই একমত হয়ে এই কৌতুককে সেদিনের সুপারহিট এর মর্যাদা দিলাম। আমি বললাম আবেদ ঢাকাইয়া হলে কৌতুকের টাইটেল হতো মাইরা দে মাইরা দে আর ঘটি হলে মেরে দে মেরে দে। শাহ্জাদা যোগ করলো বরিশাইল্লা হলে মারিয়া দে মারিয়া দে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:১২
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×