বিশেষ মতিবেদক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরীফ এনামুল কবির দুদু মিঞা বলেছেন, উচ্ছৃঙ্খল ছাত্রছাত্রীদের জ্বালাও-পোড়াওয়ের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপার সম্ভাবনাময় তিন ছাত্রকে আজীবন বহিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে উপাচার্য দুদু মিঞা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লে একটু আধটু মারপিট মদ্যপান মাগীবাজী হয়ই। সবাই করে। আমরাও করেছি। কিন্তু তার জের ধরে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার মত বড় শাস্তি কেন দিতে হবে?
দুদু মিঞা বলেন, তাদের একমাত্র অপরাধ তারা ছাত্রলীগ করে। সব মাছই গু খায় কিন্তু দোষ পড়ে টাকী মাছের উপর।
নিহত জুবায়ের আহমেদ সম্পর্কে উপাচার্য বলেন, সে ছিল একটি অভিশাপ। সে নিজেও ছিল ছাত্রলীগের একটি বড় সন্ত্রাসী। সে সবসময় একটি পানির গ্যালনে করে মদ সঙ্গে রাখতো। উপাচার্যের বাড়ির বারান্দায় পিশাব করত। কামান বন্দুক নিয়ে সাধারন ছাত্রদের দৌড়ানি দিত। অজ্ঞাত পরিচয় কিছু লোক তাকে সেদিন আচমকা ধরে ছুরি মারে। উপাচার্য বলেন, সামান্য ছুরির ঘায়ে সে মুর্ছা যায়। মস্তানি করতে গেলে কাঠবডি নয়, ইস্টিলের বডি থাকতে হবে।
শরীফ এনামুল কবির বলেন, কতিপয় বেয়াদব ছাত্রছাত্রী জুবায়েরের মৃত্যুর পর তুমুল ভাংচুর গন্ডগোল করে। ফলে দুইজন অপার সম্ভাবনাময় প্রানীবিদ ও একজন কালজয়ী দার্শনিককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করতে হয়।
দুদু মিঞা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃনা করতে হবে। খুনীকে নয়, খুনকে ঘৃনা করতে হবে।
তিনি মতিবেদকের হাতে একটা গোলাপ ফুল দিয়ে বলেন, মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি।
সূত্র: মতিকণ্ঠ
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





