ড: মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ তাঁর 'বাঙ্গলা ব্যকরণ' বইয়ে আঞ্চলিক ভাষার নমুনা দিয়েছেন এইভাবে :
সাধু ভাষা : এক লোকের দুইটি ছেলে ছিল।
কলকাতা-নদীয়া : অ্যাকজন লোকের দুটো ছেলে ছিল।
খুলনা-যশোর : অ্যাকজন মান্সির দুটো ছাওয়াল ছিল।
মানভূম : এক লোকের দুটো বেটা ছিল।
মেদিনীপুর : এল লোক্কার দুই পো থাইল।
মালদহ : য়্যাক ঝোন ম্যানশের দুটো ব্যাটা আছলো।
বগুড়া : য়্যাক ঝনের দুই ব্যাটা ছৈল আছিল।
রংপুর : একজন ম্যানশের দুইক্না ব্যাটা আছিল্।
ঢাকা : একজন মানসের দুইডা পোলা আছিলো।
ময়মনসিংহ : য়্যক জনের দুই পুত্ আছিল।
সিলেট : এক মানুশর দুই পোয়া আছিল।
চট্টগ্রাম : এগুয়া মানশের দুয়া পোয়া আছিল্।
নোয়াখালী : একজনের দুই হুত আছিল।
দেখা যাচ্ছে উপরের নমুনায় বরিশাল বাদে বাংলার প্রায় সব অঞ্চল কাভার হয়েছে। কৌশিক নিশ্চয়ই শিঘ্রি বরিশালের টা দিয়ে দিবেন। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে নোয়াখালীর ভাষা। কি সুইট আর স্মার্ট ! বাংলা ভাষা প্রমিত করণ আন্দোলনে আমি নোয়খানীকে ভোট দিব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



